আমার প্রিয় পোস্ট
- ফেইসবুকের খেরোখাতা - সবুজ অঙ্গন
- ব্লগীয় কবিতা সমগ্র - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- মেয়েদের কথা; লজ্জা পুরুষের ভূষণ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- এক নবীন লেখকের প্রথম বই ছাপা হবার 'সকরুণ' ইতিহাস : খ্যাতির লাগিয়া :: পর্ব-১ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- এ গানের কোন শিরোনাম পেলাম না মনের মত, শিরোনামহীন। - মেহবুবা
- ধাঁধাপাগলাদের জন্য পোস্ট - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- আবার কিছু কিছু পাঁচ মিশালি জোকস >>>কমন পড়লে/রিপোষ্ট হইলে আমি সরি - মাতবার
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- কিছু প্রিয় গান.......
- নাআমি
- গান, ভিডিও ও ছবির উপর আমার পোস্টগুলো একত্র করলাম - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- পারটিক্যাল ই্ল্যুসন ( Particle Ilusion) ভিসুাল এফেক্ট : - সবুজ১
- যে কবিতা পুরোনো হয়না-পর্ব ২ - কথক পলাশ
- টেকনিক্যাল হেল্প চাই। পোস্টে ভিডিও যোগ করবো কীভাবে? - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- আরও কিছু কমন কৌতুক ( কঠিনভাবে ১৮+) - আমি তুমি আমরা
- ক্লিওপেট্রাঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এক নারী - এম. রহমান
- ঢাকা কলেজের কথা - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ছড়ার খেলা; ইচ্ছে হলেই এখানে একটা ছড়া লিখে ফেলুন


- সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- আমার সবগুলো কবিতার লিংক একত্রে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- বহুল পঠিত কৌতুক , তারপরও যতবার পড়ি ততবার হাসি আসে - বিলাল
- প্রিয় প্রেমের কবিতারা...প্রথম কিস্তি - বাবর মোহাম্মদ
- ভারতবর্ষের হারিয়ে যাওয়া ৬ টি নগরী এবং সাম্রাজ্য........ছবিসহ - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
ভূমিকা - এ আর্টিকেলটি কারা পড়বেন?
এ আর্টিকেলটি শুধু তাঁদের জন্য, যাঁরা লেখালেখি করেন, এবং বই প্রকাশ করতে আগ্রহী, কিন্তু কীভাবে এ কাজটি করতে হবে সে ব্যাপারে কোনো ধারণা রাখেন না। তাঁদের জন্য কিছু টিপস।
এ আর্টিকেলটি পড়ে নবীন লেখকলেখিকাগণ যেমন উপকৃত হবেন, প্রকাশকগণও চোখের আড়ালে পড়ে থাকা অনেক প্রতিভার সন্ধান পেয়ে আনন্দিত হবেন বলে ধারণা করছি। এতে নবীন লেখকদের সাথে প্রকাশকদের একটা সেতু বন্ধন গড়ে উঠবে।
এ আর্টিকেলটি আমার অভিজ্ঞতার ফসল। অনেকের পক্ষেই এটা পড়ে সবকিছু বুঝে ওঠা সম্ভব না। আরো কিছু জানতে চাইলে মন্তব্যের ঘরে প্রশ্ন করুন, অথবা মেইল করুন এই ই-মেইলে :
প্রথম অধ্যায়
বই ছাপতে গেলে মোটামুটি সাতটি প্রধান ধাপের মধ্য দিয়ে এগোতে হয়, যেমন :
ক। প্রচ্ছদ
খ। কম্পোজ বা টাইপ করা ও ট্রেসিং বের করা
গ। পেস্টিং, প্লেট ও মেকিং
ঘ। কাগজ
ঙ। ছাপা
চ। বই বাঁধাই
ছ। বই বাজারজাত করণ। এটিই হলো প্রধান ধাপ
কতোগুলো বই ছাপবেন? এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যা সর্বাগ্রে ঠিক করে নিতে হবে। নবীন লেখক হিসেবে আমার পরামর্শ ২০০-৩০০ বই ছাপুন। বই বিক্রির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকলে ৫০০ কপি পর্যন্ত ছাপতে পারেন।
১। প্রচ্ছদ।
নিজে আঁকতে পারেন, বা কোনো নামিদামি শিল্পীকে দিয়ে আঁকাতে পারেন। শৌখিন কোনো বন্ধুকে দিয়েও এ-কাজটি করানো যেতে পারে। যে কোনো লেখকের প্রথম পছন্দ বর্তমানে ধ্রুব এষ, সচরাচর হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী তিনি। তসলিমা নাসরিনের ক-এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন কাইয়ুম চৌধুরী। বিখ্যাত শিল্পীরা দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন, এমনকি এর চেয়েও বেশি। কম খরচে করতে চাইলে শিক্ষা-নবিশদের খোঁজ করুন, যাঁরা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় টুকিটাকি কাজ করছেন। তাঁদের প্রচ্ছদ দেখে আপনি সন্তুষ্ট হলে তাঁদেরকেও সন্তুষ্ট করে দিন। কারো সন্ধান না পেলে আপনার প্রকাশককে বলুন, তিনি মুহূর্তের মধ্যে অনেক রেডিমেড প্রচ্ছদ কিংবা পরিচিত শিল্পীর খোঁজ দিতে পারবেন। প্রচ্ছদ হওয়ার পর এটি প্রকাশকের নিকট হস্তান্তর করুন। পজিটিভ বের করার জন্য এটিকে এবার কম্পিউটারে নিতে হবে। দশ ফর্মা সাইজের তিনশত কপি প্রচ্ছদের কম্পিউটার গ্রাফিক্স সহ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ পড়বে। এই খরচ কিন্তু প্রচ্ছদশিল্পীর পারিশ্রমিকের অতিরিক্ত, যা গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে দিতে হয়।
২। কম্পোজ বা টাইপ করা।
আপনার পুরো পাণ্ডুলিপি প্রকাশকের কাছে দেয়ার পর মনোনীত হলে তিনি ওটা কম্পোজ করতে দিয়ে দিবেন। ১৬ পৃষ্ঠা বা প্রচলিত কথায় ৮ পাতায় এক ফর্মা। প্রতি ফর্মা টাইপিং সহ ট্রেসিং বের করতে বর্তমান বাজারদর গড়ে তিনশত টাকা; প্রুফ চেকিং হবে দু বার। আপনি নিজে টাইপ করতে পারলে এ খরচটি বেঁচে যাবে। সেক্ষেত্রে বই ছাপবার জন্য আপনাকে পেইজ সেট-আপ করে নিতে হবে।
পেইজ সেট-আপ। ফাইল মেনুতে যান> পেইজ সেট-আপ> পেপার সাইজ> ১১ বাই ৮.৫ সিলেক্ট করুন। ওরিয়েন্টেশন দিন ল্যান্ডস্কেপ। মার্জিনে যান। টপ .৮ এবং বটম .৮। লেফট ও রাইট উভয়ই .৭। গাটার ০, ফ্রম এজ .৫ করে। ব্যস, পেইজ সেট-আপ হয়ে গেলো। এবার টেক্সটে আসুন। তারপর চলুন ফরম্যাট মেনুতে। যান কলামে। নাম্বার অফ কলাম সিলেক্ট করুন ২ (দুই)। উইড্থ এন্ড স্পেসিং-এ যান। উইড্থ হবে ৪.০০ এবং স্পেসিং হবে ১.৬। এরপর যান ট্যাব সেটিং-এ। ডিফল্ট ট্যাব স্টপস দিন .২। এভাবে সেটিং সম্পন্ন করার পর যা হলো তাতে বইয়ের পাতার মাপ হবে উচ্চতা ৮.৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ৫.৫ ইঞ্চি। কিন্তু যে-অংশটুকুতে লেখা উঠবে (একে ম্যাটারিয়াল বা ম্যাটার বলে) তার মাপ হবে ৭ ইঞ্চি বাই ৪.০০ ইঞ্চি। এরপর টাইপের জন্য ফন্ট নির্বাচন। সব ফন্টেই সুন্দর ছাপা ওঠে না। বর্তমানে বেশিরভাগ টাইপিস্ট সুটুনি এমজে-তে টাইপ করেন। যেসব পিসি থেকে ট্রেসিং বের করা হয়, ওগুলোতে সুটুনি এমজে-তেই কোনোরূপ ঝামেলা ছাড়া কাজ করা যায়। আদর্শলিপি এক্সপ্যান্ডেড (স্কেল ৭৫ পার্সেন্ট)-এও ভালো ছাপা হয়। আপনি নিজে টাইপ করে ট্রেসিং বের করার জন্য বাংলাবাজারে আসুন, আপনার প্রকাশকের মাধ্যমে ট্রেসিং বের করুন। নিজেও করতে পারেন। ভালো ট্রেসিং পেপারে এক ফর্মা প্রিন্ট করতে ৮০ থেকে ১২০ টাকা লাগবে। মনে রাখবেন, এটি হতে হবে মিরর প্রিন্ট।
৩। পেস্টিং, প্লেট ও মেকিং।
প্রতি ফর্মা পেস্টিং বাবদ ৩০ থেকে ৬০ টাকা। শুরুতেই প্রকাশকের সাথে চুক্তি করতে হবে আপনি কী ধরনের প্লেট ব্যবহা করবেন। মোটামুটি মানের নতুন (পিএস) প্লেটের দাম মেকিং সহ ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা। ডিপিএস (একবার ব্যবহৃত) প্লেটের দাম এর অর্ধেক। তবে আপনি পিএস নাকি ডিপিএস প্লেটে বই ছাপবেন তা আগেই প্রকাশকের সাথে কথা বলে ঠিক করে নিন। পিএস প্লেটে ছাপা হয় খুব পরিষ্কার ও কোনোরূপ দাগ বা কালো ফোটামুক্ত; ডিপিএস প্লেটে কালো কালো ছোটো বিন্দু পড়ে কাগজের উপর, এতে ছাপা ঝকঝকে দেখায় না। অনকে দামি প্লেটও আছে। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের প্রকাশক জয়নাল আবেদীন জুয়েল সাহেবের কাছে ২০ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে তাঁর প্রকাশনীতে পেস্টিং বাবদ ফর্মা প্রতি ৫০ টাকা এবং প্লেট ফর্মা প্রতি ২৭০ টাকা হিসাবে নেয়া হয়।
৪। কাগজ।
ধরুন বইটি পাঁচ ফর্মা সাইজের। এক রিমে ১০০০ তা (ডাবল ডিম ৫০০ তা-য় এক রিম, যা সিংগেল ডিম-এ ১০০০ তা হয়)। ১০০০ তা-কে ৫ ফর্মা দিয়ে ভাগ করুন। ভাগফল ২০০। অর্থাৎ, ১ রিম কাগজে ৫ ফর্মা সাইজের ২০০ কপি বই হয়। ৫৫, ৬০/৬১, ৬৫, ৭০, ৮০, ১২০ গ্রাম, ইত্যাদি ওজনের কাগজ পাওয়া যায় বই ছাপবার জন্য। তবে বেশিরভাগ বই ছাপা হয় ৭০ গ্রাম ওজনের কাগজে, এরপর ৮০ গ্রাম। ১২০ গ্রাম ওজনের কাগজের বই খুব কম দেখা যায়। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের প্রকাশক জয়নাল আবেদীন জুয়েল সাহেবের কাছে ২০ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে বর্তমানে ভালো মানের ৮০ গ্রাম ওজনের কাগজ ২৬০০ টাকার ওপরে; ৭০ গ্রাম ওজনের কাগজ ২১০০-২৫০০ টাকা রিম। আপনার বই ছাপতে যে পরিমাণ কাগজ লাগবে, তার চেয়ে প্রতি পাঁচ রিমের জন্য অতিরিক্ত হাফ থেকে এক রিম কাগজ বেশি কিনতে হবে; কারণ, ছাপাখানায় প্রচুর কাগজ নষ্ট হয়ে যায়।
৫। ছাপা।
প্রতি ফর্মা ছাপাখরচ ২০০-৪০০ টাকা, একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক বই পর্যন্ত। তারপর বাড়বে। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের প্রকাশক জয়নাল আবেদীন জুয়েল সাহেবের কাছে ২০ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে তাঁর প্রকাশনীতে বর্তমানে ২৫০ টাকা হারে ছাপাখরচ নেয়া হয়ে থাকে।
৬। বাঁধাই।
ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের প্রকাশক জয়নাল আবেদীন জুয়েল সাহেবের কাছে ২০ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে তাঁর প্রকাশনীতে ৫ ফর্মা সাইজের জন্য ১১-১২ টাকা এবং ১০ ফর্মা সাইজের জন্য ১৩-১৪ টাকা দরে প্রতিটি বই বাঁধাই করা হয়ে থাকে। উৎকৃষ্ট বাঁধাইয়ের জন্য বই-প্রতি ১৫ টাকার উপরে খরচ পড়ে। সাধারণ মানের ছোট বইয়ের ক্ষেত্রে পাঁচ-সাত টাকায় হয়ে যায়। তবে সবকিছুই আপনাকে আগেভাগে ঠিক করে নিতে হবে।
৭। বই বাজারজাত করণ।
আপনি নতুন লেখক হয়ে থাকলে আমার পরামর্শ হলো সমস্ত বই আপনি আপনার নিজের কাছে নিয়ে যান। হ্যাঁ, শুরুতেই আপনি চুক্তি করুন, সমস্ত বই আপনাকে একদিনেই সরবরাহ করতে হবে। মনে রাখবেন, নবীন লেখক কখনো বই বিক্রির টাকা নিজের পকেটে নিতে পারেন না। পনর হাজার টাকায় বই ছাপলে আপনাকে ধরে নিতে হবে সতর হাজার টাকাই আপনি জলে ফেলে দিচ্ছেন
অতিরিক্ত দুই হাজার হলো আকিকা ও আনুষঙ্গিক খরচ; একজনকে বই হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতে হবে আমার এই বইটি পড়ে শেষ করতে পারলে তোমাকে একশ, দুইশ, হাজার টাকা পুরস্কার দিব, তবেই না কেউ আপনার বই পড়বে। অবশ্যই ব্যতিক্রম আছে, তা হতে পারে আপনার ক্ষেত্রেও। এবার বইগুলো নিজের কাছে নেয়ার পর, বন্ধুদের মাঝে বিনা মূল্যে বা ন্যায্য মূল্যে কিংবা চড়াদামে বিক্রি করুন (যেহেতু আপনি এতো কষ্ট করে লিখেছেন)। পত্রপত্রিকার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করুন। সৌজন্য সংখ্যা পাঠান। দশজনকে দশটা বই পাঠালে হয়তো তিনচার জনে প্রতিক্রিয়া জানাবে। তিনজন খুব প্রশংসা করে চিঠি লিখবে। সেই প্রশংসায় অনুপ্রাণিত হয়ে হয়তো আরেকটা বই সত্বর লিখে ফেলবেন, এমন সময় দেখবেন যার একটুখানি প্রশংসার জন্য আপনি অধীর আগ্রহে দিন গুনছিলেন, তাঁর একটা চিঠি পেলেন- এটা কোনো বই-ই হয় নি, এতো বিরক্তিকর। যে কোনো লেখকের জন্য এই ধাক্কাটা হলো দুঃসহনীয়। এটা কাটিয়ে ওঠাই হলো বুদ্ধিমানের কাজ। অনেকেই এই এতোটুকু আঘাতে ভর্তা হয়ে যান, আর কোনো লেখাই লিখতে পারেন না। এটা আপনার জন্য সতর্ক বাণী- আপনার লেখা সবাই খাবেন না; যাঁরা খান না তাঁদের খাওয়ানোর জন্য জোর করবেন না; যাঁরা খাচ্ছেন ভেবে নিন তাঁরাই আপনার প্রকৃত বন্ধু; তাঁরা আপনার লেখার মান সম্বন্ধে সম্যক অবহিত আছেন, তারপরও আপনাকে উৎসাহিত করবার জন্য অতোটুকু প্রশংসা করে থাকেন। তাঁদেরকে শ্রদ্ধা করুন। লিখুন। লিখুন। লিখুন।
সারাংশ
সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, প্রকাশক মহোদয়কে সবিনয়ে অনুরোধ করুন আপনার ৩০০ বই আপনাকে একদিনেই সরবরাহ করবার জন্য। ঢাকায় একুশে বইমেলায় লেখকদের বই কিন্তু নিজস্ব প্রকাশক ছাড়া অন্য প্রকাশকের স্টলে রাখা নিষিদ্ধ। বইমেলার বাইরে বাজারের স্টলগুলোতে আপনি বই নিয়ে তাঁদের কাছে অফার করে আশাহত হবেন- তাঁরা নিতে চাইবেন না, বলবেন- জায়গা নেই। আপনার সমস্ত বইয়ের খরচ বাবদ পুরো টাকা একবারই প্রকাশকের হাতে দিয়ে দিতে হবে, বই ছাপাবার আগে। টানাটানি থাকলে এ টাকা ধাপে ধাপে দিতে পারেন; প্রকাশককে এ ব্যাপারে অনুরোধ করতে পারেন। সাধারণত সবগুলো বই একবার ছাপা হলেও সবগুলো একসাথে বাঁধাই করা হয় না। বই ধীরে ধীরে বিক্রি হয়, আর নতুন করে বাঁধাই করা হয়। আর এতোসব চুক্তি সম্ভব হবে তখনই যখন আপনি কোনো ছোটোখাট প্রকাশকের সাথে এ কাজ করবেন। বড় বড় প্রকাশকগণের সাথে এহেন হাঙ্গামা করতে পারবেন না। আপনার পাণ্ডুলিপি ভালো হলে বড় প্রকাশকগণ বই ছাপতে রাজি হবেন সম্পূর্ণ বিনা পয়সায়; শুধু একটাই শর্ত হয়তো তাঁরা দেবেন যে প্রকাশিতব্য বইটির ৮০% বই আপনাকে কিনে নিতে হবে![]()
![]()
বই ছাপতে খরচের খতিয়ান, এবং আমার বইয়ের বিজ্ঞাপন![]()
![]()
![]()
সবগুলো হিসাব সম্পূর্ণ মনে নেই। তবে কাছাকাছি হিসাবগুলো নিম্নরূপ:
২০০৩ সনে আমির প্রকাশন থেকে ৯ ফর্মা সাইজের আমার স্খলন উপন্যাসের ৫০০ কপি ছাপতে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৪ সনে আমির প্রকাশন থেকে ১০ ফর্মা সাইজের আমার অন্তরবাসিনী উপন্যাসের ৩০০ কপি ছাপতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৪ সনে আমির প্রকাশন থেকে ৮ ফর্মা সাইজের আমার একটা ছোটগল্প সংকলন 'সুগন্ধি রুমাল'-এর ৩০০ কপি ছাপতে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৪ সনে আমির প্রকাশন থেকে ৬ ফর্মা সাইজের আমার খ্যাতির লাগিয়া উপন্যাসের ৩০০ কপি ছাপতে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৫ সনে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ১৬ ফর্মার ৩০০ কপি সবুজ অঙ্গন সাহিত্য সংকলন, কবিতা ও ছোটগল্পের ২০টি অণুগ্রন্থ একত্রে ছাপতে আমার ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৫ সনে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ৬ ফর্মা সাইজের আমার কবিতার বই অন্বেষা-এর ৩০০ কপি ছাপতে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৬ সনে ১৪ ফর্মার ৩০০ কপি সবুজ অঙ্গন অণু-উপন্যাস সংকলন, ১২ জন নবীন লেখকের ১২টি অণুগ্রন্থ একত্রে ছাপতে আমার ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৬ সনে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ১০ ফর্মা সাইজের আমার আই-ফ্রেন্ড উপন্যাস-এর ৩০০ কপি ছাপতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৭ সনে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ৮ ফর্মা সাইজের আমার কবিতার বই 'নিঃসঙ্গ সময়ের সুখপাখি '-এর ৩০০ কপি ছাপতে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০০৯ সনে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ৫ ফর্মার ২০০ কপি সবুজ অঙ্গন আন্তর্জালিক কবিতাগুচ্ছ ছাপতে আমার ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।
২০১০ সনে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ৭ ফর্মার ২০০ কপি সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলন ছাপতে ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছিল।
২০১০ সনে পালকি প্রকাশন থেকে ৬ ফর্মা সাইজের সবুজ অঙ্গন ১৫শ সংখ্যার ২০০ কপি ছাপতে ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়।
২০১১ সনে পালকি প্রকাশন থেকে সবুজ অঙ্গন ১৬শ সংখ্যার ২০০ কপি ছাপতে ১৩৫০০ টাকা খরচ হয়। কভার পেইজ আমি করেছিলাম, কাজেই ঐ খরচটা ধরা হয় নি।
২০১২ সনের একুশে বইমেলায় পালকি প্রকাশন থেকে ৬ ফর্মা সাইজের [http://www.mediafire.com/download.php?chukc8681fe9uiq|সবুজ অঙ্গন ১৭শ সংখ্যা]র ২০০ কপি ছাপতে ১৫০০ টাকা খরচ হয়।
উপরের বইগুলোর অধিকাংশই খুব অপরিচিত প্রকাশনী থেকে ছাপানো হয়েছিল। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে ছাপাতে খরচ একটু বেশি পড়েছিল, যেহেতু তাঁদের স্ট্যান্ডার্ড খুব ভালো। এই হিসাব বিবরণী থেকে নিজের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন![]()
![]()
দ্বিতীয় অধ্যায়
প্রথম অধ্যায় পড়ে অনেকেই হয়তো বই প্রকাশ করার একটা সাহস পেয়ে গেছেন। কিন্তু তারপরও ভাবছেন কীভাবে প্রকাশকের কাছে কথাটা তুলবেন, কিছুটা লজ্জা, 'পাছে লোকে কিছু বলে' ভাব, ইত্যাদি।
হাতে গোনা দু-একটা প্রকাশনী ছাড়া সবাই আপনার বই প্রকাশ করার জন্য সম্মত হবেন, এটা মনে রাখবেন। আপনার শুধু প্রয়োজন তাঁদের সাথে একটা সমঝোতা করে নেয়া। এরপর দেখবেন, আপনার প্রকাশকই আপনার সবচেয়ে বড় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে গড়ে উঠেছেন।
কোন্ প্রকাশকের কাছে যাবেন?
প্রতিটা বইয়ের ৪ অথবা ৬ কিংবা ৮ নং পৃষ্ঠায় প্রকাশনীর ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেয়া থাকে। আপনার পছন্দমতো প্রকাশকের কাছে গিয়ে বলুন আপনি একটা গল্প বা কবিতা বা উপন্যাস বা প্রবন্ধ সংকলন বের করতে চান- ৩০০ কপি। আগেই বলে নিন যে লেখার সফট কপি আপনিই তৈরি করে দেবেন। তারপর প্রকাশকই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
আমার কাছে এ মুহূর্তে কয়েকটা প্রকাশনীর নম্বর আছে। এদের কাছ থেকে সবুজ অঙ্গন সহ আমার নিজের বই প্রকাশ করা হয়েছে বলে তাঁদের সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা সবচাইতে বেশি।
জয়নাল আবেদীন জুয়েল (ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ) : ০১৭১৫৪২৮২১০
কবি আদিত্য অন্তর (ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ) : ০১৭১২২৩৫৩৪২
পান্থ বিহোস (পালকি প্রকাশন) : ০১৬৭৩৬৩৬৭৫৭
কবি ইমন মজুমদার (মুক্ত স্বদেশ) : ০১৭১২৬৭১৩৪৬
কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক (আমির প্রকাশন) : ০১৯১৮১৯১১৯০
এ ছাড়া নিচের কয়েকটা প্রকাশনীর নম্বর আমার কাছে আছে, কিন্তু তা আপডেটেড কিনা জানি না :
আগামী প্রকাশনী (ওসমান সাহেব) : ০১৮১৯২১৯০২৪
একাডেমী প্রেস এন্ড পাবলিকেশন লিঃ (সাহানা রহমান) : (নামটা বোধ হয় সঠিক হলো না) : ৮১২৫৩৯৪
রাইটারস ইংক (প্রফেসর নিয়াজ জামান) : ৯৩৩৫৬০৭
আপনি নিজেও একজন কবি বা লেখকের স্পন্সর হতে পারেন।
অনেকেই লেখেন না, কিন্তু মনে খুব সাধ বা শখ পোষেন বই ছাপবার। আপনি আপনার পছন্দের দু-একজন লেখক বেছে নিন, যাঁদের বই ছাপবার খরচ আপনি নিজে বহন করবেন। আপনার এই পবিত্র চেষ্টায় একজন নিভন্ত অথচ সম্ভাবনাময় লেখক সেরা লেখক রূপে গড়ে উঠতে পারেন। মনে রাখুন, নবীন লেখকদের বই সচরাচর বিনে পয়সায় কেউ ছাপেন না। প্রতিভাধর অনেক ভালো লেখকের নিজের টাকায় বই বের করার সামর্থ থাকে না। আপনার কারণে তাঁরা লেখক হিসেবে পরিচিত লাভ করার সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন।
সবুজ অঙ্গন কোনো প্রকাশনী নয়
অনেকেই সবুজ অঙ্গন থেকে বই প্রকাশ করা যায় কিনা জানতে চান, এবং সবুজ অঙ্গন থেকে বই প্রকাশ করার ইচ্ছেও প্রকাশ করেন। তাঁদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, সবুজ অঙ্গন কোনো প্রকাশনী সংস্থা নয়। সবুজ অঙ্গন একটি সাহিত্যপত্রিকা, যা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করা হয়েছে, যেমন- ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ, পালকি প্রকাশনী, আমির প্রকাশন, যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।
খুব সংক্ষিপ্তভাবে লেখা হলো। তারপরও কিছু যদি কেউ জানতে চান, লিখুন নিচে।
সবাই ভালো থাকুন।
হ্যাপি ব্লগিং।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবেন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: যা কিছু আমার বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অক্ষর বলেছেন:
তা ভাইজানের কয়টা বই বাইড়াইছে?
লেখক বলেছেন: ভালো প্রশ্ন করেছেন![]()
![]()
লেখক বলেছেন: আশা করি কারো না কারো উপকারে আসবে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
আপনার লেখা যখন পড়ছি তখন আমার চোখে ভাসছে সদরঘাট-বাংলাবাজার, প্রকাশকের বিরক্তিমাখা মুখ, ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা, মহাপারদর্শী প্রুফ রিডারদের মুখ, হাব-ভাব। ভাসছে- 'এই তো সুমন সাহেব আপনার বইয়ের পেস্টিং চলছে।' আসলে বাস্তব হলো তখনো কম্পোজও হয়নি পান্ডুলিপি।
প্রকাশকদের আমার হাড়ে হাড়ে চেনা আছে। কতো যে বিচিত্র অভিজ্ঞতা! মাত্র ৩টি বই বের গিয়ে আমি বুঝেছি...
খুব ভালো লাগলো লেখাটি। নতুন লেখকদের অবশ্যই কাজে লাগবে।
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য।
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন:
আপনার এই লেখা আমার কাজে লাগল।
লেখক বলেছেন: কৃথার্থ বোধ করছি জনাব![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
অহেতুক বই বের করার দরকার কী নিজের টাকা খরচ করে....বাংলাদেশের মত দেশে লেখালেখিকে পেশা হিসেবে নেয়াটা আসলেই খুব ঝুকিপূর্ণ।। লেখা যদি মনের আনন্দে হয় তাহলে ব্লগই ভালো.....তাৎক্ষণিক প্রতিক্রয়া পাওয়া যাচ্ছে, বিভিন্ন জনের লেখার ধরন দেখে নিজের সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে.ব্যস এই তো।।।বই লিখে নুহাশ পল্লী গড়ার ভাগ্য সবার হয়না, এবং হওয়ার মত যোগ্যতাও সবার থাকেনা।।।তাই সেপথে না গিয়ে ব্লগের এই ভারচুয়াল ইন্টেলেকচুয়াল পরিবেশই অনেক মজার।।নতুন লেখকদের নিয়ে আমার একটা গল্প আছে।।ব্যস্ততার কারণে টাইপ করতে পারছিনা, চাপ একটু কমলে সেটা পোস্ট দেব ইনশাল্লাহ।।
লেখক বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
প্রথম বই বেরুল ১৯৯৪ সালে। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ছড়াগুলো নিয়ে একটা সংকলন করতে চেয়েঠিলাম। সারা দেশে প্রায় ১০০ ছড়কারকে চিঠি লিখেছি। এর মধ্যে চট্টগ্রামের এক ছড়াকার উল্টো আমার একগুচ্ছ প্রতিবাদী ছড়া চেয়ে চিঠি পাঠালেন। আমি ১০টি ছড়া পাঠিয়ে দিই। ওই ছড়াকারের নাম সুখময় চক্রবর্তী। ওকালতি করেন। থাকনে চট্টগ্রাম সদরঘাট কালীবাড়ি রোড। তো পাঠিয়ে দিলাম। উনি সাপ্তাহিক কর্ণফুলীর দেশ পত্রিকায় ছাপালেন। পরে আরো একগুচ্ছ চাইলেন। তা-ও পাঠালাম। এরপর উনি বললেন আপনার আর কিছু ছড়া হলে একটা বই হতে পারে। আমি তো অবাক। মেঘ না চাইতে জল! বিনাদ্বিধায় পাঠিয়ে দিলাম। উনি কর্ণফুলীর দেশ প্রকাশন নামের প্রতিষ্ঠান তেকে আমার ছড়ার বই ছাপবেন বলে পোস্টকার্ড লিখে জানালেন। আমি তো খুশীতে আত্মহারা। একদিন চিঠি পেলাম, উনি ঢাকায় এসে সেগুনবাগিচার চট্টগ্রাম হোটেলে উঠবেন। আমি যেন দেখা করি। ভদ্রলোককে আগে কখনো দেখিনি। তাই দেখা করতে যাই। উনি হোটেলে খাওয়ালেন। তারপর রুমে গিয়ে আমার বইয়ের ফাইনাল প্রুফ দেখালেন। আমি সারারাত জেগে প্রুফ ঠিক করে দিই। ১৯৯৩ সালে বইমেলার সময় কুরিয়ারে এল ১০০ কপি 'রুখে দাঁড়াই বর্গী তাড়াই' ছড়াগ্রন্থ। আমি তখন ছাত্র। এতগুলো বইয়ের দাম দেব কী করে? কিন্তু দেখি সঙ্গে একটা চিঠি। তাতে লেখা রয়্যালটি বাবদ যেন ১০০ কপি গ্রহণ করি। আমি কী বলে কৃতজ্ঞতা জানাবো, ভেবে পাই না। পরের বছরই কবিতার পাণ্ডুলিপি নিয়ে যাই বাংলাবাজার। মেলায় পরিচয়সূত্রে যাই জ্যোৎস্না পাবলিশার্সে। প্রকাশক বললেন, কবিতার বই তো চলে না। বাচ্চাদের গল্পের বই হলে ছাপতে পারে। তখন খেলাঘর আসরে পড়ার জন্যে ২টি মাত্র কিশোরগল্প লিখেছি। ওতে তো আর বই হবে না। আরো ৪/৫টা গল্প লাগে! তবু রাজি হয়ে যাই। পরের দিন পাণ্ডুলিপি রেখে আসি। নতুন বইয়ের মুখ দেখার নেশায় একরাতেই লিখে ফেলি আরো ২টি গল্প। পরের দিন বাংলাবাজারে যাই। প্রকাশক বলেন, আরে ভাই ২টা গল্প দিয়ে কি বই হয়। আমি বলি এই তো আরো ২টা আছে। আর কয়েকটা খুঁজে পাচ্ছি না। আপিন কম্পোজে দিন। আমি নিয়ে আসবো। আমি সপ্তাহ খাএনকের মধ্যে আরো ৩টি গল্প লিখি। আর এভাবেই হয়ে যাই আমার ২য় বই 'শুভর শখের গোয়েন্দাগিরি'।
আমি ভাগ্যবান, পয়সা বিনিয়োগ ছাড়াই আমার সকল বই বের হয়েছে। বাংলা একাডেমীই ছেপেছে আমার ৪টি বই। তাই তরুণদের (আমিসহ) ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কত প্রকাশক! একজন না একজন পাওয়া যাবেই।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য দীর্ঘ হলেও খুব সংক্ষিপ্ত মনে হলো পড়তে গিয়ে, রসগ্রাহী ও উপভোগ্য। আপনি খুব মেধাবী বলে ভাগ্য আপনার সহায়ক হয়েছে। আবার সব মেধাবীরা ভাগ্য পায় না। তো, সেই অভাগাদের জন্যই কিছু টিপস।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
লেখক বলেছেন: জি, তত্ব মূলক পোষ্টই তো![]()
আখসানুল বলেছেন:
কাজের পোষ্ট, প্রিয়তে গেলো।
লেখক বলেছেন: Dhonyobad.
সুমন সালেহী বলেছেন:
ফারিহান ভাই অসাধারণ একটি পোস্ট..........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
ব্যক্তি বিশেষে উপদেশ আর অভিজ্ঞতা পুরা পাল্টে যায়..তপন বাগচী....এর মন্তব্য আর ফারিহানের অভিজ্ঞতা র তফাৎ তাই বলে
ফারিহান এর বক্তব্যটাই বেশির ভাগ কেনো প্রায় ৯৯% লেখকদের ক্ষেত্রে সত্য....বাকি ১% এর জন্য ....
তপন বাগচী টাইপ কপাল....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
ওহ! /....আই অলসো নো দ্যা হোল প্রসেস
লেখক বলেছেন: জানা থাকা ভালো।
নাজমুল হাসান বাবু বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
খলিল ভাই,আমারে আনব্লক করার জন্যে ধইন্যাপাতা।
লেখক বলেছেন: কবে কীজন্য ব্লক করেছিলাম মনে নেই, তবে আনব্লক্ড হবার জন্য অভিনন্দন। আশা করি আর কখনো ব্লক্ড হবেন না![]()
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন:
আমার জীবনের প্রথম জব ছিল একটা প্রেসে- ১৭ বছর বয়সে। আমি প্রেসের এই কাজ গুলো নিজে করতে পরতাম। প্লেট বানানো পর্যন্ত। কি মজা।
লেখক বলেছেন: আমারও এ কাজগুলো শেখার খুব শখ।
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: প্লাস আপনিও কিছু নিন ++++
নিভৃত পথচারী বলেছেন:
দারুন উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমিও কৃতার্থ হলাম![]()
![]()
নিভৃত পথচারী বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও +++++++ ![]()
![]()
ডলুপূত্র বলেছেন:
ভাল বিষয়। ধন্যবাদ। + + + + + + + + + + + । তপন বাগচী'র কপাল....
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তপন বাগচীর কপালই বটে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ, প্লাসের জন্যও।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মাসুদ রশিদ বলেছেন:
আমি একসময় বই বের করায় উৎসাহী ছিলাম। তিনটে কবিতার বই ছেপেছে তিনটা প্রকাশনী। একটার খরচ নিজে দিয়েছি, একটা স্পন্সর পেয়েছি আর একটা প্রকাশক দিয়েছে (প্রকাশক আত্মীয় তাই)। আমি এখন এই সমস্ত প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এসেছি। বই ছাপার দরকারটা কি এত অহরহ? এটাতো পরিবেশব্ন্ধব প্রক্রিয়া নয়। ই-বুক খুবই পরিবেশ বান্ধব, সহজলভ্য এবং মতবিনিময় যোগ্য মাধ্যম। নবীন লেখকরা খুব সহজে এই প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।
আপনার লেখা খুব সুন্দর। ভালো লেগেছে। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
নিষিদ্ধ জীবন বলেছেন:
খুবই কাজের পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সুবিদ্ বলেছেন:
আমি প্রিয়তে নিলাম........জানিনা বই লেখার ধৈর্য হবে কিনা কোনদিন.......তবুও
লেখক বলেছেন: ধৈর্য্য একদিন আপনার হাতে ধরা দেবে, এই কামনা।
অপূর্ণ রুবেল বলেছেন:
এবারের মেলায় আমারো একটা বই বের করার ইচ্ছা আছে। দেখা যাক কি হয়।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা থাকলো।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
ভাই এত কষ্ট করে লেখাটা লেখলেন এখন আরেকটু কষ্ট করে পাঠককে কিভাবে জোর করে বই পড়ানো যাবে তার একটা বিবরন দিয়ে দিন।বহু লেখকের রাতের ঘুম আরাম করে দিতে পারবেন(বই ছাপানোর পর)।
লেখক বলেছেন:
![]()
হা...হা...হা... বলেছেন:
বইয়ের গায়ে যে মূল্য লেখা থাকে সেটা কিসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। নাকি লেখকের ইচ্ছা মতো নির্ধারণ করা হয়?
লেখক বলেছেন: এটার একটা সূত্র আছে যা লেখক নয়, প্রকাশক কর্তৃক নির্ধারিত হয়। কাগজের ভালো-মন্দ বিচারে ফর্মা প্রতি একটা সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম ধরে পুরো বইয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
সুদীপ্ত শর্মা বলেছেন:
ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
আবদুল হক বলেছেন:
লিখি ১৯৯৭ থেকে। কবিতা দিয়ে শুরু, তারপর এলেবেলে অনেক। বছরে একটা করে বই বের করলেও সংখ্যাটা ডজন ছাড়িয়ে যেতো! কিন্তু একটাও ছাপি নি। জয় আলস্য, মাঝে মাঝে নিজেকে পেটাতে ইচ্ছে করে!
লেখক বলেছেন: আলস্য করা কি ঠিক? জমানো পাণ্ডুলিপিগুলো এবার প্রেসে দিন, প্রতি বছর অন্তত একটা করে।
আবদুল হক বলেছেন:
ফারিহান মাহমুদ, আপনাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলে গেছি! দারুন কাজের লেখা; প্রিয়তে!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কবি আবদুল হক।
সকাল রয় বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
গুপ্ত ঘাতক বলেছেন:
ধন্যবাদ। িপ্রয়তে! কাজে লাগতে পারে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জনাব![]()
পলাশমিঞা বলেছেন:
আমি হয়তো মরে পচে গেলে বই প্রকাশ হবে।এখন আশাই ছেড়ে দিয়েছি।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এখন আসলেই লেখতে আর ভালা লাগেনা।
২৫ বছর, একটা বইও প্রকাশ করতে পারনি। আপসুস আর কাকে বলে বলুন
লেখক বলেছেন: ২৫ বছরে বই প্রকাশ করতে না পারা মোটেও ব্যর্থতার কথা না। ৮০ বছর বয়সে, কিংবা তার পরেও আপনার ১ম বই বের হতে পারে। ডোন্ট গিভ আপ![]()
![]()
প্রতীক মণ্ডল বলেছেন:
বর্ণিত েপজ েসটআপ িক ইলাস্ট্রেটরের?.............সম্ভব হলে সময় করে লেখাটা্ আরেকটু বিস্তারিত করবেন।
লেখক বলেছেন: না না, এটা সিম্পল ওয়ার্ড ডকুমেন্টের কথা, আগাগোড়া![]()
আপনি ইচ্ছে করলে কিছু লেখা পাঠাতে পারেন মেইল করে, সেটাপ করে দেব![]()
নষ্ট কবি বলেছেন:
আমি একটা বই ছাপাতে চাই। কিন্তু এতো কষ্ট....................মাসুদ ভাই ঠিক বলছেন..........
লেখক বলেছেন: আমিও তাই মনে করছি![]()
হা...হা...হা... বলেছেন:
ফারিহান ভাই, আমি একটি বই লিখেছি। বিশেষ করে আপনার লেখাটি পড়ার পর উৎসাহ পেয়ে লেখাটি লিখেছি। আমার বইটিতে লেখা খুব বেশী না। তাই ভাবছি আপনি যে সাইজ দিয়েছেস সেই সাইজ না দিয়ে আরেকটু ছোট সাইজ দেব। যেমন সেবা প্রকাশনীর যে বইগুলো তেমন। সেই বইগুলোর পেজ সেটাপ আমার জানা নাই। একটু কষ্ট করে যদি দিতেন উপকার হতো। আমি আপনার লেখাটি ফলো করে পুরো বইটি শেষ করতে চাই। আপনার লেখা থেকে নিচের সাইজ গুলো শুধু পরিবর্তন করে দিলেই হবে।
পেপার সাইজ> ১১ বাই ৮.৫ সিলেক্ট করুন। ওরিয়েন্টেশন দিন ল্যান্ডস্কেপ। মার্জিনে যান। টপ .৮ এবং বটম .৮। লেফট ও রাইট উভয়ই .৫। গাটার ০, ফ্রম এজ .৫ করে। ব্যস, পেইজ সেট-আপ হয়ে গেল। এবার টেক্সটে আসুন। তারপর চলুন ফরম্যাট মেনুতে। যান কলামে। নাম্বার অফ কলাম সিলেক্ট করুন ২। উইডথ এন্ড স্পেসিং-এ যান। উইডথ হবে ৪.২৫ এবং স্পেসিং হবে ১.৫। এরপর যান ট্যাব সেটিং-এ। ডিফল্ট ট্যাব স্টপস দিন .২। এভাবে সেটিং সম্পন্ন করার পর যা হলো তাতে বইয়ের পাতার মাপ হবে উচ্চতা ৮.৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ৫.৫ ইঞ্চি।
লেখক বলেছেন: সেবার কোনো বই যে আমার কাছে এ মুহূর্তে নেই, কী করি? আসলে কাজটা খুব সহজ। বইটা সামনে নিয়ে হাতে একটা স্কেল নিন। এবার স্কেল দিয়ে বইটার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপুন। কতো হলো? এটাই হলো বইয়ের পাতার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ, এবং এটাই প্রচ্ছদের মাপ। এবার বইয়ের ভেতরে লেখার অংশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপুন। লেখার অংশকে বলা হয় ম্যাটার। ম্যাটারের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখার অনুচ্ছেদ ২-এ মার্জিনের যে মাপ দেয়া আছে তাতে বইয়ের পাতার মাপ হয় ৮.৫ বাই ৫.৫ ইঞ্চি; আর ম্যাটারের মাপ হয় ৭ বাই ৪.২৫ ইঞ্চি। সেবার বই থেকে যে মাপ পেলেন টা যেহেতু এই মাপের চেয়ে ছোটই হবে, তাই আপনাকে পেজ-সেটাপে গিয়ে মার্জিন বাড়াতে হবে। কতো বাড়াতে হবে তা নির্ভর করবে সেবার বইয়ের পাতা ও ম্যাটারের মাপের উপর। এই মাপটা কতো পেলেন তা আমাকে জানালে আমি সঠিক ভাবে বলে দিতে পারবো। হয়তো আপনি নিজেই এখন তা করে নিতে পারবেন। কিছুই না হলে নিদেন পক্ষে মাপ আর আপনার মেইল দিন, পেজ সেটাপ করে পাঠিয়ে দিই![]()
হা...হা...হা... বলেছেন:
পচ্ছদের সাইজটি যদি দিয়ে দেন তাহলে আরো উপকার হয়। চেষ্টা করব নিজে নিজে করতে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বইয়ের মাপই প্রচ্ছদের মাপ। এই মাপের উপর ভিত্তি করেই প্রকাশক তাঁর অপারেটরকে দিয়ে প্রচ্ছদ বানিয়ে থাকেন।
হা...হা...হা... বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ সাহায্যের জন্য। আমি ট্রাই করছি। পরে আপনাকে আবার জানাব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হা...হা...হা... বলেছেন:
সেবার একটি বই মাপ দিয়ে আমি যে সাইজ পেয়েছি তা এই ভাবে সাজিয়েছি । পেপার সাইজ> ৯.৫ বাই ৭ । ওরিয়েন্টেশন ল্যান্ডস্কেপ। মার্জিন টপ .৫ এবং বটম .৫। লেফট ও রাইট উভয়ই .৫। গাটার ০, ফ্রম এজ কোথায় খুঁজে পাচ্ছিনা।কিন্তু সমস্যা হলো উইডথ ৪.২৫ এবং স্পেসিং ১.৫ কোন ভাবে সিলেক্ট করা যাচ্ছে না। উইডথ ৪.২৫ এবং স্পেসিং ১.৫ সিলেক্ট করে ওকে দিলে উইডথ ৩.২৮ হয়ে যাচ্ছে। এটা কেন হচ্ছে অথবা এর উইডথ কত হওয়া উচিৎ।
লেখক বলেছেন: আমাকে সিম্পলি জানান যে সেবার বইয়ের মাপ কতো, বাকিটা আমি বলে দিচ্ছি।
হা...হা...হা... বলেছেন:
পেপার সাইজ> ৯.৫ বাই ৭ । ওরিয়েন্টেশন ল্যান্ডস্কেপ। মার্জিন টপ .৫ এবং বটম .৫। লেফট ও রাইট উভয়ই .৫।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা পরিষ্কার হলো না। আবার বলি। বইটা টেবিলের উপর রাখুন। একটা স্কেল নিয়ে মলাটের (শুধু উপরের অংশ) দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপুন। এবার বইয়ের ভেতরে যে কোনো একটি পাতায় যান। যে অংশটুকুতে লেখা আছে, তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপুন। নিচে দেখুন আমি কী জানতে চাই।
![]()
![]()
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
দারুন কাজের পোস্ট। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হা...হা...হা... বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা পরিষ্কার হলো না। আবার বলি। বইটা টেবিলের উপর রাখুন। একটা স্কেল নিয়ে মলাটের (শুধু উপরের অংশ) দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপুন।দৈঘ্য ৭'' প্রস্থ ৪.৭৫
Width of page = 4.75
Width of matter = 3.75
Height of matter = 5.5
Heght of page = 7
লেখক বলেছেন:
পেপার সাইজ> ৯.৫ বাই ৭ সিলেক্ট করুন। ওরিয়েন্টেশন দিন ল্যান্ডস্কেপ। মার্জিনে যান। টপ .৭ এবং বটম .৮। লেফ্ট ও রাইট উভয়ই .৫। গাটার ০, গাটার পজিশন লেফ্ট। (কোনো পিসিতে ফ্রম এজ থাকলে তা হবে .৫)। ব্যস, পেইজ সেট-আপ হয়ে গেল। এবার টেক্সটে আসুন। তারপর চলুন ফরম্যাট মেনুতে। যান কলামে। নাম্বার অফ কলাম সিলেক্ট করুন ২। উইড্থ এন্ড স্পেসিং-এ যান। উইড্থ হবে ৩.৭৫ এবং স্পেসিং হবে ১। এরপর যান ট্যাব সেটিং-এ। ডিফল্ট ট্যাব স্টপস দিন .২। এভাবে সেটিং সম্পন্ন করার পর যা হলো তাতে বইয়ের পাতার মাপ হবে উচ্চতা ৭ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৪.৭৫ ইঞ্চি। ম্যাটারের উইড্থ হবে ৩.৭৫ এবং হাইট বা উচ্চতা হবে ৫.৫ ইঞ্চি। এবার একটা পেইজ প্রিন্ট করে ম্যাটার মেপে দেখুন ঠিক আছে কিনা। ম্যাটারের মাপটাই হলো আসল। এটাতে ভুল হলে কিন্তু সব ভেস্তে যাবে![]()
ফরম্যাট মেনুতে কলাম সেটিং দেখুন :
![]()
হা...হা...হা... বলেছেন:
আপনার লেখা আমার অনেক কাজে লাগছে। ধন্যবাদ। আপনাকে।এখন আরেকটি সমস্যা..... পেজ নং দেব কি করে। পেজ নই দিলে প্রত্যেক পৃষ্ঠায় দেখানুর কথা। তাই না?
যেমন...
কিছু কিছু বইতে দেখেছি প্রত্যেক পৃষ্ঠায় পেজ নং এর সাথে সাথে বইয়ের নামও দেওয়া থাকে। সেটা কি করে সম্ভব?
লেখক বলেছেন: পেজ নাম্বারিং দুভাবে দেয়া যায়। ভিউ মেনুতে যান> হেডার এণ্ড ফুটার>ফুটার। অটো পেইজ নম্বর দিন। কিন্তু সমস্যা হবে প্রতি পেজে একই নম্বর হয়ে যাবে। উপায়? ওখানে গিয়ে ম্যানুয়ালি প্রতি পেজের নাম্বার দিন আর একটা একটা করে পেজ প্রিন্ট করুন। কিন্তু এসব খুবই ঝামেলাযুক্ত। পুরো পেজের মাঝখানে অটো নাম্বারিং দিন শুধুমাত্র এলোমেলো যাতে না হয়ে যায় সেজন্য। পেজনাম্বারিং ম্যানুয়ালি পেস্টিংয়ের সময় প্রেসঅলারা দিয়ে দেবে
আর বইয়ের নামও ওখানে দিয়ে দিলেই হবে। বইয়ের দুটো নাম লিখে ওখানে পেস্ট করুন, কারসার ও স্পেসবার দিয়ে বইয়ের নাম ঠেলেঠুলে দুটো দু কিনারায় নিয়ে নিন![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অন্ধকার বলেছেন:
একটু দেরী হয়ে গেল পড়তে। এখন ভীষণ ব্যস্ততার সময়, ব্লগ কম দেখা হয়।আমি গত ২৫ বছরের বেশী সময় বইয়ের জগতে আছি। অমর একুশে বইমেলায় নিজের প্রকাশনা নিয়ে যাই ১৯৯২ সালে। তারও অনেক আগে থেকে স্টল-এ বসতাম, কখনো বন্ধুরা মিলে নিয়ে, কখনো চেনা মানুষের, আবার কখনো বাবার প্রকাশিত পত্রিকা নিয়ে।
আপনি কোন কোন জায়গায় আপনার পোস্ট-এ প্রকাশকদের ভিলেন বানিয়ে ছেড়েছেন। আবার কখনো কখনো খরচের যে হিসেব দিয়েছেন তাও বাজারমূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমি আমার ১৮ বছরের প্রকাশনা জীবনে কখনো ২০০ টাকায় ছাপতে পেরেছি বলে মনে পড়ছে না! তবে অসম্ভব বলবো না, হতেও পারে। কেউ আপনাকে বিনে পয়সায়ও ছেপে দিতে পারে!! আর হিডেন কস্ট আছে অনেক। শুধু বই ছাপাই যদি মূখ্য উদ্দ্যেশ্য হয় তবে তো যে কোন প্রেসে গেলেই হয়, কম খরচে মুদ্রিত প্যাকেটজাত বই ডেলিভারি নিলেই হবে, প্রকাশকের দরকার কি?!?
আমি অস্বীকার করি না অনেক প্রকাশক নামধারী ব্যক্তি আছেন যাদের কথায় ও কাজে মিল থাকে না। সেই দায় সমস্ত প্রকাশক কূলের উপর না চাপালে খুশি হবো। নতুন লেখকেদের সেই সব প্রতারকের ফাদে পা না দেয়াই সমীচিন। নতুন লেখকদের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ক্যাটালগে উল্লেখযোগ্য বই আর প্রতিষ্ঠার সময় - এ দুটো জিনিস দেখে নিতে অনুরোধ করব।
আমি সহজ কথায় বলব আপনি যদি আপনার অবস্থান তৈরী করতে পারেন লেখক হিসেবে, তবে প্রকাশক আপনার পিছনে ছুটবে। অবস্থান তৈরি করার জন্য পত্রিকায় লিখুন। ব্লগে লিখুন। আপনার টাকা খরচ করতে হবেনা। পাঠক তৈরি করুন। বই প্রকাশে ব্যকুল না হওয়াই ভালো। আগে নিজেকে তৈরি করুন। তারপর বই হবে।
বইয়ের প্রকাশনা একটি দুরূহ কাজ। খুব সহজে অল্প কথায় একে ব্যাখ্যা করলে ভ্রান্তির অবকাশ থাকতে পারে। নতুন-পুরেনো-প্রতিষ্ঠিত সব লেখকের প্রতি শুভকামনা। শুভেচ্ছা।।
লেখক বলেছেন: আমি আমার ১৮ বছরের প্রকাশনা জীবনে কখনো ২০০ টাকায় ছাপতে পেরেছি বলে মনে পড়ছে না!
আমি বাংলাবাজারের কথা বলছি। ২০০৩ থেকে ২০০৭/২০০৮ পর্যন্ত ফর্মাপ্রতি ছাপাখরচ এই রেট দেখেছি। এর আগে নিশ্চয়ই আরো কম ছিল। আপনার ১৮ বছরের পাবলিকেশন লাইফে যদি এটা না দেখে থাকেন তাহলে দুঃখের সাথে বলবো আপনি পাবলিকেশনের সাথে জড়িত নেই, অথবা এ কথাটার অর্থই বোঝেন নি। মাগনা ছেপে দেবার কথা তো এখানে লিখি নি![]()
প্রকাশকদের ভিলেন বানানো হয় নি। তবে যদি কেউ এরকম করে থাকেন তাঁর গায়ে লাগতে পারে বলে এখন মনে হচ্ছে।
আপনার সুন্দর পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।
অন্ধকার বলেছেন:
আসলেই হয়তো প্রকাশনায় হাতে খড়িই হয়নি আমার!! আমি বলেছি আমি কখনো ছাপতে পারিনি ২০০ টাকায়, আমার প্রকাশনা বাংলাবাজারকেন্দ্রিক না।
আর আপনার মনে হওয়া তো অমূলক হতেই পারে না... নিশ্চই মানুষ ঠকানোই আমাদের কাজ। খন্যবাদ আপনার আক্রমণের জন্য। আমন্ত্রণ রইল... একদিন চা খেয়ে যাবেন আমার ঘর থেকে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: হায় হায়, আই ডিড্ন্ট এ্যাটাক ইউ, ডিয়ার! স্যরি স্যরি ইফ আই হ্যাভ হার্ট ইউ![]()
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন:
আমার অনেক প্রশ্ন ছিল । বই লেখার ব্যাপারে ছাপার ব্যপারে না ।১ যেমন আমি একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত নিয়ে লিখতে গেলাম আমি যা বুঝছি সে ভাবেই, তাহলে কিভাবে লিখব । আমার লিখা কি মূল লেখকের কপি হয়ে গেল না । কিন্তু আমি তো কারো লিখা কপি করতেছি না । আমি তো আমার লিখাই লিখ তে ছি ।
২ লিখার জন্য যে ছবি প্রয়োজন তা কি কিনে আনতে হবে , মানে বিজ্ঞানিক লিখা গুলির ছবি গুলি । এটা তো কঠিন কাজ । অনেক অনেক টাকা লাগবে তাই না । কিন্তু তাহলে বাংলাদেশের বিজ্ঞান বিষয়ক লিখা গুলি কভাবে লিখা হয় ।
কিছু বুঝতেছি না ।
নিজে বই লিখার জন্য নয় । জাস্ট কৌতুহল ।
লেখক বলেছেন: আমি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর ব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না, অভিজ্ঞতা নেই; তবে যাঁরা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখেন তাঁদের সাথে আলাপ করে দেখতে পারেন। ব্যক্তিগত অভিমত হলো- এতে কোনো সমস্যা নেই। একটা প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব বা সূত্রের উপর লিখতে হলে ওটার উপর আপনার অগাধ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। ঐ তত্ত্বের এমন একটা দিক নিয়ে রগল্প সাজাতে হবে যা সচরাচর সবার মাথায় ঢোকে না, বা অধিকাংশ মানুষই যে ব্যাপারটা খেয়াল করেন না। একটা উদাহরণ দিই, কাঠের নৌকা ডুবে গেলে তলিয়ে যায়, কোষা নৌকা ডুবে গেলেও ভেসে থাকে। কারণটা কী? আর্কিমিডিসের কোন্ সূত্রের ফলে এরূপ ঘটে থাকে? ...মানুষ মরে গেলে কি ভেসে থাকে, না ডুবে যায়? কেন? এর উপর শুরু করে দিন লেখা। নিউটনের গতিসূত্রটি ভুল প্রমাণ করতে গল্প ফাঁদেন![]()
মানুষ কি শুধু হাওয়া খেয়ে বা পানি খেয়ে বাঁচতে পারে না? এমন একটা খাদ্যপদ্ধতি আবিষ্কারের উপরে লিখতে থাকুন![]()
আমরা জানি, মানুষের আকৃতি আদিকালে আরো বৃহৎ ছিল। এখন কি মানুষ খাটো হচ্ছে? কোনোদিন কি পিঁপড়েদের মতো হয়ে যাবে মানুষ? পিঁপড়েগুলো কি তখন বেড়ে গিয়ে ডাইনোসরের মতো হয়ে যাবে? ভাবুন এসব।
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
সবখরচ নিজে ভন করতে চাইলে কত টাকা লাগতে পারে?নিজের কবিতার বই বের করার শখ আছে সবার যেমন আছে...
লেখক বলেছেন: ৭ ফর্মার ২০০ কপি বই ছাপতে এ বছর ৩০ হাজারের মতো খরচ পড়ছে।
দ্যা আহমেদ মামুন বলেছেন:
আপনার পোষ্টটি আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। বই বের করার ইচ্ছা ছিল।
প্রকাশকরা স্ক্রিপ্ট না পড়েই বাজেট হাতে ধরিয়ে দেয়।
৪০০কপি বই ৫০হাজার টাকা।
আপনার পোষ্ট পড়ে বুঝতে পারলাম, তারা শিল্পমণা নয়
ব্যাবসায়ী মনা। আমরা লেখকরা গাড়ি মালিক হতে পারি না।
তারা ঠিকই গাড়ির মালিক হন।
লেখক বলেছেন: আপনার জীবনের লক্ষ্য- এ নিয়ে তাহলে একটা রচনা লিখে ফেলুন![]()
সমবেদনা প্রকাশ করা ছাড়া আর কীই বা করার আছে?
শুটিং স্টার লষ্ট বলেছেন:
ডিয়ার, অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক অনেক কাজে লাগবে আশা করছি। আমাকে আরেকটি সাহায্য করুন, আমি যদি ওয়ার্ডে কাজটা করে সেটাকে ইলাস্ট্রেটরে নিতে চাই (ধরুন নিখুঁত মাপে আমি একটা পিডিএফ বের করতে চাইছি) সেটার ক্ষেত্রে কি করা? আর ওয়ার্ডের কাজটা কি ইলাসট্রেটরে করা যাবে? কিভাবে?
লেখক বলেছেন: আশা করি মেইল পেয়েছেন। ইলাস্ট্রেটরে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার নেই। ওয়ার্ডের কাজ ইলাস্ট্রেটরে ট্রান্সফার করলে প্রায় পুরোটাই ভেঙে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমার মতো আনাড়িদের জন্য ওয়ার্ডেই কাজগুলো করে নেয়া ভালো।
একলোটন বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: একটা কাজের কাজ করেছেন![]()
আমি তাসনিম বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: Thank you.
মোঃ আরাফাত হোসেন বলেছেন:
ভাই,আমি একজন লেখক, নাম মোঃ আরাফাত হোসেন, এবং তাতো দেখতেই পাচ্ছেন।আমি সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা খরচ করে আমার প্রথম উপন্যাস মেঘনা নদীর তীরে বের করেছি। যাতে একই সাথে ছিল দুইটি উপন্যাস,একটি হল মেঘনা নদীর তীরে,আর অপরটির নাম নাজু।
এই দুটি উপন্যাস এক বইয়ে বের হয়েছিল। যাই হোক,উপন্যাস বের করার পর অনেক আশা ও স্বপ্ন এল দুচোখে। প্রথম আলোর একটা প্রতিযোগিতায় জমা দিলাম। যেহেতু কাহিণীটা গ্রামের চিরায়ত পরিবেশ এবং অসহায় স্বামী বঞ্চিত একটি নারীর।
তাই আশাবাদী ছিলাম নিশ্চয়ই কিছু একটা হয়ে যাব। কিন্তু প্রথম আলো হতে কোন সাড়া এলই না। একজন বুদ্ধি দিল বাংলা একাডামীতে জমা দেওয়ার জন্য,দিই দিই করেও যাওয়া হল না। একদিন গিয়েছি,তাও সন্ধ্যার পর দেখে বন্ধ হয়ে গেছে।
আমি অধিকাংশ বই অলরেডী মানুষকে দিয়ে দিয়েছি এবং পুরোটাই বিনামূল্যে। কোন রকম প্রদীপ দেখতে পাইনি।
তাই বলে ভেঙ্গে পড়িনি। উপন্যাস,গল্প,কবিতা লিখা আমার নেশা। খ্যাতি জুটুক আর না জুটুক এ আমি লিখে যাব। হয়তো ব্লগ থেকেই একদিন আমাকে দেশের অনেকে চিনে যাবে। সেই দিনের অপেক্ষায় আছি তাই।
http://www.blogvoice.tk
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এই ব্লগ থেকেই একদিন আপনাকে দেশের অনেক মানুষ চিনে যাবে, এই শুভকামনা থাকলো।
ছন্দ্বহীন বলেছেন:
প্রয়োজনে আসবে হয়তো কোন দিন...........সোকেসে রাখলাম আপাতত....
ধন্যবাদ এমন একটি পোষ্টের জন্য...অনেকের উপকারে আসবে..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অনেক ভাল লিখেছেন। একদিন আমারও কাজে লাগতে পারে। তাই আপনাকে আগাম কৃতজ্ঞতা জানাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদের সাথে কৃতজ্ঞতা গৃহীত হলো![]()
হাজারি বলেছেন:
যুগে যুগে রবেন অক্ষয়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ![]()
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন:
ধন্যবাদ। আমার পড়া ব্লগের প্রথম কাজের পোস্ট। প্রিয়তে এন্ড ++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্যাঁচনাই বলেছেন:
ভাল কিন্তু মাখিয়ে ফেলেছেন ।। ওখানের অনেক কাজই লেখকের করতে হয় না ।।লেখকের কাজ
১. নিজের মেধা থেকে বের করে কম্পোজ বা টাইপ করা (এটাই প্রধান লেখক/লেখিকাদের জন্য)
২. প্রচ্ছদ (যদি নিজে পারে)
৩. প্রচারনা (তবে ভাল প্রকাশনী হলে এটাও লাগে না)
লেখক বলেছেন: আপনাকে শুধু এটুকু বলতে চাই যে, আপনাকে ভদ্রতা শিখতে হবে। এখানে কোনো কিছু মাখানো হয় নি, আপনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বলে বুঝতে পারেন নি কিছুই। কিছু বুঝতে হলে মাথায় কিছু থাকতে হয়, আপনার তা নেই।
এ পোস্টের টাইটেল আর প্রথম লাইনটা দেখুন।
আর সম্মানের সাথে আপনাকে ব্লক করলাম। আগে আচরণ শিখুন, তারপর মেইলে জানান, অনলি দেন ইউ উইল বি আনব্লক্ড।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও চিনলাম![]()
![]()
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার বই লিখতে মন চায় । কিন্তু আমার পড়াশোনার মান খারাপ। এতো কম পড়াশোনা নিয়ে কি কিছু লেখা সম্ভব আপনিই বলুন?
লেখক বলেছেন: না, অসম্ভব। তবে যাঁরা লেখেন, সচরাচর তাঁরা পড়েন কম- পড়তে গেলে লিখবার সময়টা কোথায়? আর যাঁরা পড়েন, তাঁদের ধৈর্য্য নেই লিখবার- পড়ার আনন্দটাই মাটি হয়ে যাবে বলে।
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
কাজের পোষ্ট, প্রিয়তে গেলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কবিতার বই মানুষের ১ম পছন্দ হবার কথা।
শরতের মেঘ বলেছেন:
এতো কষ্ট করে বই বের করার দরকারটাই বা কি? নিজের মতামত জানানোর জন্য ব্লগই তো ভাল। আছসে দিনে কেও কষ্ট করে গল্প উপন্যাসের বই কিনে পড়বে বলে তো মনে হয় না। কারণ পড়ার সময় থাকবে না। আমার নিজের কথায় বলি, আমি একসময় প্রচুর বই পড়তাম। প্রচুর বই পড়েছি,কিন্তু এর একটাও কিনে পড়ি নিই। কিছুদিন আগ পর্যন্ত ইবুক পড়তাম। এখন পড়ার সময় হয়ে উঠে না। আমার নিজেরও একসময় লেখার সখ ছিল, সখ করে অনেক কিছুই লিখতাম। এখন ইচ্ছে হয় না, সময়ও পাই না। সময়টা গুরুত্বপর্ণ নয়, ইচ্ছেই বেশি হয় না। যাহোক, বই মেলায় প্রচুর বই বের হয়,যার মাঝে অনেকগুলো বই, যেগুলো পড়া আর না পড়ার মাঝে পার্থক্য শুধু মাত্র সময় নষ্ট ছাড়া তো কিছু দেখি না। আমার মনে হয়, অযথা বই বের করার দরকারই বা কি? আমার মনে হয় আমাদের প্রেমের উপন্যাস পড়ার খুব একটা দরকার নেই(এটি একটা উদাহরণ মাত্র)। যাহোক, ডিমটিভেট করছি না, তবে আমি বলবো, গঠণমূলক, মৌলিক এবং কাজের বই লেখা উচিৎ, প্রচুর অদরকারি বই লেখা হচ্ছে আজকাল। আর আমি বই লেখাকে পেশা হিসেবে নেওয়াটার পক্ষেও নই। লেখক বলেছেন: লেখক এক ধরণের নয় যেমন, পাঠকও তেমনি বিভিন্ন মনমানসিকতার, তাঁদের পছন্দাপছন্দও ভিন্ন ভিন্ন রকমের। এজন্য বাজারে নানা ধরণের বই দেখে থাকেন। আর, বই বের করার দরকার কী? ডিজিটাল বাংলাদেশে কতোজনের ইন্টারনেট এ্যাকসেজ আছে? বই হতে পারে সর্বাবস্থার সঙ্গী, ইন্টারনেট সর্বাবস্থায় সহজলভ্য নয়। সুপার ডিজিটাল দেশসমূহে মানুষ বইয়ের প্রিন্টেড কপি আর পিসি-ইন্টারনেট একসঙ্গে নিয়ে ঘুরলেও ছাপানো বইটার সাথেই তাঁদের অধিকতর সখ্যতা দেখা যায়। বই চিরকালই ছাপা হবে।
আনোয়ার সাদী বলেছেন:
কাজের পোষ্ট। কারো না কারো কাজে লাগবেই ...
লেখক বলেছেন: Dhonyobad.
ইশতিয়াক মাহমুদ বলেছেন:
আমার লাগসে।
লেখক বলেছেন: Jene bhalo laglo. Dhonyobad.
লেখক বলেছেন: Dhonyobad.
নষ্ট কবি বলেছেন:
আমার বই এবার ও বের করা হলনা...।
লেখক বলেছেন: আগামী বছরের জন্য শুভকামনা থাকলো।
জোবায়ের বিন ইসলাম বলেছেন:
মনে করুন আমি নতুন লেখক। ২০ হাজার টাকায় ১২০ পৃষ্ঠার একটা গল্পের বই বের করব। একটাই গল্প থাকবে। প্রচ্ছদ আর কাগজের মান হুমায়ুন আহমেদের বই গুলার মত হবে। এখন আমি যদি সেটা বই মেলায় প্রকাশ না করে বছরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ করি তাহলে কি সেটা বোকামি হবে? অর্থাৎ বই মেলায় প্রকাশিত হলে কি কিছু সংখ্যক বিক্রি হবার সম্ভাবনা আছে?যদি বই মেলায় প্রকাশ করে নিজে পয়সা দিয়ে কোন বুক স্টলের সাথে কন্টাক্ট করে, পায়জামা পাঞ্জাবি আর মাফলার পরে বই নিয়ে বসে থাকি, আর অল্প দামে বই বিক্রি করি নিজের সাক্ষর সহ, সেটা কি করা সম্ভব?
লেখক বলেছেন:
১। বই বছরের যে কোনও সময়েই প্রকাশ করা যায়। বইটি বিক্রির দায়িত্ব প্রকাশকেরই। কিন্তু নবীন লেখক হলে একটু সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে; পরবর্তীতে ঝামেলা এড়ানোর জন্য প্রকাশের আগেই প্রকাশকের সাথে ব্যাপারটা ফয়সালা করে নিন।
২। স্টলের সাথে চুক্তি করার কোনও সুযোগ আছে বলে আমার জানা নেই। বইমেলায় প্রকাশকগণ তাঁদের স্টলে কেবল তাঁদের প্রকাশিত বই-ই বিক্রি করতে পারেন, অন্যদের বই স্টলে রাখা ও বেচা নিষিদ্ধ। তাই আপনার বইয়ের ব্যাপারে সব যোগাযোগ প্রকাশকের সাথেই হতে হবে।
৩। পায়জামা পাঞ্জাবি আর মাফলার পরে বই নিয়ে বসে থাকি, আর অল্প দামে বই বিক্রি করি নিজের সাক্ষর সহ, সেটা কি করা সম্ভব? পায়জামা পাঞ্জাবি আর মাফলার পরবার কারণটা বুঝলাম না। আপনি সত্যিকারেই বিষয়গুলো জানতে চেয়েছেন ধরে নিয়ে উপরে উত্তর লিখলাম।
িনদাল বলেছেন:
কাজে লাগবে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভ্রমণ বাংলাদেশ বলেছেন:
দারুণ কাজ করেছেন ভাই অশেষ ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জীবন্ত জীবাশ্ম বলেছেন:
সহায়তা করার ভংগি নিয়ে লেখাটা ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হাসানশরিফুল বলেছেন:
একমাস হলো আমার একটা অনুবাদ বের হয়েছে, প্রকাশকের সাথে টাকা পয়সা নিয়ে কোন কথা বলিনি, নিজের প্রথম বই তাই। আটটা বই পেয়েছি ফ্রি।দ্বিতীয় বইটা হস্তানর করলাম গতকাল, এবং এবার জিজ্ঞেস করলাম, টাকা-পয়সার ব্যাপার কি? মানে দ্বিতীয়টায় কোন টাকা পয়সা পাবো কি না।
সে আমাকে বলল ফর্মা প্রতি ৫০০ টাকা করে দেয়া হবে অনুবাদ বইয়ের ক্ষেত্রে, এবং তিনি আমাকে প্রথম বইটার টাকাও দেবেন। আমি খুশী মনে মেনে নিয়েছি, কারন প্রকাশক লোকটাকে আমার পছন্দ হয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, উনি যে রেটটা বললেন, এটাকি আসলে কোন স্ট্যান্ডার্ড রেট, মানে অন্যান্য প্রকাশনীও কি এই নিয়ম ফলো করে, ফর্মা প্রতি ৫০০ টাকা?
এছাড়া মৌলিক একটা উপন্যাস লিখছি, তিনি বলে রেখেছেন উল্লেখিত মূল্যের উপর ১২% হিসেবে টাকা দেবেন যে কয় হাজার বই ছাপা হয়, তার উপর।
এটাও কি কোন স্ট্যান্ডার্ড হিসাব?
আসলে আর কোন প্রকাশকের সাথে কথা হয় নি আমার, তাই আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, জানালে উপকৃত হবো। ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: গুটিকতক ভাগ্যবান লেখকের মধ্যে আপনি একজন, যাঁদের বই লেখকের কাছ থেকে টাকা না নিয়ে প্রকাশক ছেপে দিচ্ছেন, শুধু তাই নয়, আপনাকে কিছু সম্মানীও দেয়া হচ্ছে। এতে অবশ্য আরেকটা জিনিসও প্রমাণিত, আপনি খুব ভালো লেখেন। আর আমার জানা মতে অনুবাদের কাজগুলোর একটা চাহিদা আছে। আমি বেশ কয়েকবার অনুবাদগ্রন্থের জন্য অনুরোধ পেয়েছি। কিন্তু আমার দ্বারা অনুবাদ সম্ভব নয় বলে করি নি। পত্রিকায় পড়েছি, প্রকাশকগণ হুমায়ূন আহমেদকে অনেক বড় অঙ্কের টাকা অগ্রিম দিয়ে রাখেন তাঁর বই পাবার জন্য। অর্থাৎ, কতো হারে লেখককে রয়্যেলটি দেয়া হবে তা হয়তো সুনির্দিষ্ট নয়। আমি নিজের গাঁটের টাকা প্রকাশককে জমা দিয়ে বই করেছি। অনেকে বড় প্রকাশনিতে বই ছাপতে গিয়ে বেকুবও হয়ে যান। যেমন, বই ছাপার খরচ নেবেন না প্রকাশক, তবে, ছাপা বইয়ের ৩০০, ৪০০, বা ৫০০ কপি আপনাকে কিনে নিতে হবে, বা বিক্রির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আপনি বই কিনতে গেলে ২০-২৫% কমিশন পাবেন, কিন্তু নিজের বইটি যখন কিনে নিতে যাবেন, সেখানে কোনো কমিশন পাবেন না ![]()
আপনার জন্য পরামর্শ, আপাতত কতো সম্মানি পাচ্ছেন তার দিকে নজর না দিয়ে নিজের টাকা খরচ না করে যদি বই ছাপতে পারেন, তা করে যান। তবে, প্রকাশনির মানটা কেমন তা একটু দেখে নিতে হবে বৈকি।
ভালো থাকুন।
শ্যাম সুব্রত বলেছেন:
ভালো লাগলো লেখাটি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জানালার বাইরে বলেছেন:
খুব খুব খুব খুব ভাল লাগল আপনার লেখা।প্রিয়তে রাখলাম।আশাকরি একদিন কাজে লাগাতে পারবো।
লেখক বলেছেন: আপনার কাজে লাগলেই শ্রম সার্থক হলো বিবেচনা করবো। ধন্যবাদ।
প্রিয়তে রাখলাম ছাই ভাই
জীবনে ও কাজে লাগাতে পারবো না সেই যোগ্যতা নেই আমার।
তার পরও রাখলাম যদি পরিচিত কারো কাজে লাগে
লেখক বলেছেন: আরে ভাই, উপরে দেখুন কোনো কমেন্টের রিপ্লাই দেয়া বাদ আছে কিনা। অনেক কমেন্টের রিপ্লাই কয়েক মাস পরে দেবারও নজির দেখুন উপরে। কারণ হলো, ব্লগে খুব কম কমেন্ট পড়ে। প্রথমবার কমেন্টটি দেখার পর হয়তো সাথে সাথে রিপ্লাই করা সম্ভব হয় নি। এরপর এ পোস্টে আর কমেন্ট না পড়ে থাকলে এ পোস্টে পুনর্বার আসার সম্ভাবনা খুব কম। যাই হোক, আমি দুঃখিত ও লজ্জিত অনেক পরে আপনাকে রিপ্লাই করার জন্য। রিপ্লাই না করার প্রবণতা যেমন আমার নেই, বেছে বেছে রিপ্লাই করাও আমার স্বভাব নয়।
পোস্টটি যেন কোনোদিন আপনার কাজে লাগে সেই দোয়া করছি- আপনি একজন ভালো লেখক হিসেবে গড়ে উঠুন। ধন্যবাদ।
মুখপোড়া বলেছেন:
ভাই আমি দিন-রাত এ কাজই করি তবে এত সহজ করে সবাইকে বুঝিয়ে বলার এই ধৈর্য হয়তো হতোনা। সবার আগ্রহ থেকে বুঝছি ব্লগারদের জন্যে এই পোস্ট কত প্রয়োজনীয়। এমন একটি কাজের পোস্টের জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মাসুদ রশিদের (মন্তব্য ২২; আমি এখন এই সমস্ত প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এসেছি। বই ছাপার দরকারটা কি এত অহরহ? এটাতো পরিবেশব্ন্ধব প্রক্রিয়া নয়। ই-বুক খুবই পরিবেশ বান্ধব, সহজলভ্য এবং মতবিনিময় যোগ্য মাধ্যম। নবীন লেখকরা খুব সহজে এই প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।) ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। তবে, ব্লগ বা ই-বুক যতোই হোক না কেন, বইয়ের আবেদন কোনোদিনই কমবে না।
জলমেঘ বলেছেন:
অনেক কিছু জেনে রাখলাম; যদিও জানি অই পথে হাঁটা হবেনা।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্য শুভেচ্ছা- আপনিও একদিন এই পথে হাঁটবেন, একজন ভালো লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন। ধন্যবাদ।
আমার- নাম- মেহেদী বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম। যদি কোন কালে লেখক হইবার পারি তখন কাজে লাগামু নে আপাতত আমি শুধুই একজন ব্লগার
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা থাকলো, যেন কোনো এককালে এ-লেখাটি কাজে লাগিয়ে একজন সুলেখক হয়ে উঠতে পারেন।
উপপাদ্য বলেছেন:
ভাই, ২০১২ সালের বই মেলায় ২৫-৩০টা কবিতা নিয়ে একটা বই বের করতে চাচ্ছি। কেমন খরচা পাতি হতে পারে দয়াকরে একটু কি জানাবেন? বইয়ের মানটা অবশ্যই ভালো হতে হবে। আর আমার ব্লগে আপনার দাওয়াত রইলো। কয়েকটা কবিতা আছে এগুলো দিয়ে কি চলবে? অনেস্ট মতামত চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আপনার ব্লগে গিয়ে কয়েকটা কবিতা পড়ে এলাম। ভালো লেখেন আপনি।
বই ছাপা হয় ফর্মার হিসাবে। প্রতি ফর্মায় ১৬ পৃষ্ঠা। বইয়ের সর্বমোট পৃষ্ঠাসংখ্যা থেকে ৬-৮ পৃষ্ঠা বাদ যায় প্রিন্টার্স স্লাইড, উৎসর্গ, সূচিপত্র, ইত্যাদির জন্য। বর্তমানে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ ছাড়া আর কারো সাথে আমার যোগাযোগ নেই। ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ ২ ফর্মার বই ছাপবে বলে মনে হয় না। সর্বনিম্ন ৩ ফর্মার বই হয়তো তাঁরা ছাপবেন। এ আর্টিকেলের টেক্সট থেকে হিসাব করে বের করুন ২৫-৩০টা কবিতার জন্য আপনার কতো পৃষ্ঠার বই হবে। প্রতি পৃষ্ঠায় আনুমানিক ২৪-২৮ লাইন পর্যন্ত ধরে। এক পৃষ্ঠায় একটা কবিতা ছাপানোই শ্রেয়। ৩ ফর্মার ৩০০ কপি বই ছাপতে আনুমানিক ২০-২২ হাজার টাকার মতো খরচ হতে পারে। তবে ইত্যাদির প্রকাশক জয়েল সাহেবের সাথে সরাসরি কথা বলে হিসাবটা জেনে নিতে পারেন। তাঁর প্রকাশনী বাংলাবাজারে, সেখানে গিয়েও দেখা করতে পারেন। তাঁর মোবাইল : ০১৭১৫৪২৮২১০। এছাড়া পান্থ বিহোসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, ওরও একটা প্রকাশনী আছে। পান্থ বিহোসের মোবাইল : ০১৬৭৩৬৩৬৭৫৭।
ভালো থাকুন। শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আহসান জামান।
এম এম ওবায়দুর রহমান বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম। প্রিয়তে নিলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হাসান ইকবাল বলেছেন:
বই প্রকাশনার আদ্যোপান্ত। সম্ভাবত এটাই প্রথম ব্লগ। অনেকে ভালো লাগলো আপনার লেখাটা পড়ে। এবং প্রিয়তেও রাখলাম।
আমার বাবার লেখা আত্মজীবনীমূলক, স্মৃতিকথা, জীবনবোধ নিয়ে লেখা ১৫টি গল্প নিয়ে একটি বই প্রকাশ করতে চাই। পান্ডুলিপি কম্পোজ হয়ে গেছে। বইয়ের সেটআপ অনুযায়ী বিষয় সূচি, ভূমিকা, লেখকের কথা এবং মূল লেখা নিয়ে পৃষ্ঠা গিয়ে দাঁড়ালো ৮০।
পান্ডুলিপিটি ইতিমধ্যে কবি নির্মলেন্দু গুণ পড়ে ফেলেছেন এবং তিনি মূল ভূমিকা লিখছেন।
ব্লগের প্রকাশক বন্ধুরা জানাবেন কি , ৪০০ কপি বই বের করতে কত খরচ হতে পারে। এমন কোন প্রকাশকের খবর দিবেন কি যারা আমার বাবার পান্ডুলিপিটি তাদের খরচে কিংবা অর্ধেক খরচে ছাপিয়ে দেবে।
লেখক বলেছেন: আপনি যদি মনে করেন যে আপনার আব্বুর পাণ্ডুলিপিটা গুণগত ভাবে খুব উঁচু মানের, তাহলে আমার সাজেশন বড় কোনো প্রকাশকের সাথে যোগাযোগ করুন। তবে, এ বছরের জন্য খুব দেরি হয়ে গেলো। বইটি তাঁদের ভালো লাগলে আশা করি বিনা খরচে ছাপতে রাজি হতে পারেন। ছোটো প্রকাশকরা বিনা খরচে বই ছাপবার ঝুঁকি নিতে চান না বলেই আমার ধারণা (যে ধারণা ভুলও হতে পারে)।
শুভ কামনা।
ধূসর প্রেইরী বলেছেন:
আমি খুজতেছি আপনাকে Please mail me your mobile number at .
Next 15 days a ki possible ekta book publish kora? Pandulipi ready, chaile proof reading o ready korte pari within couple of days.. But this is too urgent..
লেখক বলেছেন: ভাই আপনি আমাকে খুঁজছেন এটা শুনে ভালো লাগলো। তবে ভুল বুঝেছেন, আমি কোনো প্রকাশক নই। আমার কাছে এ মুহূর্তে কয়েকটা প্রকাশনীর নম্বর আছে, যাঁদের মধ্যে ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশের জুয়েল সাহেব আমার খুব ঘনিষ্ঠ। তাঁর সেল নম্বর : ০১৭১৫৪২৮২১০। আপনি তাঁকে ফোন করে আমার কথা বলে দেখতে পারেন। তাঁদের অফিস বাংলা বাজার, কম্পিউটার কমপ্লেক্স, ৩য় তলা। এ ছাড়াও পাবেন :
আগামী প্রকাশনী (ওসমান সাহেব) : ০১৮১৯২১৯০২৪
একাডেমী প্রেস এন্ড পাবলিকেশন লিঃ (সাহানা রহমান) : (নামটা বোধ হয় সঠিক হলো না) : ৮১২৫৩৯৪
রাইটারস ইংক (প্রফেসর নিয়াজ জামান) : ৯৩৩৫৬০৭
ইমন (মুক্ত স্বদেশ) : ০১৭১২৬৭১৩৪৬
ধূসর প্রেইরী বলেছেন:
তাঁর সেল নম্বর : ০১৭১৫৪২৮২১০। আপনি তাঁকে ফোন করে আমার কথা বলে দেখতে পারেনআপনার নামটা জানার জন্য তো inbox দরকার একটা. Apnar namer er bepare amar onoviggotake maf kore deben please.
লেখক বলেছেন: তাঁকে আমার নাম ফারিহান মাহমুদ বা সোনাবীজ বা খলিল মাহমুদ বললেই হবে। আর আমার নাম না বললেও হবে- শুধু তাঁকে বলুন আপনি বই ছাপতে চান, এই অল্প সময়ের মধ্যে করে দিতে পারবে কিনা। ধন্যবাদ।
মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন:
অনেক কিছু জানা গেল ভাই। ধন্যবাদ।আমার লিবিয়া যুদ্ধের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে [এই ব্লগেও লিখেছিলাম] একটা বই বের করতে চাইছিলাম। কিছু প্রকাশনীর ইমেইল আইডি দিতে পারেন?
লেখক বলেছেন: ই-মেইল আইডি নেই; তবে আমার কাছে এ মুহূর্তে কয়েকটা প্রকাশনীর নম্বর আছে, যাঁদের মধ্যে ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশের জুয়েল সাহেব আমার খুব ঘনিষ্ঠ। তাঁর সেল নম্বর : ০১৭১৫৪২৮২১০। আপনি তাঁকে ফোন করে আমার কথা বলে দেখতে পারেন। তাঁদের অফিস বাংলা বাজার, কম্পিউটার কমপ্লেক্স, ৩য় তলা। এ ছাড়াও পাবেন :
আগামী প্রকাশনী (ওসমান সাহেব) : ০১৮১৯২১৯০২৪
একাডেমী প্রেস এন্ড পাবলিকেশন লিঃ (সাহানা রহমান) : (নামটা বোধ হয় সঠিক হলো না) : ৮১২৫৩৯৪
রাইটারস ইংক (প্রফেসর নিয়াজ জামান) : ৯৩৩৫৬০৭
ইমন (মুক্ত স্বদেশ) : ০১৭১২৬৭১৩৪৬
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আশা করি আপনারও একদিন কাজে লাগবে। শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: Click This Link
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















