আমার প্রিয় পোস্ট

হাঁটা পথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে হে সভ্যতা। আমরা সাত ভাই চম্পা মাতৃকাচিহ্ন কপালে দঁড়িয়েছি এসে _এই বিপাকে, পরিণামে। আমরা কথা বলি আর আমাদের মা আজো লতাপাতা খায়।

যেদিন আমরা সবাই তামিল

২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0


আমরা সবাই তামিল: ঢাকায় প্রতিবাদ সভার ভিডিও

শাহবাগে মানবন্ধন ও টিসসিতে মিছিল

শ্রিলঙ্কায় তামিল গণহত্যাকে কেউ প্রভাকরণের মৃত্যু দিয়ে বুঝতে পারেন, কেউ তামিল জাতির স্বাধিকারের আপাত পরাজয় হিসেবে দেখতে পারেন। এখানে সেটা আলোচ্য নয়, আলোচ্য হচ্ছে মার্কিন-চীন-রাশিয়া-ইসরায়েল-ভারত ও পাকিস্তানের যৌথ মদদে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গেরিলা দলকে নিশ্চিহ্ন করার আয়োজন। গত ২ বছর ধরে আমেরিকা পাকিস্তানকে দিয়ে শ্রিলঙ্কাকে বছরে ৮০ মিলিয়ন ডলার করে সামরিক সাহায্য করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সকল রকম প্রতিরোধ সংগঠন ধ্বংস করার কর্মসূচিও এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হলো। দেখা গেল জাতিসংঘের ভুয়ামি। এসবের মধ্যে বাংলাদেশের কিছু তরুণ প্রভাকরণের কথিত মৃত্যুর পরদিন ঢাকা শহরে একটি প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। সেটা শেয়ার করাই আপাত উদ্দেশ্য। ভিডিওটি ধারণ ও সম্পাদনা করেছেন ফারজানা ববি। জানাবেন দয়া করে, তামিলদের ওপর গাজার কায়দায় মাত্রাহীন আক্রমণ প্রতিবাদযোগ্য ঘটনা কী না।

গতকাল বিডিআর ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। সেই ঘোড়ার ডিম নিয়ে যথাসময়ে আলোচনা হবে। ঘোড়া যখন দেশে এসেছে, ডিমও আসবে এ আর নতুন কী? কিন্তু অনেকেই তখন বোঝেন নাই যে, এই ঘোড়া ট্রয়ের ঘোড়া। আমাদের হেলেন কি তবু উদ্ধার পাবেন?

** সংযোজন: কেউ দূর্বল, সাম্প্রদায়িক বা গরিব এ কারণে তারা দাসত্বের উপযুক্ত, এরকম মনোভাব অবশ্যই বর্ণবাদী ও আধিপত্যবাদী। ব্রিটিশরা মনে করতো ভারতীয়রা স্বাধীনতার অনুপযুক্ত, পাকিস্তানীরা মনে করতো আমরা যথেষ্ঠ মুসলমান নই, তাই পদানত রাখাই শ্রেয়, কিংবা আদিবাসীরা যথেষ্ঠ উন্নত নয়, তাই তাদের স্বাধিকার থাকবে না, এগুলো অতি পুরাতন বর্ণবাদেরই প্রকাশ।

স্বাধীনতা একটা অনিবার্য প্রয়োজন, এজন্য কারো কাছে কাউকে কোয়ালিফাই করার প্রয়োজন নাই। ব্যক্তির বেলায় যেমন জাতির বেলাতেও তেমন। এই বিশুদ্ধ অধিকার মান্য করার পরই তা উভয়পক্ষের সম্মতির মাধ্যমে শর্তযুক্ত হতে পারে, কারণ বিশুদ্ধ স্বাধীনতা বলে কিছু নাই। আমরা শর্তাধীনেই পরস্পরের স্বাধীনতা স্বীকার করি, যেমন তুমি আমাকে না মারলে আমিও তোমাকে মারবো না। এরকম শর্তে সিংহলি ও তামিলরা যদি আসে, তাহলে তাদের ভবিষ্যত অন্যরকম হতো। কিন্তু এই শর্ত সিংহলিরাই আগে লংঘন করেছে।

এখানে এটাও দেখাতে হবে যে, তামিলরা আত্মঘাতী বোমার পথপ্রদর্শক হলেও, কেউ তার জন্য তাদের ধর্ম হিন্দুত্বকে সন্ত্রাসের ধর্ম বলেনি আবার সিংহলি বৌদ্ধধর্ম গুরুরা তামিল নিধনকে জায়েজ করলেও বৌদ্ধধর্মের অহিংসার নীতি কখনো প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। এ এক আজব খেলা দুনিয়ার আর দোষারোপের ব্যকরণের।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
ভিলেজ ইডিয়ট বলেছেন: মার্কিন-চীন-রাশিয়া-ইসরায়েল-ভারত ও পাকিস্তানের যৌথ মদদে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গেরিলা দলকে নিশ্চিহ্ন করার আয়োজন।

এ লাইনটার মানে কি>?
২. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০২
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: হত্যানীতির সংগ্রামে বিশ্বাস করি না। প্রভাকরণ যত বড় নেতাই হন না কেন, তাকে ঘৃণা করি; যদিও তামিলদের অবর্ণনীয় কষ্টের প্রতি পূর্ণ সহমর্মিতা রয়েছে।
৩. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৪
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: শ্রিলঙ্কা সরকারের এই অভিযানের পেছনে ঐ রাষ্ট্রগুলোর সরাসরি মদদ ছিল। এরা নিজেদের বিভেদ ভুলে তাদের কমন শত্রুকে ধ্বংস করতে এক হয়েছে। এলটিটিই ঐ রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে যেসব গেরিলা দল সক্রিয় তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সহায়তা ইত্যাদি করে আসছিল। তাদের স্ট্র্যাটেজিতে ভুল ছিল এটাই যে, তারা একসঙ্গে অনেককে চটিয়ে রেখেছিল। এটাই ছিল প্রভাকরণের অজেয় শক্তির একিলিস হিল বা বজ্র্ আটুনির ফসকা গেরো।
৪. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৬
ভিলেজ ইডিয়ট বলেছেন: অ আপনে গিয়া মার্কিন-চীন-রাশিয়া-ইসরায়েল-ভারত ও পাকিস্তানের পশ্চাতদেশে গুতাগুতি করবেন আর তারা আপনারা কিছু করবোনা -আপনে মানুষ মারবেন আর হেরা গান্ধিবাদী আচরন করবো?
৫. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: প্রভাকরণ আর কিছু কিছু তামিলের আচরনে তাদের বর্বর ভাবাই স্বাভাবিক ।

শ্রীলংকার শান্তি আসুক - আর তামিল গোষ্ঠির প্রতি অন্যায় অবিচারে সহমর্মী।

আর শ্রীলংকার সেনাবাহিনী ও নিরীহ লোক মারতাসে - প্রভাকরণ ও মারসে -

বলা যায় সে তার প্রাপ্যটাই পেয়েছে।
৬. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৫
রাসেল ( ........) বলেছেন: কথিত মৃত্যু বিষয়টা আশাবাদব্যঞ্জক।

অবশ্য প্রভাকরণের মৃত্যুতেই এই বিভীষিকার অবসান হবে না। একটা পর্ব পরিবর্তন বড়জোর। যদি অমানবিকতা চলতে থাকে তবে কেউ না কেউ পুনরায় নিজের নিষ্পেষণের প্রতিবাদের সংগঠিত হবে।

