আমার দিনলিপি

আমার প্রিয় পোস্ট

সবকিছুতেই নির্মোক থাকছি, সবকিছুই ইদানীং অর্থহীন মনে হয়; নিজের এই নেতিবাচক প্রবণতায় নিজেই লজ্জিত ।:( 

বিশ্বকাপ, পর্যায় এর পরিবর্তন আর একটি লুমান্তিক স্বপ্নকল্পনার অপমৃত্যু

১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১:০১

যাক , তাহলে চলে এলো ২০১০ বিশ্বকাপ!
গত মাস থেকে কলিগদের একজন আরেকজনকে জিজ্ঞাসা করে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিন / দেশ এইসব নিয়ে , আর হাসাহাসি শুরু হয় না জানা নিয়ে। বুঝি বড় হয়েছি অনেকটা , আগ্রহ ও কমেছে অনেকখানি।

চার বছর পরে বসে বিশ্বকাঁপানো এই আসরটা। একটা খুবই মজার ব্যাপার খেয়াল করি...

পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে

বেঁচে আছি , ভালো আছি...

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

অনেএএকদিন ব্লগে কিছু লেখা হয়না, মুখপুস্তিকাতেও সক্রিয় না, ক্লাসের ফোরাম-গ্রুপ জমাতেও ভালো লাগে না , অবশ্যি তাই বলে যে কারো খুব বেশী ক্ষতিবৃদ্ধি হয়ে যাচ্ছে তাও না । ব্লগে নিজের জন্যই নিজে লেখা,মাঝখানে থেকে উপরি পাওনা চমৎকার কিছু পাঠক আর দারুণ কিছু মন্তব্য। তাতেই খুশী।

প্রজেক্ট এর চাপ অফিসে ,...

পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে

অগোছালো এলোমেলো হাবিজাবি ......(রোজার মাসের আবেগহীনতা)

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

নিজেকে খুব মোটামুটি ধর্মপ্রাণ বলা যেতে পারে, মাঝে মাঝে নামাজ পড়ি, একেবারে না পড়লে জুমার দিনে সব ওয়াক্ত পড়া হয়; রোজা সবগুলোই রাখার চেষ্টা করি।
বছর দুই তিন আগেও রোজার মাসে নিয়মিত তারবীহ পড়ার চেষ্টা করেছি, সুরা তারাবী হলে ও। খুব ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরেও পড়েছি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তো অবশ্যই।...

পোস্টটি ১৬ জনের ভাল লেগেছে

নটরডেম ক্যাথেড্রাল দেখতে যাওয়া আর কৈশোরে ‘হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম’ পড়ে সেই আবেগের অনুরণন ......

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০০

ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকেই আমার মুখে নটরডেম আর নটরডেম, যার বাংলা মূল উচ্চারণ সম্ভবত নোত্রঁ-দাঁম, আইফেল টাওয়ার বা মোনালিসা এইসব ‘বিখ্যাত’ দর্শনীয় নিয়ে একটা শব্দ ও নাই; আমার দুই সহকর্মী মোটামুটি ক্লান্ত!

এসমেরালদা আর কোয়াসিমোদো, আমার আবেগী কৈশোর বয়সের দুই চরিত্র, ভিক্টর হুগো এর ‘হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম’ পড়ে...

পোস্টটি ৩৮ জনের ভাল লেগেছে

এইসব আবোল তাবোল-৩ [অর্থময়ভাবেই অর্থহীনতার জীবন , অসীম’দা, জানি না কি বলবো]

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৫

একটা ক্ষুদ্র ডিসক্লেইমার দিয়ে রাখি। লেখাটি দীর্ঘ, এলোমেলো এবং পুরোপুরি ব্যাক্তিগত দিনলিপি ধরনের।
শনিবার>> জানি এইটাই জীবন।

প্রচন্ড ক্লান্তিতে মেঝেতে শুয়ে পড়ি এবং সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়ি। সকাল থেকেই ব্যাপক দৌড়াদৌড়ি, আম্মুর চোখের অপারেশান পরবর্তী ফলোআপ নিয়ে। তাও শান্তি , দুঃশ্চিন্তার যা ছিলো সেটা...

পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে

আমরা নির্বিকার ঔদাসিন্যে বয়ে নিয়ে যাই আমাদের।

০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

জুলাই ২৭, ২০০৯ : দুপুর ৩টা : গুলশান এইচএসবিসি ব্যাংকের সামনের রাস্তা।


জটাধারী এক পাগল আস্তে আস্তে হেঁটে যাচ্ছে। সর্বাঙ্গে ময়লা , কালো দেহ। পাগল মানুষটা বেশ শান্তশিষ্টভঙ্গিতেই আধখানা শক্ত পরোটা চিবাতে চিবাতে চলছে। এইরকম দৃশ্য অহরহ দেখা যায় এই দেশে। সুস্থ স্বাভাবিক মানুষদেরই কোনো স্বাভাবিক অধিকার...

পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে

একটি ক্ষ্যাতীয় আত্মকাহিনী ( জুতা পালিশ ও টাই পরিধান জনিত ক্ষ্যাতগিরি )

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

বহুবিধ ক্ষ্যাতীয় আচরণ ও বেশভূষা লইয়া এই মানবজন্মের কিয়দংশ পার করিয়া দিয়াছি। বাকি অংশ ও পার করিয়া দিতে পারিব বলিয়া দৃঢ় আশা পোষণ করি। গতকল্য মুরুব্বীকূলের একজনের অনুপুঙ্খ ঝাড়ি খাইয়া মসীধারণ (ওরফে কীবোর্ড) করিয়াছি ব্লগারকূল এর সহিত ভাগাভাগি করিয়া কিঞ্চিৎ মনোবেদনা লাঘব করার জন্য।

নব্য চাকুরীতে যোগদান করিয়া প্রথম জোড়া...

পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে

শিরোনামবিহীন … নিজের শহরটিকে ছেড়ে আসার বিষণ্ণতা কোন শিরোনামে দেবো আমি?

২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

সকাল মনে হলে ছেলেটির মনে হয় বাটালী পাহাড় আর জিলাপী পাহাড়ের ফাঁক দিয়ে গলে আসা সকালের আলো, একদৌড়ে উঠে যাওয়া পিছনের পাহাড়ে বা কুয়াশামাখা ভোরের কলোনির রাস্তাগুলো..

দুপুর তার কাছে হয় কলেজিয়েটের মাঠ না হয় রেলওয়ে কলোনির কোনো এক গাছের নিচে অবিশ্রান্ত আড্ডা, আরো পরে প্যারেডের কোনায় তুমুল গল্প...

পোস্টটি ২৬ জনের ভাল লেগেছে

এইসব আবোল-তাবোল- দুই (অনুভূতিহীন যাপিত জীবন, অবসর ও অপসৃয়মান সম্পর্ক)

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪


অনুভূতিহীন যাপিত জীবন।

ইদানীং সবকিছু কেমন জানি অনুভূতিহীন লাগে, কোনো কিছুই আর কোনো অর্থ বহ্ন করছে না, প্রাত্যহিক বাস্তবতার মত সব মনে হয়। প্রতিদিনই যেমন খাই, ঘুমাই তেমনই। অথচ নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, চাকরি ঠিক্মত চলছে, চাপ বেড়েছে একটু, শরীর ভালো মোটামুটি (পেট বেড়েছে যদিও এক ইঞ্চি! ), বন্ধুদের সাথে...

পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে

অশউইৎস- বিরকেনিঊ, নাজী কনসেনস্ট্রেশান গ্যাস চেম্বারের গনহত্যা, আমাদের বিষণ্ণ যাত্রা...

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯

ঢোকার গেটে লেখা ছিলো জার্মান ভাষায় ‘ARBEIT MACHT FREI’ ; যার অর্থ কর্ম মুক্তি দেয়। কিন্তু মুক্তি ছিলো না এই গেট দিয়ে। মুক্তি ছিলো হয় ক্রিমেটোরিয়ামের চিমনি দিয়ে ছাই হয়ে উড়ে যাওয়ায়, না হয় গ্যাস চেম্বারে সাইক্লন গ্যাসে পুড়ে যাওয়া, তারপর ভিস্তুলা নদীতে মিলিয়ে যাওয়া। রেখে...

পোস্টটি ৪৯ জনের ভাল লেগেছে



    পরের পাতা >> ›
মোট সময় লেগেছে ০.১৬২০ সেকেন্ড
সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রচুর স্বপ্ন দেখি,কিন্তু প্রচুর হতাশায় ভুগি| প্রচুর কাজ করি,কিন্তু প্রচন্ড অলস| জীবনকে উপভোগ করার পক্ষে, কিন্ত জীবনের সার্বিক যোগফল...
আর এস এস ফিড

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ৩৫টি
  • মন্তব্য করেছেন: ৩৪২৬টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ১৬১১টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ৩ বছর ৮ মাস
  • ব্লগটি মোট  ৩০০৯৭ বার দেখা হয়েছে

আমার গ্রুপ সমুহ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