আমার প্রিয় পোস্ট

হাঁটা পথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে হে সভ্যতা। আমরা সাত ভাই চম্পা মাতৃকাচিহ্ন কপালে দঁড়িয়েছি এসে _এই বিপাকে, পরিণামে। আমরা কথা বলি আর আমাদের মা আজো লতাপাতা খায়।

যে যায় সে একা যায় : চরিত্রহননের সুখ-দুঃখ

০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0

সচল বিষয়ে আগের পোস্ট: যে কারণে আমি সচলায়তনের সদস্যপদ পরিত্যাগ করছি: একটি বিবৃতি

চিরকালই যে যায় সে একাই যায়। কেউ খুশি হয় কেউ কষ্ট পায় কেউবা সে চলে যেতেই চেয়েছিল বলে যাওয়ার দাগটা আরো দ্রুত মুছে দিতে চায়। কেউ অশ্র“তে মোছে, কেউ সেই দাগের ওপর ধুলো-ময়লা-কালি দিয়ে দাগটাকে ক্ষত বানিয়ে তোলে।

কিন্তু যে যায় সে একা যেতে পারে না কখনো। মনের মধ্যে তাকে নিয়ে যেতে হয় কষ্ট, স্মৃতি, সঙ্গসুখস্মৃতি, ফেলে আসতে হয় উদ্দীপনার আভা। ওগুলো দেখানো যায় না। বলা যায় না যে, দেখো তোমরা কী করেছো? কারণ তারা নিজেরাও জানে না তারা তাদেরই ক্ষতি করেছে। বৃক্ষের প্রতিটি পাতাঝরা মাটি টের পায়, বৃক্ষও টের পায় যা ঝরলো তা তারই আত্মজ। এরা বোঝে না। বৃক্ষ মানে এদের কাছে কাঠ প্রাণ নয়, ব্লগার মানে প্রজা, মানুষী মন নয়।

তাজউদ্দীনকে ছুঁড়ে ফেলার জন্য কম লোকই শেখ মুজিবকে প্রশ্ন করে। ট্রটস্কি রাশিয়ার বিপ্লবের অন্যতম কারিগর। জীবিতাবস্থায় তিনিই ছিলেন স্ট্যালিনের প্রধানতম সমালোচক। নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে প্রথম শহীদ তিনিই। কিন্তু আজ যারা স্ট্যালিনের সমালোচক, তারা কিন্তু ট্রটস্কির অবস্থানের সঠিকতাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে ভুলে যায়। সত্য ও মতা পাশাপাশি বাস করে না কখনো। কিন্তু রাষ্ট্র যার হাতে, নিয়ন্ত্রণ যার হাতে, মাউথপিস যার হাতে সেই ঠিক করে কোন সত্য ক্ষমতার সঙ্গে সহবাসী হবে। সত্য তাই অধরাই থেকে যায় বা ধর্ষিত হয়।

তাহলেও আমাদের সত্য বলে কিছু একটা ধরে নিতে হয়। তার নিরিখেই পরস্পরের বিচারও করতে হয়। আমিও করি। কিন্তু তা নিজের মধ্যেই রাখার চেষ্টা করি। কারণ, আমার সত্য তো আমার সত্য। তা সবার মুখে চেপে ধরি কোন সাহসে?

কথা হচ্ছিল, ব্লগপরিসরের গণতন্ত্র, একনায়কত্ব ইত্যাদি নিয়ে। ব্লগাররা মডারেটরদের মজুর নয় সেই দাবি নিয়ে। কিন্তু অনেকেই দেখলাম, আমার চরিত্র বিচার করতে বসেছেন। আমার উপকারই হলো বরং। আমি শিখলাম। তা থেকে আমার আমিত্বকে নাহয় আরো গুহাবাসী করবো। কিন্তু ভুল জিনিসকে মহিমা দিয়ে বসিয়ে রাখবো না। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় প্রতিবাদীদের গুহায় পুরে গুম করা হয়, তার বিরুদ্ধে কথা বলবার প্রয়োজন নাই? ভিক্টিমকেই দোষী করা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির মোক্ষম নীতি। দেখছি, তার ব্যবহার ব্লগেও বহুল হয়েছে। দেখছি, সামনে এসে একরকম আর রাজ দরবারে গিয়ে সুর পাল্টানোর টেকটিক্যাল এ্যাক্রোবেটিস। দেখছি, আক্রমণকারী ও আক্রান্তকে এক পাল্লায় মাপার বিমানবিক নিরপেক্ষতা!!! আমার বর্ম নাই। আমি নাঙ্গা হয়েই হাজির হয়েছি। আক্রমণগুলো চামড়ায় মিশিয়ে নিয়েছি।

যাঁর যা অস্ত্র তিনি তো তা-ই ব্যবহার করবেন। আমি যুক্তি থেকে কথা তুলেছি, যুক্তি দিয়েই শেষ করি।

১. বলা হচ্ছে, ছবি ছোটো করায় আমি নাকি আপত্তি করেছি। ঘটনা হচ্ছে, ছবিটা নিজে ছোটো করতে না পারায় আমিই অনুরোধ করেছি, ভাই ছোটো করে দ্যান। তার জবাবে তিনি ছোটো করতে না জানার জন্য কান ধরে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে বলেন। এখান থেকেই শুরু। শুরুটা আমার না, শেষটাও আমার না। আমি কেবল সমান পাল্টা প্রতিক্রিয়া করেছি। এককাঠিও বেশি বাড়িনি এবং ছাড়ও দেইনি। অতীতে দিয়ে দেখেছি, কোনো লাভ হয় না। সামনে না পেরে পেছনে গিয়ে স্যাটায়ার লেখে, ছড়া লিখে প্রতিহিংসার বিকৃত আনন্দ সদলবলে উপভোগ করে।

২. বিষয়টা একদিনের না, দিনে দিনে অজস্র অপমান আর অগণতান্ত্রিকতা জমে ছিল। কতবার কর্তাদের বা তাদের নিকটজনদের বিভিন্ন লেখায় আমার বিরুদ্ধে ছদ্মবেশী পরিহাস, ছড়া ও গল্প দেখেছি। দেখেছি, অন্য ব্লগারদের ঝাড়ি দেওয়া। সেটা সয়ে যাওয়া সুবিধাবাদীতা হতো আমার জন্য। আবার এও ঠিক যে, ওই মডারেটরদেরও অনেক বড় কাজের উদ্যোগ, সহমর্মিতা, শুভেচ্ছাবোধের প্রকাশ দেখেছি। তারা হয়তো আমার থেকে উচ্চতর মানুষ। তাই উচ্চতায় রেখেই আমি চলে এসেছি।

৩. সচলে অনেকেই আমার লেখাকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দেন। অনেকেই ভালবাসেন। তাদের প্রতি আমার অনুভবের প্রতিদান দেবার সামর্থ্য আমার নাই। কীভাবে বলি, আমি আমার অনেক মানসিক বিনিয়োগ সেখানে রেখে এসেছি। কীভাবে বলি, নিজেকে অকপট ভাবে প্রকাশ করার একটি মঞ্চ হারানো কী বেদনার। সেসব বলবার প্রয়োজন নাই। আবারো বলি, কারো কান্না মহত আর কারো কান্না উপেক্ষণীয় তা নয়।
৪. আমি কথা তুলেছিলাম চিন্তা ও কাজ নিয়ে। জবাব এল আমার চরিত্র নিয়ে। একেই বলে পাঁজরায় আঘাত। সচলে আমি মৃত। মৃতের মূল্যায়ন হয়, বিষোদগার করাটা কতটা শোভন? আমাকে কি সেসবের উত্তর দেওয়ার সমান সুযোগ দেওয়া হবে? আমি কি সচলে অবাধ প্রবেশাধিকার পাব? যে কাজটি অনেকে মিলে একা একজনের বিরুদ্ধে করছেন সেটা বেশ। এদেশে গণপিটুনি জনপ্রিয়। মানুষ সম্পর্কেও নতুন শিক্ষা হলো। শিক্ষা কখনো মুফতে আসে না, দাম দিতে হয়। দিলাম।

৫. কেউ কেউ বলছেন, আমি কেন প্রতিবাদটা অন্য ব্লগে দিলাম। এর আগে যখনই সচলে বিতর্ক চালানোর সুযোগ ছিল, তার বাইরে যাইনি। বরং বাইরে কেউ সুযোগ নিতে চাইলে নিজে গিয়ে সামাল দিয়ে এসেছি। সববারই। কিন্তু এবার যখন আমার কমেন্ট মডারেশন কিউতে জমা দেওয়া হলো। যখন আমাকে অতিথি স্ট্যাটাসে নামিয়ে দেওয়া হলো, তার থেকে বড় কথা, U r no vip here, stay or get lost বলে বিদায় ও মুখবন্ধ করা হলো, তখন আমার কী করণীয় ছিল তা আমি জাতির বিবেক বনে যাওয়া ঐ ব্লগারদের কাছে জানতে চাই। আমার কি বলা উচিত ছিল, 'হুজুর সবসময়ই ঠিক। ভুল আমারই? যেখানে কমেন্ট নেওয়া হচ্ছে না, সেখানে কিভাবে প্রতিবাদ করতাম? অতীতে মেসেজ দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবাদ করেও তেমন ফল পাইনি। আমার আস্থা নড়ে গেছে। সেটা ফিরিয়ে আনা আর সম্ভব নয়। ফলে বিদায়।

৬. খুবই অবাক হই, যখন দেখি ঘটনার সাক্ষ্যপ্রমাণ না নিয়েই বিভিন্নজন ‘ও আচ্ছা’ বলে রায় দিয়ে দেয়। এবং অবশ্যই তা ক্ষমতাকে তুষ্ট করার জন্য। মনে রাখবেন, ক্ষমতার সামনে উচ্চারিত কথা কদাচ সত্য নয়। সত্য তা-ই যা প্রতিকূলে বসে উচ্চারিত হয়।

