somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্ষুদ্রঋণ মডেল হ্যাঁ, ইউনুস না: কেন? অভিন্ন নীতি, অভিন্ন প্রভু: সংঘাত কোথায়? -Anu Muhammad

০৮ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর থেকে মুহম্মদ ইউনুসকে অপসারণের যে সিদ্ধান- দিয়েছেন তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অপসারণের কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মুহম্মদ ইউনুসের ‘বয়স অতিক্রান্ত’ বলে যুক্তি দিয়েছেন, মার্কিন-ইউরোপীয় দূত ও সংস'ার প্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহিতে অর্থমন্ত্রীও একই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যেহেতু গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান, যেহেতু বিশেষায়িত ব্যাংক হলেও এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃত্বের মধ্যেই কাজ করতে আইনত বাধ্য ((Grameen Bank Ordinance, No. XLVI of 1983), এবং যেহেতু এই ব্যাংকে বাংলাদেশ সরকারেরও অংশীদারীত্ব আছে, সেহেতু বিদ্যমান আইন বা বিধির কোন ব্যত্যয় ঘটলে আইনানুগ যে কোন ব্যবস'া গ্রহণের আইনগত কর্তৃত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের থাকবে এটাই যুক্তিসঙ্গত।



কিন্তু সরকারের সামপ্রতিক সিদ্ধানে-র পেছনে এটাই কি আসল কারণ হতে পারে? কাগজের নীতি বা আইনরক্ষার জন্য এই সরকার সজাগ এবং সক্রিয় এটা তার অন্ধ অনুসারীও কি দাবি করতে পারবেন? খুনের মামলার আসামী ছেড়ে দেয়া, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে পথপ্রদর্শক এরশাদকে একের পর এক দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি এগুলো এই সরকারের সামপ্রতিক সক্রিয়তার কিছু নমুনা। প্রথমে সিদ্ধান- আর পরে তার সঙ্গে আইনকে খাপ খাওয়ানো এটাই হল বাংলাদেশের ক্ষমতাবানদের কাজের পদ্ধতি। আগের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারও যে নিছক আইন বা নীতি রক্ষার জন্য এই সিদ্ধান- নেননি সেটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাহলে কেন?



ইউনুসের পেছনে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী নানাশক্তির সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা আছে এটা তো এই সরকারের ভালভাবেই জানা। প্রভু অভিন্ন, উন্নয়ন নীতি ও দর্শনও অভিন্ন। দারিদ্র বিমোচন-এর জন্য ক্ষুদ্রঋণ মডেল, উন্নয়নএর জন্য বহুজাতিক পুঁজি, জনগণের অধিকার শুধু ক্রয় ও বিক্রয়। উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের সামপ্রতিক সব অপতৎপরতার পেছনে আছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি, সেই একই রাষ্ট্রদূত ইউনুসকে নিয়ে সরকারের সিদ্ধানে- এখন মর্মাহত, তার সরকার বিচলিত। তাহলে কী কারণে সরকার এধরনের সিদ্ধান- নেবার ঝুঁকি গ্রহণ করলো? সরকার কি ইউনুসকে নিয়ে তাঁর সিদ্ধান- বহাল রাখবার জন্য অন্যান্য ক্ষেত্রে মার্কিনীদের, বা বৃহত্তর অর্থে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোকে, আরও ছাড় দেবার পরিসি'তি সৃষ্টি করছে?



গত কয়েকমাসে গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বাংলাদেশের প্রচার মাধ্যমে যতটুকু কথাবার্তা হয়েছে এতটুকু আগে কখনোই হয়নি। বছরের পর বছর একধরনের নীরবতা ও ভক্তি দিয়ে মূলধারার প্রচার মাধ্যম ইউনুস, আবেদ, ক্ষুদ্রঋণ ও এনজিও মডেলকে রক্ষা করেছে চাপা অনেক ক্ষোভ ও অভিযোগ থেকে। নরওয়ের টিভিতে ডেনমার্কের একজন তথ্যচিত্র নির্মাতার বানানো তথ্যচিত্র প্রচারের পর পরিসি'তির দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে। ইউনুসকে সমালোচনা যেখানে প্রায় ধর্মদ্রোহিতার সমান অপরাধ বলে বিবেচিত হচ্ছিল সেখানে ইউনুস অর্থ আত্নসাৎ করেছেন কিনা সেসব প্রশ্নও আসতে থাকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই তখন তাঁর ‘সুশীল সমাজ’ সমর্থকদের স'ম্ভিত করে দিয়ে ইউনুসকে ‘রক্তচোষা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ কিংবা গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বহুবছর ধরেই উত্থাপিত প্রশ্নগুলো নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোন বিস-ৃত তদন- বা অনুসন্ধান এখনও হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর অডিট রিপোর্ট গুলো এতদিন গোপন রাখা হয়েছে। এখনও তা দুষপ্রাপ্যই আছে।



ডক্টর ইউনুস বিষয়ে সরকারি সিদ্ধানে- মার্কিনী ও সহযোগীদের পাশাপাশি দেশীয় অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিও, যারা ‘সুশীল সমাজ’ হিসেবে পরিচিত, মর্মাহত হয়েছেন, ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁদের বক্তব্যের মূল কথা হল, ইউনুস সাহেবের ক্ষুদ্রঋণের মডেল ‘দারিদ্র বিমোচন’ ও ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ এর একটি সফল মডেল। এই মডেলের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ নারী নতুন জীবনের সন্ধান পেয়েছেন। এটা তাঁদের বদ্ধমূল বিশ্বাস। এই বিশ্বাসের প্রমাণ হিসাবে তাঁরা যে তথ্যের উপর ভর করেন তা হল, তিনি বহু আন-র্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হযেছেন এবং পেয়েছেন নোবেল শানি- পুরষ্কার। তাঁদের মতে, বাংলাদেশকে ইউনুস সাহেব এসব পুরস্কারের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে এরকম আইনগত ব্যবস'া গ্রহণ বাংলাদেশের জন্য সর্বনাশা।



এটা অবশ্যই ঠিক যে, গ্রামীণ ব্যাংককে একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবার ক্ষেত্রে ইউনুস সাহেবকে অবশ্যই কৃতিত্ব দিতে হবে। তিনি গরীবদের ব্যাংকের আওতায় এনে বিশ্বব্যাপী ব্যাংক পুঁজির সামনে এক নতুন দিগন- উন্মোচন করেছেন। এটি ব্যবসায়িকভাবে খুবই সফল। শুধু এটাই নয়, গ্রামীণ ব্র্যান্ডে অনেক প্রতিষ্ঠানই এখন খুবই ব্যবসা সফল। গ্রামীণ ফোন এসব সফল ব্যবসার প্রধান দৃষ্টান-। এগুলো সবই হয়েছে গরীব নারীদেরই নামে, এই কারণে অনেক বাড়তি সুবিধাও তারা রাষ্ট্র থেকে নিয়েছে।



কিন' এগুলোর মাধ্যমে ‘দারিদ্র বিমোচন’ ও ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ সংক্রান- প্রথম বিশ্বাস বা সিদ্ধান-টি কি ঠিক? প্রথম সিদ্ধান-টি প্রমাণের জন্য কি দ্বিতীয় যুক্তিটি যথার্থ? বাংলাদেশে যারা বাস করেন, কিন' তথ্য প্রমাণ খুঁজে দেখার যাদের ধৈর্য্য নাই, তাঁরা কি সাদাচোখে দেশের দারিদ্র পরিসি'তি দেখেন না? প্রায় তিন দশক এনজিও মডেল আর ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির হট্টগোলের পর যে দেশে এখনও শতকরা ৫০ জন বা প্রায় ৮ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন, সেটা এই শিক্ষিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁদের মনোযোগ থেকে বাইরে রাখেন কীভাবে? যদি খাদ্য ও কাজের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ইত্যাদি বিবেচনা করা হয় তাহলে এই সংখ্যা ১২ কোটি দাঁড়াবে। এগুলো সরকারি এবং জাতিসংঘেরই হিসাব, যারা বরাবর ক্ষুদ্রঋণ ও এনজিও মডেলকেই দারিদ্র বিমোচনের পথ বলে স'তি করে থাকেন। আর বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে দারিদ্র পরিসি'তি ক্ষেত্রে কিংবা নারীর সচলতা বা অবস'ানের মধ্যে কিছুটা উন্নতি দেখা যায় তা কি ক্ষুদ্রঋণের জন্যই? সেখানে গ্রামীণ ব্যাংক বা ক্ষুদ্রঋণ ছাড়া আর কোন উপাদান ক্রিয়াশীল নয়? যেমন প্রবাসী আয়? গার্মেন্টস কিংবা অন্য শিল্পকারখানা? কৃষি মৎস্য বা হাঁসমুরগী খামারে নতুন কাজের সুযোগ? যোগাযোগ ব্যবস্থা? গ্রাম শহরের নিকটবর্তী হওয়া? বিদ্যুৎ? পরিষেবা খাতের সমপ্রসারণ?



