somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত(ধারাবাহিক)-পর্ব ২

২১ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত(ধারাবাহিক)-পর্ব ১

ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৫

মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন মজীদের সূরা শূয়ারার ২২৪ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের (মিথ্যুক, অশ্লীল, কুৎসা বর্ণনাকারী) অনুসরণ করে।”

আর একই সূরার ২২৭ নম্বর আয়াত শরীফ বা উক্ত সূরার শেষাংশ যারা ঈমানদার ও নেককার কবিদের উত্তম, রুচিসম্পন্ন ও শরীয়তসম্পন্ন কবিতাসমূহ যে গ্রহণযোগ্য তা বুঝানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করেও সৎকর্ম করে এবং মহান আল্লাহ পাক উনাকে খুব স্মরণ করে।”

ফলে ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করা, লিখা, শোনা, আয়োজন করা মূলত কুরআন শরীফ-এর নির্দেশেরই অন্তর্ভুক্ত। আর যারা সঙ্গীত লিখে, গায়, শোনে তারা মূলত কুরআন শরীফ-এ বর্ণিত বিভ্রান্ত শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। ফলে চিশতিয়া খান্দানের বুযূর্গগণ বিশেষত সুলতানুল হিন্দ খাজা গরিবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং মাহবুব-ই-ইলাহী হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফ-এর অনুসরণে সামার আয়োজন করতেন এবং শুনতেন আর এখন উনাদের মাযার শরীফ প্রাঙ্গনে যারা তবলা-হারমোনিয়াম বাজিয়ে উনাদের শানে মিথ্যারোপ করে কাওয়ালী করছে তারা কুরআন শরীফ-এ বর্ণিত বিভ্রান্ত শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৬

চিশতিয়া তরীক্বার যিনি মূল নক্ষত্র সুলতানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সামা শুনতেন এবং ব্যাপকভাবে এই সুন্নতের প্রচলন ঘটান। কিন্তু সুন্নতী সামা শরীফ নিয়ে ইতিহাস বিকৃতির (অর্থাৎ বাদ্যযন্ত্রসহ কাওয়ালী পরিবেশনের) উপাদান এসেছে মাহবুব-ই-ইলাহী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট মুরীদ, খালিছ আল্লাহ পাক উনার মাহবুব ওলী হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সঠিক উপলব্ধি না করার কারণে। সমালোচকগণ, হিন্দু ঐতিহাসিকরা পরবর্তীতে অনেক তথাকথিত মুসলিম ঐতিহাসিকরাও উনাকে খেয়ালের জনক, তবলা এবং সিতারের জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। যা বর্তমানে ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়। আর এসব বিভ্রান্তিকর ইতিহাসের কারণে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণের মনে এ রকম ধারণার জন্ম হতে পারে যে, মাহবুব-ই-ইলাহী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারসহ সামা শুনতেন। নাঊযুবিল্লাহ!

আবার সামার ব্যাপক প্রচলন যেহেতু করেছিলেন সুলতানুল হিন্দ খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও হয় তো এসব যন্ত্রের ব্যবহার অনুমোদন দিতেন। নাঊযুবিল্লাহ!

তাহলে আমরা যদি প্রমাণ করতে পারি যে, হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খেয়াল গানের জনক নন, তবলা এবং সিতারের আবিষ্কারক নন; এছাড়াও আমরা ইতিহাস থেকে তুলে ধরতে পারি- তিনি প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত উচ্চ শ্রেণীর ওলীআল্লাহ ছিলেন তখন সহজেই এই ভ্রান্তি কাটিয়ে উঠা সাধারণের পক্ষে সম্ভব হবে।


ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৭

হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বাবা ছিলেন তুর্কী বংশোদ্ভূত। আমীর আলাচিন হিসেবে খ্যাত হলেও উনার মূল নাম ছিল সাইফুদ্দিন মাহমুদ শামসী। মহাযালিম চেঙ্গিস খানের আক্রমণের সময় উনার মূল বাসস্থান কেশ (সমরখন্দের নিকট) থেকে বলখে চলে আসেন। তিনি ছিলেন হাজারা এলাকার সর্দার। দিল্লীর শাসনকর্তা শামসুদ্দীন আলতামাশ উনাকে দিল্লীতে আহ্বান করেন এবং এই সম্ভ্রান্ত আমীর এবং বিদ্যান ব্যক্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেন। এটা ১২২৬ ঈসায়ী সনের কথা। তিনি বর্তমান ভারতের উত্তর প্রদেশের ইটাহতে বসবাস শুরু করেন। হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিতা মাতা ছিলেন দিল্লীর অধিবাসী। ১২৫৩ সালে হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি বিলাদত শরীফ লাভ করেন। উনার মূল নাম আবুল হাসান ইয়ামিনউদ্দিন খসরু (১২৫৩-১৩২৫)। উনার সম্মানিত পিতা অধিকাংশ সময় যুদ্ধ-জিহাদে থাকতেন এবং ১২৬০ সালে একটি যুদ্ধে শহীদ হন। হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিতা মাতা ছিলেন অত্যন্ত বিদুষী একজন মহিলা। তিনি উনার এই সন্তানের বিচক্ষণতা, বুদ্ধিমত্তা লক্ষ্য করে উনার ৮ বছর বয়স মুবারকেই বিশিষ্ট মুজাদ্দিদ মাহবুব-ই ইলাহী হযরত খাজা নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক ছোহবতে পাঠান। ৮ বছর বয়স মুবারক থেকেই উনার কাব্য প্রতিভা দেখা দেয়।



ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৮

মায়ের আদেশে ৮ বছর বয়স মুবারকে তিনি যখন প্রথম মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ আসেন। তিনি ভিতরে প্রবেশ না করে বাইরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে উনার আধ্যাত্মিকতার বিষয়টি উপলব্ধির জন্য কয়েকটি কবিতার লাইন রচনা করে পাঠ করেন। তিনি বলেন-

(যার ভাবার্থ হলো)- “আপনি এমনি এক শাহেনশাহ, যেখানে একটি কবুতর বাজপাখিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। একজন অত্যন্ত সাধারণ মুসাফির আপনার দরজার ভেতরে প্রবেশ করবে কি করবে না?”

মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এ কথাগুলো শোনার সাথে সাথে একজন খাদিমকে দিয়ে উনার কথার উত্তর দেন। তিনি বলে পাঠান-

(যার ভাবার্থ হলো)- “তুমি একজন বাস্তববাদী মানুষ ভেতরে আসো। তুমি অল্প সময়ের জন্য আমার প্রিয়ভাজন হতে পারো। যদি এ ব্যক্তি বুদ্ধিহীন হয় তবে যে যেভাবে এসেছে সেভাবেই ফেরত যেতে পারে।”

সুতরাং জীবনের শুরুতেই, বাইয়াতের শুরুতেই হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সঙ্গে শায়েখের যে নিছবত ছিল তাতেই উনার হাক্বীক্বী পরিচয় পাওয়া যায়।

ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৯

মুজাদ্দিদুয যামান, মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সঙ্গে উনার বিশিষ্ট মুরীদ মহান আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী, জগদ্বিখ্যাত কবি হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সঙ্গে কী গভীর নিছবত ছিলো তা নিচের ঘটনা শুনলেই বোঝা যাবে।

একদিন এক ভিক্ষুক মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ এসে কিছু সাহায্যের জন্য আবেদন করলো। কিন্তু সে সময় দরবার শরীফ-এ সেই ভিক্ষুককে দেয়ার মতো কিছুই ছিল না। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার মহান ওলী খালি হাতে ভিক্ষুককে ফিরিয়ে দিতেও পছন্দ করলেন না। উনার কাছে নিজের এক জোড়া স্যান্ডেল (পাদুকা বা নালাইন) দেখতে পেয়ে তিনি তাই সেই ভিক্ষুককে দান করে দিলেন। ভিক্ষুক সেই মুবারক স্যান্ডেল শরীফ নিয়ে যাওয়ার পথে দূর থেকে তাকে দেখতে পেলেন হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট তখন বেশ অর্থকড়ি ছিলো এবং মূল্যবান দ্রব্যসামগ্রীও ছিল। ভিক্ষুক উনার কাছে আসতেই তিনি বলে উঠলেন’ ‘ওহে ভিক্ষুক তোমার কাছে আমার শায়েখ উনার খুশবু পাই।’ ভিক্ষুক সব খুলে বললে হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অর্থ বা মূল্যবান উপঢৌকনের বিনিময়ে স্যান্ডেল মুবারক ফেরত নিয়ে নেন। তিনি সেই স্যান্ডেল মুবারকসহ আবার উনার শায়েখ হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ গিয়ে সমস্ত ঘটনা খুলে বললেন, তখন মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছিলেন, “হে আমীর খসরু! তুমি অতি সস্তায় এ স্যান্ডেল ফেরত নিয়েছো।”

এ ঘটনা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে বিশিষ্ট মুজাদ্দিদ মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সঙ্গে উনার বিশিষ্ট মুরীদ হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি উনার কী নিবিড় আত্মিক যোগ ছিল! এই আত্মিক বিকাশসম্পন্ন ওলীআল্লাহগণ উনাদের সম্পর্কে কাফিররাই অপবাদ ছড়ায় যে, উনারা হারমোনিয়াম-তবলাসহ কাওয়ালী শুনতেন। নাঊযুবিল্লাহ!

ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-১০

মহান আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পক্ষে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে কাওয়ালী করা এবং তবলা এবং সেতার যন্ত্র আবিষ্কার করা যে সম্ভব নয়, তা উনার তাক্বওয়া, পরহেযগারী এবং উনার শায়েখের সঙ্গে নিছবতের বিষয়টি বুঝলে সহজেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। আজকে উনার আরো একটি মুবারক ঘটনা এখানে তুলে ধরছি।

বিশিষ্ট মুজাদ্দিদ, মাহবুব-এ ইলাহী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ক্ষমতাবান লোকদের থেকে, বিশেষ করে দিল্লীর সুলতানদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেন। এক সময় দিল্লীর সুলতান জালালউদ্দিন খিলজী হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ডেকে সেই সময়কার মহান আল্লাহ পাক উনার লক্ষ্যস্থল ওলী হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি উনার সাথে দেখা করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। সুলতান নিজেই দিনক্ষণ ঠিক করেন কিন্তু সেই দিন তারিখ হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জানাতে নিষেধ করেন। কিন্তু হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এই সংবাদ হযরত নিযামউদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জানিয়ে দিলে তিনি ভিন্ন জায়গায় চলে যান। ফলে সুলতান গিয়ে আর দেখা পাননি। পরে জালালউদ্দিন খিলজি হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ওয়াদা ভঙ্গের কারণ জিজ্ঞাসা করলে হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সুলতানকে উত্তর দেন ‘সুলতানের সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করাতে শাস্তিস্বরূপ আমার জীবন সংহার হতে পারে- তবে আমার মুর্শিদের সাথে একই রকম আচরণ করলে আমার ঈমানহানি হবে এবং পরকালে এর জবাবদিহি করতে হবে।’ এ ঘটনাটি হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তাক্বওয়া, পরহেযগারী এবং উনার শায়েখের সঙ্গে হৃদ্যতার বিষয়টি বোঝার জন্য যথেষ্ট। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৩৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঢাবিকে ‘কোচিং সেন্টার’ বলা ববি হাজ্জাজের মূর্খতা নাকি অহংকার?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ৩০ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন "নর্থ সাউথ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় যা গবেষণা করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০


গত রোজার ঈদে বাংলাদেশে একটা সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল, নাম "বনলতা এক্সপ্রেস"। হুমায়ূন আহমেদের "কিছুক্ষণ" উপন্যাস অবলম্বনে বানানো, মোশাররফ করিম আর চঞ্চল চৌধুরীর মতো মানুষরা অভিনয় করেছেন। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য লটারি: শার্লি জ্যাকসন

লিখেছেন নিবারণ, ৩০ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫১

২৭ জুনের সকালটা ছিল একদম পরিষ্কার আর ঝলমলে। ভর গ্রীষ্মের এক সতেজ ওম চারদিকে; ফুলের দল ফুটে আছে থোকায় থোকায়, আর ঘাসগুলো একেবারে গাঢ় সবুজ। সকাল দশটা নাগাদ গ্রামের লোকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা'র আন্তর্জাতিক খেলা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫২



শেখ হাসিনা- একটি নাম, একটি ইতিহাস। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন খুব কম নেতাই আছেন, যাদের নাম উচ্চারিত হলে সমর্থন ও বিরোধিতা- উভয়ই এত প্রবলভাবে সামনে আসে। দীর্ঘ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

চামড়ার দাম নেই, কিন্তু চামড়ার জুতার দাম আকাশচুম্বী- এই রহস্যের নাম কী?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

চামড়ার দাম নেই, কিন্তু চামড়ার জুতার দাম আকাশচুম্বী- এই রহস্যের নাম কী?

কোরবানির ঈদ এলেই বলা হয়- "চামড়া জাতীয় সম্পদ, চামড়া দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত, চামড়া রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×