আমার প্রিয় পোস্ট

তুমি কি ওকে চেন নি পৃথিবী?

০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

শেয়ারঃ
0 67 0

রিকশার চাকা সচল হয়,অচল জীবন কি কখনো গতি পায় ? ...

প্রখর রোদে, খালি গায়ে, মলিন শতছিন্ন লুঙ্গিটা আশ্রয় করে আমাদের বহন করছিল যে রিকশাওয়ালাটা, তাকে খেয়াল করে দেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনি। না হলে দেখতে পেতাম প্রথমেই- প্রায় গর্তে বসে যাওয়া চোখ, পেট লেগেছে পিঠে, হাড্ডি গোনা যাচ্ছে আর বুকের অসম্ভব ওঠা নামা, ধুক ধুক শব্দে। সিগনাল পড়াতে তাকে প্যাডেল মারা থেকে থামতে হলো, আর তখনি তার প্রায় থমকে যাওয়া প্রাণ বুঝি উপলব্ধি করলোঃ আমিও মানুষ। তার পৃথিবী দুলে উঠলো, হুডের নিচে থাকা আমি শুধু তার নির্বাক শূন্য দৃষ্টি দেখতে পেয়েছিলাম তারপর...... জ্ঞান হারালেন উনি। রাস্তায় পরে গিয়ে মাথাও ফাটালেন, রক্ত দেখলাম পিচঢালা পথে। তারপরতো হাসপাতাল, স্টিচ, ঔষধপত্র ... ...আর তখনি জানা হলো কষ্টের উপাখ্যান। হার্নিয়ার অপারেশন হয়েছে তিনদিন ও হয়নি! কিন্তু ঘরে যে কোন খাবারও নেই! প্রয়োজনীয় ঔষধ তো পরের কথা! জীবন বাধ্য করেছে তাকে পথে নামতে ......... রক্ত যে পানি হবে, সেই পরিমাণ রক্তই হয়তো নেই শরীরে! একদিন রোজগার বন্ধ মানেই, একদিন পরিবারের সকলের উপোশ থাকা। এই ই জীবন,একজন শ্রমিকের!



নাম থাকেনা শ্রমিকের ...

অনেকদিন একটা দৃশ্য দেখা হয়না, ভাঙ্গা ইটের স্তুপ, তার উপর বসে থাকা বিভিন্ন বয়সী অপুষ্ট নারী আর পুরুষ,তুমুল ভাবে পাথরের উপর ভেঙ্গে চলেছে ইট।নিয়মিত ভাবে দেখা শ্রমজীবি মানুষ। কখনো রক্তাক্ত হয় আঙ্গুল, তাই কালো রঙের রাবার পড়ে থাকতো। পাশেই কোন কোন মহিলার শিশু খেলছে হামাগুড়ি দিয়ে...... এখন যন্ত্র এসেছে, এই কায়িক পরিশ্রমের বিলুপ্তি ঘটেছে। তাতে করে নির্মাণ শ্রমিকদের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে মোটেই তা না। এখনও প্রতিটা ইটে তাদের ছোঁয়া থাকেই। একটা একটা করে ইট আজো শীর্ণ হাতেই গাঁথা হয়। প্রতিটি ইঞ্চিতে সিমেন্ট-বালুর প্লাস্টার শ্রমিকদের হাতেই হয়। বহুদিনের রক্ত পানি করা শ্রমে, ঘামে ভিজে, কখনো রক্তে সিক্ত হয়ে যে কাঠামোটা পরিপূর্ণতা পায়, সেখানে তাদেরই কোন নাম থাকেনা! কেন থাকবে? পাই পাই করে হিসেবতো বুঝিয়ে দেয়া হয়,আবার কী? বিলাসবহুল অট্টালিকা নির্মাণ করে শ্রমিক ফিরবে তার ছাপড়া কুটিরেই। তাঁর শ্রমে নির্মিত দালানে একসময় সে নিষিদ্ধই হয়ে যায়। আচ্ছা, একটা অস্বাভাবিক স্বপ্ন দেখে ফেলা যায়না? কোন এক স্থাপনার সামনে যেমন করে নাম লেখা থাকে মালিকের, বড় কোন ফলকে...... ঠিক পাশেই কিংবা না হয় কোন এক কোণে ...... সাদা ফলকে ছোট ছোট হরফে নাম থাকবে প্রতিটা প্রাণের যারা অংশ নিয়েছিল এই কর্মযজ্ঞে...... এমনকি সেই বাবুর্চী মিয়া আর ফুট ফরমায়েশ খাটা পিচ্চিটারও! যে ছিল আর্কিটেক্ট, যে ছিল চীফ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ... তারাও থাকবে একই ফলকে! সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাইতো এই ভবন! আবদুল করিম, টাঙ্গাইল। ওদুদ মিঁয়া, ফরিদপুর। সোলেমান, ময়মনসিংহ। গনেশ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ......হোসনেয়ারা,চাঁদপুর। আমেনা,কুড়িগ্রাম। ... ... কোন দাবি থেকে না, বরং কৃতজ্ঞতা, একটু সম্মান জানানো... কিছুটা ভালোবাসার প্রকাশও ! স্বপ্ন দেখা তো অসাংবিধানিক কিছু না... তাই একটা এমন স্বপ্ন দেখাই যায়, কখনো যদি কোন এক বাড়ির নির্মাতার চোখে আমার এ লেখাটা পড়ে, হয়েও যেতে পারে এমন কিছু একটা!!!

প্রতিদিন মরতে আসা আরেকটা দিন বাচার আশায় ... ...

জীবনে কখনো না ভোলা দৃশ্যগুলোর একটা, মনে পড়ে ?...... রড আর ধ্বসে পড়া ইট-সিমেন্টের ফাকে নেমে আসা নিথর পা-গুলো। উফফ...... কি যন্ত্রণা অনুভব হয় ভাবতে গেলেই! Rangs ভবন ভাঙ্গার সময় মারা গেল এত্তোজন শ্রমিক, তারা কি মানুষ ছিলনা আমাদের ভদ্র সমাজের চোখে? আমি জানি না কী করা হয়েছে তাদের হতভাগা পরিবারগুলোর জন্য, নাম মনে রাখবো আমরা সেটাতো অকল্পনীয়! সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ কাজগুলো করে নির্মাণ শ্রমিকেরা, নাই তাদের কোন জীবনবীমা......। দিনমান কাঠফাটা রোদ্দুরে, নির্মেঘ আকাশের নিচে, দাবদাহে অস্বাস্থ্যকর ভাবে কঠোর পরিশ্রমে, ময়লা ধুলোবালিতে কাজ করে খুব দ্রুত জীবনী-শক্তি হারায়, রোগাক্রান্ত হয় যারা তাদের নেই কোন স্বাস্থ্যবীমাও! আচ্ছা, তাদের জন্য এসব ভাবাটাও কি অস্বাভাবিক সব ভাবনা? এমনটা বুঝি হয়না... তবে, পরিবর্তন তাহলে কোনভাবে আসবে? সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সেবাতো শ্রমিকদেরই প্রাপ্য ছিল! অথচ সামান্য স্বাস্থ্য সচেতনতার ব্যবস্থাটাও নেই! কত শত শ্রমিক পঙ্গুত্বের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত, সে খবর কে রাখে? আর মরে যাওয়াতো ... ... খুব সাধারণ ব্যাপার! র করতে গিয়ে পড়ে মারা গিয়েছে এক কমবয়সী শ্রমিক, একজনের বাসায় গিয়ে শুনলাম এ খবর। তাই এপার্টমেন্টের সব ফ্ল্যাটে কিছু টাকা জমা দিতে নোটিশ দেয়া হয়েছে, হতভাগ্য শ্রমিকের পরিবারকে দেয়া হবে। হায়, কোথায় সমব্যথী হওয়া, খোঁজ নেয়া ... আরো কিছু করা যায় কিনা সেই চিন্তা করা... নাহ! বরং বাসার মালিক বিরক্ত! “কমিটি খালি টাকা আদায়ের ধান্দা করে, কোথায় কে মরসে এর জন্যও ও টাকা দ্যাও! আবদার! আমিতো শুনিনাই কে কোথায় পইড়া মরসে!” হ্যাঁ,এটাই দৃশ্যপট, এরকমই আমরা!
দুই-একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে......... এটা কি আদৌ কোন খবর! Rangs ভবন বলে তখন শিরোনাম হয়েছিল, হয়তো পত্রিকার পাতায় নাম এসেছিল শ্রমিকদের। এটাই অনেক বড় পাওয়া ছিল বুঝি! ছাপার হরফে নাম......
আহ, তাদের বাঁচার মানে, দেশ কি জানে?

