আমার প্রিয় পোস্ট

সঙ্গে সাহিত্যের সুবাস ...

বাউলের মূর্তি সরানোয় মুসলমানি সাফল্য: আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের পুনর্পাঠ, পর্ব ১

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫২

শেয়ারঃ
0 0 0

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে বসবাসকারী বাঙালি মুসলমানদের আত্মপরিচয় অনুসন্ধান করতে গেলে পাওয়া যাবে তিনটি ধারা -- বাঙালিত্ব, মুসলমানিত্ব ও লোকধর্ম। বাঙালিত্ব হলো এই মানুষগুলোর জাতিগত পরিচয়, মুসলমানিত্ব হলো ধর্মীয় পরিচয় এবং লোকধর্ম হলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চর্চিত গৌনধর্মসমূহ।

বাঙালি মুসলমানের কাছে এই দ্বৈধতার প্রশ্নটি বরাবরই ঘুরেফিরে এসেছে যে আমি মূলত কে, বাঙালি না মুসলমান? বাঙালিত্বে বিশ্বাসী যে সে তার মুসলমানিত্ব খারিজ করতে পারলে যেন বাঁচে, আর মুসলমানিত্বে যে বিশ্বাসী, সে মনে করে বাঙালিপনা হলো হিন্দুয়ানি ব্যাপার। অথচ দুটোরই এমন জাতিগত ও ঐতিহাসিক সত্যতা আছে যে কোনোটিকেই পুরোপুরি বাদ দেয়া চলেনা, সম্ভবও নয়। এই অঞ্চলের 'মুসলমানের' জীবনযাপনে যেমন কিছু হিন্দুয়ানি/বাঙালি ব্যাপার ঢুকে গেছে, তেমনি 'বাঙালি'কেও বহির্বিশ্বে মুসলমান পরিচয় বয়ে নিয়ে বেড়াতে হচ্ছে, তা সে ইসলামের চর্চা করুক আর নাই করুক। নাইন ইলেভেনের পর এখন তা এক জটিল রূপ পেয়েছে। তবে লোকধর্ম চর্চাকারীর কাছে এই বিতর্ক অহেতুক মনে হতে পারে। কারণ সে এমন দার্শনিক চিন্তার ও মানবিক ভাবনার পর্যায়ে বিরাজ করে যে, এই বিতর্ককে তার কাছে কৃত্রিমভাবে বানিয়ে-তোলা শিক্ষিত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চামাত্র মনে হবে।

আমাদের আত্মপরিচয়ের ডিসকোর্সকে ঘিরে বাঙালিত্ব ও মুসলমানিত্বের বিতর্ককে নিয়ে বহু দিস্তা কাগজ ব্যয় হয়েছে, কিন্তু লোকধর্মের বিষয়টিকে এই আলোচনায় অনুপ্রবেশের অনুমোদন দেয়া হয়নি। এই রচনায় বাঙালিত্ব ও মুসলমানিত্বের বিষয়টি ছাড়াও লোকধর্মকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়েছে। লোকধর্মের বিষয়টিকে এই আলোচনায় যুক্ত করতে পারলে যেমন আত্মপরিচয়ের বিষয়টি ভিন্ন মাত্রা পায় তেমনি একটি সমাধানিক একটা জায়গাও পৌঁছা সম্ভব।

বাঙালিত্ব

বাঙালিত্ব হলো আমাদের বাংলা ভাষাভিত্তিক এক জাতিগত পরিচয় যা আসলে আমাদের প্রাথমিক পরিচয়ই বটে। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এজন্যই বলেছিলেন যে মা-প্রকৃতি আমাদের চেহারায় এমন এক ছাপ মেরে দিয়েছে যে টিকি-পৈতা বা দাড়ি-টুপি-লুঙ্গির বাহ্যিক চিহ্ন দিয়ে তাকে লুকানো সম্ভব নয়। তবে বাঙালিত্বের এই জাতিগত পরিচয়টি পূর্ণ রূপ পেয়েছে, ঐতিহাসিক বিচারে, খুব বেশি দিন নয়। গোলাম মুরশিদের (২০০৬) পর্যবেক্ষণ থেকে জানা যাচ্ছে: ত্রয়োদশ-চতুর্দশ শতকের আগে সত্যিকারের বাংলা ভাষা বিকাশ লাভ করেনিভ চতুর্দশ শতকের আগে অখণ্ড বঙ্গদেশ গড়ে ওঠেনি। আর এই অঞ্চলের লোকেরা বাঙালি বলে পরিচিত হননি আঠারো শতকের আগে।

