somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রতিধ্বনি......... (গল্প)

২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যখনই কোন কথা বলা শেষ করি- একটা প্রতিধ্বনি শুনতে পাই!
আমার সব স্বপ্নের ভেতরে, ল্যাংগস ভ্যালীর খোলা মাঠে, এমন কি আমার প্রিয়তমা 'রোয়েনা'র সাথে কথা বলার সময়ও এমনটা হয়!
কিন্তু আর কেউ কিছু শুনতেই পায় না! ব্যাপারটা এমন, যে-সবাই কালা হয়ে গেছে; একমাত্র আমার কানটাই ভাল আছে!
কথাটা তাই রোয়েনাকে একদিন জানালাম।
সে আমার দিকে একটু বিচিত্রভাবে তাকালো! আমার দুহাত মুঠো করে ধরলো। তার কথাগুলি ছিল গভীর - বিষন্নতায় পূর্ণ।
"হাওয়ার্ড! তোমাকে যদি সবসময় ভালোবেসে যেতে পারতাম........, কিন্তু......।"
তারপর সে চলে গেলো!
তাকে আর কখনো দেখিনি!

সত্যটা জানার জন্য এক বছরেরও বেশী সময় লেগে গেলো। আমার সম্পর্কে, আমার পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে। যে সত্য খুব সুনিপুণ যত্নে আড়াল করে রাখা হয়েছিল আমার কাছ থেকে। জানলাম- আমার সব পূর্বপুরুষরাই একটা নির্দিষ্ট বয়সে এসে 'প্রতিধ্বনি' শোনা শুরু করতেন, তারপর খুব অল্প সময়ের ভেতরে তাদের মধ্যে পাগলের লক্ষণ গুলি প্রকট হয়ে উঠতো!
তাহলে এই হচ্ছে ঘটনা!? একটা ভয়ংকর তীব্র আর্তনাদ করে উঠতে চাইলাম! গলা দিয়ে কোন শব্দই বের হলো না!
তারপর হঠাৎ সবকিছু গোলাপী রঙের হয়ে গেলো! যেন কেউ একটা ব্রাশ দিয়ে সবখানে গোলাপী রঙের ছুঁইয়ে দিয়েছে! খুব হাস্যকর মনে হলো দৃশ্যটা। অট্টহাসি দিয়ে উঠলাম! আমার প্রতিধ্বনিও সাথে সাথে হাসলো। তারপর এক বুক ভাঙা কান্নায় ভেঙে পড়লাম। কান্না সেইসব জিনিষের জন্য, যা কখনো পাওয়া হয়নি! কান্না আমার ভালোবাসার রোয়েনার জন্য! কান্না আমার বিশ্বস্ত, আপন বন্ধুদের জন্য- যারা কতো যত্ন করেই না আমার কাছ থেকে সত্যটা আড়াল করে রেখেছিলো। কান্না আমার অলস প্রহরগুলির জন্য! আমার প্রতিধ্বনিও আমার সাথেই কাঁদলো!

ঠিক তখনই সেই বিস্ময়কর ঘটনাটি ঘটলো!!
আমি দেখলাম- কেউ একজন আমার পাশে!..... আমার প্রতিধ্বনি!
আমার দিকে বিবর্ণচোখে তাকিয়ে সে এই প্রথমবারের মতো নিজ থেকে উচ্চারণ করলো কথাগুলি........

"আমি খুব দুঃখিত।"
এরপর সে- মিলিয়ে গেলো!!

আমি এখনও মাঝে মাঝে তার সম্পর্কে ভাবি! যখন আমার প্রিয়তমা রোয়েনা নিশ্চিন্ত নিবিড়তায় ঘুমায় .......আমার পাশে।
আর একটিবার যদি শুনতে পেতাম আমার প্রতিধ্বনিকে!!

(এনামুল আজিম রানা'র গল্প থেকে অনুদিত)

ECHO
Whenever I say anything I hear an Echo. Even in all my dreams, even in the open field of Langs valley, even when I talk with my dearest Rowena. But nobody seemed to hear it, as if everybody was deaf and I was the only one having healthy ear! Then I talked about this with Rowena.
She looked at me strangely, her eyes were sad, I didn’t know what for. She took my hands, and she spoke in a deep and melancholy tone, “Howard, I wish I could always love you, but…..” And she was gone!
I never saw her again.
It took me more than a year to find out the truth about me, about my ancestors, which was hidden away from me with delicate care. I learned that all my ancestors heard the echo at a certain age, and then their madness became inevitable in a short time. So, that was it! I wanted to scream so hard that I couldn’t scream.
Then everything turned rosy, as if someone had painted everything with a paint brush. I thought it was funny. I laughed and my echo laughed with me. Then I cried for all the things that I’d never have, my lovely Rowena, my faithful friends, who tried so hard to hide the truth for me, my lazy life. My echo cried with me.
Then the strangest thing happened. I saw someone beside me. It was my echo. He poped at me ashamedly and for the first time he spoke himself first,
“I am sorry.”. Then he was gone.
I sometime still think about him, when my lovely Rowena sleeps contently. I wish I could hear my echo for the last time.
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
১৬টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×