সন্ধ্যাটা সাধারণ ই ছিলো। অন্তত সারা দুনিয়ার কাছে। সবাই দেশে গেছে অথবা ঘুমিয়ে আছে স্ত্রীর নরম স্তনের উপর হাত বুলাতে বুলাতে। অনেকদিন পরে শহরে ঠান্ডা পরেছে। গতকাল আমার ফ্রেন্ড শামস তার থার্ড গার্লফ্রেন্ড এর ভার্জিনিটি ও নষ্ট করেছে, তাই পার্টি দিয়েছিলো। ওর বাবা সরকারের হাই প্রোফাইল মন্ত্রী। তাই পার্টিটা ওদের বাসাতেই দিয়েছিলো। রাশিয়া থেকে আনা ভদকা আর ফিফটি সেন্টের র্যাছপ ভালই মানাচ্ছিলো সাথে আমাদের স্বল্পবসনা বান্ধবীদের স্বেচ্চায় অন্তর্বাস দেখানোর খেলাটা ভালোই লাগছিলো। একজনকে দেখলাম একটা মেয়ের বুকের উপর চরে বসেছে। এটা কোন বড় ব্যপার নয় বড় বড় সোসাইটিতে এগুলো হর হামেশার ঘটনা। আমিও তো এদের ই একজন। যদি এখন ওপেন চোদ শুরু হয়ে যায় আমরা অবাক হবো না বরং চিয়ার্স করবো। কারণ এটাই করে আসছি।
আমার বন্ধুটি NSU থেকে দু বছর এল এলবি করে ছেড়ে দিয়েছে। পড়াশূনা ওর ভালো লাগে না। ওর ভালোলাগে মেয়ে মানুষ আর মদ। ঠিক ওর বাবার মতো। যেমন ওর বাবা করতো তার সোনালী রসালো সময়ে। এভাবেই তো মন্ত্রি হয়ে গেলেন।
এখনকার মেয়েরা অবশ্য এতো ওল্ড ফ্যশন নয়। তাদের কাছে চাইলেই ভোদা দেখিয়ে দেবে এমন অবস্থা। আমাদের সমাজ অবশ্য শিক্ষা দেয় একধরণের কিন্তু আমরা শিখি অন্যধরণের। অবশ্য এতে আক্ষেপের কিছু নেই। কারণ আমরা আমাদের সমাজে কি কন্ট্রিবিউশন রেখেছি? আমাদের বাবা দাদারাই কি রেখেছে। রাখে নি। ধুর এসব নীতিবাক্য ভাবছি কেন? মধ্যবিত্তের মিডিল ক্লাস মেন্টালিটিতে বড় হয়েছি বলে ? ধুর। গোয়ায় বাঁশ। আমিও রুমে গেলাম ওদের একজনকে নিয়ে আমার বিছানায়।
রাত তখন ১২ টা হবে। ঈদের পরের রাত। মাল টেনেছি। তার পরেও পুরোপুরি মাতাল নই। আমার সুজুকি হোন্ডা। ভাবলাম পা যখন টলছে হেটেই যাই। পথ ভুল হলো। কি ভাবে যেন চলে এলাম সাখারি পট্টিতে। ঠোঁটে রঙ মাখা রমনীরা অপেক্ষায় আছে রাতে আসা খদ্দেরের। আমার সাথে আমার বন্ধু রেজা। ও একটু বেশিই মাতাল। এক হিজরা ওর লিংগ ধরে টান ও দিলো। অন্যসময় সে চিৎকার করতো এখন সে আমোদ বোধ করছে। মদ এমন ই জিনিষ যা কালো কেউ আলো করে দেয়।
সে যাই হোক। সামনে এগুলাম একজন মহিলা সামনে এলো বয়সে চল্লিশ ছোবে হয়তো। মুখে দারিদ্র সংগ্রাম আর ক্ষুদার ছাপ স্পষ্ট। কিন্তু তার পরেও সে ঠোঁটে লাল রঙ লাগিয়ে বেশ্যা গোলাপী। সাধারণত বেশ্যারা মিষ্টি কথা বলে এ পথ রোধ করতে চাইলো। রেজার মাতলামি কমে এসেছে। মহিলা রেজাকে ভোলানোর চেষ্টা করতে লাগলো।অনেক কষ্টে ছাড়ালাম। যখন আমরা পথ ছাড়ালাম মহিলা পেছন থেকে বললো। বাবা আইজ সারাদিন কিছু খাই নাই কোন খদ্দের নাই। রেজা মহিলাকে কিছু টাকা দিতে চাইলো মহিলা বললো না। সে মেহেনতের রুজি ছাড়া খায় না। হায়রে দেহ তার আবার মেহেনত।
হয়তো রেজা বা আমি আমারা কেউ সেই মহিলার ঘরে তার সাথে শুতে যাই নি। কারণ তখন আমাদের ঠুনকো আত্মসম্মান আর সততা জেগে উঠেছিলো। যা হারিয়ে গিয়েছিলো কিছু আগে মদের গ্লাসে। রেজা আমি এখনো মদ খাই। মেয়েদের নিয়ে বিছানায় যেতে আমাদের কষ্ট হয় না। কিন্তু যখন একটা গরীব মহিলার এক বেলার খাবারের জন্য তার বিছানায় যাবার প্রশ্ন আসে আমরা তখন পিছু হটি। কারণ তখন আমাদের ভেতরে পচে যাওয়া মন আমাদের লজ্জা দেয়। অপমান করে। পচে গেলেও হয়তো আমরা মানুষ।
রেজাকে আমি প্রশ্ন করেছিলাম সে দিন তুই গেলি না কেন? রেজা বলল মহিলাটা ওর মায়ের বয়সী হবে। হায়রে দেশ। মাগি খাওয়া শূয়ারের বাচ্চারা মায়ের কথাও ভাবে। রেজা মাঝে মাঝে বলে ওর মা একজন বেশ্যা। ওর বাবা জীবনে উপরে উঠার জন্য অনেক পুরুষের বিছানায় পাঠিয়েছে তার মা কে। তার মা গেছে, শুয়েছে। রেজার বাবা একজন বিজনেস ম্যগনেট। কিন্তু কোনদিন সে তার বাবা মা কে হাসতে দেখে নি। রেজা মাঝা মাঝে বলে, “এই শুয়ারের বাচ্চা খাঙ্কির পো আমার আসল বাপ কি না তা ই নিয়ে আমার প্রশ্ন জাগে।”
প্রশ্ন আসে। উত্তর যায়। আমরা এ্যডভেঞ্চারের নেশায় মেয়ের পর মেয়ে বদলায়। বাবার কালো টাকা ওড়াই ওয়াইন ভদকা আর মেয়েদের যোনিদ্বারে।
আমি আজ একটা ব্যঙ্কে চাকরি করছি বেশ ভালো পদেই, মামার সুপারিশবলে কথা। রেজা তার বাবাকে পথে বসিয়েছে। জুয়া খেলে অনেক কিছু হারিয়েছে। আবার অনেক কিছু কামিয়েছে। শামস এখন একটা ভার্সিটির প্রো ভিসি। দুটো পি এইচ ডি ডিগ্রিও আছে। অথচ সব ই কেনা। বাবার প্রতিপত্তিতে উঠে গেছে ওরা। আমিও। আজ এতোদিন পরেও আমাদের চরিত্রের কোন বদল হয় নি। যেমন হয় নি আমাদের রাষ্ট্রনায়কদের। শামসের বাবা জনাব কাদের পলটি মেরেছেন, জোট বদলিয়েছেন। এভাবেই চলছে। কোনদিন পরিবর্তণেরত আশা করা ভুল। কারণ আমরা বাঙ্গালী। মাদার চোদ বাঙ্গালী।
(কারও চরিত্রের সাথে মিল খুজলে নিজে খুজবেন। লেখক শামস বা কাদের বা রেজা কাউরেই চেনেন না)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


