
Baran (2001)
মাজিদ মাজিদির ইরানি মুভি বারান (অর্থ-বৃষ্টি)...উত্তম-সুচিত্রার আ্যবষ্ট্রাক্ট প্রেমের আবহ আছে এই মুভিতে। আফগানিস্হানের উদ্বাস্তদের ইরানে রিফিউজি জীবন-যাপনের করুণ কিছু চিত্র আছে এতে। কিন্তু কাহিনী আবর্তিত হয় মূলত কুর্দিশ কিশোর লতিফ-কে ঘিরে। নির্মাণ শ্রমিকদের রান্না-বান্নার কাজ করে কিশোর লতিফ..চটুল--একটু বোকাসোকাও। সে শ্রমিকদের মাঝে কাজ করতে আসে আফগান এক কিশোর রহমত। ঘটনাক্রমে সে পায় লতিফের রান্নার কাজ আর লতিফকে করতে হয় শ্রমিকদের হাড়ঁ-ভাঙ্গা কাজ। কিছুতেই সহ্য করতে পারে না সে রমজানকে এই কারণে। কিন্তু একদিন হঠাৎই আবিষ্কার হয় সত্য! মোড় ঘুরে যায় লতিফের জীবনের। সে আবিষ্কার করে প্রেম! তার সারা বছরের বেতন, জমানো সন্চয় সব নিয়ে ছুটে প্রেমের পিছনে....কিন্তু প্রেমের মিলন!

মুভিটিতে সংলাপ খুবই কম..রমজান চরিত্রের কোন সংলাপই নেই!!..মাজিদির অনান্য মুভির মতই দৃশ্যায়নের মুন্সিয়ানা আছে...মুভিটি ইউটিউব ছাড়া অনলাইনে নেই। লিংক এখানে ।
(আপডেট: টরেন্টের একটা লিংক আছে কমেন্টে)

কোরিয়ান মুভি Oldboy (2003) মুভিটি প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য।
মূভিটি আর্বতিত হয় দাই সু-কে ঘিরে। ১৫ বছর ধরে কোন কারণ ছাড়াই তাকে আটকে রাখা হয় এক রুমের একটি ঘরে। এর পর তাকে ছাড়া হয়--হাতে দেয়া হয় একগাদা টাকা, দামী কাপড়, মোবাইল। যে প্রশ্ন তাকে ১৫ বছর ধরে তাড়া করেছে সে প্রশ্নের পিছনে সে ছুটে চলে--কেন তাকে আটকে রাখা হলো ১৫ বছর?
এর বেশি কাহিনী আর বলবো না....যারা হিন্দী মুভি দেখেন আন্দাজ করতে পারছেন সন্জয়ের জিন্দা মুভিটি এর থেকে নকল করা।
মুভিটিতে প্রচুর ভালগার (গোর) আ্যকশন সিন আছে, প্লটে আছে প্রাপ্তবয়ষ্ক টুইষ্ট।
শেষ দৃশ্যে বড় একটি প্রশ্ন জাগবে দর্শকের মনে! অনলাই লিংক আছে এখানে ।

ফরাসী মুভি A Prophet (2009)
১৯ বছর বয়স্ক ফরাসী-আরব যুবক মালিক। ছোট একটি অপরাধের ঘটনায় তার ৬ বছরের জেল হয় । জেল খানায় দু'গ্রুপঃ শক্তিশালী কর্সিকানরা...তারাই নিয়ন্ত্রণ করে সবকিছু। তাদের ডন সিজার লুসিয়ানির নেতৃত্বে। আর আরেকদিকে আরবদের গ্রুপ। কিভাবে মালিক সামান্য অপরাধী থেকে ক্রমেই গডফাদারের স্হানে চলে যায় জেলখানায় থেকেই সে নিয়েই এ কাহিনী। মুভির সাথে নামকরণের কোন স্বার্থকতা আমার চোখে পড়েনি।
টরেন্ট থেকে ডাউনলোড করা যাবে এই লিংক থেকে ।

আজকের পর্ব শেষ করবো সুইডিশ মুভি The Girl with the Dragon Tattoo (2009) দিয়ে। ক্রাইম-থ্রিলার এই মুভিটিও ১৮+ নানা কারণে। ঘটনা আবর্তিত হয় সাংবাদিক মিকাইল এবং তরুণী হ্যাকার লিসবেথকে ঘিরে। মিকাইল ৪০ বছর আগে নিখোজ হওয়া এক তরুনীর (হ্যারিয়েট) বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব পায় ভ্যাঙ্গার গ্রুপের মালিক হেনরিখ ভ্যাঙ্গারের কাছ থেকে। হেনরি মনে করে হ্যারিয়েটকে খুন করা হয়েছে। যদিও তার লাশ পাওয়া যায় নি। তদন্তে ক্রমেই ঘটনার সাথে জড়িয়ে পড়ে ওই পরিবারের অনান্য সদস্যরা। খুন করার চেষ্টা করা হয় মিকাইলকে। সাথে যোগ হয় লিসবেথের জীবনের করুণ কাহিনী। কি হয়েছিলো হ্যারিয়েটের?
অনলাইন লিংক
আগের পর্বঃ সাম্প্রতিক দেখা কিছু নন-হলিউডি মুভিঃ পর্ব-১
ফাউঃ বাংলাদেশের কিছু ছবি
......চলবে.....
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



