আমার প্রিয় পোস্ট

বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা

০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৪

শেয়ারঃ
0 1 0

প্রথম দিকে মিডিয়াতে বিডিআরের সদস্যদের বিভিন্ন বঞ্চনা, লাঞ্চনা আর অপমানের কথা শুনে, অপরেশন ডাল-ভাতে ৪০ টাকার সয়াবিন ১২০/১৩০ টাকায় বাজারে ছাড়া এবং এভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি অধিক দামে বিক্রি করে সে লাভের টাকায় বিডিআরের উর্দ্ধতন সামরিক কর্তাদের গাড়ি বাড়ি বানানোর অভিযোগ দেখে, বেতন-ভাতা এবং রেশনে বৈষম্যের খবর জেনে পিলখানায় বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে আগত সামিরক বাহিনীর উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিডিআরের জোয়ানদের সশস্ত্র আন্দোলনের যে ঘটনাটিকে আমাদের বিদ্রোহ বলে মনে হয়েছিল পরবর্তীতে গিয়ে যখন লাশের সংখ্যা বাড়তে লাগল, যখন একটার পর একটা গণকবর আবিষ্কার হতে থাকল কিংবা মিডিয়াতে ক্রমশ নিহতের স্বজনের আহাজারির দৃশ্য বাড়তে লাগল তখনই একটু একটু করে আমাদের মনে হতে লাগল না, ঘটনাটি মনে হয় স্রেফ ক্ষোভের ফসল নয়- এর পেছনে কোন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র রয়েছে। এই পরিবর্তনের পেছনে কান্না- আবেগ- বীভর্ষতা- মিডিয়ার দোল খাওয়া- সামরিক ও বেসামরিক প্রচরণা ইত্যাদির ভূমিকা না হয় বোঝা গেল কিন্তু যুক্তির ব্যাপারটি ঠিক কি? ঠিক কোন যুক্তিতে লাশের সংখ্যা কিংবা হত্যাকান্ডের ধরণ কিংবা লাশের সৎকারের (কবর দেওয়ার) পদ্ধতির ভয়াবহতা দেখে আমাদের মতামতের এই একেবারে উল্টো ঘুরে যাওয়া? লাশের সংখ্যা কিংবা হত্যাকান্ডের ধরণ কিংবা লাশের সতকারের পদ্ধতির ভয়াবহতার মাধ্যমে কি বঞ্চিত- লাঞ্চিত- অপমানিতের বিদ্রোহ আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভেদরেখা টানা যায়?

নৈরাজ্য না বিদ্রোহ না ষড়যন্ত্র:
বঞ্চিত- লাঞ্চিত- নির্যাতিত- অপমানিত হতে হতে কিছু মানুষ যখন বিদ্রোহ করে, সেটার মাঝে যদি কোন আদর্শ না থাকে, কোন সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা না থাকে, তখন সেটা স্রেফ নৈরাজ্যই (অ্যানার্কি) হয়- লাশের সংখ্যার মাপকাঠিতে একে পরিকল্পিত বা ষড়যন্ত্র বলার মানে হলো ঘটনার ভিত্তিতে যে সব বঞ্চনা- ক্ষোভ- বৈষম্য রয়েছে সেগুলোকে আড়াল করে ফেলা- যে চেষ্টাই এখন সর্বত্র হচ্ছে।

আচ্ছা তর্কের খাতিরে ধরা যাক, কোন একটি দেশীয় বা বিদেশী শক্তি কোন এক বা একাধিক বিশেষ উদ্দেশ্যে একদল বিডিআর কে নিয়ে এই হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা করে। ইন্ধনদাতা গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যও না হয় ধরে নিলাম- বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা কিংবা নবগঠিত সরকারকে অস্থিতিশীল করা কিংবা যুদ্ধপরাধীদের বিচারের বিষযটিকে ভন্ডুল করা ইত্যাদি ইত্যাদি; কিন্তু হত্যাকান্ড যারা ঘটিয়েছে অর্থাৎ যারা সারাসরি গোলাগুলি করেছে সেই সব বিডিআররা কিসের আশায় এবং কিসের ভরসায় এই পরিকল্পন মত কাজ করতে রাজি হলো? তাদের তো খুব ভালো করেই জানার কথা অফিসার হত্যাকান্ডের পরিণতি কি! এই পরিণতি জেনেও তারা এই পরিকল্পনায় অংশ নিয়েছে?

নৈরাজ্যের ভিত্তি:
রাষ্ট্র একদিকে শাসন শোষণের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণীকে ক্রমাগত ক্ষেপিয়ে তোলার মত রাজনৈতিক- অর্থনৈতিক- সাংস্কৃতিক পরিবেশ জারি রাখে এবং তার ক্রমাগত পুর্নরুৎপাদন করে চলে, অন্যদিকে তার প্রতিক্রিয়ায় সেই শোষিত মানুষেরা যখন এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে নানান ধরনের ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়, তখন আবার তার কাছ থেকে মানবিক বিবেচনা প্রত্যাশা করার ভান করে এবং কেন তারা সেই মানবিক বিবেচনা প্রদর্শন করল না তার অযুহাতে তাকে বিচার করে (যদি আদৌ সেগুলোকে বিচার বলা যায়-- অচিরেই আমরা দেখব অপারেশন রেবেল হান্ট এবং বিশেষ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে সামরিক বিচার প্রক্রিয়া)।

গার্মেন্টস শ্রমিকরা যখন ক্রমাগত নিষ্পেষিত হতে হতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে রাস্তায় নামে, সামনে যা পাই তা-ই ভাঙচুর করতে থাকে তখন তাদের সেই জ্বালাও পোড়াওয়ের খবর যখন পত্রিকার পাতার শিরনাম হয়: "গার্মেন্টস শ্রমিকদের তান্ডব" নামে আর ভেতরে থাকে নিরীহ পথযাত্রিদের হয়রানির কাহিনী কিংবা থাকে কোন প্রাইভেট কার ভাংচুরের সময় অসহায় আরোহিনীর হাত জোড় করে থাকার ছবি, সেই সাথে সরকার- গার্মেন্টস মালিক- বুর্জোয়া রাজনৈতিক দল- সুশীতল সমাজের মুখে ক্রমাগত দেশী- বিদেশী ষড়যন্ত্রের জল্পনা-কল্পনা।

অবাক হওয়ার কিছু নেই, এবারে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায়ও আমরা তাই দেখব এবং দেখছি। ক্রমশ বিডিআর জোয়ানদের বঞ্চণা- দাবী দাওয়ার জায়গায় স্থান করে নিয়েছে নিহতের স্বজনদের অশ্রুসজল চোখ, নিখোজ পিতার খোজে আকুল সন্তানের ছবি, গণকবরের দৃশ্য, অফিসারদের কোয়ার্টার ভাঙচুরের ছবি, লুটকরা স্বর্লাংকার নিয়ে পলায়নপর বিডিআর এর গ্রেফতার কাহিনী। সেই সাথে মিডিয়া- রাষ্ট্রপ্রধান- সেনাপ্রধান- সামরিক- বেসামরিক আমলা- বুদ্ধিজীবী সবার মুখেই ষড়যন্ত্রের নানান জল্পনা। কেউ বলছে বিডিআররা মুখ বাধার জন্য এত রঙিন কাপড় কোথায় পেল, কেউ বলছে অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্রপাতি কিভাবে লুটকরল, অ্যাশ কালারের পিক-আপ কোত্থেকে এলো- গণকবর কেন হলো- এত বাধ্য জোয়ানরা কোন সাহসে অফিসার দের গায়ে হাত তুলল- অফিসার দের বাড়িঘর কেন লুটপাট হলো? এগুলো সবই ষড়যন্ত্রের প্রমাণ। এদের সবাই কে খুজে খুজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে, দৃষ্টান্তু স্থাপন করতে হবে যেন ভবিষ্যতে এরকম আর না ঘটে।

