আমার প্রিয় পোস্ট

ব্যাক্তিগত জীবনে স্মৃতি আর সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুকেই অর্জন ভাবি না। মনে হয় শুধুই জীবনটাকে যাপন করে যাচ্ছি, আর কিছু না।

অদ্য বৈকালে এই অধমের প্রথম ‘ডেট’ (?) বৃত্তান্ত।

২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

অদ্য বিকালে বেশ সাজুগুজু করিয়া বাহির হইলাম, গন্তব্য শ্যামলী। উদ্দেশ্য সম্প্রর্কিত ফুফাত ভ্রাতার ‘ফাইল ট্রান্সফার’ , ইয়ের নিমিত্ত। তাই উক্ত ফুফাত ভ্রাতার পুনঃপুনঃ মুঠোফোনে সনির্বন্ধ অনুরোধ , খ্যাত সাজিয়া যাইস না প্লীজ। কারণ আমার অফিসিয়াল মিটিং এ ও খ্যাত সাজিয়া যাইবার খ্যাতি সর্বজনবিদিত। তাই উনার ইয়ে মানে বিয়ে রক্ষাকল্পে আমার সাজুগুজুর প্রচেষ্টা।

যাইহোক , অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করিয়া ভ্রাতের ভবিষ্য শ্বশুরের গরিলাসদৃশ দৈহিক পরিমন্ডল চিন্তা করিতে করিতে মিচকি হাসি দিয়া সিটি হাসপাতালের সন্নিকটে আসিতেই মুঠোফোনে আরেকটি অনুরোধ আসিয়া হাজির হইল। মানব-মানবীসেবায়ই আমার জীবনটা শেষ হইয়া যাইবে কিনা এইরুপ আশংকা ভাবিতে ভাবিতে অতঃপর ধানমন্ডির পিৎজা-হাটের কাছে আসিয়াই বালিকার নিকট ধরা পড়িলাম।

বালিকা কিন্নরী, উর্বশী ও বটে। দ্বাবিংশ বৎসর সবে অতিক্রম করিয়াছে, প্রফুস্টয়মান কল্লোলিনী। চলিত ভাষায় যাহাকে বলে ‘ন্যাকামি’ তাহার যথাযথ প্রয়োগ ঘটাইতেও পারঙ্গম। বৈকালের সোনাঝরা রৌদ্র মরিয়া আসিয়াছে , বালিকা ত্রিচক্রযান সহযোগে পরিভ্রমণের প্রস্তাব উত্থাপন করিল। ঘর্মাক্ত কলেবর হইয়া সুন্দরী রুপসী বালিকাকে লইয়া আড়ষ্ট হইয়া হাঁটিবার চাইতে প্রস্তাব শ্রেয় মনে হওয়ায় সম্মতিদানপূর্বক অনির্দিষ্ট গন্তব্যের ঠিকানা দিয়া একখানা বৃদ্ধচালিত ত্রিচক্রযানে চড়িয়া বসিলাম।

বালিকা হাস্যকলরোলে চারদিক চমকিত করিয়ে ধ্রুপদী ভঙ্গি রপ্ত করা প্রক্রিয়ার হস্তচালনা করিয়া নানা কিছু বলিতে লাগিল, আমিও অগত্যা
তাল মিলাইবার নিমিত্ত আগডম-বাগডম বকিতে লাগিলাম। বালিকা কিয়ৎক্ষণ পরপরই ‘কি সুইট’, ‘হাউ ফানি’, ‘আল্লা আপ্নের ভাঙ্গা দাঁতের হাসিটা কি কিউট’ ইত্যাদি বিশেষণ যোগ করিতে লাগিলো; কিন্তু অনুধাবন করিলাম যে , আমার বৃদ্ধকাল সন্নিকটবর্তী, কারণ যথোপযুক্ত চমকিত আবেশিত আপ্লুত হইতে পারিতেছিলাম না। রাইফেলস পার হইয়া স্টার কাবাবের সন্নিকটবর্তী হইবার পর চালক জানাইলো , অনির্দিষ্ট যাত্রা এইখানেই সমাপ্ত করিতে হইবে, এর চাইতে অগ্রসর হইবার অনুমতি এই ব্রাত্য ত্রিচক্রযানের নাই।

বালিকা তাহার ক্ষুদ্র পুঁটুলিখানা আমার হস্তে অর্পণ করিয়া কেশরাজির যত্ন করিতে লাগিলো, কয়েকটি বাপে-তাড়ানো-মায়ে-খেদানো ধরণের যুবক সিঁড়িতে বসিয়া আমাদিগকে নিবিষ্টচিত্তে পর্যবেক্ষণ করিতে লাগিলো। অনভ্যাসবসত প্রবল অস্বস্তিযোগে তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম, আমাদের আর কি কি করিতে হইবে। বালিকা অভিজ্ঞ, আমার মত নবীস নহে, খিলখিল হাসিয়া কহিলো,’কি করিতে হইবে তাহা বুঝি জানেন না?’



