
বাসা বদলানো যে কতটা বিরক্তিকর আর সময় সাপেক্ষ তা ভুক্তভোগী মাত্র ই জানেন। আর প্রবাসে মনে হয় আরো বেশি সমস্যার। সব কিছুর শিডিউল বের করা খুব মুশকিল। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম হলো সর্বচ্চ দু'বছর বিশ্বঃ ইন্টান্যাশনাল স্টুডেন্ট হাউজে থাকা যাবে, প্রতিবছর আবেদনের সময় হলো অক্টোবর, কপাল ভালো হলে, পরের এপ্রিলে উঠতে হবে, যা হোক আমি এবং আর একজন বাংলাদেশী পাশাপাশি রুম পেলাম আর জানলাম সেটা ডিসেম্বরে। মোটামুটি অনেক আগেই জানা যায়, প্রস্তুতি নিতে সুবিধা। এদিকে আমি আগে যেখানে ছিলাম, ঐ অফিসকে নিয়ম মত দু'মাস আগে জানালাম যে আমি আর থাকছি না। যা হোক, এরমাঝে আবার নেট প্রোভাইডারের সাথে যোগাযোগ করলাম নতুন রুমে নেটের জন্য। সব কিছু নিয়মকানুন মেনে সম্ভাব্য তিনটা তারিখ দিলাম নেট কানেকশন দেবার জন্য। ঠিক হলো ১লা এপ্রিলে লাইন দেবে। অন্যদিকে ভাবলাম ৩১শে মার্চে নতুন বাসায় উঠতে পারবো। কিন্তু দিনে ঘনিয়ে আসলে খোজ নিয়ে জানলাম ২/৩দিন নতুন বাসার কার্ড কি নিতে পারব, কিন্তু রাত ৯টার মাঝে জমা দিতে হবে, থাকা যাবে না। কি আর করা পুরাতন বাসার অফিসকেও জানালাম ১লা এপ্রিলে বাসা ছাড়বো। ফলে আমি বাধ্য হয়ে ফেঁসে গেলা ডবল শিডিউলে, একদিকে সকালে নেট কানেকশন দিতে আসবে, অন্যদিকে পুরাতন বাসার কিছু ফরমালিটিজ সারতে হবে বাসা বুঝে দিতে। পরে আমার বাক্স পেটরা না এনেই শুধু বাসা বুঝে দিয়ে আমার ঐ দেশি ভাইকে বললাম ওনারটার সাথে আমার বাক্সপেটরা যেন আনেন, কারন দু'জনে মিলেই একটা পিচ্চি পিকআপ ভাড়া করেছিলাম। যাহোক সকালে বাসার অফিশিয়ার কাজ কাম শেষ করে, সোজা দৌড় ক্যাম্পাসে। পায়ে হেঁটে দৌড় দিলাম কারন আগের পুরাতন বাসায় সবার জন্য একটা ফ্রি সাইকেল ছিলো, বাসা বুঝে দেওয়ার আমিও সাইকেলহীন হয়ে পড়লাম, বাসে আসা যায় কিন্তু রুট অনেক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসে, আবার ৪/৫মিনিট হাটতে হবে, সুতরাং পৈত্রিক ঠ্যাংই ব্যবহার করা ভালো।
যা হোক নেট কানেকশন দেবার নির্ধারিত সময়ের ৪০মিনিট পরে আসলাম, কিন্তু ইন্টাঃ হলের ডেস্কে খবর নিয়ে জানলাম কেউ আসে নাই এনটিটি থেকে
আগের পর্বঃ জাপানের ডায়েরী ২৮: আচার নিয়ে অনাচার
আপডেটঃ এনটিটি-র কর্মী আর বিশ্বঃ এর যথাযথ লোক যে নেট সংযোগ বিষয়াদি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এদের মিস টাইমিং এর জন্য সমস্যা হয়েছে। এখন কানেকশন এর কাজ শেষ, কাল থেকে নেট এনাবল হবে আমার জন্য
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