এদের কথা বার্তা শুনে মনে হচ্ছে বাংলাদেশে এই প্রথম সামরিক/ আধাসামিরক/ বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীতে বিদ্রোহ হয়েছে। গণবিচ্ছিন্ন প্রতিটি বুর্জোয়া সরকারই ক্ষমতার মসনদ শক্ত রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে তোয়াজ করে আসছে। প্রতিবছরের বাজেটে সামরিক খাতে সরাসরি ও গোপন বরদ্দ দেখলেই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে উঠে। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য জনগণের ট্যাক্সের টাকায় লালিত পালিত সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়েছে জনগণকে দাবীয়ে রাখার কাজে। এই গণবিচ্ছিন্ন সামরিক বাহিনীতে এই সব সুযোগ- সুবিধার ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি কামড়া কামড়ি চলে আসছে একেবারে শুরু থেকেই। যেকারণে '৭৫ এর আগষ্ট-নভেম্বর থেকে শুরু থেকে এ পর্যন্ত ঘটে গেছে বেশ অনেকগুলো অভ্যুত্থান। এ সকল অভ্যুত্থান এবং এসব অভ্যুত্থান ছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিদ্রোহ দমনের সময় অসংখ্য অফিসার ও সৈনিক এর খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিমান বাহিনীর অফিসারদের বিদ্রোহ কিংবা বেসামরিক আনসার বাহিনীর বিদ্রোহের হত্যাযজ্ঞের কথা হয়তো অনেকেরই স্মরণে আছে। সামিরক বাহিনীর ভেতরের নানা অনিয়ম, লুটপাট, এলিটিসিজম, সামন্ততান্ত্রিক RANK প্রথা, তথাকথিত চেইন অব কমান্ডের ধরণ, অফিসার- সৈনিকের বৈষম্য, কথায় কথায় মধ্যযুগীয় পানিশমেন্ট বা শাস্তি, ব্লাডি সিভিলিয়ান বা জনগণের সাধারণ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতা ইত্যাদি নানা সমস্যায় জর্জরিত আমাদের সামরিক তন্ত্র আর দশটা বুর্জোয়া দেশের সামরিক তন্ত্রের মতোই অসুস্থ। এই অসুস্থতার লক্ষণ নানান সময় নানান ভাবে প্রকাশ হয়ে পড়ে। এবারের এই বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাও সেই অসুস্থতারই বিকট বহি:প্রকাশ। এসব সমস্যার সমাধান যদি করতে চাই, যদি মনে করি সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে এরকম ঘটনা যেন না ঘটে তার পাকাপাকি ব্যবস্থা আমরা করবো, তাহলে এই সব ফালতু ষড়যন্ত্রের থিওরী বাদ দিয়ে, সামরিক প্রতিহিংসায় উন্মাদ সামরিক এলিটিসিজম কে তুষ্ট করার ভয়ংকর আত্মবিধ্বংসী পরিকল্পনা বাদ দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বর্তমান সামরিক তন্ত্রের একেবারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানো দরকার।

কার বিচার, কিসের বিচার :
কাজেই বিচার যদি করতেই হয় তাহলে প্রথমেই বিচার করা দরকার বর্তমান রাষ্ট্রতন্ত্রের, এবং বিদ্যমান সামরিক তন্ত্রের। এ কেমন ব্যবস্থা যেখানে বিদ্যমান সামাজিক বৈষম্যের মতই তথাকথিত অফিসার এবং সৈনিক এর মর্যাদার পার্থক্য করা হয়, যেখানে অফিসার সেই দাস যুগের দাস- প্রভুর মতই সৈনিক নামের দাসের সাথে প্রতিনিয়তই অন্যায়-অত্যাচার- জুলুম- নির্যাতন চালায়? এ সামরিক তন্ত্রে তো অফিসার শ্রেণী প্রতিদিনই সৈনিকের আত্নমর্যাদাকে হত্যা করতে থাকে। তাছাড়া কি শেখানো হয় মিলিটারিতে- সন্ত্রাসবাদ না মানবিকতা? যে শিক্ষাটা তারা পায়-তার সাথে মানবাধিকার বা সভ্যতার কি কোন সম্পর্ক আছে? তার ওপর চেইন অব কম্যান্ডের স্বার্থে শুরু থেকেই স্বাধীন চিন্তা বিকাশের সমস্ত পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয় সকলের- সার্কাসের পশুর মতই চাবুকের বাড়িতে নির্দিষ্ট ধরনের নড়াচড়া ছাড়া অন্য কোন কিছু করার কোন সুযোগ নেই এখানে। রাষ্ট্রিয় নিরপত্তা রক্ষার অযুহাতে তো এভাবে স্রেফ একদঙ্গল পশু তৈরীর কারখানা চালু রাখা হচ্ছে। তার ওপর আছে সুযোগ-সুবিধার বঞ্চনা, বৈষম্য। মানবেতর জীবন যাপন। এর ফলাফল স্বরুপ পাশবিকতা বা নৈরাজ্য না ঘটাই তো অস্বাভাবিক। কাজেই বিশেষ ট্রাইবুনালে নৈরাজ্যের বিচার করার চেয়ে যে সিস্টেম/ প্রক্রিয়া এর জন্য দায়ী সেটার বিচার করা এবং সেটাকে পাল্টানো বেশী জরুরী বলে মনে করি।

তা না হলে এ ধরণের রাজনৈতিক- অর্থনৈতিক- সাংস্কৃতিক বাস্তবতা যত দিন বহাল থাকবে, ততদিনই এধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থেকে যাবে, আজকে বিডিআর করেছে, কালকে আর্মির ভেতরেই ঘটবে।

এই লেখা প্রকাশের ব্যাপারে কিছু কথা:
লেখাটা এই সামহোয়ারে পোস্ট করার কিছু পরে ড্রাফট করে রেখেছিলাম সচলায়তন ও মুক্তমানতে দেয়ার জন্য। কেননা এলিট সচলায়তনের নিয়ম অনুসারে যেকোন পোস্ট প্রথমে সচলেই প্রকাশ করতে হবে- সচলায়তনে প্রকাশের তিনদিন পরে (সচলায়তনের ১ম পাতা থেকে সরে যাওয়ার পরে) অন্য ব্লগে প্রকাশ করা যাবে। যাহোক- সেকারণে এই সামহোয়ারে বেশীক্ষণ না রেখে ড্রাফট করে সচলায়তনে দেই। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা ছাড়পত্র পায়নি।
কারণ কি?
এখানেই প্রথম প্রকাশ করেছি বলে? কিন্তু তা তো অল্প সময়ের জন্য। তা করেছি- সামহোয়ারে বাংলায় লিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি জন্য। আমার মনে হয়- সচলায়তনে এটা প্রকাশ না করার কারণ ভিন্ন।

সচলায়তনে ফারুক ওয়াসিফের পোস্টেও ( Click This Link) কিছু কমেন্ট করেছিলাম- সেগুলোও ছাড়পত্র পায়নি। সেটার কারণ কি?
হতে পারে- খুব সম্ভবত, সচলায়তন ভয় পেয়েছে!!!! (অথবা সচল কর্তৃপক্ষ এহেন সংকট মুহুর্তে বিপরীত মত শুনতে নারাজ!!!)
একই ভাবে মুক্তমনাতেও এটা প্রকাশিত হলো না- তার কারণও জানি না। তাদের ক্ষেত্রেও একই রকমের কারণের কথা মনে হচ্ছে।

আজকাল প্রেস ও টিভি মিডিয়ার ১৮০ডিগ্রী ঘুরে যাওয়া নিয়ে অনেকেই কথা বলছেন- আমার মনে হয়, ব্লগ মিডিয়ার কোন কোনটির ক্ষেত্রে একই রকম আচরণ পাওয়া যাবে।

একবন্ধু জানিয়েছিল- এসব ব্যাপারে ব্লগে মেপে কথা বলতে, অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করায় জানায়: সমস্ত মিডিয়াই আন্ডার অবজারভেশনে আছে!!!
আজ সেনাকুঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সেনা অফিসারদের দেন দরবারের অডিও শুনলাম, শুনে সেই কথাটি মনে পড়ে গেল। কোন সাংসদ সংসদে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কি বলেছে, জনতা গেটে বিডিআরের পক্ষে কি শ্লোগান দিয়েছে- সবের বিরুদ্ধেই সেনা অফিসাররা কিরকম জীঘাংসা দেখালো- মনে হচ্ছিলো- পেলে তাদের তখুনি খেয়ে ফেলবে!! (আর হাসিনা মিন মিন করে তোয়াজ করে গেল!!!!)-
মনে হচ্ছিল দেশটাকেই কোন জনসমর্থিত সরকার নয়- সেনাবাহিনীই চালাচ্ছে- মিডিয়া তো কোন ছাড়!!!

 

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: জায়াগামত হাত দিছেন, মিডিয়া না জেনে প্রথম দু'দিন ভুল করেছে। এখন আর বিডিআরের কথা বলে না।

সচলায়তন আর মুক্তমনা'র কাহিনী শুনে খারাপ লাগল, কি করবেন সবাই প্রতিষ্ঠাপন্হী। আমি যদিও ঐ দুইটায় কখনও লেখি নাই, শিনে যা মনে হয়, সা.ইন এদিক দিয়ে অনেক ভাল।
২. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: বিডিআর আর আর্মির সুযোগ সুবিধা সমান হবে কোন্‌ যুক্তিতে?আর্মির তুলনায় বিডিআর এ অনেক কম মেধার মানুষ যায়।ট্রেনিং ও তাদের কম।এখন আমার চেয়ে আমার ক্লাসের ফার্স্ট বয় বেশি বেতন পেলে তাকে মেরে ফেলা মনে হয় আমার উচিৎ হবে না।

আর অন্যায় করা হলে আপত্তি জানানোর ভাষা এই যে বউ বাচ্চা সহ শেষ করে দিবো?

আর বঞ্চনা...বিডিআর সৎ হলে সীমান্তে এত চোরাচালান হয় কিভাবে?
গার্মেন্টস শ্রমিকদের দাবি শ্রেণীচেতনা থেকেই উদ্ভূত,কিন্তু বিডিআর এ তেমন মোটিভ হলে হঠাৎ একদিন এভাবে বার্স্ট করতো না।এর পেছনে অন্য কারণ থাকার সম্ভভাবনাই বেশী।


০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: মেধা যোগ্যতা এই সব আকাশ থেকে পড়ে না। এগুলো চর্চার বিষয়। বিডিআর রা যে শ্রেণী থেকে উঠে আসে সে শ্রেণীর হাতে এসব চর্চার সুযোগ কই?
আচ্ছা ধরলাম মেধা কম কিন্তু মেধা কম হলে কি বঞ্চনার বোধ কমে যায়? একদিকে রাষ্ট্র মেধা বিকাশের সুযোগ দেবে না, আরেকদিকে তথাকথিত মেধাহীনতার কথা বলে চিরকাল পশুর মত ব্যবহার করবে, একেবারেই মৌলিক মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখবে এবং তারপর এর প্রতিকৃয়ায় যখন তাদের পাশবিকতা জেগে উঠবে তখন আবার "আপত্তি জানানোর ভাষা" নিয়ে প্রশ্ন তুলবে-- এই হলো আপনাদের মানবিকতা!

লেখাটি আবার পড়ুন। প্রশ্নটা স্রেফ বেতন কম বেশীর নয়, বিডিআর কিংবা অফিসারদের সততা/অসততার নয়। শ্রেণী বৈষম্য থেকে শ্রেণী সংঘাত, আর কোন সুনির্দিষ্ট আদর্শ বোধের অভাবের কারণে সেই শ্রেণী সংঘাত থেকে নৈরাজ্যের সৃষ্টি-- এর জন্য কোন ষড়যন্ত্রের প্রয়োজন নেই।

৩. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
উৎসমুলে যেতে হবে আমাদের....

না হালে পুনরাবৃত্তি ঘটবেই,
৪. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩১
ফালতু মিয়া বলেছেন: আজ সেনাকুঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সেনা অফিসারদের দেন দরবারের অডিও শুনলাম, কোথায় পেলেন ভাই, দয়া করে আমাদের যদি একটু শোনাতেন, খুব শুনতে ইচ্ছে করছে।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: নেন ভাই, এই লিংক থেকে একটু কষ্ট করে ডাউনলোড করে শুনেন-

Click This Link

৫. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
অদ্ভুত শূন্যতা বলেছেন: দাদা, অসাধারণ লিখেছেন। ভালো লাগলো। নিজের মধ্যে এমন কিছু ভাবনা ছিল, ছিল কিছু জিঞ্জাসা। আপনার লেখাটা অনেক যৌক্তিক। ধন্যবাদ।
৬. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪১
শন পাপড়ি বলেছেন: যত জীবিত সেনা কর্মকর্তা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন,তার অধিকাংশই বলেছেন-নিজ সেক্টরের জওয়ানই তাদের রক্ষা করেছেন।তো জওয়ানরা অন্য সেক্টরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি আবিষ্কার করলেন আর নিজ সেক্টরেরটা পারলেন না?একটু গোলমেলে লাগতেছে না?
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: বিদ্রোহটা সাধারণ ভাবে সেনাবাহিনীর অফিসার শ্রেণীর নানান অত্যাচার-নির্যাতন-বৈষ্যমের ফলে তিলে তিলে গড়া উঠা পুঞ্জিভূত শ্রেণী-ঘৃণার নির্মম বহি:প্রকাশ- দুদকের দুনীতি দমন অভিযান নয়।

আর এতে সব সৈনিকের সমান মাত্রায় অংশগ্রহন ছিল এটাও ধরে নেয়ার কোন কারণ নেই। অনেকে তীব্র ঘৃণায় যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই মেরেছে, বেয়োনেট দিয়ে খুচিয়েছে আবার কেউ কেউ মানবিকতা বোধ, কৃতজ্ঞাতা বোধ, সামন্ত্রতান্ত্রিক সম্ভ্রমবোধ, ভয় ইত্যাদি নানান বিবেচনায় কাউকে কাউকে লুকিয়ে রেখেছে, রক্ষা করেছে- এর মধ্যে গোলমেলে লাগার মত কিছু নেই।

৭. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
উৎসমুলে যেতে হবে আমাদের....

না হালে পুনরাবৃত্তি ঘটবেই,
৯. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

কার হাতে যেন ইশতেহার ছিল,লাল নয়- হলুদ।
কার চোখে যেন দূরবীণ ছিল, সোজা নয়-উল্টো করে ধরা।
কার বুকে যেন ক্ষোভ ছিল-অপ্রকাশ্য।
কার ভেতরে যেন প্রশ্নত্তোর ছিল- অব্যক্ত।

কে যেন বহুকাল আগে বলেছিলেন-
"বন্দুকের নল থেকেই রাজনৈতিক ক্ষমতা বেরিয়ে আসে"।
১০. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১১
বেছু মেম্বার বলেছেন:
দাদা কি রিপোষ্ট করেছেন?

কেন জানি মনে হইতেছে ইহা পড়ে চিলুম।
১১. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৩
বোতল কুমার বলেছেন: Star Online Report

Click This Link

The Rapid Action Battalion (Rab) today picked up a man in Bogra headquarters and seized 40 tolas of gold and Tk 3 lakh from his possession.

Held Nannu Miah is the father of BDR soldier Abdur Rahman who allegedly fled BDR headquarters with the money and ornaments looted from the officers and their relatives during the Pilkhana massacre.

Being tipped off, a Rab team raided the house of Rahman at Kalikabari village in Sadar upazila and held Nannu Miah.

Abdur Rahman reported back to duty at the BDR headquarters following the home ministry's directive on February 28.

According to his information, the elite crime busting force recovered the looted gold ornaments, money and a watch from a paddy field, adjacent to his house.
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: এটাও নৈরাজ্যেরই একটা রুপ- কেউ খুন করছে, কেউ ভাংচুর করছে- কেউ লুটপাট করছে...

১২. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪২
আজমান আন্দালিব বলেছেন: এদের সবাই কে খুজে খুজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে, দৃষ্টান্তু স্থাপন করতে হবে যেন ভবিষ্যতে এরকম আর না ঘটে।
...সহমত
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: শুধু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলেই এর পুনারবৃত্তি ঠেকানো যাবে না।
সে জন্যই বলার চেষ্টা করেছি:

‍"কাজেই বিশেষ ট্রাইবুনালে নৈরাজ্যের বিচার করার চেয়ে যে সিস্টেম/ প্রক্রিয়া এর জন্য দায়ী সেটার বিচার করা এবং সেটাকে পাল্টানো বেশী জরুরী বলে মনে করি।

তা না হলে এ ধরণের রাজনৈতিক- অর্থনৈতিক- সাংস্কৃতিক বাস্তবতা যত দিন বহাল থাকবে, ততদিনই এধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থেকে যাবে, আজকে বিডিআর করেছে, কালকে আর্মির ভেতরেই ঘটবে।"

১৩. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
যুধিষ্ঠির বলেছেন: আির্মকে দেখতে না পারলেও বলব গাড়ি ভাঙা আর মানুষ মারা এক নয়।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: এ লেখার কোথাও সেটা বলার চেষ্টা করা হয়নি। নৈরাজ্যের পরিপ্রেক্ষিত এবং তার নির্বিচার ধ্বংসাত্মকতার বিষয়ে রাষ্ট্রের প্রতিকৃয়ার সাধারণ বা কমন দিক এবং তার অসরতা বোঝানোর জন্যই গার্মেন্টস শ্রমিকের বিষয়টি আনা হয়েছে।

১৪. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৭
অন্তু বলেছেন: নাহ এ হত্যাকে কোন মোড়কেই মেনে নাওয়া কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
১৫. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: হ্যাঁ ভাই।যারা কমিউনিস্ট না,তাদের আবার মানবিকতা কিসের?

বিডিআর বঞ্চনা আর গার্মেন্টস শ্রমিক বঞ্চনা এক না।আর দাবি আদায় এর নামে মানুষ খুন করে পানির ট্যাংক দিয়ে ছেড়ে দেয়াাটা সাপোর্ট না করাটাই আমাদের মানবিকতা।

আমাদের মতো একটা দেশে হঠাৎ করে সবাই সমান সুযোগ পাবে,যতোদিন না পাবে তদ্দিন সিরাজ সিকদার এর নীতি মানতে হবে....!!!

ইস্যুটাকে যে যার মতো ব্যবহার করছে,বামপন্থী রাও ব্যতিক্রম না।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: নৈরাজ্য হঠকারীতা ইত্যাদি মানার কথা বলার চেষ্টাও করা হয়নি এখানে- শুধু মাত্র প্রেক্ষাপটটা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

আপনি বোধহয় দুই লাইন বেশী বুঝে ফেলেছেন!!!

১৬. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪২
মেঘ বলেছেন: যারা মানুষ মারে দাবী আদায়ের নামে তাদের কোন ক্ষমা নেই। তাদের পক্ষে যারা সাফাই গায় তাদেরও ক্ষমা নেই। যারা ধর্মের নামে মানুষ মারে তাদেরও ক্ষমা নেই। যারা তাদের হয়ে ব্লগ লিখে বাক্‌স্বাধীনতা সুযোগের অপব্যবহার করে তাদের জন্য একরাশ ঘৃণা এবং তাদের অমানবিক জ্ঞানচর্চার জন্য তাদেরকে জ্ঞানপাপী ডেকে করুণা প্রদর্শন।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: যারা স্রেফ উপরে উপরে বুঝে অযথাই দোষ চাপায় তাদের জন্য করুণা!

১৭. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
সামিউল জাহান বলেছেন: আমি একবারো ভেবে পাইনা চোর, খুনি-র জন্য এতো পরান কান্দে কেন? আরামেতো আছেন , দেশের সারবভৌমোত্ব নিয়ে আপনাদের চিন্তা করতে হয় না। এতো কর্মকর্তা মারা গেলো, আপনার কিছুই মনে হচ্ছে না? বুদ্ধিজিবি!
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: দেখতেই তো পাচ্ছেন কেমন আরামে আছি- রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের চিন্তা পশু তৈরীর একটা প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্পন করে!

১৮. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
মনির হাসান বলেছেন: আচ্ছা তর্কের খাতিরে ধরা যাক, একজন দিয়াশ্লাইয়ের কাঠিটি জ্বালিয়েছে এবং বারুদের স্তুপের উপর ছুড়ে মেরেছে ... তাতেই এক ভয়াবহ বিস্ফোরন

পক্ষপাতে দুষ্ট মাধ্যম, এবং মাধ্যম প্ররোচিত এই "আমি আর্জেন্টিনা তুমি ব্রাজিল" - জনতা সবার নজর কেন শুধু ঐ দিয়াশ্লাই ছোড়া মানুষের দিকে ... ক্যানো যারা দিনের পর দিন বারুদ জমিয়েছে .. বারুদের চর্চা করেছে .. বারুদ যত্ন করে পুষেছে ...

প্রলয় বিস্ফোরনের দায় তারা এড়ায় কিভাবে ?

ওকে .. এড়িয়ে যাও ..
তবে সাবধান থেকো .. আরেকটা বারুদ স্তুপ , আরেকটা প্রলয় নিকট ভবিষ্যতে তোমার সামনে পড়বেই ..
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: তুলনা টা দারুণ দিয়েছেন। ধন্যবাদ।

১৯. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: হুম্‌ .....যা বলার মেঘ আপু বলে ফেলছেন।আমার জন্য বাকি রাখেন নাই।

প্রেক্ষাপট এতো শক্ত হলে সোনার নেকলেস নিয়ে পালাতো না .....আপনাদের অবশ্য বলে লাভ নাই।


০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: প্রেক্ষাপট নির্মম বলেই এর প্রতিকৃয়া আরো নির্মম, বিশৃংখল, অমানবিক।

২০. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৩
মেঘ বলেছেন: আপনার পরিবারের কেউ মারা গিয়েছে?? যার লাশটা পোড়ানো??দাঁত রাইফেলের বাঁট দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা??গায়ে বেয়নেটের দাগ??আমি জানি যায়নি।
আমার গেছে।
আমার তিনজন কাছের মানুষ চলে গেছে।
লজিক কপচানো খুব সহজ।
লজিক দিয়ে ১১বছরের এতিম বাচ্চার বাবাকে আনা যায় না, ৩৫ বছরের বিধবা নারীকে তার স্বামী ফিরিয়ে দেয়া যায় না।
যে সন্তান তার বাবা মা ২জনকে হারিয়েছে তাদের বেদনা তিরোহিত হবে না লজিক দিয়ে।
আপনার লজিক আপনি বালিশের ভেতর রেখে আপাতত ঘুমান। না হলে আরো কঠোর মন্তব্য করতে বাধ্য হব
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার বা কারোরই স্বজন হারানোর বেদনা বোধকে খাটো করে দেখার কোন উদ্দেশ্য আমার নেই। আমি শুধু প্রেক্ষাপটের দিকে আঙুল তুলে বলতে চেয়েছি--

এ নির্মমতার স্থায়ী সমাধান যদি করতে চাই, যদি মনে করি সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে এরকম ঘটনা যেন না ঘটে তার পাকাপাকি ব্যবস্থা আমরা করবো, তাহলে এই সব ফালতু ষড়যন্ত্রের থিওরী বাদ দিয়ে, সামরিক প্রতিহিংসায় উন্মাদ সামরিক এলিটিসিজম কে তুষ্ট করার ভয়ংকর আত্মবিধ্বংসী পরিকল্পনা বাদ দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বর্তমান সামরিক তন্ত্রের একেবারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানো দরকার।

আপনি সে বিষয়টি না বোঝার চেষ্টা করে বৃথাই কঠোর মন্তব্য করার হুমকী দিচ্ছেন।

২১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৬
মনির হাসান বলেছেন: মেঘ আপু শান্ত হোন ..
বিচার দাবী করুন .. প্রতিশোধকে উৎসাহ দিয়েন না প্লীজ ?

আমরা এমনিতেই অনেক হারিয়েছি ।
২২. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

একটা গল্প মনে পড়ে গেল মনির। (সংক্ষিপ্ত)

"বাবার ইচ্ছা মেয়ে সিনেমায় রোল করুক। গ্রামে স্যুটিং করতে এসেছে সিনেমা বানিয়েরা। বাবা তাদের নেমন্তন্ন করলেন। মেয়ে এটা সেটা বলে বোঝাল,সে খুব সিনেমা বোঝে। এক সময় পরিচালক বিরক্ত হয়ে বললেন- একটা রোল আছে, পতিতার, করবেন? সাথে সাথে বাবা পরিচালককে না খাইয়েই বের করে দিলেন।"

মধ্যবিত্ত সুবিধাবাদী মানসিকতায় আমরা এক একটি সেই মেয়ের বাবা!
২৩. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
সমাজ্ঞী বলেছেন: "যত দ্রুত সম্ভব বর্তমান সামরিক তন্ত্রের একেবারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানো দরকার" - এই কথাটার মানে কী?
কখনও কুন দিন, কোন এক বিপ্লবের অপেক্ষায় বসে থাকা ছাড়া তাহলে আপাতত বসে বসে আপনার ব্লগ পড়া ছাড়া কোন কাজ নাই দেখা যাচ্ছে।

"গণবিচ্ছিন্ন প্রতিটি বুর্জোয়া সরকারই ক্ষমতার মসনদ শক্ত রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে তোয়াজ করে আসছে" - একটু আগে যে "সামরিকতন্ত্র" না কী যেন বললেন ওটা তাহলে কী? সামরিকতন্ত্রের মানে কী তাহলে সশস্ত্র বাহিনী? নাকি সামরিকতন্ত্র মানে বুর্জোয়া সরকার? তাইলে আবার বুর্জোয়া সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তোয়াজ করতাছে - এইটা আবার কোন মানে হইল? না মাথা আউলাইলা গেল! নাকি নিজের আউলান মাথা দিয়া আমাদেরও আউলাতে এই পোষ্ট দিছেন।

"তাছাড়া কি শেখানো হয় মিলিটারিতে- সন্ত্রাসবাদ না মানবিকতা? যে শিক্ষাটা তারা পায়-তার সাথে মানবাধিকার বা সভ্যতার কি কোন সম্পর্ক আছে?" - কন তো দেখি কী কথা কইলেন!
---- বুশের কল্যাণে সন্ত্রাসবাদ এর বহু সংজ্ঞা শুনছি এমন এই পেতথম শুনলাম। ব্যপক মজা পাইছি। থ্যঙ্কু। একটা যুদ্ধ বিরোধী গন্ধও নাকে লাগছে। মিলিটারিকে যুদ্ধ (আপনার ভাষায় "সন্ত্রাসবাদ") এর বদলে মানবিকতা শিখাইলে মিলিটারি কি শত্রুর সাথে মানবিকতা দেখাইব? আরে, এতো তো মার খেয়ে মরব! মার খেয়ে মরবার জন্য সেনাবাহিনী গড়ার দরকার কী - এ তো বুঝলাম না।
মিলিটারি মানে শত্রু-মিত্র জানি, রাষ্ট্রের শত্রু-মিত্র বুঝি। মিলিটারি রাষ্ট্রের শত্রুকে মারবে, এক্কেবারে কোতল করবে - এই হলো আমার সোজাসাপ্টা বুঝ। তয় মারতে গিয়ে ভুলে বিপদ না ঘটে এজন্য যুদ্ধের নিয়ম জানার দরকার আছে। নাইলে যুদ্ধাপরাধের দায়ে পড়ব। যুদ্ধাপরাধের আইন-কানুন ভালো করে শিখানোর দরকার। কেয়াল কইরেন, এটা কিন্তু মানবিকতা শিখানোর কথা কই নাই। দেশের নাগরিক নিয়ে কাজ করে পুলিশ ওখানে এর দরকার থাকতে পারে।

দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্র, ক্ষমতা এসব নিয়ে বোলচাল করার শখ হয়েছে আপনার বটে অথচ ক্ষমতা জিনিষটাই বলপ্রয়োগের ব্যাপার এই গোড়ার কথাটাই শিখেনি।। এজন্যই মানবিকতা প্রয়োগ করে কেউ কোনদিন ক্ষমতা দখল করেছে অথবা দখল করা ক্ষমতা মানবিকতা প্রয়োগ করে শত্রুর হাত থেকে রাষ্ট্রে রক্ষা করতে পেরেছে - এমন কথা কেউ শুনে নি।

আপনি মুখে বিপ্লবের ফানুস উড়াচ্ছেন আবার দাবি করছেন, লক্ষ্য জানাইছেন - মানবাধিকার বা সভ্যতা কায়েম কর‌বেন। ওদিকে বুর্জোয়া বলে এই সরকারকে গালিও দিতেছেন। তলায় হাত দিয়ে দেখেন- বিপ্লব চাইছি ভেবে মানবাধিকার বা সভ্যতার ঢোল পিটালেও ওটা বুর্জোয়া দাবিই। যে বুর্জোয়া দাবি বুর্জোয়ার মুখ থেকে শুনি তাঁর সাথে হাত মিলানো জায়েজ। কিন্তু নকল বিপ্লবী সাথে না। কারণ, এরা না বুঝে বুর্জোয়া না বুঝে বিপ্লব।

চিন্তার আবর্জনা আগে সাফ করেন। এর পর সেনাবাহিনী, ক্ষমতা বা রাষ্ট্র এসব নিয়ে কথা কইয়েন।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: @সমাজ্ঞী
"যত দ্রুত সম্ভব বর্তমান সামরিক তন্ত্রের একেবারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানো দরকার" - এই কথাটার মানে কী?
কখনও কুন দিন, কোন এক বিপ্লবের অপেক্ষায় বসে থাকা ছাড়া তাহলে আপাতত বসে বসে আপনার ব্লগ পড়া ছাড়া কোন কাজ নাই দেখা যাচ্ছে।

>>এক বার মানে জিজ্ঞাসা করেন আবার নিজেই মানে বুঝে সিদ্ধান্ত দিয়ে ফেলেন।ভালো সিস্টেম। তারপরেও দেখেন আমার ‌'মানে'র সাথে একমত হতে পারেন কিনা!

সমাজতন্ত্রীরা খুব ভালো করেই জানে বুর্জোয়া সিস্টেমের সমস্যা সমাজতন্ত্র ছাড়া পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়, সেকারণেই তারা বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কথা বলে। কিন্তু তার মানে এই নয় তারা চলমান সংকটের চুপ করে বসে থাকে। বৈপ্লবিক পরিবর্তনের এই আকাংখা জাগানোই আমার মূল কথা।


উদ্ধৃতি:
"গণবিচ্ছিন্ন প্রতিটি বুর্জোয়া সরকারই ক্ষমতার মসনদ শক্ত রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে তোয়াজ করে আসছে" - একটু আগে যে "সামরিকতন্ত্র" না কী যেন বললেন ওটা তাহলে কী? সামরিকতন্ত্রের মানে কী তাহলে সশস্ত্র বাহিনী? নাকি সামরিকতন্ত্র মানে বুর্জোয়া সরকার? তাইলে আবার বুর্জোয়া সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তোয়াজ করতাছে - এইটা আবার কোন মানে হইল? না মাথা আউলাইলা গেল! নাকি নিজের আউলান মাথা দিয়া আমাদেরও আউলাতে এই পোষ্ট দিছেন।

>> আমার লেখায় কোথায় পাইলেন শুধু বুর্জোয়া সরকার কিংবা শুধু সামরিক বাহিনী কে আমি সামরিক তন্ত্র বলেছি? মাথা কার আউলাইছে?
বুর্জোয়া রাষ্ট্রের মধ্যে বুর্জোয়া সরকার এবং সামরিক বাহিনীর পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠা সামরিক তন্ত্রের বাস্তবতাই হলো একে অপরকে তোয়াজ করে চলা। এদের মধ্যে আবার দ্বন্দ্ব সংঘাত নাই ব্যাপারটা এরকম নয়, কিন্তু শ্রেনী স্বার্থের দিক থেকে এরা একই শ্রেণীর প্রতিনিধ্ত্বি করে।

.................................
উদ্ধৃতি:
"তাছাড়া কি শেখানো হয় মিলিটারিতে- সন্ত্রাসবাদ না মানবিকতা? যে শিক্ষাটা তারা পায়-তার সাথে মানবাধিকার বা সভ্যতার কি কোন সম্পর্ক আছে?" - কন তো দেখি কী কথা কইলেন!
---- বুশের কল্যাণে সন্ত্রাসবাদ এর বহু সংজ্ঞা শুনছি এমন এই পেতথম শুনলাম। ব্যপক মজা পাইছি। থ্যঙ্কু। একটা যুদ্ধ বিরোধী গন্ধও নাকে লাগছে। মিলিটারিকে যুদ্ধ (আপনার ভাষায় "সন্ত্রাসবাদ") এর বদলে মানবিকতা শিখাইলে মিলিটারি কি শত্রুর সাথে মানবিকতা দেখাইব? আরে, এতো তো মার খেয়ে মরব! মার খেয়ে মরবার জন্য সেনাবাহিনী গড়ার দরকার কী - এ তো বুঝলাম না।

>> ও আচ্ছা, তালেবান করলে সন্ত্রাসবাদ, মাওবাদী গেরিলার করলে সন্ত্রাসবাদ আর বুশীয় সেনাবাহীনি করলে সেটা যুদ্ধ। ভালোই তো দেখছি ধোলাই হয়েছে আপনার মগজ! মিলিটারী যখন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করে যখন অপারেশন ক্লিন হার্ট চালায়, যখন পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার নামে গণহত্যা চালায় তখন সেটাকে আপনি যুদ্ধ বলতে পারেন, আমি পারিনা।

........................................।
উদ্ধৃতি:
মিলিটারি মানে শত্রু-মিত্র জানি, রাষ্ট্রের শত্রু-মিত্র বুঝি। মিলিটারি রাষ্ট্রের শত্রুকে মারবে, এক্কেবারে কোতল করবে - এই হলো আমার সোজাসাপ্টা বুঝ। তয় মারতে গিয়ে ভুলে বিপদ না ঘটে এজন্য যুদ্ধের নিয়ম জানার দরকার আছে। নাইলে যুদ্ধাপরাধের দায়ে পড়ব। যুদ্ধাপরাধের আইন-কানুন ভালো করে শিখানোর দরকার। কেয়াল কইরেন, এটা কিন্তু মানবিকতা শিখানোর কথা কই নাই। দেশের নাগরিক নিয়ে কাজ করে পুলিশ ওখানে এর দরকার থাকতে পারে।

>> ব্যাপার যত সোজাসাপ্টা ভাবতাছেন ততটা সোজাসাপ্টা তা না। যার প্রমাণ মিলিটারির ভেতরকার বিদ্রোহ, বিপ্লব, ষড়যন্ত্র, ক্যু ইত্যাদি। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে যাদের পশু বানাবেন, তারা যে কেবল বহি:শত্রুর বিরুদ্ধে সেই পশুত্বের প্রয়োগ করবে আর দেশের মানুষকে খালি কোলে তুলে চুমু খাবে, দেশের ভেতরে তার প্রয়োগ ঘটাবেনা তার নিশ্চয়তা দেবে কোন পশু শক্তি? আপনি নাকি?

শুধু মানবিকতা শেখানোর কথা আমিও বলি নাই। আমি যেইটা বলতে চেয়েছি তা হলো মানবিক বোধ বিবর্জিত একটা বাহিনী যখন অমানিবক কাজ-কর্ম শুরু করে, তখন অমানিবিক অমানিবক বলে গালাগালি না করে যে পদ্ধতি এর পেছনে দায়ী সেটাকে পরিবর্তনের কথা বলা দরকার, সেটা পরিবর্তনের সংগ্রামে সামিল হওয়া দরকার।

..........................
উদ্ধৃতি:
আপনি মুখে বিপ্লবের ফানুস উড়াচ্ছেন আবার দাবি করছেন, লক্ষ্য জানাইছেন - মানবাধিকার বা সভ্যতা কায়েম কর‌বেন। ওদিকে বুর্জোয়া বলে এই সরকারকে গালিও দিতেছেন। তলায় হাত দিয়ে দেখেন- বিপ্লব চাইছি ভেবে মানবাধিকার বা সভ্যতার ঢোল পিটালেও ওটা বুর্জোয়া দাবিই। যে বুর্জোয়া দাবি বুর্জোয়ার মুখ থেকে শুনি তাঁর সাথে হাত মিলানো জায়েজ। কিন্তু নকল বিপ্লবী সাথে না। কারণ, এরা না বুঝে বুর্জোয়া না বুঝে বিপ্লব।

>> মানবিকতা, মানবাধিকার, সভ্যতা এই গুলো বুর্জোয়াদের বাপদাদার সম্পত্তি না? সমাজতন্ত্রীরা মনে করে এই সব বুর্জোয়ামানবিকতা বুর্জোয়াদের চাপাবাজি, চাইলেও তারা তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারবেনা। এই অর্থে তার বুর্জোয়া মানবিকতার বিরোধীতা করে, কিন্তু বিপ্লব চাইছি বলেই সমাজতন্ত্রীতারা মানবিকতা, সভ্যতা এইসব বাদ দিয়ে দেয় না বরং সমাজতন্ত্রীরা আরও উন্নত মানবিকতার কথা বলে যার নাম- সর্বহারা মানবিকতা- যে মানবিকতা কেবল ফাকা বুলি কপচায় না বরং শ্রেণী-শোষণহীন সমাজব্যবস্থার মাধ্যমে সত্যিকারের মানবিকতার কথা বলে।

শুধুমাত্র দুচার-লাইন বিপ্লবী বুলি পড়লেন আর বলে দিলেন "মানবাধিকার বা সভ্যতার ঢোল পিটালেও ওটা বুর্জোয়া দাবিই"। আপনি তো দেখি মহাবিপ্লবী!!

.................
উদ্ধৃতি:
চিন্তার আবর্জনা আগে সাফ করেন। এর পর সেনাবাহিনী, ক্ষমতা বা রাষ্ট্র এসব নিয়ে কথা কইয়েন।
>> আমিও তাই বলি!

২৪. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৫১
সমাজ্ঞী বলেছেন: আপনি কি লাড়তে কি লেড়েছেন গো? ক্ষমতা, সেনাবাহিনী -এসব লিয়ে আপনি লাইড়েন না তো। নাইলে অর্থনীতি নাকি বুঝেন বলে ব্লগে একটা ইজ্জত আছে - ওটাও হারাইবেন। সুময়টাও ভাল না।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: সুময়টা ভাল না বইলা কি থ্রেট দিবার চাইলেন নাকি? ঐসব ধান্দা বাদ দেন। আর ইজ্জতের চিন্তা করিনা।

অর্থনীতি বলেন আর ক্ষমতা, সেনাবাহিনী, রাজনীতি যাই বলেন- কোনটাই ঠিকমত বুঝি না। তয় সবগুলাই বুঝবার চাই- কারণ এইটুকু বুঝি একটা আরেকটার থেকে বিচ্ছিন্ন না।

২৫. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
বিষাক্ত আলো বলেছেন: ফার্স্ট বয়, মেধা...হা হা হা, ভালো বলেছেন বস। @একলব্য

ভালো লিখেছেন কল্লোল দা।
২৬. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: @ বিষাক্ত আলো , আমি যা বলতে চেয়েছি তা খুব সাধারণ।এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আপনি যদি রেজাল্ট দেখেন তবে দেখবেন ভালো বিষয়ের ভালো রেজাল্টগুলো কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ।এর মানে কী মফস্বলের অনেক শিক্ষার্থী ই মেধাহীন?
অবশ্যই না।সুযোগ এর অভাব ই কারণ।একমাত্র কারণ।
কিন্তু আমরা বলি না যে এদের উচিত এজন্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে কার্জন হলের পুকুরে নটরডেম/ভিএনসি এর পোলাপান দের ডুবিয়ে দেয়া...পারি না ...
অন্যায় কে অন্যায় দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টাকে ভার্চুয়ালী তাই পিঠ চাপড়াচ্ছি না।


কল্লোল ভালো লেখেন সন্দেহ নেই। তবে হঠাৎ "বর্তমান সামরিক তন্ত্রের একেবারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানো দরকার" এ চিন্তা আমাদের ধ্বংস ছাড়া কিছু দিবে না।

যুক্তি বুঝে বিদ্রুপ করুন।না বুঝে মন্তব্য করার প্রথা বাদ দিন।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: @একলব্যের পুনর্জন্ম
আপনি শুরু থেকেই অপ্রাসংঙ্গিক তুলনা করছেন। একবার মেধাবী-অমেধাবী প্রসংগ আমদানী করেছেন, আরেকবার মফস্বলের ছাত্রকর্তৃক নটরডেমের ছাত্রদের ডুবিয়ে মারা উচিত হবে কি হবেনা সে প্রসংগের অবতারণা করেছেন। আপনি বোধহয় আমার প্রসংগটি ঠিক ধরতে পারছেনা।

এখানে কোনটা উচিত কোনটা অনুচিত- এই উপদেশ বাণী বর্ষণ করা হয়নি বরং কোনটা ঘটে, কেন ঘটে তার বাস্তবতা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

না বুঝে মন্তব্য কে করছে?

২৭. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
মনির হাসান বলেছেন: মনজু ভাই ... আসলেই আমরা .. এক একটি মোটা দাগে সেই মেয়ের বাবা !

২৮. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: বিষাক্ত আলো কে বিনীত ভাবে সম্রাজ্ঞী এর লেখা পড়ার অনুরোধ করছি এবং অবশ্যই পড়ার
আগেই কল্লোলদা যেহেতু লিখেছেন ঠিক ই লিখেছেন তাই উনি নিশ্চয়ই হাস্যকর কিছু ভুল করছেন-এই কথাটা ধরে না নেয়ার ততোধিক বিনীত অনুরোধ করছি।
২৯. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
আমারব্লগ.কম (http://www.amarblog.com) এ আপনি পোস্ট করতে পারেন।

এখানে কোনো মডারেশন নাই। নিশ্চিন্তে লিখে যান।
৩০. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
মেঘ বলেছেন: কিসের প্রেক্ষাপট??
মুক্তবাজার অর্থনীতি আর বৈশ্বিক ক্যাপিটালিজমে দারিদ্র্যের প্রান্তসীমায় মানুষ বাস করবেই। বঞ্চনা থাকবেই। আমার বাসাতে আমি সবার চাইতে যোগ্য হয়েও বেতন সবচাইতে কম পাই। আমি কি করব?? আমার ২ভাইকে মেরে ফেলব?? বঞ্চিত এইটা ভেবে?? ফাউল টক এক্কেরে ভাল্লাগে না কইলাম কিন্তুক।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: কে কার ভাই? ভাই মারার কথা কে কইল?
ফাউলটক আমারও একদম ভাল্লালাগেনা।

৩১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: মেঘ আপু, মাইরা ফেলান বস।সেইটা জায়েজ করতে আমরা এইরকম একটা পোস্ট দিবো।
হাততালি দেয়ার জন্য বিষাক্ত আলোরাও রেডি আছে।
জলদি করেন।
৩২. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৭
বিষাক্ত আলো বলেছেন: @একলব্য, মজা পাইছি বস আপনার রিয়াকশনে...

আমার মন্তব্যের জবাবটা দেখে যা উওর দেব ভেবেছিলাম তা আর দেয়ার প্রয়োজন মনে করছি না। আপাতত আপনার রিয়াকশনকে হাহতালি দিচ্ছি।

তবে একটা কথা না বললেই নয়, "যুক্তি বুঝে বিদ্রুপ করুন।না বুঝে মন্তব্য করার প্রথা বাদ দিন।"
৩৩. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: @ বিষাক্ত আলো,হাততালিটা আমার দরকার নাই।যাদের দরকার তাদের দেন।

বিদ্রুপ কে কাকে করছে উপরে ব্যাখ্যা আছে।
৩৪. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
গাজী সালাহউদ্দিন বলেছেন:
.......বাংলাদেশে সেনা-বাহিনী দরকার আছে , তবে তাদের জমিদারী ভাবটা দূর করতে হবে ।

....আবার সাধারণ জনগণেরও বুঝতে হবে তারা সেনা , সিভিল নয়..সুতারাং তাদের আলাদা মর্যাদা আছে ।

....এ দুয়ের ব্যালেন্স ছাড়া....সমন্বয় এবং সমাধান সম্ভব নয় বলে আমি মনে করি ।

.........তবে এ বিদ্রোহের পিছনে শুধু বন্চনা না ষড়যন্ত্রও আছে...কাজের নমুনা-ই তা প্রমাণ করে । ধন্যবাদ ।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: কোন একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তাতে ষড়যন্ত্র আছে কি নাই নাই এ কথা হলফ করে কেউ ই বলতে পারে না। আমরাও এখানে কোন হলফ করছি না। আমরা যা বলতে চাইছি তা হলো যে ধরণের ঘটনা ঘটেছে সেরকম নৈরাজ্য ঘটবার জন্য ষড়যন্ত্র থাকতেই হবে- এ ধরনের ধারনার/প্রচারণা/বক্তব্যের একটা রাজনৈতিকতা আছে যা শোষণ-বঞ্চণা-বৈষম্যের পরিবেশকে আড়াল করতে চায়। আমরা বলতে চাইছি শোষণ-নির্যাতন-বঞ্চণার পরিবেশ বজায় থাকলে কোন ষড়যন্ত্র ছাড়াই এধরণের কিংবা এর চেয়ে ভয়ংকর ঘটনা ঘটাটা অস্বাভাবিক নয়।

৩৫. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: রাজনীতির উদ্দেশ্য মানুষকে উজ্জীবিত করা,না? উত্তরগুলো দেয়া উচিত ছিলো,অন্তত: সম্রাজ্ঞী এরটা।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: মাঝখানে এই লেখাটা ঠিক খেয়াল করিনাই। তাই ২৩ নম্বর মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরী হলো। উপরে আছে। কষ্টকইরা পইড়া দেখেন তো মন মতো হইছে কিনা!

৩৬. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
ধানসিঁড়ির ডাহুক বলেছেন: মেঘ বলেছেন: যারা মানুষ মারে দাবী আদায়ের নামে তাদের কোন ক্ষমা নেই। তাদের পক্ষে যারা সাফাই গায় তাদেরও ক্ষমা নেই। যারা ধর্মের নামে মানুষ মারে তাদেরও ক্ষমা নেই। যারা তাদের হয়ে ব্লগ লিখে বাক্‌স্বাধীনতা সুযোগের অপব্যবহার করে তাদের জন্য একরাশ ঘৃণা এবং তাদের অমানবিক জ্ঞানচর্চার জন্য তাদেরকে জ্ঞানপাপী ডেকে করুণা প্রদর্শন।
৩৭. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: @বিষাক্ত আলো লেখা ছিলো,না? আপনি মনে হয় দেখেননি।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: দেখেছি, দেখেই মনে হলো কথাগুলো বলা দরকার।

৩৮. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: হ্যাঁ,এখানে ষড়যন্ত্র খোঁজা রাজনৈতিক,তেমনি না খোঁজাটাও।

আমি কেবল ষড়যন্ত্র নেই এটা প্রমাণ করে ১০০ জন বিডিআর এর জন্য ১০০০০ জনের মৃত্যু চাই না।

যাই হোক,আপনাকে বলে লাভ নেই।

ভালো থাকুন।



৩৯. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আচ্ছা।সেক্ষেত্রে কথার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণের দায় বর্তায়।

সুযোগ এর অভাব নিয়ে কথা বলছিলাম।যে সুযোগ পেয়ে নটরডেম এর ছেলে পাশ করে,একই
সিলেবাসে তার কিছুই না শিখে গৌরনদী সরকারি কলেজ থেকে পাশ করা ছেলেটিকে পরবর্তীতে প্রথমজনের সাথে লড়াই করতে হয়।উচ্চশিক্ষায় ভালো রেজাল্ট তাই কিছু নামকরা কলেজ থেকে আসা ছেলে মেয়েদের মধ্যে সীমাবদ্ধ।এবং কোন এক নির্বুদ্ধিতায় আমরা তাদের "গাইয়া" বলি।
এই আমি বাপের হোটেলে খেয়ে পরীক্ষা দিই।আর অনেকেই আছে পার্টটাইম করে বাড়িতে টাকা পাঠাতেও হয়।শেষে তুলনায় তার অবস্থান পিছিয়ে যায়,গেলে বেশী সুবিধা পাচ্ছি বলে কী আমার উপরে তার আক্রোশ থাকাই স্বাভাবিক না?এজন্য দু একটা লাশ ফেলা গ্রহণযোগ্য না।

এই হত্যাকাণ্ডে সুযোগ না পাওয়ার কারণ হতে পারতো প্রধান।কিন্তু সত্য হচ্ছে এটা হয়নি।

আর বিপ্লব....যে দেশে এখনো ফিউডালিজম আর লুটপাট এর পুঁজিবাদ দুটোর মাঝে দুলছে-এখন সেখানে এই চিন্তা আমার কাছে ইউটোপিয়া।

আমি বোকা মানুষ।অপ্রাসঙ্গিক মনে হলে দুঃখিত।কমেন্ট মুছে দিতে পারেন।





৪০. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আমরা কেন দাবি আদায়ের জন্য মানুষ মারাকে সমর্থন করতে পারছি না? ২৮ এ অক্টোবরে রাস্তায় পিটিয়ে মানুষ মারা কি আমরা সমর্থন করি নি? বি.ডি.আর এর ঘটনায় উভয় পক্ষে অস্রধারী লোক ছিল তাই খুনা-খুনি একটু বেশী হয়েছে। ২৮ এ অক্টোবরে অস্র ছাড়া শুধু লগি-বৈঠা দিয়ে আমরা ৬ জনকে সাপেরমত পিটিয়ে মেরেছি, সেদিন যদি বি.ডি.আর জওয়ানদেরমত মেশিনগান হাতে থাকত তাহলে নি:সন্দেহে ৬০০ বা ৬০০০ মেরে ফেলতে পারতাম। অথচ কেউ সেটার নিন্দা পর্যন্ত করল না। কেন? আর এখন মাত্র অর্থশত সেনা অফিসারের জন্য এত মায়া!!

২৮সে অক্টোবরের হত্যাকান্ড সমর্থনযোগ্য করার জন্য নিহতদের গায়ে রাজাকারের লেভেল লাগিয়েছিলাম, ক্রস ফায়ারের মৃত্যুকে সমর্থন করার জন্য সন্ত্রাসী লেবেল লাগিয়েছি, রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করার জন্য দুর্নিতিবাজ লেভেল লাগিয়েছি, আজকে না হয় শোষক, নির্জাতক ইত্যাদি লেভেল লাগাব - এ'কাজে তো আমরা অভ্যস্ত তাই না। আপনারা কেন যে এই বিভিন্ন লেবেল লাগিয়ে হত্যাকান্ড সমর্থনের খেলাটা ভুলে গেলেন!!!! আফসুস!!! নাকি সেনাবাহিনীর ভয়ে কাবু হয়ে পরেছেন?????????
৪১. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৯
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: @ কাঙাল মুরশীদ,এইখানে কোথাও আওয়ামী বা বিএনপি এর ঢোল পিটানো হয় নাই।
৪২. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:২২
বিগব্যাং বলেছেন: দীর্ঘদিনের শোষন-বঞ্চনার প্রতিবাদে একটা পর্যায়ে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে অর্ধসঙ্গঠিত বা অসঙ্গঠিত হয়ে রাস্তায় নামেন...তখন এই ব্যাপারটাকেই মালিকরা এক ঢিলে একাধিক পাখি শিকারের কাজে লাগান...রাস্তার ওই হাজার হাজার শ্রমিকের মধ্যে মালিকপক্ষ্যের কিছু ভাড়াটে গুণ্ডা ঢুকে পড়ে...তারা পরিকল্পিতভাবে গাড়ী ভাংচুর আর লুটতরাজে নেমে পড়ে (বুঝে না বুঝে শ্রমিকদেরও একটা অংশ এটাতে যোগ দেয়)... অর্ধসঙ্গঠিত বা অসঙ্গঠিত গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মালিকদের এই কৌশল অধিক ব্যবহৃত এবং কার্যকর...এতে করে সবচে বড় যে উপকারটা হয়, সেটা হল পরদিন প্রথমালো টাইপের ভদ্রলোকদের পত্রিকায় কোনো ভদ্রমহিলার হাতজোড় করা ছবি ছাপা হয়; যিনি করুণভাবে অনুরোধ করার পরও বর্বর শ্রমিকরা তার গাড়ী ভাঙ্গছে...আমরা, সারাদেশের নগুরে পত্রিকাপড়ুয়া ভদ্রলোকেরা, এইসব বর্বরতা আর তাণ্ডব দেখে ওইসব হিংস্র আর নিষ্ঠুর শ্রমিকদের প্রতি ঘৃণায় শিউরে উঠি...দ্বিতীয় যেটা ঘটে, এইসব হট্টগোলের ফাকে, হাতে গোণা যে কয়েকজন শ্রমিক নেতৃত্ব দেয়ার সামর্থ্য রাখেন, তাদেরকে গুম করে ফেলে...মালিক সরাসরি যে উপকারটা পান সেটা হল, এই অরাজকতার কারণে কিছুদিনের জন্য গার্মেন্টস বন্ধ করে দেন...ফলে বকেয়া বেতনের আশায় কিছুদিন বন্ধ গেটের কাছে ভিড় করলেও একটা পর্যায়ে শ্রমিকরা পেটের দায়ে অন্যান্য জায়গায় কাজের আশায় চলে যেতে বাধ্য হন... ব্যাপক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরিটুকুও শুষে নিয়ে মাসখানেক পর নতুন শ্রমিকে নতুনভাবে আবার গার্মেন্টস চালু হয়..


অনুতপাদনশীল প্রভু-ভৃত্য আন্তসম্পর্কের ঔপনিবেশিক কাঠামোয় পরিবর্তন না এনে কেবল নিরপেক্ষ তদন্ত বা কঠোর শাস্তি টাইপের হম্বিতম্বি দিয়ে কোনো বালই ছেড়া যাবে না...
৪৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
বিষাক্ত আলো বলেছেন: @একলব্য, হাততালি শব্দটা দেখে আরও কিছু বলার রুচি চলে গিয়েছিল। তাই উত্তর দিতে এত দেরি করছি।

কোনো যুক্তিতেই মানুষের মৃত্যু কাম্য হতে পারে না। এখানেও নয়। তবে আর্মির ভেতরে যে কালচার তার কি আসলেই কোনো পরিবর্তন দরকার নেই বলে আপনি মনে করেন? আপনার নিজের ব্লগেই তো লিখেছেন উপজাতি মেয়েদের উপর ওদের তাদের শারিরীক নির্যাতনের কথা। হুমায়ুন আজাদের একটা বই ছিল, যেটা মার্কেট আউট, জানেন নিশ্চয়ই।

আর কারো সাথে মতে না মিললেই ভার্চুয়ালি তার গলা চেপে ধরতে হবে নাকি? আপনি আর মেঘ আপু দুজনকেই শ্রদ্ধা করি। তবে অপ্রাসঙ্গিক ভাবে হুমকি দেয়াটা সমর্থন করি না। আর হাততালির নতুন সংজ্ঞা দেবারও প্রয়োজন বোধ করি না। কিছু ব্যাপারে সংযত থাকা কাম্য ।
৪৪. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: "ফার্স্ট বয়, মেধা...হা হা হা, ভালো বলেছেন বস।"

কোনো বিশ্লেষণ ছাড়া এই মন্তব্যটা দৃষ্টিকটু না?আপনি ব্যাখ্যা করে আমাকে হেসে উড়িয়ে দিতে পারতেন।আমি মেনে নিতাম।না ব্যাখ্যা করে এভাবে না মন্তব্য করাই কাম্য।শুরুটা আপনিই করেছেন,না?


আপনার বা লেখকের মত সমাজনীতি রাজনীতি বুঝিনা।অজ্ঞানতাকে স্বীকার করি।তবে আবারো এটুকুই -

"আর বিপ্লব....যে দেশে এখনো ফিউডালিজম আর লুটপাট এর পুঁজিবাদ দুটোর মাঝে দুলছে-এখন সেখানে এই চিন্তা আমার কাছে ইউটোপিয়া।"

আর কেউ আপত্তি করলেই "আপনাদের মানবিকতা" তুলে ব্যঙ্গ না করাই ভালো।কারণ শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ভার্চুয়ালিই হাতিঘোড়া মারছি :)


উত্তর টা ঐভাবে দেয়ার জন্য দুঃখিত।ক্ষমাপ্রার্থীও।আপনি বললেও আমার উত্তর দেয়া উচিৎ হয়নি।

অনেক ভালো থাকুন।এরপর কাউকে বিদ্রুপ করলে সাথে কারণটা বলে দিবেন আশা করি।








৪৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:১৩
বিষাক্ত আলো বলেছেন: 'ফার্স্ট বয়, মেধা..'।.এইসব কেন জানি আমার কাছে অপ্রাসঙ্গিক লেগেছিল এই পোস্ট এর সাথে। তাই 'হা হা হা' রিয়াকশন। আর রিয়াকশন টাও আপনার প্রতিই , কারণ এই লেখাটার খোঁজ আপনার সৌজন্যেই [দিনমজুরের ব্লগে আমি এই প্রথম ]

আমার মন্তব্যে আমি বিদ্রুপের কিছু দেখিনাই। অপ্রাসঙ্গিকতা বুঝিয়েছি।

এ পোস্টে আমার সমর্থনের জায়গাটা পূর্বের মন্তব্যে পরিষ্কার করেছি। রাজনীতি সমাজনীতি নিয়ে ব্যাঙ্গ টা কে করল তা সহজেই বোধগম্য।

ভালো থাকুন।
৪৬. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: ৩৯ নাম্বার মন্তব্য পড়েও কি অপ্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে?হা হা হা রিয়াকশন টা এখনো বিরাজমান?

আপনারা কি আশা করেন?

এই ব্যুরোক্রেসি এবং শিক্ষা কাঠামো,সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে মানুষের বর্তমান সম্পর্ক বজায় রেখে কেবল আর্মি আর বিডিআর এর মধ্যবর্তী বৈষম্য কাটানো সম্ভব?এখানে আর্মি এই অবস্থানে গিয়েছে তার পেছনে প্রশাসনের সহযোগিতা থাকার ফলেই।আপনি সুযোগ এর বৈষম্য কাটাতে চাইলে গোড়ায় নজর দিতে হবে।কেবল আর্মিকে চেপেচুপে মানিয়ে নেয়া সম্ভব না।তাতে আরো রক্ত...আরো খুন....একা আর্মি এর জন্য দায়ী না।আপনি আমিও দায়ী।আমার অবস্থান এই,আমি বিদেশী বিনিয়োগের বিরুদ্ধে কথা বলে নিজে মাল্টিন্যাশনালে জব খুঁজে বেড়ানোকে ভণ্ডামি বলি।কারণ এও হতে পারে আমি এগুলো বুঝিনা।

তাই...
বিপ্লব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না।যেখানে জাসদীয় কর্ম কে বিপ্লবের লেবাস পড়ানো হয়,সেখানে মন্তব্য করা নিরর্থক।পরের পোস্ট ২টা এই মাত্র পড়লাম।আপনি আমার এই কমেন্ট এর কোনো উত্তর দিতে চাইলে আমার ব্লগ টা ব্যবহার করবেন প্লিজ।

আলোচনা করতেই চাই।তাতে আমার উপকার হবে বলেই বিশ্বাস করি।লোডশেডিং এর কথা বলে কাটাবো না নিশ্চিত। :)




৪৭. ২৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
লাকুল হক বলেছেন: অসাধারণ ভাই আপনার পর্যবেক্ষণের প্রশংসা না করে পারা গেল না...

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই