somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুরোনে প্রেমে মিসকল দেয় ( প্রেম-৩) শেষ পর্ব

২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত পর্ব-প্রেম-১
Click This Link

গত পর্ব-প্রেম-২

Click This Link

আকাশ সুবোধ বালকের মত। ফরেস্ট অফিসে গেল। অফিসে গিয়ে শুনে মেয়েটির বাবার কলিগ মেয়েটিকে বাসায় নিয়ে গেছে। দুপুরের খাবার খাওয়ানোর জন্য। আর ওর বাবা কিছুক্ষনের মধ্যে এসে পড়বে। আকাশ ভাবে যাক আমার আর কিছুই করনীয় নাই যা করার ওরাই করবে। অযথা অফিসে বসে থেকে লাভ নেই। বেশি মাতুবির করলে হয়ত নেগেটিভ ভাবতে পারে। তাই আকাশ বিদায় নিয়ে চলে আসলো। বেশ কয়েক দিন পর ফরেস্ট অফিসের এক লোক দোকানে গেলে আকাশ মেয়েটির কথা জিজ্ঞাসা করলে বলে। ওর বাবা এসে ওকে নিয়ে গেছে। এর বেশি কিছু জানিনা। মেয়েটি বাড়ী গিয়ে আর কোন চিঠি বা ফোন কিছুই করেনি।

নদীদের বাড়ী যাওয়ার সময় এসে গেল অর্থাৎ ৫ তারিখ যাওয়ার জন্য সবাই প্রস্তুত। দুলাভাই সহ আকাশে বাবা-মা। নদীদের বাড়ীতে গেল। যথেষ্ট আপ্যয়ন সেবা যত্ন করলো। নতুন জামাই আদর পেল আকাশ। এরকম আদর আর কখনও পায়নি। দুই দিন বেশ ভালই কাটলো। নদী দেখছে আকাশ কে আর আকাশ নদীকে। দু'জন দু'জনকে খুব ভাল ভাবে দেখলো। প্রথম দিকে নদী আকাশের সামনে তেমন আসেনি। পরে আস্তে আস্তে নদী ফ্রি হয়ে গেল। আকাশে ওদের গ্রাম ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখালো। ওদিকে আকাশে বাবা আর নদীর বাবাকে তার খালা ডেকে বলে। শোন বাবা আমি আর ক'দিন বাঁচবো। আমি মরে গেলে হয়ত এই সম্পর্ক তেমন টিকবে না তার চেয়ে তোরা পুরনো সর্ম্পকটাকে আবার নতুন করে স্থাপন কর। অর্থাৎ আকাশের বাবাকে বলে তোর ছেলে আর নদীর বাবাকে বলে তোর মেয়েকে বিয়ে দিয়ে নতুন সম্পর্ক করলে আমার মনে খুব ভাল হয়। নিজেদের মধ্যে হলে আর কোন চিন্তা থাকে না। নদীর বাবা তেমন কিছুই বলেনি কিন্ত আকাশের বাবা বলে দেখি চিন্তা করে কি করা যায়। দুলাভাই এই খরচ শুনিয়া বলে শালা এইবার ধরা খাইছো। মানে তোমার বিয়ের কথা বার্তা চলছে। নদীর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে তার দাদী। তোমাকে তারা পছন্দ করছে এবং সরাসরি প্রস্তাব দিয়েছে আমার শ্বশুরের কাছে। আকাশে কোন উত্তর দেয়নি। নদীও মনে হয় কিছু শুনছে ওর দাদীর কাছে তাই এখন আর আকাশের কাছে আসে না লজ্জায়। ওরা বিদায় নিয়ে আসলো। আকাশের বাবা-মা বলে মেয়ে তেমন খারাপ নয়। প্রস্তাবটি ভেবে দেখা যায় কি বলো আকাশে মা। আকাশে মা বলে আমার ছেলে বেকার। আগে পড়ালেখা শেষ হোক তারপর ভেবে দেখা যাবে। তাছাড়া মেয়েও এবার পরীক্ষা দিবে এর মধ্যে বিয়ে ভাবনা না ভাবাই উচিত। সময় নিতে হবে। তবে আকাশের মায়ের খুব পছন্দ হয়েছে মেয়ে সহ পরিবারকে। আকাশের যে ভাল লাগেনি তা কিন্ত নয়। আকাশ বাড়ীতে আসলে নদী। ওকে চিঠিতে ভাল লাগার কথা প্রকাশ করে। আকাশও তার উত্তরের ভাল লাগার কথা প্রকাশ করে। এভাবে অনেক দিন চিঠিতে ভাব বিনিময় হয়। ওদের মাঝে গভীর প্রেম। একদিন সপরিবারে আমন্ত্রিত আকাশে বাসায় আকাশ তো খুশিতে আত্মহারা। নদীকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিলে। মনে হয় কতদিন পর দু'টি প্রাণ এক হয়েছে। আকাশে রুমে নদী আর আকাশ কথা বলছে। কত ভাল না বলা কথা। সেই গানটির মত

প্রেমে পড়েছে মন প্রেমে পড়েছে।
অজনা এক মানুষ আমায় ভালবেসেছে


নদীরা মাত্র কয়েক ঘন্টা ছিল। ওরা খেয়ে-দেয়ে বিদায় নিয়ে চলে। গেল নদীর মা আকাশের মাকে বলে ওদের পরীক্ষার রেজাল্ট হলে। বিয়ের কাজটি সেরে ফেলবো। আপতত কাবিন করে রাখলেও চলবে। আকাশের মাও সায় দেয়। আকাশ ওদের বাসস্টান্ড পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসে।
দেখতে দেখতে কয়েক মাস কেটে যায়। আকাশ মোবাইল কিনে চিঠিতে মোবাইল নম্বর পাঠিয়ে দেয় নদীর ঠিকানায়। নদী নাম্বর পেয়ে ফোন করে আকাশকে। এবার চিঠির পরিমান কমে আসে। আগে সপ্তাহে ৩/৪টি চিঠি আসতো। এখন মাত্র একটা। এদিকে রেজাল্ট প্রকাশ হয় তাতে আকাশ সেকেন্ড ক্লাশ পায়। আর নদীও ভাল রেজাল্ট করে। চিঠিতে নদী জানায় বাসায় বিভিন্ন রকম লোকজন বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে। বিয়েটা যেন তারাতারী করা হয়। আকাশ উত্তরে বলে তুমি ঠিক থাকলে কেউ তোমাকে বিয়ে দিতে পারবে না। নদীর মা গোপনে জানায় আপনার বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করুন। নদীর বাবা দেরি করতে রাজী নয়। তিনি ভাল সন্ধন্ধ পেয়েছে। আকাশে মা বলে সে কেমন কথা আপনারই তো আমাদের সাথে সর্ম্পক গড়ার কথা আগে প্রকাশ করছে আর এখন বলছেন এমন কথা আমি তো বলেছি আমাদের সময় দিতে হবে তা ছাড়া আমার আরও ছেলে-মেয়ে আছে তাদের মতামতও জানা দরকার। আপনাদের মেয়েকে আমাদের পছন্দ হয়েছে। এখানে অন্য চিন্তা করা ঠিক নয়। আকাশে মা ডেকে জিজ্ঞাসা করে আকাশকে ওরা তো বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। এখন কি করা যায় বল তো। আকাশ বলে এই মুহুর্তে আমি বিয়ে করতে পারবো না। আমি এম.এ পাশ না করে বিয়ে করতে পারছি না। আর ওরা বেশি চাপ দিলে তুমি আংটি পড়িয়ে রাখ। পরে বিয়ে করা যাবে। এর মাঝে নদীর বাবা একদিন বাসায় আসলে আকাশের মা বলে আমরা মেয়েকে আংটি পড়াতে চাচ্ছি। বিয়েটা পড়ে পড়ানো হবে। কিন্ত নদীর বাবা বলে না দুটো এক সাথে করাতে