আমার প্রিয় পোস্ট
- পড়তে মন না চাইলেও প্লিজ একবারের জন্য মাইক টাইসনের এই সাক্ষাৎকারটা পড়ুন - ইউনুস খান
- ভুড়ি কমানো নিয়মাবলী - অনন্যা রহমান
- মেয়ে পটানোর সহজ উপায়। (একটি গবেষণাধর্মি পোস্ট) (১৮- দের প্রবেশ নিষেধ)
- আলিম আল রাজি
- সরাসরি ওয়াল্ড কাপ খেলা দেখুন অনলাইনে - রবি০১৯
- আমার FM রেডিও ষ্টেশনে আমিই RJ, বানিয়ে ফেলুন আপনারটিও, মাত্র ২৫ টাকায়, খুব সহজে!!! - মেক্সবিডি
- নুলা মুসা কিংবা প্রিন্স মুসাঃ যে রাজাকারের সম্পদ আর ক্ষমতার কথা শুনে আপনি চমকে যাবেন । পর্ব-১ >> নিঝুম মজুমদার - দ্যা ডক্টর
- আওয়ামী লীগে যুদ্ধাপরাধী নাই-দিপু মনির এ দাবির প্রতিক্রিয়া - সুধাসদন
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও দিন বদলের কর্মীদের তান্ডব - উচ্ছল
- মিথ্যাচারের গর্ভে জন্ম নেয়া আওয়ামী পাপাচার... - ওয়াচডগ৫৭
- ছবিগুলো সহ্য করার মতো নয়, তবু দেখুন! (খবর: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির খুন করলো গনিত ৪র্থ বছরের ফারুককে) - অবিশ্বাসী
ছাত্রলীগ-হিজবুতী মধুর কানেকশন:: এখন দিবালোকের মত সত্য।
১৭ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০৪
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আর হিজবুত তাহেরীর মধ্য সম্পর্কের মধুচন্দ্রিমা চলছে। সেটা এতদিন গোপন থাকলেও গতকাল তা ফাঁস হয়ে গেল। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরীরের হয়ে সরকারবিরোধী লিফলেট বিতরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ আদেলকে ছাত্রলীগের সদস্য বলে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন জেলার বরুড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বখতিয়ার হোসেন। এ ছাড়া বরুড়া উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজ আহমেদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়াও আদেলের পক্ষে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন।![]()
পোস্টটি প্রিয় ব্লগার মামুন বিদ্রোহী দাদাকে উৎসর্গ করলাম।![]()
![]()
আরো জানতে সোজা চলে যান এই লিংকে- Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজাকার ছাত্রলীগ। ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: চোখ কান খোলা বলেছেন: এ আর নতুন কি?
িরয়াজ উিদ্দন বলেছেন:
চোরে চোরে মাসতুতো ভাই..!!!!!!!!
লেখক বলেছেন:
![]()
চোখ কান খোলা বলেছেন:
এ আর নতুন কি?
লেখক বলেছেন: দিবালোকের মত সত্য।
পানকৌড়ি বলেছেন:
ভালো ভালো ।
লেখক বলেছেন: কি??
জাতি আরো জানবে.....এর আগেও জেনেছে....মির্জা আজমের দুলা ভাই..জে এমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান..কোটালীপাড়ায় ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পাওয়া যায়>...মুফতি হান্নানের কাছে..সে এক সময় আম্বালীগ করতো.....
পোষ্টটি স্টিকি করা হোক.......
লেখক বলেছেন: পোষ্টটি স্টিকি করা হোক.......
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
হে হে হে ...
লেখক বলেছেন: হে হে হে
লেখক বলেছেন: আরো বাকি আছে...
লেখক বলেছেন: মনে হয় ভয় দেখালে.......
বোবা ছেলে বলেছেন:
---
আওয়ামী ব্লগার মামুন বিদ্রোহী হিজবুতি বন্ধু-বান্ধ সহ গ্রেফতার, ৭ দিন জেল খেটে ঘুস দিয়ে ছাড়া পেয়েছে........!!!
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: কি নিমক হারামী করেছি??