শ্রমের বিনিময়ে মেলে কি সুখ?

হাড়ভাঙ্গা অমানুষিক শ্রমের টাকায় দেশে বোনের জামাই মোটরসাইকেল কেনে, সানগ্লাস পড়ে রংবাজি করে বেড়ায়, হ্যাঁ এটাই ঘটে। কী কষ্টেইনা কিছু স্বাচ্ছন্দের আশায় শ্রমবাজারের পণ্য হয়ে বিদেশ যাত্রা করে, তারপর ঘামের ফোঁটার অন্যায্য মূল্য! হায়, সেই মূল্যের ও অপমান হয়। পাঠানো টাকা গুলো গিলে নিতে তৈরী হয়েছে অসংখ্য শপিং সিটি, ফুডকোর্ট, ব্র্যান্ড ইমেজ শেখানো হচ্ছে সক্ষমতা না থাকা সত্বেও। সেবা, বিপণন আর বাণিজ্য... উন্নয়নের চাদর জড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকে লোভাতুর সারমেয়। জীবনে উপচে ওঠে অনাবশ্যকতা! অতঃপর লোভ বাড়ছে, ফরমায়েশ যাচ্ছে বাড়ি থেকে,আরো টাকা পাঠাও আরো! দারিদ্রের কশাঘাতে জর্জরিত পরিবারটি একটু সুখে আছে, সন্তানেরা ভালো আছে, স্ত্রী দুটো ভালো কাপড় পড়তে পারছে... এমন স্বপ্নে বিভোর মানুষ সদৃশ শ্রমিকটি বিদেশের মাটিতে মালিকের দাস হয়ে ঘাম ঝরায়,কটূ কথা শোনে ... ... কখনও রক্তাক্ত হয়, জেলে পঁচে কারণ সে সেখানে মানুষ তো না! স্রেফ রপ্তানী হওয়া পণ্য! খুব কঠিন সংগ্রামের করুণ ইতি ঘটে লাশ যখন বাড়িতে ফেরে, আবার কখনো ফেরেওনা! শ্রমিকের লাশের চেয়েও যে বেশি দাম কফিনের!

তারপরও ... ...

শ্রমিকদের কথা ভেবে লিখতে যাওয়াটা নিতান্ত বোকামী! হয়তো সময়ের অপচয় ও...... শিশুশ্রমের কথা লেখা সম্ভব না,আবেগে আক্রান্ত লেখা হবে,কাজের কাজ কিছুই হবে কি তাতে?
শিশুশ্রম মানেই ... এমন কিছু দৃশ্যঃ



কিংবা





পোশাকের বাজারের স্বল্পমূল্যের শ্রমিক, ইট-ভাটার শ্রমিক, চা বাগানের শ্রমিক শ্রেনী, ছোট খাট ফ্যাক্টরী, কূলি বা মিন্তি... ... শ্রমবাজারের পণ্যের কত হরেক রকম সকম, কতজনের কথা লেখা যায়? তাতে কি আঁকা যায় তাদের জীবন ছবি? শাদা-কালো জীবন মলিন বাদামী রঙ ধারণ করতেই থাকে, এক সময় ছত্রাক জন্মে।



শ্রমিকের শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বসন্ত নেই। তার দিন নেই। রাত নেই। রাতের আকাশের নীচে কোন মোহমুগ্ধতা নেই। বৃষ্টি বিলাস নেই। হতাশা আর কষ্টেরা কোথাও নোঙ্গর বাঁধেনা। চলতে থাকে তাদের জীবনের সাথে। পৃথিবীর কারাগারে কয়েদি জীবন। মৃত্যুতেই বুঝি মুক্তি মেলে!




কোন কবির কবিতার মত করে...
-“সকাল সন্ধ্যা তারপর একঘড়ি রাত, কারখানার মেশিনের সাথে থেকে তারাও হয়ে যায় যন্ত্র। তিরিক্ষি মেজাজের পুরনো লোহা লক্কর, জীবনের ঘানি টেনে টেনে বিবশ…”



 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০১১ বিকাল ৩:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬
রাজসোহান বলেছেন: মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন । অসাধারণ লেখা
০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: হুম, মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন! ...

২. ০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭
সুদিপ্ত বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা আপনার। গল্পের মতন, কিন্তু গল্প নয়, নির্মম বাস্তবতা।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: গল্প না ! গল্প না!
প্রথম টুকুতো আমার সামনেই ঘটা!

৩. ০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩
আমি বিবেক বলছি বলেছেন: অনেকদিন পর সুন্দর পোস্ট! ধন্যবাদ।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: সবার বিবেক কথা বলুক... অন্তত এমন কিছু বিবেক সম্পন্য কাজের জন্য একটা ছায়ার নিচে সবাই এক হোক!

০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: সমস্যা গুলো চিহ্নিত হোক। শ্রেনী থাকবে, কিন্তু এতো এতো বৈষম্য তো থাকার কথা না।

৫. ০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩
ভাঙ্গন বলেছেন: আমাদের বিবেকবোধ কবে কখন জাগ্রত হবে? আপনার লেখা পড়ে আমি অন্যরকম একটা টাচ সবসময়ই পাই। সে জন্য সব সময় স্বাগ্রহে আপনার লেখা খুঁজে খুঁজে পড়ি।
............
সে যা হোক।
............
আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে-প্রত্যাশায়।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: এসব ক্ষেত্রে হয়তো আমাদের বিবেক জাগ্রত হয় বা আছে, কিন্তু নিম্নবিত্তদের সেখানে বিবেক জাগেনা, পেটের নিবারণ বড় হয়ে দাঁড়ায় যেখানে ... ... সেখানে অন্যায় হয় অসংখ্য!

মন্তব্যে ভালো লাগলো ভাঙ্গন !

৬. ০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
সাকীব বলেছেন: "...যে দধীচিদের হাড় দিয়ে ঐ বাষ্প-শকট চলে,
বাবু সা’ব এসে চড়িল তাহাতে, কুলিরা পড়িল তলে।
বেতন দিয়াছ?-চুপ রও যত মিথ্যাবাদীর দল!
কত পাই দিয়ে কুলিদের তুই কত ক্রোর পেলি বল্‌?"

আমি নজরুলের লেখা অনেক পড়েছি। কবিতাতো সবই পড়েছি, অসংখ্যবার। গুটি কয়েক বাদ থাকতে পারে সম্ভবত। নজরুল থাকলে তোমার লেখা নিয়ে গর্ববোধ করতেন।

০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: তোমার সাহিত্য পড়াশুনা নিয়ে আমার কোনই সন্দেহ নেই! পড়াশুনা সব কিছু তালা দিয়ে নজরুল, আলমাহমুদ পড়তে!
শেষ লাইনের ব্যাপারে ...... থান্ডার্ড হয়ে গেসি! ক্যামনে এটা লিখে ফেললে মাম্মা ???

অনেক অনুপ্রেরণা দাও, কৃতজ্ঞ থাকি তাই সবসময়।
উপরের নজরুলের ছত্রের জন্য অনেক শুকরিয়া!!!

৭. ০২ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
সেতু জোহরা বলেছেন: পড়তে পড়তে চোখে পানি এসে গেল আপু...এরকম নির্মম বাস্তবতা কি কোনদিন শেষ হবেনা???
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: সবাই মিলে চাইলে, কাজ করলে , ভালবাসলে ... ... একদিন হয়তো অনেকটা কমে আসবে বৈষম্য!

০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: হুম

৯. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:১২
আনহা বলেছেন: সুদিপ্ত বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা আপনার। গল্পের মতন, কিন্তু গল্প নয়, নির্মম বাস্তবতা।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: গল্প না ! গল্প না!
প্রথম টুকুতো আমার সামনেই ঘটা!

১০. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:৪২
রুদমী বলেছেন: আবার সেই বড় বড় কথা বলতে চলে এসেছি। কিছুই তো করি না ওদের জন্য...এইসব দৃশ্য গুলো একদম চোখসহা হয়ে গেছে। আমরা ধরেই নিয়েছি শ্রমজীবী মানুষ গুলো এমন যন্ত্রের মত কাজ করবে, ওদের জন্মই হয়েছে যেন শুধু কাজের জন্য। আর আমরা করবো আরাম-আয়েশ! নাহ আমরা খারাপ, আমি খারাপ....এটাই চরম সত্য!! এগুলোর জবাব দিতে হবে একদিন। আমি একদমই রেডি না!

লেখাটা অসম্ভব ভালো হয়েছে সোহা। কিযে ভালো লেখ!! বাস্তব ঘটনা গুলো তোমার লেখায় খুব সুন্দর উঠে আসে।

** বিল্ডিং এর সামনে সব শ্রমীকের নাম লেখার আইডিয়াটা খুব ভালো লেগেছে। মাথায় থাকলো।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ঠিক এরকম কিছু একটা ... ... ... ... ...



সামনে কিছু উদ্যেগে খুব আশা করি, পাশে পাবো তোমাকে। :-)

১১. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ৯:৪৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: ...
কী বলব?!

খুব ভালো লেখা, কষ্টের লেখা মন খারাপ করা :(
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: কিছু বলবো কেন আমরা বাপ্পী ?!? তুমি, তোমরা, আমরা কি আর সবার মত শুধুই বলতে আসি? নাহ নাহ! তাইনা ?
অবশ্যই কিছু একটা আমাদেরই করতে হবে ... ... ...
তোমাকে ছোট্ট একটা এক্সাম্পল দেই ... ...
ডেইলিস্টার এ রিপোর্ট এলো ছবি সহঃ ডিফ একটা বাচ্চা ছেলে, কাজ না পারার জন্য তার কান মুচরে দিচ্ছে মালিক। প্রায় ই এভাবে মার খায় ... ...
একজন রিপোর্ট টা পয়েন্ট আউট করলো। অতঃপর- ফিল্ড ওয়ার্ক। রিপোর্টারের সাথে যোগাযেগ করে ট্রেস করা হলো বোবা বাচ্চাটাকে... এন্ড সো অন !

সামনে অনেক কাজ :-)

০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: আহারে ... ...

১৩. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২২
সনাতন বলেছেন: অসময়ের সব জ্বালাতন শেষে একদিন অদের সূর্য হয়তো আপনার হাতেই উঠবে... এগিয়ে চলুন... সুন্দরে জড়ানো সেই পৃথিবীর খোঁজে আমরাও পথিক হবো তব সাথে।
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: সবার হাতেই উঠবে, উঠতেই হবে, ইনশাল্লাহ :-)

১৪. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২৬
তারিক রিদওয়ান বলেছেন: আপু আমি যদি কখনো কিছু নির্মাণের উদ্যোগ নেই, ইনশাল্লাহ শ্রমিকসহ সকলের নামই টাঙ্গিয়ে দেব তার মেইন গেটে....... :( :( :(( :((
০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি জানি ইনশাল্লাহ এটা তুমি করবে :-)

১৫. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২৮
সায়েম মুন বলেছেন:
কিছু বললাম না। পোষ্টে হাজার প্লাস!!!
০৩ রা মে, ২০১০ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: কখনো ওদের পক্ষে যদি কিছু শব্দ নিয়ে ও দাড়ানী হয়, ক্ষতি কি ?
:-)

১৬. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১১:২৩
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
সমাজে সব শ্রেনী ও পেশার মানুষ থাকা চাই, থাকতেই হবে যতদিন দুনিয়াটা টিকে থাকবে। শর্ত হচ্ছে- প্রত্যেকের মৌলিক চাহিদা মিটানোর মত অবস্থা সৃষ্টি করতে হবে।

শিশুশ্রমের নমুনা দেখে সত্যিই খারাপ লাগছে।
০৩ রা মে, ২০১০ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: এবং-
* মানবিক ব্যাপার গুলো প্রাধান্য পেতে হবে
* মালিক পক্ষের লোভ কমাতে হবে
* বেতন বৈষম্য করা যাবেনা
* মৌলিক অধিকার গুলো সমুন্নত থাকবে।
*সরকারী নজরদারী থাকবে তাদের উন্নয়নে !

০৩ রা মে, ২০১০ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: কত এমন ছবি ...
মেশিন এ কাজ করতে গিয়ে মার খাচ্ছে যে ছেলেটা, সেটা জি এম বি আকাশ নামের একজনের তোলা !

১৮. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১২:২৯
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: অসাধারণ লেখা! কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, আমরা কি শুধু লিখেই যাব? আমাদের কি করার কিছুই করার নেই আপু?
০৩ রা মে, ২০১০ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: অবশ্যই করার আছে ! কিছু করার প্রেক্ষাপটেই বা ইচ্ছে থেকেই তো লেখা :-) তুমিও পারবে ! শুধু ভাবনা গুলো বাস্তব করতে কাজে নেমে যাও! দেখবে কত্ত সাথী ......

