somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রণব মুখার্জির সফর প্রসঙ্গে দুটি কথা

০৮ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রণব মুখার্জি ভারত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রী। প্রটোকল অনুযায়ী তার অবস্থান প্রধানমন্ত্রীর পরে। কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর খুব কাছের লোক তিনি এবং তার একজন উপদেষ্টাও বটে। বাংলাদেশের মানুষ প্রণব বাবুকে খুব আপনজন হিসেবেই ভাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রী যখন গেল জানুয়ারিতে নয়াদিল্লি সফরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি দেখাও করেছিলেন প্রণব বাবুর সঙ্গে। সেই প্রণব বাবু এক ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন গতকাল শনিবার। আবার চলেও গেছেন। তার সফরের মূল উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি সফরের সময় ভারত যে একশ’ কোটি ডলারের এককালীন সাহায্য দেয়ার কথা ঘোষণা করেছিল, সে ব্যাপারে একটি চুক্তি করা। যদিও প্রণব মুখার্জির ঢাকা সফরকে ভারতীয় গণমাধ্যম খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে। কলকাতার আনন্দবাজার শিরোনাম করেছে ক্ষুব্ধ হাসিনাকে বোঝাতে আসছেন প্রণব। আর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি শিগগিরই পর্যালোচনা করবে দিল্লি।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে গুণগত যথেষ্ট পরিবর্তন এসেছে। জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যান। সেখানে তিনি তিনটি চুক্তি ও দুটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ খুব একটা লাভবান হয়নি। লাভবান হয়েছে ভারত। বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট দিতে রাজি হয়েছে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে পারবে ভারত। এরই মধ্যে বাংলাদেশে গ্রেফতারকৃত উলফা নেতাদের ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে। এটাও চুক্তির ফলশ্রুতি। এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে যে, চুক্তির শর্তানুযায়ী আগামী নভেম্বরে (২০১০) ভারতীয় ওডিসি বা ওভার ডাইমেনশনাল কার্গো আশুগঞ্জ থেকে আগরতলায় চলাচল করবে। ভারতের ত্রিপুরায় বিদ্যুত্ প্লান্ট নির্মাণের জন্য ২৮ চাকার ট্রাক্টর ট্রেইলারে এসব ভারি যন্ত্রপাতি নেয়া হবে। ওডিসি কার্গো যখন চলাচল করবে, তখন বাংলাদেশের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এতে করে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতি হবে। শুধু তাই নয়, শুধু বিদ্যুত্ প্লান্ট এ ভারি যন্ত্রপাতি নেয়ার জন্যই ভারতের এই রুট ব্যবহার করার কথা; কিন্তু আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, কনজুমার গুডস বহনকারী ভারতীয় কার্গোও ওই রুট ব্যবহার করবে। ফলে ভারতের ‘সাত বোন’ রাজ্যে যে বাংলাদেশী পণ্যের বিশাল এক বাজার সৃষ্টি হয়েছে, তা মার খাবে। বাংলাদেশী পণ্য তার বাজার হারাবে। এতে করে আমরা লাভবান হলাম কোথায়?
প্রধানমন্ত্রীর ‘হাই প্রোফাইল’ দিল্লি সফরের পর আমরা আশা করেছিলাম বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা বন্ধ হবে। কিন্তু বন্ধ তো হয়ইনি, বরং তা বেড়েছে। এ নিয়ে বিডিআর-বিএসএফ শীর্ষ পর্যায়ে বৈঠক হলেও তাতে কোনো ফল হয়নি। পানিবণ্টন নিয়ে যে সমস্যা ছিল, সে সমস্যা রয়েই গেছে। ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে একটি চুক্তি করে আমরা গর্ববোধ করছি। প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই তার বক্তৃতায় এই পানিবণ্টনের কথা বলে গর্ববোধ করেন। কিন্তু বাস্তবতা বলে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পানি আমরা পাচ্ছি না। পদ্মায় এখন চাষাবাদ হয়। গড়াই নদীতে কোথাও কোথাও এখন সাঁকো দেয়া হচ্ছে মানুষ পারাপারের জন্য। সংবাদপত্রগুলো সাক্ষী কীভাবে আমরা পানিশূন্য হতে চলেছি। তাহলে পানিচুক্তি করে আমাদের লাভ হলো