দুপুরে রুক্ষ গাছের পাতার কোমলতাগুলি হারালে তোমাকে বকব,ভীষণ বকব আড়ালে

রাহেলার মায়ায় জামসিং'র টেউটিতে

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৬

                       


মানবীর লেখাটি পড়েই রাহেলার কথা আবার মনে পড়লো।২০০৪ সালে ২২ আগস্ট ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাহেলাকে দেখেছিলাম।অস্ফুটস্বরে ও জানিয়েছিলো মিনি চিড়িয়াখানা থেকে বেড়িয়ে ফেরার সময় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ব বিদ্যালয়ের মশাররফ হোসেন হলের পেছনের জঙ্গলে নিয়ে আকাশ,কবির,লিটন ,দেলোয়ারসহ কয়েকজন খারাপ কাজ করার পর ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেয়।একজন তার চুলের মুঠি চেপে ঘাড় ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা করে ।কিছুক্ষন পর তারা রাহেলা মারা গিয়েছে মনে করে চলে যায়। রাহেলা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আপ্রান চেষ্টায় বলছিলো,দিন রাত টের পাচ্ছিল না ও।নড়ার শক্তি ছিলো না। অনেক চেষ্টার পর সে নিজেই টের পায় গলা দিয়ে অল্প কথা বেরুচ্ছে তার। সে লাগাতার বলছিলো ...আমি মরি নাই আমাকে বাচান! (তাই শুনতে পেয়ে বিশ্ব বিদ্যালয়ের একজন মালি রাহেলাকে খুঁেজ পায়।) রাহেলা বলেছিলো, জ্ঞান ফেরার পর সে টের পেয়েছিলো রাজ্যের পোকা-মাকড় তার গলার ক্ষত স্থানে লুটোপুটি খাচ্ছে। রাহেলা কথা বলার সময় ঘনঘন দাঁেত দাঁত বাড়ি খাচ্ছিল। মেয়েটির জন্য খুব মায়া লেগেছিলো।আর আশ্চর্য হয়েছিলাম মেয়েটি এখনো বেঁচে আছে কী করে!
এরপর আবার রাহেলাকে দেখেছিলাম একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। মনে আছে মর্গের সামনে দাড়িয়ে ছিলেন ২/৩ জন নারী নেত্রী। রাহেলার মা রোকেয়া বেগম গ্রিল ধরে দাড়িয়ে কাঁদছিলেন। স্বামী চান মিয়া নির্বাক দাড়িয়ে ছিলেন।তখন বোধ হয় চান মিয়া ও রাহেলার সংসারের বয়স বছর খানেক হয়েছিল মাত্র।মৃত্যুর পর স্বামী বাড়িতে রাহেলার কবরের জায়গাও হয়নি।তার লাশ পাঠানো হয়েছিলো গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে।


গতকাল, রাহেলার মায়ায় জামসিং’র টেউটিতেঃÑ

মানবীর লেখাটি পরে আমার এই সব কথা মনে পড়ে! এই লেখাটি থেকেই জানলাম মামলাটিতে আইনি সহায়তা দিচ্ছে আইন শালিশ কেন্দ্র। মামলাটির অবস্থা জানার জন্য কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত এডভোকেট লাকিকে খুজে বের করলাম। কিন্তু কিছুতেই তিনি কথা বলতে রাজি নন। তিনি জানালেন, বিচারাধীন কোন মামলায় কথা কলা তাদের নিয়মে নেই। জানা গেল নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ট্রাইবুনাল -১ এ বিচারাধীন রয়েছে মামলাটি। পিপিকে ফোন করার পর তিনি বললেন ৩০/৩৫টি ফাইল নিয়ে তিনি ব্যস্ত পরে সময় করে গেলে অবস্থা জানাবেন।বললাম আদালতে মামলাটির নাম্বার ১৩/২০০৫। ৪ আসামীর মধ্যে ৩ জন আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাইরে আছে।একজন পলাতক।পিপি বললেন তার সময় নেই।আগামীকাল জানাবেন।(আজকের কথা বলেছেন।আজও ফোন দিয়েছিলাম,বলেছেন একটা হিয়ারিংএ আছেন।এখন কথা বলতে পারবেন না।) সরকারবাদী মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো সাভার থানায়। সাভারের এক সাংবাদিক বন্ধুকে থানায় পাঠিয়ে রাহেলা হত্যা মামলাটির খোঁজ নিতে বললাম। বললাম আমি আসছি।আমিন বাজারের কাছে পৌঁছেছি ,তখন বন্ধুটি জানালেন থানা পুলিশ জান দিয়েও মামলার নথি খুঁজে পাচ্ছেনা। ২২ আগস্টের পরবর্তী কয়েক দিনে এধরনের কোন মামলার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। মামলা নাম্বার আছে কিনা জিঙ্গেস করলো বন্ধুটি।বললাম একটা নাম্বার আছে ১৩/২০০৫। থানার কাছা কাছি পৌঁছেছি এমন সময় বন্ধুটি আবার জানালো নাম্বারটি বোধ হয় ঠিক নেই। থানার মামলার নাম্বার এরকম হয় না।
থানায় পৌঁছে ওি ফকির সাহেবকে ফোন দিলাম।তিনি জানালেন গত কয়েক দিন টানা পুজার ডিউটি করে তিনি খুব ক্লান্ত। অনেক ভদ্রতা করে বিষয়টি কি জানতে চাইলেন ওসি সাহেব।জানার পর বললেন, বিষয়টি খুব করুণ। আমার দেয়া মামলা নাম্বারটি কোর্টের সিরিয়াল।এভাবে মামলার নথি খুজে পাওয়া যাবে না। তিনি বললেন মামলা নাম্বার জানাতে পারলে তিনি হেল্প করার চেষ্টা করবেন। থানায় ঘটনার কোন আগা মাথা না পেয়ে ঠিক করলাম রাহেলার পরিবারের সদস্যদের সদস্যদের কাছে যাবো।

