somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলা ছায়াছবিঃ ছাগু কেন আবাল-২

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলা ছায়াছবিঃ "ছাগু কেন আবাল" -১

*****বিরতীর ফাকে সকল দর্শক হল থেকে দৌড়ে বের হলেন। কারণ লাদির গন্ধে হলের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল। এই পর্যায়ে হলের কর্মীরা প্রচুর পরিমাণে এয়ার ফ্রেশ্নার মারতে লাগলেন হলের ভিতরে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সবাই আবার নিজ নিজ আসন গ্রহণ করলেন ছবির বাকী অংশ দেখার জন্য। যদিও লাদির গন্ধের রিস্ক আবার থেকে যায় তবুও ছাগুরামের এহেন দূর্দশা দেখে সকলে যে বিমলানন্দ লাভ করিতেছিলেন তাহা হতে কেহই বঞ্চিত হইতে চাহিলেন না।******

দৃশ্যপট ৫

ছাগুরাম যেই মাঠে পড়েছিল সেই মাঠে ছিল কিছু কাঁটাঝোপ। ছাগুরাম মাঠে পড়ে গড়াতে গড়াতে একটা কাঁটাঝোপের কাছে যেয়ে পড়ল। তাহার পশ্চাৎদেশে তখন তীব্র জ্বালানী সরবরাহ চলছে। তারপরেও তার ছাগুস্বভাবের কারণে সে তৎক্ষণাৎ সেই কাটাঝোপ খাওয়া সুরু করল। কিন্তু যেহেতু সে আবাল এবং সেইহেতু সে বুঝতে পারে নাই এর পরিণাম কি হবে, তাই সে তৎক্ষণাৎ সম্মুখ এবং পশ্চাৎ উভয় দেশেই যন্ত্রণা লাভ করল। এই পর্যায়ে দেখা যায় ছাগুরামের মাথার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি কাক তার বিষ্ঠা ছাগুরামের মাথার উপর ত্যাগ করল আর বলল, " ওহে ছাগুরাম তুই তোর আবালত্বের ষোলকলা পূর্ণ করলি, কারণ এখন থেকে তোর মুখ আর পশ্চাৎদেশ সমান যন্ত্রণা প্রাপ্ত, তোর মুখ আর পশ্চাৎদেশে আপাতত কোন মৌলিক পার্থক্য নাই"। ছাগুরাম যথারীতি তার গগণ বিদারী ম্যাৎকার ছাড়ল। পর্দায় দেখা গেল ঘুরন্ত আকাশ এনং সেই সাথে ছাগুরামের তীব্র ম্যাৎকার। এরপর আমরা পর্দায় বিধ্বস্ত ছাগুরামকে দিশেহারা হয়ে দৌড়াতে দেখি সারা মাঠ জুড়ে।


দৃশ্যপট ৬

( ছবির কিছু অংশের শূটিং বিদেশে না করলে কেমন যেন দেখা যায়। তাই আফগানিস্তান, কাজাখাস্তান আর ফাকিস্তানে ছবির কিছু অংশ চিত্রায়িত করা হয়েছে )

কাজাখাস্তানের তুরাতাম রেল ষ্টেশনে কিছু লোক দেখা যাচ্ছে। চেহারায় কেমন যেন ব্লাক বেঙ্গল গোট ছাপ তাদের। হঠাৎ তাদের সামনে উদয় হল রাম ছাগলের মত চেহারার আরেক ব্যাক্তি। রামছাগল ব্লাক বেঙ্গল গোটদের জিজ্ঞাসা করল জিনিস আনছ তো?

ব্লাক বেঙ্গল গোট উত্তর দিল, জ্বী হুজুর।

কি হইছে তোমরা পশ্চাৎদেশে হাতাইতাছ কেন? আসতে কোন সমস্যা হয় নাই তো? প্লেনে, ট্রেনে বইসা বইসা কি পশ্চাৎদেশ ব্যাথা হইয়া গেছে নাকি?

জ্বী না আলাম্পনা, আসলে আমাদের একটু অন্যভাবে আসতে হইছে। আমাদের বর্তমান অধিনায়ক তার প্রথম বিবিরে তালাক দিয়া পঞ্চম বিবাহ করিতেছে তো তাই আরকি আমরা একটু পশ্চাৎদেশ হাতাইতেছি।

কেন তার বিবাহের সহিত তোমাদের পশ্চাৎদেশের সম্পর্ক কি?

না মানে প্লেন ট্রেনের ভাড়া হিসাবে উনি পাকি বাবাদের কাছ থেকে বেশ কিছু রুপী পেয়েছিলেন। কিন্তু তার কেন যেন মনে হল এই রুপীগুলান যাতায়াত কাজে ব্যাবহার না কইরা একটা সুন্নতী কাজে ব্যয় করাই ভাল। হাজার হইলেও সওয়াবের ব্যাপার স্যাপার। তাই আরকি উনি একটু ভিন্নভাবে আমাদের এইখানে পাঠাইয়াছেন।

কও কি? কেমনে পাঠাইল?