এই সময়কালের পূর্বে এই অঞ্চল বরেন্দ্র, সমতট, বঙ্গ, হরিকেল এরকম কয়েকটি জনপদে বিভক্ত ছিল এবং অধিবাসীরা জনপদ অনুসারেই পরিচিত হতো। আর উত্তর ভারতে আর্যরা খ্রিস্টপূর্ব দুই হাজার বছর পূর্বে আসলেও দূরবর্তী পূর্ব ভারত বা এই অঞ্চলে তারা আসে অনেক পরে। এই অঞ্চলের অনার্য লোকজন তাদের কাছে 'বর্বর'রূপেই পরিচিত ছিল। খ্রিস্টের জন্মের মাত্র কয়েকশ বছর আগে, মৌর্য আমলে (৩২১-১৮১ খ্রি.পূ.) আর্যপ্রভাব অনুভূত হয়। কিন্তু আর্যদের ধর্ম ব্রাহ্মণ্যবাদ তখনও এই অঞ্চলে বিস্তার লাভ করতে পারেনি, এই অঞ্চল তখন ছিল বৌদ্ধদের অঞ্চল। পরবর্তী সময়ে পাল আমলে (৭৫০-১১৬১) বৌদ্ধধর্মের চূড়ান্ত বিকাশ ঘটে। আর ১১৬১ সালে দাক্ষিণাত্য থেকে আসা সেনরা বাংলা দখল করে এবং বৌদ্ধদের হত্যা করে ও তাড়িয়ে দেয়। তবে এই হত্যাযজ্ঞের আগ পর্যন্ত এই অঞ্চলে বৌদ্ধ ও হিন্দুরা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতো। পালরা হিন্দু দেবতা শিব ও বিষ্ণুর পৃষ্ঠপোষণা করতো। তবে সেনরা শ্রেণীভেদপ্রথাসমেত রক্ষণশীল হিন্দুমত প্রতিষ্ঠা করে। বেঁচে থাকা বৌদ্ধরা উত্তর ভারত বা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে পালিয়ে যায় অথবা হিন্দু পরিচয় গ্রহণ করে এখানেই থেকে যায়।

তুর্কী সেনা বখতিয়ার খিলজি দুর্বল সেনশাসক লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বঙ্গবিজয় করেন ১২০৪ সালে। কিন্তু তার আগমনের পূর্বেই আরবরা বাণিজ্যের লক্ষ্যে এদেশে আসতে শুরু করে নবম শতক থেকে। আর আসতে থাকেন ধর্মপ্রচারক দরবেশরা। এই পীর-দরবেশরা অবশ্য আরব নয়, আসেন ইরান ও মধ্য এশিয়া থেকে। তারা সঙ্গে নিয়ে আসেন অবিকৃত আরব-ইসলাম নয়, পারস্য সুফিমত প্রভাবিত ইসলাম। যাহোক এই সুফিদের শান্তির বাণী, সমাজসেবা বর্ণভেদে বিন্যস্ত হিন্দুসমাজের নিচুতলার মানুষদের আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট হয়। আবার হিন্দুত্বের পরিচয়ে লুকিয়ে থাকা পাল আমলের বৌদ্ধরা ইসলামের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। দলে দলে লোক ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। বখতিয়ার-পরবর্তী সুলতানী আমলে এই প্রবণতা বেগবান হয়। বখতিয়ার-পরবর্তী পাঁচশ বছরের মুসলমান-শাসনকালে (সুলতানী ও মোগল সুবা) এই অঞ্চলে হিন্দু ও মুসলমানরা শান্তিপূর্ণভাবে ও অসাম্প্রদায়িক রীতিতে পাশাপাশি বসবাস করতো। সত্যি বলতে, সেনদের বৌদ্ধবিতাড়ন ছাড়া প্রাচীনকাল থেকেই এদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে বসবাস করার সুযোগ পেয়েছে -- সাম্প্রদায়িকতা নামক বস্তুটির সঙ্গে আমরা পরিচিত হয়েছি ব্রিটিশ আমলে। শাসকদের উদারতার পাশাপাশি, মূল কারণটা হলো এই যে বৌদ্ধ, হিন্দু ও ইসলাম, এই তিন ধর্মই অবিকৃত রূপে এখানে চালু হয়নি। বরং অনার্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিলে তিন ধর্মেরই একটা বঙ্গীয় চেহারা পেয়েছে। বলা যায় তিন ধর্মেরই সহনশীল বা উদার রূপটি বাংলায় বিকশিত হয়েছে।

[চলবে]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আত্মপরিচয় ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অ্যাক্টিভিজম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: "আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তারচেয়ে বড় সত্য আমরা বাংগালী। প্রকৃতি তার নিজ হাতে মালা-তিলক-টুপি লুংগি-শাড়ীতে যে ছাপ মেরে দিয়েছে, তা ডাকবার জো নেই।"- ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বংগীয় সাহিত্য সন্মেলন, সালটা মনে নেই।

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: আমি উক্তিটি ইংরেজিতে পাই তা থেকে বাংলা করেছি।

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: এইটা পড়বেন কিন্তু। আগের সিরিজটা তো ঘোষণা দিয়ে পড়েননি।

৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০০
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: পড়লাম। ব্রিটিশদরে রেখে যাওয়া জিনিসগুলোর ভিতর সবচেয়ে খারাপটি হল সাম্প্রদায়িকতা - যা থেকে আজও আমরা বের হতে পারিনি, কবে পারব তাও জানি না।

আরেকটা ব্যাপার হল - ধর্মকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা, মূলভাবটা না মেনে কেউ যদি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে যায় - বিপত্তি ঘটতে বাধ্য।

+
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার দুইটি কথাই ঠিক।

৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০০
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: ভালো লাগছে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
সময় হয়েছে আরেকটি বিপ্লবের
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০১
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
উদার রূপটি ধারণ করার জন্য সবই বোধহয় সবই মেনে নিচ্ছি! পরের পোস্টের অপেক্ষায় আছি।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আমি ঠিক তা মনে করিনা।

৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০১
পিচ্চি বলেছেন: একখাম প্রশ্ন: হুজুররা কি তাগো বিয়েতে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান করে?
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: হুজুররা হয়তো করেননা, কিন্তু সাধারণ মুসলমানরা করেন।

৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৩
বর্ণ. বলেছেন: আপনি ভূমিকায় বাঙালিত্ব ও মুসলমানিত্বকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। এজন্য শুরুতেই একটা মাইনাস দিয়ে নিলাম।

. . অথচ বাঙালিত্ব ও মুসলমানিত্ব স্ব স্ব যায়গায় দেদিপ্যমান। বাঙালিত্ব মূলত ভৌগলিক পরিচয় ও ভাষার মধ্যে নিহিত। সাথে সাথে স্থানীয় ঐতিহ্য। আর আপনি মুসলমানিত্বকে বলেছেন ধর্মীয় পরিচয়। একে আরো সুন্দরভাবে বলা যায় বিশ্বাসের পরিচয়। আর মানুষকে সর্বপ্রথম প্রভাবিত করে তার বিশ্বাস। অতপর বিশ্বাসের সাথে সঙ্গতি রেখে অন্যান্য ঐতিহ্য। সুতরাং বিশ্বাস হচ্ছে সর্বব্যাপি। তাই বিশ্বাসের নিরিখে যে স্থানীয়তা গ্রহণযোগ্য তাকে গ্রহণ করা, আর যা পরিত্যাজ্য তা পরিত্যাগ করা- এটাই মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা।

সুতরাং ভাষা, ভৌগলিক অবস্থান ও স্থানীয় ঐতিহ্যকে আমরা স্বাগতম জানাই এবং জানাবো। কিন্তু তা যদি কখোনো বিশ্বাসকে অতিক্রমের চেষ্টা করে তবে অবশ্যই পরিত্যাজ্য।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: পুরোটা পড়ে মন্তব্য করবেন, অনুরোধ রইলো। আমি মুখোমুখি দাঁড় করাইনি। আমি ইতিহাসের আলোকে ব্যখ্যা করার চেষ্টা করছি। ইতিহাসের বিকৃতি হলে বলবেন।
ঐতিহাসিক সত্য হলো আরবের ইসলাম আর বাংলার ইসলাম খানিকটা আলাদা। এটা আপনার জীবনাচরণেই প্রতিভাত।
আর মুসলমানিত্বও একটা ঐতিহাসিক সত্য। বাঙালিত্বের সঙ্গে এর বিরোধ আছে, এটাও ঐতিহাসিক সত্য। তবে এটা ভুলপাঠ যে আমি দুইটাকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে নিয়ে তবে শুরু করেছি।
পরের পর্বগুলো পড়লে নিজেই বুঝবেন।

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: চলবে।

১০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২১
এস্কিমো বলেছেন: শুরুটা ভাল হয়েছে। একটা সমাজে নানান বিভাজন থাকে। এই বিভাজনগুলো বুঝার ক্ষেত্রে আপনার লেখাটা ভাল কাজ করবে। তবে একটা কথা কি, এই সকল বিভাজনের পিছনে সবসময়ই অর্থনৈতিক একটা কারন কাজ করে - সেই দিকটাও আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: বিভাজনগুলোর ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। অর্থনীতি অবশ্যই আরেকটা কারণ।

পরের পর্ব পড়ার আমন্ত্রণ।

১১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২২
রুহুল্লাহ বলেছেন: বাঙ্গালী এবং মুসলমান হওয়ার আগে কি মানুষ নয়? এটা বিবেচনায় নিলে মনে হয় সমস্যা বিশ্লেষণ এবং সমাধান সহজ হতো।
পড়ছি।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: সমস্যার গোড়ায় যেতে চাইলে আলাদাভাবেই আলোচনা করতে হবে।

১২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৪
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
বুঝলাম । তবে একটা খটকা আছে । হিন্দু পরিচয় কি গ্রহন করা যায় ?
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: apnar khotkata poriskar holo na amar kace [font problems, sorry]

১৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৭
বর্ণ. বলেছেন: ইসলাম যার হাত ধরেই আসুক না কেন, ইসলামের মূল উৎস কুরআন ও হাদিস তখন থেকে আজো অবিকৃত। তাই বাংলার ইসলাম বলে পৃথক কোন ইসলাম নেই। কেউ পৃথক করে থাকলে সেটি তার সংকীর্ণতা। ইসলাম সারা বিশ্বের জন্য সার্বজনীন। এটি মৌলিকভাবে কয়েকটি মূলনীতি। সুতরাং এটি যে কোন স্থানীয় ঐতিহ্য বা প্রবণতাকে সমর্থন করে যতক্ষণ না তার বিশ্বাসকে আঘাত করে।

আমি বাঙ্গালী, ভৌগলিক দিক দিয়ে, ভাষাগত দিক দিয়ে। কিন্তু বিশ্বাসে আমি মুসলিম। বিশ্বাসে বাঙালিত্বের কোন স্থান আমার মধ্যে নেই। বিশ্বাসী কোন মুসলিম বিশ্বাসে কখোনোই ইসলামের বাহিরে কিছুকে স্থান দিতে পারেনা। বিশ্বাস আমার কর্মকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং যে কর্মের মধ্যে আমার কল্যাণ অকল্যাণ নির্ভর করে, তার উৎস 'বিশ্বাসকে' আমি কখোনোই স্থানীয় ঐতিহ্য বা প্রবণতার হাতে ছেড়ে দিতে পারিনা।

আবারও বলছি বিশ্বাসের দ্বন্দে একজন মুসলিম কখোনোই ভিন্ন কিছুকে স্থান দিতে পারেনা, তাহলে সে অংশীবাদির দিকে ধাবিত হয়। বাঙালিত্বকে যদি বিশ্বাসের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয় তবে তা আরেকটি ধর্মই সৃষ্টি করা হলো। আমি বাঙালিত্বকে ঐতিহ্য, আঞ্চলিকতা ও ভাষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ করতে চাই। বিশ্বাসে বাঙালিত্বকে স্থান দেবার কোন সুযোগ নেই।

. . . আপনার লেখা পড়ার চেষ্টা থাকবে।

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আবারও বলছি, আপনি পুরোটা পড়ুন, তারপরে দীর্ঘ বিতর্ক করা যাবে।

