আমার প্রিয় পোস্ট
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- কমেন্ট অব দি নাইট --- রাতের সেরা গালি - মন্তব্য
- শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীবিদ্বেষী আবুল আলা মৌদুদী - অমি রহমান পিয়াল
- অধ্যাপক ড. নুরুল উল্লাহর সাক্ষাতকার - অমি রহমান পিয়াল
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- বদরুদ্দীন উমরের একটি লেখা - ছু-মন্তর
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- ছাগুরামকাব্য 08ঃ শাকাহারী জমায়েৎ - মুখফোড়
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- ব্লগীয় ছড়া (অনেক ডিস্টার্বিং এলিমেন্টস আছে, নিজ দায়িত্বে পড়িবেন) - ঝরা পাতা
- অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন? - ব্রাত্য রাইসু
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি? - মনসুর হিল্লাজ
- যুদ্ধাপরাধীদের সাথে সাথে রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবসা বন্ধ হলে অসুবিধা কী? - মনসুর হিল্লাজ
- মুক্তিযুদ্ধের অবদান কী কেবলই বাংলার মাটিতে নাইট্রোজেন দান? ধূলার পাহাড়ে আরো কিছু অশ্রুপাত - ফারুক ওয়াসিফ
- নিরপেক্ষ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম (গালাগালিমুক্ত!!!!!!!!!!!) - সাধক শঙ্কু
- পুরোনো খাম্বা নতুন করে..... - রিকো
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- হামপটি ডামপটি স্যাট অন এ ওয়াল এন্ড হামপটি ডামপিট হ্যাড এ গ্রেট ফল - নিধিরাম সর্দার
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জটিল প্রশ্ন: উত্তরটা আমি দিতে চাই - শওকত হোসেন মাসুম
- বোলোগের এ-টিম - শমশেরআলম
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- মতাদর্শিক আধিপত্য এবং ইন্টেলেক্চুয়াল মকারি - সুমন চৌধুরী
কর্তৃত্বপরায়ণ মনোবৃত্তি নিয়ে মানুষের মুখ বন্ধ করা যাবে না । শেষ পর্যন্ত মানুষ তার বলাটা বলবেই ।

উবুন্টু ব্যাকআপ সল্যুশন : এসব্যাকআপ
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১০
যেকোন কারনে কখনোই ড্যাটা লস হয়নি এরকম কম্পিউটার ব্যবহারকারি দুর্লভ । অপারেটিং সিস্টেমের সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে, পার্টিশন করতে গিয়ে, বেখেয়ালে অথবা হার্ড ডিস্কের কোন ফিজিক্যাল ড্যামেজের কারনেও অনেক কারনে এই ড্যাটা লস হতে পারে । নিজের এই মূল্যবান ড্যাটা সংরক্ষনের উপায় নিয়ে এজন্য সব ব্যবহারকারিদেরই ভাবা উচিত । একটা সময় ছিলো যখন একজন সাধারণ ইউজারের ড্যাটার পরিমান খুব কম ছিলো । তখন ইউজারদের কম্পিউটারে কাজের ডকুমেন্ট ছাড়া বলতে গেলে তেমন কিছুই থাকতো না । সময়ের সাথে সাথে এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে । এখন ইউজারদের সাধারণ ডকুমেন্টস ছাড়াও মুভি, ছবি, সফটওয়্যার সেটিংস অনেক কিছু থাকে যেটা ব্যাকআপ করাটা একটু কষ্টসাধ্য । এগুলো ছাড়াও পিসির বিভিন্ন সেটিংস, কনফিগারেশন থাকে যেগুলোও ব্যাকআপ রাখা সম্ভব ।
তো এই ব্যাকআপ সিস্টেম গড়ে তোলাটা সহজ হয় সিডি আসার পর । একটা ছোট বহনযোগ্য ডিস্কে তখন অনেক ড্যাটা কপি করে ফেলা যেত । এরপর ফাইলসাইজ রিকয়ারমেন্ট বাড়ার সাথে সাথে বিকল্প হিসেবে ডিভিডি ব্যবহার শুরু করে ইউজাররা । তবে সাধারণ ব্যবহারকারিরা এই বহনযোগ্য সিডি/ডিভিডিতে ড্যাটা ব্যাকআপ রাখলেও এন্টারপ্রাইজ লেভেলে এটা কখনোই প্রচলিত হয়নি কিছু কারনে । কারনগুলো হলো - সিডি/ডিভিডি কোন নির্ভরযোগ্য মিডিয়াম না, এটা হ্যান্ডল করাটা অসুবিধাজনক এবং এর স্টোরেজ ক্যাপাসিটি কম ।