স্থানীয়ভাবে যোগাযোগ করে রাহেলার শ্বশুড় বাড়ির ঠিকানা বের করলাম। জানা গেল রেডিও কলোনির পাশে থাকে চান মিয়া। তবে সবার আগে গেলাম মশাররফ হোসেন হলের পেছনের ঘটনাস্থলে। আগের জঙ্গল কেটে এলাকাটা অনেক পরিস্কার করা হয়েছে এখন। পানির পাইপের নিচে এখন কয়েকটা কচি কলাগাছ গজিয়ে উঠেছে সেখানে। গার্ড হায়দার আমাদের দেখে ঘটনাটা আবার খুলে বললো।
ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে রওনা হলাম ভাট পাড়ার দিকে। স্থানীয় লোকজন যাকেউ জিঙ্গেস করি বলে ঘটনাটা তারা শুনেছে কিন্তু বাড়ির ঠিকানা তারা জানেন না। একজন বললেন ভাটপাড়া মসজিদ ওয়ালা বাড়ি। সেখানে যাওয়ার পর একজন বললেন আপনারা বাড্ডা ভাটপাড়া এসেছেন। রাহেলার শ্বশুড় বাড়ি শুধু ভাটপাড়ায়।
ভাটপাড়ায় পৌঁছার পর লোকজনের দেখানো ঠিকানা অনুযায়ি আধা ঘন্টার মতো এই রাস্তার ওই রাস্তার মাথায় গেলাম। একজন বললো মাদবর ইলেকট্রনিক্সএর পাশে জিঙ্গেস করলে মানুষ দেখিয়ে দেবে। সেখানে যাওয়ার পর জানা গেলোরাহেলার শ্বশুড় বাড়ির নাম তারা মিয়াদের বাড়ি। সেটা জাম সিংএ।মহল্লার নাম কেউটি। আমি হতাশ হলাম।মনে হলো খুঁেজ বের করতে পারবো না।
ফিরে যাবো এমন সময় ড্রাইভার মামুন জানালো সে একজন খুজে পেয়েছে যে তারা মিয়ার বাড়ি চেনে। তাকে গাড়িতে তুলবে কিনা।বললাম ,নিয়ে নাও। ভাটপাড়ার একটা উপ-রাস্তার মাথায় যাওয়ার পর দেখলাম ইটের রাস্তা খুবই ভাঙ্গা চোরা। হেঁেট রওনা দিলাম আমরা। গাইড, স্থানীয় এক তরুন। চুপ-চাপ আমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে চলছে সে।ততক্ষনে রাত ৭টা বাজে। বাড়ি-ঘরের মাঝ দিয়ে চিকন রাস্তচাপ দেড় কিলোমিটারের মতো হবে।রাস্তায় আলো নেই । মোবাইলের কি বোর্ড চেপে রাস্তা আলো করে হাঁটছি আমি আর আমার ক্যামেরাম্যান।


রাহেলার শ্বশুড় বাড়ি
অবশেষে রাত পৌনে আটটার দিকে আমরা পৌঁছাই রাহেলার শ্বশুড় বাড়ি। একচালা টিনের ঘর। পাশাপাশি কয়েকটা শোয়ার ঘর।নিচে কোনায় উনুন।উঠোনে একটা গাভি বাঁধা। জিঙ্গেস করলাম, রাহেলার স্বামী চান মিয়া বাসায় আছে কিনা? রাহেলার শ্বাশুড়ি জানালেন সে মিস্ত্রির কাজ করে কখন ফিরবে ঠিক নেই।কেন এসেছি জানার পর রাহেলার শ্বাশুড়ি পাশেই কোলে বাচ্চাকোলে করে দাড়িয়ে থাকা এক তরুনীকে দেখিয়ে বললেন চান আবার বিয়ে করেছে।
চাঁন মিয়ার নতুন বৌএর নাম কল্পনা। দুবছর বয়সী মেয়ের নাম চাঁদনী। চান মিয়ার বড় ভাই জয়নাল আবেদিন জানালেন, রাহেলার মৃত্যুর পর ৬ মাস পর বিয়ে করেছে চান।
কল্পনা জানালেন তারা ভালো আছেন। তার স্বামী রাহেলার কথা প্রথমে তাকে বলেছেন বলেও জানালেন কল্পনা।
সঙ্গে ফ্লাসগান না থাকায় আলো স্বল্পতার জন্য আমার ক্যামেরাম্যানের ছবি পেতে সমস্যা হচ্ছিল। সে একটা স্টিলের গামলা জোগার করে আলোর প্রতিফলন তৈরি নিল।গামলা ধরে থাকলো গাইড ছেলেটি।
চান মিয়ার ভাইদের সঙ্গে আলাপ করে জানলাম, মামলা নিয়ে তারা কোন খোজ রাখেন না। তবে সে স্বস্তি প্রকাশ করলো এই বলে যে, আল্লার ইচ্ছায় রাহেলা তাদের বাঁচিয়ে গিয়েছে। সে যদি সন্ত্রাসীদের নাম নিজ মুখে না বলে যেতো তাহলে তারা ফেঁেস যেতেন।
আমার আর বেশিক্ষন কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো না।ফিরতি পথ ধরলাম। বাড়ি থেকে বের হওয়ার
রাস্তায় চান মিয়া বাড়ি ফিরে আসছে দেখতে পেলাম। আবার বাড়ি কথা বললাম রাহেলার স্বামীর সঙ্গে। সে জানালো,সংসারে টানাটানি হবে এজন্য সে মামলার খবর রাখে না। মামলা সরকার করেছে তাই তার করার কিছু নেই। একবার সে রাহেলার মাকে পাঠিয়ে ছিলো থানায় ,থানায় গিয়ে সে কোন কুল কিনারা করতে পারেনি। রাহেলার জন্য আর কোন মায়া চান মিয়ার মনে অবশিষ্ট আছে কিনা বুঝতে পারলাম না। আড়াল থেকে চাঁনের নতুন বৌ কথা
শুনছিলো ।
চাঁনকে জিঙ্গেস করলাম, রাহেলার মা কোথায়?
চাঁন জানালেন, অনেক দিন যোগাযোগ নেই তাই ওদের ঠিকানা সে আর জানে না। কিছুক্ষন এটা সেটা নিয়ে কথা বলে ভাটপাড়া একটা চায়ের দোকানে বসে চা দিতে বললাম দোকানিকে।
মনটা বিষন্ন হয়ে উঠতে চাইলো বোধ হয়।এক ঝলকায় মনে প্রশ্ন জাগতে চাইলো- কেন এসেছিলাম এখানে?

ঢাকায় ফিরতে ফিরতে ভাবার চেষ্টা করলাম মামলাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে। দোষিদের বিচার চেয়ে আদালতের বারান্দায় ঘোরার মতো কেউ নেই।

রাহেলার জন্য মায়া কার মনে আছে আমি জানি না।হয়তো তার মা ,যার ঠিকানা বের করতে পারিনি আমি...তিনি নিয়মিত কাঁদেন তার হতভাগ্য মেয়েটির জন্য। আর কে কাদেঁ? আদৌ কেউ কি কাঁদে!
কতো নিষ্ঠুর ঘোর প্যাচে মানুষের জীবন কতো মূল্যহীন হয়ে যায়!!!

 

 

  • ৮৩ টি মন্তব্য
  • ১৩১৫বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: নির্মম বাস্তবতা।
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: আমি দুঃখিত যে এতো দিন এই লেখাটিতে কারো মন্তব্যের জবাব দেইনি।
আসলে অসস্থি ছিল এক ধরনের।
রাশেদ আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।৬ মাস পর জবাব দিলাম বেশি দেরি হয়নি আশা করি।
নির্মম বাস্তবতার রূপকাররা এতোদিনে নতুন করে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন
এটা স্পষ্ট হয়েছে।

২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১০
comment by: শিলা বলেছেন: মর্মান্তিক!!!!
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ শীলা।

৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৬
comment by: মুনিয়া বলেছেন: কিছু বলার মত ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। মানবীর পোস্টে কোন কমেন্ট দেই নি আমি। সত্যি বলতে কি, পুরোটা পড়ার সাহসও হয় নি, শুধু একটা ৫ রেটিং দিয়েছিলাম পোস্টটা দেওয়ার পরপরই।

পরে পোস্টটা স্টিকি হয়েছে দেখে আশা জাগছিল, কিন্তু আপনার লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছে সব আলো নিভে গেল।
সত্যিই কি এমন কেউ নেই যে দোষীদের বিচার চেয়ে ঘুরবে আদালতের বারান্দায়?
বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না...
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: আলো নিভে যায় নি ঠিক না মুনিয়া?
রাহেলার প্রতি মমতা প্রকাশ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ শীলা।
দীর্ঘ দিন পর মন্তব্য করার জন্য দুঃখিত।

৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৩
comment by: মুকুল বলেছেন: মনটা অসম্ভব খারাপ হয়ে গেলো!
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: মন খারাপ কয়দিন ছিল মুকুল?:)এখনো আছে?

৫. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪৪
comment by: সৈয়দ দেলগীর বলেছেন: ধন্যবাদ ফয়সল। আপনি সাংবাদিক... একটা বড় শক্তি আছে আপনার। আমরা কিছুই না করতে পারি... অন্তত আপনাকে আশা জাগিয়ে যেতে পারবো ?
স্যালুট।
বস... আপনে অন্তত হাল ছাইড়েন না।
আপনি কোন চ্যানেলের ?
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: দেলগীর ভাই,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমি কোন বড় সাংবাদিক না।
আপনি যেমন বড় মুখ করে বলেছিলেন,আমার আফসোস জেগেছিল মনে,আহারে যদি এমন আশার যথার্থ মূল্য রাখতে পারতাম!
আপনার আন্তরিকতা আমাকে ভীষণ স্পর্শ করেছিল দেলগীর ভাই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
তবে সাংবাদিকরা তেমন কিছু না করলেও মানবীর মানবিক আহবানে সারা দিয়ে যত বিবেক বান মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছেন তা এক বিস্ময় নিশ্চয়ই।অথবা বিস্ময় নয়,এমনই তো স্বাভাবিক মানুষের আচড়ন।সময় ফেরে আমরা বদলে থাকি!
দেলগীর ভাই,দুঃখিত অনেক দিন পর মন্তব্যের জবাব দেয়ায়।আমি জানিনা এই প্রত্যুত্তর আপনার চোখে পড়বে কিনা!

৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
comment by: সৈয়দ দেলগীর বলেছেন: আমার কিন্তু মন খারাপ হয়নাই... হতাশও হইনাই। আপনার এবং কিছু মানুষের চেষ্টা দেইখা আশাবাদীই হইছি।
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,দেলগীর।আশাবাদী না হওয়ার কোন কারণ নেই তো:)

৭. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
comment by: সৈয়দ দেলগীর বলেছেন: ৫
এইটােরো টপ েরেটড করা হউক
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: টপরেটেড হয় নাই:)দরকারও ছিল না:)ধন্যবাদ আবারও।

৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫৫
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: ভাই আপনারাতো সাংবাদিক ,এ দেশের সব সাংবাদিক মিলেকি একটা সংগঠন গরতে পারেন না।যারা তাদের (কলম)অস্ত্র দিয়ে মেয়েদের রক্ষা করতে পারেন ঐ নরপশুদের হাত থেকে?
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: নারীদের অধিকার রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এমন অনেক সংগঠন আছে তানজিলা হক।এতে কী ভাবে রক্ষা হবে?এসব নিয়ে সমাধানহীন দীর্ঘ আলোচনা বা বাক-বিতন্ডা হতে পারে!
মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ তানজিলা।

৯. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৪
comment by: তাসু বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আপনি কতটুকু করতে পারবেন জানিনা তবে আপনার প্রচেষ্টা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা তাসু।আমি কিছু করতে পারিনি।পারবো যে এমন সাধ্যও আমার নেই,ছিল না।
মুগ্ধতা প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা।অনেক ধন্যবাদ তাসু।

১০. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:১২
comment by: নাদান বলেছেন: স্যালুট বস্ । আপনি যেটুকু করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে ছোট করতে চাইনা।
০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ নাদান।আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করলাম:)
আপনার আবার আসিলাম ফিরিয়া লেখাটি পড়ে খুব মজা পেয়েছি।
ঔ জন্য আপনাকে স্যালুট বস:)

১১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: খারাপ লাগতেসে ভীষণ। হায়রে আমার দেশ।
০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: খারাপ লাগাইয়েন না বস!
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:০৩
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে আপনি রাহেলার গ্রামের বাড়ি এবং তার স্বামী, শশুরের ভিটা পর্যন্ত ঘুরে এসেছেন, তথ্য সংগ্রহ করেছেন এই জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এটুকুই বা কজন মানুষ করে। হয়তো অপরাধীদের বিচার হবেনা, হয়তো রাহেলার আত্মা সুবিচার না পেয়ে কাঁদবে, হয়তো আর দশটা কেসের মত এই কেসটাও কালের অতলে হারিয়ে যাবে। তবুও আমার আশাবাদ রইলো মানুষের এই সমাজে এই জঘন্য হত্যা ও পাশবিক নির্যাতনের বিচার না হলেও উপরওয়ালা সেই বিচার এই ইহকালেই করবেন বলে আমার বিশ্বাস। শাস্তি তাদের পেতেই হবে তা যে কোন উছিলাতেই হোক না কেন। মন থেকে ধিক্কার ও ঘৃণা রইলো তাদের প্রতি। তাদের লাশেও পোকা ধরবে, বেওয়ারিশ লাশ হয়ে তাদের কপালে মাটিও জুটবে না- কবরেও তাদের ঠাঁই হবেনা। এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: কালপুরুষ ভাই,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
রাহেলার শশুর বাড়ি খুজতে কষ্ট হয়নি,মনের আবছা ক্রোধ ছিল হয়তো একটু।কার বিরুদ্ধে মনে নেই ।
অনেক সময় হয়না কোন একটা বিষয় একদম ঘোরগ্রস্থ করে ফেলে?মানবীর লেখাটা পড়ে খুব অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম।ব্যক্তিগত অনুভবের জটিলতায় আটকে গিয়েছিলাম।
ওই দিন আমরা লিটনদের গ্রামেও গিয়েছিলাম।রাহেলাদের পাশের গ্রাম ওদের।ওর পাত্তা পাইনি কোন।বাড়ির কেউ কথাও বলেনি।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
জবাব দিতে অনেক লেট হলো এজন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি বড় ভাই।

১৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:২১
comment by: আলমগীর বলেছেন: ফয়সল নোই ভাই,
আপনার আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হলাম। হতাশ হয়নি এখনো , আশা করছি নিশ্চ্য় এই নরপশুদের বিচার হবে।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আলমগীর ভাই।আমার মধ্যে আন্তরিকতা দেখেছেন বলে অনেক ভালো লাগছে।
হতাশ হওয়ার কিছু নেই বস!

১৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:০৯
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন: আমাদের অক্ষমতার ল্‌জ্জা কিছুটা ্‌ম্লান করেছেন । অনেক অনেক ধন্যবাদ।
০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: এভাবে বলার মতো কিছু নয় বড় ভাই!
আপনার ব্যবহৃত ছবিটা দেখলে আমার খুব মন খারাপ লাগে।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:২৬
comment by: মানবী বলেছেন: ফয়সল নোই, আপনি যা করেছেন আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবর ভাষা জানা নেই। আপনার চেষ্টা দিয়েই শুরু, এক সময় সাফল্য আসবেই ইনশাহ্ আল্লাহ্। হতাশ হবার কিছু নেই, বিষয়টি এমন বলেইতো আমাদের এগিয়ে আসতে হয়েছে। সবকিছু যদি এমন সহজে হতো, তাহলে আজ আমার, আপনার পোস্টের প্রয়োজন ছিলোনা।

ধন্যবাদ জানাবোনা, অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

সম্ভব হলে ৫৫৫৫ দিতাম..।
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: মানবী আপনার লেখা পড়েই রাহেলার কথা মনে পড়েছে অনেকের মতো আমারও। আপনার লেখার শক্তি বিস্মৃত একটা ভয়াবহ ঘটনা আবার সবার নজরে এনেছে।সবাইকে আলোড়িত করেছে।এজন্য কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি।
রাহেলা হত্যাকারীদের বিচার হবে এই বিশ্বাস আপনার দৃঢ়তা থেকে আজ অনেকের মধ্যে ছড়িয়েছে।এটা অনেক বড় ব্যপার।আসলে আমার দৃষ্টিতে আপনি একটা লেখায় এমন কান্ড করেছেন,যেমনটি অতি সম্প্রতি আর ঘটেছে বলে আমার জানা নেই একটা ভাল লেখার কী ক্ষমতা নতুন করে উপলব্দি করলাম আপনার রাহেলাকে নিয়ে লেখাটা এবং তার পরবর্তী ঘটনা পরম্পরায়!
দু লাইন লিখতে আমি তিন দিন এদিক ওদিক হাটিঁ,একান্ত বাধ্য না হলে কোন কাজ করি না।আলস্যের জন্য ত্রিকাল নষ্ট আমি এই লেখাটি লিখেছি,আপনার লেখায় লুকানো তাড়না থেকে।
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই,কৃতজ্ঞতা জানাই।ব্যক্তিগত ভাবে এই ব্লগে আমি আপনার লেখাটি পড়ার আগে পর্যন্ত অত্যন্ত অবহেলা ভরা মন নিয়ে আসতাম।আমার অণৃণ্য নামের পৃথক একটি নিক আছে ওটি দিয়ে এর ওর সঙ্গে ইয়ার্কি করে বেড়াতাম।এমনই ইয়ার্কি করতাম যে কতৃপক্ষ অতিষ্ট হয়ে ওই নিকটা ব্যান করে দিয়েছে।:)তো,রাহেলাকে নিয়ে আপনার লেখা পড়ার পর আমার এই লেখাটি প্রথম যত্ন নিয়ে লেখা যা ব্লগে দিলাম।এবং তারপরই খেয়ালে আসে যে অনেক ভালো লেখক,শক্তিমান লেখক এখানে লেখা দেন।ওগুলোর একনিষ্ঠ পাঠক এখন আমি।
এসব বললাম,এই কারণে যে,অনেক দিন ধরেই মনে করছিলাম রাহেলাকে নিয়ে আপনার কাজের জন্য স্পেশাল থ্যাংকস জানাবো।ওই যে,লিখি লিখি করে আর লেখা হয় না।
এই লেখাটিতে মন্তব্য করেছেন,কারোকেই মন্তব্যের জবাব দেয়া হয়নি।আজ মনে হলো,যারা মন্তব্য করেছিলেন আমার জন্যত করেন নি।করেছেন,রাহেলার জন্য।আমি কেন তাদের অসম্মান করছি!এখানে আপনার মন্তব্য পেয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দিলাম।
মন্তব্যের জবাব দিতে ৭মাস দেরি হয়েছে মাত্র।:)আর কিছু নয় আলস্যের জন্য:)
শুতরাং,ধন্যবাদ আপনাকে।অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।
আপনাকে ৫৫৫৫৫ দেয়া হলো।

১৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:২৭
comment by: মানবী বলেছেন: আপনি অনুমতি দিলে এই পোস্টটি আমি প্রশাসনের কয়েকজনের কাছে পাঠাতে চাই।
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: অনুমতি দেয়া হলো:)

১৭. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:৪৯
comment by: মদন বলেছেন: নিজের প্রতি লাগ লাগছে এ ভেবে যে কিছুই করতে পারি না। আপনি যা করেছেন তা অনেক। এবার আমরাও আমাদের সাধ্যের মধ্যে সবাই যা পারি করতে থাকি। সকলের প্রচেষ্টা নিশ্চয় আল্লাহ বিফলে পাঠাবে না।
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: না,মদন স্যার,আল্লাহ সকলের প্রচেষ্টা বিফলে পাঠান নি!
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪৯
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমি মানবীর পোস্টে মন্তব্য দিতে পারি নি... এখানেও না দিলে অন্যায় হবে। বাট আই ডোন্ট নো ওয়াট টু সে।

বিচার বোধ হয় আর হবে না, তাই না?
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি আপনার সংশয় কাটছে আশাকরি:)

০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার আন্তরিকতাপূর্ন মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৫৬
comment by: ডাক্তার অব শিলাটাঈটিস বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি একটি ছোট খাট বাচ্চা রাজাকার
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: :)

২০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:১৩
comment by: সৈয়দ দেলগীর বলেছেন: এই মন্তব্যটি আমি হুদাই করতেছি।
কেন করতেছি ?
মানবীর পোষ্টটা ষ্টিকি হইছে... কিন্তু এই প্র্রায় ভোরবেলাতে আমি নেটে ঢুইকা দেখলাম ফলসাল-এর পোষ্টটা না আছে প্রথম পাতায়... না আছে টপ রেটেড লিষ্টে... না আছে সাম্পতিক মন্তব্যের ঘরেও।
আমার রেটিং দেওনের ক্ষমতা তো শেষ... আমি আর কি করতে পারি... তবে এটুক করবো যেন এই পোষ্টটা অন্তত প্রথম পৃষ্ঠার কোনো অন্তত জায়গায় থাকে। তাই যখনই দেখবো নাই তখনই অহেতুক (না হইলে ব্লাঙ্ক মন্তব্য হইলেও করবো) মন্তব্য কইরা পাঠকের দৃষ্টিগোচর করতে।
পাঠকরা কেউ বিরক্ত হইলে আমারে মাফ কইরেন।
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সৈয়দ দেলগীর!:)

২১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৪৯
comment by: মানবী বলেছেন: আমি এই পোস্টের '২' য় অংশের প্রতি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই, আপনার অনুমতি পেলে তাঁদের জানাবো।


ফয়সল নোই, আপনার এই মহৎ প্রচেষ্টাকে স্যালুট জানাই। গুটি কয়েকের ইয়েলো জার্নালিজমের কারনে অনেকে ভুলে যাই যে 'সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা'। আপনার মতো সাংবাদিকদের কারনেই এই পেশার প্রতি আমাদের সন্মানবোধ অটুট থাকবে।

এই পোস্টটি ফ্রন্ট পেজে রাখার জন্য ব্লগার সৈয়দ দেলগীরের চেষ্টা কে সাধুবাদ জানাই।
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: জি,প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য পোস্টের ২য় অংশ ব্যবহার করতে পারেন!:)এতো দিন যে দেরি হলো,বিড়ম্বিত হয়েছে নিশ্চয়ই আপনার পরিকল্পণা?আমি খুবই দুঃখিত!

এই আকালের যুগে সাংবাদিকদের ইজ্জত বাড়ল দেখে খুব আনন্দিত বোধ করছি:)এজন্য আপনাকে স্যালুট!:)

২২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: আহারে....খুবি কান্না পাচ্ছে
৫ দিলাম
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: ইরতেজা ভাই,আপনাকে ধন্যবাদ।

২৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:১০
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ওই সব কুকুরদের প্রতি থু থু দিলাম। ভাই ছবিটা কেন দিলেন। এটা কি ঠিক হয়েছে ? মুছে ফেলার অনুরোধ করলাম
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ইরতেজা ভাই,আপনার অনুভুতির প্রতি সম্মান জানাই।ছবি মুছে কি হবে।থাকুক।দগদগে ক্ষত হয়ে থাকুক।

২৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৬
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: থ্যাংকস দোস্ত
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: টাকলু কী অবস্থা?:)

২৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৮
comment by: মানবী বলেছেন: মাহবুব সুমন 'ফয়সল নোই' এর কথাই বলেছিলেন! আপনাকেও ধন্যবাদ মাহবুব সুমন।

এই পোস্টটি পড়লে অনেকেই 'রাহেলা হত্যা মামলা'র বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পাবেন। অসাধরান লেখা!
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: শাখামৃগ আমার নামে কী বলেছিল মানবী?:)

২৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: গতকালই পড়েছি , দেরি হয়ে গেলো কমেন্ট করতে।
অসাধারণ কাজটির জন্য আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো
২৭. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:০৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ফয়সাল, অসাধারণ প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতা ...
হাল ছাড়বেননা প্লিজ ... রাহেলার মা-বাবাও কি মামলাটির সাথে আর জড়িত নন? ... বিচার ও শালিশকেন্দ্র থেকে কি আর কোন তথ্য পাওয়া যাবেনা?

এই পোস্টকে টপরেটে উঠান সবাই
২৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:০৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমার মনে হয় বিষয়টা নিয়ে সবার মিলে উঠেপড়ে লাগা দরকার ... এই এ্যাপিলটাকে আমরা নেটে সবখানে ছড়িয়ে দিই আসুন ... ভ্যালেরী টেইলরের বেলা যা হয়েছিল সেরকম কিছুর পুনরাবৃত্তি হতেও পারে ... আমরা যেন আশা না হারাই

এজন্য কি কি করা যায়:
১. কেউ একজন ইংরেজী ও বাংলায় একটা করে পিটিশন তৈরী করুন
২. সবাই ইন্টারনেটে যত মেইলিং গ্রুপে আছেন/ যত ব্লগিং গ্রুপে আছেন/ যত ফোরামে আছেন ---সবখানে বাংলা বা ইংরেজী পিটিশনটা ছেড়ে দিন

৩. সাংবাদিক যারা আছেন, প্লিজ আপনার সম্পাদককে কনভিন্স করার চেষ্টা করুন যাতে ২৯ শে আগস্টের আগে ঘটনাটা আবার পেপারে আসে ভালভাবে

৪. বিচার ও শালিশকেন্দ্রের কারো সাথে পরিচয় আছে এমন কেউ থাকলে হাত উঠান; আমাদের জানতে সাহায্য করুন তাদের কি কি ধরনের সমস্যা হচ্ছে কেইসটা নিয়ে; আমরা কি কি ভাবে কাজে আসতে পারি।

৫. ... আপনি পূরন করুন (আর কি কি আইডিয়া থাকতে পারে সেটা)

আসুন আমরা হাল ছেড়ে না দিই



২৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
comment by: মানবী বলেছেন: "সিরিয়াল।এভাবে মামলার নথি খুজে পাওয়া যাবে না। তিনি বললেন মামলা নাম্বার জানাতে পারলে তিনি হেল্প করার চেষ্টা করবেন। "

জানাতে ভুলে গিয়েছিলাম আমার কাছে মামলা নাম্বার/ নথি নাম্বার আছে। আমি এক্ষুনি আপানর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করছি।

এই পোস্টটি ২/৩ বার পড়েছি, প্রতিবার নতুন নতুন পয়েন্ট চোখে পড়েছে!
৩০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা। কেউ এটাকে টপরেটে উঠান দয়া করে।
৩১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮
comment by: লাল দরজা বলেছেন: আজকে তো ২৪ তারিখ চলে গেল ইশ্ পত্রিকায় যদি এখন থেকেই ব্যাপারটা বিশেষ ভাবে নিয়ে আসা যেত।
হায়, আমরা কি দরিদ্র! মনের রাগ ক্ষোভ গুলিও সঞ্চয় শিখিনি ভালো করে, সব কিছু ভুলে টুলে বিবেক আমাদের কেমন ফতুর হয়ে যায় প্রতিদিন!

