আমার প্রিয় পোস্ট
- বিশ্বাসী বেশ্যারা চিরজীবী হও - সবাক
- পূজো-মন্ডপের কিছু ছবি - শিরোনামহীন
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের অসাধারন কিছু ছবি - সু-শান্ত
- জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে কবিকে স্মরণ । ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-২৯ (সাম্যবাদী--কাজী নজরুল ইসলাম ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- জ্বালানি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন সূত্রে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন উদ্ভাবক কচিকে জাতিসংঘের অভিনন্দ - পলাশ
- সলিমুল্লাহ খানের ইলিয়াস চিন্তা: ভুল ভাংলে তাকে পাওয়া যায় - ফারুক ওয়াসিফ
- বাংলা গান ডাউনলোডের জন্য সবচে ভাল সাইট কোনটি? - কেএসআমীন
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- অনলাইনে রবীন্দ্রনাথের গীতবিতান। বাংলায় - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- দায়ভার - সুখী মানুষ
- ওদের ধর্মের নাম বান্গালী ধর্ম- সংগ্রাম ১৩ই মে ১৯৭১ - বোঘদাদি হেকিম
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- গুন্টার গ্রাসের সাক্ষাৎকার ( চতুর্থ পর্ব) - মৃদুল মাহবুব
- হুমায়ূন আজাদের কয়েকটি ত্রিকালদর্শী প্রবচন । (উতসর্গঃ বিশ্বের সকল মুক্ত মন কে) - সিহাব চৌধুরী
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের বধ্যভূমি...... - ফেরারী পথিক
- বাঙলা ভাষা ।। হুমায়ুন আজাদ - মুকুল
- গল্প : একের ভিতর দুই (পুন:প্রকাশ) - অমি রহমান পিয়াল
- মুক্তির মন্দির সোপানতলে কতপ্রান হল বলিদান - নুপুর
- আমার ওসব হয় না , আমি পারি না ( আরিফ জেবতিকের স্বীকারোক্তি ) - আরিফ জেবতিক
- মন - রোডায়া
- ধর্ম অট্টালিকা মাথায় ভেঙ্গে পড়ছে! - হমপগ্র
- আমি গর্বিত, আপনি নন?? - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- জগন্নাথ হল, ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ - রাগিব
- পুনর্মুদ্রন ..।// লেখাটা দয়া কইরা পড়েন - ছক্কা হাজী
- বাংলা বানান রীতি-১ ("পড়া" এবং "পরা" সমাচার) - হমপগ্র
- ......ড: আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ব: , নজরুল এবং রবীন্দ্রনাথ - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- যারা এখন রবি ঠাকুরের কথা ভাবছেন ...তাদের জন্যে - এস্কিমো
- বিজয় দিবসে কিছু ভিডিও ফুটেজ - অমি রহমান পিয়াল
- ব্লগারদের মিলন মেলার কিছু ছবি !!! - সুখী মানুষ
- প্রিয় ব্যক্তিত্বঃ - শহীদ মুনীর চৌধুরী - এস্কিমো
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- ব্লগীয় রাজাকারগুলোর একটা তালিকা তৈরি করুন। - লাইটহাউজ
- ফিরে দেখা ১৯৭১ - পূর্ব পাকিস্তান যেখানে আকাশও কাঁদে : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১১ - মিরাজ
- শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস - লাইটহাউজ
- মুক্তি'র কিছু গান আর কিছু স্মৃতি কথা - লাল দরজা
- শেষের থেকে শুরু! - দুঃখবিলাস
- তাজউদ্দিন আহমেদ - নিঃসঙ্গ সারথি ( যারা দেখতে চান: উতসর্গ - "জেনারেল") - এস্কিমো
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- '৭১ এ ঢাকা বিশ্ববদ্যালয়ের গনহ্ত্যার দূর্লভ ভিডিও চিত্র। - লারেলাপ্পা
- সহজ মানুষ - লালন ফকির
- ফেরা - লাল দরজা
- স্বাগতম (পুতুল) - আহমাদ মুজতবা
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- আশা পূর্ণ হইল না - লালন ফকির
- অন্য নারীদের কথা - রেজওয়ান
- জটিল ও কুটিল চর্যাপদ - ১ [ পটমঞ্জরী ]--- লুইপাদানাম্ ) - রামারাও সিদ্ধা
- তোমার সূর্য ওঠার আগেই আমাকে উঠতে হয়... - মনের কথা
- চর্যাপদ --- ১ রাগ [ পটমঞ্জরী ]--- লুইপাদানাম্ - রোকন
- বনলতা সেন - জীবনানন্দ দাস - জেনারেল
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
পুঁজিবাদের থাবা,সমাজতন্ত্রের বাঁধা আর ভাষা দিবসে পুতুলের ধাঁধাঁ!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪
"দারিদ্রতা জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে।" সম্ভবতঃ ডঃ ইউনুস ঘোষনাটি দেন। গ্রামিন ব্যাংকের মডেল কাজে লাগাতে বিশ্বের তাবৎ হিতাকাংখীরা মাঠে নেমেছেন। যুক্তরাষট্র ভিত্তিক "ফলাফল" নামের একটা সংগঠন, যাদের কাজ মুলতঃ লবিং করা, তাদের জার্মান শাখার আমন্ত্রনে আলোচনা সভায় যোগ দেই।