হবে। বার বার ঝামেলায় যাওয়া যাবে না। আর আমরাও বেশি সময় দিতে পারবো না। আপনারা আমাদের সাথে সর্ম্পক না করলে তাও বলে দিতে পারেন। আপনাদের সময় নেওয়ার উদ্দেশ্য ভাল মনে হচ্ছে। দু'জনের মাঝে হালকা তর্ক-বির্তক হল। নদীর বাবা চলে গেলন। আকাশে মা আজকের বিষয় নিয়ে আকাশের বাবার সাথে আলোচনা করলে। আকাশের বাবা বলে এত তারহুরা কেন নিশ্চই কোন সমস্যা আছে। অত তারাহুরা করে আমরা কোন কাজ করবো না। আমরা আমাদের সিদ্বান্তে অটল। আংটি পাড়ানোই বেটার। আকাশেও একই মত। প্রায় এক সপ্তাহ অতিবাহিত হল নদীর কোন চিঠি নাই। মোবাইলেও ফোন করে না। যদিও মোবাইলে ফোন করা অত সহজ নয় কারণ মোবাইল করতে হলে বাসা থেকে বের হয়ে দোকানে গিয়ে মোবাইল করতে হয়। মোবাইল নের্টওয়ার্ক সবখানে পাওয়া যায় না। দোকানীরা বাশে মাথায় এন্টিনা ব্যবহার করে তবেই ফোন করে। মাঝে মাঝে বিভিন্ন অজুহাতে বাসা থেকে বের হয়ে আকাশকে ফোন দেয়। বলে বাবা তোমাদের ওখান থেকে আসার পর পুরো পরিবর্তন হয়ে গেছে। তোমাদের কথা শুনতে পারে না। কি হয়েছে বলতো। আকাশ বলে আমরা চাচ্ছি আংটি/কাবিন করিয়ে রাখতে কিন্ত তোমার বাবা তাতে রাজি নয়। এছাড়া তো আর কোন কারন দেখিনা। নদী বলে আমি কি করবো। আকাশ তোমার কিছু করার নাই চুপ করে থাকো। আর সবাইকে জানিয়ে দাও আমাকে ছাড়া আর কাউকেই বিয়ে করবে না।
প্রায় ২/৩ মাস কোন যোগাযোগ নাই। চিঠি কিংবা ফোন কোনটাই নাই। আকাশ সরাসরি নদীদের বাসায় গিয়ে হাজির। আকাশকে দেখে নদী খুশি হলেও নদীর বাবা তেমন খুশি হয়নি। দুপুরের খাবারের পর নদীর বাবা আকাশকে ডেকে বলে এভাবে আসাটা তোমার ঠিক হয়নি আরও অনেক কথা। আমরা বেকার ছেলে কাছে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়েছি। যেখানে তোমাদের বিয়ের কথাবার্তা চলছে সেখানে তোমার আসা ঠিক হয়নি। আকাশকে নীরবে অপমান করছে নদীর বাবা আকাশ ঠিকই বুঝতে পারছে। অভিমান নিয়ে আকাশ বিকাল বেলা ফিরে আসলো। এসে ওর মাকে বললে বলে ঠিক আছে দেখি ওরা কি করে ওদের এত দেমাগ।

