আমার প্রিয় পোস্ট

ভাল লাগে স্বপ্নের মায়াজাল বুনতে...

একটি নতুন ছোট গল্প: বৃষ্টি স্নান

১৮ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

শেয়ারঃ
0 5 0

ছোট গল্প: বৃষ্টি স্নান

(c) ফয়সাল রকি


আজ সকাল থেকেই আকাশটা কেন যেন মন খারাপ করে বসে আছে। মাঝে মাঝে অশ্রু বির্সজন দিয়ে যাচ্ছে; কখনো টিপ টিপ বৃষ্টির আকারে, আবার কখনো বা মুষলধারে। এখন বৃষ্টি না হলেও আকাশে মেঘের কমতি নেই, তার ওপর আবার ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া। কাঁথার ভেতর শরীরটা গলিয়ে দিতেই ঘুম পেয়ে যাচ্ছে টোকনের। কে যেন বলেছিল আজ পূর্ণিমা; পূর্ণিমার ছাদে দাঁড়িয়ে জ্যোছনা দেখার একটা আলাদা মজা আছে। কিন্তু আজ জ্যোছনা দেখা হলো না, তাই খানিকটা মন খারাপ নিয়ে একটা অ্যাবসার্ড নাটকের বই হাতে করে শুয়ে পড়েছে টোকন।

আজ সারাটা দিন ঘরে কেটে গেছে। বৃষ্টির মধ্যে কোথাও যেতে ইচ্ছে হলো না। তাছাড়া মালিবাগ এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে থাকে। নোংরা, ময়লা পানি। বিরক্তিকর একটা পরিবেশ। বর্ষা নামার আগেই মেসটা পাল্টাতে হবে। তবু এরমাঝেই বন্ধুরা একে এক ছাতা মাথায় বেড়িয়ে গেছে যে যার কাজে, কিন্তু টোকনের আর বেরোনো হলো না। ক্যাসেট প্লেয়ারটা বেশ কয়েকবার বাজতে বাজতে অটোস্টপ হলেও একঘেয়েমী কাটছিলোনা। এরই মাঝে সাড়ে সাতটার দিকে মোবাইল ফোনটা বেজে উঠলো। সুপ্রভা। কলটা রিসিভ করতেই ওই প্রান্তে ঝাঁঝাঁলো কন্ঠ শোনা গেল, “দরজাটা খোল, তোদের কি কলিংবেল নষ্ট? পাঁচ মিনিট থেকে নক করছি।”

ঝড়ের মতো এসে ঝড়ের মতোই চলে গেল সুপ্রভা। সে নাকি ট্যাক্সি ক্যাব দাঁড় করিয়ে রেখেছে। যাবার আগে একটা খাম ধরিয়ে দিয়ে গেল। আর বললো, “আমি ম্যাসেজ পাঠানোর আগে এটা খুলবি না। তোকে আমি বিশ্বাস করি টোকন।”

দরজা লাগিয়ে খামটা হাতে নিয়ে নির্বিকারভাবে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো টোকন। দু’একবার অনুমান করার চেষ্টা করলো ভেতরে কী থাকতে পারে। কিন্তু পারলো না। হাল ছেড়ে দিয়ে ভাবলো, ‘ম্যাসেজের জন্যই অপেক্ষা করি’। টোকন জানে সুপ্রভা ওর প্রতি খানিকটা দূর্বল, তবে প্রেম নিবেদন যে চিঠির মাধ্যমে করবে না, এটা বুঝেছে আরো আগে। মধ্যবিত্ত টোকনদের কাছে সুপ্রভারা সব সময়ই বন্ধু হিসেবে অনেক ভাল ভূমিকা পালন করে, কিন্তু এর বেশি কখনও নয়।

হঠাৎ করেই অ্যাবসার্ড নাটকের প্রতি টোকনের ভাললাগা বেড়ে গেছে। সেই যে অ্যাবসার্ড নাটকের ওপর থিসিসটা লিখলো, তারপরেই হয়তো। টেকো অভিনেত্রী নাটকের মিঃ মার্টিন চরিত্রটা পড়ার সময় যখন নিজেকে ওই চরিত্রে মেলাতে চেষ্টা করছিল; ঠিক তখনি সুপ্রভার ম্যাসেজটা এলো, 'Open the envelop'.

টেবিলের ওপরে রাখা ধূসর রঙ্গের মোটা খামটা হাতে নিয়ে আবারো অনুমান করার চেষ্টা করলো। অবশেষে কৌতুহল জয়ী হওয়ায় খুলে ফেললো খামটা। টুপ করে ছোট্ট একটা চিরকুট বেড়িয়ে এলো।

টোকন, আমার লেখা একটা উপন্যাসের শেষ অংশটা দিলাম। পড়। এখানে নাটকের নাম টোকন আর স্বভাবতই নায়িকা আমি, মানে সুপ্রভা। তবে, কোনভাবেই ধরে নিস না যে, নায়কের নাম টোকন হওয়া মানেই নায়ক তুই। আমার উপন্যাসে নায়ক হওয়ার মতো সৌভাগ্য তোর হয়নি, তবে তোর নামটার হয়েছে। ভাল থাক। ইতি তোর বন্ধু সুপ্রভা।

খামের ভেতর থেকে বাকী কাগজগুলোও বের করলো। ভাবলো, আগে ‘টেকো অভিনেত্রী’ না আগে সুপ্রভার লেখা? টেকো অভিনেত্রী তো আগেও পড়েছি এবার বরং টেষ্টটাকে একটু পাল্টানো যাক। শুরু হোক সুপ্রভার লেখা।

“আজও সন্ধ্যাটা ভাল কাটেনি সুপ্রভার। টোকনকে যখন সে ফোন করলো, টোকন তখন কফি হাউজে। চুটিয়ে আড্ডা দেবার কথা থাকলেও, দূর থেকেই সুপ্রভা দেখলো, টোকন আর মানসী আলো আঁধারির মাঝে বসে আছে নিরবে। এ দৃশ্যটাই ওকে পাগল করে তুললো। মাত্র কদিনেই মানসী কেমন করে যেন ছিনিয়ে নিয়ে গেল এতদিনের পরিচিত মানুষটাকে। ভেঙ্গে দিল সব স্বপ্ন। আজ আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ মায়াবী আলো নিয়ে চেয়ে আছে সমস্ত মানবজাতির দিকে। টোকন হয়তো ছাদে দাঁড়িয়ে পূর্ণিমা দেখছে মন ভরে। টোকন জ্যোছনা খুব পছন্দ করে। আর ঠিক তখনি সুপ্রভাও ছাদে দাঁড়িয়ে, একই চাঁদের আলোয় হিসেব করছে জীবনের পাওয়া-না পাওয়াগুলো। সে হারিয়ে যাচ্ছে অতীতের মাঝে। চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে। তার হাত বেয়ে চুইয়ে চুইয়ে রক্ত পড়ছে। তার মামার ইংল্যান্ড থেকে পাঠানো ছুরি দিয়ে সে হাত কেটে নাম লিখেছে টোকনের, প্রিয় টোকনের। এরই মাঝে বেশ খানিকটা রক্ত বেড়িয়ে গেছে শরীর থেকে। সামনেই পড়ে আছে ঘুমের ওষুধের পাতা। যে জীবনে টোকন নেই, সে জীবন জোড় করে ধরে রাখার কোনও মানে হয় না। দেরী হয়ে যাচ্ছে সুপ্রভার। তবুও সে ভাবে, টোকন কি আগের মতো একবার আসবে না? নীচে এসে ডাকবে না, ‘সুপ্রভা, নেমে আয়, কফি হাউজে যাই’। সুপ্রভার দেরী হয়ে যাচ্ছে। তবুও সে অপেক্ষা করে চলে। চোখের দৃষ্টিতে আরো খানিকটা ঝাপসাময়তা বাড়ে। সে অপেক্ষা করে। অথচ দেরী হয়ে যাচ্ছে। চোখের দৃষ্টি আরো ঝাপসা হতে থাকে।”


লেখাটা হাতে নিয়ে টোকন বুঝতে পারলো না, পাগলী মেয়েটা কী বলতে চায়, আর কীই বা লিখেছে। সুপ্রভার সাথে কথা বলা দরকার, অথচ মোবাইলে কোন টাকা নেই। বাইরে বৃষ্টি খানিকটা কমেছে। একটা কার্ড কিনলেই হয়। আজ তো জ্যোছনা স্নান হলোনা, বরং খানিকটা বৃষ্টি স্নান হলে মন্দ হয় না।

বৃষ্টি স্নান সেরে টোকন যখন রুমে ফিরলো, তখন প্রচন্ড ক্ষুধা পেয়ে গেছে। আর তাছাড়া ‘অফ-পিক আওয়ার’ আসতেও ঘন্টা খানেক বাকী। কাজেই খানিকক্ষণ অপেক্ষা করতে দোষ নেই ভেবে টোকন দৈনন্দিন কাজ কর্মের শেষ অংশগুলো করতে থাকলো, তবে মনের ভেতরে সুপ্রভা বিষয়ক চিন্তাটা চলতেই থাকলো।

সুপ্রভাই ফোন করলো আগে, এগারোটা বাজার একটু পরে। বললো, “দোস্ত, কেমন লাগলো?”
“বুঝলাম না।”
“মানে? তুই লেখাটা পড়িসনি?”
“পড়েছি। আচ্ছা, ব্যাপারটা কী?”
“শ্রেফ উপন্যাস। অবশ্য জীবন বৃত্তান্তও বলতে পারিস।”
“ফাজলামো রাখ। মানসীটা কে শুনি?”
“টোকনের প্রেমিকা। আমার উপন্যাসের খল নায়িকা।”
টোকন কিছু বলার মতো খুঁজে পেলো না। আর তাছাড়া সে এখন যাই বলবে সুপ্রভা সেটাকেই হেসে উড়িয়ে দেবে।
“শোনো, টোকন ঠাকুর। ‘মিষ্টার এন্ড মিসেস আই আর’ মুভিটা দেখেছো?”
“না।”
“গুড, তাহলে তোকে একটা প্রশ্ন করি। সিনেমায় অবশ্য নায়ক নায়িকাকে বলে। এক্ষেত্রে উল্টোটা। বলতো, পৃথিবীতে Smoothest sound কোনটা?”
“জানি না।”
“জানতাম তুই জানবি না। উত্তরটা হলো, শিশির ঝরার শব্দ। এখন তোকে আরেকটা শব্দ শোনাবো। মন দিয়ে শোন।”

এরপর খানিকক্ষণ টোকন টুপ টুপ শব্দ শুনলো। বৃষ্টি শেষ হয়ে যেমন টিনের চাল থেকে টিপ টিপ করে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ে, অনেকটা সেই রকম।

“বলতো কিসের শব্দ?”
“বলতে পারছি না।”
“রক্ত পড়ার শব্দ, বুঝলি। আমার হাত কেটে একটা নাম লিখেছি। সেই হাত থেকেই চুইয়ে চুইয়ে রক্ত ঝরছে। আমার বড় মামা কিন্তু ইংল্যান্ডে থাকে।”
“ফাজলামো বন্ধ কর।”
“এটা একটা বড় সমস্যা বুঝলি। আমি যাই বলি লোকজন তাই ফাজলামো মনে করে। এমনকি তুই, যে আমার এত কাছের বন্ধু, তুই পর্যন্ত অবিশ্বাস করছিস আমাকে। আমার কথাগুলো কি সত্যিই ফাজলামো মনে হচ্ছে?”
“উফ্ সুপ্রভা!”
“আচ্ছা ঠিক আছে। কিন্তু টোকন তুই কিছু একটা ভুলে যাচ্ছিস।”
“মনে হয় না।”
“না, তুই ভুলে যাচ্ছিস। আজ আমার জন্মদিন। আর তুই আমাকে এখনো উইশ করিসনি। তুই আরো যেটা ভুলে যাচ্ছিস সেটা হলো, আমার হাত দেখে তুই বলেছিলি, আমার মৃত্যু হবে আমার কোনও এক জন্মদিনে।”
“আমি হাত দেখতে জানি না।”
“আমিও তাই ভাবতাম। তবে আজ কেন যেন বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হচ্ছে।”
“মাফ কর ভাই।”
“না, মাফ করবো না। আমার সামনে পড়ে আছে কয়েকপাতা ঘুমের ওষুধ। আর আমি অপেক্ষা করে যাচ্ছি, আমার প্রিয়, খুব প্রিয় একজন মানুষের জন্যে। নিকট অতীতে যে এসে দেখতো আমি ছাদে দাঁড়িয়ে আর সে বলতো, ‘সুপ্রভা, নেমে আয়, কফি হাউজে যাই’। আমি জানি না আর কতক্ষণ অপেক্ষা করবো। চোখের পাতা ঝাপসা হয়ে আসছে।”

সুপ্রভার শেষ কথাগুলোর মধ্যে এমন কিছু একটা ছিল যে, টোকন নির্বাক হয়ে থাকলো। ফোনের লাইনটা কেটে গেল। সে কেমন যেন অস্থির হয়ে গেল। সে যেন দেখতে পেল, সুপ্রভা ছাদে দাঁড়িয়ে অপেক্ষারত, আর তার একহাত দিয়ে চুইয়ে চুইয়ে রক্ত পড়ছে।

সুপ্রভাকে কয়েকবার ফোন করার চেষ্টা করলো। কিন্তু ও প্রান্তে ফোন বন্ধ। কোন রকম কাপড়টা জড়িয়েই টোকন এক দৌড়ে বাইরে বেড়িয়ে এলো। বন্ধুদের কোন প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় এখন তার নেই। সে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো একটা রিক্সা কিংবা ক্যাবের জন্য।

হালকা বৃষ্টি পড়ছে। এরই মাঝে রিক্সা খুঁজতে খুঁজতে ভিজে গেছে টোকন। আর ওদিকে, ভিজে গেছে সুপ্রভাও। তার হাত থেকে এখন টকটকে লাল রক্ত ঝরছে না, ঝরছে পানি মেশানো রক্ত। সে অপেক্ষা করছে। অথচ তার দেরী হয়ে যাচ্ছে। ঝাপসা হয়ে আসছে দৃষ্টি।

..........................................................................................

অন্যান্য গল্প:
- কথপোকথন
- ভয়



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পবৃষ্টি স্নানসুপ্রভা ;
প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ভাইয়া কাদিয়ে দিলেন কেন আমাকে?
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: কাদানোর জন্য দুঃখিত কিন্তু ভাল লাগার জন্য আমারও ভাল লাগছে...

১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৪. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন...মুগ্ধতা কাটছেনা..মন খারাপও কাটছে না..অদ্ভুত এক সিচুয়েশনে ফেলে দিলেন ভাই...:)
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: জীবন যখন বৈচিত্রময়, মুগ্নতা সেখানে দারুন একটা অনুভূতি। ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

৫. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
সোনালীডানা বলেছেন: মাথাটা ঝিম ঝিম করছে:|
অদ্ভুত সুন্দর!!:)
রক্তক্ষরনটা যেন হৃদয়ে অনুভুত হচ্ছে:|:|
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: :| :| অনুভূতিটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: :( :( :(

৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: রান টোকন রান
রান ফর ইউর লাইফ
ফাস্টার ইউ ..... স্নব


অনেক ভাল লাগলো
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এতদিন কেন মন্তব্যের জবাব দিলাম না মনে করতে পারছি না।

৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
juddhobaaj বলেছেন: চমৎকার,ভাই।আরো আশা করছি।একটু খোঁজ রাখবেন।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: খুব তাড়াতাড়ি আরেকটা গল্প আসতেছে... লেখা হয়ে গেছে, টাইপ হয় নাই এখনো।

৯. ১৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২৫
ত্রাতুল বলেছেন: শুধু টাইপ করার কষ্টের জন্য বাকি গল্পগুলো পোষ্ট হবে না?
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: টাইপ তো করে দিলেন না! ২টা লেখা আছে!!

১০. ১৭ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:৩৬
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: চমৎকার রোমান্টিসিজিম ! আর সেই সাথে বৃষ্টি ।

শেষটা ট্র্যাজিক । তবে পাঠক হিসেবে আশা করবো , সুপ্রভার কাছে টোকন পৌছুবে এবং ওরা দুজন ভালো থাকিবে ।

শুভেচ্ছা , ফয়সাল রকি ।
১৭ ই মে, ২০১১ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ।

লেখাটা অনেক আগের, নতুন করে আবার লিখতে ইচ্ছা করে। যাই হোক সুপ্রভার কাছে টোকন পৌছুবে কি না তা আমিও জানি না।

১১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৫
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: মুখিয়ে ছিলাম এরকম গল্পের জন্য। অনেক ভাল লাগা রইল।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহী ফ্লোরা।

১২. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:১৬
অণুজীব বলেছেন: ভালো লাগা দিয়ে গেলাম :)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অণুজীব।

১৩. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৮
নুপুরের রিনিঝিনি বলেছেন: ওয়্যাও! এককথায় চমৎকার! ধন্যবাদ লিন্কের জন্য!! অনেক ভালো লাগলো!
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: :) :) পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯২৬০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Know thyself.
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