মূল প্রশ্ন যেখানে- নিরীহ মানুষকে হত্যা করে কিংবা জিম্মী করে অধিকার আদায়ের কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে কি না। কিংবা কোনো রাজনৈতিক মতবাদে এটা সিদ্ধ হলে সে রাজনৈতিক মতবাদ মানবতাবাদী কি না?
৭. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৫
অ্যামাটার বলেছেন: এলটিটিই'র জন্য আসলেই খারাপ লাগছে। সেনা-নৌ-বিমান বাহিনী সমন্বয়ে এত শক্তিশালী একটা বাহিনী গড়েছিলেন প্রভাকরন, বিশ্বের আর কোনও গেরিলা গ্রুপ এতটা শক্তি অর্জন করতে পারেনি।
৮. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৬
দেশী পোলা বলেছেন: তামিলরা পূর্ব তীমুরের মত ক্যাথলিক বা আরেকটু সাদা চামড়ার হলে এতদিনে দেশ বানায় ফেলত।

এমনিতেই আবদার হল তামিলদের নিজেদের রাষ্ট্র বানাবে, তার উপর জানের পরোয়া না করে একের পর এক আত্মঘাতী বোমা হামলা করে যাবে, এসব ভারত পছন্দ করবে কেন? ক্ষুদিরামগিরি এযুগে চলে না, এটা আমেরিকা রাশিয়ার কাছে আনপপুলার, সুবিধাবাদী লোকজন বেশি, আর স্ট্যাটাস কুঔ বজায় রাখলে ক্ষমতাবানদেরই লাভ বেশী।

প্রভাকরণও বানাইছিল একটা কাল্ট, ওরে ছাড়া কয়দিন এই সংগ্রাম ঘাটে পানি পায় দেখা যাক।
৯. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২০
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: জানাবেন দয়া করে, তামিলদের ওপর গাজার কায়দায় মাত্রাহীন আক্রমণ প্রতিবাদযোগ্য ঘটনা কী না।
১০. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৭
লাল দরজা বলেছেন: আমরা সবাই তামিল! কার ঠেকা পরছেরে ভাই তামিল হইতে? জীবনে বহু তামিলের লগে উঠা বসা হইছে, তামিলের লগে মিলের চে অমিলই পাইছি বেশী। আমার তামিল হওনের কাম নাইরে ভাই!

কেউ তালেবান হইতে চায় কেউ আফগান হইতে চায় কেউবা হইতে চায় তামিল! আজব এক জামানায় আইসা পড়লাম গ দাদা, সন্ত্রাসের জবাবে সন্ত্রাসই হচ্ছে আর হচ্ছে না কিছুই।
১১. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৮
দেশী পোলা বলেছেন: ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: জানাবেন দয়া করে, তামিলদের ওপর গাজার কায়দায় মাত্রাহীন আক্রমণ প্রতিবাদযোগ্য ঘটনা কী না।

ভাইজান মাত্রসহকারে আক্রমণ কোন যুদ্ধে ঘটেছিল?

প্রতিবাদযোগ্য কি বা কেন, সেটা রাজনীতি নির্ধারন করে। জার্মানি ইহুদীদের মারলে সেটা হয় নৃশংসতা আর সোভিয়েটরা পোলিশদের এথনিক ক্লিনজিং করলেও ওটা চেপে রেখে দেয়া হয় মিত্র শক্তির পক্ষের লোক বলে। গাজাতে যে কজন মারা গেছে, তার চেয়ে বেশী মরেছে ৭১ এর যুদ্ধে, ক'টা ইসলামী দেশ বাঙালী মুসলিমের জন্য তখন বাত্তি নিভায় কেদেছে?
১২. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৯
মেটালিফেরাস বলেছেন: "দক্ষিণ এশিয়ায় সকল রকম প্রতিরোধ সংগঠন ধ্বংস করার কর্মসূচিও এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হলো। দেখা গেল জাতিসংঘের ভুয়ামি। এসবের মধ্যে বাংলাদেশের কিছু তরুণ প্রভাকরণের কথিত মৃত্যুর পরদিন ঢাকা শহরে একটি প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। সেটা শেয়ার করাই আপাত উদ্দেশ্য।"

অনুমান ভুল না হলে উপরের এই কথাগুলিই পোস্টের মূল কথা। তো এর সাথে বিডিআর/ঘোড়ার ডিম/ট্রয় আর হেলেন কি ভাবে এলা? হেলেন মানে কি শেখ হাসিনা?

যাহোক পোস্টটা এককেন্দ্রীক থাকলে ভাল হতো। এবার আপনার মূল বিষয়ে আসা যাক;

আমেরিকা/রাশিয়া/চীন/ভারত/ইসরায়েল/পাকিস্তান ! এরা সবাই কি এলটিটিই-র বিপক্ষে ছিল? যে কোন গেরিলা দলেরই একটা মটো থাকে, একটা থিংকলিডার থাকে। একটা দর্শন থাকে। এদের কি ছিল? আপনি না বললেও এটা দাঁড়ায়....
যে মতবাদ থাকলে বর্তমান বিশ্বের শক্তিধর সকলেই আক্রমণের ক্ষেত্রে এককাতারে চলে আসে সেই মতবাদের নাম-মাওবাদ। এটা থাকলে মাওয়ের দেশ চীনও এর বিরোধীতা করবে। তাহলে কি প্রভাকরণের আস্থা কি মাওবাদে ছিল? তেমন কোন উদাহরণ কিন্তু নেই। তাহলে? শুধুই পৃথক জাতিস্বত্ত্বার আন্দোলন? নাহ্ কিছুতেই পরিষ্কার হলো না। দয়া করে কি জানাবেন?
১৩. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৩
তর্পন বলেছেন: গাজার নির্মমতা তাও কমবেশী মিডিয়াতে এসেছে। কিন্তু তামিলদের বিষয়ে বরাবরই প্রকৃত ঘটনা বাইরে আসতে পারে নি বলে আমার ধারণা। প্রভাকরণের বিষয়ে যতই দ্বিমত থাকুক, তামিলদের উপর যে অকথ্য অত্যাচার নির্যাতন চলেছে তার বিষয়ে কেন কোন সহমর্মিতা দেখি না?
১৪. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রভাকরণের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে,কিন্তু তামিলদের স্বাধিকার আন্দোলন নিয়ে তো কোন দ্বিমত থাকা উচিত নয়। তামিল গেরিলাদের নির্মূলের ধুয়া তুলে জাতিবিদ্বেষী সিংহলীরা যেভাবে তামিলদের স্বাধিকার আন্দোলনকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে,এটা একটা অশনি সংকেত।
১৫. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫০
রিফাত হোসেন বলেছেন: হুম বুঝলাম কচু ।।।।।।
এক পাঞ্জাবী ভারতীয়কে আপনার পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে বলে আমি ভারতীয় ।
শিখ বলে না পাঞ্জাবীও বলে না ।

আর এক কুর্দিকে জিজ্ঞাসা করলে বলে আমি কুর্দি । তারা কোনদিনই তুর্কী দাবী করবে না । যদিও তাদের বিরুদ্ধে মাঝে মাঝে অন্যায় আচরণ করেছে তুর্কিরা কিন্তু এর মূলে ছিল নিজ নিজ বিভেদ তুর্কীরা নিজকে তুর্কী ভাবলেও কুর্দিরা তুর্কী ভাবে না । তাদের দরকার কুর্দিস্তান । যদিও ইরাকে কুর্দিস্তান আছে ।

পি কে কে গেরিলা দল কি তারা সাধে বানিয়েছে?


(অভিজ্ঞতা থেকে বলা)

১৬. ২৩ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪
তিথী ও টাটা বলেছেন: আপনাদের মানে বামদের কাজের কিছু নেইতো তাই তামিল তামিল করে বাংলাদেশে মিছিল মিটিং করছেন !!
বর্তমান যুগে এভাবে গেরিলা যুদ্ধে কোন সরকারী বাহিনীর সাথে কেউ পারে?? প্রভাকরন ভালো তামিল ছিল কিন্তু তাদের হঠকারী কাজের জন্য বরং তার বিচার হওয়া উচিত হাজার হাজার তামিলকে মরনের পথে পাঠানোর জন্য।
যাদের জন্য আপনারা শাহাবাগে মিছিল করছেন কোনদিন কোন তামিলের সাথে যদি মিশতেন তাহলে বুঝতেন তারা কেমন রুড !!
কেউ যদি স্বাধীনতা চায় আর তাহলে আমাদের যদি তাদের সমর্থন দিতে হয় তাহলে তো স্বাধীন ভঙ্গভুমীওয়ালাদের ও সমর্থন দেওয়া লাগে, নাকি??
আর কাল যদি চট্রগ্রাম বা, সিলেট যদি স্বাধীনতা দাবী করে বসে তাহলেতো তাদের ও সাপোর্ট দিতে হয় !!

১৭. ২৩ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
তিথী ও টাটা বলেছেন: আপনারা মিছিল এ যে স্লোগান দিলেন ,জ্বালো জ্বালো আগুন জ্বালো - এর মানে কি,প্লিজ একটু ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করুন কিভাবে এবং কোথায় কখন আগুন লাগাবেন।
১৮. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: স্যলুট ফারূক
স্যলুট শাহবাগের প্রতিটি প্রতিবাদী কন্ঠকে|

অবাক হই এই ফোরামে অনেকের মন্তব্য দেখে|
২৬ বছর যুদ্ব করে প্রভাকরন ইউনিফর্ম পড়া অবস্হায় নিজ সন্তান নিয়ে যুদ্বের মাঠে প্রান দিয়েছে| আপোষ করলে সে অনেক কিছু পেত| আমাদের অনেক নেতা সারে সাত কোটি মানুষকে যুদ্বে নামিয়ে দিয়ে পগার পার হয়েছিলেন| দেশ স্বাধিনের পর ফুলের মালা গলায় দিয়ে দেশে ফিরেছিলেন|

তামিলরা নাকী অনেক লোক মেরেছে...অবাক কান্ড! আমাদের যুদ্বে শহীদ হয়েছে ৩০ লাখ, মনে পরে বন্ধুরা..???
১৯. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:১১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: দেশী পোলা বলেছেন:

তামিলরা পূর্ব তীমুরের মত ক্যাথলিক বা আরেকটু সাদা চামড়ার হলে এতদিনে দেশ বানায় ফেলত।

======

এর'চে সত্য আর কিছু নাই|
২০. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: তিথী ও টাটা বলেছেন:


আপনাদের মানে বামদের কাজের কিছু নেইতো তাই তামিল তামিল করে বাংলাদেশে মিছিল মিটিং করছেন !!

========

এখানে ডান বামের কী দেখলেন..??
স্বাধীনতাকামীদের প্রতি সমর্থন জানানো সব বা;লাদেশীর অবশ্যই করনীয় বলে মনে করি, মনে পড়ে আমরা কি ভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছি..???


বর্তমান যুগে এভাবে গেরিলা যুদ্ধে কোন সরকারী বাহিনীর সাথে কেউ পারে??
=============
পাকিরাও সরকারী বাহিনী ছিল এব; সপ্তম নৌ-বহরের সাপোর্ট ও ছিল, জয় হয়েছে মুক্তিকামীদের|


প্রভাকরন ভালো তামিল ছিল কিন্তু তাদের হঠকারী কাজের জন্য বরং তার বিচার হওয়া উচিত হাজার হাজার তামিলকে মরনের পথে পাঠানোর জন্য।
===========
বলেন কী আপনি..!!!??? তাহলে তো ৩০ লাখ নিরপরাধ বা;লাদেশীকে মারার জন্য মুজিব, হাজার হাজার প্যালেস্টাইনিকে মারার জন্য আরাফাত কে বিচারের ব্যাবস্তা করতে হয়..!!!!



যাদের জন্য আপনারা শাহাবাগে মিছিল করছেন কোনদিন কোন তামিলের সাথে যদি মিশতেন তাহলে বুঝতেন তারা কেমন রুড !!
=========
আপনার সাথে কোন তামিলের ব্যাক্তিগত ব্যাবহারের
সাথে তামিল জাতির স্বাধীনতার কি সম্পর্ক...?? তামিলরা রুড..???
কোন লেভেলের তামিলের সাথে আপনার পরিচয় হয়েছে জানাবেন কি? আর আমরা বা;লাদেশীরা কি খুব অমায়িক? একজন প্রেসিডেন্টেকে পুরা পরিবার সহ মেরে ফেলে রাস্তায় আনন্দ মিছিল করেছি, আরেক প্রেসিডেন্টকে গুলিতে ঝাঝরা করে মাটি চাপা দিয়েছি, লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ পিটিয়ে মেরে লাশের উপড় নৃত্য করেছি, ৭৫ জন মানুষ মেরে, গণ ধর্ষণ করে লাশ পুতে ফেলেছি| বিশ টাকা পকেট মারলেও পিটিয়ে মেরে ফেলি খোদ রাজধানীতে|
আর আমরা বলছি তামিলরা রুড...??

আর কাল যদি চট্রগ্রাম বা, সিলেট যদি স্বাধীনতা দাবী করে বসে তাহলেতো তাদের ও সাপোর্ট দিতে হয় !!
=========
তামিল জাতির স্বাধীনতা আর চট্রগ্রাম বা সিলেটের স্বাধীনতা এক হল.? ইয়াহিয়া, ভুট্রু, টিক্কা খান আর তাদের দোসররাও আমাদের স্বাধীনতার দাবীর বিরোদ্বে এই আজগুবি ব্যখ্যা দাড় করাতো|

*** দেশ ও জাতির স্বাধীনতার জন্য যারা যুদ্ব করে, প্রান দেয় সবার জন্য স্যলুট***
২১. ২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৬
তিথী ও টাটা বলেছেন: স্বাধীনতাকামীদের প্রতি সমর্থন জানানো সব বা;লাদেশীর অবশ্যই করনীয় বলে মনে করি, মনে পড়ে আমরা কি ভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছি..???

তাই যদি হয় তবে বঙ্গভুমিওয়ালাদের স্বাধীনতার দাবীও মেনে নিতে হয়,তাই না?? কি বলেন?

সিংহলীরা তামিলদের সাথে কি কি ৈবষম্য করেছিল একটু বলেন তো দেখি?? পাকিরা আমাদের সাথে যা করেছিল আর, আমাদের ভুখন্ড গত দুরেত্বের জন্যও পাকিদের সাথে আমাদের থাকা সম্ভব ছিল না,বঙ্গবন্ধু বড় মাপের নেতা ছিলেন বলেই নিয়মতান্ত্রিক পথে আন্দোলন করেছিলেন, আর বঙ্গবন্ধু আমাদের যুদ্ধের পথে ঠেলে দেয়নি,পাকিরাই আমাদের আক্রমন করেছিল প্রথম.....

তাই এখানে ব্যাপারগুলো সম্পুর্ন ভিন্ন শ্রীলংকার চাইতে।

আসলে আপনাদের কোন কাজ নেই তো তাই শ্রীলংকার ঘটনায় ঢাকার রাস্তায় আগুন জ্বালো স্লোগান দেন.....
বলুন তো শ্রীলংকার ঘটনায় কোথায় আগুন লাগাতে চান আপনারা??


সারাদিন সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে সস্তা স্লোগনা দেন আর তাদের হাতে গড়া ইউটিউব এ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন...... ধিক আপনাদের এ ডাবল স্টান্ডার্ড নীতি !!!


২২. ২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
তিথী ও টাটা, প্লিজ নিচের লি;কটা দেখুন|

http://www.geocities.com/lttedk/history.html

তামিলদের বন্চনার সব ইতিহাস এখানে নেই, আমি আপনাকে আরো লি;ক দিব|

"ব;গ ভূমি আন্দোনলটা আমদের দেশের কোন এলাকার লোক করে থাকে বলুনতো....??

ভারতে বসবাসকারী কেউ আমাদের দেশকে তাদের দেশের কোন অ;শের সাথে মিলিয়ে নতুন দেশ বানাতে চাওয়া কি ভাবে আপনার কাছে স্বাধীনতা যুদ্ব হয় বলুনতো ?

আর আমাদের স্বাধীনতা ঠিক, অন্যের গুলা বেঠিক, এই মানসিকতাটা বাদ দেন|
২৩. ২৪ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
তিথী ও টাটা বলেছেন: ইন্টারনেট থেকে দুএকটা এক লেখা পড়েই শাহাবাগে আগুন জ্বালো স্লোগান??

মুল ঘটনা গুলো ইন্টারনেট না ঘেটে সরাসরি তামিল আর সিংহলীদের কাছ থেকে জেনে নিন যদি কোনদিন সম্ভব হয়।
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: জ্বি, ব্যাং উভচর এবং তা যে, বিবর্তিত হয়ে এই দশায় এসেছে তা জানতে ব্যাংয়ের সঙ্গে কথা বলতে হবে। চাঁদে যে আর্মস্ট্রং গিয়েছেন তা জানতে আর্মস্ট্রংয়ের মা'র কাছে জিজ্ঞাসা করতে হবে। আপনার জানার অভাব নাই, তাই জানালাম না।

২৪. ২৪ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
'লেনিন' বলেছেন: ১. তামিল আর শ্রীলঙ্কানদের নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একরকম।
২. শ্রীলঙ্কা ছোট একটি রাষ্ট্র।
৩. ভারতের লাভ অকার্যকর রাষ্ট্র পাশে থাকলে, তাতে তার পণ্য এবং অপপণ্য(গাজা, ফেনসিডিল, অস্ত্র) ইত্যাদির বাজার করা যায়।

উপরের তিনটি কারণ বিশ্লষণ করলেই তামিলদের অবস্থাটা আন্দাজ করা যায়।

ভারত তামিল বিদ্রোহীদের নিজেদের স্বার্থে তৈরি করেছিল। পরে লাদেনের মতো অনেক বেশি ক্ষমতাশালি হয়ে যাওয়ায় ভারত ওদের দমানোর জন্য শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করে।

প্রভাকরণের নায়কোচিত ইমেজ তাকে নায়ক ভাবতেই শেখাবে কিন্তু পেছেনে রয়েছে ভারতের ইন্ধন। প্রভাকরণ হয়তো নিজের কাজকে ন্যায়সঙ্গতই মনে করতো।

তামিলদের কেনো আলাদা রাষ্ট্র প্রয়োজন? এককথায় কেউ বলতে পারবে?

তামিলরা আন্দোলনের নামে নিজেদের অভিশপ্ত পথে ঠেলে নামিয়েছে। তার পরিণতি প্রভাকরণসহ ওদের মৃত্যু, এটি বরং আরো আগেই ঘটা উচিৎ ছিলো।
২৫. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: @ তিথী ও টাটা:
সারাদিন সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে সস্তা স্লোগনা দেন আর তাদের হাতে গড়া ইউটিউব এ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন...... ধিক আপনাদের এ ডাবল স্টান্ডার্ড নীতি !!!
****************************************************************
সাম্রাজ্যবাদিরা তো বাংলাদেশে সাম্রাজ্য বিস্তার কর্ছে য়েখন কি বাংলাদেশি বামদের বাংলাদেশ বর্জন করতে হবে?
সীমান্তের বাইরে গিয়ে স্লোগান দিতে হবে?!!!!

ইউটিউব সাম্রাজ্যবাদিরা বানালেও ওটার ইউজার নরমাল পাব্লিক বেশি.....সো যেখানে লোক আছে সেখানেই তো বলবে.....তাই না?

আর আপনি সস্তা স্লোগান বলছেন কোনটারে?
বাংগালীরা যখন প্রথম জয় বাংলা,রাস্ট্রভাষা বাংলা চাই বলে স্লোগান দিছিল তখন বাংলাদেশি মুক্তিকামিদের "বেলুনবাজ" বলে টাঠ্ঠা করা হয়েছিল.......।
২৬. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:

@ তিথি ও টাটা:
@ লেনিন:


শ্রীলঙ্কায় তামিল-সিংহলী বিবাদ সম্পর্কে অনেকেওই সঠিক ধারণা নেই। প্রভাকরণের মৃত্যুর সাথে সাথে এই বিবাদের আশা করি অন্ত হল। আমি একটা সংক্ষিপ্ত টাইমলাইন দিলাম কিভাবে এই বিবাদের সূত্রপাত তা নিয়ে।

১৮১৫ - ব্রিটিশরা শ্রীলঙ্কা দখলে আনে।

১৮৩৩-১৯৪৮ - ব্রিটিশ শ্রীলঙ্কায় অসংখ্য তামিলদের ধরে এনে চা-বাগানের কাজে লাগানো হয়। এই সময় সংখ্যাগুরু সিংহলীরা তামিলদের বৈরীতার সূত্রপাত কারণ তামিলেরা ব্রিটিশদের হয়ে কাজ করত। এই তামিলেরা সারা শ্রীলঙ্কায় বিচ্ছিন্নভাবে থাকলেও উত্তরাঞ্চলে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। ব্রিটিশরা সুযোগ বুঝে ডিভাইড আর রুল চালিয়ে যায়। (সূত্র ১,২)

১৯৪৮ - সিলোন সিটিজেনশিপ আইনে তামিলদের শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়। এই আইন অনুসারে শ্রীলঙ্কায় জন্ম হলেই কারো শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব থাকবে তা নয়, বরং তার পিতা অথবা পিতামহেরও শ্রীলঙ্কায় নাগরিকত্ব থাকতে হবে। অপরদিকে ভারত সরকার ১৯৫০ সালে যারা ভারতে বসবাস করে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। এর ফলে সরকারিভাবেই শ্রীলঙ্কার প্রায় অর্ধেক তামিল জনগণ (সংখ্যায় দশ লক্ষ - মোট জনসংখ্যার ১০%) নাগরিকত্ব বিহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়। পরের বছরের ভোটে নাগরিকত্বকে ভোটার তালিকায় নাম তোলার মূল প্রমাণ হিসাবে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। (সূত্র ১)

১৯৫৪ - তীব্র বিরোধিতার মুখে সিটিজেনশিপ আইনের রদবদল ঘটিয়ে কিছু তামিলদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা হয় নিবন্ধীকরণের মাধ্যমে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ভারতীয় বা পাকিস্তানী তামিলেরা যদি একটানা ১৩ বছর শ্রীলঙ্কায় আছেন এমন প্রমাণ দেখাতে পারেন, তবে তাদের নাগরিক হিসাবে নিবন্ধন করার সুযোগ দেওয়া হল। আবার অন্যান্য ইচ্ছুক তামিলদের সরাসরি ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবার ব্যবস্থা করা হয় কলোম্বোয় ভারতীয় হাইকমিশনে। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় এই নিবন্ধন পদ্ধতি অত্যন্ত ধীরে চলতে থাকে - মূলত তামিল-ভাষিদের ১৩ বছর একটানা থাকার প্রমাণ না থাকায়। ১৯৬৩ সাল অবধি আবেদনকারীদের মাত্র ৮ ভাগের ১ ভাগ জনগণ এই পদ্ধতিতে নাগরিকত্ব পায়। অপরদিকে একই সময়ের মধ্যে যতজন ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন, তারা সকলেই নাগরিকত্ব পেয়ে গিয়েছিলেন। (সূত্র ১)

১৯৫৬ - সিংহলি ওনলি আইন অনুসারে তামিল ভাষাকে সবরকম স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত করা হল। এই সময় তামিল ভাষাভাষিদের সংখ্যা ছিল ২০%। এমনকি উত্তরাঞ্চলের জন্যও সিঙ্ঘলী ভাষা বাধ্যতামূলক করা হল। এর ফলে তামিল মধ্যবিত্তদের পক্ষে সরকারি চাকরি পাওয়া একরকম অসম্ভব হয়ে গেল। আরো দুবছর পরে সরকার এই আইন প্রত্যাহার করে সিঙ্ঘলীকে মূল ভাষার মর্যাদায় রাখা হলেও তামিল ভাষাকে স্বীকৃতিতে আনা হল। অনেক পরে ১৯৮৭ সালে এই আইন পুনর্বিন্যাস করে উভয় ভাষাকেই জাতীয় মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। (সূত্র ২)

১৯৫৮ - তামিল-সিঙ্ঘলী দাঙ্গায় কয়েকশ তামিলের মৃত্যু। পরবর্তী অধ্যায়ে তামিলেরা শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন অংশ থেকে উত্তরাঞ্চলে চলে আসে।
(সূত্র ২)

১৯৬৪ - দীর্ঘ আলোচনার পরে তথাকথিত নাগরিকত্ব বিহীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৪:৭ অনুপাতে শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মধ্যে নাগরিকত্ব বন্টনের প্রস্তাবনা হয়। এই চুক্তিতে প্রায় তিন লক্ষ তামিলকে শ্রীলঙ্কা নাগরিকত্ব দেবে ভারত দেবে পাঁচ লক্ষ তামিলকে ও তাদের ভারতীয় রাজ্য তামিলনাডুতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে। বাকি দেড় লক্ষ তামিলকে নিয়ে কোনো সিদ্ধানে পৌঁছন যায় নি। ১৯৮১ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার কথাও হয়। কিন্তু ১৯৭৪ সালে হিসাবে দেখা যায় যেখানে এক লাখ তামিল ভারতে চলে গেছে ও বাকি এক লাখ ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে, সেখানে মাত্র ৬০ হাজার তামিল শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব পেয়েছে। (সূত্র ১)

১৯৭০ - ভারত থেকে তামিল বই ও ম্যাগাজিন শ্রীলঙ্কায় আমদানি করা নিষিদ্ধ করা হয়। (সূত্র ২)

১৯৭৪ - ভারত ও শ্রীলঙ্কা বাকি দেড় লাখ তামিলকে সম-অনুপাতে ভাগাভাগি করে নিতে রাজী হয়। (সূত্র ১)

১৯৭৬ - প্রথম তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর আত্মপ্রকাশ। এতকাল ধরে যে তামিলেরা শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন তারা নিজেদের জন্য একটি রাজ্যের দাবী রাখছিলেন। কিন্তু তামিল ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট এই বছরেই প্রথম স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র বা তামিল ইলমের প্রস্তাব করে ও একটি ছোটো সংগঠন তৈরী করে। ১৯৭৭ সালের ভোটে এই সংগঠন বেশ কয়েকটি সিটও পায় কিন্তু শ্রীলঙ্কা সরকার তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দাবীর জন্য তাদের রাজনীতি থেকে বহিষ্কার করে। কার্যত এর পরে এই গোষ্ঠীই জঙ্গী গোষ্ঠীতে পরিণত হয়। (সূত্র ২)
একই বছরে তামিল ইলমের সমর্থকেরা লেবাননের বেইরুটে প্রথম সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে যান। প্রশিক্ষক ছিল ইয়াসর আরাফতের নেতৃত্বে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ উপেক্ষা করে আরাফত সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ট্রেনিং চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। (সূত্র ৩)

১৯৮১ - ভারত সরকারের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। চুক্তিশেষে দেখা যায় শ্রীলঙ্কা কোটার দুই-তৃতীয়াংশ মাত্র জনগণকে নাগরিকত্ব দিয়ে উঠতে পেরেছে। ১৯৮৬ সালে অন্য আরেকটি সংশোধনীর মাধ্যমে এই বাকিদেরও শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়, কিন্তু ততদিনে ক্ষতি যা হবার তা হয়ে গেছে। একই বছরে শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চলে জাফনা শহরে একটি দাঙ্গায় তামিল গ্রন্থাগার ও ওই শহরের জনপ্রতিনিধির (তামিল) বাড়ি পুড়িয়ে ফেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় স্থানীয় পুলিশও দাঙ্গাকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে এই কাজে হাত দিয়েছিল। (সূত্র ১,২)

১৯৮৩ - ব্ল্যাক জুলাই মাসে এল-টি-টি-ই ও শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু। এল-টি-টি-ই প্রথমে আক্রমণ করে ১৩ জন সেনাকে মেরে ফেলে। পালটা আক্রমণ চালিয়ে সেনাবাহিনী প্রায় চারশ (পৃথক হিসাবে তিন হাজার) তামিলকে মেরে ফেলে ও হাজার হাজার লোক গৃহহীন হয়ে ভারতে উদ্বাস্তু হয়ে আসতে শুরু করে। সারা দেশে দাঙ্গা শুরু হয় ও তামিলেরা সব বিভিন্ন প্রতিবেশীদের বাড়িতে বা মন্দিরে আশ্রয় নেয়। (সূত্র ২ http://en.wikipedia.org/wiki/Black_July)

এর পরবর্তী ঘটনা বহুল-প্রচারিত ও সকলেই জানে, তাই আর আলাদা করে লিখছি না।

** ব্লগার দিগন্তের ব্লগ থেকে নেয়া, দিগন্তকে ধন্যবাদ***

সূত্র -
১) Nationality and international law in Asian perspective By Swan Sik Ko
২) Wikipedia - Click This Link
Click This Link
৩) http://www.atimes.com/ind-pak/DC09Df04.html


২৭. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: হুমম, দিগন্তকে ধন্যবাদ।
২৮. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
তিথী ও টাটা বলেছেন: ইন্টারনেট থেকে দুএকটা এক লেখা পড়েই শাহাবাগে আগুন জ্বালো স্লোগান??

=======
পৃথিবীর দলিত কোন জাতির ইতিহাস জানতে তাদের বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খেয়ে জেনে আসতে হবে..??

আর ইন্টারনেট তথ্যকে হালকা ভাবে নিচ্ছেন কেন..??

মুহাম্মদ, যিশু,মূসা তাদের বাড়ি ভিটায় গিয়ে আরব-ইহুদি-খৃস্টান সমন্ধে কিছু বলা যাবে না...??

আর যদি চাক্ষুষ অভিজ্গতার কথা বলেন তবে বলতেই হয় পেশাগত জীবনে তামিল এব; সি;হলী প্রায় এক ডজন ছেলে মেয়ে আমার অধীনে চাকুরী করেছে| দুই জাতিই আমার প্রিয় ছিল| চাকূরী ছাড়ার দিন, সি;হলী একটি মেয়ের ছলছল চোখ আর তামিল এক ছেলের অভিমান দেখে বুক ফেটে গিয়েছিল|


মুল ঘটনা গুলো ইন্টারনেট না ঘেটে সরাসরি তামিল আর সিংহলীদের কাছ থেকে জেনে নিন যদি কোনদিন সম্ভব হয়।

=======

বলুনতো পাকিস্তানি আর বা;লাদেশীকে যদি ১৯৭১ নিয়ে প্রশ্ন করেন আর ইসরাইলী ও প্যলেস্টাইনিকে যদি তাদের সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করেন, পুরোপুরি উল্টো হবে না মতামত গুলো..?

সেখানেই হবে আপনার আমার আসল কাজ: ইতিহাসটা জানা, বই,ইন্টারনেট হতে পারে প্রধান মাধ্যম|

***পুন:শ্চ, আগুন জ্বালো মানে জ্বালাও পোড়াও না :), তরুণদের মনের ভাব: অনেকটা অন্যায়-অবিচারকে পুড়িয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় দেয়া, এ এক স্বপ্ন ***
২৯. ২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৫
তিথী ও টাটা বলেছেন: ব্রাদার আপনার তামিলরা ঘোষনা দিয়েছে ওরা এখন অহিংস আন্দোলন করবে !! তাহলে এখন প্রমানিত হল এতদিন ওদের আন্দোলনটা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে। কি এমন অত্যাচার করেছিল শ্রীলংকান সরকার যার কারনে তামিলদের সুইসাইড আক্রমন করতে হত?? এগুলো আসলে ভুল লিডারশিপের ভুল সিদ্ধান্ত ,তাই তারা ব্যর্থ।আর সমস্ত বিশ্বের তামিলরা যদি এক রাষ্ট্র চাইত তবে সবার আগে তামিলনাড়ুর তামিলরা ভারত সরকারের বিরুদ্ধে প্রভাকরনের মত
অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নেমে যেত।
সার্কভুক্ত দেশসমুহের মধ্যে শ্রীলংকার গ্রোথ সবচে ভাল,সেজন্য শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধ লেগে থাকলে কাদের লাভ সেটা সবাই ভালকরেই জানে।তামিলরাও এখন বুঝবে কি ভুল এতদিন তারা করেছিল !!


আধুনীকযুগে অস্ত্র দিয়ে এসব স্বাধীনতা আসে না ,সেজন্য দরকার ক্যারিশম্যাটিক লিডারশীপ আর তামিলদের এটা ছিল না বলেই তারা ব্যর্থ এবং যে কারনে ব্যর্থ হবে আসামিরা।
প্রভাকরন যদি শান্তি চুক্তি মেনে চলত তাহলে তার এমন পরিনতি হয়ত হত না।
আর আপনার লিংকটা দেখে মনে হল আপনি ভাল কিছু জানেন না ওদের আন্দেলন সম্পর্কে তাই কোন রকম সার্চ করে একটা ইতিহাসমুলক লিংক দিয়ে কোন রকম মুখ রক্ষা করলেন।

অস্ত্র হাতে নিলে একটা হিরোইজম কাজ করে,আপনারা বামরা এমন হিরোইজমে ভুগেন তাই নিজেকে চে'র মত কল্পনা করেন।
কিন্তু ভুলে যান অস্ত্র হাতে প্রভাকরন যতটুকু শক্তিশালী বিশ্বের দরবারে তার চে বেশী শক্তিশালী অন্য কিছু মানুষ যাদের কথায় প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে অনেকছিুই।
নেলসন ম্যান্ডেলা এ বিশ্বে যতদিন বেচে থাকবে মানুসের মধ্যে আর ইতিহাসে, ততদিন প্রভাকরনরা থাকবে না, এটাই আজকের বাস্তবতা।

আর একদিন আপনারা ও বুঝবেন তামিলদের স্বাধীকারের এ যুদ্ধ ছিল একটা ভুল লড়াই,ভুল পথে। অবশ্য এর আগে কিছুদিন শাহাবাগে আগুন জ্বালো স্লোগান দিতে কেউ আপনাদের বাধা দিবে না।





৩০. ২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: প্রভাকরণের ভুল ছিল বা ঠিক ছিল, এই আলোচনা আমরা কেউই করতে আসিনি এখানে। শ্রিলঙ্কায় স্পষ্ট গণহত্যা ঘটেছে, তার প্রতিবাদ করা হয়েছে। আপনি সেটাকে ঢাকতে প্রভাকরণ নিয়ে পড়ে আছেন। কারণটা আপনার জাতবিদ্বেষ আর যেকোনো সংগ্রামের বিরোধিতা। কোথায় অস্ত্র হাতে কাজ হবে আর কোথায় গণআন্দোলনে কাজ হবে সেই আলোচনা আমরা করতেই পারি। কিন্তু আপনি যেভাবে স্থিতাবস্থার পক্ষ নিয়ে বসে আছেন, সেহেতু আলোচনা সম্ভব না। সম্ভব নয়, কারণ ঘৃণার জবাবে ঘৃণা চলে আসে।
না তথ্য, না যুক্তি তাহলে আর রইল কী? ঘৃণা ও অন্ধবিশ্বাস। ম্যান্ডেলার এএনসি কিন্তু সশস্ত্র পথে প্রভাব বিস্তার করেই প্রতিপক্ষকে সশস্ত্র দমনের পথ ত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল। তামিলদের নিমূলকরণের মুখে এলটিটিই গঠন ও প্রতিরোধ সঠিকই ছিল। কিন্তু প্রভাকরণ তিনটি প্রধান ভুল করেছেন, ১. রাজনৈতিক কৌশল ও তার মাধ্যমে দরকষাকষি করার পন্থা ব্যবহার না করা, ২. একাধিক বৃহত রাষ্ট্রকে বৈরি করে তোলা এবং ৩. গেরিলা দলকে নিয়মিত সামরিক বাহিনীতে পরিণত করা।
দলের ভেতরেও তিনি আনুগত্যের প্রতি ঝুঁকে গিয়েছিলেন। কাল্ট দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অনেকসময় এগুলো বাস্তবতার চাপ থেকেও আসে। চরম বৈরি পরিবেশে, অসহায় মানুষের ভরসা সৃষ্টির জন্য অতিমানবিক আবেগ সৃষ্টি করতে হয়, একাত্তরে মুজিবকে ঘিরেও সেটা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এটা সামাল না দিতে পারলে ঐক্যের শক্তি নষ্ট হয়। অন্যদিকে তিনি বুঝতে পারেননি যে, ৯-১১ ঘটে গেছে। আগেকার মিত্ররা এখন আর আগের মতো থাকবে না।
বড় বিদ্রোহ একেবারে ব্যর্থ হয় না। তামিল প্রতিরোধের ইতিহাসের কারণেই শ্রিলঙ্কায় আর আগের মতো তামিল দলন ঘটানো যাবে না, আন্তর্জাতিক মনযোগ থাকবে। তামিল সমস্যাকে বিশ্বের দরবারে তুলে আনাটাও কিন্তু প্রভাকরণেরই কৃতিত্ব।

'অস্ত্র হাতে নিলে একটা হিরোইজম কাজ করে,আপনারা বামরা এমন হিরোইজমে ভুগেন তাই নিজেকে চে'র মত কল্পনা করেন।
কিন্তু ভুলে যান অস্ত্র হাতে প্রভাকরন যতটুকু শক্তিশালী বিশ্বের দরবারে তার চে বেশী শক্তিশালী অন্য কিছু মানুষ যাদের কথায় প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে অনেকছিুই।'

ভুল বকছেন জনাব। আজকের দুনিয়া বামদের জন্য অনুকূল নয়। এখানে এখনো সংগ্রাম মুক্তি এসব বলা মানে শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকির মুখে পড়া। প্রছণ্ড হিরোইজম নয়, প্রচণ্ড মানসিক বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক জোর লাগে বাম থাকার জন্য। (অবশ্য রাশেদ খার মেননদের কথা আলাদা। ) আর আপনার মতো করে বলার জন্য কিছুই লাগে না, কেবল আরাম-আয়েশ, কিছুটা সিএনএন-বিবিসি দেখা আর কি বোর্ড ও আঙ্গুল। ও আরেকটা জিনিস লাগে, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে উপেক্ষা করে সেটাকে ভ্রান্ত নীতির ফসল বলবার অনৈতিক দুঃসাহস। সেটা আপনার আছে।
৩১. ২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
তিথী ও টাটা বলেছেন: তথাকথিত বামদের আতে ঘা লাগছে মনে হয় !!!!!
আপনেরে আগুন লাগা স্লোগান দিতে কে মানা করছে??

কে তামিলদের আত্নঘাতি যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিল?? কার কারনে হাজার হাজার তামিল নিহত হল??

প্রভাকরনের ভুল পতে চলার জন্যই এসব হয়েছে,তাই তামিলরা এখন অহিংস আন্দোলনের পথে যাচ্ছে।
প্রভাকরন বড় লিডার বাট ভুল ছিল তার রন কৌশল,আমরা তাকে কেউ খাটো করছি না ।
৩২. ২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
বিপ্লব রহমান বলেছেন: ''তামিলদের নিমূলকরণের মুখে এলটিটিই গঠন ও প্রতিরোধ সঠিকই ছিল। কিন্তু প্রভাকরণ তিনটি প্রধান ভুল করেছেন, ১. রাজনৈতিক কৌশল ও তার মাধ্যমে দরকষাকষি করার পন্থা ব্যবহার না করা, ২. একাধিক বৃহত রাষ্ট্রকে বৈরি করে তোলা এবং ৩. গেরিলা দলকে নিয়মিত সামরিক বাহিনীতে পরিণত করা।
দলের ভেতরেও তিনি আনুগত্যের প্রতি ঝুঁকে গিয়েছিলেন। কাল্ট দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অনেকসময় এগুলো বাস্তবতার চাপ থেকেও আসে। চরম বৈরি পরিবেশে, অসহায় মানুষের ভরসা সৃষ্টির জন্য অতিমানবিক আবেগ সৃষ্টি করতে হয়, একাত্তরে মুজিবকে ঘিরেও সেটা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এটা সামাল না দিতে পারলে ঐক্যের শক্তি নষ্ট হয়। অন্যদিকে তিনি বুঝতে পারেননি যে, ৯-১১ ঘটে গেছে। আগেকার মিত্ররা এখন আর আগের মতো থাকবে না।
বড় বিদ্রোহ একেবারে ব্যর্থ হয় না। তামিল প্রতিরোধের ইতিহাসের কারণেই শ্রিলঙ্কায় আর আগের মতো তামিল দলন ঘটানো যাবে না, আন্তর্জাতিক মনযোগ থাকবে। তামিল সমস্যাকে বিশ্বের দরবারে তুলে আনাটাও কিন্তু প্রভাকরণেরই কৃতিত্ব। "
৩৩. ২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: তিথী এবং টাটারা বাংলাদেশের ইতিহাস ভুইলা যায় বারবার! প্রভাকরনের দুর্ভাগ্য যে শ্রীলংকা দুইহাজার কিলোমিটার দুরে ছিলো না তামিল ইলমের। প্রভাকরনের প্রতি অনেকানেক শ্রদ্ধা।
৩৪. ২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: তামিলদের ২৬ বছরের গেরিলা যুদ্ধ বা এর পেছনের অনুভূতিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে একীভূত করতে রাজী নই। এমন কোনো বৈষম্যের স্বীকার হয়নি তামিলরা যার দরুন ৭০ হাজারের বেশি লংকানকে গত তিন দশকে প্রান দিতে হলো। বর্ণভিত্তিক ভারতীয় সমাজে এর চে বৈষম্য, নিগ্রহ নিয়ে দিনের পর দিন কাটাচ্ছে হাজার হাজার নিম্ন বর্নের মানুষ। স্বাধিকার বা স্বায়ত্ত্বশাসন বা স্বাধীনতার রাজনৈতিক দাবী আদায়ের সংগ্রাম বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে যেটা হয়েছে, সেটা অনুসরনীয়। এর জন্যে গেরিলা যুদ্ধ লাগকব কেন? তামিলদের প্রতি চরম বৈষম্য'র একটা উদাহরন দিন, এবং সে ব্যাপারে শ্রীলংকান সরকারের উদাসীনওতারও, আর অবশ্যই উদাহরন দিন স্বাধীনতার-অহিংস আন্দোলনের।
২৫ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: ''এমন কোনো বৈষম্যের স্বীকার হয়নি তামিলরা যার দরুন ৭০ হাজারের বেশি লংকানকে গত তিন দশকে প্রান দিতে হলো।''

বৈষম্য যে কোনো মূল্যে চরমই ছিল। ওপরে দিগন্তের পোস্ট থেকে কোট করা অংশটা দেখতে পারেন। ওটা সর্বজনস্বীকৃত ইতিহাস। এমনকি গত কয়েক বছরে কলম্বোর তামিলদের হিটলারি আমলের ইহুদিদের মতো করে নিবন্ধিত হতে হতো তারা রাষ্ট্রের জন্য নিরাপদ নয় এই অজুহাতে। এই লিস্টি নির্যাতন ও গণহত্যারও সহায়ক। ভাই বায়েজীদ, উদাহরণ অজস্র। কোনটা দিলে তামিলদের সংগ্রামের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়?

সত্তর হাজার তামিল কি প্রভাকরণ মেরেছে? তার আগে_তিন দশক আগের কয়েক দশকে কত হাজার তামিলকে সিংহলি অ্যারোগ্যান্সের শিকার হতে হয়েছে? সেই হিসাব নিলেই প্রভাকরণের আবির্ভাবে শর্ত বোঝা যাবে। কোনো শান্তিবাদী আন্দোলনের সুযোগ তাদের জন্য রাখা হয় নাই। কিন্তু ওপরে যেমন বলেছি, প্রভাকরণ নিজের ওপর অতি আস্থায় ভুল করেছেন অনেক। হয়তো তাঁর পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনই আপাতত দাবি করা উচিত ছিল।

মুক্তিযুদ্ধও কিন্তু মূলত গেরিলা যুদ্ধেরই ফল। আর আমি মনে করি, সকল জাতির মুক্তি সংগ্রামই সমান গৌরবের, কারো ত্যাগ বা অর্জন একটু কম বা বেশি। যেমন আমাদের অপার ত্যাগ, জনগণের দৃঢ় সংগ্রাম এবং বিরাট হতাশাময় অর্জন।

৩৫. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:

তিথী এবং টাটারা বাংলাদেশের ইতিহাস ভুইলা যায় বারবার! প্রভাকরনের দুর্ভাগ্য যে শ্রীলংকা দুইহাজার কিলোমিটার দুরে ছিলো না তামিল ইলমের। প্রভাকরনের প্রতি অনেকানেক শ্রদ্ধা।


======

ধন্যবাদ| ভাল বলেছেন|
৩৬. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:২১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:

হাসান বায়েজীদ বলেছেন:

তামিলদের ২৬ বছরের গেরিলা যুদ্ধ বা এর পেছনের অনুভূতিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে একীভূত করতে রাজী নই। এমন কোনো বৈষম্যের স্বীকার হয়নি তামিলরা যার দরুন ৭০ হাজারের বেশি লংকানকে গত তিন দশকে প্রান দিতে হলো।

===============

হাসনা সাহেব, আমরা যে ৯ মাসে ৩০ লাখ প্রান দিলাম...???
২৬ বছরে কত লাখ হইতো..??

ভাইরে পাকিস্তানিরাও বলতো আহা কি এমন বৈষম্য করছি যে নতুন একটা বা;লাদেশ লাগবো তোমাগো! যার জ্বালা সেই বুঝে!

তামিলদের বন্চনা নিয়ে উপরে একটা লেখা দিগন্তের কাছ থেকে ধার করেছিলাম, প্লিজ দয়া করে পড়ুন|

আর হা, নিজেদের জন্য স্বাধীনতা ও ৩০ লাখ লোক প্রান দেয়া জায়েজ আর অন্যের বেলায় দরকার নাই, এইটা চরম নীতিহীনতার উদাহরন|
৩৭. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ভালো লেখা।++++++++

স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য সশস্ত্র পন্থা অন্যায় কিছু নয়।আমাদের মানবিকতার বোধগুলো একটু অদ্ভুত।

অর্থনৈতিক অবরোধ কিংবা নিয়মিত সামরিক বাহিনীর নির্যাতনে হাজার হাজার লোক মারা যায় কিন্তু কোন এক আত্মঘাতীর বোমা হামলা আমাদেরকে বেশি আহত করে, সেই আহত মনোভাব থেকে আসে সেই আত্মঘাতী কিংবা তার স্বাধীনতার দাবী থেকে সমর্থন প্রত্যাহার।

প্রভাকরন টেকনিক্যালি কিছু ভুল করেছে কিন্তু একজন সত্যিকারের স্বাধীনতাকামী হিসেবে তত্বগতভাবে তাকে আমার ঠিকই মনে হয়।

সশস্ত্র সংগ্রাম কখনো মানবিকতার ধার ধারেনা কিংবা মানবিকতার পরিক্ষায় পাস করে হয়না।

যত তামিলের সাথে মিশেছি অধিকাংশই রুড এবং অসহিষ্নু টাইপের।এবং তারা জাতিগতভাবেও যথেষ্ট সাম্প্রদায়িক।

তারপরেও তাদের স্বাধীনতার দাবীর প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন ছিলো এবং থাকবে।
৩৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: ধন্যবাদ শিমুল, যথেষ্ঠ নৈতিক সাহস বহন করে আপনার মন্তব্যটা।
কেউ দূর্বল, সাম্প্রদায়িক বা গরিব এ কারণে তারা দাসত্বের উপযুক্ত, এরকম মনোভাব অবশ্যই বর্ণবাদী ও আধিপত্যবাদী। ব্রিটিশরা মনে করতো ভারতীয়রা স্বাধীনতার অনুপযুক্ত, পাকিস্তানীরা মনে করতো আমরা যথেষ্ঠ মুসলমান নই, তাই পদানত রাখাই শ্রেয়, কিংবা আদিবাসীরা যথেষ্ঠ উন্নত নয়, তাই তাদের স্বাধিকার থাকবে না, এগুলো অতি পুরাতন বর্ণবাদেরই প্রকাশ।

স্বাধীনতা একটা অনিবার্য প্রয়োজন, এজন্য কারো কাছে কাউকে কোয়ালিফাই করার প্রয়োজন নাই। ব্যক্তির বেলায় যেমন জাতির বেলাতেও তেমন। এই বিশুদ্ধ অধিকার মান্য করার পরই তা উভয়পক্ষের সম্মতির মাধ্যমে শর্তযুক্ত হতে পারে, কারণ বিশুদ্ধ স্বাধীনতা বলে কিছু নাই। আমরা শর্তাধীনেই পরস্পরের স্বাধীনতা স্বীকার করি, যেমন তুমি আমাকে না মারলে আমিও তোমাকে মারবো না। এরকম শর্তে সিংহলি ও তামিলরা যদি আসে, তাহলে তাদের ভবিষ্যত অন্যরকম হতো। কিন্তু এই শর্ত সিংহলিরাই আগে লংঘন করেছে।

এখানে এটাও দেখাতে হবে যে, তামিলরা আত্মঘাতী বোমার পথপ্রদর্শক হলেও, কেউ তার জন্য তাদের ধর্ম হিন্দুত্বকে সন্ত্রাসের ধর্ম বলেনি আবার সিংহলি বৌদ্ধদর্শগুরুরা তামিল নিধনকে জায়েজ করলেও বৌদ্ধধর্মের অহিংসার নীতি কখনো প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। এ এক আজব খেলা দুনিয়ার আর দোষারোপের ব্যকরণের।
৩৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: চীনের সহায়তার যে কথাটি লেখায় সংক্ষেপে বলা হয়েছিল তার রূপটি এরকম। প্রথমত যে বিমান-হেলিকপ্টার ও গোলাবারুদের তামিল ইলমের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তা সরবরাহ করেছে চীন। চীন সেখানকার হামবানটোটা বন্দর ব্যবহার করতে চায়।
৪০. ০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
রিফাত হাসান বলেছেন: ঘোড়ার ডিম তদন্ত রিপোর্ট ও দোষারোপের ব্যাকরণ: ভাল বলেছেন।
৪১. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: রিফাত হাসান, আপনি কি লিখলেন ঘোড়সওয়ারদের নিয়ে নতুন কিছু?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৩৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই