আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
![]() | আর এস এস ফিড |
পোস্ট আর্কাইভ
- may,2013(৩)
- april,2013(৩)
- february,2013(২)
- january,2013(১)
- december,2012(২)
- november,2012(১)
- july,2012(১)
- june,2012(৪)
- april,2012(১)
- march,2012(২)
- february,2012(২)
- january,2012(৩)
- december,2011(১)
- november,2011(৫)
- october,2011(২)
- september,2011(১)
- august,2011(১)
- july,2011(১)
- june,2011(৪)
- may,2011(১)
- april,2011(২)
- march,2011(২)
- february,2011(৪)
- january,2011(১)
- december,2010(৮)
- november,2010(৪)
- october,2010(২)
- september,2010(৩)
- august,2010(৫)
- july,2010(৩)
- june,2010(৩)
- may,2010(২)
- april,2010(৩)
- march,2010(১)
- february,2010(৩)
- january,2010(২)
- december,2009(১)
- november,2009(৬)
- october,2009(৪)
- september,2009(৫)
- august,2009(১)
- june,2009(৩)
- may,2009(৩)
- april,2009(১)
- march,2009(৫)
- february,2009(২)
- january,2009(২)
- december,2008(২)
- november,2008(৩)
- october,2008(১০)
- september,2008(৬)
- august,2008(৫)
- may,2008(১)
- april,2008(৬)
- march,2008(৩)
- february,2008(৯)
- january,2008(১)
- december,2007(২)
- november,2007(৪)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
- গ্রামীনফোনের হারামীপনার স্বরুপ উন্মোচন ! সিইও কে কর্মকর্তার চিঠি !! - রঙ্গীন প্রজাপতি
- পাহাড়ি নিপীড়িত জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বায়ত্তশাসন দাবীর প্রশ্নে শাসকশ্রেণীর বিভিন্ন অংশের রঙ বে রঙের জোড়াতালি তত্ত্বের বিপরীতে একটি বিশ্লেষণ। - মনজুরুল হক
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ১ম পর্ব - রাগ ইমন
- সমূদ্র বক্ষে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার ব্যয় সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার কে স্বচ্ছ করার প্রয়াস। - ভিন্ন চিন্তা
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয়!! - মনজুরুল হক
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- বিদেশিদের কাছে বঙ্গোপসাগরে ব্লক ইজারার প্রতিবাদকারীদের উপর পুলিশি নির্যাতনের চিত্র - অণৃণ্য
- পার্বত্য চট্টগ্রাম পাকিস্থানে অন্তর্ভুক্ত হলো যেভাবে : ইতিহাসের পথ ধরে একটি বিশ্লেষণের চেষ্টা - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ৫/শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- বাংলাদেশের জনশক্তি ও আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার আইন - ফকির ইলিয়াস
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়/ প্রতি শ্রদ্ধেয় দিন মজুর - বিহংগ
- নতুন আমল পার করছি পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে - ৪ - অনিশ্চিত
- পুঁজিবাদের থাবা,সমাজতন্ত্রের বাঁধা আর ভাষা দিবসে পুতুলের ধাঁধাঁ! - পুতুল
- নতুন আমল পার করছি পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে - ১ - অনিশ্চিত
- দিনমজুরের পোস্ট ধরে সন্ধ্যাপ্রদীপের পোস্ট ,সেখানেই আমার উপলব্ধি,উপলক্ষ সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়। - বিহংগ
- বিশ্ব মানবতার মুক্তির জন্য সমাজতন্ত্রই একমাত্র পথ ?? - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রফিট ও আমাদের হতভাগা দেশের লাভ (একটি সহজ-সরল হিসাব) - বহুরূপী মহাজন
রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?”
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:০১ |
মিরপুর, সাভার, চিটাগাং, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, যশোর, খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, সৈয়দপুর, ঘাটাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, ময়নামতি ক্যানটনমেন্টে কি কি পয়দা হয় তার তালিকা আমাগো জানা নাই। মহাখালি, বনানি কিংবা মিরপুর ডিওএইচএস (ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি) এ অবসরপ্রাপ্ত অফিসারগণরে জনগণের জমি বিনামূল্যে বিলায়া দিয়া আমাগো কি লাভ হইছে তাও আমরা জানি না। সেনা কল্যাণের নাম কইরা সেনা কল্যাণ সংস্থা নামের এক অফিসার কল্যাণ সংস্থা কিংবা আর্মি ওয়েল ট্রাস্টের মতো মস্ত একটা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গইড়া কারা ফুইলা ফাইপা কদলি কিংবা বটবৃক্ষ হইতাছে তাও আমরা জানি না। কারণ জাননের কোন উপায় নাই আমাগো। শুধু নেড়ি কুত্তার লাহান গন্ধ পাই, কি জানি হইতাছে কোথায়- ব্যাবসা, বাণিজ্য!
আকামের গন্ধ কিংবা ধোয়া বেশি দিন ঢাইকা রাখন যায় না, ঠিকই বাইর হইয়া যায় একদিন। যেমন বাইরা হইয়া গেল এই বেলায় রূপগঞ্জের বুকের পাটা ওয়ালা গেরামবাসীগোর ফোসফোসানিতে। বহুত খায়েশ আর্মি ওয়ালাগো। ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস এর জমি মাগনা খায়া পেট ভরে নাই। না, ঐগুলা তো খায় ব্রিগেডিয়ার-কর্ণেল-জেনারেলরা। ক্যাপটেন, মেজর কিংবা লেফটেনেন্টগো লাইগা কি হইব! গণিমতের মাল বাংলার কৃষকের ভূ-সম্পত্তির ভাগ কি তারা পাইবা না! পাইব পাইব। তবে একটু কষ্ট করতে হইব, হালকা খরচাও ভি হইব। তাগো ব্যাবস্থাও হইতাছে- নাম এএইচএস(আর্মি হাউসিং স্কিম)। ডিওএইচএস এর বদলে এএইচএস এ তাগো জন্য আছে ৫ কাঠার একেকটা প্লট। প্লটের মূল্য মোটামুটি ১৫ লক্ষ টাকা। বাজার দরের চেয়ে সস্তা হইলেও ক্যাপ্টেন সাহেবগো লাইগা কি একটু কষা হইয়া যায়? চিন্তা নাই, মূল্য কিস্তিতে কিস্তিতে দেওন যাইব আর মুশকিল আছান ট্রাস্ট ব্যাংক তো আছেই!একেকজন ৮ লক্ষ কইরা লোন নিতে পারবো ট্রাস্ট ব্যাংক থেইকা। সারা দেশে নাকি এইরকম অনেক এএইচএস করা হইবো। এই প্রকল্পের প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য “Self Financed Housing Scheme for the Army’’ নামের একখান প্রস্তাব এএফডি(আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন) এর কাছে পাঠানো হইছিল। সেইখান থেইকা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হইয়া ২০০৯ সালের ২৩ নভেম্বর “নীতিগত ভাবে” অনুমোদিত হইছে এই প্রকল্প- Dhaka Cantonment letter নাম্বার 4006/5/A&L/1414 নাকি এর প্রমাণ। পুরা কারবারটা বাস্তবায়নের লাইগা ১৯২৪ এর কম্পানি আইনের আওতায় The Army Housing Scheme (AHS) রে জয়েন্টস্টক কোম্পানি হিসাবে নিবন্ধন করা হইল। সিদ্ধন্ত হইল পুরা কাজে সাহয্য করবো Sena Kalyan Constructions and Developments (SKCD)।
(সূত্র: হোয়াই এএইচএস? http://www.ahs.org.bd/about.html)
২০০৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেইকা আনুষ্ঠানিক যাত্রা করল এইচএস। শুরুতে একটাই প্রজেক্ট- এএইচএস প্রজেক্ট-১ । ঢাকার মধ্যে। শুধুই অফিসারগো লাইগা। যদিও সৈনিক ভাইগো লাইগাও মুলা ঝুলায়া রাখা হইছে, ভবিষ্যতে নাকি জায়গা জমির প্রাপ্যতা অনুসারে তাগো ব্যাবস্থাও হইব! অবশ্য তারা কেমন কইরা এই হাউজিংরে “সেল্ফ ফাইনান্স” করব সে বিষয়ে কোন কথা নাই। যাউকগা শুরুর এই প্রকল্পের জায়গা হইল গিয়া বসুন্ধরা ও পূর্বাচল হাউজিং প্রকল্পের পাশে শীতলক্ষার একপাড়ে অবস্থিত রূপগঞ্জ ও তার আশাপাশের এলাকা।
![]()
সূত্র: ডিলিট করা ওয়েবসাইট ahsbd.wordpress.com এর গুগল ক্যাশ ব্যাবহার করে পিকাসা ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত
এইখান থেইকা ৬ হাজার বিঘা জমি কেনার খায়েশ তাদের। জমি কেনা বেচার সামান্য অভিজ্ঞতা যার আছে, তারা সহজেই বুঝবেন, একসাথে এত জমি কখনই সেচ্ছায় মানুষের কাছ থেইকা কিনা যায়না। ভিটাবাড়ি, পারিবারিক কবরস্থান এবং টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন কৃষিজমিটুকু কে-ই বা স্বেচ্ছায় বেচতে চা! কৃষি জমির মূল্য কৃষক মাত্রই বুঝে। আর্মির অলস দেশ প্রেম ধুইয়া পানি খাইলে কৃষকের পেট ভরবো না। ফলে আর্মি তেরছা রাস্তা ধরলো।
রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ২৪টি মৌজা থেইকা জমি কেনার জন্য তারা তানমুশরি, পূর্বগ্রাম, ইছাপুরা ও রূপগঞ্জ সদরে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের পাশে স্থানীয় প্রসাশনের কাছে আনুষ্ঠানিক কোন অনুমোদন ছাড়াই সেনাক্যাম্প স্থাপন কইরা বসল। ইউনিফর্ম এর জোর দেখায়া তারা ২৪ টি মৌজায় সব ধরণের জমি কেনা বেচা বন্ধ কইরা দিল। তাগো সাফ কথা, জমি যদি কেউ বেচতে চায় তাইলে সেনাবাহিনীর কাছে বেচতে হইব। আর জোর জবরদস্তিই যখন করতেই হইল তখন আবার ন্যায্য দাম কিসের? কৃষকগো কেঠায় ন্যায্য দাম দিছে- বসুন্ধরা, যমুনা, রাজউক সবাই তো দবরদস্তি কইরা অন্যয্য দামে জমি হাতায়া নিছে। আর্মি হইল দেশ প্রেমিক বাহিনী। দেশ প্রেমের জোরে তো সে কৃষকরে, জমির মালিকরে বিঘাপ্রতি ৩০/৪০ কিংবা জায়গা ভেদে ৬০/৭০ লাখ টাকার জামি ১৪/১৫ লাখ ট্যাকায় বেচতে বাধ্য করতেই পারে!
কৃষকের ঘাম-রক্তে ভিজা জামিতে দেখেন কি সোন্দর ডিজাইনের বাড়ি উঠাইবো আর্মি অফিসারেরা।
সূত্র: এএইচএস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://www.ahs.org.bd/exterior.html
সেই বাড়ির স্বপ্নে আর দেশ প্রেমের জোশে আর্মি প্রশাসন এমনকি রাজউকের কাছ থেইকা অনুমোদ নেয়ারও প্রয়োজন মনে করে নাই। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তারা তাগো ওয়েবে লেখছে: Approval of RAJUK This is under process.
সূত্র: FRESH INFORMATION ABOUT- AHS বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েবাসাইট থেকে সংগৃহীত Click This Link
তারপর প্রায় একবছর পার হয়া গেছে। তবু রূপগঞ্জের ঘটনার পর
Rajuk Chairman Nurul Huda said he too did not know of any housing project for the army in Rupganj.
As per the rules, he said, developers must obtain an approval from Rajuk to implement a housing project. And to get the go-ahead, they need to submit a layout of the project in keeping with the Detailed Area Plan.
