পোস্ট আর্কাইভ
- জানুয়ারী,২০১৩(১)
- ডিসেম্বর,২০১২(৭)
- নভেম্বর,২০১২(১৮)
- অক্টোবর,২০১২(১০)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(১৮)
- আগস্ট,২০১২(২৩)
- জুলাই,২০১২(১৯)
- জুন,২০১২(২৩)
- মে,২০১২(৩১)
- এপ্রিল,২০১২(১৩)
- মার্চ,২০১২(১০)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(১৫)
- জানুয়ারী,২০১২(২৫)
- ডিসেম্বর,২০১১(১৮)
- নভেম্বর,২০১১(২০)
- অক্টোবর,২০১১(১২)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(২২)
- আগস্ট,২০১১(২১)
- জুলাই,২০১১(২৯)
- জুন,২০১১(২০)
- মে,২০১১(১৮)
- এপ্রিল,২০১১(২১)
- মার্চ,২০১১(১০)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(২০)
- জানুয়ারী,২০১১(১৩)
- ডিসেম্বর,২০১০(১১)
- নভেম্বর,২০১০(১৫)
- অক্টোবর,২০১০(২৭)
- সেপ্টেম্বর,২০১০(৩০)
- আগস্ট,২০১০(৩৭)
- জুলাই,২০১০(২৫)
- জুন,২০১০(২৬)
- মে,২০১০(৩৮)
- এপ্রিল,২০১০(৩৬)
- মার্চ,২০১০(৩৬)
- ফেব্রুয়ারী,২০১০(৩২)
- জানুয়ারী,২০১০(২০)
- ডিসেম্বর,২০০৯(২৭)
- নভেম্বর,২০০৯(২৪)
- অক্টোবর,২০০৯(৩০)
- সেপ্টেম্বর,২০০৯(৫৫)
- আগস্ট,২০০৯(৪৭)
- জুলাই,২০০৯(৪০)
- জুন,২০০৯(১৮)
- মে,২০০৯(৪৯)
- এপ্রিল,২০০৯(১০২)
- মার্চ,২০০৯(৩৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(১২)
- জানুয়ারী,২০০৯(৩১)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৪৪)
- নভেম্বর,২০০৮(১২০)
- অক্টোবর,২০০৮(৯৮)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
- ইতিহাস (প্রাচীন)
- (গল্প) ভৌতিক
- ইতিহাস
- একদিন
- ঐতিহাসিক গল্প
- কবিতা
- গল্প
- গল্প (জেন)
- গল্প (রহস্য/থ্রিলার/সাইফাই)
- গল্প (রূপকথা/অনুবাদ)
- গান (ইংরেজি)
- গান (বাংলা)
- গৌতম বুদ্ধ
- চিত্রকলা
- জীবনানন্দ
- দর্শন
- ধর্ম
- প্রবন্ধ/নিবন্ধ
- বই পরিচিতি
- বাংলা: ইতিহাস ও ঐতিহ্য
- বিদেশি ভাষার কবি ও কবিতা
- বিবিধ
- ব্ল্যাক
- মরমীবাদ
- মিথ
- যন্ত্রসংগীত
- রবীন্দ্রনাথ
- রাগ সংগীত
- লালন
- শব্দ
- স্বপ্ন ও পরিকল্পনা
আমার প্রিয় পোস্ট
- !!টোনাটুনি পিঠাঘর - বাংলাদেশের ১০১ পিঠাপুলির নাম ও গড়ন বা রচনা সমগ্র!! - শায়মা
- নিলু'স কালেকশন; এক্সক্লুসিভলি ওনলি ওন রান্নাবান্না & খাওন-দাওন
- নীল-দর্পণ
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- বেলাই বিল ঃ দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হইতে দু'পা ফেলিয়া.... - সীমান্তে অসীম
- উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে - আবদুল ওয়াহিদ
- কেওক্রাডং ম্যাডভেঞ্চার... :ফেলোশীপ টু ম্যাডনেস - সুখী চোর
- অ্যা জার্নি উইথ কবিয়াল বিজয় সরকার - বিজয়ের গান - সিরাজ সাঁই
- মানবদেহে বিবর্তনের চিহ্ন - বেঙ্গলেনসিস
- বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ঠিক কোন জিনিষগুলি আমাদের আধুনিক মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে? - ১ - হোরাস্
