ঘন্টাখানেক আগে ধর্মীয় বিতর্ক ব্লগে না টেনে আনার জন্য একটা পোষ্ট দেই। প্রথমে অনেকে আমাকে ভুল বুঝলেও সেখানে আলোচনাটা খুব ভাল হয়েছে। সবার জন্য সেই আলোচনা এখানে তুলে ধরছি:
বিষয়: অযথা কারও ধর্মীও অনুভূতি বা ধর্ম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না প্লিজ
আিরফুর রহমান বলেছেন: সমস্যাটা হচ্ছে ধার্মিক গন যে ইনসিকিউরিটি থেকে ধর্ম পালন করনে, স্ই একই কারনে তারা সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না।
আমি যা বিশ্বাস করি তা যদি কেউ ফালতু বলে, আমি তাতে অবজ্ঞা বোধ করবো কেন?
বাক স্বাধীনতার মানে বাক স্বাধীনতা। একেবারে বানান করা। কারো অনুভুতি যদি আঘাত প্রাপ্ত হয় তার্ও স্বাধীনতা আছে নিজ মত প্রকাশ করার।
কিন্তু কল্লা ফেলে দেয়ার হুমকি দেয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতা, যার ভেতর থেকে বের হয়ে আসার জন্য এই সভ্যতা এতো চেষ্টা করেছে।
দিগন্ত বলেছেন: '"কিন্তু কল্লা ফেলে দেয়ার হুমকি দেয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতা, যার ভেতর থেকে বের হয়ে আসার জন্য এই সভ্যতা এতো চেষ্টা করেছে। " -
একমত।
সুশীল সমাজ বলেছেন: '"কিন্তু কল্লা ফেলে দেয়ার হুমকি দেয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতা, যার ভেতর থেকে বের হয়ে আসার জন্য এই সভ্যতা এতো চেষ্টা করেছে। " -
একমত।
মাহবুবা আখতার বলেছেন: আপনাকে +।
এই সহজ স্বাভাবিক কথাটাই মানুষ বোঝে না।
হিন্দুই হোক, মুসলিমই হোক বা বৌদ্ধ খ্রিস্টানই হোক, সবাই সবার ধর্ম নিজেদের মত পালন করে গেলেই হয়।
আর যারা নাস্তিক তারাও তাদের মতাদর্শ বজায় রেখেও চলতে পারেন।
প্রত্যেকে প্রত্যেকের মতাদর্শকে সম্মান করতে শেখাটা খুব জরুরি।
অন্যের অনুভূতিকে আঘাত করে দৃষ্টি আকর্ষণের হীন চেষ্টা না করেও যে জনপ্রিয় ব্লগার(/whatever) হওয়া যায়- এটা না বোঝার মত কোন কঠিন বিষয় না।
অবশ্য বলে লাভ নেই। কিছু লোক এরকম করবেই।
গুরুত্ব না দিলেই চলে।
শুধু শুধু ব্লগকে অস্থিতিশীল করার জন্য এরা এইসব লেখে।
লেখার আরো বহু বিষয় আছে।
দৈনিক সংগ্রাম বলেছেন:
এই ব্লগে কোন রাজাকারের বাচ্চা যখন ইসলাম গ্রুপ খুইলা বসে আর সেইখানে জামাতী পোষ্ট দিয়া ভইরা রাখে তখন আপনাদের ধর্মিও অনুভূতি কই থাকে?
আিরফুর রহমান বলেছেন: " হিন্দুই হোক, মুসলিমই হোক বা বৌদ্ধ খ্রিস্টানই হোক, সবাই সবার ধর্ম নিজেদের মত পালন করে গেলেই হয়।"
এখানে 'নিজেদের মত' কথাটাতেই ধর্মব্যাবসায়ীরা বিশ্বাস করে না। ধর্ম যার যার নিজের ব্যাপার।
তাহলে এটা নিয়ে ব্লগে এতো চিল্লাপাল্লা কেন?
আমরা সামাজিক প্রাণী। ধর্মের মত ব্যাক্তিগত ব্যাপার নিয়ে ধার্মিকদের অসহিষ্ঞুতা বিরক্তিকর। কেউ নিজের মতামত প্রকাশ করতেই পারে। তাতে 'অস্থিতিশীল' পরিস্থিতি সৃষ্টি করাটা কি চক্রান্তমূলক নয়?