১৯. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১২:৪০
শাহীন আঁখি বলেছেন: আমাদের মৌলিক সমস্যা হচ্ছে এ সমাজের একশ্রেনীর মানুষ শত শত বছর বেঁচে থাকার মতো সম্পদ সঞ্চয় করতে চায়! এ কারনের পাশাপাশি দূর্বল অর্থনীতির কারনেও শ্রমিক বঞ্চিত হয়। কল্যানমূলক রাস্ট্রের বদলে আমরা গড়ে তুলেছি রাজনৈতিক হানাহানির সমাজ। ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরেই রয়েছে বিভিন্ন বঞ্চনা।
০৩ রা মে, ২০১০ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: ঠিক তাই ! আর সভা সেমিনার করে পালন করি মে দিবস। আর শ্রমিক রা হয় তাস। ইনভেস্টমেন্ট, তাদের সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়ে চলে ধুন্ধুমার ব্যাবসা!

২০. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১২:৪৩
ওমর নাসিফ বলেছেন:
লেখাটা পরিচিত লাগছে...আহেম... ;)
৩,৪ এবং ৬ নং ছবিগুলো সম্ভবত: anthropographia থেকে নেয়া, তাই না? অসাধারণ সব ছবি আছে সাইটটাতে! এই ছবিগুলোর লিংক আমি একবার শেয়ার করেছিলাম ফেসবুকে। প্রান্তিক মানুষের কথা বলে যেন প্রতিটা ছবি।

তোমার লেখার ব্যপারে একটু বলি

তারাশঙ্করের লেখা সর্ম্পকে কি বলা হয় জানো? বলা হয়-
নিয়তিশাসিত মাঁটিঘেষা মানুষের চারুশিল্পী তারাশঙ্কর
তুমি তারাশঙ্কর না; সোহায়লা রিদওয়ান। তারাশঙ্করের মত অত উচ্চ সাহিত্যিক মানের কথা মাথায় রেখে লেখ এটাও নিশ্চয়ই না। তবে তারার লেখা পড়ে আমি প্রান্তিক মানুষদের হৃদয়ের রক্তক্ষণ টের পেয়েছি। আমার হৃদয়েও রক্তক্ষরণ হয়েছে বহুবার। কিন্তু তারাশঙ্কর তো আকাশের তারা। দূর থেকে দীর্ঘ:শ্বাস ফেলে পাঠ শেষ করেছি। কিন্তু এই লেখার শিল্পীকে আমি চিনি বলেই শুধু রক্তক্ষরণেই পাঠ শেষ না করে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই আর তার চোখেই স্বপ্ন দেখি এমন আগামীর যেদিন আমাদের আশেপাশে তার মত অনেক অনুভূতিপ্রবণ মানুষ ভীড় করবে। আর তাদের হাত ধরেই আমরা এগিয়ে যাব ভারসাম্যপূর্ণ একটা স্বপ্নীল সমাজের দিকে যেখানে আর কাউকেই এক বুক অভিমান নিয়ে লিখতে হবে না...
তুমি কি ওকে চেননি পৃথিবী?
০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: নাহ, তোমার আর সাকিবের সাহিত্য পঠন নিয়ে আমি ভয় পাচ্ছি! তারাশঙ্করের কবি পড়েছি , আর কিছুই মনে পড়েনা! মুজতবা আলীর স্টাইলে কোন একদিন যদি লিখতে পারতাম , তাইলে হয়তো প্রোফাইলের কথাগুলো মুছে দিতাম!
অনুভূতি সবারি আছে নাসিফ, কিন্তু ব্যাপারটা হলো সেটা কতটা কাজে লাগাই? মেধার মত অনুভূতিও স্রষ্টা প্রদত্ত নিয়ামত। এটা তোমার বিবেক কে ভাল দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করলেই সফলতা!
প্রান্তিক দের একজন তো আমিও হতে পারতাম! স্রেফ জন্মস্থান এর ভিন্নতা, হতেও পারতাম মাটির ঘরে জন্ম নেয়া শিশু ... ... ...
আল্লাহ অবস্থা গুলো দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন, ব্লেসিংস যে দিলাম, কতটা রিটার্ন দিচ্ছো, সেটাই আমি দেখবো শেষ দিনটাতে !

তোমাদের মন্তব্য মুগ্ধতা নিয়ে পড়ি! :-)
ধন্যবাদ তাই অনেক!

২১. ০৩ রা মে, ২০১০ সকাল ১১:২৩
মাহমুদ ফয়সাল বলেছেন: বলার কিছু নাই....
এত্ত সুন্দর লেখা! সেই সাথে আমি নির্বাক ......
:-(
০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: সবাক হও! নির্বাক হলে চলবে কেন? একজন অন্তত মানুষের আরামের ব্যাবস্থা ও যদি করতে পারো, কম কি?
ঢাকায় ফিরলে জানাবে, তোমার জন্য কাজ আছে :-)

২২. ০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ১২:০১
পজিটিভ বাংলাদেশ বলেছেন: অসাধারণ একটি লেখা। ধন্যবাদ লেখক কে।
০৩ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: শুভকামনা।

২৩. ০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
প্রতীক্ষা বলেছেন: ''খোদা, ভগবান, ঈশ্বর! বাঁধেন ঘর ! মানুষ তোমার অন্তরে!
তাঁরে তুমি খোঁজ গির্জা, মসজিদ, মন্দিরে!!

দুঃস্থ জনের সেবা করো, সেবাই ঈশ্বর!
মানব মনের গির্জায় তিনি বাঁধেন তাঁহার ঘর!
অন্তর চক্ষুতে দেখ নিজের ভেতরে!''

আপনার উদ্যোগ সফল হোক! অনেক অনেক শুভকামনা রইল!

++++
০৩ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: ওরশিপের অনেক রকম ব্যাপার এ আছে হয়তো... নিভৃতে, দলবদ্ধ ভাবে......... সেবার মাধ্যমে।
জ্ঞানী ব্যক্তি মাত্রই প্রতিটা পথে হাঁটবেন!

২৪. ০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৫
মরণজয়ী বলেছেন:
পুরোটা পড়বার সাহস পেলাম না ... আজকাল মানুষের কষ্টের কথা পড়তে পারিনা ... শেষকালে আবার অনূভুতিহীন হয়ে যাই :|

সরাসরি শোকেসে!
০৩ রা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যাবাদ।
আপনি লেখেননা কেন? লিখুন, আপনার লেখাওতো মানুষ শোকেসে নিতে চায় !! :-)

২৫. ০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৫:১২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: আপনি কি আসলেই চান যে, এখানে প্রসঙ্গত কমেন্ট করি? আসলেই???
--------------------------------------------------------------

লেখা ভালো হয়েছে বরাবরের মত।
০৩ রা মে, ২০১০ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই চাই !! কেন না ????
আশা করে থাকছি তাহলে ...

০৩ রা মে, ২০১০ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: কোন সন্দেহ? :-)

২৭. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ৮:০৮
অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:

ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই,
পারিনা আসলে লিখতে।

এই চরম মিথ্যে কথা বলার জন্য আপনার শাস্তি দরকার
কারণ আপনার লেখাগুলো মানসম্মত।
ভালো লিখেন বলে এইসব লিখে রাখলেন সদর সদর দরজায় কষ্ট পেলাম।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: কষ্ট পেলেন কেন ????
আগেও বলেছিলাম কাকে যেঃ
যেদিন নিজের সাজানো শব্দগুচ্ছে নিজেই স্তম্ভিত হব, শব্দের শক্তিতে কেঁপে কেঁপে উঠবো, কথার ধারালো শক্তিতে কিছু একটা পরিবর্তিত হয়ে যাবে... ...
আমি সত্যি পালটে দেব! আমার লেখা এখনো কিশোরী সুলভ!

২৮. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ৮:০৯
অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:

লেখাটা পড়ার আগে + দিলাম
এখন পড়ব
তারপর চলে যাবো
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: সময় করে আবার আসবেন!
ততদিন, ভালো থাকুন! :-)

০৪ ঠা মে, ২০১০ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: কোন কমেন্ট টা বলেনতো!
এই আপনার প্রসঙ্গত মন্তব্য ?!?!
হুমম...
ধন্যবাদ!

৩০. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৩:০০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর একটা লেখা। বলা যায় প হেলা মে দিবসের জন্য একটা সুন্দর পো্স্ট!

কেন জানি আমার একটা দৃশ্যই মনে পড়ে, গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলাম বাসার দিকে। গুলশান ১ এর মোড়ে দেখি একটা ছেলে ক্ষুধায় একটা কাঠের আগায় লাগানো পেরেকটা কামড়াচ্ছে।গায়ে কিছু নেই শুধু একটা লাল ছোট প্যান্ট। বুকের ভিতর কি যেনো একটা মোচড় দিলো। পকেটে হাত দিয়ে যা ছিলো দিয়ে দিলাম, ও হাতে নিয়েই রাখলো টাকাগুলো কারন ওর কোনো পকেট নাই। চলে আসি বাসায়। মুখ হাত ধুলাম, আয়নার দিকে তাকালাম। চোখটা ভিজে যাচ্ছিলো কিন্তু এটা জানি আমার এ্যাকউন্টের সব টাকা দিলেও এ সমস্যার সমাধান নয়। তাহলে কি করবো?

মনটা পাথর বানিয়ে ফেলি। আমরা দারুন পাথুরে মানুষ হয়ে গেছি! নিজেকে খুব ছোট মনে হয় যখন দেশের দৈন্যতা চোখে পড়ে। কারন এসব দৈন্যতা দূর করার ভার আমাদের সকলের, কিন্তু আমরা সব পালিয়ে পাথুরে মানুষ হয়ে গেছি!

সরি!
০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: একা একা সমাধান সম্ভব না উদাসী ভাইয়া। সমন্বিত ব্যাবস্থা লাগে, লোভি ধনিক শ্রেনী সম্পদ কুক্ষিগত করার পর সেটা ধ্রে রাখতে এবং আরো বাড়াতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে! একটা ভিসিয়াস সার্কেল। আমূল পাল্টাতে হবে চিন্তা ভাবনা, এম্বিশান, দৃষ্টিভঙ্গী ... ...
সিস্টেমে পরিবর্তন একদিনে একজনের হাতে তো হয়না!

এটা পড়তে কি খুব ভালো লাগেনা যেঃ
একটা খুব গরীব এলাকা ছিল মুসলিম সাম্রাজ্যের অন্তর্গত।
সেখান থেকে সাহায্য চাওয়া হলো মূল কেন্দ্রে
প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থ জাকাত পাঠানো হলো।
পরের বছর পাঠানো হলো আগের বারের অর্ধেক পরিমান। চাহিদা কমে গিয়েছিল। তার পরের বছর জানানো হলো, এ বছর দরকার নেই। জাকাত নেবার লোক পাওয়া যাচ্ছেনা।
তার পরের বছর সেই এলাকা থেকে মূল কেন্দ্রে জাকাত এলো!
... ... ... ... ... ... ...
কি অসাধারণ! এমনই তো হবে একটা কল্যান রাস্ট্র! যেখানে অপচয়ের অ ও থাকবেনা। ব্যক্তি পুজা থাকবেনা। বৈষম্য থাকবেনা সম্পদ বন্টনে। অতিরিক্ত ব্যয় হবেনা, প্রয়োজনে দিতে কার্পন্য থাকবেনা।
মূল সমস্যা ধরে ধরে সমাধান করা হবে। ক্ষমতায় থাকা, শব্দটাই থাকবেনা। রাস্ট্রের সেবক হবে কর্ণধারগন।
মানুষ তখন অল্পেই তুষ্ট থাকবে, সুখী হবে, বঞ্চিত হবেনা...... কেউ পাহাড় গরবেনা সুযোগ থাকা সত্বেও! মূল্যবোধ কাজ করবে যে ...

সবাই মিলে ভাবা হয় না। সবাই একা একাই এগুলো ভেবে বসে থাকে! :-(

৩১. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৩:৪৮
শোশমিতা বলেছেন: :(
শিশুশ্রমের নমুনা দেখে সত্যিই খারাপ লাগছে।

পড়তে পড়তে চোখে পানি এসে গেল
গল্পের মতন, কিন্তু গল্প নয়, নির্মম বাস্তবতা।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি যাই লিখিনা কেন, সত্যি বা কল্পনা... ... ... ছবি গুলো কিন্তু পুরো পুরি বাস্তব, একদম জীবনের ছবি। কোন কল্পনা নাই ... ... ... ... ...

৩২. ০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ২:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সবাই মিলে ভাবা হয় না। সবাই একা একাই এগুলো ভেবে বসে থাকে! :-(



সবাই দেখি কেমন স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছি!
০৫ ই মে, ২০১০ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: দেখি কিছু পসিটিভ ওয়ার্কের কথা আপনাকে জানানো যায় কিনা, জুনের শেষের দিকে, কিংবা জুলাইতে :-)

০৫ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: ..................................

ভালো থাকবেন লালসালু

০৫ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: হু

ভালো থাকুন, পাশে থাকুন বাস্তবতাগুলোর, জানি হয়তো নিভৃতে ঠিকি আছেন!

৩৫. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
‌‌অবিচল বলেছেন: “সকাল সন্ধ্যা তারপর একঘড়ি রাত, কারখানার মেশিনের সাথে থেকে তারাও হয়ে যায় যন্ত্র।তিরিক্ষি মেজাজের পুরনো লোহা লক্কর, জীবনের ঘানি টেনে টেনে বিবশ…”
০৫ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আম্মুর লেখা কবিতা থেকে ... ... ...

৩৬. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: মানুষ কেমন করে যে এতো নির্মম হতে পারে! আমাদের মনোভাব এতো অসুস্থ, আর চারপাশে যা কিছু বিদ্যমান, যে সংস্কৃতি, আমাদের কোনো ভরসার জায়গাও নেই; কিন্তু তবু, তা সত্ত্বেও আমরা চেয়ে আছি, এই মরুভূতিতে একদিন ফুটবে ফুল।
০৫ ই মে, ২০১০ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: দোয়া করতে তো পারি, যদি আর কিছু নাই করতে পারি... ...
ভালো ব্যাবহার আমরাই করবো না হয়...


ভালো আছেন হানিফ ভাই ?

৩৭. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯
করবি বলেছেন:
কঠিন বাস্তব গল্পের মত চোখের সামনে মেলে ধরলেন। আমরা পড়লাম। আর পড়া পর্যন্তই হয়ত শেষ, নয়ত আরো কিছু.......। এই হচ্ছি আমরা!! :(
০৫ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: আর নাহয় "এ পর্যন্তই শেষ" হলোনা! এবার থেকে অন্যরকম শুরু ... ...

