আমার প্রিয় পোস্ট
- পৃথিবীর প্রথম নাস্তিক দেশটি কেমন ছিল? - মাহিরাহি
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (দ্বিতীয় পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (প্রথম পর্বের বাকী অংশ) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (প্রথম পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- *_* সর্বোচ্চ সুমহানের সামনে রুকূ' করার দৃশ্য! - দৃষ্টির ছায়া
- *_* ছবি ব্লগ!!!
- দৃষ্টির ছায়া
*_* চলমান গম্বুজ//জান্নাতে প্রবেশের এবং জাহান্নাম থেকে দূরে যাবার সৎকর্ম
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০০
ছবি বর্ণনা:
চলমান গম্বুজ, মসজিদুন্ নববীর, মদীনা মুনাওয়ারা। কাঠের (সম্ভবত) তৈরী অনেকগুলো গম্বুজ রয়েছে মসজিদুন্ নববীর বর্ধিত অংশে, মুক্ত বাতাসের জন্য যেগুলোকে দিন ও রাতের বিভিন্ন অংশে বৈদ্যুতিক প্রক্রিয়ায় চালিয়ে সরিয়ে একপাশে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় পর আবার পূর্বের জায়গায় স্থাপন করা হয়। বিগত জুনের কোন এক জোহর নামাযের পরবর্তী সময়ে যখন গম্বুজটিকে সচল করা হলো, ছবিটি তখন নেয়া হয়েছে। ছবিতে আধাপথ পাড়ি দিয়েছে গম্বুজটি স'বে।
ছবি স্বত্ব: ফজলে এলাহি মুজাহিদ।
হাদীস:
জান্নাতে প্রবেশের এবং জাহান্নাম থেকে দূরে যাবার সৎকর্ম
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ
: قُلْت يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ وَيُبَاعِدْنِي مِنْ النَّارِ، قَالَ: "لَقَدْ سَأَلْت عَنْ عَظِيمٍ، وَإِنَّهُ لَيَسِيرٌ عَلَى مَنْ يَسَّرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ: تَعْبُدُ اللَّهَ لَا تُشْرِكْ بِهِ شَيْئًا، وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَتَصُومُ رَمَضَانَ، وَتَحُجُّ الْبَيْتَ، ثُمَّ قَالَ: أَلَا أَدُلُّك عَلَى أَبْوَابِ الْخَيْرِ؟ الصَّوْمُ جُنَّةٌ، وَالصَّدَقَةُ تُطْفِئُ الْخَطِيئَةَ كَمَا يُطْفِئُ الْمَاءُ النَّارَ، وَصَلَاةُ الرَّجُلِ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ، ثُمَّ تَلَا: " تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ " حَتَّى بَلَغَ "يَعْمَلُونَ"، ثُمَّ قَالَ: أَلَا أُخْبِرُك بِرَأْسِ الْأَمْرِ وَعَمُودِهِ وَذُرْوَةِ سَنَامِهِ؟ قُلْت: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ، وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ، وَذُرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ، ثُمَّ قَالَ: أَلَا أُخْبِرُك بِمَلَاكِ ذَلِكَ كُلِّهِ؟ فقُلْت: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ! فَأَخَذَ بِلِسَانِهِ وَقَالَ: كُفَّ عَلَيْك هَذَا. قُلْت: يَا نَبِيَّ اللَّهِ وَإِنَّا لَمُؤَاخَذُونَ بِمَا نَتَكَلَّمُ بِهِ؟ فَقَالَ: ثَكِلَتْك أُمُّك وَهَلْ يَكُبُّ النَّاسَ عَلَى وُجُوهِهِمْ -أَوْ قَالَ عَلَى مَنَاخِرِهِمْ- إلَّا حَصَائِدُ أَلْسِنَتِهِمْ؟!" .
[رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ: 2616، وَقَالَ: حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ]
মু’আয বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন:
আমি নিবেদন করি: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।
তিনি বললেন: “তুমি এক বৃহৎ বিষয়ে প্রশ্ন করেছ। এটা তার জন্য খুবই সহজ আল্লাহ্ যার জন্য সহজ করে দেন। তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করো না, নামায প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত দাও, রমযানে রোযা রাখ এবং (কা’বা) ঘরে হজ্জ কর”।
তারপর তিনি বলেন: “আমি কি তোমাদের কল্যাণের দরজা দেখাব না? রোযা হচ্ছে ঢাল, সাদকাহ্ গোনাহেক নিঃশেষ করে দেয় যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়; আর কোন ব্যক্তির গভীর রাতের নামায”।
তারপর তিনি পড়েন: تتجافي جنوبهم عن المضاجع হতে يعلمون পর্যন্ত। যার অর্থ হলো: “তারা শয্যা পরিত্যাগ করে তাদের রবকে ভয়ে ও আশায় ডাকে এবং আমরা তাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে। তাদের কর্মের জন্য যে চক্ষু শীতলকারী প্রতিফল রক্ষিত আছে তা তাদের কেউই জানে না”। [সূরা আস্-সাজদাহ্: ১৬-১৭]
তিনি আবার বলেন: “আমি তোমাদের কর্মের মূল এবং তার স্তম্ভ ও তার সর্বোচ্চ চূড়া বলবো কি”?
আমি নিবেদন করি: হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন।
তিনি বললেন: “কর্মের মূল হচ্ছে ইসলাম, তার স্তম্ভ হচ্ছে নামায এবং তার সর্বোচ্চ চূড়া হচ্ছে জিহাদ”।
তারপর তিনি বলেন: “আমি কি তোমাকে এসব কিছু আয়ত্তে রাখার জিনিস বলবো না”?
আমি নিবেদন করি: হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন।
তিনি নিজের জিভ ধরে বললেন: “এটাকে সংযত কর”।
আমি জিজ্ঞেস করি: হে আল্লাহর নবী! আমরা যা বলি তার হিসাব হবে কি?
তিনি বললেন: “তোমার মা তোমাকে হারাক, হে মু’আয! জিভের উৎপন্ন ফসল ব্যতীত আর কিছু এমন আছে কি যা মানুষকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করে”।
[তিরমিযী: ২৬১৬ এবং তিনি বলেছেন: এটা হাসান (সহীহ্) হাদীস।]
হাদীস লিংক: Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হাদীস, ছবি, ইসলাম, মদীনা, মসজিদ ;
কবিআব্দুল বলেছেন:
অনেক দিন পর মদিনার আকাশ দেখলাম। ধন্যবদা।
লেখক বলেছেন: কবিআব্দুল-
আপনাকেও ধন্যবাদ।
সিকদার আলি আহসান বলেছেন:
ইদানিং আমরা, এশিয়ান মুসলিমরা (বিশেষ করে বাংলাদেশীরা) কোরানের চেয়ে অধিক পরিমানে হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে থাকি এবং হাদিস অনুযায়ী ইসলামকে নিয়ে মাতামাতি করি। কিন্তু কোরানে বহু সুরা ও আয়াতে বারংবার আল্লাহ্পাক বলেছেন কোরান একটি সয়ংসম্পুর্ন গ্রন্থ এবং কোরান ব্যতীত অন্য কোনও হাদিস বা রেফারেন্সের সাহায্য নেওয়া যাবে না। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই হাদিস সংকলনের ব্যাপারগুলো শুরু হয় হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর থেকে। এমনকি বোখারি শরিফ ও মোসলেম হাদিসে একটি হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায় যে একবার হযরত মোহাম্মদ (সঃ) জানতে পারেন তার সময়ের বিভিন্ন ঘটনা ও সাহাবীদের কাছে তার নিজের বলা অনেক বক্তব্য ও পরামর্শগুলোকে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে এবং অনেকে তার কথাগুলোকে অতিরঞ্জন করে বলছেন। তিনি তৎক্ষনাত সেইসকল সংকলনকে পুড়িয়ে ফেলার অনুরোধ করেন এবং তা কার্যকর করেন। সুতরাং জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম থেকে দূরে যাবার সৎকর্ম সম্পর্কে কোরানে যতটুকু হুকুম আল্লাহপাক দিয়েছে তা মেনে চললেই যথেষ্ট। কারন আল্লাহ বাড়াবাড়ি পছন্দ করেননা। এটা নিতান্তই কোরানের আলোকে আমার নিজস্ব মতামত।
লেখক বলেছেন: সিকদার আলি আহসান-
আপনার মন্তব্যে আসা
"কিন্তু কোরানে বহু সুরা ও আয়াতে বারংবার আল্লাহ্পাক বলেছেন কোরান একটি সয়ংসম্পুর্ন গ্রন্থ এবং কোরান ব্যতীত অন্য কোনও হাদিস বা রেফারেন্সের সাহায্য নেওয়া যাবে না।" -এ তথ্যটি কুরআনের অথবা হাদীসে কুদসীর কোথায় বলা আছে জানতে চাইছি। কেননা আপনি উল্লেখ করেছেন: "আল্লাহপাক বলেছেন"।
এবং
"এমনকি বোখারি শরিফ ও মোসলেম হাদিসে একটি হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায় যে একবার হযরত মোহাম্মদ (সঃ) জানতে পারেন তার সময়ের বিভিন্ন ঘটনা ও সাহাবীদের কাছে তার নিজের বলা অনেক বক্তব্য ও পরামর্শগুলোকে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে এবং অনেকে তার কথাগুলোকে অতিরঞ্জন করে বলছেন। তিনি তৎক্ষনাত সেইসকল সংকলনকে পুড়িয়ে ফেলার অনুরোধ করেন এবং তা কার্যকর করেন।" -এ তথ্যেরও কোন রেফারেন্স থাকলে জানাবেন।
তবে একটা কথা আমাদের চিন্তা করা উচিত যে, যিনি কুরআন নিয়ে এসেছেন, তাঁর কথাগুলোকে যদি আমরা অস্বীকার করি, তাহলে যুক্তিমত কুরআনকেও আমাদের অস্বীকার করা হবে। কেননা, কুরআন সেই একই মানুষের মুখ থেকে শোনা হয়েছে যাঁর কাছ থেকে হাদীস এসেছে।
দ্বিতীয়ত: হাদীসের মধ্যে যেসব মিথ্যা অনুপ্রবেশ করেছিল, সেসবকে আলাদা করার কাজ বহু আগেই সুসম্পন্ন করা হয়েছে। সুতরাং হাদীসের ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ এবং বানোয়াট হাদীস এখন যে কেউ হাতের কাছে সহজেই পাচ্ছেন।
তাছাড়া হাদীসের সনদ (বর্ণনাকারীদের পরম্পরা) সম্পর্কে হাদীস সংগ্রাহক ও বিশারদগণ এত বেশী সতর্কতা অবলম্বন করেছেন যে, যদি সে সম্পর্কে কারো জ্ঞান থাকে, তবে হাদীস সম্পর্কে সেসব মনীষীদের বর্ণনাগুলোকে কোনভাবেই সন্দেহের মধ্যে ফেলা যাবে না।
অন্যদিকে একদল লোক আরো অনেক আগ থেকেই দেখা গেছে, যারা শুধুমাত্র কুরআনকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে হাদীসকে অস্বীকার করার মত ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে লিপ্ত। বাংলাদেশেও এদের কার্যক্রম চলছে বিদেশী মদদে। আমরা তাদেরকে চিনি, তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনো কাউকে সোচ্চার হতে দেখা যায়নি। আল্লাহ্ আমাদের হেফাযত করুন এসব বিভ্রান্তি থেকে।
লেখক বলেছেন: নূহান-
অন্তরে বিশুদ্ধ নিয়্যত রাখুন, আল্লাহ্ একদিন না একদিন তা কবূল করবেন ইনশাআল্লাহ্।
অক্ষর বলেছেন:
বর্ণনা ভালো লাগলো+
লেখক বলেছেন: মোঃ নাজমুল হাসান-
আল্লাহ্ আপনাদের সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন।

















