গত এক বছরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একমাত্র ফেনসিডিলের দাম ছাড়া আর কিছু কমাতে পারেনি। জোট সরকারের আমলে এক বোতল ফেনসিডিলের দাম ছিল যেখানে ৫০০ টাকা, তা এখন ৫০ টাকাতে নিয়ে এসেছে বাআল।এরই মাধ্যমে সরকারের ঘোষিত নতুন ফেনসিডিল ডিজিটাল জেনেরেশন গড়ে উঠছে।বর্তমানে সিমান্ত এলাকায় কোকাকোলা, পেপসীর পরিবর্তে ফেনসিডিল দিয়ে মেহমানদের আপ্যায়ন করা হচ্ছে!!! সাবাস প্রজন্ম এবার তোমরা মানুষ হবে ফেনসিডিলের নেশায় নেশায়। এ কাজে সহযোগীতার জন্য ভারতকে অশেষ ধন্যবাদ।
পিলখানা ট্র্র্যাজেডির পর নড়বড়ে সীমান্ত টহল এখনো স্বাভাবিক না হওয়ায় নেশার দ্রব্য ফেনসিডিলের দাম কমে যাওয়ার একমাত্র কারণ বলে মনে করছেন সীমান্ত এলাকার মানুষ।
দীর্ঘ সীমান্তজুড়ে গরু ব্যবসায়ীদের দেখা মাত্রই যেখানে গুলি করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) সেখানে ফেনসিডিল প্রবেশে কোনো বাধা নেই কোথায়ও। বরং তারা সহযোগিতাই করে চোরাচালানিদের। ফলে বিডিআর জওয়ানরা প্রতিদিনই কোনো না কোনো চালান আটক করেও ঠেকাতে পারছে না দেশজুড়ে ফেনসিডিল ছড়িয়ে পড়া। মাদকাসক্তিতে আক্রান্ত হচ্ছে যুবসমাজ। এর অনিবার্য পরিণতিতে বাড়ছে ছিনতাই, সন্ত্রাস, পারিবারিক অশান্তি। বর্তমানে বিডিআরের বিশৃঙ্খলা অবস্থা ও ভগ্মদশায় ফেনসিডিল চোরাচালানিদের পোয়াবারো। বিডিআরের এক বিওপি থেকে আরেকটির দূরত্ব মাইল দশেকের কম নয়। এ পথে এখন বিডিআর সদস্যরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হেঁটে টহল দেন। চোরাচালানিরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ফাঁকা সীমান্ত দিয়ে দেদারসে ফেনসিডিল পাচার করে। এ কথা অনেকের অজানা যে, পাচারের সুবিধার জন্য সীমান্ত ঘেঁষে ভারতীয় এলাকায় গড়ে উঠেছে ফেনসিডিলের কারখানা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ২১টি, ত্রিপুরায় ৪টি, মেঘালয়ে ৩টি, আসামের সীমান্তে ৫টি ছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলিতে ও কলকাতা শহরে বেশ কয়েকটি ফেনসিডিল কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে প্রয়োজনে কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুলে দেয় বিএসএফ সদস্যরা। বাংলাভাষী মানুষের পুশইনে কিছুটা বাধা দেয়া সম্ভব হলেও ফেনসিডিল পুশইনে বাধা দেয়ার ক্ষমতা নেই আজকের বিডিআরের। অন্যদিকে সীমান্তের বেকার জনগোষ্ঠী আর কোনো পথ না পেয়ে ফেনসিডিল চোরাচালানকেই আয়ের সহজ পথ হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