ইহার আগে অনাত্নীয় রমনীকূলের মধ্যে কেবলমাত্র রিমা’পুর সাথে ব্যাপক ভ্রমণ করিয়াছি, কিন্তু সে তো আপু, আমার অভিভাবকসম। ইহার মত উর্বশী মনোহরণী নহে। ইত্যকার সংক্ষিপ্ত ভ্রমণের পর দুইটি ব্যাবহারিক জ্ঞান লাভ করিলাম। একঃ কোনো রুপসী বালিকা সহযোগে ভ্রমণে বের হইলে জনগন আপনাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করিবে, ক্ষেত্রবিশেষে ত্রিচক্রযান হইতে ঘাড় ২৭০ ডিগ্রী ঘুরাইয়া হইলেও দেখিবে। দুইঃ আপনার ত্রিচক্রযান চালককে কোন কারণে সামান্য দূর যাইতে বা ঘুরিয়া আসিতে বলিলে সে অতিরিক্ত নায্য দুইটি মুদ্রার বদলে দশটি মুদ্রা দাবী করিবে।

অতঃপর আবার তাহাকে লইয়া ত্রিচক্রযানে চড়িয়া বসিলাম, এইবার বিপরীতমুখী এবং যাত্রা নির্দিষ্ট। বালিকা যথাযথ ন্যাকামির সাথে জানাইলো যে তাহার সন্ধানে এবং অভিজ্ঞতায় একটি উৎকৃষ্ট আইসক্রীম বিক্রয়কেন্দ্র আছে, স্বাদে অমৃত। অবাধ্য হইয়া নিজের ক্ষীয়মান মানে টান লাগাইতে ইচ্ছাপোষণ করিলাম না, আবারও ঘুরিয়া পিৎজা হাটের নিকটবর্তী সেই অমৃত বিক্রয়কেন্দ্রে আসিয়া উপনীত হইলাম। বালিকা চারটি ‘অমৃতের’ নির্দেশ প্রদান করিল, তারপর আবার তাহার কিন্নরী কণ্ঠের সুধায় আমায় ভাসাইতে লাগিল। বালিকা বিভিন্ন ব্যাপারে পুনঃপুনঃ আমার প্রশংসাবাচন উচ্চারণ করিয়া ( সম্পূর্নই শ্রবণকৃত, জ্ঞানলব্ধ নয়) আমাকে
পুলক অনুধাবনের সুযোগ দিলো। আমিও ইত্যবসরে আড়ষ্টতা কাটাইয়া উঠিয়া নিজমধ্যে অকারণ গর্ব টের পাইতে লাগিলাম , আড়চোখে অন্যান্য যুগল অযুগলদের দৃষ্টিপাত নেত্রপাত দেখিয়া।


আইসক্রীম নামক বস্তুটি আসিবার পর মূল্য তুলনাপূর্বক আমি আতশী কাঁচ নামক বস্তুটির অভাব ব্যাপক অনুধাবন করিলাম। পান্থপথের ডেরার সম্মুখে আমরা মাঝে মাঝে দুইমুদ্রা প্রদানপূর্বক চা পান করিয়া থাকি, ইহার পাত্রের আকার তদীয় সদৃশ।

আধুনিক পরিমাপে একটি ঘন্টা ছায়াআলোতে কাটাইয়া, অর্ধসহস্রাধিকেরও বেশী মুদ্রা বালিকা কথিত অমৃতের মূল্য হিসাবে পরিশোধ করিয়া
প্রস্থান করিলাম। ভাবিলাম, আমার নিবাসের বুয়া নামক ‘কাজের যন্ত্রটির’ এই মুদ্রা উপার্জন করিতে প্রায় ত্রয়োদশটি দিন ব্যয় করিতে হয়।


আবারও ত্রিচক্রযানে আরোহণপূর্বক রাপা প্লাজার নিকটে আসিয়া আমার প্রাণপ্রতীম বন্ধুবর, যাহার অনুরোধে আমি এই অগ্রে নিবাস হইতে নির্গমিতা তাহার প্রেমাস্পদ বালিকাকে সঙ্গ দিয়াছি, তাহাকে অর্পন করিলাম এবং বন্ধুবরের পুনঃপুনঃ অপরিসীম কৃতজ্ঞতা ও প্রশস্তি ( আমি এই অপরিণামদর্শী কাজে এখনো মগ্ন হই নাই এই জাতীয়) লাভ করিয়া বিদায় লইলাম। বালিকা সুমিষ্ট হাসি এবং ধন্যবাদ প্রদানপূর্বক ‘বাব্বাই’ বলিয়া বন্ধুবরের পশ্চাতচারিণী হইলো।


অতঃপর শুক্রাবাদ হইতে ইচ্ছামত দরদাম করিয়া পান্থপথের নিবাস পর্যন্ত আরেকটি যান ( ইহার নাম হয় রিকশা) ভাড়া করিলাম, পঞ্চাশমুদ্রা ব্যায়পূর্বক কোন আইসক্রীম নামক ইগলু কোম্পানির দুইটি বস্তু কিনিয়া একটি চালককে দিলাম আর খাইতে লাগিলাম। সমবয়সী চালক ইহাতে ব্যাপক বিস্মিত, কারণ দরদামের সময় আমি সম্পূর্ণ শক্তি, অর্থনীতির তুলনামূলক তত্ত্ব ইত্যাদির প্রয়োগ করিয়াছিলাম এবং কন্ঠশক্তির ব্যাবহারেও পিছপা হই নাই।

এইরুপ অভিজ্ঞতার পর নিজেকে কি সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান ভাবিবো (কারণ আমাকে নিত্য চিন্তিত হইতে হইবে এইরুপ কোন বালিকা নাই) তাহাই ভাবিয়া কূল পাইতেছি না, তাই ব্লগার ভ্রাত-ভগ্নীগণের দ্বারস্থ হইলাম।

আশা করিতেছি আপনারা নিরাশ করিবেন না, চিত্তদোদুল্যমনতা হইতে সহৃদয়তার সাথে আমাকে উদ্ধার করিবেন।


(নিবাসে আসিয়া কিছুটা এলোমেলো অনুভূত হইতেছে , তাই এই গুরুচন্ডালী কথন রচনা করিলাম ব্লগীয় সমাজের কাছে। এই গুরুচন্ডালী অপরাধে সজ্ঞানে মাইনাস প্রদান করা জায়েজ বলিয়া অনুমতি দান করিলাম।)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: সমসাময়িক  বিভাগে ।

 

  • ১১৬ টি মন্তব্য
  • ৮২৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২০
comment by: মিলটন বলেছেন: এই ডিজুসের যুগে আপনার সাধু সাহিত্য মন্দ লাগিলো বলিলে ভুল হইবেক। +
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন:
বস, আমার কোনো ডিজুস সিম-টিম ছিলো না। আমি এইক্ষেত্রে একগামী ।

ক্ষমাপূর্বক একখানা যোগ দেখিয়া শান্তি লাগিলো, কিন্তু নিজেকে কি ভাবিবো বলিলেন না তো?

২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন:
ওহে ভ্রাত, স্বীয় বিচারে ইহা সাধু নয় , গুরুচন্ডালী ভাষা ।
ভ্রাতৃসুলভ মার্জনাপূর্বক সাধু বলিবার জন্য কৃতজ্ঞতা।

২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: মদন বলেছেন: ওররে.. জটিলসসসসসসসসসসসসসসসসসস :)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: জটিলসসসসসসসসসসসসসসসসসস কহিয়া মুখব্যাদান করিয়া হাসিয়া দায়িত্ব শেষ হয় নাই ভ্রাত, মতামত চাই।

৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: ভাঙা চাঁদ বলেছেন: রে রে জটিলস
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ভ্রাত, মতামত প্রদানের নৈতিক দায়িত্ব কি পালন করিবেন না? রে রে জটিলস বলিয়াই কি মুক্তি পাইবেন?

৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: পুরোটাই পড়ে ফেললাম। ব্যাপকসসস হইছে.... :)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন:
কহেন ভ্রাত ব্যাপক শিক্ষা হইয়াছে.।

দয়া করিয়া কি বলিবেন ,নিজেকে কি সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান ভাবিবো ?

(কারণ আমাকে নিত্য চিন্তিত হইতে হইবে এইরুপ কোন বালিকা নাই) ।

৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০
comment by: আসিফ বলেছেন: কি সুইট, হাউ ফানি :)
পেলাচ
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন:
পেলাচ এর চাইতে এই অধমকে মতামত দান করিয়া
তাহার দোদুল্যমান মনকে একদিকে টানিয়া রাখার সক্ষমতা দেওয়া হোক, ব্লগীয় ভ্রাতার দায়িত্ব হিসাবে।

৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪২
comment by: ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আহাহাহা! অতি কাঠিন্যপূর্ন দিবসলিপি পড়ে আক্কেগুরুম হইতেছে। জায়েজ কাজ করিবার অভিপ্রায় হইলো না তাই যোগ প্রদান করলাম। ভাল থাকা হোক বৎস !!!
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: শুধু যোগ নহে ভগ্নী, মতামত প্রদান করিয়া ভ্রাতকে চিন্তামুক্ত কর।

৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
comment by: এম্নিতেই বলেছেন: আসিফ বলেছেন: কি সুইট, হাউ ফানি :)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: :) :)

৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
comment by: সুখী মানুষ বলেছেন: ভাবিয়া কুন্ঠিত হইতেছি কেন একাধিক পিলাস প্রদান করিবার ব্যবস্থা নাই।
সাধ্যের মধ্যে যেই পিলাসটি ছিলো তাহা নিদ্ধিধায় জ্ঞাপন করিলাম।

(লেখা অতিব সুন্দর হইয়াছে বিধায় ইহাকে ব্রিফকেইসেও বন্দি করিবার অভিপ্রায় বোধ করিলাম)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন:
ভ্রাত , একাধিক পিলাস এর চাইতে এই অধমকে মতামত দান করিয়া তাহার দোদুল্যমান মনকে একদিকে টানিয়া রাখার সক্ষমতা দেওয়া হোক, ব্লগীয় ভ্রাতার দায়িত্ব হিসাবে।


ব্রিফকেইসেও বন্দি করিবার অভিপ্রায় বোধ শুনিয়া মন বড় উম্মনা হইয়াছে, প্রথম প্রস্তাব উত্থাপিত , তাই। বালিকা চিরঞ্জীবি হও।

৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: টেকা দেন । দাতের ডাক্তারের কাছে যামু
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন:
ভ্রাত, আপনার অভিপ্রায় বা সংযোগসূত্র এই অধমের গম্য হইলো না, দয়া করিয়া একটু বুঝাইয়া............

১০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
কহেন ভ্রাত ব্যাপক শিক্ষা হইয়াছে.।

দয়া করিয়া কি বলিবেন ,নিজেকে কি সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান ভাবিবো ?

(কারণ আমাকে নিত্য চিন্তিত হইতে হইবে এইরুপ কোন বালিকা নাই) ।

আমি কই- বিসমিল্লাহ কইয়া নিজেরে সৌভাগ্যবান ভাবা শুরুম্ভ করেন ;)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন:
ভাবিবো? আচ্ছা আপনার মত অভিজ্ঞ ব্যাক্তি বলিয়াছেন , সুতরাং বিবেচনা শুরু করিলাম।

একটা কথা লিখি নাই, বালিকার জন্য মিথ্যা বলিয়া আমি 'জিগরি দোস্ত ওরফে কাজিন' সৌ.সা. (চিনিতে পারিয়াছেন আশাকরি) কে দুইটিঘন্টা অপেক্ষমাণ রাখিয়াছিলাম, জানিতে পারিলে
তৎক্ষনাৎ জবাইকর্ম সম্পাদন করিবে।

১১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১২
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: উচ্চারণ করিয়া পড়িতে গিয়ে কতিপয় দন্ত আঘাতপ্রাপ্ত হইয়াছে
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন:
ভ্রাত, উহার জন্য কি আমি দায়ী হইব? আপনি মনে মনে পড়িলে এই দুর্ঘটনা কি ঘটিত?

দুঃখ করিবেন না। আমার ও এক সম্মুখদন্ত ভাঙা, বালিকা উহা দেখিয়া 'কিঊট ' বলিয়াছে। আপনাকেও বলিবে। :) :)

১২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: কয়েকটি বাপে-তাড়ানো-মায়ে-খেদানো ধরণের যুবক:(
আমাদের এইভাবে অপমান করলেন? :(
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন:

ভ্রাত, আপনি ই ছিলেন উক্তস্থানে? বলিলেন না কেন?

পাশ্ববর্তী উর্বশী বালিকা থাকিলে মনে হয় ওইরকমই অনুভূত হয়, কি আর করিবো?

নিজেও কিন্তু তাই :) ,ভ্রাত রাগ করিবেন না …..

কল্য পরীক্ষা , অদ্য এইস্থানে কেন আসিয়াছেন?


১৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৩
comment by: কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: উক্ত লেখা পড়িবামাত্র the luncheon এর কথা মনে পড়িয়া গেল।
সমসাময়িক বালিকাগণ পুরুষদিগকে এমনি করিয়া সীল দিতে যারপরনাই পারদর্শিতা অর্জন করিয়াছেন।
এইরূপে সীল ভক্ষণ করিয়া এইরূপ একটি ব্লগ প্রসব হেতু আপনাকে একখানি যোগ চিহ্ণ প্রদানে ব্যাকুল হইলাম।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন:
সীল বলিয়া নয় , 'অমৃতের' পাত্রের আকার আর বুয়ার মজুরীর তুলনামূলক অর্থবিচারে মন কিঞ্চিত রুষ্ট হইয়াছিলো বটে।

১৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৩
comment by: কিংবদন্তীর কথক বলেছেন: ""অপর পক্ষ হইতে যে অম্ল মধুর বাক্য সকল বাহির হইতে লাগিলো তাহা শুনিলে ঋষি মূনি ভাব খসিয়া পড়া তো সহজ ব্যাপার, ঋষি মূনিত্ব চলিয়া যাইবার সম্ভবনা ষোলো আনা।

ইনি আমার স্ত্রী।।""


""এইরুপ অভিজ্ঞতার পর নিজেকে কি সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান ভাবিবো-""

ভ্রাত, আপনি এখনো সৌভাগ্যবান। নিজেকে সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান ভাবিবার মতো দুর্লভ সুযোগ নিজের হাতে রাখিয়াছেন। ষোলো আনা নষ্ট করিবার আগে ভালো মতো চিন্তা করিবার অনুরোধ রহিলো।।

ভালো থাকিবেন। ;)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন:
ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে এইত একজন সহৃদয় কথক ভ্রাত আগাইয়া আসিয়াছেন। ভ্রাত , ভালো থাকিবার জন্য আপনার বাস্তব পরামর্শখানা বিবেচনায় নিলাম।

কিন্তু , অদ্য বিকালের পর মন নামক বস্তুখানা কেন জানি খালি খালি বোধ করিতেছে যে?

১৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: কল্য পরীক্ষাস্থলে উপস্থিত হইব না স্থির করিয়াছি।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: বালিকা বিহনেই আপনার এই অবস্থা ভ্রাত, তা কি ঐ ফেলপিপাসু অধ্যাপকের কল্যাণে?

১৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৯
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
কঠিন জিনিস!
খুব মজা পেয়েছি।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: মজা পাইয়া প্রস্থান নহে ভগ্নী, মতামত প্রদান করিয়া ভ্রাতকে চিন্তামুক্ত কর।

১৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: দূর,অধ্যাপকদের কাজই ফেল করানো,উহা তো উনারা প্রাক-স্নাতক পর্বেই কয়েকবার করাইয়াছেন,উহাতে ভীত হইব কেন?
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: তবে কি হইয়াছে?
ভ্রাত, নতুন কোন বালিকার আগমন নয়তো?

১৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৭
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
ভাবিবো? আচ্ছা আপনার মত অভিজ্ঞ ব্যাক্তি বলিয়াছেন , সুতরাং বিবেচনা শুরু করিলাম।

একটা কথা লিখি নাই, বালিকার জন্য মিথ্যা বলিয়া আমি 'জিগরি দোস্ত ওরফে কাজিন' সৌ.সা. (চিনিতে পারিয়াছেন আশাকরি) কে দুইটিঘন্টা অপেক্ষমাণ রাখিয়াছিলাম, জানিতে পারিলে
তৎক্ষনাৎ জবাইকর্ম সম্পাদন করিবে।


আমি অভিজ্ঞ ব্যক্তি নাকি!!! বাহ! বাহ!! :)

হুমম চিন্তে পার্ছি। এখনেই ফেসবুকে ম্যাসেজ পাঠাইয়া জানায়া দিমু নাকি উনাকে? ;) এইভাবে বেচারাকে অপেক্ষায় রাখলেন!!!
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: জানাইয়া দিয়া ভ্রাতের জবাইকর্ম দেখিবার মন চায় আপনার? রে পাষাণ!!

আপনি অভিজ্ঞ এই জ্ঞান ব্লগীয় কিছু ভ্রাতা-ভগ্নী
গুঞ্জরন করে, আমার কি দোষ ঘটিলো?

১৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৫
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
শুধু সৌভাগ্যবান না, কঠিন সৌভাগ্যবান( কঠিন ছাড়া আর কোর বিশেষণ মাথায় আসছে না:()
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: আজীবন কি কঠিন সৌভাগ্যবান থাকিয়া যাইব?

ভ্রাত শামীম ও কিন্তু এইরুপ পরামর্শ প্রদান করিয়া নিজে দুর্ভাগ্যবানই হইতে যাইতেছেন!!

২০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বালিকা? অগ্রজ,আপনার সঙ্গিনীর মত একখানা বালিকা জুটিলে বহু পূর্বেই সন্ন্যাস লইয়া হিমালয়ের কৈলাসে শিবসংসর্গে যাইতে হইত।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: ভ্রাত, আপনার ভুল হইতেছে । বালিকা আমার স্থায়ী সঙ্গিনী নন, আমানত হিসাবে রাখা ক্ষণস্থায়ী সঙ্গিনী।

অবশ্যি তাহাকে লইয়া সন্ন্যাস লইয়া হিমালয়ের কৈলাসে শিবসংসর্গে যাইতে বোধ করি অনেকেরই বাধিবে না।

২১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১২
comment by: মানুষ বলেছেন: হাসতে হাসতে পেট ফেটে গেছে
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন:
ভ্রাতঃ অবস্থা অনুধাবন করিয়া শংকাগ্রস্ত হইলাম। এক
বালিকার (অ)কল্যাণে আমার দোদুল্যমনতা, এক ভ্রাতের দাঁত
এবং অন্য এক ভ্রাতের পেট নামক অংশের ক্ষতিসাধন...
বালিকারা ব্যাপক বিধবংশী...

২২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অস্থায়ীতেই এই হালত? পন্ঞ্চশতাধিক মুদ্রা ক্ষয়? ইহাকে লইয়া কৈলাসে গেলে শিবের ভূতেরাও পিতৃনাম স্মরণ করিয়া চম্পট লাগাইবে:(
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন:
তথা মিথ্যা বলেন নাই ভ্রাতঃ তবে পুনশ্চে কি - এইরুপ বালিকাদের জন্য যুগে
যুগে কুস্মান্ড পুংপ্রবরগণ যুদ্ধ-বিগ্রহ ও ঘটাইয়াছেন , আর এইখানে তো সামান্য অর্ধসহস্রাধিক মুদ্রা!!

২৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৬
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বালিকা আমার স্থায়ী সঙ্গিনী নন, আমানত হিসাবে রাখা ক্ষণস্থায়ী সঙ্গিনী।

অতীভ গুরুত্বপুর্ণ তথ্য প্রকাশ করিলেন। ;)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন:
:(

:)

২৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০০
comment by: নুশেরা বলেছেন: অতীব মনোহর
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন:
অগ্রজ ভগ্নী, তদীয় মতামত বর্ষণ করিয়া এই দোদুল্যমান চিত্তের ভ্রাতকে উদ্ধার করুন! :(

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: :(

২৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
comment by: নিরক্ষর বলেছেন: ইহা অতিশয় সুন্দর হইয়াছে।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: :)

২৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
comment by: ক্ষুদ্র বলেছেন: পড়িতে পারিয়া বেশ ভাল লাগিল । কমেন্টাইয়া নিজেরে ভাগ্যবান মনে হইতেছে । আর আপনার ব্যথা বুঝিতে পারিলাম । আপনার দুর্ভাগ্যে আপনাকে সান্তনা আর দিলাম না । শুধুই প্রার্থনা ....
পিলাচ
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন:

ব্যাথা তো পাই নাই ভ্রাত.। দোদুল্যমান আছি।

২৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩০
comment by: নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: আপনার এই লেখাখানি পড়িয়া বড়ই আনন্দ পাইলাম...ডিজুস ভাষায় বলিতে গেলে জটিল লাগিয়াছে....:):)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ওহে বন্ধুসভার বন্ধু ( আমি ক্রমিকে শতকের আগেই অবস্থান করিতেছি); আনন্দ পাইয়াই প্রস্থান করিবেন?
কিছু মতামত দিয়া ভ্রাতকে উদ্ধার করিবেন না? :(

২৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: বাব্বাই
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ভ্রাত, আপনিও সঙ্গে না থাকিয়া 'বাব্বাই' নামক বস্তুটই প্রদান করিলেন? :(

২৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "বালিকার সংগলাভের নিমিত্ত বালকের অভিলাষ।