নদী এক চিঠিতে আকাশকে বারন করে দিয়েছে আগের ঠিকানায় চিঠি দিতে। নতুন ঠিকানা দিবে। কিন্ত ২/১ মাস কেটে গেলে নদীর কোন চিঠি নাই। বারন কারনে চিঠি দেওয়ায় সম্ভব নয়। ওদের বাড়ী যাবে তারও কেন সুযোগ নাই। দুই পরিবারের কোন যোগাযোগ নাই। হঠাৎ একদিন নদীদের বাড়ীর পাশের এক লোকের সাথে সাক্ষাত হল আকাশের কথার এক ফাকে সেই লোক আকাশ কে জানায় নদীর তো বিয়ে হয়ে গেছে কয়েকদিন আগে। আকাশ খাবর টা শুনে মনে হয় দুনিয়াটা ওর অন্ধকার হয়ে গেছে। আকাশ বলে আপনি মিথ্যা বলছেন। বিয়ে হলে তো আমরা জানতা। সেই লোক বলে সিঙ্গাপুর ফেরত একটা ছেলে দেখে বিয়ে দিয়ে দিল। ছেলে পক্ষের তারাহুরার কারনে খুব দ্রুত বিয়ে হয়েছে। এবং ওরা বিয়ের দিনই নদীদে তাদের বাড়ীতে নিয়ে গেছে। অনেক দামী দামী গহনা দিয়েছে। বিয়েতে বরপক্ষ অনেক টাকা খরচ করছে। আকাশে এসব শুনতে ভাল লাগছে না। বাসায় এসে কাউকে কিছু না বলে। ওর রুমে গিয়ে দরজান বন্ধ করে অনেক কদেছে। আর নদীকে উদ্দেশ্য করে বলছে তুমি এত সহজেই তুমি ডলারের কাছে বিক্রি হয়ে গেল। হয়ত ওরা তোমাকে অনেক গহনা দিয়ে তোমার পুরো শরীর ভরিয়ে দিয়েছে। তুমি সেই মোহে সব ভুলে গেল থাক সুখে থাকো।

অনেকদিন কেটে গেল। দিন পরিবর্তন হল। সরকার পরিবর্তন হল। আকাশ পড়ালেখা শেষ করে । ভাল কোম্পানীতে চাকুরী পেল। কিন্ত পরিবর্তন হল না। কেবল নদীর। প্রথম ২ মাস বেশ ভালই কাটল। স্বামী সংসার এর পর শুরু হল। স্বামীর সাথে ওর নতুন পরিচয়। অত্যাচারে জর্জরিত হল ওর জীবন। স্বামী মাতাল হয়ে প্রায় ওকে মারধর করতো। অনেক রাতে বাড়ী ফিরত। বাপের বাড়ী থেকে টাকা আনার জন্য পাঠাতো। ওর বাবা সাধ্যমত টাকা দিত মেয়ের সুখের জন্য। আরও অভিমানে শুকনো ভাজা মরিচ গুরো করে খেতে মরে যাওয়ার জন্য। ওর স্বামীর টাকার পরিমান কমে আসলো। এবার গহনা বিক্রি করে। বিদেশ যাওয়ার জন্য এক আদম বেপারীর হাতে টাকা তুলে দিল। কিন্ত সেই আদম বেপারী টাকা নিয়ে উধাও। ওরা বাপের দেয়া সব আসবাবপত্র বিক্রি করে দিলেও অত্যাচার বিন্ধু মাত্র কমেনি। বরং বারছে। একদিন আকাশের নাম্বার ফোন করে নদী আকাশের খোজ খরব নেয়। আকাশ বলে তুমি এভাবে আমার সাথে প্রতারণা না করলেও পারতে। নদী বলে বাবা আমকে জোড় করে বিয়ে দিয়েছে আর অমনি তুমি বিয়েতে বসে গেল। বেশ ভালই। নদী বলে তখন বুজতে পারিনি কি ভুল করেছি। এখন বুঝতে পারছি। এর পর আর কোন কথা হয়নি নদী আর আকাশে সাথে... ওর স্বামীর কড়া আদেশ মোবাইল ব্যবহার নিষেধ।


প্রায় ২ বছর কেটে গেল.....



২ বছর পর, আকাশ বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। আর নদীর সংসার আর টিকে নিয়ে। নিজ ইচ্ছায় তালাক নিয়ে স্বামীর কাছ থেকে। বাবার বাড়ীতে আবার ফিরে এ
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×