গ্রামিন ব্যাংকের গ্রামের মানুষ হিসাবে আমি সেখানে শুধু সাক্ষী। বিশেষজ্ঞগন এর মধ্যে বাংলাদেশ জরিপ করে এসেছেন। ডঃ ইউনুসের ভূয়সী প্রসংশায় আমি বাংগালী হিসাবে খুব তৃপ্ত। বাংলাদেশ সম্পর্কে এত ভাল ভাল কথা এর আগে এদের মূখে কখনো শুনিনি।
একজন অথর্নীতি বিদ বললেন: দেখুন আপনি সে দেশের মানুষ, আপনার কী মনে হয়? দারিদ্রতার কারণ অনেক আছে। আমরা দূরথেকে অভাব দেখে, তা মোচনে অনেক সময় মোটা অংকের টাকা সাহায্য দেই। কিন্তু পরের বছর আবার সেই, অভাব।
বলাই বাহুল্য: আমরা বিরতির সময় কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে গল্প করছিলাম।
আমার তাৎক্ষনিক ভাবে যা মনে হল:
এক: বেশীর ভাগ মানুষ (এদেশেসর) মনে করে গরীবরা খুব ফাউল (অলস)।
আসলে ঠিক তা নয়; দৈনিক ১২ ঘন্টা কাজ গরীবদের জন্য কোন বিরল ঘটনা নয়। কিন্তু পারিশ্রমিক হিসাবে ধান, চাল, পরনের কাপড় ইত্যাদি পায়। নগদ অর্থ অনেক সময় হাতে আসে না।
দুই: নিজেদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া-বিবাদ।
অনেক সময় তাদের কোন সার্থনেই এমন বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে খুন জখম পর্যন্ত করে বসে।
তিন: শিক্ষার অভাব। প্রচলিত শিক্ষা ব্যাবস্থায় আংশ গ্রহণ এদের পক্ষে সম্ভব নয়। আর এদের শিক্ষার সুযোগ দেয়া যায় এমন কোন ব্যাবস্থা নিয়ে কেউ ভাবছে না। বেশীর ভাগ মানুষ ব্যাপারটি অসম্ভব বলে, এদিকে ভাবতেই চায় না।
সেই মানুষটি আমার কথা খুব বিশ্বাস করলেন বলেই মনে হল।
তিনি বলেন: দেখুন বাইরে থেকে আমরা হয়তো কিছু অর্থ সাহায্য দিতে পারব। কিন্তু একটা দেশের উপযোগী উন্নয়ন কাঠামো সে দেশের মানুষদেরই খুজে বের করতে হবে। তার কথাটি আমার মনে খুব দাগ কেঁটেছে।
ব্লগিং করতে না পারলে এ কথা কোন দিন কাউকে হয়তো বলতেই পারতাম না! জয়তু ব্লগিং।
ব্লগে অনেকের ইচ্ছাটি টের পাই। তাদের সমাজতন্ত্রের পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা অসম্ভব রকম জ্ঞনগর্ব। একেকজনের এ বিষয়ে পড়ালেখা ঈর্ষা করার মত।
কিন্তু সবাই মনে করেন সমাজতন্ত্র কায়েম হলে শোষন হীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে দারিদ্রতা নিরক্ষরতা আপনা থেকেই দূর হবে। হয়তো তাদের কথা ঠিক। বড় বড় মনিষী যেমন কমরেড মনিসিং এ স্বপ্ন দেখতে দেখতে জীবনটা পার করে দিয়েছেন।
একটাই মন্ত্র সমাজ তন্ত্র, একটাই যুক্তি শোষন মুক্তি।
কিন্তু সেটা কায়েম করতে আর কত শতাব্দী অপেক্ষা করব?
ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রবক্তারাও মনে করেন সৎ মানুষের শ্বাসন আর আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত হলে সব অনাচার দূর হবে। তাই নিয়ে আপাততঃ সংগ্রাম চলছে। চলুক।
জনগন বা প্রান্তিক, অনেকে বলেন আম জনতা, তাদের যে কোন একটা বিষয় বুঝাতে হলে অক্ষর জ্ঞানটি অন্ততঃ খুব সুবিধা দিতে পারে। আশা করি এব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নেই।
এবার আসুন কি করে নিরক্ষরতা দূর করা যায় তা নিয়ে দুটো কথা বলি।
অনেকে মনে করেন! সর্বহারা অধিকার সচেতন নয়। হয়তো ক্ষেত্র বিশেষে কথাটা ঠিক। কিন্তু তারা জানে কখন অধীকার আদায়ের সংগ্রামটি করলে ফল হবে। আপাততঃ কী ভাবে টিকে থাকতে হবে , সেটা অনুধাবন করলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। একটা রিক্সাওয়ালা ঠিক জানে কখন বেশী ভাড়া আদায় করার চেষ্টা করতে হবে এবং কখন থাপ্পরটি খেয়েও চুপচাপ কেটে পড়তে হবে।
এদের শিক্ষার আওতায় আনতে হলে;
এক: দেশে প্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈশ বিভাগ চালু করতে হবে। আপাততঃ সেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে পাঠ দান করতে হবে। শিক্ষকদের একটা প্রশিক্ষনের ব্যাস্থা করতে হবে।
দুই: সরকার যাতে এটাকে তাদের কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত করে তার জন্য চাপ বা লবিং করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের লক্ষ্য হিসাবে রাজনৈতিক ইসু হিসাবে কর্মসূচীতে বিষয়টি অর্ন্তভূক্ত করার জন্য চাপ দিতে হবে।
তিন: ব্লগে অনেক ব্লগার আছেন যারা আর্থিক ব্যাপারটি হিসাব করতে পারবেন। তার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে হবে।
পরিশেষে বলব: আমি হয়তঃ দিবা স্বপ্ন দেখছি, আমার দেখায় ভুল থাকতে পারে, সে জন্যই আপনাদের মতামত পরামর্শ একান্ত জরুরী। আসুন আমরা ভাষা দিবসে, "ভাষাটি" দেশের সব মানুষের লেখার ও পড়ার সুযোগ করে দেবার চেষ্টার অঙ্গীর করি!
