somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

‘‘কোথায় তুমি আজকের সুপারস্টার’’ মার্কা আমদানিকৃত সংস্কৃতি ও নারী-সৌন্দর্যের বাণিজ্যিকীকরণ

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পটুয়াখালীর খন্দকার সোহেল অর্থের অভাবে চিকিৎসা না করতে পেরে হারিয়েছে আংশিক বাকশক্তি। শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিসাধীন লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত সাড়ে চার বছরের স্বর্ণালী মৃত্যুশয্যায়। (০৪/০৮/০৯নয়াদিগন্ত)। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র লাবলু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষ প্রায় (০৩/০৮/০৯ নয়াদিগন্ত) সাহায্যের আবেদন। এগুলো বাংলাদেশের খন্ডচিত্র। খন্দকার সোহেল ব্যাংকে একটি হিসাব খুলে এক বছরে একটি পয়সাও পায়নি। তার আক্ষেপ দেশে কি একজনও হৃদয়বান নেই! তবু সে আশাবাদী। মানুষের দৃষ্টি কোথায়? সাংবাদিকদের ক্যামেরার লেন্স কোথায়? কোথায় ক্লিক ক্লিকে ব্যাস্ত ?ক্যামেরার লাইটের ফ্লাশ কি অসহায় সোহেল এর উপর পড়েনা ? কিভাবে পড়বে? তাদের ক্যামেরার লেন্স তো সুপারস্টারদের খোঁজে! ক্যাটওয়াকরত সুপারস্টারদের দিকে তাক করে আছে লেন্স! কে হবে গাড়ীর মালিক! লাবলু সোহেল মরুক তাতে বহুজাতিক কোম্পানির কি আসে যায়! লাবলুর পেছনে বিনিয়োগ করলে মুনাফা! অসম্ভব। ‘‘কোথায় তুমি আজকের সুপারস্টার’’-অনুসন্ধানে কোটি কোটি বিনিয়োগ। এখানেই সুদ আসলসহ লাভ। সাথে নারীর নয়, নারীর সৌন্দর্যের ক্ষমতায়ন। এই হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদীদের চরিত্র। নিয়ন্ত্রণহীন পুজিঁবাদের নিকৃষ্ট রুপ।এই বল্গাহীন বেপরোয়া পুঁিজবাদী থেকে বিশ্ব মানবতা কে রা করুন। বহুজাতিক কোম্পানীর নগ্ন থাবা থেকে নারী জাতির বাণিজ্যিকীকরণ করা বন্ধ করতে ঐক্য বদ্ধ হোন। নতুবা দেশের নৈতিক বিকৃতির অতল গহ্ববরে নিয়ে যাবে এই রুচিহীন সাম্রাজ্যবাদী কোম্পানীগুলো। নারীকে ভোগ্যপণ্য হিসাবে উপস্থাপন করে মহাবিপর্যয় ডেকে আনবে। আর তার অনিবার্য ফল হিসাবে আমরা পাব নৈতিক বিশৃঙ্খলা। আরো বহুগুন বৃদ্ধি পাবে নারী জাতির প্রতি সহিংসতার মাত্রা । আমরা কেন নিরব? নারী কে পণ্য হিসাবে উপস্থাপন করে নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো উস্কে দিচ্ছে বিকৃত রুচির অধিকারী এই বহুজাতিক কোম্পানীর কর্ণধরেরা। এই নিকৃষ্ট প্রবনতা মেনে নেওয়া যায়না। কোন সচেতন বিবেকবোধসম্পন্ন ব্যক্তি বরদাশত করতে পারেনা। মানুষের মনুষ্যত্ব যদি নূন্যতম অবশিষ্ট থাকে তাহলে রুখে দাড়ানো উচিত। অর্থের দাপট দেখিয়ে যারা দেশকে বিপর্যস্ত করছে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। পাশ্চত্যের দিকে তাকান নারীর সৌন্দর্য কে পুঁজি করে তারা ব্যবসা করে কী অনিবার্য ফলাফল তারা পেয়েছে। পরিবার ভাঙ্গন , পিতৃমাতৃ পরিচয়হীন সন্তান, যৌন বিকার গ্রস্থ সমকামী সমাজ তাদের এই তথাকথিত আধুনিক সভ্যতার অবদান। সাথে পেয়েছে মরণঘাতী ব্যাধী এইডস্ । যৌন উত্তেজক পোশাক তাদের এই বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এছাড়া পেয়েছে আরো নিত্য নতুন রোগ ব্যাধী বিভিন্ন ক্যান্সার। কোলন ক্যান্সার, লেকটাম ক্যান্সার, ইউটেরাস ক্যান্সার , ব্রেস্ট