সূত্র: ডেইলিস্টার, ২৪ অক্টোবর,২০১০ Click This Link
বাহ! বাহ! ২০০৭-২০০৮ সাল জুইড়া অবৈধ দখল দারিত্ব নিরসনের নামে হকার-বস্তিবাসীগো উচ্ছেদ করলো/পেটে লাথি মারলো সামরিক বাহিনী, আর এখন দেখতাছি নিজেরা রাজউকের অনুমতি-টতির তোয়াক্কা না কইরা, লোকজনের কাছ থেইকা জোড় জবরদস্তি কইরা জমি কাইড়া নেওয়া শুরু করছে! যথাযথ অনুমোদনহীন এই প্রজেক্টের জন্য এরমধ্যেই ১ হাজার বিঘারও বেশি জমি দখল করা এবং ৭ হাজার অফিসারের কাছ থেইকা রেজিস্ট্রেশান ফি বাবাদ ১০ হাজার টাকা এবং ৪ লক্ষ টাকা কইরা দুই দুইটা কিস্তি বাবদ ৮ লক্ষ কইরা টাকা নেয়াও সারা। বাকি আছে আর ৪টা কিস্তিতে আরও ৭ লক্ষ টাকা আদায়।
সূত্র: APPLICATION FOR ARMY HOUSING SCHEME (AHS) -PROJECT-1 (SECOND GROUP) নং 3917/AHS/R
আর এর মধ্যে কি-না বাগড়া বসাইল গ্রামবাসী- রাগ হইব না, অফিসার ভাইগো! হেই রাগেই তো দুই চাইরটা গুলি ফুইট্টা গেছে- যার একটা রূপগঞ্জের হরিণা নদীর পাড়ের কৃষক আব্দুর রফিকের ছেলে মোস্তফা জামাল(২৬)রে খুন করছে, মারাত্মক আহত করছে অর্ধ-শত ব্যাক্তিরে। খেলা এই খানে শেষ না, জমি দখল করছে আর্মি, পাবলিকের গায়ে গুলি করছে, খুন করছে আর্মি-রেব-পুলিশ আর প্রতিবাদ/প্রতিরোধ করায় উল্টা ৩/৪ হাজার গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা দিয়া দিছে রাষ্ট্র।
ব্যাপার না, চালায়া যান সামরিক হুজুরেরা, যতদিন পারেন- আমরাও কিন্ত দেইখা নিমু !
রূপগঞ্জবাসীরে লাল সালাম!
পুনশ্চ:
বাংলাদেশ আর্মি এখন স্রেফ একটা প্রথাগত সামরিক প্রতিষ্ঠান না, পাকিস্তান বা ইন্দোনেশিয়ান আর্মির মতো এইটা এখন একটা বৃহত মিলিটারি কর্পোরেশন। ফলে আর্মি কোন পরিস্থিতিতে কোন ধরণের আচরণ করছে এবং কেন করছে, এ বিষয়টা বুঝতে গেলে আর্মিকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বা বৃহত পুজির একটা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমলে না নিলে ভুল হবে।
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিয়েল এস্টেট বিজনেসেও তার ভাগ চাই। আর সেই জন্যই Sena Kalyan Constructions and Developments (SKCD) সহায়তায় এই এইএচএস প্রকল্প। ইতিমধ্যে "আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট" এবং "সেনাকল্যাণ সংস্থা"র নামে হাজার হাজার কোটি টাকার পুজি বিনিয়োগ ও মুনাফা করছে আর্মি। বিবিসির কামাল আহমেদ একটা রেডিও ডকুমেন্টারিতে ফৌজি বাণিজ্যের দুর্দান্ত একটা তত্ত্ব তালাশ করেছেন। সেখান থেকে দেখা যায়:
সেনা কল্যাণ সংস্থার সচল প্রতিষ্ঠানগুলো
মংলা সিমেন্ট ফ্যাক্টরী , ডায়মন্ড ফুড ইন্ডাষ্ট্রিজ , ফৌজি ফ্লাওয়ার মিলস , চিটাগাং ফ্লাওয়ার মিলস , সেনা কল্যাণ ইলেক্ট্রিক ইন্ডাষ্ট্রিজ , এনসেল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড , স্যাভয় আইসক্রিম , চকোলেট এন্ড ক্যান্ডি ফ্যাক্টরী , ইষ্টার্ণ হোসিয়ারী মিলস , এস কে ফেব্রিক্স, স্যাভয় ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরী , সেনা গার্মেন্টস , ফ্যাক্টো ইয়ামাগেন ইলেক্ট্রনিক্স , সৈনিক ল্যাম্পস ডিষ্ট্রিবিউশন সেন্টার , আমিন মহিউদ্দিন ফাউন্ডেশন , এস কে এস কমার্শিয়াল স্পেস , সেনা কল্যাণ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স , অনন্যা শপিং কমপ্লেক্স , সেনা ট্রাভেলস লিমিটেড , এস কে এস ট্রেডিং হাউস , এস কে এস ভবন – খূলনা , নিউ হোটেল টাইগার গার্ডেন , রিয়েল এস্টেট ডিভিশন – চট্টগ্রাম এবং এস কে টেক্সটাইল।
আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের ষোলটি প্রতিষ্ঠান
আর্মি শপিং কমপ্লেক্স , রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেল , ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটিড , সেনা প্যাকেজিং লিমিটেড , সেনা হোটেল ডেভলেপমেন্ট লিমিটেড , ট্রাষ্ট ফিলিং এন্ড সিএনজি ষ্টেশন , সেনা ফিলিং ষ্টেশন- চট্টগ্রাম , ভাটিয়ারী গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাব , কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব , সাভার গলফ ক্লাব , ওয়াটার গার্ডেন হোটেল লিমিটেড - চট্টগ্রাম , ট্রাষ্ট অডিটোরিয়াম এবং ক্যাপ্টেনস ওর্য়াল্ড।
সূত্র: http://www.amrabondhu.com/masum/1914
রূপগঞ্জের ঘটনাকে আর্মির এই বাণিজ্যিক চরিত্রের সাথে মিলিয়ে বোঝাটা জরুরী। এই ধরণের ঘটনা থেকে জনগণের অর্থে লালিত পালিত আর্মি কর্পোরেট পুজির মালিকে পরিণত হয়ে আর দশটা কর্পোরেট গ্রুপের মতোই লুটেরা শোষক শ্রেণীর কাতারে দাড়িয়ে যাওয়ার আভাস পাওয়া যায়।
(শিরোনামটি হুমায়ুন আজাদের “তৃতীয় বিশ্বের একজন চাষীর প্রশ্ন” শীর্ষক কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এম আই এইচ রাজন বলেছেন:
রূপগঞ্জ বাসীকে লাল সালাম। আর দিন মজুর ভাইকে ধন্যবাদ দিতে পারবো না। কারন আপনাকে চাই আমার বুকের মাঝে। আপনাকে আমি স্যালুট করলাম আপনার এই সাহসী পোষ্টের জন্য। আমি এটা জানতে চাই সেনা বাহিনীরা কি বাংলাদেশের না? ওরা কি এদেশের মা বাবার সন্তান না? ওরা কি স্বাধীন বাংলার ছেলে না? ওরা কি ভাসানী, সোহরাওয়াদি, ওসমানির দেশের ছেলে না?????????????? নাকি ভেবে নেব ওরাও পাকিদের মত এক ধরনের হিংস্র জানোয়ার......
ডার্ক জাস্টিস বলেছেন:
এই মহুর্তে দরকার ভারত মাতার সরকার।পাকি জারজ আর্মি
দেশ ছাড় এখনি
সিমান্তে আছে বিএসএফ
চিন্তা আমার এবার শেষ
জয় হিন্দ
ছোটমির্জা বলেছেন:
দিন মজুর ভাই, নিজেই পোস্ট টা সরিয়ে নিন না!!অনেক হইছে।
। । । । । ।
.............আর্নেস্ট রিকোয়েস্ট।
দোষ করার সময় নিজের ভাই-বোন কে ধোমোক দেয়া যায়, যায় চড়-থাপ্রড় মারা। কিনতু অন্যকে দিয়ে বিচার (যেহেতু -প্রশ্নটা উঠেছে) বা অন্যের সামনে বেইজ্জত না করাই ভাল।
.......... দেশের কথা ভেবেই নিজের ত্যাগটা করেন দেখি ভাই।
সেটাও দেশপ্রেম।
......অতি অবশ্যই সেনাবাহিনী খুব খরাপ কাজ করেছে।
হাসানুর বলেছেন:
আমরা নিজেরাইতো বেইমান, দূর্নীতিগ্রস্হ জাতী হয়ে গেছি...আর সেনা সদস্যরাতো আমরাই...তবে এই বাহীনি এখনো অতটা পঁচে যায়নি, আপনারা যা প্রমান করার চেষ্টা করছেন ।কিছু সমস্যাতো থাকবেই...তাই বলে এভাবে অপপ্রচার ! এখনো তারা অনেক শৃঙ্খল বাহীনি । শুধু সমস্যা তুলে না ধরে সমাধান সহ তুলে ধরুন...একটি শৃঙ্খল বাহীনির বিরুদ্বে অপপ্রচার থেকে বিরত থাকুন.....নিজ অবস্হান থেকে দেশের জন্য কিছু করুন...
রুহুল জাকি বলেছেন:
মনজুরুল হক বলেছেন:নতুন করে ধন্যবাদ দেয়ার কিছু নেই। অগণিত মানুষের বুকের ভেতরকার চাপা ব্যাথা কারো না কারো কলমের ডগা কিঙবা কী-বোর্ড হয়ে বেরুনোর কথা। এটাই সময়ের দাবি। দিনমজুর কেবল সেই দাবিটুকুই মিটিয়েছেন। তাই তাকে এবং তাদেরকে স্যালুট।
ফৌজি বাণিজ্য বন্ধ হউক।
এ.জে. মিন্টু বলেছেন:
রুহুল জাকি বলেছেন: মনজুরুল হক বলেছেন: নতুন করে ধন্যবাদ দেয়ার কিছু নেই। অগণিত মানুষের বুকের ভেতরকার চাপা ব্যাথা কারো না কারো কলমের ডগা কিঙবা কী-বোর্ড হয়ে বেরুনোর কথা। এটাই সময়ের দাবি। দিনমজুর কেবল সেই দাবিটুকুই মিটিয়েছেন। তাই তাকে এবং তাদেরকে স্যালুট। ফৌজি বাণিজ্য বন্ধ হউক।আমি একটা ব্যপার বুঝলাম না, ছাগু সম্প্রদায় সবসময় জলপাইমামাদের পছন্দ করে ক্যান? কারো কাছে ব্যাখ্যা থাকলে জানায়েন। আমি আবার ছায়াছবি লাইনের লোক, এ বিষয়গুলো তেমন বুঝি না।
মার্চেন্ট অফ ড্রিম বলেছেন:
সুজলা সুফলা নামের মেয়েটিকে জলপাই নামের ছেলেটি বারবার রেইপ করলেও সুজলা সুফলার কোন কোন সন্তানেরা বলে, জলপাইকাকু রেইপ করলে সমস্যা কি? এই কাজ তো অনেকেই করছে।
আপনেরে একটা প্রশ্ন করছিলাম সেইটার জবাব দেন নাই।
আমার মন্তব্য যদি ঢালাও একপেশে হয় তাইলে আপনার মন্তব্যরে কি বলা যায়? আমি বাংলাদেশে জারী করা সবগুলি সামরিক শাসনই দেখছি। এই দেশে সামরিক বাহিনী যখনই ক্ষমতায় আইছে, তারা নিজেগো ত্রাতা হিসাবেই পরিচিত করতে চাইছে। সেইটা জেনারেল জিয়া, লে জে হোমো এরশাদ কিম্বা জেনারেল মঈন উ যেই'ই হোক না কেনো। কিন্তু বাঙালি জাতি সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হইছে বইলাই জানে সেনাশাসন তাগো লেইগা কখনোই সুখকর ছিলো না।
২০০৭'এর পর তারা একটা ভোটার লিস্ট করছে...একটা নির্বাচন তত্ত্বাবধান করছে। এই দুই কর্মকান্ডের বাইরে তাগো আছিলো প্রতিহিংসার রাজনীতি। এইটা কইতে শেখ হাসিনা কিম্বা খালেদা জিয়ার পরিবার পরিজন পূতপবিত্র এইটা বুঝাইতেছি না। তারা সত্য সত্যই যদি দুর্নীতি দমনের অভীপ্সা নিয়া তাগো সময়কাল কাটাইতো তাইলে আর এখন কোনো রাজনৈতিক নেতারে আবার রাজনীতি করতে দেখতেন না। ঐটা যে আন্তর্জাতিক প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চালানো একটা অপারেশন সেইটা নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনা করলেই টের পাওন যায়। এর বাইরে তারা করছে ব্যবসা। সব অবঃ'রা বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষে অবস্থান নিছে, যাগো কোনো অভিজ্ঞতা নাই। নীতি-নির্ধারণ কেবল প্রশাসন চালানো না...এইটা সেনাবাহিনীর হাটুতে বুদ্ধিওয়ালা সদস্যগো মাথায় থাকনের কথা না।
আপনে ফৌজী ব্যবসার সাফল্যের কথা কইতে চাইতেছেন। কিন্তু আমার তো মনে হয় সেইখানেও তারা মিডিওকার অবস্থানে আছে। কর্পোরেট কালচার আত্মস্থ করলেও নিজেগো অনিয়মতান্ত্রিকতা আর কামড়াকামড়ির কারনে সেনা কল্যাণ সংস্থার সব ব্যবসাই একটা জায়গায় গিয়া থাইমা গেছে।
ট্রাস্ট ব্যাংকরে জোর কইরা সামনে আননের একটা চেষ্টা দেখা যায়। কিন্তু এই ব্যাংকে ব্যাংকিং করতে গিয়া বুঝছি, ম্যানেজমেন্টের মিলিটারী আচরণ তার সার্ভিসের ক্ষেত্রেও ভালোই প্রতিফলিত হয়।
জানা বলেছেন:
চয়ন ভাই এবং ক্ষতিগ্রস্থ ভাই, আপনাদের দু'জনের বক্তব্যই আপত্তিকর এবং দুঃখজনক(আপনাদের নিজেদের জন্যই)!
