অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairimon@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

কামরান গুহার সাধুগণ

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:২৩ |

শেয়ারঃ
1 0


মৃত সাগরের পাড়ে কামরান গুহা।

The Essenes are known to be among the first groups to condemn slavery, and they are supposed to have bought slaves with the aim of freeing them.
Tore Kjeilen
আজ থেকে দু-হাজার বছর আগে কামরান গুহায় এসসেনএস নামে একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রধান আস্তানা ছিল । এসসেনএস সম্প্রদায়ের উদ্ভব এবং বিকাশকাল ছিল খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক থেকে দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দ অবধি। নিভৃতচারী এই তরিকার সদস্যগণ কঠোর সংযম ব্রত পালন করতেন এবং মূলধারার ইহুদিসমাজ এড়িয়ে চলতেন।Pristine Christianity বা আদিখ্রিস্টান ধর্মের শিকড়টিও ওই কামরান গুহার সাধুগণের ভাবাদর্শের মধ্যেই নিহিত ছিল। কেননা, স্বয়ং যিশু ছিলেন কামরান গুহার একজন সাধু।



পরবর্তীতে সাধু পলের ব্যাখ্যায় যিশুর মূল স্বরূপটি অনেকটাই পালটে গিয়েছিল এবং মধ্যযুগে স্বয়ং যিশুর সত্তায় ট্রিনিটি তত্ত্ব আরোপ করা হয়েছিল। এমন কী এসসেনএস সম্প্রদায় মৃতের পনুরুত্থানে বিশ্বাস না করলেও মৃতের পুনুরুত্থানের বিষয়টি খ্রিস্টধর্মের বিশ্বাসের পর্যায়ভুক্ত হয়ে পড়ে।

উপরোক্ত কারণে আদি খৃস্টধর্মের স্বরূপ উপলব্দি করতে হলে আমাদের কামরান গুহার সাধুগণের তত্ত্বদর্শনটি উপলব্দি করা জরুরি। ফিলিস্তিন এবং সিরিয়ায় মোট চার হাজার এসসেনএস সাধু ছিলেন। সাধুদের মূল আস্তানা ছিল মৃত সাগর বা ডেড সি-র পাড়ে ওই কামরান গুহায়।



প্রাচীন ফিলিস্তিনের মানচিত্রে কামরান- এর অবস্থান। এখানেই ছিল এসসেনএস সম্প্রদায়ের প্রধান আস্তানা।

কিছু সংখ্যক ঐতিহাসিকের মতে কামরান গুহার এসসেনএস সাধুদের উদ্ভব হয়েছিল ইহুদি হাসিদিয় সম্প্রদায় থেকে। ঐশী বিধানের প্রতি প্রাচীন ফিলিস্তিনের হাসিদিয়রা প্রবল অনুরক্ত ছিল। এ কারণে তাদের মতাদর্শ ঠিক রাজনৈতিক ছিল না। Sabbath উদযাপনের খুঁটিনাটি নিয়ে তৎকালীন যুগে যে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হত-তাতে হাসিদিয়দের মৃত্যু অবধি ঘটত।



প্রাচীন ফিলিস্তিন

পরবর্তীকালে হাসিদিয়রা এসসেনএস তরিকায় বিলীন হয়ে যায়, যে এসসেনএসরা নিজেদের ‘মানবজাতির শেষ দিবসের অল্পসংখ্যক নির্বাচিত সদস্য’ বলে মনে করতেন । কেননা, তাদের মতবাদে পৃথিবী ধ্বংসের পূর্বাভাসমূলক বা apocalyptic ধারণাটি ছিল প্রবল। অর্থাৎ তাঁরা কেয়ামতে বিশ্বাস করতেন। তাঁরা আরও বিশ্বাস করতেন যে, ইয়াওয়ে ( হিব্রু ঈশ্বর) এবং বেলিয়াল (পৃথিবী ও অন্ধকারের শক্তি=শয়তান?) -এর মধ্যে প্রচন্ড যুদ্ধ আসন্ন। ওই যুদ্ধে এসসেনএস রা ঈশ্বরের পক্ষের সৈন্য। (এসব ধর্মীয় কল্পকাহিনীর কারণে J. R. R. Tolkien (লর্ড অভ দি রিংয়ের লেখক)- এর জন্য প্লটের অভাব হয়নি এবং হলিউডেও মুভি নির্মাণের জন্য থিমের অভাব হয় না) যাই হোক। ঈশ্বরের সৈন্য কামরান গুহার সাধুগণ সেই অত্যাসন্ন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত!