কতটুকু? প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সময় বলা হয়েছিল, তিস্তার পানিবণ্টনের ব্যাপারে মার্চে যৌথনদী কমিশনের বৈঠকে একটি সিদ্ধান্ত হবে। মার্চে বৈঠকটি হয়েছে সত্য; কিন্তু কোনো চুক্তি হয়নি। অথচ তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত তিস্তা নদী ছিল উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী। কিন্তু পানিবণ্টনের ব্যাপারে ভারতের একগুঁয়েমি, ঢিলেমি ও হঠকারিতার ফলে তিস্তা এখন রুক্ষ্ম হয়ে উঠেছে। নদীর তলদেশে অজস্র পাথর, নুড়ি, বালু আর পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে তিস্তার বুকজুড়ে তখন শুষ্ক মৌসুমে কেবল বালু আর বালু। অন্যদিকে বর্ষাকালে মূল গতিপথ বদলে তিস্তা প্রচণ্ডভাবে আছড়ে পড়ে দুই তীরে। ফলে নির্দয় ভাঙনে ফি বছর ২০ হাজার মানুষ বাড়িঘর, গাছপালা ও আবাদী জমি হারিয়ে পথের ভিখেরি হয়ে পড়ে।
১৯৮৫ সালে ভারত তিস্তার উত্সমুখে এবং তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পের মাত্র ৬৫ কিলোমিটার উজানে গজলডোবা নামকস্থানে গজলডোবা ব্যারেজ নির্মাণ করে। এর ফলে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে দেশের সর্ববৃহত্ তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পটি সেচ প্রদানে অকার্যকর হয়ে পড়ে। এ সেচ প্রকল্পের উপকৃত এলাকা ৭ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর। এ অঞ্চলে প্রবাহিত বুড়ি তিস্তা, যমুনেশ্বরী, দেওনাই, চাড়ালকাটা, বুড়িখোড়া, বাগযোগড়া, ঘাঘটের এখন দুঃসময়। এর প্রধান নদীগুলো নাব্যতা হারিয়ে এখন পানিশূন্য। ফলে এ অঞ্চলের প্রধান সেচনির্ভর ইরি-বোরো চাষাবাদ এখন হুমকির মুখে, যা কিনা আমাদের খাদ্য সঙ্কটকে আরও ঘনীভূত করছে এবং বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মাঝে ঠেলে দিয়েছে। তিস্তা নদী এখন শুধু নামে আছে। পানি নেই বললেই চলে। ভরাট হয়ে গেছে ৬৫ কিলোমিটার নদী। আর তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লালমনিরহাট জেলার নদী তীরবর্তী ১২টি ইউনিয়ন। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২০ সালে এ অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালের জুলাই মাসে দু’দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে তিস্তার পানিবণ্টনে শতকরা ৩৬ ভাগ বাংলাদেশ, ৩৯ ভাগ ভারত ও ২৫ ভাগ নদীর জন্য সংরক্ষিত রাখার একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল; কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ তিস্তার পানির ৮০ ভাগ দু’দেশের মধ্যে বণ্টন করে ২০ ভাগ নদীর জন্য রেখে দেয়ার প্রস্তাব করেছিল; কিন্তু ভারত সে প্রস্তাব গ্রহণ না করে উল্টো তিস্তার কমান্ড এরিয়া তাদের বেশি, এরকম দাবি তুলে বাংলাদেশ তিস্তার পানির সমান ভাগ পেতে পারে না বলে খোঁড়া যুক্তি দেখায়। শুধু তাই নয়, ভারত তিস্তা ব্যারাজের সেচ এলাকা কমিয়ে দ্বিতীয় প্রকল্প বাতিল করার জন্য বাংলাদেশের ওপর চাপ দেয় এবং সর্বশেষ এক চিঠিতে তিস্তার মাত্র ২০ ভাগ পানি ভাগাভাগি করার বিষয়টি জানিয়ে দিয়ে চরম হঠকারি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এই যখন পরিস্থিতি, তখন আমরা আশা করেছিলাম, গেল মার্চের যৌথনদী কমিশনের বৈঠকে একটা সমাধান হবে, কিন্তু তা হয়নি।
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়েও ভারত লুকোচুরি খেলছে। ভারত এখন বলছে টিপাইমুখে এমন কিছু করা হবে না, যাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়; কিন্তু স্পষ্টতই সেখানে বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। ভারতের মনিপুরে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে জনমত এখনও শক্তিশালী। সেখানে এখনও আন্দোলন চলছে। তথাকথিত ‘কানেকটিভিটি’র নামে আমরা ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছি; কিন্তু আমরা কী একবারও চিন্তা করে দেখেছি যেখানে বাংলাদেশী পণ্য রফতানিতে এই বন্দর হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে অন্য দেশকে আমরা এ বন্দর ব্যবহার করতে দেই কীভাবে? এখানে লুকোচুরির কিছু নেই। গেল ক’বছরের আমদানি-রফতানির হিসাব নিলেই বোঝা যাবে এ বন্দরের চাহিদা কীভাবে বাড়ছে। আগামীতে তা আরও বাড়বে। বাংলাদেশের আমদানি-রফতানির প্রায় পুরোটাই চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়। মংলাবন্দর সে অর্থে অকার্যকর। শুধু তাই নয়, গত ৮ বছরে কর্ণফুলীতে পলি জমা হওয়ার পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ গুণেরও বেশি। এর ফলে কর্ণফুলী মোহনা থেকে উজানে ১৫ কিলোমিটার এলাকায় প্রচুর ডুবোচরসহ নদীর দু’পাশে ছোট-বড় অনেক চর পড়তে শুরু করেছে। নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় বর্তমানে দিনের বেশিরভাগ সময় ৩টি জনগুরুত্বপূর্ণ জেটি (ঘাঁটি) দিয়ে নৌ-যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এই যখন পরিস্থিতি, তখন চট্টগ্রাম বন্দর ভারতীয়দের আমরা ব্যবহার করতে দেই কীভাবে?
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ভারতের অনুকূলে। ঘাটতি দিন দিন বাড়ছেই। এই ঘাটতি কমিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ ভারত কখনও নেয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ৮০ লাখ পিস শার্ট ক্রয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাও নানা জটিলতায় আটকে আছে। ট্যারিফ-প্যারা ট্যারিফের কারণে বাংলাদেশী পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে বাংলাদেশী পণ্যের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় আমদানিকারকরা বাংলাদেশী পণ্যের ব্যাপারে দিন দিন আবহ হারিয়ে ফেলছেন। সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের বিবাদ আছে। আমরা বাধ্য হয়ে আরবিট্রেশনে গেছি। ভারত আমাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখায়নি। দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে আমাদের দাবির প্রতিও সম্মান দেখায়নি ভারত। সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে যে জটিলতা, তারও সমাধান হয়নি আজও।
আজ প্রণব মুখার্জি যখন ঢাকায় আসেন, তখন এসব কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা উদারহস্তে অনেক কিছু ভারতকে দিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, ভারতের কাছ থেকে যা পাওয়ার তা আমরা পাইনি। বাংলাদেশের উন্নয়নে ভারতের অনেক কিছু করার আছে। ভারত বড় অর্থনীতির দেশ। ইচ্ছে করলে ভারত অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু ভারত তা করছে না। আজও যখন প্রণব মুখার্জি ১০০ কোটি ডলারের ‘চেক’ নিয়ে আসেন, সেখানেও রয়েছে তাদের স্বার্থ। ভারত তার নিজের স্বার্থেই এই টাকা দিচ্ছে। এ থেকে বাংলাদেশের কোনো উপকার হবে না। ‘বাঙালি বাবু’ প্রণব মুখার্জিকে বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে অভিহিত করা হয়; কিন্তু যেসব সমস্যা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্তরায় সৃষ্টি করেছে, তার সমাধানে তিনি কি কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন? আমরা অবশ্যই ভারতের বন্ধুত্ব চাই। এই বন্ধুত্ব হতে হবে সমতা ও সমমর্যাদাভিত্তিক, যা জাতিসংঘ সনদে বর্ণিত রয়েছে। এ সম্পর্ক যখন ‘একপক্ষীয়’ হয়ে ওঠে, তখনই কথা ওঠে, বিতর্ক হয়। গত এক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই সম্পর্কটা অনেকটা একপক্ষীয় হয়ে গেছে। গত এক বছরে যেসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বা সরকারি পর্যায়ে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, তাতে করে ভারতের স্বার্থই রক্ষা করা হয়েছে বেশি। বাংলাদেশের স্বার্থ তেমন একটা রক্ষা করা হয়নি। ‘বাংলাদেশের বন্ধু’ প্রণব মুখার্জির কাছে তাই আমাদের প্রত্যাশা অনেক থাকলেও, তিনি মূলত ভারতীয় স্বার্থরক্ষা করার জন্যই ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এলেন এবং চলেও গেলেন।
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×