উনি প্রথমে কম্পুটারে ব্যাপক হিসাব নিকাশ কইরা বাইর করল আমরা যদি ৩৬ ডিগ্রী এঙ্গেলে তুরাতামের দিকে মুখ কইরা আর সামু ব্লগের দিকে পশ্চাৎদেশ দিয়া দুই চাইরটা পোষ্ট লেখি তাইলে সামু ব্লগাররা আমাদের পশ্চাৎদেশে যে গদাম লাত্থি দিবে তা আমাদের তুরাতামে সরাসরি পৌছে দিতে যথেষ্ট। আর তুরাতামে আকাশ থিকা পড়ার সময় আমাদের পশ্চাৎদেশ মাটির দিকে দিয়া পড়তে হবে। হাজার হইলেও পাকি বাবাদের বহুল ব্যাবহারের কল্যানে আমরা সর্বংসহা পশ্চাৎদেশের অধিকারী হইছি।

জাঝাকুল্লাহ খায়রান। তোমাদের মতই কর্মী আমাদের সরকার। সুন্নতী কাজে পরোক্ষ অবদান রাখার ফল তোমরা মৃত্যুর পর অবশ্যই পাইবা। দরকার হইলে আমি তোমাদের একটা রিকমান্ডেশান লেটার দিয়া দেব কবর দেওয়ার সময়। সেই রিকমান্ডেশান লেটার তোমার তোমাদের পশ্চাৎদেশে কইরা কবরে নিয়া যাবা। তোমাদের আখিরাতের জন্য কোন চিন্তা করতে হবে না। এখন জিনিস দেও।

এই পর্যায়ে আমরা দেখতে পাই ব্লাক বেঙ্গল গোটরা খালি সেজান জুসের বোতলে ভরা কিছু চ্যালা মদের বোতল, কিছু তাড়ির বোতল আর কয়েকটা শার্ক এনার্জী ড্রীংক রাম ছাগলের হাতে দিল। রামছাগলে তখন ব্লা,বে,গোদের জিজ্ঞাসা করল শার্ক এনার্জী ড্রীঙ্ক দিতাছ কেন। আমিতো এইটার কথা বলি নাই।

ব্লা বে গো বলল, আসলে আমাদের জন্য রিটার্ণ টিকিটও কাটা হয় নাই। আমাদেরকে বলা হয়েছে, আপনি যেন শার্ক এনার্জী ড্রীংক খাইয়া আমাদের পশ্চাৎদেশে নিজ দায়িত্বে একটা কইরা গদাম দিয়া দেন। তার আগে আমাদের ফাকিস্তানের দিকে মুখ কইরা বসতে হইব। এতে আমরা সরাসরি ফাকিস্তানের আমাদের চীপের বিবাহস্থলে পৌছাইয়া যাইব। বাংলাদেশের সব মানি চেঞ্জারে উনার ফাকিস্তানী রুপী দেইখাই সবাই গদাম লাত্থি মারার জন্য যেই পা উচা করছে সেই উনি কোনমতে দৌড় মারছে। তাই উনি সম্প্রতি হাট হইতে একটা ছাগী ক্রয় করিয়া, ফাকিস্তান এয়ারলাইন্সের টিকিট কাটিয়া, ফাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইয়াছেন। ইতিমধ্যে হয়তো পৌছাইয়াও গিয়াছেন। এখন দয়া করিয়া আমাদের শার্ক এনার্জী ড্রীংক খাইয়া একটা করিয়া গদাম দিন।

ও আচ্ছা এই ব্যাপার। এটা কোন কথাই না। মনে রাখিও এই পৃথিবীতি যদিও তোমরা গদাম খাইতেছ তবুও পরকালে তোমাদের জন্য অপেক্ষা করতেছে জাহান্নামের আগুন, থুক্কু বেহেশতী হুর।

আচ্ছা হুজুর বেহেশতী হুররাও আবার আমাদের গদাম মারিবে না তো?

না না, কি যে বল। আর মারিলেও সমস্যা নাই। তাহাদের কোমল পদের গদাম খাইতে অত্যন্ত সুমিষ্ট লাগিবে বলিয়াই মনে করি।

( আর ভালা লাগতাছে না লেখতে, ছাগু অধিনায়কের হিসাব অনুযায়ী ৩৬ ডিগ্রী এঙ্গেলে গদাম দিতে হইল দেইখা কষ্ট কইরা হইলেও লেখতে হইল, বাকিটা শীঘ্রই লেখব বইলা আশা রাখি )

চলবে...............
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৮
২৬টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×