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: দেখেন সবাই কে এক পাল্লায় মাপা কিন্তু ভুল হয়ে যায়। চরম পন্হা এক জিনিষ আর ধর্ম বিশ্বাস আর এক জিনিষ। যে কেউই যে কোন বিষয়ে চরম পন্হা অবলম্বন করতে পারে। এটা সেই ব্যক্তির সমস্যা। ধর্মনিয়েও সেই একই কথা চলে। চরম পন্থা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না। কেউ যদি ধর্মীয় কোন বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হয়ে কারও কল্লা ফেলেদিতে চায় তবে এটা তার সমস্যা। ধর্ম এতে কোথা থেকে আসলো?
আর যে নিরাপত্তাহীনতার কথা বলছেন সেটা কয়জনার ক্ষেত্রে খাটে! আমি আমার কথা বলতে পারি যে কোন ইনসিকিওরিটি ফিলিংস থেকে আমার বিশ্বাস প্রভাবিত নয়। তেমনি আমি মনে করিনা আমার বিশ্বাস নিয়ে কারও মাথা ব্যাথা হবার কোন কারণ আছে, অন্য কারও বিশ্বাস নিয়ে ও আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই।
কানা বাবা বলেছেন:
কতা তো ভালাই লাগলো...
আপাতত পিলাচ চলুক...
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: @দৈনিক সংগ্রাম: আপনি যেমন জানেন তেমনি আমিও জানি জামাত কি এবং তারা কি করে। জামাতের মূল কাজই হচ্ছে ইসলামের নামে ব্যবসা করা। এটা আমি বা আপনি সহজে বন্ধ করতে পারবো না। আসলে সব ধর্মেই কিছু মানুষ আছে যারা ধর্ম আর মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিকে নিয়ে ব্যবসা করতে চায়। এরা সবাই জামাতিদের মত নরকের কীট; তাদের কাজই মানুষকে ধোকা দেয়া। কেউ এই ব্লগে রাজাকারী করলে আমরা তার প্রতিবাদ করি, তেমনি ইসলাম গ্রুপ নামে কেউ দালালী করতে চাইলে আমাদের সেটারও দাত ভাঙা জবাব দিতে হবে। ওরা ইসলামকে নিজেদের ব্যবসায় একটা ব্রান্ড হিসাবে ব্যবহার করতে চাইছে। কিন্তু ইসলাম কারও বাপদাদার সম্পত্তি না। তাই তাদের কর্মকান্ডের জন্য ইসলাম ধর্মকে দায়ী করাটা কি খুব বুদ্ধিমানের কাজ হবে?
আমি_হিমু বলেছেন: ধর্ম নিজের ব্যাপার একই সঙ্গে সবার (সামাজিক ব্যাপার ) বটে। ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করার জন্য আলোচনা করা যেতে পারে। ধর্মকে নিজস্ব ব্যপার বলে আলোচনা করা যাবে না তা ঠিক নয়।
আলোচনা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে।
আলতু ফালতু মন্তব্য সামগ্রিক পরিবেশ দুষিত করবে।
লেখক বলেছেন: আপনার বিশ্বাস কোনভাবেই অন্যের বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করতে পারে না। আমি যদি কিছু বিশ্বাস করি তাহলে কেউ আমাকে সেখানে থেকে টলাতে পারবেনা। তেমনি আমি বিশ্বাস না করলেও কেউ আমাকে বিশ্বাস করাতে পারবেনা। ব্যক্তি মিলেই কিন্তু সমাজ হয়। প্রত্যেকের বিশ্বাস এখানে নিজের মতে চলে। এমন নয় যে সমাজের নিজস্ব কোন বিশ্বাস আছে কারণ সমাজ একটা রিলেটিভ টার্ম, সমাজ কোন প্রানী না। তাই সামাজিক বিশ্বাস কোন ব্যক্তির বিশ্বাসের ওপর স্হান দেয়াটা ভুল হয়ে যায়। কয়েকজন ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাসকেই আমরা সাধারনত সামাজিক বিশ্বাস বলি। তাহলে কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ন হল, ব্যক্তির বিশ্বাস না সমাজের বিশ্বাস?
মাহবুবা আখতার বলেছেন: আিরফুর রহমান, ধর্ম ব্যবসায়ী তো বুঝলাম। কিন্তু আজকে যে এতগুলো পোস্ট এই একই বিষয় নিয়ে ফার্স্ট পেজে এটা কে শুরু করল?
চিল্লাপাল্লাটা তো শুরু করল একজন নাস্তিকই তাই না।
আমরা আস্তিকরা কোন দোষ করলে আমাদের যার যার ধর্মের মৌলবাদী হয়ে যাই। হ্যাঁ, তো আপনারা তো বিশ্বাস করেন না, আপনারা যখন দোষ করেন দোষ আপনাদের নাস্তিকতার ঘাড়ে চাপলে রেগে যান কেন?
আপনার বিরক্তি তো বুঝলাম। কিন্তু যারা আস্তিক তাদের অনুভূতিকে হার্ট করাই যদি আপনাদের মহান নাস্তিকতার ধর্ম হয়ে থাকে; তবে বলতেই হবে ধর্মের ঘাড়ে যে সংকীর্ণতার দোষটা আপনারা চাপান সেটা আপনাদের নাস্তিকতায় অনেক বেশি উপস্থিত (অন্তত আপনারা আজ সেটাই প্রমাণ করলেন)। অবশ্য কেবল আপনাদের দু'জনকে দিয়ে আমি নাস্তিকদের বিচার করি না।
আমি আস্তিক, তবে আমি এটাও মানি ভালো মানুষ হবার জন্য আস্তিক নাস্তিক লাগে না।
অন্যের অনুভূতিকে হার্ট করার জন্য একটা ছুঁতো দিলেই হল, তা সে আপনাদের নাস্তিকতাই হোক আর আমাদের আস্তিকতাই হোক।
মিসকল মফিজের পোস্টটা লোক ক্ষ্যাপানোর উদ্দেশ্যে দেয়া- পরিষ্কার বোঝা যায়।
তার লেখার সাইজও ছোট, বক্তব্যও যুক্তিপূর্ণ নয়।
অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করার চেষ্টাটা শুরু করেছে কিন্তু সে-ই। অস্বীকার করতে পারেন?
অবশ্য আপনি স্বীকার করবেন না, তা আমি জানি।
ধর্মের বেস হল বিশ্বাস (অধিকাংশের ক্ষেত্রে), নাস্তিকতার বেস সাধারনত যুক্তি (তবে মিসকল মফিজের ক্ষেত্রে না।)
যাক, বাদ দেই।
লেবু কচলালে কেবল তিতাই বের হবে।
সুশীল সমাজ বলেছেন: ধর্ম নিয়ে কেউ পোস্ট দিলে সেটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হবেই। তার চেয়ে ভালো ধর্মীয় পোস্ট অফ করে দেওয়া।
আিরফুর রহমান বলেছেন: ধর্ম নিয়ে কেউ পোস্ট দিলে সেটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হবেই। তার চেয়ে ভালো ধর্মীয় পোস্ট অফ করে দেওয়া।
এই সিম্পল কথাটা কেউ মানতে চায় না। মরার পর কি হবে, এবং ইশ্বর আছে কি নেই এর চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আমরা বাঙালীরা অবহেলা করি বলেই জাতি হিসেবে আমরা এতোটা পিছিয়ে।
লেখক বলেছেন: আসলেই ধর্ম নিয়ে পোস্ট দেয়া বন্ধ করা উচিৎ, তাতে অযথা বিতর্কে একজন আরেকজনের অনুভুতিকে আঘাত করা বন্ধ হবে।
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: ব্যাপারটা একটু অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা যাক। আস্তিক আর নাস্তিকের মধ্যে কোন বিরোধ নেই যতক্ষন তারা দুজনই উদার। দুজন দুজনার বিশ্বাস নিয়ে খুশি। কিন্তু একজন মৌলবাদী আস্তিক এবং একজন মৌলবাদী নাস্তিকের মধ্যে সমস্যা হয়ওটা স্বাভাবিক। দুজনেই একজন আরেকজনের ভিন্ন মতামত নিয়ে ক্রুদ্ধ এবং আক্রমনাত্মক আচরণ করবে। এখানে মৌলবাদ বলতে কোন বিশ্বাসকে বুঝানো হচ্ছে না, এখানে মৌলবাদ হচ্ছে অপরের ভিন্ন মতামতকে সহ্য করতে না পারাটা এবং সে জন্য অপরকে আক্রমন করাটা। তাই মৌলবাদী আস্তিক যেমন হতে পারে, তেমনি মৌলবাদী নাস্তিকও হতে পারে। দুজনই শুধু নিজের বিশ্বাস নিয়েই খুশি থাকতে পারেনা। সেই সাথে অন্যমতের লোকদেরও সরিয়ে দিতে চায়। তার মানে তাদের দুজনেরই কথা এক - "আমি আমার মতের বাইরে কাউকে সহ্য করবো না এবং যখনই সুযোগ পাবো তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিব।" ফলে তাদের মারা মারি বেধে যায়। তা কোন সমস্যা না। সমস্যা হয় তখন যখন একজন কট্টর মৌলবাদী আস্তিক একজন উদার নাস্তিককে আক্রমন করে অথবা একজন কট্টর মৌলবাদী নাস্তিক একজন উদার আস্তিককে আক্রমন করে। বিষটা বোধহয় পরিস্কার করতে পেরেছি।
আিরফুর রহমান বলেছেন: তো এই সাইটে কি হচ্ছে বলে আপনার অভিমত, মহাজন?