কান্সার এ সব আধুনিক রোগব্যাধী। যা আধুনিক অপকর্মের আধুনিক ফল। একজন খুনী শুধু একজন কেই খুন করে কিন্তু কাউকে যদি চরিত্রহীন বানানো যায়, মানসিক চিন্তাচেতনার বিকৃত ঘটানো যায় তাহলে তা আরো ভয়াবহ হয়। কারণ সে গোটা জাতির জন্য হুমকি হয়ে পড়ে। আমাদের দেশে বহুজাতিক কোম্পানী সে কাজেই মাঠে নেমেছে। সাথে একাট্রা হয়ে যোগ দিয়েছে কিছু স্বার্থান্ধ গণমাধ্যম। নতুন করে আবারো শুরু করতে যাচ্ছে ‘কোথায় তুমি আজকের সুপারস্টার’ নামে। এই সব বিকৃত পুঁজিবাদীরা তরুণ-তরুণীদের চারিত্রিক অবক্ষয়ের অভিযানে নেমেছে। চরিত্রহীনতাকে তারা উস্কে দিয়ে তাদের সাম্রাজ্যবাদী অভিলাষ পূরণ করতে চায়। তারা ভোগবাদ বর্ণবাদ কে উস্কে দিয়ে সামাজিক বৈষম্য তৈরী করতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নারীকে ফর্সা করার যে প্রকল্প তারা হাতে নিয়েছে তা সুস্পষ্ট প্রতারণা ছাড়া আর কি? একসপ্তাহ দুই সপ্তাহের মধ্যে কালো একবারে ফর্সা করা যদি সম্ভব হয় তাহলে শ্রীলংকান খ্যাতনামা ক্রিকেটার সনাৎ জয়সুরিয়ার কানে কি এই খবর পৌছেনি? বরং এর মাধ্যমে নারী জাতিকে হেয় করা হচ্ছে। একজন নারীকে ল্যাপটপ ধারণকারী বা বিলাসবহুল নিশান মার্সিডিজ গাড়ীর সামনে মোহনীয় কমনীয় ভঙ্গিতে স্বল্পবসনাবৃত অবস্থায় দাঁড় করিয়ে গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা কোন রুচিশীল মানুষের কাজ হতে পারে? আর যারা এই সব নগ্ন সংস্কৃতিকে যারা জড়িত তাদেরই বা আত্মসম্মানবোধ কোথায়? কোন ব্যক্তিত্ববান নারীর পক্ষে কি সম্ভব অমার্জিত যৌন আবেদনময়ী পোশাক পরে নিজেকে উপস্থাপন করা? হ্যাঁ, আমরা জানি হয়তো বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কিছু তরুণী প্রেক্ষাপটের শিকার হয়ে বা তথা কথিত "অপরুপা"য় ভূষিত হওয়া বা সহজে মিডিয়ায় কাভারেজ পাওয়ার জন্য এসব কুৎসিৎ ক্রিয়াকলাপে যুক্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু নারী জাতিকে মনে রাখতে হবে তারা যদি তাদের সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে চায়, তাদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ করতে চায় তাহলে তাদেরই সর্বপ্রথম এগিয়ে আসতে হবে। বহুজাতিক কোম্পানীর ‘ লাক্সের সাথে গ্লামারাস জড়িত আছে’ এই সব ভন্ডামিপূর্ণ কথাবার্তা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে নিজের আত্মসম্মান বোধের প্রতি অটল থাকা উচিত। নতুবা যতো বেশি ‘সেনসেশনাল’ গ্লামারাস’ উপাধিতে ভূষিত হওয়ার জন্য তীব্র আবেগে দিশেহারা হয়ে ‘কোথায় তুমি আজকের সুপাস্টার’ -এ ধাবিত হবেন ততো বেশি পুজিঁবাদীদের পণ্যে পরিণত হবেন এবং অবশেষে নিজেরাও তাদের পণ্যের ভোক্তা হতে হবে। দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল মানুষের আদৌ কি কোন ভবিষ্যৎ আছে-শীর্ষক গ্রন্থে বলেছিলেন-এই পৃথিবীতে ক্যান্সার রোধে যে পরিমাণ অর্থ প্রতিবছর ব্যয় করা হচেছ, তার চেয়ে শতকোটি গুন বেশি অর্থ ক্যান্সার সহায়ক পরিবেশ তৈরীর জন্য ব্যয়িত হচ্ছে? অনুরুপভাবে নারী নির্যাতন রোধে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে তার চেয়ে শতগুন বেশি অর্থ ব্যয় করছে নারী সহিংসতাকে উস্কে দেওয়ার জন্য বহুজাতিক কোম্পানীগুলো। বিভিন্ন ফ্যাশন শোতে স্পন্সর