অনেক আগে গিয়েছিলাম উলিপুর চরে। সৈয়দপুর হয়ে কুড়িগ্রাম দিয়ে যেতে হয় সেই চরে। অবাক হয়েছি, দেখেছি বিদ্যুৎ নেই কিন্তু সেখানে টিভি চলছে।আধুনিক প্রযুক্তির একটি হচ্ছে সৌর বিদ্যুৎ।বিদ্যুৎ না থাকার যাতনায় মানুষ যখন কষ্টে তখন কোথাও কোথাও বিকল্প বিদ্যুৎস্বস্তি এনে দিয়েছে এলাকায়।
সোলার সিস্টেম বা সৌর বিদ্যুৎ এবং উইন্ড টারবাইন বা বায়ু বিদ্যুৎ দুইভাবেই বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। তবে যেখানে যেটার ব্যবস্হা, সহজলভ্যতা আছে সেখানে হচ্ছে তার ব্যবহার।আমরা আগে বায়ু বিদ্যুৎ ছবিতে, বইয়ে, টিভিতে দেখতাম।এটি ব্যয়বহুল হওয়ায় সবাই নাগাল পাচ্ছে না।জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সৌর বিদ্যুৎ। এতে লোড শেডিং, মাসিক বিল বা জ্বালানী খরচার বাড়তি ঝামেলা নেই। পরিবেশ থাকে দূষণমুক্ত ফলে নিরাপদ।একবার যদি সেট বা স্হাপন করা যায় তবে নিশ্চিন্তে পার কুড়িটি বছর। পুরো সেট তুলে আরেক জায়গায় সরিয়ে ও নেয়া যায়।
সূর্যের আলো পড়ে এমন জায়গায়, বাড়ীর ছাদে তা' টিনের বা পাকা হোক সেখানে সৌর বিদ্যুতের স্টীলের/ইস্পাতের প্লেট বসাতে হবে। সূর্যের আলো সোলার প্যানেল ব্যাটারী চার্জ করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে বৈদ্যুতিক পাখা, বাতি, মোবাইল চার্জ, টেলিভিশন, ক্যসেট, ডিভিডি প্লেয়ার সব চালানো যায়।এমন সৌর বিদ্যুতের স্টীলের/ইস্পাতের প্লেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের পাশ দিয়ে দোয়েল চত্বরে যেতে হাতের বাঁয়ের ইন্সটিটিউটে সব সময়ই দেখি।বিদ্যুতের সমস্যা যেমন মিটানো দরকার বাড়তি চাহিদার কথাও মাথায় রাখতে হবে। যাদের পক্ষে সম্ভব তারা অবশ্যই করবেন সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার।আজকাল অনেক এনজিও বিভিন্ন জায়গায় সৌর বিদ্যুত ও এর সংস্হাপন সহায়তা দিচ্ছে। আলো চাই, আলো, আলোকিত হোক এলাকা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