- মাইজভান্ডারী ধর্মমত ( ২ ) - এম আশিক
- বাংলাদেশের সর্বাধিক দর্শনীয় স্থানের নামের তালিকা: আপনার প্রিয়তে নিতেই হবে - এম. মিজানুর রহমান সোহেল
- এক পোষ্টে সকল বাংলাদেশী মাছঃ মাছ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা, সবার অবশ্য পাঠ্য!! - হিবিজিবি
- আমার সংগ্রহে থাকা কিছু দুর্লভ ছবির কালেকশন .... ইতিহাস কথা বলে - হাসান৭৭৭
- শুভ জন্মদিন ইমন ভাইয়া! - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- পাহাড়, নদী,ঝরনা পেড়িয়ে এক অদ্ভুত স্বর্গরাজ্যে-শেষ পর্ব এবং আমাদের সাতভাইখুম আমিয়াখুম আবিষ্কারের গল্প - শিবলী১২৩
- ইসলামিক স্থাপত্য কলার কিছু মুল বিষয় বস্তু - কিংবা কিভাবে এসেছে আজকের ইসলামিক স্থাপত্য কলা?? - নষ্ট কবি
- আমি কেন হিন্দু? - পাপ্রদজ
- বাংলাপিডিয়াতে বাংলা ফন্ট পড়তে পারছি না- প্লিজ হেল্পান।। - বাক স্বাধীনতা
- ভুমির মালিকানা, স্বাধীন গারো রাজ্য এবং আধিপত্যবাদের কাছে গারোদের আদিম সাম্যবাদী সমাজের পতন - কুঙ্গ থাঙ
- মজিলা ফায়ারফক্সের যেই এড ওয়ান গুলো আমারে পাগল করল
- পুশকিন
বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

কামরান গুহার সাধুগণ
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:২৩ |
![]()
মৃত সাগরের পাড়ে কামরান গুহা।
The Essenes are known to be among the first groups to condemn slavery, and they are supposed to have bought slaves with the aim of freeing them. Tore Kjeilen
আজ থেকে দু-হাজার বছর আগে কামরান গুহায় এসসেনএস নামে একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রধান আস্তানা ছিল । এসসেনএস সম্প্রদায়ের উদ্ভব এবং বিকাশকাল ছিল খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক থেকে দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দ অবধি। নিভৃতচারী এই তরিকার সদস্যগণ কঠোর সংযম ব্রত পালন করতেন এবং মূলধারার ইহুদিসমাজ এড়িয়ে চলতেন।Pristine Christianity বা আদিখ্রিস্টান ধর্মের শিকড়টিও ওই কামরান গুহার সাধুগণের ভাবাদর্শের মধ্যেই নিহিত ছিল। কেননা, স্বয়ং যিশু ছিলেন কামরান গুহার একজন সাধু।
![]()
পরবর্তীতে সাধু পলের ব্যাখ্যায় যিশুর মূল স্বরূপটি অনেকটাই পালটে গিয়েছিল এবং মধ্যযুগে স্বয়ং যিশুর সত্তায় ট্রিনিটি তত্ত্ব আরোপ করা হয়েছিল। এমন কী এসসেনএস সম্প্রদায় মৃতের পনুরুত্থানে বিশ্বাস না করলেও মৃতের পুনুরুত্থানের বিষয়টি খ্রিস্টধর্মের বিশ্বাসের পর্যায়ভুক্ত হয়ে পড়ে।
উপরোক্ত কারণে আদি খৃস্টধর্মের স্বরূপ উপলব্দি করতে হলে আমাদের কামরান গুহার সাধুগণের তত্ত্বদর্শনটি উপলব্দি করা জরুরি। ফিলিস্তিন এবং সিরিয়ায় মোট চার হাজার এসসেনএস সাধু ছিলেন। সাধুদের মূল আস্তানা ছিল মৃত সাগর বা ডেড সি-র পাড়ে ওই কামরান গুহায়।
![]()
প্রাচীন ফিলিস্তিনের মানচিত্রে কামরান- এর অবস্থান। এখানেই ছিল এসসেনএস সম্প্রদায়ের প্রধান আস্তানা।
কিছু সংখ্যক ঐতিহাসিকের মতে কামরান গুহার এসসেনএস সাধুদের উদ্ভব হয়েছিল ইহুদি হাসিদিয় সম্প্রদায় থেকে। ঐশী বিধানের প্রতি প্রাচীন ফিলিস্তিনের হাসিদিয়রা প্রবল অনুরক্ত ছিল। এ কারণে তাদের মতাদর্শ ঠিক রাজনৈতিক ছিল না। Sabbath উদযাপনের খুঁটিনাটি নিয়ে তৎকালীন যুগে যে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হত-তাতে হাসিদিয়দের মৃত্যু অবধি ঘটত।
![]()
প্রাচীন ফিলিস্তিন
পরবর্তীকালে হাসিদিয়রা এসসেনএস তরিকায় বিলীন হয়ে যায়, যে এসসেনএসরা নিজেদের ‘মানবজাতির শেষ দিবসের অল্পসংখ্যক নির্বাচিত সদস্য’ বলে মনে করতেন । কেননা, তাদের মতবাদে পৃথিবী ধ্বংসের পূর্বাভাসমূলক বা apocalyptic ধারণাটি ছিল প্রবল। অর্থাৎ তাঁরা কেয়ামতে বিশ্বাস করতেন। তাঁরা আরও বিশ্বাস করতেন যে, ইয়াওয়ে ( হিব্রু ঈশ্বর) এবং বেলিয়াল (পৃথিবী ও অন্ধকারের শক্তি=শয়তান?) -এর মধ্যে প্রচন্ড যুদ্ধ আসন্ন। ওই যুদ্ধে এসসেনএস রা ঈশ্বরের পক্ষের সৈন্য। (এসব ধর্মীয় কল্পকাহিনীর কারণে J. R. R. Tolkien (লর্ড অভ দি রিংয়ের লেখক)- এর জন্য প্লটের অভাব হয়নি এবং হলিউডেও মুভি নির্মাণের জন্য থিমের অভাব হয় না) যাই হোক। ঈশ্বরের সৈন্য কামরান গুহার সাধুগণ সেই অত্যাসন্ন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত!
![]()
লর্ড অভ দি রিংয়ের একটি দৃশ্য।
কামরান গুহার সাধুগণ মূলত ছিলেন প্রেমবাদী। তারা ঈশ্বর, পুণ্য এবং মানুষের প্রতি তীব্র প্রেম অনুভব করতেন। তারা ধর্মীয় কারণে পশু কুরবানীর ঘোর বিরোধী ছিলেন। এ ছাড়া তাঁরা সাধু বলেই হয়তো অস্ত্র নির্মাণ করা কিংবা ব্যবসাবানিজ্যও এড়িয়ে চলতেন। ফিলিস্তিনের জনজীবনেও তাঁরা অংশ নিতেন না। অবশ্য তারা কঠোরভাবে শনিবারের কর্মবিরতি দিবস অর্থাৎ Sabbath পালন করতেন । (সপ্তাহের এই বিশেষ দিনটিতে ইহুদিগণ প্রার্থনা করে কাটান) ওই দিনটিতে কামরান গুহার সাধুগণ জেরুজালেমের প্রধান উপাসনালয় ( টেম্পল অভ জেরুজালেম) থেকে দূরে থাকতেন। কেন? নির্বোধ পুরোহিতের অধীনে ওই প্রার্থনাগৃহে প্রকৃত প্রার্থনার চেয়ে অসার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা বেশি হত বলে? যাই হোক। এসসেনএস সাধুগণ শনিবারের দিনটিতে তোরা (ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রথম পাঁচটি অধ্যায়) পাঠ করে কাটাতেন । এ ছাড়া তারা পরিস্কার-পরিচ্ছতার ওপর জোর দিতেন; শপথ করা বা কসম কাটারও বিরোধী ছিলেন।(কারণটি অনুমান করা যায়) ... এছাড়া কামরান গুহার সম্পদের ওপর সম্প্রদায়ের সকলের সমান অধিকার ছিল। প্রত্যেক সদস্য চাহিদা অনুযায়ী যা দরকার, তা পেতেন।
![]()
এই দৃশ্যমান কঠোরতা সত্ত্বেও প্রাচীন ফিলিস্তিনের সাধুদের মন কঠোর হয়নি
কামরান গুহার এসসেনএস সাধুরা ছিলেন আত্মনির্ভরশীল। কামরান গুহায় বিশাল আকারের মনস্টারি বা মঠ ছিল না। আয়ের প্রধান উৎস ছিল চাষাবাদ এবং কুঠির শিল্প। অর্থাৎ এসসেনএস সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ছিল তৎকালীন ফিলিস্তিনের অন্যান্য গ্রামের মতোই। কৃষিকাজ এবং কুঠির শিল্প থেকে সামান্য যা আয় হত, তারই একটি অংশ বাঁচিয়ে তাঁরা দাস কিনে তাদের মুক্ত করে দিতেন। এ প্রসঙ্গে নরওজিয় ঐতিহাসিক Tore Kjeilen লিখেছেন The Essenes are known to be among the first groups to condemn slavery, and they are supposed to have bought slaves with the aim of freeing them. ( এবং এই পোস্টটি লিখবার মূল কারণ এটি ...কল্পনা করি একজন এসসেনএস সাধু তীব্র তাপদাহের মধ্যে জমি চষছেন। একদিন রুখু মাটিতে ফসল ফলবে। তারই বিনিময়ে যে অর্থ জুটবে তার একাংশ দিয়ে মুক্ত হবে এক দাস! আমাদের মনে রাখা দরকার সময়টা রোমান শাসন। তাহলে কে শ্রেষ্ঠ? একজন এসসেনএস সাধু না রোমান শাসক? যে রোমান শাসকদের কথাই আমরা বেশি করে বলি ... আসলে মানবতাবাদের চর্চা কোনও গোষ্ঠী কিংবা জাতির একার বিষয় নয়, যুগে যুগেই মানবতাবাদের চর্চা হয়েছে। আমাদের কর্তব্য ইতিহাসের পৃষ্ঠার সে সব মানবিক অধ্যায়গুলিকে হলুদ দাগে চিহ্নিত করা, যা অত্যন্ত জরুরি। কেননা মানবতাবাদের চর্চা আজও অব্যাহত রয়েছে .. যে মুহূর্তে আমি এই পোস্টটি লিখছি, ঠিক সেই মুহূর্তেই মানবতাবাদীগণ নিরাপত্তা কর্মী এবং সরকারের পেটোয়া বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ঢাকার শাহবাগে জড়ো হয়েছেন শিক্ষাকে সম্পূর্ণরূপে অবৈতনিক করার আন্দোলনে ...এবং এই অনিবার্য কার্যক্রমটি যে বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক ঘটনাবলী থেকে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ ... এটি সঠিকভাবে উপলব্দি করাই ইতিহাসের অন্যতম এক শিক্ষা ... )
![]()
কামরান- এ নিভৃতচারী মানবতাবাদী সাধুদের হেঁটে যাওয়ার পথ।
ক্ষুদ্র হলেও কামরান গুহায় এসসেনএস সম্প্রদায়টি ছিল সুসংগঠিত । গুহার আশেপাশে সেচ ও পানির সরবরাহ ছিল। অধিকাংশ সাধুগণ ছিলেন অবিবাহিত পুরুষ। যেহেতু কামরান-তরিকায় কৌমার্যব্রত পালনের রীতি ছিল। তবে সাধুদের অনেকই বিবাহ করতেন; এবং তাঁদের পরিবারপরিজনও ছিল। তবে তাদের সবাই যে কামরান গুহায় বাস করতেন তাও নয়; অনেক এসসেনএস সাধু ফিলিস্তিনের বিভিন্ন নগরে বাস করতেন।
কামরান গুহার একটি বিশাল কক্ষের ধ্বংসাবশেষ।এই কক্ষে বসেই মানবতার চর্চা হত।
এসসেনএস সম্প্রদায়ের যে কোনও নতুন সদস্যকে তার সমস্ত সম্পদ সম্প্রদায়কে অর্পন করতে হত। এর পর এক বছর তাকে থাকতে হত পরীক্ষাধীন ( অর্থাৎ এ এক বছর হল প্রোবেশনাল পিরিয়ড)। এর পরের দু বছর ছিল শিক্ষানবিশি পর্ব। এই সময় নতুন সদস্যটি পূর্ণ সদস্যের সঙ্গে বসে আহার করতে পারত না। তবে তাকে প্রচুর পড়াশোনা করতে হত। সাধকরা সাধারণত কৌতূহলী স্বভাবের হয়ে থাকেন। বইপত্রের প্রতি তাঁদের আকর্ষণ থাকে । এসসেনএসগণ কামরান গুহায় বিস্তর বইপুস্তক সংগ্রহ করেছিলেন। ওল্ড টেস্টামেন্টের (অর্থাৎ পুরনো বাইবেলের) টীকাভাষ্য লিখেছিলেন।
![]()
কামরান গুহার অবস্থান ডেড সির পশ্চিম পাড়ে। বর্তমানে যায়গাটি ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক নামে পরিচিত।
খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে রোমান শাসনযন্ত্র ফিলিস্তিনে বসবাসরত ইহুদিদের ওপর নানাবিধ নির্যাতন চালাত। এর মধ্যে অন্যতম হল অত্যধিক করারোপ । সুতরাং খ্রিস্টীয় ৬৬ সালে রোমানদের অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রথম ইহুদি বিদ্রোহটি সংগঠিত হয় -অর্থাৎ ঘটনাটি ঘটেছিল যিশুর ক্রশবিদ্ধ হওয়ারও প্রায় তিরিশ বছর পর। এরপর ৬৮ সালে রোমান সৈন্যরা কামরান গুহায় অনুপ্রবেশ করে ধ্বংস করে। এসসেনএস সাধুদের ওপর নির্মম হত্যালীলা চালায়। সাধুসন্ন্যাসীদের ওপর সম্রাটগণের নির্যাতন তো নতুন কিছু নয়। তারপরও গভীর আত্মিক শক্তি ছিল বলেই মধ্যপ্রাচ্যে এসসেনএস সম্প্রদায়টি টিকে ছিল। মানুষ যদিও কামরান গুহার কথা পুরোপুরি বিস্তৃত হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের পর বিশ্ববাসী আবার কামরান গুহার কথা জানতে পারল।
![]()
ডেড সি ক্রল
১৯৪৭ সাল। মৃত সাগরের পাড়ে কামরন-এর ১১ টি গুহায় হিব্রু এবং আরামিয় ভাষায় লেখা কতগুলি প্রাচীন পান্ডুলিপি আবিস্কৃত হয়। পান্ডুলিপির বেশির ভাগই পার্চমেন্টে লেখা, কিছু আবার প্যাপিরাসে।পন্ডিতেরা এসব পান্ডুলিপির নাম দিয়েছেন ডেড সি ক্রল । পান্ডুলিপিগুলির মধ্যে হিব্রু বাইবেলের প্রাচীনতম সংস্করন পাওয়া যাওয়ায় ডেড সি ক্রল-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। কেবল হিব্রু বাইবেলই নয় – তার বাইরেও সব মিলিয়ে ৯৭২টি পান্ডুলিপি আবিস্কৃত হয়েছে। যা কামরান গুহার সাধুদের সংগ্রহে ছিল। সে যাই হোক। পরিশেষে এটুকু কেবল বলা যায় যে কামরান গুহার সাধুদের ব্যাক্তিগত বিশ্বাস সম্বন্ধে আমরা দ্বিমত পোষন করতে পারি বটে তবে তাঁদের মানবতাবাদী হৃদয়টি কোনওক্রমেই উপেক্ষা করতে পারি না।
![]()
নির্জনে ধ্যানরত কামরান গুহার এক সাধু; হয়তো স্বয়ং যিশু ...
ছবি। ইন্টাররেট
তথ্যসূত্র:
Click This Link
http://www.newadvent.org/cathen/05546a.htm
http://www.essenespirit.com/
http://www.essenespirit.com/who.html
http://www.essene.com/
http://looklex.com/e.o/essenes.htm
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মরমিবাদ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইতিহাস (প্রাচীন), মরমীবাদ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অভী আসলাম বলেছেন:
+++++++++++++
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। আমি আপনাকে কাছে হুমায়ূণ আহমেদের সাম্প্রতিক লেখাটার উপর ভিত্তি করে একটা রিভিউ পোস্ট দেবার অনুরোধ করছি। এ্যাডগার এলেন পো এবং বাংলা সাহিত্যে দুটি কবিতা এরকম আর কি !
গোধুলী রঙ বলেছেন:
চমতকার পোস্ট। অনেক কষ্ট করেছেন -অনেক ধন্যবাদ।
অনিক আহসান বলেছেন:
অ্যাড করে গেলাম..এক্টু পরেই আসতাছি.।
১১স্টার বলেছেন:
প্রথম পড়ার পর আমার লাইন ডিসকানেক্ট হয়ে গেছিলো তাই। তাই কমেন্ট করতে দেরি হয়ে গেলো। চমৎকার লেগেছে। তথ্য বহুল এই পোস্টি্ও বরাবরের মত ভালো হয়েছে।
সিকদার বলেছেন:
ওয়াও । প্রাচীনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ।
ডেজা-ভু বলেছেন:
মানবতাবাদের চর্চা কোনও গোষ্ঠী কিংবা জাতির একার বিষয় নয়, যুগে যুগেই মানবতাবাদের চর্চা হয়েছে পোস্ট ভালো লাগছে।
ড্রীমার বলেছেন:
সিকদার বলেছেন: ওয়াও । প্রাচীনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ।
মঈনউদ্দিন বলেছেন:
দারুন চমৎকার পোষ্ট ++++++++++
অনিক আহসান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হাতির বাড়ি ইন্দুরের পারা -----------------------------------------------------------------------------------
ধুর ভাই ইয়ার্কী কইরেন না...
এস.বি.আলী বলেছেন:
আপনার প্রতিটি লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি। সত্যিই অসাধারন।
মুনসী১৬১২ বলেছেন:
ভাইয়া কুরআনে কোন একটা সুরায় একটা উপাসনালয় এর কথা বলা হয়েছে, যেখানে বণী ইসরাঈল ( এখন যাদের আমরা ইহুদী বলি) এর সাধু বা সন্তরা থাকাত-- বিবি মরিয়ম (ম্যারি) এখানে ছিলেন'''''' এটা কি সেই গুহা
তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন:
অনেক ভাল লাগল।
তানভীরসজিব বলেছেন:
দারুন পোস্ট এবং পরিশ্রমি অবশ্যই । বাংলাদেশে বিভিন্ন সাধু ছিলেন, তারা জ্ঞাতী, ধর্ম নির্বিশেষে মানবতার পথে ছিলেন, তাদের নিয়ে আপনার লেখা পাব আশা করি ।
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন:
জেনে গেলাম ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ।
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন:
ভাইয়া, আপনি কি করেন, আর এতো কিভাবে জানলেন বলেনতো?? এক্সট্রা একটা ব্রেইন আর ব্যাকআপ একটা বডি আছে নাকি আপনার??আবারো অসাধারন। আমি গত কয়দিন ধরে উল্টাপাল্টা বিভ্রান্তিময় তথ্য দিয়ে একটা গল্পের মত লিখছি। তবে এর মধ্যে মিথ্যার কোন কোন অংশগুলো অবশ্যই বাদ দেয়া উচিত, কতটুকু বাদ দেয়া উচিত আপনি একটু বলে দিলে অনেক খুশী হতাম। আমার শেষ ৩টা ধারাবাহিক পোস্টের কথা বলতে চাইছি, আরেকটা পর্ব দিয়ে শেষ করবো ভাবছি।
ভালো থাকবেন ভাইয়া।
হা হা হা ...
আচ্ছা লেখাটা দেখব।
আমাকে জ্বীনভূত ভাবার জন্য ধন্যবাদ
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন:
জ্বীনভূতের এক্সট্রা ব্রেইন আর ব্যাক আপ বডি থাকে, এটা ইমন ভাই সার্টিফাইড। আপনি রাজী হইলেন এতেই ব্যাপক খুশী।
এসাসিন বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট
পদ্ম।পদ্ম বলেছেন:
দারুন পোস্ট
আবু সালেহ বলেছেন:
+++
বোতল ভূত বলেছেন:
লেখা যথারীতি ভালো লেগেছে। ++++ হূমায়ুন আহমেদের লেখার লিঙ্কঃ Click This Link কিছু লিখবেন আশা করি। আমিও এই ব্যাপারে আপনার একটা বিশ্লেষণ চাই।
আর যেই ব্লগের লিঙ্ক দিলেন সেই ব্লগটা মুছে ফেলা হয়েছে।
তারিফ ০০৭ বলেছেন:
দারুণ
রকিবুল আলম বলেছেন:
ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।