বলেছিলে এও পূর্ন হবে একদিন, মৌনতা ছুটি দিয়ে ঘরের পর্দায় উঁকি দেবে যুগল সুর্যালোক, বীজের ত্যাজ্য খোমা থেকে
শিশুবৃক্ষ হবে,আনত হরিৎ পাতা সমুদ্র পাখির মত সরলে কোণে ডানা মেলবে, বসবে আমার নি:শ্বাস জানালায়, বাতাস আসবে, থমকে থমকে যাব বুক ভরে নিতে।
অর্জুন গাছের বাকলের মত জ্বর মাপার ছুতোয় করতল বসবে কপালে, মানুষ আঁচল চায়, ঘর চায়, মাঝরাতে বাদামী আঙুল চায় তৃষ্ণা মেটাতে ঠোঁটের সুহাসিনী হ্রদ, হলুদ ধান খেতের জলায় জোড় পদ্ম। না পাওয়াকে পেতে চাওয়া যতদূর চাওয়া যায় চায়, গুটিসুটি একটি ফড়িং ট্রেসিং ডানায় মাঝ আকাশে স্থির দাঁড়িয়ে থাকে
অভিকর্ষ
নামছি তো নামছিই, জন্ম ছিল সবুজ উপত্যকায়, একটা পাটাতনে খেলতে খেলতে শৈশবটা কাটানোর পর মানুষ হয়তো পড়তেই থাকে, নেতিবাদী নয়, তবুও পড়ন্ত এর ধারা, শুধুই পতিত, মনে হয় মাটির সমান্তরালে একটা ভিনটেজ ক্লক ত্বরিত, যার হৃদপিণ্ডে বসে এক দরিদ্র মুচি সেলাই করে যায়, আজকে ব্যথায় ছিঁড়ে গেছে পাঁজর, পরদিন দৈনতা, ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য শেকল বাঁধা কালো শ্রমিকের মতো অফিসের ডেস্কে কাজ শেষে, বেতনের দিন গুনে চলছি, অথবা পড়তে পড়তে দেখছি উৎসব এল। বাম পায়ে ছন্দ পাল্টে নৃত্যরত যুগল কিশোরী স্পেনিশে গান গাইছে - খাও দাও ফুর্তি করে নাও।
আমি দেখলাম বৃদ্ধ গ্যালিলিও দাঁড়িয়ে পিসার মন্দিরে। একটি বকের পালকের মত আমার সুখ ফেলে দিল। আমরা সবাই নুড়ি বা কাগজের মত নামছি। স্বাধীনতা পেয়েছিলাম পড়ন্ত প্রত্যেকে, সমান্তরালে পরাধীন থেকেও ঠোকা ঠুকি। পালক ও পাথর যাই হই সমান্তরালে পড়ছি। সময়ের অভিকর্ষ টানছে আমাদের, একটা সময় তরল সমতল নদী। ক্লান্ত উড়ুক্কু মাছের মতো টুপ করে মৃত্যুর জলে লাফ দেই, অগত্যা।
-
ড্রাফট ১.০
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