শুভকামনা করবী

৩৮. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৮:১৮
শিরীষ বলেছেন:
আপনাকে স্যালুট লেখাটির জন্য।

শুনুন
০৫ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন:
জন হেনরী, জন হেনরী-
নাম তার ছিল জন হেনরী
ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন
হাতুড়ির তালে তালে গান গেয়ে শিল্পী
খুশী মনে কাজ করে রাত-দিন
হো হো হো হো- খুশী মনে কাজ করে রাত-দিন।।

কালো পাথরে খোদাই জন হেনরী
কালো পাথরে খোদাই জন হেনরী
গ্রানাইট পেশী গড়া ঝলমল
হাতুড়ির ঘায়ে ঘায়ে পাথরে আগুন ধরে
হাতুড়ি চালানো তার সম্বল
হো হো হো হো - হাতুড়ি চালানো তার সম্বল।।

পশ্চিম ভার্জিনিয়ার রেলে সুরঙ্গে
পশ্চিম ভার্জিনিয়ার রেল সুরঙ্গে
পাথুরে পাহাড় কেটে কেটে
রেল লাইন পাতা হবে হেনরীর হাতুড়ির -
ঘায়ে ঘায়ে রাত যায় কেটে
হো হো হো হো - ঘায়ে ঘায়ে রাত যায় কেটে।।

জন হেনরীর চির প্রিয় সঙ্গিনী
নাম তার মেরি ম্যাক ডেলিন
সুরঙ্গের কাছে যেত কান পেতে শুনত
হেনরীর হাতুড়ির বিন
হো হো হো হো- হেনরীর হাতুড়ির বিন।।

সাদা সর্দার কাজ চায় আরো
সাদা সর্দার কাজ চায় আরো
স্টীম ড্রিল করে আমদানী
আশংকা হেনরীর মেশিনের কাছে বুঝি
পেশী নিবে পরাজয় মানি
হো হো হো হো- পেশী নিবে পরাজয় মানি।।

আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী
আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী
জন হেনরী বলে বুক ঠুকে
স্টীম ড্রিলের সাথে চলে হাতুড়ির পাল্লা
কে আর বলো তারে রোখে
হো হো হো হো- কে আর বলো তারে রোখে।।

সাদা সর্দার বলে হেসে হেসে
সাদা সর্দার বলে হেসে হেসে
কালো নিগারের দেখো দুঃসাহস
তোর যদি জয় হয়, হবে না সূর্যোদয়
দুনিয়াটা হবে তোর বশ
হো হো হো হো- দুনিয়াটা হবে তোর বশ।।

জন হেনরীর হাতুড়ির ঝলকে
জন হেনরীর হাতুড়ির ঝলকে
চমকায় বিজলীর গতি
মানুষের সৃষ্টি দুরন্ত স্টীম ড্রিল
মানুষের কাছে মানে নতি
হো হো হো হো- মানুষের কাছে মানে নতি।।

অগ্নিগিরি হলো রুদ্ধ
থেমে গেল হাতুড়ির শব্দ
হেনরীর জয়গান চারিদিকে উঠে জমে
হৃদপিন্ড তার স্তব্ধ
হায় হায় হায় হায়- হৃদপিন্ড তার স্তব্ধ।।

জন হেনরীর কচি ফুল মেয়েটি
জন হেনরীর কচি ফুল মেয়েটি
পাথরের বুকে যেন ঝরনা
মার কোল থেকে সে পথ চেয়ে আছে তার
বাবা তার আসবে না আর না
হায় হায় হায় হায়- বাবা তার আসবে না আর না।।

পাখির কাকলি ভরা ভোরে
পুবালী আকাশ যবে রঙ্গীন
পাখির কাকলি ভরা ভোরে
পুবালী আকাশ যবে রঙ্গীন
হেনরীর বীর গাঁথা বাতাসে ছড়িয়ে দিয়ে
সিটি দিয়ে চলে যায় ইঞ্জিন
হো হো হো হো - সিটি দিয়ে চলে যায় ইঞ্জিন।।

প্রতি মে দিবসের গানে গানে
নীল আকাশের তলে দূর
শ্রমিকের জয়গান কান পেতে শোন ঐ
হেনরীর হাতুড়ির সুর
হো হো হো হো- হেনরীর হাতুড়ির সুর।।

কৃতজ্ঞতা

৩৯. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১০:২৩
শেরজা তপন বলেছেন: ছবিগুলো অসাধারন-রেখা নিয়ে মন্তব্য আর নাইবা করলাম....
০৫ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:০২

লেখক বলেছেন: শেরজা ভাইয়া অনেকদিন পর... পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।
মন্তব্যের চেয়ে উপস্থিতিই ভালো লাগলো। এটা হতাশার পোস্ট হয়তো.........তাই।

ভালো থাকুন অনেক!

৪০. ০৫ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩৬
চতুষ্কোণ বলেছেন: খুব ভালো একটা লেখা! এভাবেই বা ক'জন ভাবতে পারে। ভালো থাকুন। শুভকামনা।
০৫ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: আপনিও ভাবেন... ... অনেকেই হয়তো ভাবছে ভাইয়া!
ভাবনা গুলো চারপাশের ঘুনের কারনে স্পষ্ট আকার পায়না ... ...

৪১. ০৫ ই মে, ২০১০ রাত ২:৪৯
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বিয়া শাদী, সংসার-ধর্ম কইরা ফায়দা নাই। আসেন হগ্গোলে মিল্ল্যা আশ্রমের ফাদার-সিস্টার হইয়া যাই। :(
০৫ ই মে, ২০১০ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: সমস্যাটা কোথায়, আমি বুঝতে পারছি... অন্য কেউ হয়তো পারবেনা :-)
সাঈফ ভাই, প্রফেট (সা) কে মনুষত্ব দেখাতেতো বিয়েশাদী , সংসার ত্যাগ করতে হয়নি...
ইসলাম সিস্টার হতে বলেনি আমাকে, সবার মাঝে থেকেই কাজ করে ... ... স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়।

আপনি আর দুঃখিত না হন, কেমন! দ্রুত হয়তো স্বাভাবিক জীবনেই সব সম্ভবের গল্প শোনাতে পারবো। ইনশাল্লাহ। আপনি ভালো থাকুন।

৪২. ০৫ ই মে, ২০১০ ভোর ৬:২৭
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: দেখমুনে সংসার ধর্ম কইরা কয়ডা টাকা বাইর করবার পারেন, ঘর সংসার ফেলায়া কয় ঘন্টা জনসেবা করতারেন। দুদিন বাদে আম্রিকা যাইবেন, এখনই সময় কইরা গরীবদের লাইগা শোক কইরা লন। পাব্লিক আবার এইসব জনদরদী পোস্ট খায় বেশি, কিন্তু চান্দা দেওনের বেলায় নাই। /:)
০৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: রীতিমত চ্যালেঞ্জ জানালেন দেখছি! তাই কি ? ওকে, দেখে নিয়েন, বেট ধরবোনা, কিন্তু দেখে নিয়েন। আমি আপনার এই কথার সাথে যেহেতু কোন ভাবেই একমত না... ... সুতরাং ... ...

পাব্লিক খাওয়ার জন্য পোস্ট লিখিনা, এটা বললেও যেহেতু আপনি কখনোই সেটা বিশ্বাস করবেননা, সুতরাং আপনাকে সেটা বলছিনা।
জনদরদী পোস্ট দিয়েও আমার লাভ নাই, আমি সামনের বার নির্বাচনে দাড়াবোনা।
ভালো থাকবেন।



৪৩. ০৫ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩
গরীবের কথা বলেছেন: লেখাটা খুব টাচি... আর ছবিগুলো মর্মস্পর্শী। ৫নং ছবিটা দেখে খুব খারাপ লাগল - একজন সিনিয়র সিটিজেন, এতগুলো ইট নিচ্ছে কাঁধে করে...
ভালো থাকুন লেখক।
০৫ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: সিনিওর সিটিজেনের মর্যাদা পাবে ??? ওরা কি সামান্য নাগরিকের মর্যাদাই পায় ? পায়নাতো ... ...

অশেষ কৃতজ্ঞতা।

৪৪. ০৬ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:২২
প্রশংসা বলেছেন: একজন মানুষ আরেক জন মানুষকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে হয়তবা তিনি বাবার বয়সী; আরেকজন অথবা একের অধিক মানুষ বেশ আরামে বসে যাচ্ছেন তার রিক্সাটিতে এটাই তো বাস্তব।এর কি একটা অলটারনেট কিছু ব্যাবহার করা যায় না? সত্যিই কতটা নিরুপায় এই আমরা। ভিষন লজ্জা লাগে যখন রিক্সাতে উঠতে বাধ্য হতে হয়।

আর শিশুশ্রমের বিষয়টা আবেগ সঞ্চার করে তো বটেই আবার একি সাথে ক্রোধেরও জন্ম দেয়। দেশের বাহিরে বড় কোন সুপার ষ্টোরে “made in Bangladesh” লেখা কোন পোষাক দেখলে আবেগে আপ্লুত হয় অনেকেই কিন্তু এর প্রতিটা সুতার সেলাইয়ে যে ১০ বছরে ছোট্ট একটি শিশুর রক্ত পানি করা শ্রম রয়েছে সেটা বোধকরি খেয়াল থাকে না। wal mart বা এদের মত বহুজাতিক কোম্পানীগুলো তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্রদেশের শিশুশ্রম বা sweatshop গুলোকে abuse করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনকাম করছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কন্ঠ বড়ই ক্ষিণ।

ছবিগলো আমাদের কাছে পিঠের বাস্তবতার কঠিন নির্মমতা। মানবতার সুরে আন্দোলিত হোক সবার বিবেক আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি।

ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ বিবেকজাগ্রত এই পোস্টের জন্য।
০৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: রিকশাচালকদের শ্রমের ব্যাপারে একটা লেখার লিঙ্ক দিচ্ছি, লিঙ্ক

সেখানের একটা কমেন্টের জবাবে আমার স্যার এর লেখা উত্তরটা এমন ছিলঃ
"আমার সামনে কায়িক পরিশ্রম করছে বলে অমানবিক মনে হয়, কিন্ত দৃষ্টির আড়ালে থেকে কৃষিকাজে বা শিল্পে সে যখন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দিনরাত্র দাসের মত পরিশ্রম করে, সেটি আমার কাছে কেন অমানবিক মনে হয় না? বরঞ্চ রিক্সাচালকের স্বাধীনতা আছে আমার চাওয়াকে না বলার। রিক্সার প্রয়োজন কেবল চালকদের কর্মসংস্থানের জন্য নয়, শহরে কোটির উপরে বাস করা মানুষগুলোর চলাচলের জন্যও। কল্পনা করুন, ঢাকার সবাই গাড়ী কেনার মত স্বচ্ছল হয়েছে, গাড়ী কিনেছে - তখন কি অবস্থা হবে? দু লক্ষ প্রাইভেট গাড়ীতেই ঢাকায় রিক্সাবিহীন রাস্তার যানজট লক্ষ্য করুন। চীন ইতিমধ্যেই সে চিন্তায় পড়েছে। আপনি বলেছেন, রিক্সাওয়ালার কাজের অভাব নেই। তাহলে মরুভুমিতে মারা যেতে পারে, বা সমুদ্রে ইঞ্জিন ছাড়া নৌকায় ভাসিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত হতে পারে জেনেও কেন বাংলাদেশের ৬/৭ লক্ষ শক্ত সমর্থ তরুণ গাটেঁর পয়সা খরচ করে বিদেশ পাড়ি দিতে চেষ্টা করছে?"
প্রসংগের মনে হলো তাই দেয়া... ... ...
শিশুশ্রম নিয়ে আপনার মন্তব্যটা এক্সট্রিম ট্রু ... ... কিভাবে ইগনোর করে থাকি আমরা এগুলো! ভাবা যায় ঠান্ডা মাথায় ভাবলে ???
ভোগবাদী সমাজ ব্যাবস্থা সব নষ্ট করে দিচ্ছে ... ...
স্রষ্টা প্রদত্ত নিয়মে ফিরুক সভ্যতা ... একান্ত ভাবে এটাই কামনা!

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই!

৪৫. ০৬ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:৩১
সুনেত্রা বলেছেন: ব্লগে আজ ক্য়জন ভালো মনের মানুষেরা সাথে দেখা হলো আমার।
০৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আমরাও চাই দেখা হোক!
আপনি ভালো থাকুন সুনেত্রা ... ... ... অনেক ভাল!

৪৬. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩০
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: :) :)
কথা নয় কাজ!

আমার নাম বোহেমিয়ান কাজ করে দিব ভাবতেছি!!! :P :P
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: খারাপ হয়নাতো বাপ্পি :-)
কথার চেয়ে কাজ বেশী হওয়াই উত্তম! আমাদের পল্টন ময়দান ভীষণ অপছন্দ!

৪৭. ০৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৮:৫২
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: তোমার এই পোস্টটি পড়তে কষ্ট হল খুব। কি নির্মম বাস্তরতার সাথে বসবাস।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: এগুলো নিত্যদিনের দেখা ব্যাপার গুলোই ... ... আমাদের দেখার দৃষ্টিভঙ্গীর কারনে ঠিক হৃদয় প্ররযন্ত পৌছার সময় পায়না আপু। এটাই হয় ... ... কার এতো সময় বা ... সাহস?!

তবু না হয় একটু দেখি...
একটু পড়ি!
কখনো কাজ তো হতেও পারে!

ধন্যবাদ আপু!অনেক ভালো থেকেন :-)

৪৮. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৪২
ভেড়া বলেছেন: পড়তে পড়তে চোখ ভিজে উঠল । আপু, অনেক ভাল লেখা হয়েছে । দোয়া করি আমাদের শ্রমজীবী ভাইদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে । আল্লাহ ওদের সহায় হোন ।
০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: আমুরাও যেন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলাতে পারি, আরো পসিটিভ হই।
আল্লাহ ওদের সহায় হোন। আমীন।

০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: বিভিন্ন জন আসলে, কিছু গুগলিং করে পাওয়া, কিছু ফটোগ্রাফার এর পার্সোনাল সাইট থেকে নেয়া... ...

০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন মাহমুদ ভাই।

৫১. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১০:১০
চতুষ্কোণ বলেছেন: লেখাটা অনুমতি ছাড়াই ফেসবুকে শেয়ার করলাম। :)
১০ ই মে, ২০১০ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: অবশ্যই! কিসের আবার অনুমতি ... ... :-)

অনেক ভালো লাগলো এবং কৃতজ্ঞ হলাম।
আপনার মঙ্গল হোক।

৫২. ০৯ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৯
রাকিবুল আলম বলেছেন: ভাল লিখেছ। পাশ করার পর কিছু দিন সাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে একটা কন্সট্রাকশন ফার্মে কাজ করার সূ্যোগ হয়েছিল। শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে দেখেছি। এদের জীবনের যেন কোন মূল্য নেই !

আমরা বড় বড় শহরে বসে অনেক সময় বাংলাদেশের আসল চিত্র উপলব্ধি করতে পারিনা। একবার হাকালুকি হাওরে গিয়েছিলাম স্যানিটেশন বিষয়ক একটা পেপার করার জন্যে। সেখানে দেখেছি মানূষ জন শুধু ভাতের সাথে একটা মরিচ ডলে কিভাবে দিনের পর দিন তাদের খাদ্যের চাহিদা পূরন করছে!

তোমার লেখাটি পূরানো এই ব্যাপার গুলো আবার মনে করিয়ে দিল।
১০ ই মে, ২০১০ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া, অনেকদিন পরে ব্লগে আপনাকে দেখলাম!

সাধারণত কাজ করতে গিয়ে শ্রমিক ২-১ জন নিহত হলে সেটা খবর হয়না। এটা বেশ স্বাভাবিক... ... আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে , এমন একটা ব্যাপার ধরে নিয়ে......আর কেউ খোজ নেয়না তাদের। হয়তো সাথে সাথে কিছু টাকা ধরিয়ে দেয়া হয় পরিবারকে। অতটুকুই... ...
একজন শ্রমিকের মৃত্যু মানে একটা পরিবারেরও মৃত্যু।

আর পঙ্গু হলেতো কথাই নেই। এই মুহুর্তে একজন রিকশাওয়ালালে নিয়ে কাজ করছি যে তিন বছর আগে এক পা সম্পূর্ণ হারিয়েছে লরিতে কাজ করতে গিয়ে। তারপর থেকে একপা দিয়ে ই রিকশা চালান, আগারগাওয়ের এক বস্তিতে থাকেন। তিনি পারেন না টানতে এক পায়ে রিকশা, কিন্তু না পেরে উপায় নেই। জীবন থেমে যাবে নইলে। ৩ বছর আর ৫ মাস বয়সের বাচ্চা আছে তার... ...
এটা কোন জীবন না... ... আমার এটাকে জীবন মানতে কষ্ট হয়।

ভালো থেকেন ভাইয়া, লেখাতে বড় ভাইয়াদের আগমনে সম্মানিত বোধ হয় ভীষণ!

৫৩. ১৪ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০৩
মেহবুবা বলেছেন: তোমার কপালে কি আছে কে জানে ?
চিন্তা হয় ।

তবু বলি বদলে যেও না । আশাও করি বৈকি ।
১৯ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: বদলে যেতে চাইনা, একটুও না বরং এ পথে আরো বেশী আগাতে চাই...
চিন্তা হয় আমারো আজকাল ... কেমন যেন বাস্তবতাগ্রস্থ হয়ে যেতে হচ্ছে যত দিন যাচ্ছে!

দোয়া চাই আপু !

৫৪. ১৬ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
রাত্রি২০১০ বলেছেন: অসাধারন! কি করে লিখলেন? মনে স্বয়ং ঈশ্বর না থাকলে কেউ কি এমন করে ভাবতে পারে?
ভাল থাকুন। আপনার স্বপ্ন সফল হোক। অফুরান শুভকামনা।
১৯ শে মে, ২০১০ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: শুভকামনা রাত্রি।
সবার মনেই ঈশ্বর আছেন, শুধু সবাই সেটা বুঝতে পারেনা। কেউ কেউ বুঝতে পারে, অবনত হয়! :-)

৫৫. ২২ শে মে, ২০১০ সকাল ৮:২১
বিবেক সত্যি বলেছেন: কী লেখারে বাপ!!! ... সালাম..... o_O
২৫ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: এটা পড়ে টাশকি খেয়ে গেলে আমরা নিচের লেখাটা পড়ে কি করবো ???

সব ভেঙে একাকার করে দাও... ধ্বসে পড়া সভ্যতা কার্ণিশে ঝুলিয়ে রেখে কি হয় ? চড়ুইয়ের খড়কুটো ঘরখানি দেশলাই ঘষে দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দাও আকাশের গম্ভুজে ফাটলের রেখাটুকু মেনে নেয়া হবেনা- সবুজের মাঝে কোন বিবর্ণ হলদেটে আভা যদি দেখা যায় ফসলের সোনাঝরা সুরভীতে একটাও ছয়পেয়ে কীট যদি দেখা যায় মাঠজুড়ে পড়ে থাকা সেই সুখ মাটিতে দারুনভাবে মিশিয়ে দাও তারপর... বাকিটুকু আমরা করবো ! বৈচিত্র্যহীন-এতটুকু খুঁত নেই এমন এক বিশ্বের আবাসিক করে দেবো-কথা দিলাম... কিন্তু.. বাকিটুকু তোমরা করবে ... অভিযোগ জানানোর মত করে স্রষ্টার পক্ষের কাউকেই দেয়া হবে না সেই চক্রের পরিসীমা এক জীবনে শেষ হবেনা হে অতএব , আমাদের কাজ থেমে রবেনা ভাঙতে ভাঙতে দেখো গড়ে যাবে কেউ...

মাশাআল্লাহ :-)

১১ ই জুন, ২০১০ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: খুব সাধারণ দৃশ্যগুলো ... ... ...
ভালো থেকেন রক্তিম!

৫৭. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
স্বপ্নশহর বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে......নিজেকে অনেক অপরাধী মনে হচ্ছে। কেন আমরা ভাবিনা তাদের কথা?? আমাদের মনুষত্য মারা গেছে।
২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: অনেকটা সেরকম ই !

৫৮. ২২ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৫
ওমর নাসিফ বলেছেন: আপনার আঙ্গিনায় ঘুরে গেলাম ম্যাডাম...
২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: দেখলুম ! আপনার আঙ্গিনায় আর যাইনা, লেখেন্না টেখেন্না !!
আসছেন , তাই খুশী হলাম :-)

৫৯. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৪২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি কেন যেন এই লেখায় মন্তব্য করার সাহস পাই নি!
:(:(
২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আমিতো সাহস ছাড়াই লিখে ফেললাম! লিখতে হলো , কারন কিছু করতে পারিনা! ভাবলাম এবার লিখি ... ... ... তারপরের বার আর লিখবোনা, তখন কিছু একটা কাজ হয়ে ই যাবে ইনশাল্লাহ ওদের জন্য! আমাদের জন্য !

৬০. ০১ লা মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৬
ই য়া দ বলেছেন: আমাদের প্রয়োজনেই যেন তাদের দাস বানিয়ে রাখি।
না হলে কি ভয়, ওরা আমাদের সব কেড়ে নেবে?

কারো যদি সামর্থ্য না থাকে এই সব শ্রমজীবি মানুষকে সাহায্য করার, তাহলে যেন সুন্দর ভাবে ব্যবহারটুকু অন্তত করি।

নিজের বয়সের চেয়ে দ্বিগুণ-তিনগুন বড় রিকশাচালকে আমরা অনায়াসে "তুই " বলে ফেলি। সুযোগ পেলে চড়-থাপ্পর।

অর্থের মাপকাঠিতে সব কিছু মাপতে মাপতে আমরা আজ অন্ধ হয়ে গেছি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই,
পারিনা আসলে লিখতে।

canopuspoint.blogspot.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই