আমার প্রিয় পোস্ট

Let the wind blow out the candles

কেন আমি বিশ্বাস করি (১)

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

শেয়ারঃ
0 1 0

বিশাল পোষ্ট, পড়ে কারো মাথা ধরলে আমি দায়ী থাকব না :D স্রষ্টার ওপর সবাই বিশ্বাস করে, আর আমিও করি, এটাই স্বাভাবিক। যারা সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস করে না তারা নিজেদের বেশ গর্ব করেই নাস্তিক বলে পরিচয় দেয়। সেই সব নাস্তিকদের অনেকেই এটাকে আলাদা একটা স্মার্টনেস ভাবে, তাদের হাব ভাব এ এটাই মনে হয়। যাই হোক নাস্তিক এবং আস্তিক সবাই এই লেখাটায় আমন্ত্রিত। :)
------------------
ব্লগে নাস্তিকদের পোষ্টগুলো দেখে যা মনে হয় এইসব নাস্তিক রা নিজেদের নাস্তিকতাকে একটা স্মার্টনেস ভাবে। কে কি ভাবে তা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই, কিন্তু মজার বিষয় দেখলাম যে এইসব নাস্তিকরা নিজেদের "লজিকাল" ভাবে। শুনে হাসব নাকি কাদব তা বুঝতে পারলাম না.. আরো হাসির বিষয় হল এরা বলে যে "বিশ্বাসের চেয়ে যুক্তি বড়"। তাই নাস্তিকদের কাছে আমি কেন আস্তিক এই নিয়ে কিছু যুক্তি দেখাব। তবে আমার মনে হয় বরাবর এর মতই এরা কমেন্টে যুক্তি দিয়ে অযৌক্তিক কথা বলবে :)

আমি কেন সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করি? এই কথায় যাওয়ার আগে "সৃষ্টি" নিয়ে কিছু কথা বলি।

অনেকেই মনে করেন মানুষ তার মেধা দিয়ে সবকিছুকেই জয় করতে পারে। প্রকৃতির ওপর অনেক আগেই আমরা তথাকথিত নিয়ন্ত্রণ এনেছি, তাই প্রকৃতির অংশ গুলো নিয়ে অনেকেই (বিশেষ করে নাস্তিকরো) চিন্তা করেন না।

আজকের মানব জাতি যা কিছু আবিষ্কার করেছে তার সবকিছুতেই প্রযুক্তির ছোয়া এবং সেই সব আবিষ্কারের অনেক কিছুই এমন যে দেখে হা করে তাকিয়ে থাকতে হয়। যেমন? কিছু উদাহরণ দেই। সবাই ব্যবহার করে- পেন ড্রাইভ (ফ্ল্যাশ মেমেরি) বা মেমরি কার্ড। ডাটা রাখার জন্য আশ্চর্য এক আবিষ্কার। মোটামুটি একটা মেমরি চিপের একটা সেল এর আয়তন হল 0.025 X 0.03 ঘন- মাইক্রোমিটার। এই অবস্থায় ১১৬.মেগাবাইট মেমরি রাখার জন্য আপনার দরকার হবে ৭৩৩০০০ ঘন-মাইক্রোমিটার জায়গা। কেন আমি ১১৬.৫ মে.বাইট বললাম তা বলছি একটু পরে।

এবার আসি স্রষ্টার কিছু সৃষ্টিতে। খুবই "সাধারণ" একটা উদ্ভিদ ধান নিয়েই চিন্তা করে দেখি। আমরা জানি যে জীবের সব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জীবদেহের প্রতিটি কোষে SAVE করা আছে। কোষের কোথায়? কোষের ভেতর নিউক্লিয়াস এ। নিউক্লিয়াসের ভেতর ক্রোমোজোমে এবং তার ভেতর ডি.এন.এ তে। জীবের বংশবৃধ্ধির সময় এই জীনের অনুলিপি (পরিবর্তিত হয়ে) নতুন প্রজন্মে সন্চারিত হয়।

তার মানে নতুন প্রজন্মের জন্ম দেবার সময় বাবা-মা (গাছ হোক আর প্রাণী-ই হোক) তার DATA এই ডি.এন.এ এর মাধ্যমে সন্তানদের মধ্যে স্থানান্তরিত করে।

এইবার এই ডি.এন.এ এর একটু অ্যানালাইসিস করি! :| ডি.এন.এ তে চার রকম নাইট্রোজেন বেস এর বিন্যাস দিয়ে এই "DATA" "লিখা" হয়। ধানের জীনে ৪৬৬ মিলিয়ন নাইট্রোজেন বেস আছে। আপনি যদি এই বেস নিয়ে অ্যানালাইসিস করেন তাহলে দেখবেন ১ মিলিয়ন বেস এ রাখা তথ্য ০.২৫ মে.বাইট এর সমান। তার মানে ৪৬৬ * ০.২৫ = ১৬৬.৫ মেগাবাইট ডাটা থাকতে পারে ধানের নিউক্লিয়াস এ. আর এই নিউক্লিয়াস এর সাইজ কত? মাত্র ৬৫.৪৫ মাইক্রোমিটার। যেখানে মানুষের "তৈরি" মেমরি কার্ডের আয়তন ৭৩৩০০০ ঘনমিটার।

তার মানে আপনার তৈরি করা প্রযুক্তির চেয়ে প্রকৃতির স্রষ্টি "ধান গাছ" ১১ হাজার গুণ জটিল (Compact)।

আর মানুষের নিউক্লিয়াসে রাখা যাবে ১.৬৬ গিগাবাইটা ডাটা যার মানে মানুষের নিউক্লিয়াস পেন-ড্রাইভ থেকে ১১ লাখ গুণ Compact। B-)

মেমরি কার্ড আপনার-আমার প্রযুক্তি। আর ডি.এন.এ ? মানুষ পেরেছে ডি.এন.এ তৈরি করতে? পারে নাই। সেই প্রযুক্তির ধারে কাছে যেতে মানুষের আরো কত শতাব্দি লাগবে তা সময়ই বলে দেবে, আর ততদিনে প্রকৃতির আরো কি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমরা জানবো আল্লাহ জানে! আমরা কিন্তু কয়েক বছর আগেও ডি.এন.এ নিয়ে এত কিছু জানতাম না, এবং ভবিষ্যতে আরো অনেক চমকপ্রদ তথ্য হয়ত জানব।

এইবার নাস্তিকেরা বলেন, কোন স্রষ্টাই যদি না থাকে, তাহলে এই ডি.এন.এ কোথা থেকে আসল? মানুষ তৈরি করেছে? না। পারবেও না। তাহলে?

স্রষ্টা কোথায় থাকে? তাকে দেখিনা কেন?

একটু সিম্পলি চিন্তা করে দেখেন। আমরা যা দেখি আসলেই কি তাই থাকে? রাতের আকাশে তাকিয়ে আমরা তারা দেখি। আসলে কি দেখি? যেই তারা (নক্ষত্র) আমরা দেখছি তা আজ থেকে (১-১ মিলিয়ন) বছর আগের আকাশের ছবি। সেই তারা আজ থেকে (১-১মিলিয়ন) বছর আগে যে আলো বিকিরণ করে গেছে তা আমরা এখন দেখি! আর তারা এখন যে আলো দিচ্ছে তা আপনি/আপনার বংশধর দেখবে আজ থেকে ১-১মিলিয়ন বছর পরে। এই মহাবিশ্ব নিজে থেকেই তৈরি হয়েছে? মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে এটা তো সবাই জানেন। আর এখন পর্যনত "আমরা" মহাবিশ্বের যতটুকু "দেখতে" পাই সেই সীমানা থেকে আলো পৃথিবী তে আসতে সময় লাগে ৯৩ বিলিয়ন বছর। আর আলো এক বছরে 10 trillion km অতিক্রম করে :| এবার গুণ দিয়ে দেখেন "দৃশ্যমান" মহাবিশ্ব কত বড়, আর অদ্শ্যমান অংশ তো আছেই।

এই মহাবিশ্বের প্রতিটা ছায়াপথ, নীহারিকা, নেবুলা যিনি নিয়ন্ত্রণ করেন, তিনি কি এই মহাবিশ্বের মধ্যেই আছেন? আমাদের জ্ঞান দিয়ে কি তার অস্তিত্ব/ক্ষমতা বুঝা সম্ভব?

না। Creator created all these from nothing (Big Bang). Creator is not within His creation.

মেমরি কার্ড যে তৈরি করে সে আপনাকে ম্যানুয়াল দেয়। স্রষ্টাও আপনাকে ম্যানুয়াল দেবেন কিভাবে চলতে হবে। এই জন্য তিনি Prophet পাঠান এবং ধর্মগ্রনথ (Holly Books) পাঠান, যাতে আমরা সেগুলো পড়ে শিখতে পারি। পবিত্র কুরআন এ আল্লাহ তা'আলা বলেন, এমন কোন জাতি নেই যেখানে তিনি Prophet পাঠান নি।

আপনি যার কাছ থেকে প্রোডাক্ট কিনেন সে আপনাকে আপডেট দেয়। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্রষ্টাও তার বিধান আপডেট করেন। আর সবচেটে আপ-ডেটেড, পরিপূর্ণ ধর্ম হল ইসলাম।

মেমরি চিপ, এবং এরকম সব কিছু মানুষের "আবিষ্কার"। সৃষ্টি না। মানুষ কি সিলিকন তৈরি করেছে? না। সে শুধু তার মেধা দিয়ে সৃষ্টি কে Modify করে। শক্তি কে পরিবর্তন, রূপান্তর করা যায়, কিন্তু নতুন শক্তি সৃষ্টি করা যায় না, তা সাইন্স ও মেনে নিয়েছে ।তাহলে এই সৃষ্টি গুলোকি আপনা থেকেই আসল? এখন আপনি (নাস্তিকেরা) কি যুক্তি দেখাবেন?

আমার লেখাগুলো পড়ে নাস্তিকেরা সব ভালো হয়ে যাবে, এই ভেবে আমি এইসব লিখি নাই। তাদের "বিশ্বাসের চেয়ে যুক্তি বড়" এই ধারণার জবাবে কিছু লিখলাম, কিছু যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করলাম। আপনি(নাস্তিক) মৃত্যুকে কিভাবে যুক্তি দিয়ে দেখাবেন? মৃত্যুই কি সব? NDE: clinically dead then comes back to life
Coma: clinically alive but has no consciousness for long time.
So scientifically we don't understand death! আপনার আধুনিক চিকিৎসা বিজ্জান ও হার মেনেছে মৃত্যুর কাছে। সায়েন্সের লিমিটেশন আছে। যুক্তি দিয়ে সবকিছু ব্যাখ্যা করা যায় না।

* এই লেখার অনেক Concept আমি আমার একজন প্রিয় স্যার এর লেকচার থেকেই নিয়েছি। আপনারা কেউ স্লাইড টি দেখতে আগ্রহী হলে আমি শেয়ার করতে পারি।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
ঘাসফুল বলেছেন: শুভ নববর্ষ মোবারক :)
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভ নববর্ষ :)

২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
নৈঃশব্দ্যের কোলাহল বলেছেন: ভাইয়া, আপনি দ্বিতীয় প্যারার শেষ অংশেই একটা প্রিকনসিভড আইডিয়া নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। অতএব আপনাকে কিছু বললে সেটাকে আপনি স্বীকার করবেন বলে মনে হচ্ছেনা।
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনি লিখুন, তারপর তো স্বীকার করার কথা আসবে! :)

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনারেও হ্যাপী নিউ ইয়ার :)

৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
মদন বলেছেন: "আমড়া কাঠের ঢেকি"

বানানটি ঠিক করে নিন...
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: জ্বী ভাই মডু রে মেইল করতাছি...

৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
মিলটন বলেছেন: হুম আসলেই জটিল বিষয়।
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: জটিল... :|

৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
অবাঞ্ছিত বলেছেন: ঘটনা অইত্যন্ত সিমপল...

এইরকম কমপ্লেক্স ধানগাছ ডিজাইন করেছেন যিনি, তিনি তাইলে কত কম্প্লেক্স?

আচ্ছা.. তো উনাকে কে বানাইলো?

অত কম্প্লেক্স একটা সত্তা যদি হাওয়া থেকে বাইর হইতে পারে .. (মানে আরেক স্রষ্টা ছাড়া আপনা থেকে আসতে পারে) .. তাইলে ধানগাছ হইতে দোষ কি?

আমাদের বর্তমান জ্ঞান দিয়ে সব বুঝা সম্ভব না.. সত্য .. তার মানে এই না যে মাউন্ট অলিম্পাসে জিউস আছেন.... এই ধারনাটা আরেক ধাপ কাটাইলে কিন্তু আর মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি করতে হয় না।
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: ধান গাছ তো ধান গাছ, এর থেকে কত কমপ্লেক্স জিনিষ আছে...

আমার লেখা টা মূলত সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে। আমি এটাই বুঝাতে চেয়েছি যে প্রকৃতির কমপ্লেক্সিটি এত বেশি আর পুরো সিস্টেম এর নিয়ন্ত্রণ এত জটিল যে কোন একক নিয়ন্ত্রণকারী ছাড়া এই সিস্টেম স্টেবল থাকা অসম্ভব।

আর এই নিয়ন্ত্রণকারী অবশ্যই আমাদের সৃষ্টির মধ্যে নেই। তার মানে স্রষ্টা আছেন এবং তিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন, আমার লেখাটা এই কনসেপ্ট এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০২
অবাঞ্ছিত বলেছেন: প্রশ্ন কিন্তু আমারও একই... আপনি যে প্রশ্ন করেছেন আমিও একই প্রশ্ন করছি একক নিয়ন্ত্রনকারীর অস্তিত্ব নিয়ে।

যেটা বিশ্বাসীরা অ্যাভয়েড করে যায় সীমাবদ্ধতার দোহাই দিয়ে... " আমাদের সৃষ্টির মধ্যে অবশ্যই নেই" এইটা ডিডাকটিভ রিজনিং এর মধ্যে পড়েনি..

ধরে নেন যে একক নিয়ন্ত্রনকারী ছাড়াই এই সিস্টেম স্টেবল থাকা সম্ভব.... সেই প্রক্রিয়াটা আমাদের জ্ঞানের বাইরে আপাতত... একই ব্যাখ্যা... খালি এক্সট্রা একটা এলিমেন্ট লাগতেছে না।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: আমি কেন ধরে নেব যে নিয়ন্ত্রণকারী ছাড়া সিস্টেম স্টেবল থাকবে??

আমি আমার লেখায় যুক্তি দিয়েছি যে নিয়ন্ত্রণকারী ছাড়া এই সিস্টেম টিকে থাকা অসম্ভব। আর নিয়ন্ত্রণকারী কেন "একক" এই নিয়ে কিছুদিনের মধ্যে লিখব।

আপনি যে বলছেন নিয়ন্ত্রণকারী নেই, তার পক্ষে যুক্তি কি?

৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
অবাঞ্ছিত বলেছেন: ধরে নেওয়ার কাজটা ভাই আপনি করছেন... বিশ্বাসের সংজ্ঞা কি?

আপনি কেন ধরে নিচ্ছেন যে এক কম্প্লিকেটেড স্ট্রাকচার নিয়ন্ত্রন করার জন্য রয়েছে এক "সুপার কম্প্লিকেটেড বিয়িং" যিনি কৈত্থেকে আসলো, কিভাবে নিজে "স্টেবল" থাকে তার কোন ব্যাখ্যা আপনার কাছে নেই। আমি যদি বলি আরেক নিয়ন্ত্রনকারী ছাড়া সেই স্রষ্টারও স্টেবল থাকা সম্ভব না সেক্ষেত্রে যদি আপনার সকল যুক্তি (স্রষ্টা জ্ঞানের বাইরের টা বাদে) মেনে নেই। তখন আপনি আনবেন স্রষ্টা জ্ঞানের বাইরে যুক্তি, যেইটা কোনো যুক্তিই না, বরং বিশ্বাস... যার বিপরীতে কোন যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করাটাও হাস্যকর। আমার প্রস্তাব ছিল যে আপনি যদি এই একই বিশ্বাস (ধরে নেওয়া) জগতের উপরে লাগান , যে জগতের রহস্য আমাদের বর্তমান জ্ঞানের বাইরে,তাইলে কিন্তু আপনারই লজিক থাকলো, কিন্তু স্রষ্টাকে আর লাগলো না...



যুক্তি দিয়েছেন কিন্ত বৃত্তাকার যুক্তিতে আবদ্ধ সে যু্ক্তি... স্রষ্টার উত্স সম্পর্কে কোন উত্তর দিতে অপারগ আপনি... তবু আপনি জোর করবেন যে উনি আছেন... একগুঁয়ে নাস্তিকদের সাথে গুনগত তফাত কই আপনার?


আপনি যেই কারনে ধরে নিচ্ছেন যে এক অসীম আছেন আমাদের জ্ঞানের বাইরে, সেকারনেই ধরে নিতে বলেছিলাম..


না ধরতে চাইলে সাধুবাদ... কিছুই ধরে নেওয়ার দরকার নেই... জিউস ও না , থর ও না.. উদ্ভট মনগড়া সত্তার গল্প তৈরি না করে স্বীকার করে নেই যে সব কেন'র উত্তর আমাদের কাছে নেই। রূপকথা না পড়ে অংশ নেই বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে..

ধন্যবাদ.. বুঝলে এ থেকেই বুঝতেন... না বুঝলে আর সময় নষ্ট করে লাভ নাই, জীবনেও বুঝবেন না....

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: স্রষ্টার উতস নিয়ে কোন কথা আসতেছে না। আমার লিখাটা আমাদের স্রষ্টাকে নিয়ে। বারবার স্রষ্টার উতসের কথা নিয়ে অহেতুক আপনি পানি ঘোলা করতেছেন।

আপনার মন্তব্য গুলো পুরোপুরি গোয়ারগোবিন্দ একগুয়ে নাস্তিকদের মত। কোন প্রমাণ/যুক্তিতর্কের ধারেকাছে না গিয়ে বারবার একই পেচাল পেরে যাচ্ছেন। আর আপনার ভাষাও অপষ্ট।

সিস্টেমের স্টেবিলিটি নিয়ে আমার বক্তব্য হল, অটোমেটিক সিস্টেম বলে কিছু নেই। যে সিস্টেম আপাতদৃষ্টিতে সয়ংক্রিয় মনে হয় তাও আগে প্রোগ্রাম করা হয়। সিস্টেমের প্রোগ্রামিং এর সৃষ্টিকর্তাই করে দিয়ে থাকেন।

আশা করি এরপরের মন্তব্য গুলোতে পরিষ্কার বক্তব্য দিবেন। আর অফ-টপিক মন্তব্য দিয়ে ব্যান্ডউইথ নষ্ট না করাই বেটার।

৯. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৩
রুশাফি বলেছেন: ধরে নেয়ার আসলেই কিছু নেই, আর কেউ ধরে নিলেও সেটা কারো ব্যক্তিগত ব্যপার মাত্র। তবে সৃষ্টিকর্তা আছেন এটা যদি ধরে নেয়া না হয় তাহলে তিনি যে নেই সেটা ধরে নেয়ারও কোন মানে নেই।

আমার কথার বাকি অংশটুকু বলার আগে আমি বলে নেই আমি আসলে কি বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর উপর। অর্থাৎ আমার বিশ্বাস সৃষ্টিকর্তা যে আছেন শুধু সেটাই নয় বরং আল্লাহ তাআলাই যে সৃষ্টিকর্তা সেটাও। সোজা বাংলায় আমি একজন মুসলমান।

যাই হোক আমি যেটা বিশ্বাস করি সেটা আমি কাউকে বিশ্বাস করে নিতে বলছি না। এটা হয়তো ঠিক যে সৃষ্টিকর্তা থাকতেই হবে অথবা না থাকলেও চলবে সেরকম কোন ম্যাথমেটিকাল প্রমান নেই। তবে একটা ইনডিরেক্ট প্রমান আছে। সেটা হল কোরআন শরীফ। আমি যা বলতে চাচ্ছি সেটা খুবই সোজাসাপ্টা। ইসলাম ধর্ম অনুসারে কোরআন আল্লাহর নাজিল করা সর্বশেষ আসমানী কিতাব যা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক। তাই যদি হয় তাহলে আল্লাহ অবশ্যই আছেন। আর তা না হতে পারে একভাবেই - যদি কোরআন মানুষ কর্তৃক লিখিত কোন গ্রন্থ হয়। তাহলে এ পর্যায়ে এসে অবিশ্বাসীদের কাজটা বেশ সহজ হয়ে গেল। সেটা হচ্ছে এরকম কিছু যুক্তি দেখানো যা অকাট্যভাবে প্রমান করবে কোরআন মানুষ কর্তৃক রচিত।

আমি আপাতত এর বেশি কিছু বলতে চাইনা। সম্ভবত যারা এখানে কমেন্ট করেছেন তারা সবাই বাই বর্ন মুসলিম (বিশ্বাস থাকুক বা না থাকুক)। সেটা যদি হয় তারা সকলেই জানেন কোরআন কি এবং কিভাবে নাজিল হয়েছে। সেক্ষেত্রে তারা কিছু বলতে চাইলে আমি শোনার অপেক্ষায় থাকলাম।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া

১০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
অবাঞ্ছিত বলেছেন: অফ টপিক কিরে ভাই... আপনার প্রশ্নটাই আপনারে করসিলাম.. আপনার কাছে যে উত্তর নাই সেইটা জেনেই করসিলাম... উত্তর থাকলে দুনিয়ায় কেউ সন্দিহান হইত না.. আপনিই উত্তর না দিয়ে হুদা প‌্যাঁচাইতেসেন... ব্যাপার না .. টেনশন নিয়েন না.. নিজের বিশ্বাস নিয়ে শান্তিতে ঘুমান...





এইখানে তো আমি যুক্তি-তর্ক দিতে আসি নাই... আমি আসছি পড়তে, পরলাম, পড়ে আপনার বক্তব্যের সীমাবদ্ধতা পয়েন্ট আউট করলাম মাত্র। যেহেতু বুঝেন নাই, শেষ চেষ্টা করি পরিষ্কার করে বলার... (জানি তাও লাভ নাই)


১) আপনার বক্তব্য হচ্ছে যে স্রষ্টা ছাড়া দুনিয়া স্টেবল থাকা সম্ভব না.. সেই জন্যেই স্রষ্টা লাগবে.. তাই তো?

প্রশ্ন : স্রষ্টা কোত্থেকে আসলেন?

আপনার উত্তর হবে - "কোথাও থেকে আসেন নাই, উনি তো এমনি এমনি ছিলেন, মহা ক্ষমতা নিয়ে বসে আছেন..."

প্রশ্ন: এমন কম্প্লেক্স দুনিয়া বানাইতে কি আরো কম্প্লেক্স সত্তা হওয়া উচিত না?

আপনার উত্তর - লজিকালি হইলে হবে "নিশ্চই".. নাইলে হবে "তা কেন হবে... " দ্বিতীয়টা হইলে আমার কিছু বলার নাই... প্রথমটা হইলে বলার আছে..

প্রশ্ন: তাইলে উনার মতন একটা অপেক্ষাকৃত কম্প্লেক্সতর সত্তা কৈথেকে আসল?

আপনার সম্ভাব্য উত্তর - (প‌্যাঁচ গোজ লাগানো কিছু একটা হবে... যার মর্মার্থ - "আমরা তো তাঁর সিস্টেমের বাইরে.. আমরা কেমনে বুঝব?)


প্রশ্ন: বুঝলেন কেমনে উনি আমাদের সিস্টেমের বাইরে?

আপনার উত্তর - ? হওয়া উচিত ঈমানের বলে.. আর- "দেখা যায় না বলে"/ "মৌলবী সার বলছেন" / "আরে এইটা তো কমন সেন্স" হইলে আপনি সিম্পলি কনফিউজড... আপনি বিশ্বাস আর যুক্তি কে গুলিয়ে ফেলছেন....

কমেন্ট : (প্রমান নাই যেহেতু, সেহেতু সত্য হওয়ার ৫০/৫০ চান্স... এখন প্রমান করার দায়িত্ব হল যে আজগুবি ক্লেইম করবে তার... (রেফার টু বার্টেন্ড রাসেল'স টী পট, ইনভিজিবল পিঙক ইউনিকর্ন..... এন্ড দ্যা ফ্লাইং স্প‌্যাগেত্তি মন্সটার... গুগল আপনার বন্ধু হতে পারে)... প্রমান না করা পর্যন্ত দুইটাই আন্দাজ... এমন ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত নিরাপদ অবস্থান হবে "আমি জানি না"। আমি "নিশ্চিত" বলা দুই পক্ষই (আস্তিক ও নাস্তিকেরা) সমান গোঁয়ার।)


প্রশ্ন: আপনি ধরে নিচ্ছেন যে উনি নিজে নিজেই আছেন কিন্তু আমরা বুঝিনা কেমনে। ঠিক?

সম্ভাব্য উত্তর- ধরে নিব কেন, আমি জানি... বুঝে নিলাম আরকি... (অন্য কথায়, ঠিক)।


প্রশ্ন: তাইলে কেন ধরছেন না যে মহাবিশ্ব এমনি এমনিই চলছে, কিন্তু আমরা এখনো বুঝিনা কেমনে... যেমন আমরা আজকে জানা অনেক কিছুই বুঝতাম না ১০০ বছর আগেও?

উত্তর - তা কেন ধরব? তাইলে কেমনে চলছে?


প্রশ্ন: তা তো ভাই আমি জানি না কেমনে চলছে... যেমন আপনি জানেন না স্রষ্টা কেমনে চলছে.... আমরা দুইজনেই এই প্রশ্নের উত্তর জানি না...

(কমেন্ট: প্রাচীন কালে ধারনা করা হত পৃথিবী দাঁড়িয়ে আছে চারটা হাতির ঘাড়ে... সেই হাতি আবার দাঁড়িয়ে আছে একটা বৃহত কাছিমের উপরে.... পৃথিবীকে তো কিছুর উপরে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে? নাইলে পড়ে যাবে না ! ... কিন্তু কাছিম কিসের উপরে তা কেউ জানতো না... কেউ মনে হয় জিজ্ঞেস ও করতো না.. )

আপনার ব্যাখ্যায় এই উদাহরনের সমতুল্য একটা উপকরণ আছে ... সেটা কি বুঝতে পারছেন?


উত্তর - "আপনি অফটপিক করতেসেন... হুদা প‌্যাঁচান কেন! পানি এত ঘোলা করেন কেন.. এত প্রশ্নের উত্তর দিতে পারুম না.. "





জ্বী ... ভালো থাকবেন :)


০৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: তালগাছ আপনার /:)

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: স্লাইডটা পেয়েছি। আপলোড করে লিংক দেব। পড়ার জন্য ধন্যবাদ অসংখ্য।

০৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: ভাই লিংকটা আছে এখানে - Click This Link

১৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
আকাশ_পাগলা বলেছেন: দারুন লিখেছেন।
পাওয়ারফুল নাস্তিকদের কমেন্ট দেখতেছি না কেন ??
তেনারা কী বলে শুনার জন্য উদ্গ্রীব।


থাক, ওরা না পড়লে নাই। অকারণে গালি গাওয়া থেকে বেঁচে গেলেন।

শুভ কামনা রইল।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ.......

এসব নিয়ে নতুন লেখালেখি আর দেব না। উলুবনে মুক্তো ছড়িয়ে আর কি লাভ বলেন!

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস বস :)

১৫. ০৭ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
শওকত বলেছেন: দারুন লিখেছেন।
পাওয়ারফুল নাস্তিকদের কমেন্ট দেখতেছি না কেন ??
তেনারা কী বলে শুনার জন্য উদ্গ্রীব।


থাক, ওরা না পড়লে নাই। অকারণে গালি গাওয়া থেকে বেঁচে গেলেন।

শুভ কামনা রইল।
০৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: এটা আমার প্রথম দিকের লেখা। সেসময় পোস্ট ফ্রন্টপেইজে আসতো না। সেকারণে হয়তো অনেকর চোখে পড়েনি।

ধন্যবাদ সময় নিয়ে পড়ে সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য। :)

১৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: কয়দিন আগে আমি একটা পোস্ট দিয়ে নাস্তিকদের কঠিন জেরার মুখে পড়েছিলাম।আমি আস্তিক-নাস্তিক দুই দলের দোষের কথাই বলেছি।আর আমি পোস্টটা দিয়েছিলাম বিতর্ক কমাতে।কারণ নাস্তিকদের বিতর্কে আহবান করা মানে তারাতো বুঝবেই না বরং আল্লাহ আর নবীদের অপমান।সময় পেলে পড়ে দেখুনঃ
Click This Link
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: দেখছি পড়ে :)

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: থেংকুস! এই মুঘল আমলের পোস্ট টারে পাইলা ক্যামতে? :P

১৮. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ২:২২
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: আজকে আমি আপনার পোষ্ট পড়া শুরু করছি। প্রথম থেকে সব গুলা পড়ব! এমতে এমতে পাইয়া গেলাম! ;)
১৯. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৫
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ইয়ে, কয় কি! :`> :`> :``>> :``>> :``>>

আমার বেশিরভাগ পোস্টই ফালতু, বিশেষ করে আগের আমলের গুলা :( কষ্ট করে পড়ার দরকার আছে মনে হয়না :(

আবারো অনেক থেংকু!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪০৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনুমতি ছাড়া লেখালেখির কোন অংশ
অন্যত্র প্রকাশ করা যাবে না।


choturmatrik.com/blogs/অন্যসময়
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