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন:
স্বরে আ ব-আকার ল।
লেখক বলেছেন: কে তুমি না আমি?? যা মনে হচ্ছে তুমিই স্বরে আ ব-আকার ল।
সোনাই বলেছেন:
View this link ভাইজান এই লিন্কটা ঘুরে আসুন ...এই নেতার কাছেও হিজবুত তাহেরীর লিফলেট রয়েছে , তিনিও ছাত্রলীগ নেতা।
লেখক বলেছেন: সবগুলাই ছাত্রলীগ
লেখক বলেছেন: হতে পারে।
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন:
পুরাপুরি হতবাক হলাম B:-) B:-)
লেখক বলেছেন: আমিও
িময়াজী বলেছেন:
পোষ্টটি স্টিকি করা হোক
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
![]()
এক্স বলেছেন:
এ পর্যন্ত কেউই হিযবুত তাহরীরের বিরুদ্ধে কোন জঙ্গী কর্মকান্ড প্রমান করতে পারে নাই. আর হিযবুত তাহরীরের এজেন্ডা কি? তাদের এজেন্ডা হল কাফের মুশরিকদের চক্রান্তগুলিকে ফাঁস করা এবং মুসলমানদের উপর ফরয শাসন ব্যবস্হা খিলাফাহ কে পুনপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা. তাহরীর সকল দেশবিরোধী চুক্তি, ঘটনার প্রতিবাদ করেছে, যে পিলখানা হত্যাকান্ডের পর কেউই সুষ্ঠু বিচারের দাবি নিয়ে মুসলিম সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়ায়নি একমাত্র তাহরীর ছাড়া. টাইগার-শার্কের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যতবারই টাইগার-শার্কের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে ততবারই তাদের নেতাদেরকে ধরে জেলে ঢুকানো হয়েছে. তারপরও তারা গনতন্ত্রের মত একটি কুফরি ব্যবস্হার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করে যাচ্ছে.. কাজেই লীগ কখনই তাহরীরের সহযোগী হতে পারে না, লীগের আদর্শ গনতন্ত্র আর তাহরীরের আদর্শ ইসলাম. কাজেই এই দুয়ের মাঝে কখনই কোন সমোঝোতা হবে না.একজন আওয়ামীনেতারও কিন্তু বিবেক বুদ্ধি আছে এবং তারাও মুসলমান, কাজেই সেও পারে হিযবুত তাহরীরের এজেন্ডার সমর্থক হতে. তার মানে কিন্তু এই নয় যে তারা একজোট. হে আল্লাহ, আপনি বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে গনতন্ত্রের বিষবাষ্প থেকে রক্ষা করুন এবং খিলাফাত প্রতিষ্ঠার জন্য হিদায়াত দান করুন.
তাহরীরের শেষ লিফলেটের ভাষ্য ছিল এরকম, হে মুসলিমগণ! শেখ হাসিনা আপনাদেরকে ক্রুসেডার আমেরিকা এবং মুশরিক শত্রুরাষ্ট্র ভারতের হাতে সমর্পন করতে যাচ্ছে; এ ঘৃণ্য কাজে সে সফল হবার পূর্বেই তাকে অপসারন করুন.
পড়ুন এবং নিজেই বিচার করুন.
লেখক বলেছেন: CTN
কলমবাঁশ বলেছেন:
জে.এম.বি-র প্রধান শায়খ আব্দুর রহমান হলো যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর্জা আজমের আপন ভগ্নিপতি, তার অর্থ আওয়ামী লীগের দুলাভাই আর আওয়ামী লীগের দুলাভাই মানে হাসিনার জামাই। এ কারণে জে.এম.বি-র প্রধান শায়খ আব্দুর রহমান এর বউ গত কিছুদিন আগে বেকসুর খালাস পেয়েছে। অন্য কেউ হলে তার ১৪ গোষ্ঠী সবাই অভিযুক্ত হতো এবং শাস্তি ভোগ করতে।
মোসাজস বলেছেন:
কলমবাঁশ বলেছেন: জে.এম.বি-র প্রধান শায়খ আব্দুর রহমান হলো যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর্জা আজমের আপন ভগ্নিপতি, তার অর্থ আওয়ামী লীগের দুলাভাই আর আওয়ামী লীগের দুলাভাই মানে হাসিনার জামাই। এ কারণে জে.এম.বি-র প্রধান শায়খ আব্দুর রহমান এর বউ গত কিছুদিন আগে বেকসুর খালাস পেয়েছে। অন্য কেউ হলে তার ১৪ গোষ্ঠী সবাই অভিযুক্ত হতো এবং শাস্তি ভোগ করতে।
আরিয়ানা মিনু বলেছেন:
মিডিয়ার পা-চাটা কুত্তাদের সাথে নিয়ে সারা বিশ্বকে এই সরকারী দলটা আসলে বুঝানোর চেষ্টা করতেসে যে দেশে "জঙ্গী" আছে। তাই শান্ত অবস্থায় নতুন একটা দল আবিষ্কৃত হইলো "হিজবুত তাহরীর"... দেশে কয়েকযুগ ধরে কত্ত কত্ত দল রয়ে গেলো, কেউ এত বড় আয়োজন করতে পারলো না। অথচ হরদম তাহরীর এর লিফলেট হাতে পেয়ে আমার এই সন্দেহ আগেই হইসিলো--- এইটা অনেক টাকার প্রজেক্ট।
আওয়ামী লীগের এই সংসদের মন্ত্রীদেরকে চরম মাইনাস-- দেশটারে নিয়া খেলতেসে।
কী যে হইতে পারে আগামীতে সেইটা ভাবলে মাথা খারাপ হয়ে যায়!!!
ডন অফ কর্লিওন বলেছেন:
ছাগুলীগ হইলো ডিজিটাল জংগি।
এক্স বলেছেন:
@আরিয়ানা মিনু - সামনে দিয়ে ইদুর যায়না কিন্তু পিছে দিয়ে হাতি যায়. ইউএন যখন কোটি কোটি টাকার ফান্ড নিয়ে ইউএস এইড সহ বিভিন্ন ব্যানারে আমাদের ৫স্টার হোটেলে বসে দেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি, বিষাক্ত গনতন্ত্র, এন্টি ইসলামিক কন্সেপ্ট দেশে ঢুকায় তখন কিন্তু আপনি বলেন না এদের উদ্দেশ্য কি এদের টাকা আসে কোথা থেকে. কিন্তু ১টা লিফলেট ছাপাতে বড়জোর ৫০ পয়সা লাগে. আর সেই লিফলেট হাতে পড়লেই বলে উঠেন "আমার আগেই সন্দেহ হইসিলো --- এইটা অনেক টাকার প্রজেক্ট"..তাহরীরকে ঠেকানোর মেথড হাসিনা জানেননা, তাই মার্কিন চাপ বাড়লেই তিনি খালেদা-নিজামী দমনের ফর্মূলা প্রয়োগ করেন একটি আইডিওলজিক্যাল দলের উপর.
তাহরীর একটা বিশ্বব্যাপি সংগঠন আর আলীগ একটি লোকার দল, তাহরীর একটি আইডিওলজিক্যাল দল যার কাউন্টারপার্ট গনতন্ত্রসহ সকল তাগুত আইডিওলজি, আর হাসিনা হল সেই গনতন্ত্রের কনডম সদৃশ একটা লোকাল দল. কাজেই হাসিনা-খালেদা-পারভেজ মোশাররফ-জারদারি-হোসনি মোবারক কে তাহরীর গনার মধ্যেও ধরে না.
ডট ডট করতে চাইলে জেএমবি নিয়ে আলীগের বাসর সাজান, বুদ্ধিজীবি মহল এমনিতেই জানে তাহরীর এমনিতেই একটা গ্লোবাল এজেন্ডা, এইবার পাবলিকরাও কষ্ট করে জেনে নিন.. জানতে ক্লিক করুন - khilafah.com
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন:
ডন অফ কর্লিওন বলেছেন: ছাগুলীগ হইলো ডিজিটাল জংগি।
লালসালু বলেছেন:
এক্সের লাঞ্জা বের হয়ে গেছে।
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
আমি মনে করিনা হিযবুত তাহরীর কখনোই বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর সাথে কোন বিষয়ে কোথাও এক এজেন্ডা নিয়ে কাজ করবে। তারা সশস্ত্র বিপ্লবের চেষ্টাও কখনো করেনাই। এইসব বালখিল্য কথা বলে হাওয়ায় ধোয়া উড়ায়ে কোন লাভ নাই। হিযবুত তাহরীর শুড বি অবজেক্টিভলি অ্যানালাইজড। তাদের আসল এজেন্ডা কি?তাদের একটা ভিডীও দেখসিলামঃ খিলাফাহ নিড ফর চেঞ্জ। সেখানে প্রথমে সারা উম্মাহর উপরে গত শতাব্দীর নির্মম কুফর শাসক গোষ্ঠির নির্যাতন দেখানো হল। দেখে আমার চোখে পানি চোলে আসল। ঠিক সেই মুহুর্তে তারা দেখালো এই ধরনের জুলুমের জন্য দায়ী কে? তুরস্কের এরদোগানের মত শাসক রাই এরজন্য দায়ী। পাঠক খেয়াল কোরুন পুরা মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্কই একমাত্র দেশ যেখানে জনগনের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়। সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, লিবিয়া, কাতার, কুয়েত, ইরাক সর্বত্রই সরাসরি আমেরিকান দলাল স্বৈরশাসক অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় আছে। তাহ্রীর কিন্তু এদের কথা একবার ও ওখানে বলেনাই। তারা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক উদ্দেশ্যমূলক ভাবে শুধু এরদোগানকেই এজেন্ট অফ কুফফার উপাধি দিল। এথেকে সারা বিশ্বব্যাপি চলে আসা জনগনের বিশ্বাস অর্জনকারী ক্ল্যাসিকাল ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরাসরি বিভ্রান্তি তৈরি এবং এক অদ্ভুত ধরনের অসম্ভব এবং সুন্নাহ বিরোধী কর্মপদ্ধতির ভিত্তিতে মাত্র অল্পকিছু স্টুডেন্ট কে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কোন আউটপুট কোন দেশে আসেনাই। এদের নিজাম উল ইসলাম/ আত্তাকাত আল হিযবি/ খিলাফাহ দ্য অনলি সলিউশন এই সব বই পড়লেই বুঝা যাচ্ছে এরা ইন্টেলেকচুয়ালি এক্সট্রিমিস্ট। ৪ ইমাম যেসব বিষয়ে এখতেলাফের সুযোগ রেখেছেন সেগুলোতেও তারা তাদের মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন। দিস শুড নট বি অ্যাক্সেপ্টেবল।
এক্স বলেছেন:
আমি বুঝলাম আপনি গনতান্ত্রিক ইসলামকে ভুল প্রমান করায় ক্ষিপ্ত. কিন্তু দেখুন জামাতের গনতান্ত্রিক ইসলাম এখন পুরাই ব্যার্থ হয়ে গিয়েছে. দলীয় সংবিধান থেকে আল্লাহই একমাত্র আইনপ্রনেতা এই রুল বাদ দিলে এটা আর নামেও ইসলামিক মুভমেন্ট থাকে না, বাদ না দিলে তাদেরকেও হিযবুত তাহরীরের মত রাসূলুল্লাহ সাঃ এর অনুসৃত পথই গ্রহন করতে হবে. আর ফিকাহ দিয়ে আর প্রমান করার দরকার নাই. তাহরীর সকল তাগুতের বিরুদ্ধেই বলে. তাহরীর ইরাক, ইরান, জর্ডান, লিবিয়া সব জায়গাতেই আছে এবং কাজ করছে. কিন্তু সেখান থেকে খিলাফাত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর নয় তাই যেখানে সম্ভবপর সেখানকার ডমিনেটিং আইডিওলজিকে টার্গেট করা হচ্ছে এবং তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যতা এবং ইসলামের সামনে সেটার অসহায়ত্বটা প্রকাশ করা হচ্ছে. আপনাকে গ্লোবাল পারসপেক্টিভ দেখতে হবে. এটা ইসলামিক আইডিওলজি ভার্সেস ডেমোক্রাসি-কমি আইডিওলজি. লিঙ্কগুলি দেখুন
The rulers of Lebanon are refusing visas to the delegates of the International Media Conference!!!
Russia's attempt to link Hizb ut-Tahrir with terrorism is a sign of its intellectual bankruptcy
লিবিয়ার গাদ্দাফির সাথে তাহরীরের কমিউনিকেশনের লিঙ্ক (বৈঠক শেষে গাদ্দাফি তাদের সকলকেই প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে) Com. with Gaddafi
এক্স বলেছেন:
এবং আব্দুল্লাহ - ভাই রাসূল সাঃ এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার ৩টি পর্যায় ছিল যা সিরাত ও দলিল দিয়ে প্রমানিত. তাহল - কুতলা, ওপেন দাওয়াহ, নুসরাহ. এখানে ৪ ইমাম কেনো আশায়েরা মুবাশ্বেরারাও দ্বিমত করার অধিকার রাখেন না. ৪ ইমামের কেউই ইসলাম কেমনে আসবে তা নিয়ে কোন ভার্ডিক্ট দেননি. কারন ইখতেলাফ করা যায় ফুরু এর ক্ষেত্রে. যা ডেফিনিট এবং ক্লিয়ারলি মেজারড সে ক্ষেত্রেতো ইখতেলাফ করার প্রশ্নই আসে না.আমি এটা বললাম কারন আমি সত্যটা জানার পরও যদি আপনাকে না জানাতাম তবে আল্লাহ এবং রাসূল সাঃ এর কাছে আমাকে জবাবদিহী করতে হত. দয়া করে সিরাতটা ভালো ভাবে পড়ুন এবং এনালাইসিস করুন.
এক্স বলেছেন:
@এবং আব্দুল্লাহ - ভাই রাসূল সাঃ এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার ৩টি পর্যায় ছিল যা সিরাত ও দলিল দিয়ে প্রমানিত. তাহল - কুতলা, ওপেন দাওয়াহ, নুসরাহ. এখানে ৪ ইমাম কেনো আশায়েরা মুবাশ্বেরারাও দ্বিমত করার অধিকার রাখেন না. ৪ ইমামের কেউই ইসলাম কেমনে আসবে তা নিয়ে কোন ভার্ডিক্ট দেননি. কারন ইখতেলাফ করা যায় ফুরু এর ক্ষেত্রে. যা ডেফিনিট এবং ক্লিয়ারলি মেজারড সে ক্ষেত্রেতো ইখতেলাফ করার প্রশ্নই আসে না.আমি এটা বললাম কারন আমি সত্যটা জানার পরও যদি আপনাকে না জানাতাম তবে আল্লাহ এবং রাসূল সাঃ এর কাছে আমাকে জবাবদিহী করতে হত. দয়া করে সিরাতটা ভালো ভাবে পড়ুন এবং এনালাইসিস করুন.
আসুন কুরআন জানি, সুন্নাহ (রাসূল সাঃ এ) জানি, সিরাতুল মুস্তাকিমে থাকি, খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করি.
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
আপনার সাথে কথা বইলা পাপ করসি ভাই মাফ কইরা দেন। আপনে কুন জন্মে আমার "গণতান্ত্রিক ইসলামরে" ভূল প্রমাণিত করতে পারলেন? ইসলাম গণতান্ত্রিক বা সমাজতান্ত্রিক হয়না। তেনা না পেচাইয়া স্বীকার করেন মধ্যপ্রাচ্যের সকল স্বৈরশাসক বাদ দিয়া যেখানেই উম্মাহর আস্থা অর্জন কারী সম্ভাবনা ময় ইসলামী আন্দোলন মাথাচারা দিয়ে ওঠে সেইখানেই তাহরীরের আগমন ঘটে।আপনার কিছু সমালোচনা করি। আপনি কোথাও বলসেন ক্ষমতাবান ফ্যামিলির ছেলেরা তাহরীর করে। আপনি কি এর মাধ্যমে আপনার শ্রেণী চরিত্র প্রকাশ করলেন না? এর মাধ্যমে কি আপনি প্রচলিত কুফফার ব্যবস্থার ক্ষমতার কথাই মহানন্দে ঘোষণা দিলেন না?
দয়া করে একটু সিরাতে ইবনে হিশাম বা রাহীকুল মাখতুম পড়ে নিয়েন। গঠন তন্ত্র থেকে ইসলাম বাদ দেয়ায় এত চুল্কানি? রাসূলের যুগে কাবা ঘরে মূর্তি থাকা কালীন অবস্থায় নামাজ পড়তে দেখলে তো আপনার মত বুজুর্গ রাসুলরেই মুরতাদ ঘোষনা দিত। আর হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ কথা কেটে মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ লেখতে দেখলে তো বলতঃ কম্প্রমাইজ করসে। সুবিধাবাদি এইসব আরকি। মাইনশেরে সিরাত পরার উপদেশ খয়রাত করার আগে একটু সিরাত নিজে বুঝেন আর কন্টেক্সচুয়ালাইজ করে দেখেন।
এক্স বলেছেন:
আপনি চেতে যাচ্ছেন কেন ভাই. যুক্তিতর্কের আসরে কিন্তু রাগ শোভা পায় না. আর আমার সমালোচনা করলে তো আমি কখনও কাফের, কখনও মুনাফিক আবার কখনও হুজুর. আমাদের আলোচনা হচ্ছিল ইসলাম প্রতিষ্ঠার রাসূল সাঃ এর তরিকা নিয়ে, তাহলে সেদিকে ফিরে যাই.রাসূল সাঃ এর যুগে কাবা ঘরের ভিতর মূর্তি ছিল, এখন আমাদের রাস্তায় রাস্তায় মূর্তি, মনের ভিতরে মূর্তি (ইলাহ). নামায পড়ার সময়ও মনে মনে হিসাব কষি টিনাকে পটাইতে হইলে লাখ টাকার চাকরী লাগবো. বাইতুল মুকাররামে যাইতে যাইতেই ৩টা ইন্ডিয়ান হুর (কি নাপাক কথা, কোনটারই গায়ে বেশি কাপড় নাই), ৪টা দেশি হুরের ছবি দেখে মসজিদে ঢুকতে হয়. তাইলে কেস তো সেইম. তখনও মূর্তি এখনও মূর্তি.
নাম কি লিখছিল সেটা বাদ দিয়ে গঠনতন্ত্রের কথায় ছিলাম সেই গঠনতন্ত্রে আসেন. রাসূল সাঃ কি গঠনতন্ত্র থেকে কি লা ইলাহা ইল্লা ইলাহ কে বাদ দিয়ে ইলাহ হিসবে কাফেরদের ব্যবস্হাকে নিয়েছিলেন? নাহ তিনি বলে দিয়েছেন লা-কুম দ্বিনুকুম ওয়ালিয়াদ্বীন (তোমার দ্বীন তোমার কাছে আমার দ্বীন আমার কাছে, নো কম্প্রোমাইজ. সি ইউ ইন এক্সট্রিম)
ইরাকে তাহরীর এখনও কাজ করছে, লেবানন, জর্ডান, সিরিয়া, চৌদি, উযবেক, কিরগিজ সব জায়গাতেই আছে এবং কাজ করছে. আপনি একটা ভিডিও দেখে যদি মাথা গরম করে ফতোয়া জারী করে বসেন তবে কিভাবে চলে ভায়া. খিলাফাহ.কম এ যান গিয়ে দেখুন তাহরীর সবজায়গাতেই সমান তালে কাজ করছে.
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
তাহরীর কোন জায়গায় কাজ করতেসে সেইটা আমার প্রসং ছিল না। আউট অফ কন্টেক্সক্ট সব জায়গায় কুরআনের শূধু লাকুম দিনুকুম... ইউস করা কিন্তু ভায়া আমি সসসসসসসসসসসব তাহরীরের মধ্য একদম ডিফল্ট পাইসি। তারা কিন্তু কখনোই কন্টেক্সক্টের সাথে যতই মিল থাক এই আয়াত বলেনা যেঃ "যদি তারা সন্ধি চায় তবে তোমারাও সেদিকেই অগ্রসর হও" আপ্নে যেমনে সিরাত বুঝা আরম্ভ করসেন তাতে কিন্তু নিশ্চিত প্রমানিত হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় সামনে থাকলে কইয়া বইতেন এইটা রিসালাত আই মিন কালিমা তাইয়্যেবার সেকেন্ড পার্ট অস্বীকার করা। আসলে এই ব্যাপারটা ফান্ডামেন্টালী অন্যরকম। রাসূলের নাম কেটে দেওয়া তে যেমন রাসূল রিসালাত অস্বীকার করেন নাই তেমনি গঠন তন্ত্রে ইসলাম বাদ দিলেও ইসলাম হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যাবেনা। ৯০ বছর পর বাদিউজ্জামান সাইদ নূরসীর অনূসারীরা ঠিক ঠিক তুরস্ক্বে ক্ষমতায় চলে আসছে। তারা সংসদে হিজাব নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে বিল উঠাতে সাহস করতেসে। আর গাজায় পেনিট্রেট করার চেষ্টা করে বিশ্ব বিবেক কে তাক লাগাচ্ছে। আর কামাল পাশার বনধু ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক এই উছিলায় প্রায় শেষ করে আনছে। আল্লাহ চাহে তো যেখানে খিলাফাত শেষ হইসে সেখানেই আবার শুরু হবে। লক্ষন বিলক্ষণ সেরকম মনে হচ্ছে। আর তাহরীর হোসনী মুবারাক বা জর্ডানের আব্দুল্লাহ বাদ দিয়ে এরদোগানের পশ্চাত দেশে আতসী কাঁচ নিয়ে লেগে গেসে।
এক্স বলেছেন:
লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়াদ্বীন. এত স্পষ্ট একটা যুক্তিও যদি আপনি ভোঁতা দা দিয়ে খন্ডাতে চান তবে খন্ডিত করেন. আমি সন্ধি করতে রাজী কিন্তু কাফের হয়ে সন্ধি করতে রাজী না. মাতালকে দাওয়াহ করার জন্য মদের বোতল চাখতে রাজী না. রাসূল সাঃ বলেছেন খিলাফাত আসবে নবুওয়াতের আদলে. কাজেই নবুওয়াতের আদলেই আসবে, ক্ষমতাসীনদের তেলিয়েও নয়, গনতন্ত্রের হাত ধরেও নয়, জঙ্গীবাদের হাত ধরেও নয়. রাসূল সাঃ কিন্তু পূর্ব থেকে সুঘ্রাণ পাচ্ছিলেন. আর আমরা সেই পূর্বেই অবস্হান করছি. খিলাফাহ ডট কমের ঢু মারেন, ওদের কাজকর্ম দেখেন তারপর ফতোয়া দেন.
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
ফতোয়া দেওয়া আমার ব্যবসা না। আর যাকে তাকে এজেন্ট অফ কুফফার বলে বেড়াইনা। খিলাফাহ ডট কমে ২০০৬ সাল থেকে যাতায়াত করতেসি। সম্ভাবনাময় ইসলামী আন্দোলনের গোয়ায় লাগা ছাড়া তাহরীর যেই আউট পুট দিসে তার সাম হচ্ছে জিরো। তবে উম্মাহর পটেনশিয়াল কিছু লোকজন যেমন মাওলা স্যার বা মহিউদ্দীন স্যারকে আজাইরা জেলে ঢুকানো আর ইসলামিস্ট দেরকে ইউটোপিয়ার স্বপ্ন দেখাইয়া মানব কল্যান ধর্মী কাজ বাদ দিয়া স্বপ্নালু ঘোর আনা হিশাবে ধরলে ফলাফল নেগেটিভ হয়। আবার তেনা পেচাইলেন। লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়াদ্বীন নাজিলের প্রেক্ষাপট আর "যদি তারা সন্ধি চায় তবে তোমারাও সেদিকেই অগ্রসর হও" এর কন্টেক্সক্ট কি একই? ফতোয়া দিতাসেন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় রাজনীতি হারাম। বিল্কুল। তাইলে আবার কোর্টে মামলা করতে যান কোন লজ্জায়? কয়েক মিনিট পর পর মহিউদ্দীন স্যার যে একে ওকে উকীল নোটীশ দিত এগুলা কি সিস্টেমের বাইরে। নাকি এগুলা আননার ভাষার "তাগুতি" সিস্টেমের বাইরে? আপনি মুখে যেটাকে বলতেসেন মানেন না সেটাই তো আবার ঠেকেয় পইরা ঠিকই মানতাসেন। এই যে টাকার নোট ইউস করেন এর মধ্যেও রিবা ডুকে গেসে। কাগজের টাকার নোট ইটসেলফ রিবা এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য। ভোটার আইডী/ ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি তোলা নিয়ে তাহরীর মহিলা ডেলিগেশন যে ইসিতে গেল এটা কোন ধরনের গনতন্ত্রের বাইরে থাকা হইল। একটা ভোগাস ধরনের ইতরোচিত আচরনের মাধ্যমে উম্মাহর কাছে সিন্সিয়ার ইসলামিস্ট দের কাজ কে বিতর্কিত করা ছাড়া আপনার গনতন্ত্র মানেন না এই কথার কোন বাস্তব ভিত্তি কি সত্যিই আছে? আপনি চাইলেও তো এই নিউ লিবারেলিজমের রাষ্ট্র এবং তার গনতন্ত্র যন্ত্রের বাইরে না।
এক্স বলেছেন:
কে বলসে গনতান্ত্রিক ব্যবস্হায় রাজনীতি হারাম. তাহরীর যে রাস্তায় নামে সরকার ব্যবস্হা পরিবর্তনের ডাক দেয় এইটা কি রাজনীতি না? তাহরীরের লোকজন জেলে গেলে কোর্টে বিচার চাওয়া হয়. এটাও একধরনের প্রতিবাদ. রাসূল সাঃ কি জেহেল এর কাছে বাকীতে কেনা উটের টাকা কেন দেয়া হল না সেই বিচার নিয়ে যাননি? বিচার চাওয়া যাবে কিন্তু ক্ষমতা লাভের জন্য কুফরকে দলীয় সংবিধানে এডপ্ট করা যাবে না. যেখানে ক্ষমতা লাভের জন্য রাসূল সাঃ এর দেখানো পথ আছে সেখানে আমি কেন নিজের মনগড়া দলিল বিহীন পন্হা অবলম্বন করব.
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
ও এই কোর্টে বিচার চাওয়া হচ্ছে প্রতিবাদ না? ভাই আপনি কি আমাকে আ*ল মনে করেন? যেই কোর্ট শরীয়াহ অনুযায়ী ফয়সালা করেনা সেইটা যায়েজ? এইরকম সুবিধাবাদী কথা কই শিখসেন?
এক্স বলেছেন:
তাহলে রাসূল সাঃ কেনো গেলেন জেহেলের কাছে বিচার নিয়ে?
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
মু. নূরনবী বলেছেন: নেংটিটা খুলে পড়ে গেল নাকি?.....জাতি আরো জানবে.....এর আগেও জেনেছে....মির্জা আজমের দুলা ভাই..জে এমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান..কোটালীপাড়ায় ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পাওয়া যায়>...মুফতি হান্নানের কাছে..সে এক সময় আম্বালীগ করতো.....
পোষ্টটি স্টিকি করা হোক.......
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
জেহেলের কাছে বিচার নিয়ে? মানে জেহেল যদি বলত মুহাম্মাদ তোমার প্রাণদন্ড হইল আমার প্রই অবমাননার জন্য তাহলে তিনি তা মানতেন? এটার নাম কি বিচার চাওয়া না হক আদায় করে দেওয়া"বিচার চাওয়া যাবে কিন্তু ক্ষমতা লাভের জন্য কুফরকে দলীয় সংবিধানে এডপ্ট করা যাবে না" গাঁজার নৌকা পাহাড় দিয়ে যায়...
ফতোয়া কি এমন হিশাব কইরা দিতেসেন যে একটাও তাহরীরের উপর না পরে আর একটাও জামায়াতে ইসলামী ক্ষেত্রে মাটিতে না পড়ে?
এক্স বলেছেন:
কমেন্ট কে মুছল... দেবজিত সাহেবও কি একই রিং এর লোক নাকি?
মেহরিন সুমি সাদিয়া বলেছেন:
তোর মা ও কি ছাইয়া নাকি?
ত্রিভুজ বলেছেন:
আওয়ামীলীগের সাথে জেএমবির কানেকশন আছে এটা আমার অনেক পুরানো অনুমান... সম্প্রতি সিলেটে জেএমবি নেতাকে সাথে নিয়ে আওয়ামী নেতার সন্ত্রাসী ঘটনা আমার অনুমানকে সত্য প্রমাণ করেছে।হিযবুত তাহরির এর কথাবার্তা মোটেও ইসলামিক নয় বরং আওয়ামী ওলামালীগ টাইপ। হিযবুত তাহরীর আওয়ামীলীগের উইং হওয়ার বিষয়টা একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না...
গরম ভাত বলেছেন:
এক্স বলেছেন: এ পর্যন্ত কেউই হিযবুত তাহরীরের বিরুদ্ধে কোন জঙ্গী কর্মকান্ড প্রমান করতে পারে নাই. আর হিযবুত তাহরীরের এজেন্ডা কি? তাদের এজেন্ডা হল কাফের মুশরিকদের চক্রান্তগুলিকে ফাঁস করা এবং মুসলমানদের উপর ফরয শাসন ব্যবস্হা খিলাফাহ কে পুনপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা. তাহরীর সকল দেশবিরোধী চুক্তি, ঘটনার প্রতিবাদ করেছে, যে পিলখানা হত্যাকান্ডের পর কেউই সুষ্ঠু বিচারের দাবি নিয়ে মুসলিম সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়ায়নি একমাত্র তাহরীর ছাড়া. টাইগার-শার্কের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যতবারই টাইগার-শার্কের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে ততবারই তাদের নেতাদেরকে ধরে জেলে ঢুকানো হয়েছে. তারপরও তারা গনতন্ত্রের মত একটি কুফরি ব্যবস্হার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করে যাচ্ছে.. কাজেই লীগ কখনই তাহরীরের সহযোগী হতে পারে না, লীগের আদর্শ গনতন্ত্র আর তাহরীরের আদর্শ ইসলাম. কাজেই এই দুয়ের মাঝে কখনই কোন সমোঝোতা হবে না.
একজন আওয়ামীনেতারও কিন্তু বিবেক বুদ্ধি আছে এবং তারাও মুসলমান, কাজেই সেও পারে হিযবুত তাহরীরের এজেন্ডার সমর্থক হতে. তার মানে কিন্তু এই নয় যে তারা একজোট. হে আল্লাহ, আপনি বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে গনতন্ত্রের বিষবাষ্প থেকে রক্ষা করুন এবং খিলাফাত প্রতিষ্ঠার জন্য হিদায়াত দান করুন.
তাহরীরের শেষ লিফলেটের ভাষ্য ছিল এরকম, হে মুসলিমগণ! শেখ হাসিনা আপনাদেরকে ক্রুসেডার আমেরিকা এবং মুশরিক শত্রুরাষ্ট্র ভারতের হাতে সমর্পন করতে যাচ্ছে; এ ঘৃণ্য কাজে সে সফল হবার পূর্বেই তাকে অপসারন করুন.
পড়ুন এবং নিজেই বিচার করুন.সহমত।
জামায়াত ও শিবিরের ভাইয়েরা কতটা অনুমান নির্ভর কথা বলেন তার প্রমাণ হল এটি। জেএমবির সাথে আওয়ামী কানেকশন আছে এটি তো দিবালোকের মত সত্য। কিন্তু হিযবুত তাহরীরকে কেন আওয়ামীলীগের সাথে জড়াচ্ছেন? আপনারা না জেনেই অহেতুক হিযবুত তাহরীরকে আওয়ামীলীগের কানেকশনে আনছেন। আমি হিযবুত তাহরীরের নখদর্পনে খতিয়ে দেখেছি। তাদের ভিতরের অনেক খবরই রাখি কিন্তু তেমন জামায়াতে শিবিরের এজেন্ডার ব্যাতিক্রম কিছুই পেলাম না। বরং হিযবুত তাহরীর আর জামায়াত শিবির যদি একই প্লাটফর্মে আসতে পারে আমি মনেকরি আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশে ইসলামী বিপ্লব সম্ভব। কিন্তু পক্ষান্তরে দেখা যায় জামায়াত শিবিরের ভাইয়েরা হিযবুত তাহরীরকে ব্লেইম দিচ্ছে আর হিযবুত তাহরীর জামায়াত শিবিরকে ব্লেইম দিচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে মুসলমানদের বিজয়ের মহান প্রতীক ঐক্য জিনিসটি মারাত্বক ভাবে ব্যহত হচ্ছে। উভয় গ্রুপের ভাইদের কাছে আমার আকুল আবেদন, প্লিজ আপনারা দলের স্বার্থের চাইতে ইসলামের সার্থটা বড় করে দেখুন। কেউ কাউকে না জেনে বুঝে ব্লেইম দিবেন না। এতে করে ঐক্য নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্থ হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে, ভাল থাকবেন।
গরম ভাত বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন: আওয়ামীলীগের সাথে জেএমবির কানেকশন আছে এটা আমার অনেক পুরানো অনুমান... সম্প্রতি সিলেটে জেএমবি নেতাকে সাথে নিয়ে আওয়ামী নেতার সন্ত্রাসী ঘটনা আমার অনুমানকে সত্য প্রমাণ করেছে।
হিযবুত তাহরির এর কথাবার্তা মোটেও ইসলামিক নয় বরং আওয়ামী ওলামালীগ টাইপ। হিযবুত তাহরীর আওয়ামীলীগের উইং হওয়ার বিষয়টা একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না...ভাইজান এইসব কোন ধরনের কথা বার্তা?
ওলামালীগকে কি কখনো খিলাফাতের জন্য এভাবে রাস্তায় নামতে দেখছেন?
বিগত ৪ বছরের রাজনৈতিক ইসলাম বৈরী পরিবেশের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় হিযবুত তাহরীর কাফের মুশরিক অথবা এন্টি ইসলামীক দল গুলির যতটা সমালোচনা অথবা বিরুধিতা করেছে এর সিকি ভাগও জামায়াত শিবির করেনি। আপনাকে এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে।
যত্তোসব আন্দাজী কথা বলেন।
প্রলেতারিয়েত বলেছেন:
হিযবুত তাহরীর কেন বেছে বেছে সম্ভাবনাময় ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধেই কথা বলে? কেন তারা তুরস্কের ইসলাম্পন্থী একেপি সরকার এবং গাযার হামাসকে এজেন্ট অফ কুফফার বলে? কেন কেন কেন?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















-
হিজবুত হইলো আম্লীগের বি -টীম.....।