ধন্যবাদ সবাইকে।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
মহিলা কমরেড!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সত্যসন্ধান বলেছেন:
মানুষ কেমনে হইতে হয়.....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
প্রতিবাদী নারী। প্রতিবাদ কখনো কখনো লেখনিতেও হয় ....। আবার মঞ্চ, বক্তিতায়ও হয়। কিন্তু সেখানে কখনো কারও বাকরুদ্ধ করা হয়। কিন্তু লেখার বাকরুদ্ধ করা কঠিন। বাকশক্তি হলে লেখাশক্তি হারিযে যায়না। লিখার কর্মশক্তি'র কাছে আছি বলে হয়তো কথাগুলো বললাম! ভাল থাকবেন.................++
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু প্রতিবাদে বাধা বা প্রতিবাদের উদ্দেশ্য এই পোষ্ট লেখি নাই।
সিরিয়াসলী বিশ্বাস করি, আরো অনেক মানুষকে লিখে প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ দেয়া যায়!
নবজন্ম বলেছেন:
প্রতিবাদ সে-তো ভালো, কিন্তু সে যদি হয় নারীর মুখে তাহলে -তো আরও ভালো।----------------------------------+++।হে কমরেড তোমাকে জানাই লাল সালাম।
লেখক বলেছেন: আমার ধাঁধাঁটি শুধু প্রতিবাদ হিসাবে দেখলে কষ্ট পাব। এটি একটি প্রস্তাব।
তোমাকেও লাল সালাম। বিপ্লবের ধরনটি নিয়ে কিছু বললে ভাল লাগত!
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আলী আরাফাত শান্ত। প্রস্তাবের সম্ভাব্যতা নিয়ে কিছু বললে খুশী হতাম।
আহমেদ জালাল বলেছেন:
দরিদ্রতাকে দরিদ্র লোক গুলো তাদের নিয়তি মনে করে।তাদের মুখে সামান্য আহার তুলে না দিয়ে তাদেরকে কিছু বাস্তব পথ দেখাতে হবে একে মোকাবেলা করার। আপনার পথটা কাজে লাগতে পারে যদি তাতে রাজনৈতিক সমর্থন থাকে যাতে তারা বাধ্য হয় শিক্ষা নিতে।
আমি অনেক যুক্তি দিয়েও আমার কাছের গরীব লোকগুলানরে অধিক সন্তান নেয়া থেকে বিরত রাখতে পারিনাই, যেটাকে আমি দরিদ্র হয়ার একটা অন্যতম কারন মনে করি। শুধু অধিক সন্তানের জন্য অনেক সচ্চল পরিবারও এখন নিঃস্ব প্রায়।
লেখক বলেছেন: ঠিক জায়গাটা ধনেছেন। আসলে যারা অনেক সন্তান মানুষ করার আর্থিক সংগতি রাখেন, শিক্ষার আলোকে তারা বুঝেন যে বেশী সন্তান নেয়া বোকামী।
যারা আসলে সন্তানের ভরন পোষনে সত্যিই অক্ষম তাদেরই বেশী সন্তান নিতে দেখা যায়।
নিয়তিতে বিশ্বাস গভীর বলে এবং কোন আশার আলো দেখতে পাননা বলে, এভাবেই ভাগ্যকে মেনে নেন।
আপাততঃ রাজনৈতিক দল গুলোর উপর চাপ সৃষ্টি করাই মুল লক্ষ্য।
আবদে খানের আজকের চিন্তা নিশ্চয়ই শুরুতে এমন ছিল না...তাই না?
কিংবা ড. ইউনুস... তারও শুরুর স্বপ্ন পড়তে কতই না রোমাঞ্চ লাগে..
কিন্তু বাস্তবতা.....? সে ভিন্ন। যখন এদশেরে দারিদ্রকে ভিডিও করে বিদেশে দেশের ইমেজ নষ্ট করা হয় কেবল ওই এনজিও ওয়ালাদের পাজেরো আর বিলাস বাড়াতে...তখন জাতি হিসবে নুয়ে পড়ে পুরো ১৬ কোটির মাথা...
কিন্তু তাতে তারা দমে না, তাদের ফান্ড চাই। যে কোন উপায়ে হোক।
তাই গোয়াল পোড়া গরু নসদূরে মেঘ দেখলেও ভয় পায়...
তবে ভাল। বাঙালীর এই যে মন..পরোপবার, সমাজ সেবা... কল্যান মনস্কতা.... যা সাধারনত যুবক বয়সে শতকরা ৯০ জনরে থাকে তাকে কাজে লাগালে কতইনা ভাল হত।
আপনার স্বপ্ন সফল হোক।
লেখক বলেছেন: আসুন সবাই মিলে চেষ্টা করে দেখি!
দাতা সংগঠন গুলোর কথা নতুন করে কিছু বলার নেই। বিভিন্নভাবে দান কৃত অর্থ আবার তাদের কাছেই ফিরে আসে ঘুরে ফিরে।
নবজন্ম বলেছেন:
বন্ধু, বিপ্লব তা যেমন-ই হোক সে সবসময়-ই বিপ্লব। যেমন-টাকার এপিট আর ওপিঠ। তবে হ্যাঁ তোমার বিপ্লবের ধরন টায় রয়েছে আধুনিকতার ছোয়া , প্রযুক্তির ব্যবহার।লেখক বলেছেন: প্রিয় নবজন্ম, আধুন প্রযুক্তি নির্ভর মিডিয়া ব্যাবহার করতে পারার সুবাদে স্বপ্নটি তোমার সাথে শেয়ার করতে পারলাম। আজকাল মিডিয়ার খুব গুরাত্ব, তাই তাকে আমরা আমাদের কাজে ব্যাবহার করি।
তোমার মন্তব্যগুলোই সে বিপ্লবের হাতিয়ার।
দেশের অনেক বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করি। অনেক সময় সফল হই, অনেক সময় হইনা।
কিন্তু এতে এর সম্ভাব্যতা নিয়ে সবাই ভাবে।
হয়তো ভাল কিছু হতে ও পারে!
তোমার সমর্থন আমার মনে আশার আলো জ্বেলেছ। ধন্যবাদ তোমাকে।
রাশেদ বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা রাশু।
আবু সালেহ বলেছেন:
এত বড় পোস্ট ...পরে পড়মুনে...
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
লেখক বলেছেন: বাস্তবায়নটাই তো কঠিন। আসুন সবাই মিলে চেষ্টা করে দেখ!
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
রামন বলেছেন:
আমাদের এই দারিদ্রতার পেছনে মূল করণ হচ্ছে দ্রুত ধনী হবার জন্য জেগে জেগে স্বপ্ন দেখার প্রবনতা।
লেখক বলেছেন: একে বারে ফেলে দেবার মত নয়, আপনার কথা!
বাস্তব সম্মত কোন চিন্তা ভাবনা থাকলে জানানোর অনুরোধ থাকল!
মুকুল বলেছেন:
দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ আরো বাড়াতে হবে। এখন জিডিপি'র সম্ভবত ২.৩% (সঠিক অংকটা মনে পড়ছে না) শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ আছে। এটাকে ১৫% উপরে নিতে হবে।
লেখক বলেছেন: মুকুল, এর কাছাকাছিই হবে কোথাও আমি শুনেছি ২.৬।
তাও আবার তার সঠিক ব্যাবহার হয়না।
অর্থটা আসলে একটা ছুতো, ইচ্ছে নেই, সেটাই বাস্তব।
একদিনে নিশ্চই বাংলাদেশের সকল মানুষকে অক্ষর দান সম্ভব নয়। কিন্তু আজকে পর্যন্ত কোন রাজনৈনিক দল কমপ্ষে বাধ্যমূলক প্রথমিক শিক্ষা নিয়েও কোন পরিষবকার ঘোষনা দেয়নি।
মুকুল বলেছেন:
আমি মনে করি আমাদের দেশে সরকার দুটো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করা উচিৎ। প্রথমত শিক্ষা এবং দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য সেবা। এ দুই ক্ষেত্রে অবশ্যই সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এ দুটো বানিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে গরীব মানুষকে আরো প্রান্তিক অবস্থানের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এমনকি মধ্যবিত্তের জন্যেও টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: মুকুল সহমত।
ফজল বলেছেন:
ভালো লাগলো আপনার এ চিন্তাগুলো।এক কথায় আমরা কোন দিক থেকেই এককভাবে সফল নই; কেবল পনরকোটি জনগণ টেনে হিচড়ে নিয়ে চলছে সোনার বাংলাদেশটিকে। মাঝখানে গুটিকতক ব্যতীত অধিকাংশ স্বার্থান্বেষীরা লুটেপুটে খাচ্ছে দান-অনুদান-উন্নয়নকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
আপনার ব্লগে আমন্ত্রণ পেয়ে ভাল লাগলো। তবে এর আগেও আমি দু'একবার আপনার ব্লগ ভিজিট করেছি এবং ভাল লেগেছে।দারিদ্র্য বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত অবস্থান হচ্ছে এটি কাঠামোগত সমস্যা। সুতরাং শ্রেণী বৈষম্যমূলক এ কাঠামোটি ভাংতে না পারলে দারিদ্র্য দূর হবে না। এ যেমন প্রতিদিন অসংখ্যা মানুষ না খেয়ে আছে, তার মানে এ নয় যে বাজারে খাবারের অভাব রয়েছে। তাতো না। অভাব যেটি তা হলো মানুষের ক্রয় ক্ষমতার। সমস্যাটা বন্টন ব্যবস্থার। বাংলাদেশে যে পরিমাণ খাসজমি আর জলমহাল আছে তার ও যদি সুষ্ঠু বন্টন নিশ্চিত করা যায় তবে আমরা দারিদ্র্যে বিমোচন আন্দোলনে একটা বড় ধাপ অগ্রসর হতে পারি। কিন্তু তার জন্য মেরুদন্ড সম্পন্ন যে রাজনৈতিক শক্তি দরকার তা আমরা কখনও পাইনি। বরং খাসজমি দখলদার সরকার আমরা সব সময় দেখেছি। আমাদের দারিদ্র্যের সাথে সুশাসন না থাকারও একটি বড় সম্পর্ক রয়েছে। একজন দরিদ্র মানুষ যদি কখনও থানায় যায় তবে তার সারাজীবনের সঞ্চয় খরচ করে আসতে হয়। এ ভাবে তার দরিদ্র অবস্থা তীব্রতর হয়। আমাদের সমাজে নারীর বিরুদ্ধে এবং নারী সম্পর্কিত যে প্রবল মূল্যবোধগুলো রয়েছে তা নারীকে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা। আর সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে মূল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের বাইরে রেখে কীভাবে আমরা দারিদ্র বিমোচনের স্বপ্ন দেখতে পারি! আর এ সব প্রশ্নের উত্তর ও সমাধান খুজতে হবে রাজনৈতিকভাবে। আর এ জন্যই দরকার রাজনৈতিক অঙ্গীকার। সমাজরূপান্তরে নিবেদিত শক্তিশালী রাজনৈতিক মতাদর্শ।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: "সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে মূল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের বাইরে রেখে কীভাবে আমরা দারিদ্র বিমোচনের স্বপ্ন দেখতে পারি! আর এ সব প্রশ্নের উত্তর ও সমাধান খুজতে হবে রাজনৈতিকভাবে। আর এ জন্যই দরকার রাজনৈতিক অঙ্গীকার। সমাজরূপান্তরে নিবেদিত শক্তিশালী রাজনৈতিক মতাদর্শ।"
আপনার পুরো মন্তব্যটির সাথে একমত। কোড করা অংশটি কেবল আলোচনার সুবিদার্থে উল্লেখ করলাম।
শক্তিশালী রাজনৈতিক মতার্দশ তো এমনি তৈরী হয়না। সেটা তৈরী করার একটা প্রয়াস হিসাবে আমরা আমাদের ইচ্ছাগুলো দাবী হিসাবে রাজনৈতীক ফোরাম গুলুতে ঊথাপন করতে পারি। আগে একটা মিনিমাম লক্ষ্য স্থির করে (যেমন: যেহেতু আমরা জানি যে কোন উন্নয়নের প্রধান বাধা নিরক্ষরতা) এখানে নিরক্ষরতা দূরিকরণ। তার সাথে নিশ্চই আরো অনেক কিছু যোগ হতে পারে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির দল গুলোকে আমাদের কিছু প্রস্তাব গ্রহন করতে চাপ প্রয়োগ কারা, এভাবেই এগুতে চাইলে আমরা কিছুটা সফলতার আশা করতে পারি।
একদিন একটি সমাজরূপান্তরে নিবেদিত শক্তিশালী রাজনৈতিক মতাদর্শ তো আপনা থেকে গঢ়ে উঠবে বলে আমার মনে হয় না!
তার জন্যও বিপ্লব লাগে!
আপনার সুচিন্তিতি মতামত খুব বাল লাগল। সময় নিযে পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
আপনার চমৎকার ভাবনাগুলোকে অভিনন্দন ... তবে একটু খটকা লেগেছে এক জায়গায়বলেছেন "দেশে প্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈশ বিভাগ চালু করতে হবে। আপাততঃ সেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে পাঠ দান করতে হবে।" --- এটা বুঝলামনা ...
দেশের সরকারী বিদ্যালয়গুলো তো বিনা পয়সায় পড়ায় বলেই জানি... বা যে সামান্য বেতন নেয় ()মাসে দশ-বিশ টাকা) সেটা বহন করার সামর্থ্য এখন রিক্সাওয়ালা বা কাজের বুয়াদের আছে ...
তাও বাচ্চাদের আলাদাভাবে পড়ানোর (নাইটক্লাস) কথা ভাবছেন কেন? ... বেতনভোগী শিক্ষক না হয়ে স্বেচ্ছাসেবী দিয়ে করাবেন কেন? ... দেয়ালটা কি থাকতেই হবে? ...
আর আমার মনে হয়না আমাদের দেশে ধনী-গরীব যে বৈষম্য তার জন্য সমাজতন্ত্রের অনুপস্থিতি দায়ী ... কারণ দেখা গেছে গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেই বরং এই ব্যবধানটা কম ... মনে হয়না সমস্যাটা ওখানে
আপনি দেখুন, এখনও আমাদের দেশে "মিনিমাম ওয়েজ" বলে একটা ব্যাপার নেই ... এইটা একটা রাষ্ট্রের বেসিক জিনিস ... এটা ছাড়া নাগরিকের অর্থনৈতিক নিশ্চয়তার শুরুই হয়না ... আমাদের অনেক বেসিক জায়গায় এখনও কোন কাজই হয়নি ... যাচ্ছেতাই সিস্টেম
পুতুল বলেছেন:
১)বলেছেন "দেশে প্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈশ বিভাগ চালু করতে হবে। আপাততঃ সেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে পাঠ দান করতে হবে।" --- এটা বুঝলামনা ...২)দেশের সরকারী বিদ্যালয়গুলো তো বিনা পয়সায় পড়ায় বলেই জানি... বা যে সামান্য বেতন নেয় ()মাসে দশ-বিশ টাকা) সেটা বহন করার সামর্থ্য এখন রিক্সাওয়ালা বা কাজের বুয়াদের আছে ...
তাও বাচ্চাদের আলাদাভাবে পড়ানোর (নাইটক্লাস) কথা ভাবছেন কেন?
৩) ... বেতনভোগী শিক্ষক না হয়ে স্বেচ্ছাসেবী দিয়ে করাবেন কেন? ... দেয়ালটা কি থাকতেই হবে? ...
আলোচনার সুবিদার্থে আপনার প্রশ্ন গুলো নাম্বার দিয়ে নিলাম। এখন জবাব দেয়ার চেষ্টা করছি!
১) নৈশ বিভাগ চালু করতে পারলে, নতুন কোন ইনফাস্ট্রকচার যেমন স্কুল ঘর, ছাড়াই পাঠ দান সম্ভব।
সেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে বলছি যাতে; সরকার বা রাজনৈতীক দল গুলো অতিরিক্ত খরচের ধুয়া না তুলতে পারে!
২) যাতে: যে সব শিশু শ্রমিক আছে, তারা যেন সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়। অনেক শিশুর দিনের বেলায় কাজ করতে হয়। বয়স্ক শিক্ষা অন্তর্ভূক্ত করার চিন্তা এর সাথে যুক্ত আছে।
৩) প্রথম প্রশ্নের মত তার জবাব, দেয়ালটা রাখতে চাই? কোন অবস্থাতেই না। কিন্তু দেয়ালটা আছে, তাকে ভাংতে হলে অক্ষর জ্ঞান অপরিহর্য্য। তা প্রথমিক ভাবে আপনার আমার মত লোকেরাই শুরু করতে হবে! সেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে।
এতো গেল আমার ভাবনা।
আমি আসলে আপনাদের কাছ থেকেই এর অনেক গুলো সমাথধান আশা করি।
আপনার প্রশ্ন গুলো আমার অবস্থানটা পরিস্কার করতে খুব সহায়ক ছিল।
ধন্যবাদ দিতে হবে?
দস্যু বনহুর বলেছেন:
পইড়া আমার দুইখান দাঁত ভাইঙগা গেল। তাও +
লেখক বলেছেন: দস্যু ভাই, ধন্যবাদ।
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
বুঝলাম ... এখন হয়ত প্রয়োজন ... ধন্যবাদ ...এটা একটা খুবই ভালো টপিক ... দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমরা কি কি করতে পারি ...
ইনফ্যাক্ট পুতুল, আরো এ্যালার্মিং হলো শিক্ষার মান ... জাপানের প্রাইমারী স্কুলগুলোতে আমি বেশ কয়েকবার গিয়েছি ... যাই আর মুগ্ধ হই ... ভাবি, আমাদের বাচ্চারা এভাবে বড় হতে পারবে কখনও?
লেখক বলেছেন: হয়ত পারবে, হয়তো পারবে না, কখনো!
চেষ্টাতো করে দেখতে পারি!
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন:
আমাদের দারিদ্র রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট। এর একটি ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতও আছে। বরং দারিদ্র্যের ইতিহাসটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। এর আছে স্থানিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত। যেমন আমাদের কৃষি অর্থনীতির কথাই বলি। এখানে কৃষি এখনও কৃষকের জন্য শুধু মাত্র অস্তিত্ব রক্ষার পেশা। বিকল্প নেই বলে সে কৃষিতে পড়ে আছে। অথব এ কৃষিকে বেগবান করার জন্য যে সরকারি সহযোগিতা দরকার তা নেই। সরকার উদ্যোগ নিতে চাইলেই বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফ উঠে পড়ে লাগে। বলে কৃষিতে ভূর্তিকী দেয়া যাবে না। বিশ্বব্যাংকের খবরদারির বাইরে মেরুদন্ড সোজা করে দাঁড়াবার মতো সরকার প্রধান আমরা দেখতে পেলাম না এখন পর্যন্ত। আপনি শিক্ষার কথা বলেছেন। এটি খু্বই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করবার জন্য। আবার আমাদের যে বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী নিরক্ষর রয়েছে, শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে তা আমার কাছে দারিদ্র্যের ফলাফল মনে হয়। কারণ শিক্ষার সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য যে অর্থনৈতিক ক্ষমতা দরকার তা নেই বলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার সব সময় বলে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট রেখেছে। কিন্তু সেখানে থাকে শুভকংরের ফাঁকি। সামরিক শিক্ষাটাকেও এর আওতাভুক্ত করে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দেখানের মধ্যে রাজনৈতিক অসততা আছে। আমরা বিগত বছর গুলোতে সে অসততাই দেখে যাচ্ছি। অন্যদিকে ক্রমাগত বেড়ে উঠছে শিক্ষা বাণিজ্য। এ শিক্ষা বাণিজ্য যেভাবে প্রসারিত হচ্ছে তাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়েও একজন শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের জন্য দারিদ্রমুক্ত হওয়ার সম্ভবনা ক্ষীণ হয়ে আসবে। কারণ মুক্তবাজার অর্থনীতিতে শিক্ষার যে গুনগত মান পরিবর্তন এসেছে তা পূরণ করতে পারবে না আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা বাণিজ্য প্রসারের স্বার্থে নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে।
আপনার লেখাটি ভাল লেগেছে। অ-নে-ক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: "আপনি শিক্ষার কথা বলেছেন। এটি খু্বই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করবার জন্য। আবার আমাদের যে বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী নিরক্ষর রয়েছে, শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে তা আমার কাছে দারিদ্র্যের ফলাফল মনে হয়। কারণ শিক্ষার সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য যে অর্থনৈতিক ক্ষমতা দরকার তা নেই বলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।"
আপনার সব বক্তব্যের সাথেই একমত পোষন করছি। কোড করা অংশটুকু হল; দুষ্ট চক্রের মত। হয়তঃ এর হাত থেকে আমাদের মুক্তি খুবই কঠিন। কিন্তু অসম্ভব ভাবতে পারি না। দারিদ্রতা বিমোচন করে, সব মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে পারলে খুব খুশী হতাম। কিন্তু সেটা আপাততঃ অসম্ভব বলে: অন্ততঃ একটা জায়গায় শুরু করতে হবে মনে করি।
"সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা বাণিজ্য প্রসারের স্বার্থে নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে।"
আজকাল গ্রামেও প্রাইমারী স্কুল গুলোর পাশেই ব্যাংগের ছাতার মত কেজি স্কুল গুলো গজিয়ে উঠছে!
একটু সংগতি সম্পন্ন হলেই মানুষ ছেলে মেয়ে ঐ কেজিতে পাঠায়। নামে মাত্র বেতনে শিক্ষক নিয়োগ করে। আর শিক্ষকরা মুল আয় প্রাইভেট পড়িয়ে করে।
এর কুফল থেকে আমাদের কী পরিত্রান নেই?
লেখক বলেছেন: "দারিদ্রতা জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে।" সম্ভবতঃ ডঃ ইউনুস ঘোষনাটি দেন।
ড. ইউনুসের নোবেল পুরস্কারটি ছিল বিশ্ব পুজিপতিদের পুজিবিনিয়োগের ট্রেড লাইসেন্স। কারণ বিশ্ব পুজিপতিরা তাদের অর্থ ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চেয়েছিল বিশ্বজোড়া একটি প্রচার, তায় তারা ড. ইউনুসকে নোবেল পুরস্কার দিয়ে আজ তারা সার্থক। এখানে নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে একটি এড ফার্ম আর ড.ইউনুস হচ্ছে একজন মডেল মাত্র। এ সত্য ড. ইউনুসের তৎকালীন আচরনেই প্রমান করেছিল। কারণ দেশ তখন চরম ক্রান্তিকালের মধ্যে অতিক্রম করছিল আর উনি বিশ্ব ভ্রমনে বেড়িয়েছিলেন তার নোবেল পুরস্কারে প্রচারণায়। অতএব ঐ ব্যক্তির প্রদত্ত প্রকল্পের দ্বারা দারিদ্রতা জাদুঘরে সংরক্ষন তো দূরের কথা দারিদ্রতা আরও সম্প্রসারন ঘটবে এটায় স্বাভাবিক। কারণ তার প্রকল্পের সুদের হার হচ্ছে ২৮%-৩৬%। যে দেশে সাধারণ কৃষক ১১% সুদে কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহন করে সে ঋণের বোঝা তার সন্তান থেকে নাতিপুতির ঘাড়ে পর্যন্ত রেখে যায়, সেই দেশে ২৮%-৩৬% সুদে অর্থ গ্রহন করে কি উন্নয়ন ঘটাতে পারে তা একমাত্র অর্থনীতি যারা বুঝেনা অথবা অর্থনীতি নিয়ে যারা দালালী করে তাদেরকেই বোঝানো সম্ভব। দারীদ্রতা দূরীকরনের সঙগা যদি সুদি মহাজনী ব্যবসা হয়ে থাকে তাহলে বলার কিছু নেই।
লেখক বলেছেন: একজন অথর্নীতি বিদ বললেন: দেখুন আপনি সে দেশের মানুষ, আপনার কী মনে হয়? দারিদ্রতার কারণ অনেক আছে। আমরা দূরথেকে অভাব দেখে, তা মোচনে অনেক সময় মোটা অংকের টাকা সাহায্য দেই। কিন্তু পরের বছর আবার সেই, অভাব।
যারা ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহন করে তারা কারা। যাদের পরিবারে সচ্ছলতা নেই তারা তাদের পরিবারে সচ্ছলতা আনয়নের জন্যে ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করে থাকে। কিন্তু ক্ষুদ্র ঋণদাতারা এক ব্যক্তিকে এক নামে সর্ব্বোচ্চ ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋন দান করেন। ফলে ঘটনা ঘটছে কি? ঋণ গ্রহিতা ঋণ গ্রহনের পরে সে তার নুন্যতম চাহিদা যেমন দুই তিন মাসের খাদ্য, কিছু কাপড় চোপড়, কিছু সংসারের প্রয়োজনের জিনিস পত্র ক্রয় করে, এতে সে যে কাজের জন্য ঋণ গ্রহন করেছিল তা কারর আর অর্থ থাকে না। ফলে গ্রহিত ঋনের অর্থ দিয়ে উপার্জন করে সে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হয় না ঋণ গ্রহিতার। এতে করে বছর শেষে আবার প্রয়োজন পরে নুতন করে অর্থের। ফলে একবার যে এ ঋণ গ্রহন করে থাকেন সে তার জীবদ্দশায় তো দুরের কথা তার প্রজন্মের জন্যেও তাকে দাসত্বের ক্ষৎ রেখে যেতে হয়। দাস প্রথায় ক্রীতদাসরা তাদের শারীরিক পরিশ্রম দান করে তাদের প্রভূর কাছ থেকে দু'বেলা খাবার পেতেন জীবন ধারনের জন্য, কিন্তু ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহন করে কত পরিবার এখন এসব সুদে মহাজনদের কাছে তাদের বংশ পরমপরায়কে দাসত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখছেন তার ইয়ত্তা নেই। যাদের পরিনাম আত্ম হত্যা করা ছাড়া আর কিছুই না।
লেখক বলেছেন: এবার আসুন কি করে নিরক্ষরতা দূর করা যায় তা নিয়ে দুটো কথা বলি।
যদি এখানে এই উদ্দেশ্যে বলা হয়ে থাকে যে, নিরক্ষরতা সমাজ পরিবর্তনের অন্তরায় তাহলে আমি এতে দ্বিমত প্রকাশ করবো। কারণ নিরক্ষতা আর সচেতনতা এক জিনিস নয়। সকল নিরক্ষর ব্যক্তি অসচেতন যেমন সত্য নয়, ঠিক তেমনি সকল অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিও সচেতন নয়। বাংলাদেশেরই কথা বলি, আপনি গ্রামে ভ্রমন করেছেন কিনা বা গ্রামের সহজ সরল নিরক্ষর ব্যক্তিদের সাথে মেলামেশা করেছেন কিনা আমি জনি না। তবে আমাকে মাঝে মাঝে গ্রামে যেতে হয়। আমি দেখেছি বহু নিরক্ষর ব্যক্তিকে, তারা এত সহজ সরল যা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। আবার তারা যে একেবারই অসচেতন তা নয়। তারা জানে কিভাবে জমি চাষ করতে হয়, কিভাবে ফসল আবাদ করতে হয়, সবকিছুই। অতএব নিরক্ষর হওয়াটা তাদের অপরাধ তা নয়। বরং অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন অসচেতন ব্যক্তিই সমাজের জন্যে প্রধান ক্ষতিকারক। যেমন আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক দলের নেতারা। কারণ তারা কথায় কথায় জাতির উন্নয়ন, দেশের উন্নয়নের কথা বলে, অথচ উন্নয়ন সম্পর্কে তারা কতটুকু সচেতন তাতে আমার সন্দেহ আছে।
সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বের জন্য সমাজের সকল মানুষের অংশ গ্রহনের প্রয়োজন তা ঠিক নয়। নেতৃত্বের সঙগায় তা বলে না। একটি সমাজকে উন্নতি করতে হলে সচেতন কিছু ব্যক্তির প্রয়োজন হয়, যারা নেতৃত্ব দেবে সমাজের সকল মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে গড়ে তুলতে। যেন তারা তাদের অধিকার তেকে বঞ্চিত না হয় কখনো। সেক্ষেত্রে নিরক্ষর ব্যক্তিও হতে পারে আবার অক্ষর জ্ঞন সম্পন্ন ব্যক্তিও হতে পারে।
তবে যদি এটা ভাবা হয় যে, মানুষকে আগে অক্ষর জ্ঞান দান করে সচেতন করে তোলা হবে তারপর সামাজিক আন্দোলন হবে তাহলে সামাজিক পরিবর্তনের আন্দোলন আখেরাতের আগে হবে কিনা আমার তাতে সন্দেহ আছে।
পুতুল বলেছেন:
"নিরক্ষর হওয়াটা তাদের অপরাধ তা নয়।"" বরং অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন অসচেতন ব্যক্তিই সমাজের জন্যে প্রধান ক্ষতিকারক। যেমন আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক দলের নেতারা। কারণ তারা কথায় কথায় জাতির উন্নয়ন, দেশের উন্নয়নের কথা বলে, অথচ উন্নয়ন সম্পর্কে তারা কতটুকু সচেতন তাতে আমার সন্দেহ আছে।"
স্বা.তু; আমি মনে করি তথাকথিত রাজনীতিবিদদের অপরাধ যে: গ্রামের এই সরলমতি মানুষগুলো শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। আমি মনে হয় নিরক্ষর মানুষগুলোকে এর জন্য কোথাও দায়ী করিনি। বরং কি ভাবে বেঁচে থাকতে হয় তা তারা আমাদের চাইতে ভাল জানে। সেটাই বলেছি।
এমন মানুষ দেখেছি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই বলে, নিজের প্রয়োজনে কিছু চিন্হ আবিষ্কার করে, প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো নোট করে রাখে। আমার কাছে তাদেরকে আমার চেয়ে জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান মনে হয়! শ্রদ্ধায় মাথানত হয়। আর লজ্জিত হ্ই! এই মানুষগুলোকে আমরা অক্ষর জ্ঞানের আওতায় নিতে পারছিনা!
"সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বের জন্য সমাজের সকল মানুষের অংশ গ্রহনের প্রয়োজন তা ঠিক নয়। নেতৃত্বের সঙগায় তা বলে না। একটি সমাজকে উন্নতি করতে হলে সচেতন কিছু ব্যক্তির প্রয়োজন হয়, যারা নেতৃত্ব দেবে সমাজের সকল মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে গড়ে তুলতে। যেন তারা তাদের অধিকার তেকে বঞ্চিত না হয় কখনো। সেক্ষেত্রে নিরক্ষর ব্যক্তিও হতে পারে আবার অক্ষর জ্ঞন সম্পন্ন ব্যক্তিও হতে পারে।"
মানুষকে শিক্ষার আওতায় আনার চেষ্টাওকি একটা সমাজ পরিবর্তনের ভেতর পরে না? একটা উন্নত সমাজ ব্যাবস্থার বেশীর ভাগ মানুষই শিক্ষিত।
নেতৃত্বের ব্যাপারে একমত্। কারণ: ভাল কিছু করতে গেলে ইচ্ছাটা থাকতে হয়। শিক্ষাটা সহায়ক হয় বটে, কিন্তু সর্ত নয়।
দেখুন একটা সমাজ একদিনে পরিবর্তণ হয়না। সেটা জে রকমের পরিবর্তণের কথাই বলাহোক। সমাজ পরিবর্তণের চেষ্টা অনেকে অনেক ভাবে করেগেছেন, করছেন। আমার মত ক্ষুদ্র মানুষ সে ব্যাপারে কী করতে পারব! আপাততঃ যদি আমাদের দেশের সব শিশু পঠন পাঠনের সুযোগ পেত! তাতেই খুব খুশী হতাম।
শিক্ষাকে সমাজ বদলের শর্ত হিসাবে দেখছিনা। কিন্তু একটা সমাজ বদলের সহায়ক ভাবতে ভাল লাগে।
আপনার বাদবাকী কথার সাথে একমত।
আপনার শিরনাম ছিল "পুঁজিবাদের থাবা,সমাজতন্ত্রের বাঁধা আর ভাষা দিবসে পুতুলের ধাঁধাঁ!"। আমি সেই উদ্দেশ্যেই সমাজ পরিবর্তনের প্রসংগ টেনে এনেছিলাম।
হাঁ, নিরক্ষরকে অক্ষর দান সমাজ উন্নয়নের একটা অংশ, তবে সামাজিক বিপ্লবের পাশাপাশিও সেটা করা যায়। তবে এটা না পূরণ হলে বিপ্লবের দিকে আগানো যাবে, তাহলে বিপ্লব কোন দিনই আসবে না। এসব বিষয়ে কার্যক্রমের জন্য এন জি ও ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গুলোই যথেষ্ট, আর আমি একজন এন জি ও কর্মী হতে কখনই পছন্দ করবো না। তবে পরামর্শ চাইলে দিতে পারি।
