মানবীর লেখাটি সহ এই লেখাটি যে যেভাবে পারি আমাদের ছড়িয়ে দিতে হবে। এই জঘন্য অপরাধের দায় আমরা বয়ে বেড়াতে পারি না।
৩২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:০৪
comment by: অলস বলেছেন: আহ্
৩৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৮
comment by: নয়ন বলেছেন: ঠবৎু ংধফ.........
৩৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৮
comment by: নয়ন বলেছেন: ঠবৎু ংধফ.........
৩৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৬
comment by: অলস বলেছেন: রাহেলা তুমি মোটেও মরোনি। মোটেইনা!
:-(
৩৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৮
comment by: মুক্তকথা বলেছেন: চোখ বন্ধ করুন। একবার ভাবুন, চৈতন্য ফিরলে আপনি বুঝলেন আপনার কাটা গলায় পোকা মাকড় হাঁটছে। মরা ভেবে পা কামড়ে ধরে টানছে এক শেয়াল। আর চারপাশে অন্ধকার। কয়েকহাত দূরে বড় রাস্তা। মাঝে মধ্যে সেখান দিয়ে হুশ হাশ করে চলে যাচ্ছে এক আধটা নিশাচর বাস-ট্রাক।

আর আপনি?

ধর্ষিত রাহেলা।

এখন তাহলে চলুন একটা কিছু করি।
৩৭. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৫
comment by: অন্যরকম বলেছেন: মানবীর পোস্টে আমিও মন্তব্য দিতে পারিনি..... কারণ মন্তব্য করার মত ভাষা আমার জানা ছিল না। আর আপনি যে কাজটি করেছেন সেটাকে কি করে এপ্রিসিয়েট করব তাও বুঝতে পারছি না!
...
...
ছোটবেলায় সপ্ন দেখতাম বড় হয়ে সৈনিক হব। সামনা সামনি যুদ্ধ করব দেশের জন্য। মাঝে মাঝে ইচ্ছে হত দমকল বাহিনির কর্মি হব। আগুন নেভাব। তখন এসবে একপ্রকার হিরোইজম কাজ করত মনে।

আপনার এই পোস্ট পড়ে এখন ইচ্ছে হচ্ছে .... ইশ্ যতি সাংবাদিক হতে পারতাম!!!
৩৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৬
comment by: রিজভী বলেছেন: ৫
৩৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪২
comment by: গড় জর কধৎ উউড় ঐৎড়ংযড় ট কধৎ খড় বলেছেন: প্প্ব্রপ্প্ম্বপ্প্বগুপ্প্বক্ষ্ম প্প্ব্যপ্প্ম্কপ্প্ব,ে প্প্বপ্প্ব্যেপ্প্মপ্প্বেঙ্ প্প্ব্মপ্প্ব্যপ্প্ম প্প্বসপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্ব প্প্বপ্প্ব্রেপ্প্ব্যপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্রপ্প্ম প্প্বক্কপ্প্বনপ্প্মপ্প্বেক্সপ্প্ম প্প্ব প্প্বজ্জ, প্প্বপ্প্ব্যেপ্প্ম প্প্বমপ্প্বক্কপ্প্ব্ত্রপ্প্বঙ্প্প্বমপ্প্বজ্জ প্প্বপ্প্বেক্ক প্প্ব্তপ্প্ম প্প্বক্কপ্প্ম প্প্বমপ্প্ম প্প্ব্লপ্প্ব্রপ্প্মূপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্য প্প্ব্রপ্প্ম্কপ্প্বক্সপ্প্ম প্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্ব্নপ্প্ব্যপ্প্ম প্প্বসপ্প্মম প্প্বষপ্প্বজ্জপ্প্বষপ্প্বক্ষ্মপ্প্বজ্জ প্প্বগুপ্প্বষপ্প্ম প্প্ব্রপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্বঙ্প্প্ম েপ্প্বপ্প্বেক্কপ্প্ম্ক প্প্বমপ্প্ব্মপ্প্ম প্প্বস প্প্ব্রপ্প্মপ্প্বেক্ষ্মপ্প্ম েপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্ব্যপ্প্বজ্জপ্প্ব্য প্প্মম প্প্বপ্প্বেপ্প্ব্যে প্প্বু প্প্বগুপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্বগুপ্প্ম েপ্প্বক্কপ্প্বজ্জপ্প্বগ্গপ্প্মপ্প্বেক্ষ্মপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্বষপ্প্বজ্জপ্প্ম্বপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্ব প্প্ব্ত্রপ্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্ব্যপ্প্বজ্জ প্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বুপ্প্ম্বপ্প্বজ্জ প্প্বসপ্প্মপ্প্বেমপ্প্ম েপ্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্মপ্প্মেম

প্প্ব্রপ্প্ম্বপ্প্বগুপ্প্বক্ষ্ম প্প্ব্যপ্প্ম্কপ্প্ব েপ্প্ব প্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্ব েপ্প্ব্যপ্প্ম্ব, প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্বগুপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব প্প্ব্লপ্প্ম প্প্বসপ্প্বজ্জপ্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ম েপ্প্বগুপ্প্বনপ্প্মপ্প্বেক্সপ্প্ম প্প্ব্ব প্প্বগ্গপ্প্বমপ্প্ম েপ্প্বগ্গপ্প্ব্লপ্প্মপ্প্ব্লে প্প্বপ্প্বেষপ্প্বক্কপ্প্বজ্জ প্প্বক্কপ্প্বজ্জপ্প্বগ্গপ্প্মপ্প্বেক্ষ্মপ্প্বজ্জপ্প্বঙ্প্প্ম েপ্প্ব্লপ্প্মপ্প্বে প্প্বনপ্প্ম েপ্প্ব্মপ্প্বজ্জপ্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্বষপ্প্বম প্প্ব প্প্বঙ্প্প্ব্বপ্প্বজ্জ প্প্ব্রপ্প্মূপ্প্ব্মপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্লপ্প্ম
৪০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
comment by: নাভদ বলেছেন: ৫
৪১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
comment by: গড় জর কধৎ উউড় ঐৎড়ংযড় ট কধৎ খড় বলেছেন: ফয়সল নোই, আনেক ধন্যবাদ আপনার প্রচেষ্ঠা, আন্তরিকতা আর গুরুত্বপূর্ন পোষ্টের জন্য। মামলা সম্পর্কে আরো তথ্য পেলে জানান । আইন ও সালিসে রাহেলার মায়ের ঠিকানা পাওয়া যেতে পারে।

ফয়সল নোই একাই নয়, আমদের সবার এ ব্যাপারে সচেষ্ট হতে হবেভ আমরা রাহেলাকে বেঁচে থাকার মত একটা পৃথিবী দিতে পারিনি, আজ -আমাদের দায়িত্ব এর সিুবচার নিশ্চিত করা। রাহেলার নিরুপায়,দারীদ্র পিড়ীত মা কেথায় আমরা জানিনা, আমরা কি পাশে এস দাঁড়াবোনা আমাদের আর্ত স্বজনের?

সুপারিশ-১
সকল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থায় আমাদের ব্যাক্তিগতভাবে, চিঠিতে , ফোনে ও ইমেইলের মাধ্যমে গুরুত্ব সহ অনুরোধ করতে হবে তারা যেন আইন ও শালিশ কেন্দ্রের পাশাপাশি বিচারকার্য পর্যবেক্ষন করেন, আদালতে উপস্থিত থাকেন, মত প্রকাশ করেন, পত্র পত্রিকায় লেখেন ও উপযুক্ত বিচার দাবি করেন, এবং এ সংক্রান্ত মানবিক সাহায্য প্রদান করেন। তাদের মিলিত কন্ঠস্বর নিশ্চয় সুবিচারে সহায়ক হবে। আমরা সবাই যদি অনুরোধ করতে থাকি তারা নিশ্চয় সক্রিয় হবেন। সামহয়্যারে যারা মানবাধিকার কর্মী তারা আরও পরামর্শ দিন। বাংলাদেশের কিছু মানবাধিকার সংস্থার ঠিকানা দিচ্ছি , অন্য যারা আরও ঠিকানা ও ইমেইল জানেন দয়া করে পোষ্ট করেন। আন্তর্জাতিক সংস্হা গুলোতে যোগাযোগ করা ও জরুরী। প্রবাসী বন্ধুরা কি এগিয়ে আসবেন?
সুপারিশ-২
একইভাবে যত সম্ভব দেশী ও বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে (প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও টিভি) আমাদের অনুরোধ জানিয়ে যেতে হবে। মানবী'র পোস্টে দেশী সংবাদমাধ্যমগুলোর ঠিকানা পাওয়া যাবে। সকল টিভি চ্যানেলে চিঠি দিয়ে ও ব্যাক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন ও মামলার অবস্থা তুলে ধরতে অনুরোধ চালিয়ে যেতে হবে।

সুপারিশ-৩
সামহোয়্যার এর সংবাদকর্মী বন্ধুরা , আপনারা প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন তৈরী করে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে গুরাত্বসহ তুলে ধরেন।

সুপারিশ-৪
সামহোয়্যার এর লেখক স্বজনেরা, কলম ধরুন। আপনাদের পরিচিত লেখকদের অনুরোধ করুন। সারা দেশের লেখকদের জানান দিন। আপনাদের লেখা আমাদের মিলিত কন্ঠস্মর এবং অনেক বেশী কার্যকর।
জানিনা কি হবে। কিন্তু আমরা বাক রুদ্ধ যেনো না হই।


সুপারিশ-৫
সরকার, পুলিশ , প্রশাসন ,আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় ও গোয়েন্দা সংস্থায় আমাদের অনেকের চেনা মানুষ আছেন,স্বজন আছেন। তাদের বলুন , গুরুত্বসহ বোঝান যেন লিটন সহ পলাতক সব আসামি ধরা পড়ে, জামিনে থাকা আসামীরা যেন পালিয়ে না যেতে পারে। আমরা প্রত্যেকে আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবী করি ব্যক্তিগত ভাবে,পত্র দিয়ে, লিখিত অনুরোধ জানিয়ে, ইমেইল করে , ফোনে। আমরা করি অন্যদের ও করতে বলি। আমাদের সম্মিলিত দাবী নিশ্চয় আসামী গ্রেপ্তারের অভিযানকে বেগবান করবে।

পুলিশ ও রাবের ঠিকানা দেয়া হলোঃ