somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জোকস পড়ুন আর গাল ভরে হাসুন....... কিঞ্চিত ১৮+ মডু এবং বাচ্চাদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ :P :P :P

০৩ রা মে, ২০১১ দুপুর ১২:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.
একবার এক বাংলাদেশী সৌদি আরবে এনার্জি ড্রিংকের ব্যবসা শুরু করল।তো এনার্জি ড্রিংক খুব একটা চলছে না।কি আর করা তিনি পরামর্শ করতে গেলেন এক বিজ্ঞাপন নির্মাতার কাছে।তো বিজ্ঞাপন নির্মাতা পরামর্শ দিলেন একটা বিজ্ঞাপন তৈরী করে শহরের বিল বোর্ডে লাগিয়ে দিতে।যেই ভাবা সেই কাজ।পরদিন শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ যায়গায় দেখা গেল এনার্জি ড্রিঙ্কের বিজ্ঞাপণ।বিজ্ঞাপনের প্রথম দৃশ্যে দেখা গেল এক লোক ঘেমে নেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে...দ্বিতীয় দৃশ্যঃ লোকটা এনার্জি ড্রিংক খাচ্ছে...তৃতীয় দৃশ্যঃ লোকটাকে বেশ ফ্রেশ এবং মোটাতাজা লাগছে...
এই বিজ্ঞাপন দেয়ার পরদিন থেকে ওই এনার্জি ড্রিংকের বিকি-কিনি পুরাই বন্ধ হয়ে গেল...

কারণ আর কিছুই না সৌদি আরবের লোকজন পড়া শুরু করে ডানদিক থেকে......

২.
মুজাহীদ সাহেব বাসায় বসেই চুল কাটান। প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল দশটায় এক নাপিত আসে তাঁর বাসায়। মুজাহীদ সাহেবের মন-পছন্দ স্টাইলে চুল কেটে অভ্যস্থ হয়ে গেছে সেই নাপিত। কাজ শেষে মোটা বকশিস নিয়ে ফিরে যায় সে। এভাবেই চুল কাটা চলে প্রতি মাসে।

একদিন হঠাৎ কি হলো.... চুল কাটতে কাটতে নাপিত মুজাহীদ সাহেবকে জিজ্ঞেস করে বসলো... "স্যার, যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু হবে কবে?"
মুজাদীদ সাহেব বিরক্ত হলেন..."যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার দিয়ে তোমার কি কাজ? তুমি তোমার কাজ কর"। নাপিত নিজের কাজ শেষ করে সেদিনের মত চলে গেল।

পরের মাসে নাপিত আবার এসেছে মুজাহীদ সাহেবের চুল কাটতে। চুল কাটতে কাটতে আবার সেই কথা....."স্যার, যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু হবে শুনতেছি"। মুজাদীদ সাহেব প্রচন্ড রাগ করলেন....ধমক লাগালেন..."এর পরে আবার কোনদিন যদি তুমি যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার নিয়ে কিছু বলেছ...তো তোমাকে ঘাড় ধরে বের করে দেব"। নাপিত মুখ কালো করে নিজের কাজ শেষ করে বকশিস নিয়ে চলে গেল।

এর পরের মাসে আবার মুজাহীদ সাহেবের চুল কাটতে বসেছে নাপিত..... "স্যার, অভয় দিলে একটা কথা কই"।
- কি বলবে বলো।
- স্যার, এই সরকার কি যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করেই ছাড়বে? আপনার কি মনে হয়?

মুজাহীদ সাহেব প্রচন্ড রাগে কাঁপতে লাগলেন......দারোয়ানকে ডেকে ঘাড় ধরে নাপিতকে বের করে দিলেন...'আর কক্ষনো যেন এই লোককে আর বাসায় ঢুকতে না দেখি'।

মনটা খু-উ-ব খারাপ করে বাড়ী থেকে বের হয়ে যাচ্ছে নাপিত। দারোয়ন তাঁকে বললো... 'ভাই, কি দরকার আছিল? জানইতো স্যার এই কথায় রাগ করে! তোমাকে মানা করার পরও প্রতিবারই তুমি এই আলাপ দেও কেন? যুদ্ধ অপরাধের বিচার দিয়া তোমার কি কাম মিয়া?'
- ভাই, আমি কি এই কথা কই সাধে? এই কথা কইলে আমার কামে সুবিধা হয়।
- কি রকম?
- যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের কথা শুনলেই মুজাহীদ সাহেবের চুল খাড়া হইয়া যায়...আর তখনই আমার কাঁচি চালাইতে সুবিধা!!...........

৩.
মধ্যরাতে এক পাঁড় মাতালকে ধরে পুলিশ থানায় নিয়ে এসেছে। ব্যাটাকে ধরার পর থেকেই সেকি তার হম্বি-তম্বি - তোরা জানিস না কাকে ধরেছিস। আমি মহান সংসদের সংসদ সদস্য। আমি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। তোদের সব কয়টারে যদি আমি কামরূপ কামাক্ষায় বদলি না করাইসি তাইলে আমার নাম কুদ্দুস আলী না, ইত্যাদি ইত্যাদি।

পুলিশের দারোগা আর সহ্য করতে পারলো না। ব্য...াটার ঘাড়ে দুইটা রদ্দা মেরে বলল - তোর মতো মাতাল হইলে আমি নিজেরে আমরিকার প্রেসিডেন্ট দাবি করতাম। এহন চুপচাপ গিয়া হাজতে বইসা থাক্।

বেচারা মাতাল রদ্দা খেয়ে চুপচাপ হাজতে গিয়ে ঝিমাতে লাগলো। এর মধ্যে থানায় একটা ফোন এলো। দারোগা ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে প্রধান মন্ত্রীর হুঙ্কার শোনা গেল - কি শুরু করছো তোমরা! আমার সরকারের ইমেজ নিয়া টানাটানি করো কেন? তাড়াতাড়ি আমার মন্ত্রীকে ছাড়ো!!

দারোগা একটু আমতা আমতা করে কী বলতে গিয়ে আরো জোরে ধমক খেল - কোন কথা শুনতে চাই না ! তাড়াতাড়ি তারে বাসায় দিয়া আসো !!

সুতরাং, দারোগা গিয়ে হাজতের দরজা খুলে মাতালকে বলল - আপনার মুক্তির হুকুম আসছে। চলেন আপনারে বাসায় দিয়া আসি। তবে তার আগে একটু প্যান্টটা খুলেন।

মাতাল মন্ত্রী তো আশ্চর্য - ক্যান প্যান্ট খুলুম ক্যান !?

দারোগা দাঁত কেলিয়ে হেসে বলল - না মানে, বাইরে গিয়া তো বলবেন, পুলিশ আমার বালটাও ছিঁড়তে পারে নাই। এই কথা যাতে বলতে না পারেন, তাই আগেই আপনের কিছু বাল ছিঁড়া রাখি, যাতে সবাইরে দেখাইতে পারি যে, না, কিছু বাল অন্তত ছিঁড়তে পারছি। হে হে হে :P:P:P
১৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×