করা, স্টার সার্চ এর নামে নারীকে জৈবিকভাবে উপস্থাপন করছে। কারণ এটাই তাদের রাজনীতি। নারী নিপীড়নের শিকার হলে তাদের রাজনীতি করার পথ আরো উন্মুক্ত হয়ে যায়। এইতো দিন কয়েকদিন আগে নোকিয়া কোম্পানী নারীর স্তন ক্যান্সারবিরোধী ক্যাম্পেইন চালাল। অথচ তারা এই ক্যান্সারের মূল কারণ জনগণের সামনে কিছু বলেনি। আবার এরাই এইডস্ দমনে বিভিন্ন তথাকথিত সহায়তা দিয়ে সরকার কে জিম্মি করে ফেলছে। কিন্তু কখনও এইডসের মূল কারণ বলেনা । বরং তারা এইডস বিরোধী কন্সার্টের আয়োজন করে তরুণ-তরুণীদের একত্রিত করে এইডসের অনুকূল পরিবেশ তৈরী করে দেয়। সাথে আছে আমাদের কিছু বহুজাতিক কোম্পানির ক্রীড়নক গণমাধ্যম এবং পাশ্চত্য পোশাক আশাকে অভ্যস্ত কতিপয় তথাকথিত নারী পপ গায়ক যাকে বলা যায় শব্দ দূষক আমার এক শিক্ষক অন্তত তাই বলেন। এদের দিয়ে আবার কন্সার্ট করে তরুণ-তরুনীদের ‘ভাল কাজে’র শপথ নেওয়া হচ্ছে। আজিব তামাশা!এখন এইসব বহুজাতিক কোম্পানীর বিরুদ্ধে আমাদের প্রয়োজন এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। চুপচাপ মেনে নেওয়ার কোন সূযোগ নেই। নতুবা এইসব অপসংস্কৃতি মুক্তভাবে চলতে থাকলে ভয়াবহ পরিণত হবে। কয়েকদিন আগে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ছিল এইডস্ বিষয়ে। যেখানে এইডস্ এর ক্রমাগত বৃদ্ধির হার দেখা গেছে। যা আশংকাজনক। এসব ‘তোমাকেই খুজছে বাংলাদেশ’ -আমদানিকৃত ব্রান্ডের সংস্কৃতির মুনাফা(?)। আমাদের সরকার প্রধান নারী । আমাদের বিশ্বাস তিনি নারীর সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখেন। তিনি এ ব্যাপারে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিজ্ঞাপণের বিলবোর্ডে নারীকে যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে- তাতে নিশ্চয় নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি পায় না। বাংলাদেশের অশ্লীল বিজ্ঞাপন প্রতিরোধ আইন,১৯৬৩ কার্যকর করুন। সাথে এটা বলা জরুরী সরকারী উদ্যোগ কখনও সাফল্যের মুখ দেখবে যদি না জনগণ সহযোগিতা না করে। বিশেষ করে আগেই বলেছি এ ব্যাপারে নারীদের আগে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের সৌন্দর্য সৃষ্টিকর্তার বিশাল অনুগ্রহ । তা অহংকার করে প্রদর্শন করার জন্য নয়। যে সৌন্দর্য অহংকারের কারণ, ক্ষণিকের মধ্যে তা আপনার একটু অসর্তকতার কারণে বিকারগ্রস্থ কোন নরপিশাচের শিকারে পরিণত হয়ে ভূলুণ্ঠিত হতে পারে সকল অহংকার। সর্বশেষে একটি কথা,নারীর মর্যাদা হরণকারী বহুজাতিক কোম্পানীর চেয়ে কোন অংশে তারা কম অপরাধী নয়, যারা এর পৃষ্ঠপোষকতা করে, প্রতিবাদে ফুসে না ওঠে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। বহুজাতিক কোম্পানীর নারীর সৌন্দর্যকে সস্তা পুঁজি বানিয়ে ব্যবসা করা থেকে জাতিকে বাঁচান। আসুন আর চুপচাপ না থেকে প্রতিবাদে ফুসে উঠি, গেয়ে উঠি দীপ্ত কণ্ঠে-খালেদ! খালেদ! দু’ধারী তোমার কোথা সেই তলোয়ার?/তুমি ঘুমায়েছ, তলোয়ার তব সে নাহি ঘুমাবার!/জং ধরেনি ক’ কখনো তাহাতে জঙ্গের খুনে নেয়ে,/হাথেলিতে তব নাচিয়া ফিরেছে যেন বেদুইনের মেয়ে!/ খাপে বিরামের অবসর তার মেলেনি জীবনে কভু,/জুলফিকার সে দু’খান হয়েছে, ও তেগ টুটেনি তবু?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×