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: তবে ইসলামের অবিকৃতি একটা মিথ। ইরান, মধ্য এশিয়া, আফ্রিকায় সুফিবাদ বহুকাল আগেই বিকাশ লাভ করেছিল। শিয়া-সুন্নী, হানাফি-মোহাম্মদী বিভাজনগুলোকে কী বলবেন? বাংলার ইসলাম বলে অবশ্যই কিছু ছিল, ঐতিহাসিক সত্য এই। তবে পরবর্তী সময়ে এর সংষ্কার হয়েছে, আরব-ইসলামের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

১৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪১
না বলা কথা বলেছেন: এই পোস্টে এতো মাইনাচের কারণ টা কি?
কেউ পইড়া মাইনাচ দেয়, নাকি এমনি এমনি।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: এরকম মাইনাস পাওয়া যাবে, ধরেই নিয়েছিলাম।

১৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
রহমান মাসুদ বলেছেন: এ লজ্জা আমাদের সকলের। কিন্তু যাদের জন্য এ লজ্জা তারা যে লজ্জা পাননা এটাই বড় লজ্জার বিষয়।
চলুক.....
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: চলবে।

১৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পড়ছি, পড়ব, লিখবার জন্য ধন্যবাদ।
====================================

আপনি আগেই উল্লেখ করেছেন আলোচনা বাংলাদেশ নামক বর্তমান রাষ্ট্রকেন্দ্রিক। আমি ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে একটি প্রশ্ন করতে চাই।

আমি যতদূর জানি, বৌদ্ধ ও ইসলাম ধর্মের বিস্তৃতি বাংলার পূর্ব অংশে পশ্চিম অংশের চাইতে অনেক বেশি হয়েছে। পূর্ব বাংলার মানুষ বৌদ্ধধর্মকে যেমন গ্রহণ করেছিল, তেমনি তারাই আবার ইসলামকে গ্রহণ করেছে। এই বৈশিষ্টেটি বাংলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশে মাঝে একটা বড় পার্থক্য।

আমি কি ঠিক?
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: আপনি পুরোপুরি ঠিক।

১৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
বর্ণ. বলেছেন: @না বলা কথা, এই পোস্টে মুসলমানিত্ব ও বাঙালিত্বকে মুখোমুখি দাঁড় করানো হইছে।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: এই দ্বন্দ্ব আমি নতুনভাবে দাঁড় করানোর কেউ না, অলরেডি এটা আছে। আমি বরং এই ব্যবধানকে কমিয়ে আনার পক্ষপাতী। তবে তার উপায় আপনার সঙ্গে আমারটা মিলবে না, আমি নিশ্চিত।

১৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
বিবর্তনবাদী বলেছেন: @ বর্ণ: মুসলমানিত্ব্ব ও বাঙালিত্বকে মুখি এই পোস্টে কোন অংশেই দাঁড় করানো হয় নাই।

আমাদের মুসলমানিত্ব ও বাঙালিত্ব্বকে খিচুড়ির ডাল আর চালের সাথে তুলনা করা যায়। চাল যদি শুধু রান্না হয় তাহলে বাঙালি। আর যখন সাথে ডাল দেওয়া হল তখন খিচুড়ী। আপনার আলোচনা গুলো এই পোস্টের কন্টেন্টের সাথে কোন ভাবেই সম্পর্কিত নয়।
১৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১২
শয়তান বলেছেন: দেশ ও জাতির ইতিহাস এবং ঐতিহ্য বিষয়ক পোস্ট বরাবরই পছন্দের কাতারে থাকে । তাই পড়তে মিস করি না ।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: তা বেশ।

২০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২১
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: পড়ছি, পড়ব, লিখবার জন্য ধন্যবাদ।
চালিয়ে যান।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
অচেনা সৈকত বলেছেন: ভাল লেখা শুরু করেছেন।চালিয়ে যান।পড়ব।
২২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৬
বর্ণ. বলেছেন: @ বিবর্তনবাদী, আমার আলোচনা এই পোস্টের কনটেন্টের সাথে সম্পর্কিত কি না তা আপনার বোধের অগম্য থাকতে পারে, তাতে সমস্যাও কিছু নাই। লেখকের বোধগম্য হলেই আপাতত চলবে।
২৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: পড়ছি।
আর জামাতিগুলি ব্রেইন ওয়াশড,এদের সাথে তর্ক করে বেশি একটা সুবিধা হবে না।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আপাতত বেশি কথা বলছিওনা। সিরিজের শেষদিকে দেখা যাক।

২৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

চলুক...

(পড়েই বলছি, আরো পড়বো বলে)
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: চলবে। ধন্যবাদ সঙ্গে থাকার জন্য। (নিউজ-প্রেজন্টোরের মতো শোনালো বোধহয়!!!)

২৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৫
লাল দরজা বলেছেন: ঠাশ্ কইরা পইড়া হালাইছি, এখন সেকেন্ড পার্ট লাগব তারাতারি ছাড়েন। :)
২৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
লাল দরজা বলেছেন: বর্ন হিন্দুর নাম হুনছিলাম, বর্ণ মুছলমানও যে আছে আগে জানতাম না!
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: কেন আশরাফ আর আতরাফ মুসলমানের কথা শোনেনি? বর্ণ আশরাফ বর্ণ হিন্দুর সঙ্গে তাও ছেলেমেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেবে, কিন্তু ব্রাত্য আতরাফের সঙ্গে নয়।
ব্রিটিশ আমলে আশরাফ-আতরাফ একটা বড়ো রাজনীতি ছিল, মুসলমানদের মধ্যে।

২৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
আরিফ জেবতিক বলেছেন: পুরোটা পড়ার পরে মন্তব্য করব ।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: প্রোফাইল পিকটা মজার।

৩১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
বন্ধনহীন বলেছেন: লেখাটি ভালো লাগছে। শেষ পর্ষায়ে আলোচনায় অংশ নেয়ার ইচ্ছা রইল।

যে জেগে ঘুমায়, তাকে কি জাগানো যায়? বর্ন. কে তার দ্বন্দেই বাস করতে দিন। এ্যাকাডেমিক কোন আলোচনা তার জন্য উপাদেয় নয়।
৩২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০২
ত্রিভুজ বলেছেন: পুরোটা পড়ার পর মন্তব্য করবো। চলুক...


তবে-
লেখক বলেছেন: এরকম মাইনাস পাওয়া যাবে, ধরেই নিয়েছিলাম।

এমনটা ধরে নিয়েছিলেন কেন জানতে ইচ্ছে করছে।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০০

লেখক বলেছেন: অন্তঃত শিরোনামটার কারণে।

৩৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫০
রাশেদ বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার একটা সিরিজ পড়া শুরু করলাম।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: thanks

৩৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৭
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: একটি ভাল এবং দরকারি সিরিজ শুরু করেছেন বলে মনে হয়। পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষায় থাকলাম.............।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: amontron roilo

৩৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
যীশূ বলেছেন: এ অঞ্চল বৌদ্ধদের অঞ্চল ছিলো বলেই কি সুফিবাদ বা বাউলতত্ব এখানে আছে। কোন সম্পর্ক কি খুজে পাওয়া যায়? বিষয়টা পুরাটাই আমার আন্দাজ। জানতে চাচ্ছি।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: বৌদ্ধ সহজিয়া ছিল বলেই সুফিবাদ এখানে বিকশিত হয়েছে। দুইটার ধাঁচ কাছাকাছি। বাউলদের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে।

৩৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: ৫ নং প্যারার শেষ লাইনে আপনি লিখছেন... ''হিন্দু পরিচয়'' গ্রহণ করে...

আমার মনে হয় ১২ নং কমেন্টে হাসিব মাহমুদ সেইটার কথা জিগাইতাছিলেন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: হিন্দু পরিচয় গ্রহণ করা মানে হিন্দু হয়ে যাওয়া, মানে কনভার্ট করা -- ভয় থেকে, কিন্তু মনে মনে বৌদ্ধ থেকে যাওয়া। হিন্দু হবার পরও তাকে না মানতে পারা এবং অপেক্ষাকৃত ভালো ইসলামকে পেয়ে তাকে সাদরে বরণ করা।

৩৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইন্টারেস্টিং ... ভাগ্য ভালো একসাথে চারপর্ব পাইলাম ;)
৩৮. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৯
রাজর্ষী বলেছেন: ভালো লাগলো। আত্মপরিচয়টাই আসলে আমাদের মূল সমস্যা। এমনকি এখনকার রাজাকার-মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ বিভেদ এর মূলে আছে সেটা। আশা করি আপনার লেখায় অনেক উপাদান পাওয়া যাবে চিন্তাশীলদের জন্য।
৩৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
নিকো৮১২৩ বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ এমন চম্ৎকার একটা প্রবন্ধের জন্য। আসলে আমার ও এরকম ই মনে হয়। কিন্তু আপনার মতো এতো গুছিয়ে আর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে আলোচনার ক্ষমতা নাই তাই.....আবারও ধন্যবাদ...আর..+++++++++++++++++
৪০. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
কৃষ্ণেন্দু বলেছেন: ...ভাই ...সাম্প্রদায়িকতা ব্রিটিশরা তৈরি করেছে ...এটার মানে কি ? ..এর আগে বা পরে ছিল না ..?একটা ব্যাপার বুঝি....কেউ কিছু না চাইলে ....মনের গভীরে না পুষে রাখলে .....কিছু হয় না ....অন্যজন যতই চেষ্টা করুন .....সাম্প্রদায়িকতা ব্রিটিশ আসার আগেও ওটা ছিল ...আবার পরে ও ওটা আছে .....আর ...সবকিছুতেই ...কেষ্ট ব্যাটা চোর .এটা ঠিক না ....নিজের দিকে তাকান ....
০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: সেনরা বৌদ্ধদের হত্যা করেছিল। এটা ছাড়া ব্রিটিশিপূর্ব সময়ে সাম্প্রদায়িকতা আসলেই ছিল না। ব্রিটিশরা আসার পূর্বে দীর্ঘ ৫শ বছর মুসলমান শাসনের সময়ে সাম্প্রদায়িকতা ছিলনা। হিন্দুরা মুসলমানদের সঙ্গে পাওয়ার শেয়ার করতো।

পরের কথা তো আসে না, কারণ একবার শুরু হবার পরে তো আর সেটা বন্ধ হয়নি।

০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

লেখক বলেছেন: Click This Link

৪২. ০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১২
সুনীল রায় বলেছেন: যে যত চেষ্টাই করুক না কেন জন্মস্থানের সংসকৃতি পুরোপুরি ত্যাগ করা কখনোই সম্ভব নয়। একজন গোঁড়া মুসলমানকেও ভাত, মাছ, কাঁচকলা, ইলিশ মাছ এগুলি খেতে হয়। ইসলাম ধর্মে লোকেদের প্রার্থনা করতে হয় আরবীতে। বাকি সব কাজ করতে হয় বাংলায়। তাকে ঘুমের মধ্যে স্পনও দেখতে হয় বাংলায়। কিন্তু আরব দেশের লোকেরা ভাত না খেয়ে রুটি, ছাতু, খেজুর ইত্যাদি খেয়ে জীবন চালায়। তারা প্রার্থনা করে আরবীতে, বাকী সব কাজও করে আরবীতে, স্বপ্ন দেখে আরবীতে এবং গালিগালাজও করে আরবীতে। ১৩ নম্বর মন্তব্যকারী বর্ণ বলেছেন বিশ্বাসের জন্য স্থানীয় যে কোন বিষয় ত্যাগ করতে হবে। আসলে সেটা বাস্তবে সম্ভব নয়। ধর্মীয় নিয়মে বৈধ এমন কিছু বিষয় আরবে প্রচলিত আছে যা বাংলাদেশে ঘৃণিত বিষয়। ধর্মীয় বিধানে চার স্ত্রী রাখা, নিজের মেয়ের চেয়েও কম বয়সী মেয়েকে বিয়ে করা ইত্যাদি বৈধ কাজ। কিন্তু আমাদের বাঙালি সমাজ হিন্দু, মুসলমান সব সমাজে এগুলি ঘৃণিত কাজ। কিন্তু আরব দেশে এসব কাজকে বিশেষ মর্যাদার চোখে দেখা হয়।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬২৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াই। ফিকশন ও নন-ফিকশন দুই ধরনের লেখাই লিখি। গল্প লিখি, প্রবন্ধ লিখি, অনুবাদ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