লর্ড অভ দি রিংয়ের একটি দৃশ্য।

কামরান গুহার সাধুগণ মূলত ছিলেন প্রেমবাদী। তারা ঈশ্বর, পুণ্য এবং মানুষের প্রতি তীব্র প্রেম অনুভব করতেন। তারা ধর্মীয় কারণে পশু কুরবানীর ঘোর বিরোধী ছিলেন। এ ছাড়া তাঁরা সাধু বলেই হয়তো অস্ত্র নির্মাণ করা কিংবা ব্যবসাবানিজ্যও এড়িয়ে চলতেন। ফিলিস্তিনের জনজীবনেও তাঁরা অংশ নিতেন না। অবশ্য তারা কঠোরভাবে শনিবারের কর্মবিরতি দিবস অর্থাৎ Sabbath পালন করতেন । (সপ্তাহের এই বিশেষ দিনটিতে ইহুদিগণ প্রার্থনা করে কাটান) ওই দিনটিতে কামরান গুহার সাধুগণ জেরুজালেমের প্রধান উপাসনালয় ( টেম্পল অভ জেরুজালেম) থেকে দূরে থাকতেন। কেন? নির্বোধ পুরোহিতের অধীনে ওই প্রার্থনাগৃহে প্রকৃত প্রার্থনার চেয়ে অসার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা বেশি হত বলে? যাই হোক। এসসেনএস সাধুগণ শনিবারের দিনটিতে তোরা (ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রথম পাঁচটি অধ্যায়) পাঠ করে কাটাতেন । এ ছাড়া তারা পরিস্কার-পরিচ্ছতার ওপর জোর দিতেন; শপথ করা বা কসম কাটারও বিরোধী ছিলেন।(কারণটি অনুমান করা যায়) ... এছাড়া কামরান গুহার সম্পদের ওপর সম্প্রদায়ের সকলের সমান অধিকার ছিল। প্রত্যেক সদস্য চাহিদা অনুযায়ী যা দরকার, তা পেতেন।



এই দৃশ্যমান কঠোরতা সত্ত্বেও প্রাচীন ফিলিস্তিনের সাধুদের মন কঠোর হয়নি

কামরান গুহার এসসেনএস সাধুরা ছিলেন আত্মনির্ভরশীল। কামরান গুহায় বিশাল আকারের মনস্টারি বা মঠ ছিল না। আয়ের প্রধান উৎস ছিল চাষাবাদ এবং কুঠির শিল্প। অর্থাৎ এসসেনএস সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ছিল তৎকালীন ফিলিস্তিনের অন্যান্য গ্রামের মতোই। কৃষিকাজ এবং কুঠির শিল্প থেকে সামান্য যা আয় হত, তারই একটি অংশ বাঁচিয়ে তাঁরা দাস কিনে তাদের মুক্ত করে দিতেন। এ প্রসঙ্গে নরওজিয় ঐতিহাসিক Tore Kjeilen লিখেছেন The Essenes are known to be among the first groups to condemn slavery, and they are supposed to have bought slaves with the aim of freeing them. ( এবং এই পোস্টটি লিখবার মূল কারণ এটি ...কল্পনা করি একজন এসসেনএস সাধু তীব্র তাপদাহের মধ্যে জমি চষছেন। একদিন রুখু মাটিতে ফসল ফলবে। তারই বিনিময়ে যে অর্থ জুটবে তার একাংশ দিয়ে মুক্ত হবে এক দাস! আমাদের মনে রাখা দরকার সময়টা রোমান শাসন। তাহলে কে শ্রেষ্ঠ? একজন এসসেনএস সাধু না রোমান শাসক? যে রোমান শাসকদের কথাই আমরা বেশি করে বলি ... আসলে মানবতাবাদের চর্চা কোনও গোষ্ঠী কিংবা জাতির একার বিষয় নয়, যুগে যুগেই মানবতাবাদের চর্চা হয়েছে। আমাদের কর্তব্য ইতিহাসের পৃষ্ঠার সে সব মানবিক অধ্যায়গুলিকে হলুদ দাগে চিহ্নিত করা, যা অত্যন্ত জরুরি। কেননা মানবতাবাদের চর্চা আজও অব্যাহত রয়েছে .. যে মুহূর্তে আমি এই পোস্টটি লিখছি, ঠিক সেই মুহূর্তেই মানবতাবাদীগণ নিরাপত্তা কর্মী এবং সরকারের পেটোয়া বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ঢাকার শাহবাগে জড়ো হয়েছেন শিক্ষাকে সম্পূর্ণরূপে অবৈতনিক করার আন্দোলনে ...এবং এই অনিবার্য কার্যক্রমটি যে বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক ঘটনাবলী থেকে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ ... এটি সঠিকভাবে উপলব্দি করাই ইতিহাসের অন্যতম এক শিক্ষা ... )



কামরান- এ নিভৃতচারী মানবতাবাদী সাধুদের হেঁটে যাওয়ার পথ।

ক্ষুদ্র হলেও কামরান গুহায় এসসেনএস সম্প্রদায়টি ছিল সুসংগঠিত । গুহার আশেপাশে সেচ ও পানির সরবরাহ ছিল। অধিকাংশ সাধুগণ ছিলেন অবিবাহিত পুরুষ। যেহেতু কামরান-তরিকায় কৌমার্যব্রত পালনের রীতি ছিল। তবে সাধুদের অনেকই বিবাহ করতেন; এবং তাঁদের পরিবারপরিজনও ছিল। তবে তাদের সবাই যে কামরান গুহায় বাস করতেন তাও নয়; অনেক এসসেনএস সাধু ফিলিস্তিনের বিভিন্ন নগরে বাস করতেন।



কামরান গুহার একটি বিশাল কক্ষের ধ্বংসাবশেষ।এই কক্ষে বসেই মানবতার চর্চা হত।

এসসেনএস সম্প্রদায়ের যে কোনও নতুন সদস্যকে তার সমস্ত সম্পদ সম্প্রদায়কে অর্পন করতে হত। এর পর এক বছর তাকে থাকতে হত পরীক্ষাধীন ( অর্থাৎ এ এক বছর হল প্রোবেশনাল পিরিয়ড)। এর পরের দু বছর ছিল শিক্ষানবিশি পর্ব। এই সময় নতুন সদস্যটি পূর্ণ সদস্যের সঙ্গে বসে আহার করতে পারত না। তবে তাকে প্রচুর পড়াশোনা করতে হত। সাধকরা সাধারণত কৌতূহলী স্বভাবের হয়ে থাকেন। বইপত্রের প্রতি তাঁদের আকর্ষণ থাকে । এসসেনএসগণ কামরান গুহায় বিস্তর বইপুস্তক সংগ্রহ করেছিলেন। ওল্ড টেস্টামেন্টের (অর্থাৎ পুরনো বাইবেলের) টীকাভাষ্য লিখেছিলেন।




কামরান গুহার অবস্থান ডেড সির পশ্চিম পাড়ে। বর্তমানে যায়গাটি ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক নামে পরিচিত।

খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে রোমান শাসনযন্ত্র ফিলিস্তিনে বসবাসরত ইহুদিদের ওপর নানাবিধ নির্যাতন চালাত। এর মধ্যে অন্যতম হল অত্যধিক করারোপ । সুতরাং খ্রিস্টীয় ৬৬ সালে রোমানদের অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রথম ইহুদি বিদ্রোহটি সংগঠিত হয় -অর্থাৎ ঘটনাটি ঘটেছিল যিশুর ক্রশবিদ্ধ হওয়ারও প্রায় তিরিশ বছর পর। এরপর ৬৮ সালে রোমান সৈন্যরা কামরান গুহায় অনুপ্রবেশ করে ধ্বংস করে। এসসেনএস সাধুদের ওপর নির্মম হত্যালীলা চালায়। সাধুসন্ন্যাসীদের ওপর সম্রাটগণের নির্যাতন তো নতুন কিছু নয়। তারপরও গভীর আত্মিক শক্তি ছিল বলেই মধ্যপ্রাচ্যে এসসেনএস সম্প্রদায়টি টিকে ছিল। মানুষ যদিও কামরান গুহার কথা পুরোপুরি বিস্তৃত হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের পর বিশ্ববাসী আবার কামরান গুহার কথা জানতে পারল।



ডেড সি ক্রল

১৯৪৭ সাল। মৃত সাগরের পাড়ে কামরন-এর ১১ টি গুহায় হিব্রু এবং আরামিয় ভাষায় লেখা কতগুলি প্রাচীন পান্ডুলিপি আবিস্কৃত হয়। পান্ডুলিপির বেশির ভাগই পার্চমেন্টে লেখা, কিছু আবার প্যাপিরাসে।পন্ডিতেরা এসব পান্ডুলিপির নাম দিয়েছেন ডেড সি ক্রল । পান্ডুলিপিগুলির মধ্যে হিব্রু বাইবেলের প্রাচীনতম সংস্করন পাওয়া যাওয়ায় ডেড সি ক্রল-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। কেবল হিব্রু বাইবেলই নয় – তার বাইরেও সব মিলিয়ে ৯৭২টি পান্ডুলিপি আবিস্কৃত হয়েছে। যা কামরান গুহার সাধুদের সংগ্রহে ছিল। সে যাই হোক। পরিশেষে এটুকু কেবল বলা যায় যে কামরান গুহার সাধুদের ব্যাক্তিগত বিশ্বাস সম্বন্ধে আমরা দ্বিমত পোষন করতে পারি বটে তবে তাঁদের মানবতাবাদী হৃদয়টি কোনওক্রমেই উপেক্ষা করতে পারি না।



নির্জনে ধ্যানরত কামরান গুহার এক সাধু; হয়তো স্বয়ং যিশু ...


ছবি। ইন্টাররেট

তথ্যসূত্র:

Click This Link
http://www.newadvent.org/cathen/05546a.htm
http://www.essenespirit.com/
http://www.essenespirit.com/who.html
http://www.essene.com/
http://looklex.com/e.o/essenes.htm

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মরমিবাদ ;
প্রকাশ করা হয়েছে:  ইতিহাস (প্রাচীন)মরমীবাদ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৫৪টি মন্তব্য

১. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩৭

অভী আসলাম বলেছেন: +++++++++++++

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩৭

রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। আমি আপনাকে কাছে হুমায়ূণ আহমেদের সাম্প্রতিক লেখাটার উপর ভিত্তি করে একটা রিভিউ পোস্ট দেবার অনুরোধ করছি।

এ্যাডগার এলেন পো এবং বাংলা সাহিত্যে দুটি কবিতা এরকম আর কি !

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: হুমায়ূণ আহমেদের সাম্প্রতিক লেখাটার উপর ভিত্তি করে ...আপনি ঠিক কোন লেখাটির কথা বলছেন? আরেকটু খুলে বললে বা লিঙ্ক দিলে ভালো হয়। অনেক ধন্যবাদ।

৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৫৫

গোধুলী রঙ বলেছেন: চমতকার পোস্ট। অনেক কষ্ট করেছেন -অনেক ধন্যবাদ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: Thanks!

৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৫৯

শরীফ িবিড বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। Want more....

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। লিঙ্কটা দেখলাম। চমৎকার উদ্যেগ ...

৫. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২০

কাশিফ বলেছেন: মানবতার খাতিরে একটি লিঙ্ক দিলাম।শেয়ার করুন ও সাহায্য করুন।

তারেকের জন্য......

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: Thanks.

৬. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনিক আহসান বলেছেন: অ্যাড করে গেলাম..এক্টু পরেই আসতাছি.।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: হাতির বাড়ি ইন্দুরের পারা ;)

৭. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫১

বঙ্কিমচন্দ্র বলেছেন: চমৎকার পোস্ট ।
আপনার লেখা পড়ার জন্য সবসময় অপেক্ষা করে থাকি ।

ধন্যবাদ ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৫

১১স্টার বলেছেন: প্রথম পড়ার পর আমার লাইন ডিসকানেক্ট হয়ে গেছিলো তাই। তাই কমেন্ট করতে দেরি হয়ে গেলো। চমৎকার লেগেছে। তথ্য বহুল এই পোস্টি্‌ও বরাবরের মত ভালো হয়েছে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২

সিকদার বলেছেন: ওয়াও । প্রাচীনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩

ডেজা-ভু বলেছেন: মানবতাবাদের চর্চা কোনও গোষ্ঠী কিংবা জাতির একার বিষয় নয়, যুগে যুগেই মানবতাবাদের চর্চা হয়েছে



পোস্ট ভালো লাগছে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৭

ড্রীমার বলেছেন: সিকদার বলেছেন: ওয়াও । প্রাচীনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪১

মঈনউদ্দিন বলেছেন: দারুন চমৎকার পোষ্ট ++++++++++

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৩

অনিক আহসান বলেছেন: লেখক বলেছেন: হাতির বাড়ি ইন্দুরের পারা
-----------------------------------------------------------------------------------
ধুর ভাই ইয়ার্কী কইরেন না... :``>> :``>>

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: !:#P

১৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০৭

এস.বি.আলী বলেছেন: আপনার প্রতিটি লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি। সত্যিই অসাধারন।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:৩৯

মুনসী১৬১২ বলেছেন: ভাইয়া কুরআনে কোন একটা সুরায় একটা উপাসনালয় এর কথা বলা হয়েছে, যেখানে বণী ইসরাঈল ( এখন যাদের আমরা ইহুদী বলি) এর সাধু বা সন্তরা থাকাত-- বিবি মরিয়ম (ম্যারি) এখানে ছিলেন'''''' এটা কি সেই গুহা

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: সম্ভবত। তবে আমি ঠিক সিওর না। ধন্যবাদ।

১৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০০

তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন: অনেক ভাল লাগল।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৫৭

~মাইনাচ~ বলেছেন: কষ্টসাধ্য পোষ্ট ভাল না লেগে পারেনা।




শুভ কামনা

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১০

তানভীরসজিব বলেছেন: দারুন পোস্ট এবং পরিশ্রমি অবশ্যই । বাংলাদেশে বিভিন্ন সাধু ছিলেন, তারা জ্ঞাতী, ধর্ম নির্বিশেষে মানবতার পথে ছিলেন, তাদের নিয়ে আপনার লেখা পাব আশা করি ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: লিখব। ধন্যবাদ।

১৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২৪

মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: জেনে গেলাম ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১৯

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: ভাইয়া, আপনি কি করেন, আর এতো কিভাবে জানলেন বলেনতো?? এক্সট্রা একটা ব্রেইন আর ব্যাকআপ একটা বডি আছে নাকি আপনার??

আবারো অসাধারন। আমি গত কয়দিন ধরে উল্টাপাল্টা বিভ্রান্তিময় তথ্য দিয়ে একটা গল্পের মত লিখছি। তবে এর মধ্যে মিথ্যার কোন কোন অংশগুলো অবশ্যই বাদ দেয়া উচিত, কতটুকু বাদ দেয়া উচিত আপনি একটু বলে দিলে অনেক খুশী হতাম। আমার শেষ ৩টা ধারাবাহিক পোস্টের কথা বলতে চাইছি, আরেকটা পর্ব দিয়ে শেষ করবো ভাবছি।

ভালো থাকবেন ভাইয়া। :)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: এক্সট্রা একটা ব্রেইন আর ব্যাকআপ একটা বডি আছে নাকি আপনার?? :)
হা হা হা ...
আচ্ছা লেখাটা দেখব।
আমাকে জ্বীনভূত ভাবার জন্য ধন্যবাদ ;)

২১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:১৮

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: জ্বীনভূতের এক্সট্রা ব্রেইন আর ব্যাক আপ বডি থাকে, এটা ইমন ভাই সার্টিফাইড। :)

আপনি রাজী হইলেন এতেই ব্যাপক খুশী। :)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: :)

২২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:১৪

এসাসিন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

পদ্ম।পদ্ম বলেছেন: দারুন পোস্ট

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯

আবু সালেহ বলেছেন: +++

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১৯

বোতল ভূত বলেছেন: লেখা যথারীতি ভালো লেগেছে। ++++

হূমায়ুন আহমেদের লেখার লিঙ্কঃ Click This Link কিছু লিখবেন আশা করি। আমিও এই ব্যাপারে আপনার একটা বিশ্লেষণ চাই।

আর যেই ব্লগের লিঙ্ক দিলেন সেই ব্লগটা মুছে ফেলা হয়েছে। :( মাঝে অনেকদিন ব্লগে ছিলাম না। অনেক কিছু মিস করছি । :(

১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। লেখার চেস্টার করব ...ব্লগে নিয়মিত হবেন আশা করি।

২৬. ১৩ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:৪৫

তারিফ ০০৭ বলেছেন: দারুণ

১৩ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০১২ ভোর ৪:০০

রকিবুল আলম বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন