আমার দিনলিপি

আমার প্রিয় পোস্ট

profile image
 

তুলে নাও তসলিমার নির্বাসন দন্ড

২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

রমনীর যাতনা করিতে যতন
রমনীয় পংতি নাহি কমনীয় মন!
একেতো জন্মিল নারী পুরুষ উত্তম
কেমনে শুনিল বাঁশী অরুপ রতন।
মানুষের নাম ধরি নর প্রভূ ধায়
যে মতে যেথায় যাই শুনি শুধু তাই!
নারীর কর্তব্য তায় লিংগ উপাসন
বীর্জ স্খলনে প্রভূ হয় সুখী জন।...

পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ১১ জনের ভাল লাগেনি

খোকাবাবু (সম্পূর্ণ) মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬

"পরের মুখে ঝাল খাওয়া"

অনুবাদের ব্যপারে এমন একটা কথা পাঠক মহলে চালু আছে। বাংলা অনুবাদ সাহিত্যের নিরিখে কথা ফেলে দেয়ার মত নয়।
হেরমান হেসে-র সিদ্ধার্থ পড়েছিলাম বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অনুবাদে। জার্মান ভাষায় এর আগেই বইটি বার দু'এক পড়া ছিল। ছবিটিও পাঁচ বারের মত দেখেছি, জার্মান ভাষাতেই। তাই এর বাংলা অনুবাদটা আগ্রহ নেয়েই...

পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

মানুষের মত প্রকাশের পথ সহজ হোক। ধন্যবাদ সামহয়ারইন ব্লগ!

২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪

৫;মৈথুনানন্দ বলেছেন: খুব চিন্তায় ফেলে দিলেন তো! মনে হচ্ছে আপনি বাংলাদেশের কোনো প্রথিতযশা লেখক - ডিস্গায়স ধরে আছেন।
বিহংগ বলেছেন: বাংলা গদ্যের অমানিশা দূর হোক । একেবারে খাশা।
ডক্টর অব মেন্টাল ডিসঅর্ডার বলেছেন: গদ্য লেখা একটা জন্মগত ব্যাপার আপনে জন্মাইসেন আপনাকে ৫
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: চমতকার গল্প । এমন করে পাঠককে টেনে...

পোস্টটি ১৭ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

হিল্লা!

৩০ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

চানপুইরা হানকি-ত তিন হানকি ভাত খালি হুলারা-মইচ (শুকনো কাঁচা মরিচ) দিয়াই আরুইব্বা কেরাইয়া (মাঝি) খায়। হের লগে আইজ হিদল-হুটকির বর্তা। পাঁচ হানকি ভাত খাইয়া, হানকি ধোয়া পানি-ত কুলি কইরা আরুইব্বায় হুক্কা ধরায়, টিক্কা দিয়া।

গুড়গুড়াইয়া হুক্কা টানতে টানতে আরুইব্বার নিজেকে বড় একা লাগে। মনে হয় যদি এসময়ে কেউ পাশে থাকতো! আরুইব্বার...

পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি

নাচের পুতুল!/ লিখেছেন; শুভ

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪২

আমি শুভ; মানে আমার নাম শুভ। আমি কিন্তু মেয়ে, একটু কপাল কুচকে গেল! সবারই যায়; অনেকে বলে: শুভ আবার মেয়েদের নাম হয় নাকি! আমিও জানি শুভ মেয়েদের নাম হয় না। মেয়েদের নাম হয় 'আয়শা','সালমা',অথবা ফাতেমা-এ জাতীয়, এবং এ জাতীয় আমার ও একটা নাম ছিল ।সে নামটাকে বাবা-মা ডাকার সুবিধার জন্য...

পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি

শেরালী কুড়ি/মুক্তিযুদ্ধে নিহত শিশু

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১৫

অনেক আশার বহু বেদনার কাঙ্খিত স্বপ্নের ভোরে,
শত্রুর সুখে রোপিত বীজের পুষ্পেরা আজ ফোটে।
এ মাটির বুকে যায়নি গাঁথা পরাধীনতার মন্ত্র,
রেখে গেল তায় তপ্ত ধরায় অমানবিকতার চিহ্ন।
মৃত্যু কোটর হয়তো গ্রেনেট অথবা একটি মাইন,
অবুঝ শিশু দেয় ফাঁদে তার সবুজ চপল পা।
পরাজয়ের গ্লানির বদলে নিস্পাপ শিশুর প্রাণ,
খুনী ধর্ষক শত্রুর মুখে......

পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি


মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই!

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৩৯

মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই!
ইটের পড়ে ইটের মাঝে মানুষ কীটের বাস হলেও মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই। অনেক গুলো দেয়াশলাইয়ের বাক্স জড়ো করে ইমারতের ভেতর মানুষ কবুতরের মত থাকে। সেখানে কবুতরের জায়গা কৈ!
শীতের সময় অপ্রয়োজনীয় আসবাব ততোধিক অব্যবহৃত বারান্দায় আশ্রয় পেয়েছে। নাগরিক সভ্যতার আলো আমাদের জীবনকে যত আলোকিত করছে, ততটা...

পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

একজন গীতিকবির মৃত্যু/উৎসর্গ তীরন্দাজ

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬

বৈশাখের মত অনেক পার্বণে বাঙ্গালীর উৎসব প্রীতি জাগে। একুশে ফেব্রুয়ারী তেমন একটা। নান্টুর হারমোনিয়াম আর গনেশের খোলে আমার ভায়ের রক্তে রাঙ্গানো... গাইতে গাইতে আমরা শহীদ মিনারে যাই।
নান্টুর গানের পাশাপাশি একটু কবিতা লেখার বাতিকও আছে। গানের খাতায় কখন কী মনে করে নান্টু কবিতাটি লিখেছে। একুশের প্রভাত ফেরীতে যেতে আসতে যে গানগুলো...

পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি

মাটি খোর!

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫৫

মাটি খোর
বুইদ্দা হালায় বুড়া অইলে কি অইব! তোহমডা অন্তক যায় নাই। কি দৌড়ানীডা দিল। মাগির পুতে দুফরেও গাই দোয়ায়! দোয়াইন্না গাইয়ের (হেও ডেহার লগে উড়াউড়ি কইরা) একটা বানে (খোদার কছম) দুইডা চুমুক দিছি, কি দেই নাই। গলাডা খালি কদ্দুর ভিজছে। কেইমতে বুড়ায় দেখল! অল্ফের লাইগ্যা ফাজুনের জলি ফিঠে বিন্দে নাই।...

পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

শেরালী উনিশ: তাদের স্মৃতির চরণে

১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:১৯

শেরালী আঠারো

ভৈরবী রাগের আলাপের মত, যার শুরুটা হামিং দিয়ে শুরু হয়, এমন নিবিষ্ট নিবেদনে অভিষ্ট দেবতার নাম ভজন করলে, সারা মিলতেই হবে! ভ-জ-ন এই একটি শব্দেই পুরোটা গান অনেকক্ষণ ধরে চলছে। পূর্ণিমা রাতে চাঁদের স্নিগ্ধ আলো হাজার তারার বাতিকে ম্লান করে দেয়নি। সাতমৌজার বিলে চন্দ্রমুখী পদ্মরা রুপোর কৌটোয়...

পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি



   পরের পাতা >>


 


_সন্ধ্যপ্রদীপ
"চারিদিকে শ্বাপদের পদচিন্হ
মুক্তির বারতা আর সবুজের মাঠে
কন্কাল আর অস্থি যেন আজ
সভ্যতার স্মারক ।
নর্দমার কীটে আর গন্ধে
কীইবা যায় আসে...

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ৮৫টি
  • মন্তব্য করেছেন: ৩৩৯১টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ২৪৬৫টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ১ বছর ৩ মাস
  • ব্লগটি মোট  ৩৮৩৭২ বার দেখা হয়েছে

আমার গ্রুপ সমুহ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

মোট সময় লেগেছে ০.২৮৬০ সেকেন্ড