পোস্টটি পড়েছি প্রথম দিনই তবে সমস্ত কমেন্ট পড়ার সুযোগ হলো এখন (মা'কে নিয়ে আবারও হাসপাতালে)।
আমার একটি মুগ্ধ হওয়া +(প্লাস) বা ঘৃণায় উপছে পড়া _(মাইনাস) এ এই পোস্ট বা পোস্টটি স্টিকী হওয়ার কারণের কিছুই যায়-আসে না। এ'টি একটি একপেশে বা বিদ্বেষ ছড়ানো পোস্ট হিসেবে চোখ-কান বন্ধ করে বিবেচনা করার আগে আরও খানিকটা যু্ক্তিসঙ্গত ভাবনার সুযোগ রয়েছে বলে বোধ করি।
একটি স্বাধীন ও গনতান্ত্রিক দেশে সমসাময়িক ও গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আপত্তি/বিপত্তি কোথায় বা কেনো? মত-দ্বিমত আছে বলেই তো এমন একটি খোলা যায়গায় যুক্তিযুক্ত আলোচনা-সমালোচনা করার সুযোগ আছে, সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে একটি বিষয় সমৃদ্ধ করে (পক্ষে-বিপক্ষ) জনসমক্ষে তুলে ধরার, জনমত তৈরী করার, একটি কল্যাণকর ধারনায় পৌঁছনোর। সহনশীলতার পরীক্ষায় এ,দেশের সাধারণ মানুষ নিজেদের কোথায় নিয়ে গেছেন এবং তার ফলাফল কত মধুর(!) তা আমাদের সবার কাছেই দিনের আলোর মত পরিষ্কার। তাই বলে নেতিবাচক/অমঙ্গলজনক বিষয়গুলো নিয়ে আর কত!
যাঁরা মনে করে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই কিংবা সেনাবাহিনীই আমাদের দুধে-ভাতে(!) রাখার জন্য... তাঁদের সাথে আমার মত একজন সাধারণ মানুষ সম্পূর্ন দ্বিমত পোষণ করে। আমরা 'সাধারণরা'ইতো এই হতভাগা দেশের প্রায় সবটা।
সেনা প্রতিষ্ঠান কলঙ্কমুক্ত রাখতে চাইলে, জনগণের কাছে বিশ্বস্ত থাকতে চাইলে সমালোচনার প্রয়োজন নেই কি?
অনেক জরুরী এবং গুরুত্বপুর্ণ মন্তব্যের পাশাপাশি ব্লগার 'বৃত্তবন্দী'র বাস্তব ও সহণশীল মন্তব্যটি লক্ষ্যনীয়:
"চেতনে হোক বা অবচেতনে সেনাবাহিনী আমাদের কাছে কিছুটা হলেও ভরসার স্থান। অন্য সব কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়লেও আমাদের ভিতর একটা ক্ষীণ স্বপ্ন কাজ করে, যেখানে আমরা সেনাবাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে দেখতে ভালোবাসি। যারা দেশের সংকট মোকাবেলার শপথ নিয়ে এই বাহিনীতে যোগ দেয় তাদের কাছে থেকে অসৎ ব্যবসায়ীদের মতো আচরণ দেখে আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়।চেতনে হোক বা অবচেতনে সেনাবাহিনী আমাদের কাছে কিছুটা হলেও ভরসার স্থান। অন্য সব কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়লেও আমাদের ভিতর একটা ক্ষীণ স্বপ্ন কাজ করে, যেখানে আমরা সেনাবাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে দেখতে ভালোবাসি। যারা দেশের সংকট মোকাবেলার শপথ নিয়ে এই বাহিনীতে যোগ দেয় তাদের কাছে থেকে অসৎ ব্যবসায়ীদের মতো আচরণ দেখে আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়।"
আমাদের হাজারও ছোট-বড় স্বপ্নভঙ্গের সাথে এত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বপ্নভঙ্গ পুরো জাতির জন্য ভয়াবহ ও অকল্যাণকর সময় বয়ে আনবে বৈকি।
মঙ্গল হোক এ,দেশের, আমাদের ষোলকোটি মানুষের।
প্যাঁচনাই বলেছেন:
আসল ঘটনাটা কি ??? অনেকদিন পর পোস্টটা চোখে পড়ল ।।।
শান্তনু সুমন বলেছেন:
@ জানাআপনার করা পোস্টের ৪০০ নং মন্তব্যে তথ্য বিভ্রান্তি আছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী জনসংখ্যা সাড়ে ষোল কোটি। কিন্তু বাংলাদেশের শুমারী অনুযায়ী সাড়ে চৌদ্দ কোটি। যেখানে বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের এ তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে আপনি কেন তাদেরটি মেনে নিচ্ছেন?
একটি বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় থেকে আপনার এ ধরনের ভূমিকা নিন্দনীয়।
মাহাদি হাসান বলেছেন:
বিদেশী প্রভুদের দালাল সেনাবাহিনী রুপগন্জের স্হানীয় দালালদের সাথে এক হয়ে সাধারন কৃষক, খেটে খাওয়া মজুরদের ভিটে মাটি থেকে উচ্ছেদ করে অনেক বড় বিল্পবী কাজ করেছে! কয়েকজন ব্লগার এই ঘটনাকে নিছক কিছু সামরিক কর্মকর্তার দুষ্কর্ম বলে সেনাবাহিনীর ওপর পুরা দায় চাপানো যাবে না বলে প্রতিবাদ করেছেন, ভাল কথা! বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন প্রায় ১৫ বছর সামরিক শাসন ছিল এটাকেও কিছু সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতায় থাকবার খায়েশ বলবেন, পুরা সেনাবাহিনী এক্ষেএেও দুধে ধোঁয়া তুলসি পাতা, এরশাদের মত লম্পট সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন, নিজামী পুএ এই সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এগুলোকে নিছকই তুচ্ছ ব্যাপার মনে করবেন, ১/১১ তে মইনউদ্দিন সাহেব যে রেনেটা লক দেসালিয়ানের পা চাটলেন যাতে মিশনের চাকুরী সহি সালামতে যুগের পর যুগ শতকের পর শতক করে যেতে পারেন, জিয়া বেয়নেটকে কলম বানিয়ে নিজের লিঙ্গ বৃত্তান্ত সংবিধানে লিখলেন এখানেও সেনাবাহিনীর কোন দোষ দেখবেন না অনেকে। অনেকে প্রশ্ন করেছেন সেনাবাহিনী এান দেয়, বিপদে পাশে দাড়ায়! দৈনিক হাজারিকা পড়ার অভিঙ্গতা আছে যাদের তারা দেখবেন জয়নাল হাজারীর মত পেশাদার ক্রিমিনাল কিভাবে জনগনের পাশে দাড়িয়েছেন, এরকম ছবি সংবলিত পোষ্ট আছে সেখানে। তাই বলে হাজারীর আপরাধ ঢেকে যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চোখ বেধঁে নির্যাতন করার কাহিনী যারা পড়েছেন তারা নিশ্চ্য়ই জানেন শিক্ষকের কি রকম সাচ্চা মর্যাদা দিতে জানেন সেনাবাহিনী! সেনাবাহিনী এধরনের বিল্পবী কাহিনীর উপাখ্যান ব্যখা করতে গেলে এরাবিয়ান নাইটসের ১০০০ রজনী পার হয়ে যাবে তবুও কাহিনী শেষ হবেনা। মিশনের টাকা খেয়ে ব্লগে যারা আমাদের বুদ্ধি বিলিয়ে বেড়ানচ্ছেন তাদের বিল্পবী কাজ আগামীতেও অব্যাহত থাকুক, সেনাবাহিনীর কু কর্মের পক্ষ নিয়ে একদিন মুখ দেখানোর লায়েক থাকবেন না তারা।
রোজেল০০৭ বলেছেন:
থাকে বেড়ার ভিতরে,বলতে প্রায় মাগনা সবচেয়ে বেশি সুযোগ সুবিধা ভোগ করে।তারপর ও ওনাদের তেল দিয়ে চলতে হয়।আর ৭১ এর সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় ওইনারা ই পড়েছেন।
রোজেল০০৭ বলেছেন:
স ংশোধনঃ শেষ লাইনে কথাটা হবে ৭১ এর পর সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় ওনারা ই পড়েছেন।
মাইন রানা বলেছেন:
সেনাবাহীনীর অফিসারদের ঢাকার পাশে কেন ?? কোন চর বা পাহাড়ে দেওয়া হোক !!
-ছন্নছাড়া- বলেছেন:
সামুকে ধন্যবাদ এ পোস্ট স্টিকি করে সাধারন মানুষের পাশে অবস্হান নেওয়ার জন্য।সেনাবাহিনী আমাদেরই অংশ,,,, , তারা ভুল করলে অবশ্যই সমালোচনা শুনতে হবে, জনগনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক দেশ, সেনাবাহিনী এই জনগনের টাকায়ই চলে। গনতান্ত্রিক দেশে কোনকিছুই সমালোচনার উর্দ্ধে না। সমালোচনাই ভুলগুলো শুধরিয়ে দেয়।
অনেকেরই দেখলাম আপত্তি। অবশ্য এদলের বেশিরভাগই দেশে গনতন্ত্রই মানেন না, জামাত শিবিরের সমর্থনগোষ্টি সেনাবাহিনীর পক্ষে বেশি ফাল পারতাছে। এনারা আবার সবসময় ক্ষমতাবানদের পক্ষে থাকে,, সেনাশাসন তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এমন বহুতজনের মুখে শুনি সেনাশাসন ছাড়া নাকি দেশটা ঠিক হবে না। অবশ্য পাকিস্হানপন্হীদের সেনাশাসন প্রিয় হওয়াই স্বাভাবিক।
লেখককে ধন্যবাদ সময়োপযোগী লেখাটির জন্য।
মা-নবি০৩ বলেছেন:
সামরিক বাহিনি বিষয়ক কতিপয় উপপাদ্য (এই পোষ্ট যে কোন দেশের সামরিক বাহিনীর জন্য প্রযোজ্য , শুধুমাত্র বাংলাদেশ সেনা বাহিনির গাড়ে না চাপাইলে ভাল লাগবে )
উপপাদ্য ১:
সামরিক বাহিনী হচেছ পাহারা দার কুকুর । তারে ভাল খাইয়াতে হবে , ভাল থাকার জায়গা দিতে হবে কিন্তু বাসার ভেতর (রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোয় ) জায়গা দেয়া যাবে না
উপপাদ্য ২:
সকল সেনা বাহিনী ই দেশ প্রেমিক
উপপাদ্য ৩:
৩.১ সেনা বাহিনীর সদস্য দের অলাদা ভাবে কোন পরিচয় চিন্তা চেতনা থাকে না । তারা সামরিক বাহিনীর অংশ , বলা ভালো সম্পত্তি । অবসরের পরে ও পদবী লিখতে হয় ।
৩.২ সামরিক বাহিনী থেকে বিবেক আশা করা ঠিক না কারন সেনাবাহিনী মূলত প্রশিক্ষিত ,নিয়ন্ত্রিত খুনীর দল (না হলে যুদ্দের সময় সচেতন ভাবে কাউকে গুলি করতে পারবে না )
৩.৩ সামরিক বাহিনীর চিন্তা ধারা একই রকম । যুদ্দে জেতে ভালো আর বেশী অস্ত্র দিয়ে । কিন্তু গেরিলা গো কাছে মাইর কায় কারন গেরিলারা বেশরি ভাগ সাধারন মানুষ তাগো চিন্তায় বৈচিত্র আছে ।
৩.৪ সামরিক বাহিনির প্রশিক্ষন হলো ধ্বংস বা যুদ্ধাবস্থা বা শত্রু থেকে উদ্ধার । প্রাকিতিক দুর্যোগে বা অন্য সময়ের গুলো বোনাস
উপপাদ্য ৪:
সামরিক বাহিনির বাজেট বরাদ্দ দেয় বেসামরিক প্রশাসন বা সংসদ
উপপাদ্য ৫:
ব্লাডি সিভিলিয়ান এটা সামরিক বাহিনীর মূলমন্ত্র । কারন সিভিলিয়ানরা দুর্বল তাদের রক্ষার মহান দায়িত্ব নিছে সামরিক বাহিনী । তা ও বন্ড সাইন করে (প্রশিক্ষনের সময় ই মারা গেলে সরকার বা কেউ দায়ী নয় এ মর্মে)
উপপাদ্য ৬:
সামরিক বাহিনির কর্মকর্তারা ইন্টার পাশ : ঢাহা মিছা কথা । কমিশন পাওযার জন্য গ্রাজুয়েশনের কোর্স শেষ করে যতাযথ বিশ্ব বিদ্যালযের সার্টিফিকেট নিতে হয়
এ উপপাদ্য গুলো মানলে সামরিক বাহিনী বিষয়ক তর্কের (নানাবিধ) কিছু সমাধান পাওয়া যাবে আশা করি
বাংলাদেশের মতো দরিদ্র একটা দেশের আলাদা সেনাবাহিনী থাকার দরকার কি সেইটাই বুঝিনা। বড় বড় কেন্টনমেন্টে বইসা বইসা আর জনগণের উৎপাদিত অন্ন আর অন্যান্য সম্পত্তি ধ্বংস কইরা পাছায় চর্বি জমান আর নানাবিধ কসরৎ কইরা সেই চর্বি কমান, এই ছাড়া বাংলাদেশের আর্মির আর বিশেষ কোন কাজ আছে বইলা তো মনে হয় না। আমার ঠিক মনে নাই, তবে এত এত টাকা আর অন্ন ধ্বংস করা এই আর্মি ভারতের আগ্রাসন নাকি ১৫ দিনের বেশি ঠেকাইতে পারবেনা, ঐ ১৫দিনই তাগো দৌড়। এই ১৫ দিনের পেছনে এত টাকা খরচ না কইরা আমরা গণবাহিনী বানাই না কেন এইটা একমাত্র আমাগো পবিত্র সংসদ ভবনের পবিত্র মানুষগুলাই মালুম। তুর্কি, কোরিয়ার মতো দুনিয়ার বহুত দেশেই গণবাহিনী আছে, নিয়মিত সেনাবাহিনীর বাড়তি খরচা এরা কান্ধে নিতে চায় না। আর আমগো হালার বাঙালির কান্ধে এত্ত জোর কবে হইলো ঐ পবিত্র সাংসদরাই মালুম।
শয়তান বলেছেন:
মাহাদি হাসানের কমেন্টে তীব্র জাঝা
যীশূ বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
বাঙ্গাল বলেছেন:
প্রতিষ্ঠান হিসাবে আর্মির চরিত্র আমার কাছে সুযোগ সন্ধানী স্ট্রাকারের মত...চান্স পাইলেই তারা ক্ষমতা নিয়া বসে... আর ক্ষমতা না নিলেও তারা সরকারের কাছে একচেটিয়া সুবিধাদি নেয়। আর দূর্নীতির কথা যদি বলেন, তাইলে আবাসন-পুনর্বাসনের নামে প্রায় পু...রা ঢাকাই ঘিরা ফেলছে। সেগুলান বসুন্ধরা বা যমুনাও করে, কিন্তু তাই বৈলা তারা এই দাবি করে না...তাদের নামের সামনে "দেশপ্রেমিক""দেশপ্রেমিক" বৈলা জাবর কাটা লাগবে। আর কোন পেশাজীবিরা সারা বছর জনগনের গু সাফ কোইরাও এত সুবিধাদি পায় নাই...তা সে জতই ডাক্তার-কবিরাজ-ইঞ্জিনিয়ার হোক।আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় দূর্নীতির মামলা গুলাতে সাম্রিক বাহিনী জড়িত..2/4/5 কোটি না...একবারে শত কোটির শট....মিগ-২৯ বলেন আর ফ্রিগেট বলেন...দূর্নীতি জলে স্থলে - সর্বত্ত তাদের দাপট ।
চিটির বাক্স বলেছেন:
স্টিকি করার জন্য সামুকে ধন্যবাদ।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
বহিঃশক্তি নির্ভর রাজনীতির কবলে পড়ে সেনা অফিসাররা দিন দিনই চরম সুবিধাবাদী-লোভী হয়ে পড়তাছে! সরকার কর্তৃক সেনা অফিসারদের বিশেষ সুবিধার বিরোধিতা আমি করি না, কিন্তু সুবিধাগুলা অবশ্যই এই ছোট্ট দেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া খুবই জরুরী! নয়ত পুরা দেশটাই একসময়ে ডিওএইচএস/এএসএইচে পরিনত হবে! সেনাবাহিনীর ব্যপারে ক্ষমতালোভী সরকারের মনোভাব পরিবর্তন না করলে সেনা অফিসারদের ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়তেই থাকবো!পোস্টে সেনা অফিসারদের লোভ আর ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা বলছেন কিন্তু এসবের পেছনের কারন গুলা না আসায় পোস্টটা একপেশে হয়ে গেছে! লাল-নীল সালাম সমৃদ্ধ এ ধরনের একপেশে পোস্ট স্টিকি হওয়ায় অবাক হইছি!
গৌতম রায় বলেছেন:
লেখক বা মন্তব্যকারীদের অবস্থান যা-ই হোক, অনেকের যুক্তিবোধ বেশ ভালো লাগলো। পক্ষপাত বা নির্মোহ দুধরনের আলোচনা থেকেই অনেক কিছু জানা সম্ভব। ভালো লাগছে যে, এই ধরনের সিরিয়াস পোস্টে অনেকে আলোচনা করেছেন। আলোচনাকারীদের সংখ্যা ও মন্তব্যের সংখ্যা দেখে আশাবাদী হই যে, গুরুত্বপূর্ণ পোস্টেও আমরা যথেষ্ট সময় ব্যয় করি।
রােশদ সুলতান তপু বলেছেন:
ধন্যবাদ বা প্লাস দিয়ে আপনার পোস্টকে আমি ছোট করতে চাইনা। শুধু বলবো এই পোস্ট এই সময়ের কিছু কথারই প্রতিফলন। আর্মি ব্যবসা করুক বা চাকরি করুক তাতে আমার ব্যক্তিগতভাবে কিছুই এসে যায় না- তবে আমার মত হলো- তাদের ব্যবসা যেন তাদের মূল পরিচয়কে কোনভাবেই অতিক্রম না করে যায়। আমাদের দেশের আর্মি হয়তো ভেবেই নিয়েছে যে তাদের এই জীবনে কখনও যুদ্ধ করতে হবে না। তাই তারা তাদের সম্মানজনক পেশা বা পোশাকের পুরো ফায়দা লুটে নেয়াকেই অধিকতর শ্রেয় বলে মনে করে।বস- ৬ নং কমেন্টে আপনি লিখেছেন "তাদের সেফটি ক্যাচ সবসময় অন করাই থাকে" কথাটা "অন" না হয়ে "অফ" হবে। কারণ এই সেফটি সিস্টেমটা অন করা থাকলে ফায়ার করা যায় না। ফায়ার করতে হলে আপনাকে সেফটি মুড অফ করে নিতে হবে।
ভাল তাকবেন। এরকম লেখা আরো চাই।
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিয়েল এস্টেট বিজনেসেও তার ভাগ চাই। আর সেই জন্যই Sena Kalyan Constructions and Developments (SKCD) সহায়তায় এই এইএচএস প্রকল্প। ইতিমধ্যে "আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট" এবং "সেনাকল্যাণ সংস্থা"র নামে হাজার হাজার কোটি টাকার পুজি বিনিয়োগ ও মুনাফা করছে আর্মি। বিবিসির কামাল আহমেদ একটা রেডিও ডকুমেন্টারিতে ফৌজি বাণিজ্যের দুর্দান্ত একটা তত্ত্ব তালাশ করেছেন।
আপনার কোন সমস্যা ? যদি তারা বিনিয়োগ করে দেশের শিল্প ব্যবস্থার উন্নতি করে, তাতে আমার দেশের ই কিছু অভাবগ্রস্থ, গরীব, বেকার লোকের কর্মসংস্থান হয়।
তালহা তিতুমির বলেছেন:
# যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন সেনাবাহিনীও থাকবে- এ ব্যাপারে কোনই দ্বিমত নেই। তবে তার মানে এই নয় যে সেনাবাহিনীর কোন সমালোচনা করা যাবে না, তবে তা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে।# আমরা আমাদের সেনাবাহিনীকে পেশাদার সেনাবাহিনী হিসেবে দেখতে চাই, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই না ( যেটা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে গঠেছে)। শুধু UN মিশনকেন্দ্রিক সেনাবাহিনীও আমরা চাই না।
# সরকারী জমি সেনাবাহিনীর জন্য ৫০০ টাকায় কেন ৫ টাকায় বরাদ্দ দিলেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষের মতের বিরুদ্ধে তাদের ভিটে-মাটি পেশীশক্তির বলে ছিনিয়ে নেয়া কোন নৈতিকতাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। কিছু মাথামোটা আর্মি অফিসারের কারণে পুরো সেনাবাহিনী বিতর্কিত হয়ে গেলো।
# শুধুমাত্র aristocrat পরিবারের লোকজন অফিসার হয় আর গরিবের সন্তানরাই শুধু soldier হয় এ ধারণাও অমূলক। মেধা ও যোগ্যতাবলে যে কেউ সেনাবাহিনীর অফিসার হিসেবে যোগদান করতে পারে। আমার এক পরিচিত মেজর আছেন যিনি ছোটকালে অভাবের কারণে পাড়ায় পাড়ায় দুধ বিক্রি করতেন। এরকম আরো অনেকেই আছেন।
# যারা সেনাবাহিনীতে আছেন তাদের বলছি, রূপগন্জবাসীর জায়গায় আপনারা থাকলে আপনাদের কি প্রতিক্রিয়া হতো ?
# এটাও গভীরভাবে বিবেচনার বিষয় বাইরের কোন শক্তি এ ঘটনার পেছনে রয়েছে কিনা ! কারণ একের পর এক বিতর্কিত ঘটনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ঘিরে ঘটেই চলেছে। বিডিআর বিদ্রোহ, পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘাত, রুপগন্জের ঘটনা গভীর তদন্তের দাবী রাখে। কারণ প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড়িয়ে যাচ্ছে।
# এটা বলে শেষ করবো--- সেনা কতৃপক্ষের উচিত "ব্লাডি সিভিলিয়ান" টাইপ মনোভাব ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের সাথে মানসিক দুরত্ব ঘোচানো। আর সাধারণ মানুষেরও উচিত হবে সেনাবাহিনীকে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণী হিসেবে না দেখে বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে দেখার জন্য। তাহলেই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব মজবুত হবে।
বিষফোঁড়া বলেছেন:
আমার আগের মন্তব্যের জবাবে ''লেখক বলেছেন: "সামরিক বাহিনীর জন্ম হয়েছিল শস্য ফলানোর জন্য নয়,আমাদের ফসল যাতে অন্যে কেড়ে নিতে না পারে তাই।"বিনিময়ে কি শষ্যের জমি তাহাদের আবাসনের জন্য প্রদান করিতে হইবে?''
আপনার তো বেসিকেই সমস্যা।আপনার কথায় পরিস্কার বোঝা যায় আপনি সেনাবাহিনীকে আলাদা একটা দলে ফেলে দেখছেন।এটা ভুলে যাবেন না এ সেনাবাহিনী আমাদের ই।আমাদের আশেপাশের মানুষদের নিয়েই এ বাহিনী।
এ মানসিকতার কারন কি?সেনাবাহিনীকে এরকম শ্ত্রুপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করছেন কেন? আপনি কি শ্ত্রুপক্ষের ই দালাল?
মন মানে না বলেছেন:
স্যালুট বস ।
মৃগয়া বলেছেন:
দুর্নীতিবাজ সেনাবাহিনীর সমালোচনা নিষেধ। করলে পাছায় বিষফোড়া হবে।
হু, কথাটা ঠিক!!! কিন্তু কই কোথাও তো বললেন না কেন এর জন্ম, কোন কাজের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ ? এটা নিশ্চয় জানেন সেদিন পাকিস্তান সেনা বাহিনীর কুকর্ম বন্ধ, আমার মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা এবং আমার-আপনার স্বাধীনতার জন্যই এর জন্ম।
উদাসীফাহিম বলেছেন:
যে দেশের আর্মি তে নির্দিস্ট যুদ্ধ কৌশল নাই(প্রতিরক্কা নীতি নাই).........।সে দেশের আর্মি ত খায়/দায়/ঘুমাবে...।এবং সুযোগ পেলে বিদেশি হুজুর দের(কারণ শান্তরক্কা কাজে গিয়ে সবাই মাশাআল্লাহ আমেরিকার গোলাম/চর) নির্দেশে দেশের ক্কমতা নিজের হাতে তুলবে।এবং নিজের ধান্ধা করবেই।
আমাদের স্ভাধিন দেশের আর্মি নাকি ওদের ইন্টার কথাবার্তায় আমাদের উদ্ধ্ ত করে ব্লাডি সিভিলিয়ান বলে।
শেইম
হককথন বলেছেন:
1.কী রাষ্ট্রী নিরাপত্তা জন্য হুমকি মূলক অবস্থা বিরাজ করছিল যে রূপগঞ্জে সাব রেজিস্টার অফিসের দোর গোড়ায় সেনা ক্যাস্প বসাতে হবে। তা্ও সেনা তাবু নয় রীতি মত আধ পাকা ক্যাম্প২-আমাদের দেশের আর্মি হয়তো ভেবেই নিয়েছে যে তাদের এই জীবনে কখনও যুদ্ধ করতে হবে না। তাই তারা তাদের সম্মানজনক পেশা বা পোশাকের পুরো ফায়দা লুটে নেয়াকেই অধিকতর শ্রেয় বলে মনে করে।
3. স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত আর্মিদের বড় কোন অবদান আমি দেখিনা। জাতিসংঘে গিয়ে নিজেরা ফুলে ফেপে মোটাতাজা হয়েছে, সীমান্তে বি.এস.এফ এর গুলিতে বাংলাদেশী মারা যাচ্ছে আর্মিরা নিশ্চুপ, বার্মা সীমান্তে শরণার্থী আসছে আর্মিরা নিশ্চুপ, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো সমুদ্র আগ্রসনে ব্যাস্ত আর্মিরা নিশ্চুপ, এমনকি আমিন বাজারে নদীতে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটিও আর্মিরা সনাক্ত করতে পারলনা, তা সনাক্ত করল চান মিয়া নামের ফায়ার সার্ভিসের এক ডুবুরী। আর্মি আমাদের কোন কাজে লাগছে? কেউ, কেউ বলেছেন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা, এটা তো তাদের এক্সট্রা রিমোনারেশন ওভার টাইমের মত এক্সট্রা ইনকাম। উপরোক্ত ক্ষেত্রে আর্মিদের ইনভলব না করা সরকারী পলিসিরই একটা অংশ বলে আমি মরে করি।
নুর মোহাম বলেছেন:
এক কথায় বলব, সাহসী পোস্ট, সামুতে আমার দেখা পোস্ট সমুহের মধ্যে আমার দৃষ্টিতে সেরা পোস্ট
আমরা আ.লীগ, বিএনপি, জামাতী করি, কিংবা কেও ঘরে বসে বাম পন্থী!!!
যে যেদল করে তার সাত খুন মাপ, আর বাকি সবাই শুয়োরের বাচ্চা!
- কি এক বিন্দু ভুল বললাম?
এই রুপ অসুস্থ মানসিকতা ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে....
আমাদের মজ্জা শিরা, ধমনীতে ----
স্থুল/সুক্ষ ভাবে/ দিনে দিনে/ সবাই মিলে / ঠান্ডা মাথায়..সব মাধ্যমে.. সব ভাবে...
এই মানসিকতার আর এক বহি: প্রকাশ সামুর এই স্টিকি উপাখ্যান!!!
অ.ট.: গেল তত্তাবধায়ক সরকারের আমলে দেশের প্রকাশ্য নরকের কীট গুলোকে যে ট্রিটমেন্ট দিয়েছিল, আল্লাহ বাচিয়ে রাখলে অমরা আমাদের নাতি পুতিদের গর্ব ভরে বলবো এ ঘটনা!
ইতিহাস হয়ে থাকবে...
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা এখন ও তৈরি হয়নি!
একজনকেও খুজে পাওয়া যায়নি, যারা আমাদের সঠিক/সৎ পথে নেতৃত্ব দিবে।
তারা চেষ্টা করেছিল, সফল হতে পারেনি।
অপরদিকে এই রক্তচোষাদের চেলারা (যেনে হোক কিংবা না যেনে) শেষ চেষ্টা করে যাবে এর শোধ তুলতে।
অন্তত সেনা বাহিনীকে বিতর্কিত করতে পারলেও কিছুটা গাত্র জ্বালা জুড়ায়!
বাংলাদেশে আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য আর্মিদের আরো সচেতনার সহিত কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে এটা মাত্র প্রথম অপ্রীতিকর ঘটনা, শিক্ষা নিয়ে আরো সাবধানে যে কোন পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ তাদের এখন। (যদিও দ্রত তারা পিছিয়ে আসে)।.....
কারন আপনাদের উচ্ছেদ করার জন্য তারা মনে প্রানে রেডি!
আমরা শক্তি হারা হলে কাদের লাভ বলুন তো?
________________________________________________
এ পোস্টে কিছু লিখবো না বলে চিন্তা করেছিলাম, তবু মানসিক অসুস্থতা/দোষারোপ দেয়ার যে কালচার এই ঘৃণ্য রাজনীতিবিদেরা শিখিয়ে দিচ্ছে আমাদের তার নিয়ে বলতেই কিবোর্ড নিয়ে বসলাম।
আমরা আর কতকাল এরূপ রাজনীতিবিদদের হয়ে পুতুল নাচ নাচবো?
এটা পরিস্কার আপনি লেখাটি দিয়েছেন, রূপগঞ্জ বাসীর কষ্ট দুর্দশা লাঘবের নিমিত্তে নয়,
শুধুমাত্র বাংলাদেশ আর্মিকে কলংক লেপন উদ্দেশ্যে।
আপনার মন্তব্য উত্তরগুলো পড়লে বিষয়টা পরিস্কার হয়েছে।
আর বিষয় গুরুত্ব অনুযায়ী ভাষা প্রয়োগ/ব্যবহার যাচ্ছেতাই!
মাইনাস দিলাম (যদিও প্লাস মাইনাস কোন কিছুই তেমন প্রতিনিধিত্ব করে না)।
জুম্মি আদুরী বলেছেন:
+++++++++
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন:
এই পোস্টটা স্টিকি করা সামুর মোটেও উচিত হয়নি। এটি দায়িত্বহীন কাজ হয়েছে। লেখাটি একপেশে ।
নাভদ বলেছেন:
যারা নিরীহ গ্রামবাসীর উপর এহেন অত্যাচারের পরেও সেটার থেকে কোন বাহিনীর ভাবমূর্তি নিয়ে বেশী চিন্তিত, আমার কামনা এই সেসব ব্লগারের বা তাদের নিকত্মায়ীদের অবস্থা কখনো নিচের ছবিদুটোর পরিবারগুলোর মত না হয় -
প্রথম আলো
ডেইলী ষ্টার
Nine-year-old Mrittika, whose father Abdul Aleem Masud went missing in Saturday's Rupganj violence, weeps almost unceasingly while her mother Kohinoor, right, faints frequently at their Baraisoni village home yesterday.
নাজনীন১ বলেছেন:
ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে যেমন সিভিল আইন চলে না, সেনা আইনের দরকার পড়ে, ঠিক তেমনি সিভিল এলাকায় সেনা আইন অচল, সেখানে সিভিল আইনই একমাত্র উপায় ---- এটা আমাদের সেনাবাহিনী যতদিন না বুঝবে, ততদিন এরকম একেকটা ঘটনা ঘটতেই থাকবে।নিকট অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ঘটে যাওয়া ঢাবির ঘটনা থেকেও এরা কোন শিক্ষা নিতে পারেনি। ৯০-এর অভ্যুত্থান তো আরো আগের কথা। আমরা মনে হয় ৭১-এর ২৫শে মার্চের ঘটনাও ভুলে গেছি।
অস্ত্রের মুখে জনগণকে দাবানো যায় না, জনগণ যায় না ক্যান্টনমেন্টে দাপট দেখাতে, আর্মিদেরও উচিত নয় সিভিল এলাকায় দাপট দেখানো।
তবে তাই বলে আর্মিরা শস্য ফলাবে এরকম প্রতীকি চাওয়াও ঠিক নয়। আর্মিদের কাজ শস্য ফলানো নয়, দেশ রক্ষা করা। ছোটবেলায় আমরা "সমাজ" কাকে বলে , কেন সমাজ গড়ে উঠেছিল, সেটা পড়েছি। এক সমাজে বা রাষ্ট্রে সবাইকেই প্রয়োজন আছে।
অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যে কল্যাণ তহবিল থাকে, তার সাথে সেনা কল্যাণ তহবিলের মিল কোথায়, অমিল কোথায়, সুবিধা-অসুবিধা কার বেশি, কার কম, এসব তহবিল থেকে চালিত সরকার কর্তৃক বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যবসার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের বা ঐ প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা কি বা এতে জনগণের উপরে প্রত্যক্ষ করের চাপ কমে কি বাড়ে (অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীর কল্যাণার্থে) --- এগুলো নিয়ে আলাদা পোস্টে আরো বিস্তারিত আলোচনার দরকার মনে করছি।
আর আমরা জনগণ সেনাবাহিনীর মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিদুস্যতার বিরুদ্ধে যেভাবে জনমত গঠন করতে পেরেছি, সেরকমটা কি অন্যান্য ভূমিদুস্যদের বিরুদ্ধে পারবো? যেখানে ওইসব ভূমিদুস্য সরাসরি সরকারকে হুমকি-ধমকি দেয়, আবার কিছু সরকারী সাংসদসহ স্থানীয় কিছু সুবিধাপ্রাপ্ত জনগণও ড্যাপ বাস্তবায়নে বাঁধা দেয়.........আমাদের একশ্রেণীর সুবিধাবাদী জনগণদেরও কি কাঠগড়ায় দাঁড় করানো দরকার না?
আমি বীরবল বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট। সময়োপযোগী। শোষিত মানুষের পক্ষে আমাদের মিডিয়ার উচিত পাশে দাঁড়ানো। সিভিলিয়ান সরকার যা আচরন করছে তা বিগত সকল সামরিক শাসনের মাত্রাও ছাড়িয়ে গেছে। আর্মিরা একদিন মনে হয় ৫৫ হাজার বর্গমাইলের পুরাটাই খেয়ে ফেলবে।এদেশের সেনাবাহীনী সাধারন মানুষের বন্ধু নয়-এরা সকারের ঠাংগারে বাহিনী হয়ে নিজেদের আখের গুটায়।পুলিশ ঘুষ খায় ২০০ টাকা জীবন বাঁচাতে আর সেনাবাহিনী লুটপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়ে বিলাসী জীবন যাপনের জন্য। নৈতিকতার দিক থেকে ছিন্তাইকারী, ভুমিদস্যু, কালোবাজারী, সেনা বাহীনী ও পুলিশ বাহীনীর মধ্যে কোন পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়না।আজ সেনাবাহীনী নির্বাচনে জেতার অস্ত্র হয়ে গেছে। এখন সেনাবাহীনী আর বসুন্ধরা গ্রুপের মধ্যে পার্থক্য নাই। হয়তো দেখা যাবে জমি দখল নিয়ে সেনা বাহীনী ও বসুন্ধরা সম্মুখ যুদ্ধে নেমেছে। আগেকার দিনের চর দখলের মতো।
সামু কর্তৃপক্ষকে সালাম ধন্যবাদ এই পোস্ট স্টিকি করার জন্য।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বিশ্লেষণমূলক পোস্টটা ভালো লাগলো খুব।আর্মিদের দেশপ্রেমের কথা এই পোস্টে বলছেন কেউ কেউ। বিষয়টা এমন যেন আর্মিরা মহাপব্ত্রি সত্ত্বা। তাদের বিরুদ্ধে টু শব্দটিও করা যাবে না! দেশের আর্মি যখন বাণিজ্যের অংশ হয়ে যায় তখন নিসঃন্দেহে বিষয়টি সামরিক নীতির জন্য ক্ষতিকর। কথিত আর্মি হাউজিং স্কিমের নামে জনগণের বাসভূমি অধিগ্রহণ করার বিষয়টি নিন্দনীয়।
আপনার পোস্ট থেকে আর্মি হাউজিং স্ক্রিমের ওয়েবসাইটে গেলাম। সেখানে দেখতে পেলাম-
Organization – The Army Housing Scheme (AHS) will be registered as Housing Company to the joint stock Company of Bangladesh under the Companies Act (Act XVIII) of 1924 as a Limited Company.
মজার ব্যাপার হলো ১৯২৪ সালের কোন কোম্পানী আইন নাই। এটি হবে ১৯৯৪ সালের কোম্পানী আইন। জ্ঞানী আর্মি কর্তৃপক্ষ এই ভুলটা কিভাবে যে করলো!
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন:
বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি কাল অধ্যায়ের পেছনে জলপাই রঙটি খুব প্রকট।
আমাদের আর্মিকে বিলাসী, অলস আর জন বিচ্ছিন্ন করতে পারলে যাদের লাভ তারা এই ঘটনায় নিশ্চই খুশী হয়েছে। আমাদের দেশের সুদুর প্রশারী পরিকল্পনাগুলোর খুব কমই আমরা করি। দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলার বিবরন যে ভাবে জনমত তৈরী করার জন্য পত্রিকায় প্রচার পাচ্ছে, পিলখানায় এতোজন আর্মি অফিসারকে যে ভাবে হত্যা করা হয়েছে, বিডিআর কে যে ভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে, তাতে বৃহৎ একটা পরিকল্পনা বৃহৎ একটা শক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলেই মনে হয়।
ইনক্রেডিবল বলেছেন:
পোস্টের শিরোনাম “দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” দেখে হঠাৎ আমার উর্বর মস্তিষ্কে খেয়াল চাপলো : আর্মিকে দিয়েই ধান চাষ করালে কেমন হয়? ছবি সহ জাতীয় পরিচয়পত্র, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের মত কাজ থেকে সরিয়ে এনে ধান চাষ করালেই আর কেউ বলতে পারবে না যে বসে বসে খায়। সরি। একটা সিরিয়াস পোস্টে ফান করার জন্য।
এক্স বলেছেন:
@সীমন্ত ইসলাম - সুন্দর পয়েন্ট বলেছেন. @ইনক্রেডিবল - ইনক্রেডিবল কথা বলেছেন. কাজ চলছে, বিএসএইপ কে দেশরক্ষা চুক্তিতে রাজী করাতে পারলেই বিডি আর্মিকে দিয়ে ধান চাষ করানো হবে.
এক্স বলেছেন:
@সীমন্ত ইসলাম - সুন্দর পয়েন্ট বলেছেন. @ইনক্রেডিবল - ইনক্রেডিবল কথা বলেছেন. কাজ চলছে, বিএসএইপ কে দেশরক্ষা চুক্তিতে রাজী করাতে পারলেই বিডি আর্মিকে দিয়ে ধান চাষ করানো হবে.
এক্স বলেছেন:
@সীমন্ত ইসলাম - সুন্দর পয়েন্ট বলেছেন. @ইনক্রেডিবল - ইনক্রেডিবল কথা বলেছেন. কাজ চলছে, বিএসএইপ কে দেশরক্ষা চুক্তিতে রাজী করাতে পারলেই বিডি আর্মিকে দিয়ে ধান চাষ করানো হবে.
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
রূপগঞ্জে যা ঘটেছে, তা নিয়ে ডিসকার্সিভ আলোচনা হওয়া দরকার। দিনমজুরকে ধন্যবাদ ক্রিটিকাল অবস্থান থেকে বিষয়টা আলোচনা করেছেন। সামু কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ পোস্টটাকে স্টিকি করার জন্য, তাতে অনেক ব্লগারের অংশে নেয়ার সুযোগ ঘটেছে। তবে অনেকে 'সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করা'র অকারণ আশঙ্কায় ভুগছেন। সেনাবাহিনী কতটা 'বিশেষ' প্রতিষ্ঠান যে তাকে নিয়ে আলোচনা করা যাবে না? বিশেষত গণতান্ত্রিক সময়ে যখন সেনাবাহিনী সাধারণ জনগণের সঙ্গে সাংঘর্ষিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে, তখন খোলাখুলি আলোচনা হওয়াই দরকার। মেইনস্ট্রিম মিডিয়া তা পারছে না। ব্লগ/সাইবারপরিসর নিয়ে এজন্য আমি বরাবরই আশাবাদী।
জিয়া চৌধুরী বলেছেন:
দুরে গিয়া মর।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
জানা'পুর মন্তব্য ভালো লাগলো !
সামুতে স্টিকি পোস্ট সহজে নামতে চায়না !
এই পোস্টটি একদিনেই কেন সরে গেল, নোটিশবোর্ড কি বলতে পারবেন ?
আরিল বলেছেন:
as noticeboard is not available now, let me give a small note. this post created a strong debate and let opinions, logic and facts be shared from more view points and at more richness than any other media could have provided. i guess many people with me feel that this debate has established a strong base to establish our own opinion on this issue, whatever these may be, than had we just flipped through the newspapers or tv channels as usual.the post was up for two days and one night. throughout the day today we saw that the post loaded extremely slow due to the high volume of content and comments came more infrequent. we therefore decided to unstick the post for now.
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন:
সামু কতৃপক্ষ ডরাইছে।
নিঃসঙ্গ বায়স বলেছেন:
প্রথমেই বড়সড় একটা "মাইনাস" এভাবে এত বড় একটা সত্য কে সকলের সামনে প্রকাশ করে দেওয়ার জন্য। এই ভাবে কাউরে ন্যাংটা করে দেওয়াটা কী ঠিক? তাও আবার আমাদের প্রতিরক্ষার দায়িত্বে যারা আছেন, তাদের নিয়া! আপনার তো ভাই লজ্জিত হওয়া উচিৎ। এক্ষনি মাফ চান মিয়া ওই জল্পাইধারীদের দালালগুলার কাছে এই ভাবে অযাচিতভাবে সত্যকে প্রকাশ করে দেওয়ার জন্য। জয় আর্মি, জয় ইতরামি !!!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই একপেশে ও বিদ্বেষমূলক এই লেখাটি স্টিকি থেকে দ্রুত সরানোর জন্য। সেই সঙ্গে অনুরোধ রাখছি, এইরকম পোস্ট স্টিকি করার ক্ষেত্রে তারা আরো সতর্কতা অবলম্বন করবে। এটা রীতিমতো অবিশ্বাস্য ছিল যে, পেশাদারি মনোভাব ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য যে সামহোয়্যার খ্যাত, তারা কী করে এইরকম একটি বিদ্বেষমূলক প্রায় কপিপেস্ট লেখা রীতিমতো স্টিকি করে? আমার বিস্ময় জাগে, সামহোয়্যারের আধুনিক মানুষগুলো কী করে এইসব আজিজ মার্কেটজীবী অচল সমাজতন্ত্রীদের পাল্লায় পড়ে!
মনজুরুল হক বলেছেন:
সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ পোস্ট সময়মত স্টিকি করণ এবং যথাপোযুক্ত সময়ে ননস্টিকি করার জন্য। পোস্ট স্টিকি হওয়ায় সাধারণ জনগণ তাদের অব্যক্ত যন্ত্রণার কথা অকপটে বলতে পেরেছেন। সুবিধাবাদীরা হাওয়ায় গদা ঘুরিয়ে কল্পিত বিভেদের ধূয়ো তুলে গেল গেল রব তুলে নিজের সুবিধাবাদীতার ভান্ডার পূর্ণ করতে পেরেছেন। কারপুরুষরা তথাকথিত অস্ত্রধারী "সুপুরুষদের" উর্দির ভাঁজে নিজেকে নিরাপদ ভেবে চিরাচরিত দালালির ডেমোনেস্ট্রেশন দেখাতে পেরেছেন। নীতিহীন মেরুদণ্ডহীন না বাম-না ডান সুবিধাবাদীরা এই সুযোগে দুষিত রক্তের ধারাবাহিকতায় বামদের গালাগাল দিয়ে নিজের বিকৃতিকে আরো শাণিত করতে পেরেছেন। ব্যবসার পাশাপাশি কাগজের চাকরি করা বহুরূপী গিরগিটি রূপ বদলে নর্দমায় নেমে যাওয়ার দশা থেকে হাঁচড়েপাচড়ে জাতে ওঠার কোশেশ করেছেন।
তবে সত্যের নিয়ম হলো তা মাইকে ঘোষণার আগেই ইথারে ছড়িয়ে যায়। তাবড় তাবড় সব পেইড আপ সম্পাদকেরা যখন জলপাই চোখরাঙানিতে মোলায়েম সম্পাদকীয় লেখেন আর ইনিয়ে বিনিয়ে পুলিশের বরাতে প্রেস রিলিজ ছাপেন এবং বুকের ভেতরকার পাপবোধ লুকোতে "নিরুপায়","অসহায়ত্ব"কে বরণ করে আরো এক প্রস্থ ভণ্ডামির জন্য আরো একটা দিন বাঁচেন, ঠিক সেই সময় দিনমজুরেরা অকূতভয় লিখে যান। এখানে একজন দিনমজুর এক হাজার গিরগিটির চেয়ে এগিয়ে থাকেন।
কর্তৃপক্ষকে আরো ধন্যবাদ এ জন্য যে, এই থ্রেডটা অনেক লম্বা হয়ে পড়তে-লিখতে সমস্যা হচ্ছিল। ননস্টিকি করায় এবার নতুন থ্রেড ওপেন হবে। সেখানে নষ্ট আর নর্দমার কীটদেরও আমন্ত্রণ রইল।
এ.জে.মিন্টু একটা প্রশ্ন রেখেছেন- "ছাগু সম্প্রদায় সবসময় জলপাইমামাদের পছন্দ করে ক্যান? কারো কাছে ব্যাখ্যা থাকলে জানায়েন। আমি আবার ছায়াছবি লাইনের লোক, এ বিষয়গুলো তেমন বুঝি না। "
উত্তর তেমন কঠিন না মিন্টু। যার যা নেই সে তার জন্য হাপিত্যেশ করে। সমাজে কিছু ক্লিব আছে, যাদের ইচ্ছে হয় সবাইকে দাবড়ে বেড়ায়, ধমক দেয়, অঙ্গুলি হেলনে একে তাকে ওঠ-বস করায়। কিন্তু নিজের না-মরদ ক্লিবত্বে সে সব পারেনা। তার হয়ে সেই অনৈতিক কাজটা পেশাগত ক্ষমতাবলে যখন কেউ করে দেয় তখন সে এক ধরণের চরমানন্দ লাভ করে। এটা অনেকটা স্যাডিজমের পর্যায়ে পড়ে।
সিনেমার লোক যখন তখন নিশ্চই দেখেছেন থার্ড ক্লাসে বসা দর্শকরা ভিলেন মার খাওয়ার সময় অন্তর থেকেই তালি দেয়! সে তখন নিজেকে নায়কের রূপে দেখে। আর নায়ক মানেই সে ক্রসফায়ারে মরবে না, ভিলেনের লাঠির আঘাতে মরবে না, মিছিলের ইটের টুকরোয় মরবে না, এক লাখ মিছিলকারীর সামনেও সে অটল, কেননা তার হাতে বন্দুক।
রাজর্ষী বলেছেন:
এই *কান্তি নিক গুলোর ব্লগীয় ভুমিকা বিতর্কিত ও রহস্যজনক।
দিনমজুর বলেছেন:
একটি বিলম্বিত সাফাইদিনমজুরের পোষ্ট এর আগেও স্টিকি হয়েছে কিন্তু বোধ হয় এবারই প্রথম পোষ্টটি শুধু দিনমজুরের থাকে নি, সবার হয়ে উঠেছিল। এর একমাত্র কারণ বোধ হয় পোষ্টের বিষয়(অর্থাৎ লেখাটি নয় লেখাটির সাবেজেক্ট ম্যাটার): বিষয়টি নিয়ে সকলেরই অনেক কথা ছিল বলার মতো-- রূপগঞ্জের ঘটনা, ঘটনাকে উপলক্ষ করে এই পোষ্ট, পোষ্টটির স্টিকি হয়ে উঠার ঘটনা এতে ইন্ধন জুগিয়েছে। এই মন্তব্যটি যখন পোষ্ট করছি, তখন পর্যন্ত পোষ্টটি ৬৬৫৩ বার পঠিত, মন্তব্যের সংখ্যা ৫৭১ টি, পোষ্টটি ভাল লেগেছে ২৮৪ জনের এবং ভাল লাগেনি ১১১ জনের। একটা বিষয়ে একটু সাফাই গাওয়া দরকার- মন্তব্যে আমাদের প্রত্যুত্তর বা রেসপন্স বিষয়ে। দিনমজুরের পোষ্টে সাধারণত সকল প্রশ্ন/দ্বিমত/ভিন্নমত বিষয়ে কোন না কোন রেসপন্স করা হয়(ধন্যবাদ/প্লাস/অভিনন্দন ইত্যাদি মন্তব্যে অনেকসময় রেসপন্স করা হয়ে উঠে না)- প্রশ্নকর্তা/মন্তব্য দাতার তথ্য/যুক্তি বক্তব্য আমাদের কাছে সঠিক মনে হলে সেটা মেনে নেয়া হয় নতুবা আমাদের ভিন্নমত/বক্তব্য যুক্তি জানিয়ে দেয়া হ। এর উদ্দেশ্য তর্ক যুদ্ধে জয় লাভ জাতীয় কোন বিষয় নয় বরং উদ্দেশ্য হলো মন্তব্যকারী এবং অন্য পাঠক উভয়ের কাছে বিষয়টি সসম্পর্কে আমাদের অবস্থান যেন অস্পষ্ট বা ধোয়াশে না থাকে।
এখন এই পোষ্টটি যদি কেউ লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন, অনেক মন্তব্য/প্রশ্ন/ভিন্নমত ই আনঅ্যানসারড রয়ে গেছে। এর কারণ হলো, শুরুতে আমরা ধরে ধরে প্রত্যেকটি মন্তব্য/প্রশ্ন/ভিন্নমত বিষয়ে আমাদের মতামত প্রকাশ করেছি। কিন্তু একটা পর্যায়ে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরী হয়, যখন থেকে আর এ বিষয়টি মেনটেইন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় নি—এর কারণ মূলত দুটি- এক. বার বার একই ধরণের প্রশ্ন/অভিযোগ/ভিন্নমত আসতে থাকা যেগুলো সম্পর্কে ইতোমধ্যেই আমরা আমাদের বক্তব্য পরিস্কার করেছি। দুই. কিছু কিছু মন্তব্যকারী কর্তৃক মন্তব্য ফ্লাডিং করা/অবান্তর, অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উত্থাপন করে আলোচনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা ইত্যাদি। এসময়, একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ঘটে: আমাদের বক্তব্যের সাথে একমত বা একাত্মতা পোষণ করে এরকম অনেক ব্লগার নিজ উদ্যোগেই এই ততপরতার বিরুদ্ধে দাড়িয়ে যান এবং তারাও তাদের মতো করে উত্থাপিত প্রসঙ্গগুলোর জবাব দিতে থাকেন।
ফলে আমরা দেখলাম, একদিকে এই বিপুল সংখ্যক মন্তব্য সঠিক ভাবে, সময় মতো, সমান গুরুত্ব দিয়ে হ্যান্ডেল করা আমাদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছেনা, ফলে আমারা খুব সচেতন ভাবেই হাতগুটিয়ে নিলাম, মাঝে দুই একবার একান্তই জরুরী দুএকটি ক্ষেত্র ছাড়া(যেমন: ফ্লাডিং ধাচের মন্তব্য ডিলিট করা, জরুরী ইনফো চাওয়ায় সেটা সরবরাহ করা, ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি) আমরা তেমন কোন মন্তব্যে অংশ নিইনি। কিন্তু দেখলাম তাতে ক্ষতি তেমন কিছু হয় নি, কারণ ব্লগাররাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে পোষ্টটিকে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। আর প্রাণবন্ত আলোচনা-তর্কবিতর্কের কারণেই যে উদ্দেশ্যে এই লেখাটি ব্লগে পোষ্ট করা- অর্থাত রূপগঞ্জে সামরিক ভূমি আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানানো এবং এ ঘটনাকে উপলক্ষ্য করে বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীর বর্তমান ধরণ/ক্ষমতাকাঠামোর সাথে সম্পর্ক/এলিটিসিজম/ফৌজি বাণিজ্য/ক্রমশ গণবিরোধী চরিত্র ধারণ ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে একটা জোরালো প্রশ্ন তোলা—সেই উদ্দেশ্য বেশ ভালো ভাবেই সফল হয়েছে বলে মনে আমরা মনে করছি যদিও এর পেছনে কৃতিত্ব পুরোটাই সামহোয়ারের ব্লগারদের যারা এ বিষয়ে মন খুলে যার যার কথা বলার মধ্যদিয়ে বর্তমান মিলিটারি হেজিমনি সম্পর্কে সাহসের সাথে তাদের নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেছেন।
তবে, মনে রাখা দরকার, ব্লগজগতের এই তোলপাড়ে রূপগঞ্জের আর্মি হাউজিং প্রকল্প যেমন এখনও বাতিল হয়নি, যেমন গুম হয়ে যাওয়া লাশগুলোকে পারিবারিক দাফন/সতকারের জন্য ফিরিয়ে দেয়া হয়নি কিংবা গ্রামের ৩/৪ হাজার মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি, তেমনি এ বিষয়ে ব্লগ ও মিডিয়ায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশের ফলেই এ বিষয়ে শাসকশ্রেণীর দৃষ্টি ভঙ্গি ও কর্মকান্ডের পরিবর্তন ঘটবে, সামরিক হেজিমনির অবসান ঘটবে কিংবা সামরিক-বেসামরিক, বাণিজ্যিক- অবাণিজ্যিক আবাসন বা খনিজ উত্তোলণের নামে কিংবা জাতীয় স্বার্থের মোড়কে মেহনতি কৃষকের জমি কেড়ে নেয়ার চলমান বন্ধ হয়ে যাবে-- এরকমটা নিশ্চয়ই অটোমেটিক্যালি ঘটবে না। এর জন্য প্রয়োজন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রেণীর পক্ষের রাজনৈতিক শক্তির বিকাশ। আমরা সকলকে সেই রাজনৈতিক বিকাশের পক্ষে কাজ করার আহবান জানিয়ে এই বিলম্বিত ও দীর্ঘ সাফাই শেষ করছি।
সবাই কে ধন্যবাদ।
বি:দ্র: আমরা আজকে জাতীয় কমিটির জাতীয় সম্পদ রক্ষার লং মার্চে যাচ্ছি। রংপুর থেকে লংমার্চে যোগ দেব। সবাইকে ফূলবাড়ি-বড়পুকুরিয়া অভিমুখে লংমার্চে যোগদান ও তেল-গ্যাস-বিদ্যূত বন্দর রক্ষার লড়াইয়ে যোগদান ও সমর্থনের আহবান জানাচ্ছি।
নিঃসঙ্গ বায়স বলেছেন:
দিন্মগুর ভাই, লংমার্চ এ গিয়ে সুযোগ হলে অভিজ্ঞতা জানিয়ে একটা পোস্ট দিবেন। "রণাঙ্গন থেকে বলছি..." এই টাইপের পুরষ্কার ও তৃরষ্কার ২ই প্রয়োজন ছিলো ,
ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি কাম্য , যেই হোক !!
ইবনান বলেছেন:
৩৬৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:০৯
মনজুরুল হক বলেছেন:
" ওয়াতন কওমকি, কওম তুমলোগ। হামলোগ কওমকি রাখেওয়াল, রাখেওয়াল কওম হ্যায়"।
এই পোস্ট অন্তত ১৫ দিন স্টিকি রাখার দাবি জানাচ্ছি।
-------------
৪৫৮. ২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:৫১
মনজুরুল হক বলেছেন:
সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ পোস্ট সময়মত স্টিকি করণ এবং যথাপোযুক্ত সময়ে ননস্টিকি করার জন্য।
--------------
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আরিল, আন্তরিক জবাবের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ।
পোস্ট ননস্টিকি করা বিষয়ে আপনার বক্তব্য ভালো লেগেছে ।
সামুতে দীর্ঘদিন কাটিয়ে দিলাম , এই সময়ে এসে , আজ এই মুহূর্তে যে কথাটা বলতে ইচ্ছে করছে, তা হলো, আপনারা একটা নতুন ধারায় প্রবেশ করতে যাচ্ছেন । আর এই ধারাটা ধরে রাখলে বেশীর ভাগ ব্লগারকে আপনারা সবসময় সঙ্গে পাবেন, এই কথা জোর দিয়েই বলা যায় ।
ব্লগারই যেহেতু আপনাদের শক্তি, অন্য কোন শক্তিকে কোন অবস্থাতেই ভয় পাবার কিছু নেই । ব্লগাররা সত্যিই এই ব্লগটাকে ভালোবাসেন ।
সেক্ষেত্রে সবচে' বেশী সতর্ক থাকতে হবে আপনাদের যে পক্ষটার জন্য, সেটাকে আপাতদৃষ্টিতে কাছের পক্ষই মনে হয় । সেটা চাটুকার পক্ষ । মোসাহেবী করে এরকম মানুষরা, ক্ষতিটা করে ধীরে । একসময় ফেরার সুযোগ থাকেনা । কারণ, বন্ধুরূপেই তারা কাজটা করে । তারা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সঠিক বুদ্ধি দিতে পারেনা । আমাদের সরকার থেকে শুরু করে, প্রতিটা ক্ষেত্রেই মোসাহেবরাই চোখের পর্দা সরতে দেয়না ।
সমালোচকরা শত্রু না । কারণ , সমালোচকের সমালোচনায়, আপনার আমার ত্রুটিগুলো পাওয়া যায় ।
শুভ ব্লগিং ।
কল্লোল কর্মকার বলেছেন:
আইজকার দুই দুইখান পত্রিকার ল্যাখা দ্যাখলাম রুপগঞ্জের ঘটনা নিয়া। একটায় কইছে রুপগঞ্জ এখনও থমথমে আর আরেকটায় কইছে প্রান ফিরে পেয়েছে রুপগঞ্জ। আসলে অবস্থাটা কি? অবস্থা সেই সাবেক। আইজকাই ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটেও আর্মি কর্পোরেশনের এক জওয়ান লেড়কা(লেড়কা কইলাম কারণ, থার্ড স্ট্যাম্পের ধর্ষকামী চরিত্রটাতো দেখাইতে হইবো) কায়েতটুলী বাজারে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে আসা এক কিশোরকে '' খানকির পুত, রাস্তায় ক্যান, মোবাইল করবি কোন বাপেরে। মোবাইল তোর পুটকি দিয়া ঢুকাইয়া দিমু।'' এই বলে লাগিয়ে দিলো দুঘা। আর আমাগো বিচিছাড়া কতিপয় পত্রিকা কইতাছে ''ওইখানে স্বাভাবিকতার সুবাতাস বইছে''। হায়রে সুবাতাস!! হ...বাতাস বইতাছে ঠিকই তয় জলপাই রংয়ের গন্ধ আছে তাতে, এতো উগ্র গন্ধ যে টেকা দায়। খুবই ভালো লাগলো লেখাটা পড়েরে ভাই। কমেন্ট করার লোভ সামলাতে পারলাম না।
সেই যে গোলা ছাড়া কামানের নল আমাদের আকাশ বরাবর উঠেছে, এখনও তা উঠেই আছে, শুধু এখন আর কামানের নল ফাকা নয়, তার মধ্যে তরতাজা গোলাও আছে। কারণ ওই পাকিস্তানের ভুতেদের বোঝা সারা যে, জনগন যে কোনো মুহুর্তেই তেতে উঠতে পারে। আর তাইতো বন্দুকের সেফটি ক্যাচ সবসময়ই অন থাকে, আর তা দিয়ে বের হয়ে যায় দু-একটা গুলি। কর্পোরেশনের কর্তাব্যাক্তিরা বলেন, অসাবধানে বের হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো আপনাগো অসাবধানে যে কৃষকের মানিকটা মারা গেলো, তার কি হবে?
৭১ এর পর সোনাবাহিনী কি অবদান রাখছে, তার একটাই উত্তর ধর্ষণ আর লুটপাট। সারা পাহাড় জুরে তাদের ধর্ষনের চিত্র আর পুরো দেশ জুরে তাদের লুটপাটের চিত্র। আর্মির বন্ধুরা তো কইবেন যে, আর্মি সোনারা দ্যাশটারে বাচাইয়া রাখছে। বাল রাখছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফ্রন্ট লাইনে থেকে যুদ্ধ করেছিল কারা? এই দেশেরই সাধারণ জনগন। যদিও বীরশ্রেষ্ঠ সব কয়জনই সামরিক বাহিনীর।
জেগে উঠেছে রুপগঞ্জের জানগন, এভাবেই জেগে উঠবে সারাদেশের জনগন। এই জনগনেরই দোর্দান্ড প্রতিবাদে একদিন সেনা কর্তৃত্বের সকল দেয়াল ভেঙে খান খান হয়ে যাবে। রুপগঞ্জ তার শুরু মাত্র।
ধন্যবাদ আবরো। অনেক কথা বলার ছিলো কিন্তু আপনিই সব বলে দিয়ে শুধু সহমতটাই নিয়ে গেলেন।
রুপগঞ্জবাসীদের লাল সালাম....
কল্লোল কর্মকার বলেছেন:
সংশোধনঃ লেখার দৌড়ে কায়েতপাড়া হয়ে গেছিলো কায়েতটুলী। ক্ষমা করবেন.....
সত্যান্বেষী বলেছেন:
মনজুরুল হক বলেছেন: "এখানে একজন দিনমজুর এক হাজার গিরগিটির চেয়ে এগিয়ে থাকেন।"
সত্যান্বেষী বলেছেন:
মনজুরুল হক বলেছেন: "এখানে একজন দিনমজুর এক হাজার গিরগিটির চেয়ে এগিয়ে থাকেন।"
মহাকাশ বলেছেন:
এমন যৌিক্তক পোষ্ট, লেখক ভাইকে সালাম। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++অনেক মার্শাল যুক্তি আপনার পাল্টা যুক্তিতে টিকতে না পেরে রাগে রুপান্তররিত হয়েছে। সামনে পাইলে মনেহয় খবর কইরা দিত!!!
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন:
মনজুরুল হক বলেছেন: "এখানে একজন দিনমজুর এক হাজার গিরগিটির চেয়ে এগিয়ে থাকেন।"
যুগান্তকারী বলেছেন:
সেনা বাহিনীর লোকদের যখন এতই থাকার জায়গার অভাব তাহলে পুরাতন ভবনগুলো ভেঙ্গে মাল্টিস্টোরিয়েড বিল্ডিং করে দিলেইতো হয়। আর জানা মতে মাল্টিস্টোরিয়েড বিল্ডিংগুলো যেমন জ়ায়গা জমি নিয়ে কেচাল কম হবে তেমন অর্থের সাশ্রয় হবে।আসলে পুজিবাদীর নীল বিষ থেকে সেনা বাহিনীর লোকেরাও মুক্ত হতে পারছে না।যার কারনে পুজিবাদের সকল কুফলগুলো একসাথে মেলে ধরছে তারা।দিনমজুরকে সমসাময়িক লেখার জন্য ধন্যবাদ।
চিন্তা শিল্পী বলেছেন:
ছাগু টাইপ সেনা বিদ্বেষী আবাল পোস্টে মাইনাস
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন:
“এই ধরণের ঘটনা থেকে জনগণের অর্থে লালিত পালিত আর্মি কর্পোরেট পুজির মালিকে পরিণত হয়ে আর দশটা কর্পোরেট গ্রুপের মতোই লুটেরা শোষক শ্রেণীর কাতারে দাড়িয়ে যাওয়ার আভাস পাওয়া যায়”।লেখার শেষ অংশে উনি যা বললেন তা থেকে এটা বুঝা যায় যে আর্মি ব্যবসা বানিজ্য বেশ ভালোই করছে। তা না হলে তারা এতো বড় পুজি কিভাবে গড়ে তোলে? তবে তাতে করে তারা পুজির মালিক কিভাবে হয়ে যান তা বোধগম্য নয়। আর্মি একটা সরকারী প্রতিষ্ঠান। তারা যে কারখানা পরিচালনা করে তাও সরকারী। সুতরাং আর্মি বড়জোর ব্যবসা পরিচালনাকারী। তারা কিভাবে তার মালিক বনে যান? বিপিসিও তো তেল বেচে অনেক মুনাফা করছে। কই এটা তো বলেন না যে বিপিসির সাথে সংস্লিষ্ট বেসামরিক আমলারা কর্পোরেট পুজির মালিকে পরিনত হয়েছেন?
দিনমজুর ভাইজানের ভাষ্যমতেঃ “বিবিসির কামাল আহমেদ একটা রেডিও ডকুমেন্টারিতে ফৌজি বাণিজ্যের দুর্দান্ত একটা তত্ত্ব তালাশ করেছেন”। ওই রিপোর্টটা পড়ার পর বুঝলাম দিনমজুর ভাইজান বেশ দুর্দান্তভাবেই ওই লেখার শুধুমাত্র শেষের অংশ (আর্মি পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমুহের তালিকা) ওনার ব্লগে উল্লেখ করলেন অন্য কোন অংশ নয়। কারন অন্য অংশ তুলে ধরলে ওনার প্রতিরক্ষা বাহিনীর বানিজ্য বিষয়ক বিতর্ক (নাকি বিভ্রান্তি) নখ-দন্তহীন হয়ে যায়।
সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে,
After independence in 1971, the SKS began its journey only with Tk 2.5 crore. Within four years, the tiny investment turned into Tk 100 crore, the documentary said.
The property value of the projects and commercial efforts related to Bangladesh Army is estimated to be at least Tk 3,000 crore, the documentary said.
প্রথমতঃ আর্মিদের বানিজ্য স্বাধীনতার পর থেকেই শুরু এবং র্নিবাচিত গনতান্ত্রিক সরকারের আমল থেকেই শুরু। কোন সামরিক শাসক এর সময়ে এর প্রচলন হয়নি। দ্বিতীয়তঃ তাদের সফল পরিচালনার কারনে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফা দিন দিন বেড়েছে কমেনি। যেখানে অন্যান্য বেসামরিক আমলা দ্বারা পরিচালিত সরকারী প্রতিষ্ঠান দিনের পর দিন লোকসান দেয় সেখানে আর্মি কর্তৃক পরিচালিত সরকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফা করে।
Both Bangladesh Army and Air Force of the armed forces division are directly involved in businesses.
Following huge interest in businesses by both the forces, the government handed over several government loss-incurred-institutions to them.
তার মানে হলো এই যে আর্মিরা পরিচালনার জন্য যা পায় তা সরকারের লোকসানি প্রতিষ্ঠানসমূহ কোন লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়। এখন এইসব লোকসানি প্রতিষ্ঠান যদি আর্মিরা ভালোভাবে চালায় তাহলে দিনমজুর ভাইজানের লোকসানটা কোথায়? কিংবা বেসামরিক আমলাদের হাতে কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান যদি বছরের পর বছর লোকসান দেয় তাতে দিনমজুর ভাইজানের লাভটাই বা কোথায়?
“The trust or institutions related with Bangladesh army do not deviate from the fundamental characteristics of capital in a capitalist society,” the documentary added.
তার মানে বাংলাদেশ আর্মির সাথে সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পুজিবাদী সমাজের মূল উপাদানগুলোকে পাশ কাটিয়ে কোন রকম বানিজ্য করছে না। কিংবা বাংলাদেশ আর্মির বানিজ্যের কারনে মূলধারার বানিজ্য কোন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে না।
আর্মিরা যে প্রতিষ্ঠানগুল সফলভাবে পরিচালনা করছে সেসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ মানুষ বেসামরিক মানুষ। সুতরাং এই সফল পরিচালনার সুফলভোগী কিন্তু সেইসব বেসামরিক জনগনই। দিনমজুর ভাইজানের নামটা মজুর হলেও উনি আর্মিদের বানিজ্যকে কটাক্ষ করে যা লিখলেন তা কিন্তু ঐসকল বেসামরিক মজুরদের স্বার্থ বিরোধী হয়ে যায়।
দিনমজুর ভাইজান পরবর্তিতে একটু সর্তকতার সাথে তথ্যসূত্র দিয়েন কখন কোনটা বুমেরাং হয়ে যায়.... তার কি ঠিক আছে?
িজসান বলেছেন:
+++++++
shapnobilash_cu বলেছেন:
অসাধারণ
মেয়র বলেছেন:
লেখক এক মন্তব্যের উত্তরে বলেছেন,== "রাষ্ট্র জিনিসটাকেই আমরা মনে করি এক শ্রেণী কর্তৃক আরেক শ্রেণীর উপর আধিপত্য আর শোষণের হাতিয়ার। শ্রেণীশোষণের অবসানের সাথে সাথে আমরা রাষ্ট্র্ ও তার সমস্ত আধিপত্যকারী প্রতিষ্ঠানেরই বিলুপ্তি চাই।..."..
--- আমি চরম আনন্দিত এবং অবাক যে, আমারও যা একই উপলদ্ধি আমি অনেকের সাথেই বলতাম এবং আজ আপনার লেখায় পড়ে জানলাম আপনিও তাই মনে করেন। আমার কাছে মনে হয়, রাষ্ট্র ধারণাটাই মূলত শোষনের জন্য এবং রাজাদের বিলাসিতার জন্য। জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ইত্যাদি ব্যবহার করে রাজারা প্রজাদের কে তাদের রাজ সম্পদ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করায়... পৃথিবীর ইতিহাসে এমন একটা যুদ্ধের নাম কি বলা যাবে যার প্রধাণ কারণ রাজার ব্যক্তিগত বা কিছু রাজ শ্রেনীর স্বার্থ সম্বলিত ছিল না ? আমি খুজে পাই নি।
পৃথিবীতে যখন নগ্ন রাজতন্ত্র ছিল, তখন সব যুদ্ধ ত রাজার একান্ত ব্যক্তিগত কারণেই হত, খুবই উল্লেখযোগ্য এক যুদ্ধ ছিল 'ট্রোজান ওয়্যার'.. হেলেন নামে এক সুন্দরী নারী (রাজার স্ত্রী) র জন্য কত মানুষ জাতীয় সংগীত গাইতে গাইতে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে জীবন দিল... !!!
ধর্ম যুদ্ধ গুলোকেও একই কাতারে ফালানো যায়, যেখানে রাজার ভুমিকা পালন করে কোন ধর্মীয় নেতা.. সেখানে জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় 'নারায়ে তাকবীর... আল্লাহু আকবর..' অথবা.. 'জয় কালী... ' ইত্যাদি...
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, সবই ছিল কিছু মেনিয়াক লোভী প্রেসিডেন্টের নিজস্ব লোভ আর সাইকোলোজিক্যাল কারণ.... এক দেশের সাধারন মানুষের জন্য কথনই অন্য দেশের সাধারন মানুষের সাথে যুদ্ধের প্রয়োজন হয় নি। হ্যা, যেসব দাঙ্গা হয়েছে, সেগুলোকেও একই সুত্রে ফেলা যায়, .. শোষক শ্রেনীর কিছু নেতা তাদের স্বার্থের জন্য মানুষে মানুষে দাঙ্গা লাগিয়েছে যেখানে একজন মানুষ সত্যিকার অর্থে জানেনা আরেক মানুষকে সে কেন মারছে যার সাথে তার কোন ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।