কোন প্রতিষ্ঠান যদি এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়, যদি কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মতৎপরতার যথাযথ জবাবদিহিতা না থাকে, যদি স্বচ্ছতার অভাব থাকে তাহলে সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ে অনিয়ম, দুর্নীতি তৈরি হবে; এগুলো নিয়ে প্রশ্ন ও অভিযোগও তৈরি হবে। খ্যাতি ও প্রচারণা দিয়ে সবকিছুকে আড়াল করে রাখা কর্পোরেট জগতের একটা বৈশিষ্ট। কিন' তারও সীমা থাকে। ভুল গৌরব দিয়ে কোন দেশ তার নিজের মৌলিক সমস্যা দীর্ঘদিন আড়াল করে রাখতে পারে না। লক্ষ লক্ষ মানুষের দারিদ্রের জাল, ঋনগ্রস-তার বোঝা, আর নিপীড়নের নানা ঘটনা কি কেবল পুরস্কারের স'ুতি দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে? দারিদ্র বিমোচনের গল্প সত্য হলে ৭০/৮০ লাখ গরীব মানুষই এখন ঢাকা ঘেরাও করতো, কোন সাড়াশব্দ তাঁদের দিক থেকে নেই। সাড়াশব্দ সব দূতাবাস আর বহুজাতিক পুঁজির নানা ঘাঁটিতে।



দাবী করা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক হলেন তার সকল গরীব বিশেষত নারী ঋণগ্রহীতা। এই প্রচারণার উপর বিশ্বাস করে অনেক মুগ্ধতার বিস-ার ঘটেছে দেশে বিদেশে। কিন' এই প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যাযনি যে, এই কথিত মালিকেরা কীভাবে তাঁদের মালিকানা প্রয়োগ করেন? তাঁদের কাছ থেকে জমা নেয়া আগাম টাকার হিসাব কই? গ্রামীণ ব্যাংক ও সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ তাঁদের হাতে যায় না কেন? এসব প্রতিষ্ঠানের সব তৎপরতা সম্পর্কে সকল তথ্য তাঁদের কাছে যায় না কেন? বলা হয় পরিচালনা পর্ষদের ১২ জন সদস্যের মধ্যে ৯ জনই গরীব নারী ক্ষুদ্র্‌ঋণ গ্রহীতাদের প্রতিনিধি। কীভাবে তাঁরা এই প্রতিনিধি ঠিক করেন? কোথায় হয় এই নির্বাচন? আসলে কারা এই প্রতিনিধি ঠিক করেন? আসলে কে ঠিক করেন এই প্রতিনিধিদের? আর তাঁরা গ্রামীণ ব্যাংকের সিদ্ধান-গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কী ভূমিকা পালন করেন? গ্রামীণ ব্যাংকের পুঞ্জিভূত পুঁজির গন্তব্য কে নির্ধারণ করেন?



মুহাম্মদ ইউনুস দীর্ঘদিন বলেছেন, ক্ষুদ্রঋণ পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু আর কোন মৌলিক অধিকার সম্পর্কে তাঁর কোন আগ্রহ দেখা যায় না। গত তিন দশকে জনগণের আর কোন অধিকার নিয়ে তাঁর কোন কথা কোথাও শুনিনি। ক্ষুদ্রঋণ শুরুর পর ক্ষুদ্রঋণ মানবাধিকার, মোবাইল ব্যবসা শুরুর পর মোবাইল দিয়ে ক্ষমতায়ন, আইটি ব্যবসা শুরুর পর ইন্টারনেটের মাহাত্ন্য শুনেছি তাঁর মুখে, দই এর ব্যবসা শুরুর পর দই এর দারিদ্র বিমোচন ক্ষমতা নিয়ে শুনছি। তাঁর ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দারিদ্রকে জাদুঘরে পাঠানোর কথা আন্তর্জাতিকভাবে খুব চমক সৃষ্টি করেছিল। দারিদ্র পরিসি'তি নিয়ে নানা গবেষণায় এর উল্টো চেহারা সামনে আসার পর তাঁর মুখে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে কথাবার্তা এখন কম শোনা যায়। এখন তার নতুন মনোযোগ সামাজিক ব্যবসা।



সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সদ্য নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী মুহম্মদ ইউনুস রাজনীতিতে নামার জন্য খোলা চিঠি দিয়ে জনগণের মতামত চেয়েছিলেন। দেশে তখন জরুরী অবস'া ছিল। অনেক কথা বলা তখন নিষেধ। কিন' ইউনুস সাহেব মতপ্রকাশের এই বাধা দূর করবার জন্য জরুরী অবস্থা তুলে দেবার পক্ষে কোন বক্তব্য দেননি। রাজনীতি নিয়ে বলেন কিন' যুদ্ধাপরাধী বিরোধী আন্দোলনে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন, বলেন এগুলো অতীতের বিষয়। সামরিক শাসন বিরোধী কোন বক্তব্য তাঁর থেকে কেউ শোনেনি। বিনাবিচারে অবিরাম হত্যাকান্ডে তাঁকে কখনো বিচলিত দেখা যায়নি। সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নিয়ে তিনিই কথা বলেন যিনি এরশাদের স্বৈরতন্ত্র এবং অভূতপূর্ব দুর্নীতিকাল নিয়ে নীরব থাকেন। দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেন কিন' দেশের তেল গ্যাস কয়লা নিয়ে লুন্ঠনের যে বিশ্বজোট গঠিত হয়েছে, দুর্নীতির এতবড় লেনদেন তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে না। বাংলাদেশের তরুণদের মেধার অনেক প্রশংসা করেন তিনি কিন' তাদের হাতে দেশের সম্পদ রাখার কথা ভাবতে পারেন না। উন্নয়নের নামে দেশের শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ, তেল-গ্যাস-কয়লাখনি, পানি, শিক্ষা , চিকিৎসা সবকিছু বাজারের অর্থাৎ দেশি বিদেশি দখলদারদের হাতে ছেড়ে দেয়ার আয়োজনে তিনি এখন সরব ও সক্রিয় সহযোগী। তাঁর সব কথার সারসংক্ষেপ হলো বাংলাদেশকে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন কোম্পানির হাতে ছেড়ে দাও, তাহলেই উন্নতি নিশ্চিত। সেজন্য এরকম একটি খুঁটির প্রভাব ও ক্ষমতার যেকোন ক্ষয় নিয়ে মার্কিনীসহ আন-র্জাতিক পুঁজির প্রতিনিধিদের হয়রান হবারই কথা।



কিন্তু ইউনুস সাহেবের এসব চিন্তা ও তৎপরতার সঙ্গে বর্তমান সরকারের তফাৎ কোথায়? সরকারও তো উন্নয়নের নামে লুটেরা, দখলদার ও কমিশন ভোগীদের দিয়ে এই একই তৎপরতায় লিপ্ত। অভিন্ন নীতি, অভিন্ন প্রভুই যদি অব্যাহত থাকে, যদি ক্ষুদ্রঋণ মডেল ও গ্রামীণ ব্যাংক সংক্রান্ত যাবতীয় অনিয়ম যথাযথভাবে উন্মোচিত না হয়, তাহলে ইউনুস বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত চিহ্নিত হবে ব্যক্তিগত সংঘাত কিংবা দখল পাল্টা দখলের একটি প্রকল্প হিসেবে। আর সেই ক্ষেত্রে আখেরে লাভবান হবেন ইউনুসই।



৭ মার্চ ২০১১





বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ মডেল নিয়ে কয়েকটি লেখার লিংক:

Grameen and Microcredit: A Tale of Corporate Success:

Click This Link



Monga, Microcredit and the Nobel Prize:

Click This Link



ক্ষুদ্রঋণ, দারিদ্র ও বৃহৎ বাণিজ্য

Click This Link

Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:৪১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×