আমি প্রতারক নই
ঈশ্বর নেই, ছিলনা কখনো।
তোমরা পাপের আত্বায় বন্দী, ধর্ম নামক দোযখে জীবন যাপন কর
কারন; তোমাদের আত্বায় আপরাধের জীবানু।
এই অপরাধ থেকে মুক্তির উপায়!
ঈশ্বর নামের এক অলীক সবজান্তাকে জন্ম দিয়েছ।
সে তোমাদের জাত সন্তান।
তোমরা পাপের প্রায়শ্চিত্ব করতে তাকে পূজা বা সেজদা কর,
সেটা তোমাদের ভন্ডামী।
সীডর এসেছে সেই প্রভূর নির্দেশে! যাকে তোমরা খোদা বল?
এমন সর্বনাশা (বা নাশী) ঈশ্বর আমার পূজ্য নয় কখনই।
তাকে (আল্লাহকে) সর্ববান্তঃকরণে ঘৃণা করি।
ধর্মাবতার (রাজাকার বা জামাতে ইসলামী) তোমরাতো কোন ছাড়!
যে ঈশ্বর নবজাতকের স্তন্য কেড়ে নেয়,
তাকে ঈশ্বর কি করে বলি!
পৃথিবীর জলে ভেসে যায়, বাংলার উপকূলবাসী,
যে ভগবান তা না রোধে সে সর্বনাশী, তাকে কি করে পূজি!
প্রভূর আদেশ মত ( যা তোমরা আস্তিকেরা বল) দিয়েছ তোমাদের
আর্জি প্রভূর বরাবর?
যদি দিয়ে থাক, তবে সে তোমাদের অঘ্রাহ্য করে
কেড়ে নিয়েছে পিতা মাতা অনেক শিশুর।
যদি প্রার্থনা না করে থাক তবে,
ঐ শিশুদের এতিম করেছ, একটি মহত কাজে,
জীবন্ত বোমা হয়ে ফুটবে তারা আমার জীবন বিনাশে।
আমি নাস্তিক; এই অপরাধে, আমার বিনাশ কী তোমাদের
পাপ, অপরাধ ঘোচাবে?
যদি তাই মানো, আমাকে বিনাশ কর,
কিন্তু খেতে দাও এ বিশ্বের সব বিশ্বাসী অভূক্ত মানুষকে।
তোমাদের প্রভূ, ঈশ্বর, আল্লাহ, ভগবান সব যদি পারে!
কেন তবু পৃথিবীতে মানুষ অভুক্ত থাকে!
যদি তোমাদের প্রভূ সব পারেন, তবে মানুষকে অভুক্তও রাখেন
সেচ্ছায়!
ইচ্ছে করে তোমাদের মাবুদ আমাকে অভুক্ত রাখে?
তবু তার পূজা আমাকেই করতে হবে!
পৃতিবীর সব প্রভূ, প্রভাতে যে শিশুটিকে অভুক্ত রাখে,
যে শিশুটির পিতা-মাতা সিডরের গ্রাসে প্রাতঃরাশ হয়,
সে প্রভূ নয়।
তার খূনে স্নাত হয়ে আমি বলে যেতে চাই;
ঈশ্বর নাই।
পান বরজের গীতের মত, যার অস্তিত্ব নাই;
শুধু অতন্দ্র প্রহড়া আছে তোমাদের মতে।
সে প্রভূর প্রতারণা রুখতে হয়ত পারবনা,
মনে রেখ; আমি প্রতারক নই,
কারন; আমি ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাসী নই,
আমি নাস্তিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