ইহা মনে হয় দেশ,কাল,সাংকৃতিক সীমানা পেরুনো অনেকটাই এক চিরন্তন অভিলাষ।

যাহাইহোক,আপনি লিখিয়াছেন বেশ বটে।

আপনার এই ক্ষণস্থায়ী ভ্রমণও ইর্ষা জাগায়।এই মরার দীর্ঘ জীবনে এমন ক্ষীনজীবি অভিগ্গতাও অর্জন করিতে পারিলুম না।হায় ঈশ্বর :)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: আপনার এই ক্ষণস্থায়ী ভ্রমণও ইর্ষা জাগায়।এই মরার দীর্ঘ জীবনে এমন ক্ষীনজীবি অভিগ্গতাও অর্জন করিতে পারিলুম না।হায় ঈশ্বর :)


---------------------------------------------------------------

অতঃপর একটি দিবস পার হইবার পর , আপনার এই মন্তব্যখানা পড়িয়া ক্ষণে ক্ষণে পুলকিত ও শিহরিত হইতেছি ভ্রাত! 

৩০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: অবশ্যি সোউভাজ্ঞবান ভাবিবা। অপরের প্রণয়িনীর মনোরঞ্জন করিতে যে বালক হিমননীতে ১৫০০ মুদ্রা সঁপিয়া দেয়, সেজন নিজের বালিকার তুষ্টিতে অতলান্তিকে নিজেরে বিসর্জন দিতে কুন্ঠাবোধ করিবেনা, এই বোধ হয়। ব্লগারকূল এক অসামান্য প্রতিভার এহেন বিপর্যয় দেখিতে প্রস্তুত নহে।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন:
মুদ্রা কিঞ্চিত কম আপুমনি , অর্ধসহস্রাধিক।
অন্যের এবং মানব-মানবীকূলের সেবা শ্রান্তি-অপনোদন করিতে করিতেই এই বালক শ্রান্ত-ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত।
এক্ষণে নিজস্ব বালিকার মনতুষ্টির সম্যক ইচ্ছা জাগিতেছে অগ্রজ ভগ্নী।

অতপরঃ ভগ্নী, আপনার বায়ূবার্তার খবর কি?

৩১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: যীশূ বলেছেন: অধিকতর পুলকিত হইয়া প্লাস প্রদান করিলাম।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন:
শুধুই কি প্লাস নামক সু-বস্তুটি ভদ্রে, ভ্রাতসুলভ উপদেশ প্রদান করিবেন না?

৩২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
comment by: আন্দালীব বলেছেন: বাহোবা বাহোবা!

আপনার রসবোধের পরিচয় লভিলাম....

মনোহরিত...:)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: রসবোধ নহে কবিভ্রাতা , কিছুটা কষালোবোধ হইতেছে দোদুল্যমান চিত্তে :)

৩৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: বায়ুবার্তা প্রদানে বিলম্ব না করিলেও প্রাপকের নিকট পৌঁছাইতে কেন বিলম্ব হইতেছে, গোচরীভূত নহে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ওহে অগ্রজ ভগিণী, আপনার পত্র পাইয়াছি, এবং তাহার পর কিয়ৎক্ষণ মূঢ় হইয়া রহিলাম।

আমার স্তুপীকৃত আবর্জনা আপনার ভালো লাগে শুনিয়া পুলকিত হইয়াছি,কিন্তু ভগিণীসুলভ স্নেহপূর্বক এই ভ্রাত কে উদ্ধার / নির্বাপিত করার কোন উদ্যোগ আন দেখিয়া শোকে মুহ্যমান আছি।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন:
রণ্টি নানারে খুঁজিয়া পাইতেছি না, উনার আবার কি হইলো?
কিছু জ্ঞাত আছে?

৩৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৮
comment by: হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: অসাধারণ উপস্থাপনা হইয়াছে বলিবার সাধ যে হয় নাই তাহা নহে......অসাধু বালিকাকে সাধূ ভাষায় উপস্থাপন করিলেও ভাষার আনাড়ী ব্যবহারে তাহার রূপ যথেষ্ট প্রতিফলিত হইয়াছে। নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করিবার কোন কারণ আছে বলিয়া মনে করিবার আগে আপনি দূর্ভাগা কেন নন তাহা খুজিয়া বাহির করিতে সচেষ্ট থাকিবেন বলিয়াই আমার বিশ্বাস......
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: বালিকা বোধকরি অসাধু নহে, উক্ত প্রথা বোধকরি এই যুগের অনুক্রম।

পরবর্তী লাইনটি বুঝিতে ক্লেশবোধ হইতেছে.।.।

৩৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৬
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: অদ্য দেখিয়া ভাবিলাম মহাশয় বুঝি পুনরায় ডেট নামক কিছুতে জড়িয়ে পড়িয়াছেন.....অতঃপর ভুল ভাঙ্গিল.....
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন:
শামীম ভাইরে, কাহিনী খারাপ.। :( :( :(

৩৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৬
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

মনের দুস্কে আর ছ্যামরাগো জ্বালায় আর সাধু ভাব (দুই অর্থেই ) রাখতে পাল্লাম না। ঐ বদমাইশ বন্ধু
আর ঢংগী মাইয়া কি কইছে আল্লায় মাবুদ (কইছে ভালা, আমারে ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির বানায়া চাড়ছে !! ), আবার আরেক বদে আমার সা-হো-ইন নিক ফাঁস করিয়া দিয়াছে...।
পোলাপাইন এক্ষন তাগো কালা-হাবা-শাদা-ভালা-ঢংগী সবগুলা নুতুপুতু মানুরে আমার লগে ঘুরবার দিবার চায়!!
আইজকা রাইতে কামলা খাটা আছে, আইজকাও দুইডা মিল্লা চাপাইতে লাগছিলো।

ও আল্লারে , এইরম ব্লগ যাতে আমার শত্তুর ও না লেখে, ওইরম পাভেইল্লার মতো বদ পোলা যাতে কাউর বন্ধু না হয়...।
৩৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হাহাহাহাহাহা
কঠিনতম মজা পাইলাম ।
প্রিয়তে টানিয়া লইলাম ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন:
প্রিয়তে টানিয়া লইলেন, ধন্যবাদ জ্ঞাপিত হউন!
আপনি এই যুগের ভ্রাত, চিত্ত উম্মনা হইবার কারণ কি?

৩৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০০
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: আহারে কি ঘটনা ঘটলো....ব্যাপকসসসস

পোলাপাইন এক্ষন তাগো কালা-হাবা-শাদা-ভালা-ঢংগী সবগুলা নুতুপুতু মানুরে আমার লগে ঘুরবার দিবার চায়!!

মুহাহাহাহা....ঘুরবেন আর পয়সা উড়াইবেন .....হা হা হা ;)
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: ঘুইরা আমার কি হইব? বালিকা তো আমার না.।

হিমননী খাইয়াই কি থাকুম? মাসের বাকী কয়টা দিন খামু কি? বালিকাগো রুপে
'মন ভরে, পেট ভরে নারে ভাই.।। পেটের লাইগ্যা এই রাইত জাইগ্যা কামলা দেই :(

২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: 'হিমননী' এই শব্দটির জন্য তাজিন আপুর কাছে কৃতজ্ঞতা।

৩৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৫
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমার হৃদয়টা এখনও লতার সুর বাজায় , সে সুর শুনে উর্বশীরা দুর দুর করে
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: উর্বশীদের দূর দূর শুনিয়াছি অন্য অর্থ বহন করে...। :) :)

৪০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: মেহরাব,তু তো গ্যয়া,লতাকা গীত কিউ হ্যায় তেরে দিল মে? এক্ষণে বলিয়া রাখি,মেহরাব যথেষ্টই বালিকারন্ঞ্জন,উহাকে কেহ দূর দূর করে না।
ভ্রাতঃ,যুদ্ধবিগ্রহ করিতে তো আপত্তি করিবার কারণ নাই তথাপি অর্ধসহস্রাধিক মুদ্রা ক্ষয় করিতে আপত্তি হইতেছে,জীবন অপেক্ষা মুদ্রার মূল্য কর্মহীনের জন্য অধিক বিবেচিত হইয়া থাকে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন:

তাহা হইলে এই? মেহরাবকে অবশ্যই দেখিয়াছি রুপায়ন বিচরণক্ষেত্রে,
চিনিতে পারি নাই ,আহা.।

জীবন মুদ্রার নিমিত্ত না মুদ্রা জীবনের নিমিত্ত এই বিষয়ে একদা চিন্তা জাগিয়াছিলো...

৪১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০৫
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: মেহরাবকে বাল্যকাল হইতে অদ্যপি কেহ চিনিলাম না(ইহার পশ্চাতে রামায়ণ আছে কিন্তু উহা বলিব না) আর আপনি কিরূপে চিনিবেন?:) দেবরাজ ইন্দ্র ঊর্ধ্বলোকে বিচরণ করিয়া থাকেন,নরের সাধ্য কি তাঁহার নাগাল ধরে?
জীবনই মুদ্রার নিমিত্ত---কর্মহীনের বাণী চিরন্তনী।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: আমরা যখন 'বালিকা' পর্যন্ত কথোপকথনে রত;
মেহরাব তখন 'উর্বশী'তে পৌঁছাইয়া গিয়াছিলো--

ফারহান , আপনার কথার প্রবল সমর্থন পাইতেছি...