মদনবাবু বলেছেন:
ধর্ম নিয়ে কেউ পোস্ট দিলে সেটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হবেই। তার চেয়ে ভালো ধর্মীয় পোস্ট অফ করে দেওয়া।
১০০ ভাগ সহমত । ধর্ম নিয়ে যেসব আলোচনা এখানে সচরাচর হয়ে থাকে তা পুরোটাই ফালতু এবং সময়ের অপচয় মাত্র ।
লেখক বলেছেন: মদনবাবুর সাথে ১০০০% সহমত....।
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: দেখেন আমি যদি আল্লাহকে বিশ্বাস করি তাহলে আমাকে যেমন কেউ ভিন্ন কিছু বোঝাতে পারবেনা, তেমনি আমি যদি অবিশ্বাস করি তাহলেও কেউই আমার সে বিশ্বাস টলাতে পারবেন।
তাই যেটা করে লাভ নেই তা না করাই উচিৎ। এখানে কিছু জামাতি আগাছা ইসলাম ইসলাম বলে ছাগলের মত চেচাবে এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের তাদের উদ্দেশ্যটা বুঝতে হবে। ইসলামকে একটি ব্রান্ড বানিয়ে ব্যবসা করাটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। আপনারা হয়ত জেনে থাকবেন যে পৃথিবীতে সবচাইতে লাভজনক ব্রান্ড হচ্ছে ধর্ম, যে কোন ধর্ম। কিন্তু এতে ধর্মকে দোষারোপ করাটা ঠিক না। যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করছে তাদের প্রতিরোধ করা উচিৎ।
জামাতের একটা অপপ্রচার হল যে সচ্চা মুসলমান হবে তাকে জামাত করতে হবে। এভাবে তারা দুইটি মেরু সৃষ্টি করতে চাইছে; তারমানে আমাকে যদি মুসলমান হতে হয় তবে অবশ্যই আমাকে জামাত করতে হবে, আর জামাতকে সমর্থন না করলে আমি কাফির (জামাতি কুকুরদের ভাষায়)। আপনিও যদি তাদের এ অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হন এবং আমার থেকে আপনার ধর্মীয় বিশ্বাস যদি ভিন্ন হয় তবে আপনি আমাকে জামাতি ভেবে ভুল করবেন, এটা খুবই সম্ভব। তাই আমাদে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে যাতে আমরা এদের বিভ্রান্তির মধ্যে এসে না পড়ি।
আর এই সাইটে এটাই হচ্ছে। জামাতিদের অপপ্রচারে কিছু মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যারা আস্তিক তাদের সবাইকে জামাতি ভাবতে শুরু করেছে।
তাই আমাদের ধর্মীয় পোস্ট না দেওয়াই উচিৎ। আর জামাতিরা যদি তা করতে আসে তাহলে তাদের সমুচিত জবাব দিতে হবে।
ব্লগে ধর্ম ছাড়াও লেখার আরও অনেক বিষয় আছে। আসুন আমরা সেসব বিষয় নিয়ে লিখি যা সুন্দর ও মুক্তচিন্তাকে বিকশিত করে, সুন্দর ভাবনার খোরাক দেয়।
মদনবাবু বলেছেন: শেষ মন্তব্যটা আগুন হইছে মহাজন ।
ব্লগে ধর্ম ছাড়াও লেখার আরও অনেক বিষয় আছে। আসুন আমরা সেসব বিষয় নিয়ে লিখি যা সুন্দর ও মুক্তচিন্তাকে বিকশিত করে, সুন্দর ভাবনার খোরাক দেয়।
একমত । ধর্ম আর নামাজ মসজিদ মন্দিরে । ব্লগে আসেন অন্য কিছু করি । আর তাতে দেখবেন এই যে যারা লগইন না করে গেস্ট হিসেবে ব্লগ দেখতেছে উনারাও এসে সবার সাথে অংশ নিবেন ।
আিরফুর রহমান বলেছেন: বহুরূপী মহাজন, আপনি কে জানি না, কিন্তু আপনি এই মাত্র আমার শ্রদ্ধা অর্জন করলেন।
রেসপেক্ট।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন, বিভ্রান্তিতে পড়বেন না।
বিদ্র: কেউ লেখাটি পড়তে চাইলে এখানে দেখুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