এই অসুবিধাগুলো ব্যক্তিপর্যায়ে ব্যাকআপ সল্যুশনেও প্রভাব ফেলে নি:সন্দেহে । সিডি বছর দুয়েক ফেলে রাখলেই এর একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়, বারবার ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়লে তাতে স্ক্র্যাচ পড়ে যেটা আস্তে আস্তে সিডিকে আনরিডেবল করে তোলে । এটা ছাড়া দরকার মতো বারবার ট্রেতে ঢোকানো বের করাও ঝামেলার । এই সমস্ত সমস্যার কারনে ব্যাকআপের জন্য হার্ডডিস্ক আস্তে আস্তে অপ্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠছে । এছাড়া প্রতি গিগাবাইট হিসাবে হার্ডডিস্কের দামও প্রায় এক । হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে প্রতি ইউরোতে পাওয়া যায় ৭.৭ গিগাবাইট আর প্রতি ইউরোতে ডিভিডিতে পাওয়া যায় ৭.৪১ গিগাবাইট ।
ব্যাকআপ রাখতে হার্ডডিস্কের আরেকটা সুবিধা হলো আপনি সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনার পছন্দমতো সিডিউল করে ব্যাকআপ প্রসেস অটোমেটেড করে রাখতে পারবেন । ভুলে গিয়ে বিপদে পড়ার সম্ভাবনাও এখানে নেই ।
লিনাক্সের জন্য ব্যাকআপ রাখার জন্য এরকম বেশ কয়েকটা সমাধান রয়েছে । আমার কাছে এর মধ্যে ব্যবহারবান্ধব মনে হয়েছে এসব্যাকআপকে (sbackup).
এসব্যাকআপ আপনি যে হার্ডড্রাইভে কাজ করেন সেই হার্ডড্রাইভেই ব্যাকআপ রাখতে পারে । তবে আমি পরামর্শ দেবো আলাদা একটা হার্ডডিস্ক ব্যবহার করার জন্য । এই হার্ডডিস্ক আপনি ইউএসবি অথবা প্রাইমারী স্লেভ বা সেকেন্ডারি মাস্টার/স্লেভ হিসেবেও কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারেন । ফাইল সিস্টেম এনটিএফএস হওয়াই ভালো কারন এটা ৪গিগার বেশী ফাইল সাইজ সাপোর্ট করে । এটা দরকার হবে ব্যাকআপ ফাইল ক্রিয়েট করা জন্য ।
আপনার প্রথমেই যেটা করতে হবে সেটা হলে এসব্যাকআপ সফটওয়্যারটা ইনস্টল করে নেয়া । এটার জন্য কমান্ড লিখুন এরকম -
sudo apt-get install sbackup
সফটওয়্যারাটার সাইজ ৫০০কিলোবাইট বা তার কিছু বেশী । দেশের স্লো কানেকশনেও তাড়াতাড়ি ইনস্টল হবে ।
ইনস্টল করার পরে এটা চালু করুন মেন্যুবার থেকে সিস্টেম > এ্যাডমিনিস্ট্রেশন > সিম্পল ব্যাকআপ রিস্টোর কনফিগ । চালু করলে আপনি এরকম একটা ইন্টারফেস পাবেন ।
এখানে ইউজ কাস্টম ব্যাকআপ সেটিংস সিলেক্ট করুন ।
তারপর উপরে ইনক্লুড ট্যাব ক্লিক করুন । এখানে আপনি দেখতে পাবেন কোন কোন ফোল্ডার আপনি ব্যাকআপ করবেন ।
ডিফল্ট হিসেবে /var (আপনার যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন সেগুলো সেটিংস ক্যাশে), /home (আপনার হোম ফোল্ডার), /usr/local (আপনার ইনস্টল করার সব প্রোগ্রামগুলো) এবং /etc(হার্ডওয়্যার সেটিংস, সফটওয়্যার কনফিগারেশন) সিলেক্ট করা থাকবে । আপনি চাইলে আরোও কিছু ফোল্ডার যোগ করতে পারেন । সেটা করতে এ্যাড ডিরেক্টরি ক্লিক করে দরকার মতো অন্য ডিরেক্টরিও সিলেক্ট করতে পারবেন । (নতুনদের জন্য - লিনাক্সের কোন ফোল্ডারে কি থাকে সেটা জানতেClick This Link target='_blank' > এখানে ক্লিক করুন ) ।
এরপর এক্সক্লুড ট্যাবে যান । এখানে দেখতে পাবেন কি ধরনের ফাইল আপনি ব্যাকআপ রাখতে চান না সেগুলোর তালিকা ।
এছাড়াও আপনি সর্বোচ্চ কত বড় সাইজের ফাইল ব্যাকআপ রাখবেন সেটাও এখানে নির্ধারণ করে দিতে পারবেন । এইখানে একটু চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন । কারন আমরা অনেক সময় অনেক ছবি ও ভিডিও রাখি হোম ফোল্ডারে যেগুলো আমরা ব্যাকআপ রাখতে চাই কিন্তু এখানে এগুলো এক্সক্লুড করা আছে । দরকার মতো ফাইল টাইপ ও সাইজ কনফিগার করে নেবেন যার যার দরকার মতোন ।
এর পরের ট্যাবটি আপনি কোথায় ব্যাকআপ রাখবেন সেটা সিলেক্ট করার জন্য ।
আমি একটা এক্সটারনাল ড্রাইভে রাখছি এটা যেটার নাম ব্যাকআপ । এছাড়া আপনি যে ড্রাইভে কাজ করেন সেখানেই বা সিকিউর শেল বা এফটিপির মতো রিমোট জায়গাতেও ব্যাকআপ করতে পারেন ।
পরবর্তী ট্যাবে ব্যাকআপ সিডিউল ঠিক করার অপশন পাবেন ।
আমি পরামর্শ দেবো প্রতিদিন আপনি একটি সময়ে ব্যাকআপটা অটোমেটেড করে রাখুন । এই ব্যাকআপ প্রসেস খুবই দ্রুত ও খুব কম রিসোর্স নেয় । আপনি টের পাবেন না কখন এটা ব্যাকআপ করছে ।
এরপর শেষ ট্যাবে আপনি পাবেন পুরনো ব্যাকআপ কিভাবে ডিলিট করে শুধু আপডেটেডটাই রাখবেন সেটা সিলেক্ট করার অপশন পাবেন ।
এতে আমি লগারিদমিক সিলেক্ট করছি । এটাতে পুরোনো ব্যাকআপ ডিলিট না করে নতুন আপডেট গুলো আলাদা আলাদা করে ব্যাকআপ নেবে । অন্য অপশনটাতে পুরোনো ব্যাকআপ ডিলিট করে তারপর নতুন ব্যাকআপ নেবে । ডিলিট করে আবার নতুন করে ব্যাকআপ নেবার সময় পাওয়ার চলে গেলে কি হবে আমি নিশ্চিত না । একারনে এটা না সিলেক্ট করতেই পরামর্শ দেবো । এছাড়া লগারিদমিক অপশনটা দ্রুত কাজ করবে কারন প্রথমবার আমার ল্যাপটপে এটা একটু সময় নিয়ে দেড় গিগার একটি পার্টিশন ক্রিয়েট করেছে । কিন্তু পরবর্তী ব্যাকআপ ফোল্ডারটা তৈরী করেছে মাত্র সাড়ে তিনশো মেগাবাইট । সিম্পল কাটঅফে প্রতিবারই প্রথমে পুরোনোটা ডিলিট করবে তারপর নতুন করে দেড় গিগাবাইট ব্যাকআপ নেবে যেটা সময়সাপেক্ষ ও বাংলাদেশের মতো পাওয়ার সিস্টেমে ঝুকিপূর্ন ।
এই সব গুলো কনফিগারেশন সেট করে সেইভ করুন । তারপর ব্যাকআপ নাউ ক্লিক করুন । একটা ব্যাকআপ শুরু হবার কনফারমেশন আসবে । সেটাতে ক্লোজ ক্লিক করুন । একটু পর চেক করুন ব্যাকআপ ফোল্ডার ।
ব্যাকআপ শেষ হলে আপনি যে ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখছেন সেখানে একটা ফোল্ডার পাবেন । এর মধ্যে আপনি একটা files.tgz ফাইল পাবেন । এই ফাইলটা আপনার ডকুমেন্ট সাইজের ওপর নির্ভর করবে । এই ফাইলটা ৪গিগার বেশী হলে এটা FAT ফাইল সিস্টেমে ক্রিয়েট হবে না । এজন্য আপনার দরকার NTFS বা এরকম কোন ফাইল সিস্টেমে ড্রাইভ ফরম্যাট করা যাতে ৪গিগার বেশী ফাইল সেইভ করা সম্ভব হয় ।
কোন কারনে আপনার ব্যাকআপ রিস্টোর করার দরকার হলে এসব্যাকআপে খুব সহজেই আপনি ব্যাকআপ রিকোভার করতে পারবেন । প্রথম আপনার মেন্যুবার থেকে সিস্টেম > এ্যাডমিনিস্ট্রেশন > সিম্পল ব্যাকআপ রিস্টোর এ ক্লিক করতে হবে ।

তারপর রুট পাসওয়ার্ড দিলে আপনি ঠিক এরকম একটা উইন্ডো পাবেন । এখানে রিস্টোর ক্লিক করলেই ব্যাকআপ রিস্টোর হয়ে যাবে ।

আপনি ইচ্ছা করলে এই ব্যাকআপ ভিন্ন নামের ফোল্ডারেও রিস্টার করতে পারবেন । এরজন্য আপনাকে রিস্টোর এ্যাজ ক্লিক করতে হবে ।
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: চিন্তায় পৈড়া গেলাম ।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
computer ki tai bujhina abar backup,linux......
লেখক বলেছেন: কম্পিউটার কি বা ক্যান এইটা ক্যালকুলেটর নাম না হয়া কম্পিউটার হৈলো সেইটা না বুইজ্জাও অনেকে কম্পিউটার চালাইতে পারে । যার যেইটা দরকার সে সেইটা করতে পারলেই হয় । সবাইর পন্ডিত হৈতে হবে এইটা কোন কামের কথা না ।
ছাই চাপা আগুন বলেছেন:
খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট। পোস্টটিকে স্টিকি করা হোক।হাসিব সাহেব কিঞ্চিত সতর্ক থাকবেন। ভেড়া কিন্তু কাঠাল পাতার খুঁজে আপনার বাড়িতেও আসতে পারে। মতিগতি দেইখা তাই মনে হইতাছে। তৈলমর্দনে গইলেন না।
লেখক বলেছেন:
- স্টিকি পোষাবে না । স্টিকি জায়গাটা সুশীলদের জন্যই বরাদ্দ থাকুক ।
- হেল্লিগাই কৈলাম চিন্তায় পৈড়া গেছি ।
এই তথ্যটি যত সম্ভব ঠিক নয়। সিডিডিস্ক ব্যবহার না করে সিডিবক্স বা সিডি স্টোরেজ ব্যাগে করে শুকনা জায়গায় রাখলে তা ১০০ বছর পর্যন্তও কোনো ফিজিক্যাল চেন্জ হবার কথানা।
লেখক বলেছেন: ১০০ বছরের দাবিটার কোন গ্রহনযোগ্য প্রমান নাই । সিডি ম্যানুফ্যাকচারাররা এই ধরনের আজব কথা মার্কেটিঙের সুবিধার জন্য বলে থাকে । ওয়েবে একটু সিডির রিলায়াবিলিটি নিয়ে একটু পড়াশোনা করলেই বুঝবেন ।
ইউনুস খান বলেছেন:
প্লিজ চিন্তা করতে থাকুন। আর ভেবে চিন্তেই ডিসিশান নেন। তবে খুবই সতর্ক থাকবেন এই জন্যযে শিকার করতে গিয়ে না আবার ভুল শিকার ধরে ফেলেন।আশা করি আরো বেশী চিন্তিত হয়ে যাবেন।
ছাই চাপা আগুন বলেছেন:
বহুত ছিন্তা কইরবার পর ইউনুছ ভাইয়ের মতন জোগ্য লোকরেই এই ফোস্ট উতসরগ কইরলুম।Click This Link
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
মানুষ বলেছেন:
উবুন্টুতে বাংলা পেপার (যুগান্তর, প্রথম আলো) পড়তে পারছি না। কি করব?
লেখক বলেছেন: ফন্ত ইনস্তল করলেই হবে । আর প্রথম আলো দেখতে ie4linux ইনস্টল করতে হবে । এইটা ছাড়া পিআলো দেখার আর কোন রাস্তা নাই ।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম। খুবই কাজের পোস্ট।
লেখক বলেছেন: আছি কোনরকম
লেখক বলেছেন: প্রতিটি লোকের পৃথিবীর প্রতিটা জিনিস জানতে হবে এরকম দিব্যি কেউ দেয় নাই । অনেক কিছু না জেনেই আমাদের জীবন সুন্দরভাবে চলতে পারে ।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
হুম কাজে লাগতে পারে। প্রিয়তে..........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: কয়দিন হৈলো ?
অক্ষর বলেছেন:
bhai, ubuntu te avro use korbo kivabe?
হাসিব বলেছেন:
উবুন্টুতে এখনো পর্যন্ত অভ্র কিবোর্ড নেই । আমি ইউনিজয় ব্যবহার করি । আর ফোনেটিকের মধ্যে প্রভাত কিবোর্ড আছে । অল্প পরিশ্রমে ওটা শিখে নিতে পারবেন ।
অক্ষর বলেছেন:
ইউনিজয় ব্যবহার করলে কি অভরু এর মতো লেখা যাবে?
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা বুঝলাম না । ইউনিজয় হলো বিজয় কিবোর্ড থেকে আসা । আর অভ্র সম্পুর্ন ভিন্ন একটা কিবোর্ড । ফোনটিক বেইযড ।
অক্ষর বলেছেন:
sorry, ami bujhaite pari naionno kono vabe ki avro er moto lekha jabe? phonetic chara
লেখক বলেছেন: আবারো গোল পাকায় গেলো ? আপনার প্রশ্নটা বুঝলাম না । দুই ধরনের কিবোর্ড আছে বাংলায় । একটা হলো ফোনেটিক । আরেকটা ফোনেটিক না । অভ্র প্রভাত এগুলো ফোনেটিক । আর বিজয়, ইউনিজয়, মুনীর এগুলো ফোনেটিক নয় । ফোনেটিক কিবোর্ডগুলো আমি যদ্দুর জানি প্রায় একই রকম । পার্থক্যগুলো খুব সহজেই আয়ত্তে আনা যায় । আপনি অভ্র কিবোর্ডে অভ্যস্ত হয়ে থাকলে খুব সহজেই প্রভাতে লিখতে পারার কথা ।
অক্ষর বলেছেন:
ভাই আমি জানি না তাই বোঝাইতে পারতেছিনা, আবারও সরি১. মোট কথা হইলো, অভ্রুতে যেম্নে লেখি মানে রাস্ট্র= rasTro, কিন্তু ফোনেটিকে রাস্ট্র= ras+t+ro. আমি চাইতেছি প্রথমটা লেখার জন্য
২. আমি কি ইয়াহু মেসেঞ্জার, রিয়েল প্লেয়ার ইউজ করতে পারবো?
৩. উইন্ডোজে যেইভাবে যেকোন সফটওয়্যার ইন্সটল করি, এইখানে কেম্নে পারবো। যেমনঃ প্রিন্টারের সফটওয়্যার?
হাসিব বলেছেন:
১. একদম অভ্রর মতো প্রভাতকে পাবেন না । একটু প্রাকটিস করতে হবে ।
২. পারবেন । মেসেঞ্জারের জন্য গাইম, আর রিয়াল প্লেয়ারও পাবেন ।
৩. এইটার জন্য দেখি একটা পোস্ট দেবো ।
অক্ষর বলেছেন:
ভাই, ফণ্ট কিভাবে পাল্টাবো? সোলাইমান লিপি কি দেয়া যাবে?
লেখক বলেছেন: যাবে । আমি অচিরাত এইটা নিয়া বসতেছি । (মাইন্ড কৈরেন না ) ।
অফিসে একটু বিযি আছি ।
অক্ষর বলেছেন:
আচ্ছা, ঠিক আছেগিয়াম পারি নাই, পিজিন ইউজ করি কিন্তু ভয়েস চ্যাট করতে পারি নাই
গুগল এ অনেক সার্চ দিছি, কিন্তু কি কি কোড দেয়
কোডতো লিখতে পারি না, কোথায় আর কেম্নে লিখে
ইরতেজা বলেছেন:
ঈদ মোবারক হাসিব ভাই
টেকনো বলেছেন:
খুব ভাল জিনিস। সবার সাথে শেয়ার করছেন তাই ধন্যবাদ।প্রিয়তে না রাখলে হয়না। এই জিনিস ভহুত করা হইছে।
ভাল থাকেন সামনে আরও ভাল জিনিস এর জন্য অপেক্ষাতে আছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















পোস্ট টি প্রিয়তে রেখে দেওয়া ছাড়া কোন উপায়ই নেই। ভালো থাকুন সবসময় সেই প্রত্যাশায়................।