সর্দারজী ৪৯
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৪
আইজ ফর্টি নাইন!
সর্দারজী কাঠু সিং আগে গরিব আছিলো । তারপর ঠ্যাং থুক্কু আংগুল ফুইলা বড়লোক হইয়া গেলো, তারপরে সে আবার চিমসায়া গরীব হইয়া পড়ল ।
একদিন ফুটপাথে বাংলা খাইতে খাইতে কাঠুর দোস্ত লাট্টু জিগায় "কেস কী কাঠু ক্যামনে মগডালে তুমি উঠলা তারপরে পিছলায়া পইড়া গেলা?"
"আর কইও না লাট্টু, আমাগো মতো ফকিন্নির পুতদের পকেটে পয়সা আসলে শান্তি নাই । খালি আংগুলের ফাঁক দিয়া পিছলায়া যায় সব ।"
"হইছিলো কী সেইটা কও ।"
"আমি গেছিলাম জংগলে কাঠ কাটতে । পাশে আছিলো একটা পুকুর । হঠাৎ আমার হাত থিকা কুড়ালটা ছুইট্টা পুকুরের পানিত পড়ল ।"
"আহা! তুমি কী করলা কাঠু?"
"আমি তো ভেউ ভেউ কইরা কানতে বইলাম । কুড়াল গেলে খামু কী দিয়া?"
"কথা সত্য । তারপর ?"
"হঠাৎ পানি থিকা ভাইসা উঠল এক পরী সে আমারে একখান সোনার কুড়াল দেখায়া কয় এইডা তোমার?'
আমি মাথা নাইড়া কইলাম না । তুমি তো জানোই আমি ইমানদার আদমী ।"
তারপরে বেটি থুক্কু পরী একটা রুপার কুড়াল আইনা বলে 'এইডা
তোমার ।'"
আমি আবারো এইটা আমার না জানায়া দিলাম । তারপরে হেতুইনে আমার লোহার কুড়ালটা তুইলা বলল "এইডা তোমার?"
আমি কই "হ! এইডাই আমার!"
বেটি থুক্কু পরী আমারে তিনখান কুড়ালই দিয়া দিলো ইমানদারীর পুরষ্কার হিসাবে । আমি সোনার-রুপার কুড়াল দুইটা বেইচা টাকা পাইলা, । সেই টাকায় বিজিনেস শুরু করলাম, তারপরে একটা আকাম করলাম ।"
"কী করলা তুমি?"
"আমি বিয়া করলাম আর জীবনের সমস্ত শান্তি ন্ষ্ট হইলো । বেটি পেরথম চান্সেই আমার পেটের ভিতর থিকা গোপন কথা বাইর কইরা বলে "চলো! পরীর পুকুরে যাই!"
গেলাম আর ফকিন্নির বেটি সোজা সোনা খুঁজতে নাইমা গেলো পুকুরে । আমি তো ভেউ ভেউ কইরা কানতে বইলাম । বউ গেলে বাঁচুম ক্যামনে?"
এমন সময় ভুশ কইরা ভাইসা উঠল পরী । হাতে তার শ্যারন স্টোন ফাল পাড়ততেছে । জিগায় 'এইডা তোমার বউ?' আমি কইলাম "না ।"
তারপরে বেটি থুক্কু পরী ডুব দিয়া জুলিয়া রবার্টসরে তুইলা আনলো "এইডা তোমার বউ?" আমি কইলাম "না!"
তারপরে পরী আমার বউরে তুইলা আইনা বলে "এইডা তোমার বউ?" আমি কই "না! হাচাই কইতেছি এইডা আমার বউ না!"
পরী ভীষন নাখোশ হইয়া বলে "তোর চরিত্র পয়সা হওনের পরে পুরাই নষ্ট হইছে । নিজের বউরে তুই অস্বীকার করলি ক্যামনে?"
আমি কইলাম "পরীজি । আমার বউরে আমার কইলে তো তুমি তিনটারেই দিয়া দিতা! একটারেই সামলাইতে পারি না! তিনটা দিয়া কী করতাম?"
পরী আমার বউরে ডাংগায় ফিক্যা মাইরা পানিতে ডুব দিল ।
"সে তো বুঝলাম কাঠু । কিন্তুক তুমি ঘরছাড়া হইলা ক্যামনে?"
"শেষ কথাগুলা আমার বউ শুইনা ফালাইছিলো । সে এখন আমার বাড়ির দরজায় লোহার কুড়াল নিয়া তৈরী আছে কখন আমি বাড়িতে ঢুকি! এই ভয়ে আমি চাইরমাস লৌড়ের উপর ঘরছাড়া!"
প্রকাশ করা হয়েছে: সর্দারজী-সমগ্র বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নিন্দুক বলেছেন:
ঢালী ভাই জটিল হইছে। ৫০তম এর আগাম শুভেচ্ছা রইলো।
দূর্গ বলেছেন:
চমকপ্রদ। ডাক্তারি ৫ দিলাম
অদ্ভুত ভালবাসা বলেছেন:
অদ্ভুত হইছে!!!! তুমার আবার জুস আইতাছে..... "আমার বউরে আমার কইলে তো তুমি তিনটারেই দিয়া দিতা! একটারেই সামলাইতে পারি না! তিনটা দিয়া কী করতাম?" ---- অমৃত বাণী!!!! পঁচাইলাম থুক্কু পাঁচাইলাম......
ঢালী! বলেছেন:
সুক্রিয়া...শুকরিয়া
অপরাজেয় বলেছেন:
আলপিনে নাকি কোথায় যেন পড়েছি মনে হচ্ছে
বায়েজীদ বলেছেন:
দুর্দান্ত।
গন্ডার বলেছেন:
অরিজিনালটা থেকে রুপান্তরটা জটিল হইসে, খালি এইটারে ৫ দিতে লগইন করলাম
মদন বলেছেন:
জটিলসসসসসসসসসসসসসসসসসসস
অপু দি গ্রেট বলেছেন:
পুরান জিনিস নতুন কইরা চালাইয়া দিলা....
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
+
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