৭. অবশ্যই আমার শত্রু আছে। রাজনৈতিক আলোচনা-বিশ্লেষণে যদি কেউ আহত হন আমার কিছু করার নাই। যদি আমার ব্যক্তিগত আচরণে কাউকে আহত হতে হয়, তার জন্য আমি মাপ্রার্থী। কিন্তু যিনি আহত হলেন বলছেন, তিনি কি ক্ষোভের জন্যই বলছেন নাকি ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করছেন। আরেকজন জানিয়েছেন, আমি নিয়ম লংঘন করেছি। বেশ নিয়মকে নিগড় বানানো যারা ভালবাসে, শেকলকে ভালবাসার লোকও তারা পেয়ে যায়। তারা দুজনে দুজনার হয়ে সুখে থাকুক।

৮. কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। কারণ, ধাক্কা ছাড়া জগদ্দল পাথর নড়ে না। রাজরথের তলে কেউ পিষ্ট না হলে সেই রথ থামে না। আমার তোলা প্রশ্ন থেকে সচলায়তন যদি কিছুটা শেখে, যদি তা আরো বেশি ব্লগারবান্ধব হয়, যদি ব্লগারদের অনুভূতিগুলোকে মান্য করে, যদি তাদের একাত্মতাকে পরকিয়া না ভেবে আপনকীয়া করে, তাহলে আমার কোনো দুঃখ থাকবে না।

৯. সবচেয়ে খারাপ লাগলো, সুবজ বাঘের একটি স্পর্শকাতর কমেন্টকে পুঁজি করে আমার বিরুদ্ধে সাইকোলজিক্যাল ও মোরাল প্রেসার তৈরি করা। এটা অনৈতিক। সবুজ বাঘ ঠিক বলেননি। কিন্তু সেটাকে খুঁচিয়ে বাড়িয়ে তুলে অন্যরা কি ঠিক করলেন? এক ঢিলে কত পাখি মারতে চান তাঁরা?

সামুতে আমি অনেক আগে থেকে লিখি। সুতরাং সামুতে কথা বলা আচানক ব্যাপার নয় এবং অন্যায়ো নয়।
.....................................
পরিশিষ্ট: এই ছিল সেই অনিষ্টকর আলাপ। এর মাঝখানে কয়টা কমেন্ট ছিল, যেগুলো সেভ করার আগেই মুছে দেওয়া হয়।

১. | মামুন হক [অতিথি] | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ১৬:০৩
কি ভয়ংকর!!
আত্নধ্বংসী এই লোভী কর্পোরেট দুনিয়াকে জানাই শত ধিক!

উদ্ধৃতি | জবাব


২ | ফারুক ওয়াসিফ | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ১৬:৪৭
জ্বি মামুন, আমরা আসলেই তাদের গিনিপিগ। আমাদের মগজ তাদের নানান ভাইরাসে আসক্ত আর আমাদের শরীরের সার্বভৌমত্ব হারিয়ে যায় তাদের নানান ব্যবসার মুনাফার উপাদান হিসেবে। আমার শরীর-মন-যৌনতা-রাগ-বিকার-ক্ষোভ সব কিছুর ওপরই তাদের নিয়ন্ত্রণ। সেকারণে বিশ্বের নতুন-পুরাতন মুক্তিকামী আন্দোলনগুলো এইসব কর্পোরেট আর তাদের প্রেডেটর সাম্রাজ্যবাদী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধেই আগে দানা বাঁধবে। পুরাতন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার ব্যকরণও তাই পাল্টাচ্ছে।

উদ্ধৃতি | সম্পাদনা | জবাব


৩ | নুরুজ্জামান মানিক | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ১৬:৫০

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

উদ্ধৃতি | জবাব


৪ | অরূপ | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ১৯:৪২
মুছে দিলাম.. সাম্বালকে!

উদ্ধৃতি | জবাব


৫ | ফারুক ওয়াসিফ | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ২১:১১
সাম্বালকে! ভাষাটা সাম্বালকে! অ্যাপ্রোচটা সাম্বালকে! আমি এসব বিষয়ে স্পর্শকাতর।
আমার কমেন্ট করার সুযোগ কি বন্ধ রেখেছিলেন?

উদ্ধৃতি | সম্পাদনা | জবাব


৬ | হিমু | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ২১:১৩
বাংলাদেশে বিমানবন্দরের পাশে কোয়ারানটাইনের জন্য কোন ব্যবস্থা কি আছে? আমার জানামতে নেই। এ ব্যাপারে মনে হয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। বিদেশ থেকে আগত সংক্রামিত কেউ যদি জনস্রোতে মিশে যাবার সুযোগই পেয়ে যান, তাহলে তো ফ্লু মহামারী আকার ধারণের সুযোগ পেয়ে যাবে।
________________________________________

হাঁটুপানির জলদস্যু
আলো দিয়ে লিখি


উদ্ধৃতি | জবাব


৭ | অরূপ | বিষ্যুদ, ২০০৯-০৪-৩০ ২১:২৩
ফারুক ওয়াসিফ,
This is a warning.. Behave or get lost..
You are no VIP here..
............................................................

এটুকু আমি সেভ করতে পেরেছিলাম। তার আগেই আমার আর অরূপের পাল্টাপাল্টি রসিকতার ঢংয়ে কমেন্ট ছিল। অরূপ বড় ছবি ছোটো করে দিতে বললে, আমি বলি 'আমি চেষ্টা করেও পারছি না আপনি কি কাজটা করে দেবেন জনাব?'
যতদূর মনে আছে, অরূপ কাজটা করে দিয়ে যৌনগন্ধি ইঙ্গিত করে বলেন,
বিশালাকায় হয়ে বেরিয়ে ছিল ছোট করে দিলাম। চোখ টিপির আইকন।
আমি জবাব দিই:
বড় জিনিস ছোট করে দেওয়া আপনার বহুদিনের অর্জিত জ্ঞান। ধন্যবাদ। চোখ টিপির আইকন।
তারপর তিনি জবাব দেন,
আপনি যেহেতু পারেননি, সেহেতু কান ধরে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকেন।
আমি বলি,
প্রাইমারি স্কুলের মাস্টারি করার খায়েশ আপনার যায়নি দেখছি। অসুবিধা নাই, দেশে আসলে ভর্তি করে দেবনে। আর তর না সইলে আয়নার সামনে গিয়ে যেখানে ইচ্ছা ধরে টানাটানি করেন, ভাল লাগবে।
এরপর অরূপ কী যেন একটা ধমক দিয়ে বলে, আর তারপর ঐ কমেন্টগুলি (যেগুলি এখানে নাই) মুছে দেয়। দিয়ে জানায়, সাম্বালকে! ভাষা সাম্বালকে! মুছে দিলাম।
আমি বলি, বুঝেছেন তো এই ভাবে না এগনোই শ্রেয়।
অরূপ জবাবে তার স্বভাবসুলভ দাপুটে উক্তি বরে আমাকে নিপাত যাও করে দেয়।

আমি এখন নিপতিতই আছি মনে হচ্ছে সচলে তাদের মিথ্যাচার দেখে। দেবতারা আমায় পরিত্যাগ করেছেন। আমার বোধহয় এখন ক্রুশকাষ্ঠে চড়া উচিত।







 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: এই পোস্টে সবাই যদি করুণা করে হলেও ব্যক্তগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকেন তো সত্যিই কৃতজ্ঞ থাকবো।
ব্লগ সংস্কৃতিতে বন্ধুতার প্রবাহ থেকে অসূয়ার অগ্নুৎপাত কেন বেশি হয়, তা সত্যিই ভাবনার বিষয়।
২. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: এখন শুরু হবে আপনাকে নিয়ে মুখোশ পড়া কিছু প্রাপ্তবয়স্ক সুশীল বালকের নোংরামী।
৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: ফারুক ভাই, বাদ দেন। আপনি শুধু লেখক তো না, আপনি রাজপথের লোকও বটে। আপনার চরিত্রহননের চেষ্টা করবেই লোকে। তাতে কি? আমাদেরও-তো (সাধারণ পাঠকের) বিচার বিবেচনা আছে।
৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১
ফারহান দাউদ বলেছেন: যুক্তি হাতে না থাকলে ব্যক্তির চরিত্র হনন পুরানো কৌশল,আপনার তো না জানার কথা না।
বরং বাদ দেন,কে যে কেমন সবাই জানে,আমব্লগার বা আমজনতারে এলিটরা যতটা বেকুব ভাবে ততটা মনে হয় তারা না। যতই বলবেন এদের ততই গুরুত্ব দেয়া হবে,ছেড়ে দেন।
৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২
ফারহান দাউদ বলেছেন: আর আমি আপনাকে অবশ্যই উপদেশ দিচ্ছি না,নিজের বিবেচনাটা জানালাম আরকি,বাদবাকি আপনার ব্যাপার।
০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান ও সুমন। আমরা আমাদের অংশটা ভাল ভাবে করি। যাতে মন্দের সঙ্গে ব্যলান্স হয়। ভালটাই বেশি থাকে।

৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
সু-শান্ত বলেছেন: আমি তো সচলয়াতনের মডু তথা এডিটর দের কোন দুষ খুজে পাচ্ছি না। একটা রাইটার্স ফোরামে লিখতে হলে তো হলে আপনাকে সম্পাদক কে তেল দিয়েই চলতে হবে। আপনি তো চাইলেই মতিউর রহমান এর বিরুদ্ধে যেতে পারবেন না; একই কথা সচলায়তনের বেলায় ও।
৭. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
সু-শান্ত বলেছেন: ফারুক ভাই, পোস্টে মাইনাস দিলাম।
৮. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: ধন্যবাদ সু-শান্ত। আপনি অকপট। আপনাকে বুঝতে পারছি।
৯. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

সচলের নতুন কর্ম দেখে মোটেও আশ্চায্য হই নাই। আর মেরুদন্ডহীন লেখকরা ক্ষমতাবানদের তুষ্ট করার জন্য , ফারুক ওয়াসিফ তর্কে হারতে চান না, উনি তর্ক করতে কর্তে অন্য প্রসঙ্গে চলে যান এইসব।

যেখানে ফারুক হচ্ছেন ভিক্টিম সেখানে ঐ প্রসঙ্গে কিছু না বলে উনি কবে কোথায় কি করেছেন কি বলেছেন এইসব নিয়ে আসে। এ যেন কাঁটা গায়ে লবনের ছিটা।
১০. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
সু-শান্ত বলেছেন: আমি অনেকবারই বলেছি অনেককেই - সচলে আত্মমর্যাদা সম্পন্ন যে কারো পক্ষেই থাকা সম্ভব না। যারা আছে তাদের জন্য মাঝে মধ্যে মায়াই লাগে।

সবচেয়ে অবাক লাগে যখন দেখি কেউ প্রতিবাদ করছে না। এমনকি হাসান মুরশেদের মতো প্রতিবাদী যুবা ও। অন্যদের কথা বাদই দিলাম।
১২. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
মনসুর হিল্লাজ বলেছেন: কোন ঘোষনা ছাড়া সামহোয়ারইন ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম বেশ আগে। এখন আমারব্লগে লিখি। আপনার গত দুটি পোস্ট পড়লাম।ব্লগজগতে এরকম আসা যাওয়া চলবেই। সচলায়তন নিয়ে অনেক তো লিখলেন। অনেককের অনেক ব্যক্তিগত ক্ষোভ যার সাথে হয়তো আপনার ঘটনার কোন সম্পর্ক নেই সেগুলি বের হবার একটা সুযোগ হয়ে গেল সেখানে। অনেক তো হল, এবার তাহলে নিজের ব্লগিং করুন। আপনার পাঠকরা আপনাকে মিস করছে।

আমি আসলে এতোদিন পরে সামহোয়ারে লগইন করেছি আপনাকে http://amarblog.com এ আমন্ত্রন জানাতে। আমারব্লগে কোন মডারেশন নেই, কোন কমেন্ট মুছামুছি নেই। আমার ব্লগের চাইতে বেশী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ইন্টারনেটে বা বাস্তবে পৃথিবীর কোথাওই নেই।
০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: হুম, এটা এখানেই শেষ করে স্বাভাবিক লেখালেখিতে যাওয়া উচিত। একমত।

১৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
শয়তান বলেছেন: আপনার বোধদয়টা আগেরবারই হওয়া উচিৎ ছিলো । জানিনা কেন এক রাতের ভেতরই আবার সচল স্রোতে মিশে গিয়েছিলেন সেবার ।
১৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২১
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: আমি কখনোই মডারেটরেদর মুখ চেয়ে লিখিনি। একটা জায়গায় যখন অনেক মন-শ্রম-মনোযোগ দিয়েছি, সেটা পথের ধুলায় ফেলে চলে আসা কি বিবেচকের কাজ হতো? যখন ব্লগার বন্ধুদের বড় অংশই শেষবারের মতো অনুরোধ করে থাকতে, তখন তা উপেক্ষা করা উদ্ধত আচরণ হতো না? একটা জায়গা নিঃশেষ মনে না হলে চলে আসার পরেও আক্ষেপ থেকে যেত। তার বাইরেও মানবিক ডাকের প্রতি মানবিক সাড়া দেওয়ার দুর্বলতা আমি কাটাতে পারি না। তাই থেকে গিয়ে চেষ্টা করেছি।

এখন আমার কোনো আক্ষেপ নেই।
১৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১৬
রাগ ইমন বলেছেন: আপনার লেখা ভালো লাগে ।

একজন মাত্র পাঠকের অনুরোধ হয়ত নগন্য তবু করছি , এখানেই লিখুন । অন্য আরো অনেক জায়গাতে লিখতেই পারেন , আপনি যেখানেই লিখবেন , সেই ব্লগ সমৃদ্ধ হবে ।

তবে, অনুগ্রহ করে সামহোয়ার ইনে একটা কপি পোস্ট অবশ্যই করবেন । আমি অন্য কোথাও যাই না । তাই আপনার লেখা থেকে বঞ্চিত না হতে এই দাবীমূলক অনুরোধ ।

১৬. ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৮
নরাধম বলেছেন:

আপনি লেখার সাথে সবসময় হয়ত একমত হবনা, তবুও আপনার লেখা খুবই ভাল লাগে, চিন্তা করতে শেখায়। তাই আপনি যেখানেই লিখুন ঠিকই খুঁজে নেব, সেটা এখানে হোক বা আমারব্লগ হোক বা প্রথম আলো হোক। আপনার পরবর্তী লেখা পড়ার অপেক্ষায় আছি। ভাল থাকুন অনেক।
১৮. ০৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
জামাল ভাস্কর বলেছেন: সচলায়তনের শুরুতেই একজন আমন্ত্রিত সদস্য হওনের কারনেই জানতাম যে তারা একটা দুয়ার বন্ধ ব্লগ সাইট বানাইতে চায়, যেইখানে সামহোয়্যার ইন ব্লগের কিছু চরিত্র থাকবো না। সামহোয়্যার ইন ব্লগে কথিত ইসলাম পন্থী আর স্বাধীনতা বিরোধীগো বিপরীতে বর্তমান সচলের সংগঠকেরা মুক্তিযুদ্ধপন্থী গ্রুপের নামে ব্লগিং করতো...তারা তখন মুক্তিযুদ্ধের আদশৃ টিকাইয়া রাখতে ট্রোলিং করতো, তারা মাল্টিপল নিক ব্যবহার করতো...পুরা প্রক্রিয়াটাই ছিলো স্ট্র্যাটেজিকাল আর দ্বিপাক্ষিক। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী আর মুক্তিযুদ্ধ স্বপক্ষ শক্তি দুই পক্ষই ছিলো সমানে সমান।

সচলায়তন যখন শুরু হয় তার মডারেটর বা নিয়ন্ত্রকেরা এই সমস্যা বুইঝা সিদ্ধান্ত নিছিলো যে তারা নিজেগো নির্বিঘ্ন রাখতে পারবো যদি এই ট্রোলিং ঠেকাইতে পারে। যেই কারনে তারা শুরু থেইকাই সনির্বন্ধ ছিলো ধারে কাছের মতাদর্শিক মানুষের গোষ্ঠী নির্মানে...লেখক গোষ্ঠী কইয়া যেই ডিলেমা তারা প্রচার করে সেইটা তাগো অনেকের মনে থাকলেও সদস্য ভূক্তিতে যে কেবল লেখক সত্ত্বারে মান হিসাবে নেওয়া হইতো না, সেইটা একজন প্রারম্ভিক সদস্য হিসাবে ভালোই অনুভব করছি আমি।

যদিও অনেকের মনেই লেখক আর লেখা বিষয়ে আগ্রহ ছিলো...এইটারে একটা বিকল্প সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট করা হইবো এইরম উদ্দেশ্যও অনেকের মধ্যে ছিলো। কিন্তু তার উপযোগিতা তারা টের পায় শুরুতেই...আর কেবল লেখক না, তাগো চাওয়াতে পাঠকও ছিলো...পাঠক না থাকলে তো আর লেখকের কোন গুরুত্ব থাকে না। আর তাই ভাই-বেরাদরের লগে কিছু চিন্তক তাগো লগে স্থান পায়...

ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য আর মালিকানা বোধ যে তাগো ছিলো সেইটা শুরুতেই টের পাইছিলাম আমি। তখন আমার প্রথম প্রস্তাবিত তিনজন সদস্যের যেই জনরে বাদ দিয়া দুইজনরে সদস্য করা হইছিলো, তাগো মধ্যে লেখক ছিলো কেবল বাদ পরা জন। সমভাবাপন্ন লোকের সমাবেশ ঘটাইয়া তারা চাইছে গ্যাঞ্জাম সামলাইতে...সামহোয়্যার ইনে যেইটা তাগো কাছে ছিলো এন্টারমেইন্ট, নিজের সাইটে সেইটারেই তারা আপদ মনে করলো!

সচলায়তন কর্তৃপক্ষের আচরনে ফ্যাসিবাদ আছে এই কথা এখন প্রমানিত সত্য। নাইলে ২ বছরে ৫/৬ জন সদস্যের সাথে একই ধরনের আচরন প্রকাশ ঘটে না...কিন্তু এইবারের গ্যাঞ্জামের পর তাগো উপলব্ধি আমার ভালোই লাগছে...অনেক সদস্য এইবার তাগো মডারেশন প্রক্রিয়া নিয়া ক্ষোভ দেখাইছে, এইসবরে আমার শুভ লক্ষণ মনে হইছে। বাংলা ভাষার একটা মুক্তিযুদ্ধ গন্ধী প্ল্যাটফর্মের এইরম শুদ্ধিকরণের আগ্রহ আমার কাছে পজিটিভই মনে হয়...তার লেইগা যদি একজন ফারুক ওয়াসিফরে বলির পাঠা হইতে হয় তাতে আমি অনেক বড় সমস্যা দেখি না।

কিন্তু সমস্যা দেখি অন্যত্র...সমস্যা হইলো প্রক্রিয়া দিয়া আসলে শিঙালো ষাড়রে পরিবর্তন সম্ভব কীনা সেই বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে। প্রয়োজন নিজের ভেতরের সংগ্রাম...চিন্তার অবাধ প্রবাহরে নিশ্চিত করনের সংগ্রাম। অরূপ এইবার তোমারে কইছে তুমি ভিআইপি না...সুমন রহমানরে লোহার ল্যাঙ্গট পড়তে কইছিলো...আমারে কইছিলো শোভনীয়তার বেড়া যাতে অন্যখানে ডিঙ্গাই। কিন্তু সবক্ষেত্রেই একটা মিল আছে...আমরা সবাইই সেইখানে তর্ক করতাম...যেই তর্ক তাগো পছন্দ না...তর্ক আসা মানেই তারা ঘর পোড়া গরুর মতোন আচরন করতো...নিজেগো ট্রোলিংরে আসলে তর্ক ভাবনের অবকাশে যায় তারা, তর্ক মানে নিজেরে প্রশ্নের সম্মুখিন ভাবে তারা...তারা খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্নের সম্মুখিন হইতে চায় না।

নোংরামির নজির হিসাবে তারা তোমারে খারাপ কথা কও বইলা অভিযোগ দিছে...প্রমান চাও...তারা চুপ কইরা থাকবো...কারন তারা নিজেরাও ফাইসা যাইবো তাতে। আমি যখন আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের প্রমান চাইছি তখন তারা অভিযোগটাই পাল্টাইয়া ফেলছে...প্রমানতো দূরস্থ...

তবুও সমাজের সর্বক্ষেত্রেই যখন ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠে তাতে আমি আরাম পাই...সম্ভাবনা দেখি পরিবর্তনের...ছোট ছোট পরিবর্তনেই আমি বৃহৎ বদলে যাওয়ার নমূনা দেখি।

তোমার লেখালেখি দেখতে চাই ফারুক...সেইটা তোমার যেইখানে ইচ্ছা সেইখানেই করো...কিন্তু সাথে সব ধরণের অন্যায়ের প্রতিবাদি কন্ঠ হিসাবেও তোমারে পাইতে চাই, আগের মতোই...
১৯. ০৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
শা‌হ্ আসাদুজ্জামান বলেছেন: আপনার পদক্ষেপে শুভকামনা জানিয়ে গেলাম। একলা ভাবার কারণ নেই। নিন্দুকে চরিত্রহনন করবেই, ওটা স্বাভাবিক প্রবণতা।

ব্লগ মাধ্যমে মডারেটর শ্রেনীর স্বেচ্ছাচারিতা দেখে এর গণতন্ত্রায়ণ, বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে অনেক ভেবেছি।

মনে হয় প্রকৌশলগত দিক থেকে পুরো সিস্টেমের এককেন্দ্রিকতা যতদিন থাকবে, তদ্দিন এজাতীয় সমস্যা চলতেই থাকবে। অনেকটা এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের যে সমস্যা, সেরকম।

আমি বিকেন্দ্রবাদী লোক, কাজও করি বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থা নিয়ে, সেজন্যই বোধ হয় এরকম মনে হল।

একজনের বা ক'জনের হাতে লেখা অনুমোদন/মোছার ক্ষমতা থাকলে এক সময় না এক সময় এসব ঘটবেই। যিনি নিয়ন্ত্রক বা অনুমোদকের কাজ করেন, তার ব্যক্তিগত দূর্বলতা এরকম আচরনের নিয়ামক হতে পারে, তবে একমাত্র কারণ মনে হয় না। এককেন্দ্রিক ক্ষমতাই মনে হয় সমস্যার মূল।

ইন্টারনেটের আগমনে তথ্যের পরিমাণ এত বেড়েছে, যে কোন না কোন রকমের ফিল্টারিং কর্তেই হয়, নয়তো অকাজে সময় নষ্ট। মডারেশন সেই ফিল্টারিংই করে, সমস্যা হল এককেন্দ্রিক ক্ষমতার জন্ম।

মডারেশন যদ করতেই হয়, তার বিকেন্দ্রীভবনের একটা ধাপ হতে পারে পিয়ার-রিভিউ টাইপের কিছু ব্যবস্থা করা, যেটা একাডেমিক প্রকাশনাগুলো এককেন্দ্রিক মডারেশনের সমস্যা বুঝতে পারার পরে চালু করেছে।

এরকম ব্যবস্থা সিস্টেমের ভেতর থেকে করা গেলে ভাল হয়। কিন্তু ওটাও ঠিক পুরোপুরি সফল ব্যবস্থা না।

শেষ পর্যন্ত কারো না কারো সততার/শুভবুদ্ধ‌ির ওপর নির্ভর করতেই হয়।

এই নির্ভরতাটা যত কম করতে হয় ততই ভাল।
২০. ০৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫
বিপ্লব রহমান বলেছেন: ১. পুরো ঘটনাটি দু:খজনক। সচলে আমি আপনাকে মিস করবো @ পোস্ট।

কিন্তু সামহোরিন, ফেসবুক বা পত্রিকায় আপনার ধারালো লেখনি থেকে আমি কখনোই বিচ্ছিন্ন হবো না--এটি আমি নিশ্চিত জানি।

২. সচল সদস্যরা নিজেদের সাবালক হিসেবে দাবি করতে পারেন। কারণ এটি শুধু প্রচলিত বাংলা ব্লগ সাইট নয়। এটি হচ্ছে একটি অনলাইন রাইটার্স কমিউনিটি। কিন্তু অনেকেই মডারেশনের শিকার হলে এই সাবালকত্ব হারান।

এই নিয়ে এঁড়ে তর্ক করতে করতে এক সাইটের মান-অভিমান/ ঝগড়া বিভিন্ন সাইটে পানি ঘোলা করে এবং এর সংক্রামন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে।...

তো এ অবস্থায় আমি পুঁতি-গন্ধময় একটি নারকীয় পরিবেশের প্রতিচ্ছবি পাই...আমার দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়...আমার বিবমিষা হয়।...

৩. সবকিছু দেখে-শুনে এখন মনে হয়, তুমি অধম বলিয়া আমি উত্তম হইবো না কেনো--এটি বোধহয় এখন একটি নিছক আপ্তবাক্য। ...

যেমন, পাশের বাড়িতে একজন বললেন, কাঁদায় নেমে শুওরের সঙ্গে কুস্তি লড়ে লাভ কী?

জবাবে আরেকজন বললেন, আরো বেক্কল, শুওরের সঙ্গে কুস্তি লড়ার মজাই আলাদা! =p~


২১. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: ১. এই নিয়ে এঁড়ে তর্ক করতে করতে এক সাইটের মান-অভিমান/ ঝগড়া বিভিন্ন সাইটে পানি ঘোলা করে এবং এর সংক্রামন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে।...তো এ অবস্থায় আমি পুঁতি-গন্ধময় একটি নারকীয় পরিবেশের প্রতিচ্ছবি পাই...আমার দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়...আমার বিবমিষা হয়।...

@ বিপ্লব রহমান> তর্ক দেখে দমবন্ধ ও বিবমিষা হয়, নাকি দমবন্ধ করা বিবমিষাকর মডারেশন দেখে হয়? আমার ভয় হচ্ছে, আপনার ভাষা বলছে, ''অনেকেই মডারেশনের শিকার হলে এই সাবালকত্ব হারান।'' অর্থাৎ মডারেশনের হাজামগিরিতে আপনার কোনো প্রতিক্রিয়া হয় না, কিন্তু প্রতিবাদ করলে হয়??? আশ্চর্য!!!

২. ''তুমি অধম বলিয়া আমি উত্তম হইবো না কেনো--এটি বোধহয় এখন একটি নিছক আপ্তবাক্য। ...'' কথাটি কি আমাকে বললেন? তাহলে বলবো, আমি ব্যক্তি নই শুধু। ফলে ব্যক্তিগত মান-অভিমানের ব্যকরণ এখানে প্রযোজ্য নয়। আমি প্রতিবাদ করেছি, অপেক্ষা করেছি, দায়িত্ব নিয়েছি, আবারো অপেক্ষা করেছি, আবারো পরীক্ষা দিয়েছি। এভাবে নিজের ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভব থেকে সরে এসে অবজেকটিভভাবে দেখেছি, সমস্যাটা ব্যক্তির আচরণের নয়, সংঘবদ্ধ অগণতান্ত্রিকতার। ঘরের দরজা যখন ,মুখের ওপর দড়াম করে বন্ধ করা হয়েছে, যখন সব আলোচনার সুযোগ রদ করা হয়েছে, তখন ব্লগীয় সমাজে বিষয়টা জানিয়েছি ও আলোচনা তুলেছি যে, আমরা কীভাবে ব্লগে সকল ব্যক্তির শোভন ও দায়িত্বশীল কথাবার্তার পরিবেশ আনতে পারি।
ধন্যবাদ।

আরেকটা কথা, আমি কিন্তু সচল আর সামইন-কে আলীগ আর বিএনপি জামাত হিসেবে দেখি না। ফলে তাদের রেষারেষিতে আমার কাজ নাই। আমি দেখি যে, একটা অরণ্য বাড়ছে, তাতে অনেক রকম অনেক বৃক্ষ। কিন্তু কেউ কেউ অরণ্য দেখেন না, কেবল বৃক্ষই দেখেন। কেউ আবার কেবলই কাঠ দেখেন, প্রাণ দেখেন না। সুতরাং সচল উত্তরিত তা না বলে সচল বিশেষ ও নির্বাচিত, সামইন গণ। দুটোরই প্রয়োজন আছে। সামইন-য়ে সচলের বা অন্য ব্লগের অনেকেই লেখেন। তাতে কি সমস্যা হয়?

আর সচলের মারের বিচার সচল যখন করে না, তখন সেটা সমাজের সামনে পেশ করায় আমি কোনো অন্যায় দেখি না। ‌''আপনি সামইন-য়ে লেখা দিলেন ???'' জাতীয় মনোভঙ্গির মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার মতো, এ পাড়া ও পাড়ার শত্রুতার মতো বিষয় লক্ষ্য করছি। আমি ওটাকে আমার জন্য প্রশ্রয় দিতে পারি না। আবার তার জন্য সচলের ব্লগার কমিউনিটির লেখা-রুচি-চিন্তার আবেদন আমার কাছে খাটো-ও হয়ে যায় না। আশা করি, আমি ভুল বোঝার শিকার হবো না।
২২. ১৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
আহমেদ দ্বীন পিন্টু বলেছেন: অনেক দিন আপনার লেখা কোথাও দেখি না। এসব বাদ দিয়ে লেখা শুরু করেন।
২৩. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৮
বিডি আইডল বলেছেন: ফারুক ভাই আপনি হাত খুলে এখানে লিখে যান...এই ব্লগে হয়ত বড় মাপের ২/১ জন বুদ্ধিজীবি পাবেন না...কিন্তু সাধারণ মানের অসংখ্য পাঠক পাবেন

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৩০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই