কেবলই বিচার হয়না

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

রাহেলা হত্যামামলা প্রসঙ্গ...
সাভারে চাঞ্চল্যকর রাহেলা হত্যা মামলার বিচার কাজ আবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। স্বাক্ষ্য গ্রহনের ৩টি তারিখ পিছিয়ে গেল অবশিষ্ট ৩ স্বাক্ষীকে খুঁজে না পাওয়ার কারনে। আশ্চর্যের বিষয় আদালতে হাজির না হওয়া এই ৩ স্বাক্ষীর মধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও রয়েছেন। হাজির না হওয়া অন্য দুই গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষী হচ্ছেন,রাহেলার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট ।এবং সুরুতহাল প্রস্তুতকারী চিকিৎসক।এই স্বাক্ষীদের বক্তব্য শেষ হলে দুপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন এবং এর পরপর মামলা পরিনতি পেত দ্রুত। এর আগে মামলাটির তারিখ বেশ কয়েক বার পিছিয়েছে মামলাজট এবং বিচারক সংকটের কারণে। আজ সকালে বারবারই মনে হচ্ছে,যে মামলার আইওই আদালতে গিয়ে স্বাক্ষ্য দেন না সেই মামলায় কি ন্যায্য বিচার পাবে বিচার প্রার্থী! মামলাটির স্বাক্ষ্যগ্রহনের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ অক্টোবর। মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর বলছেন,গত তারিখগুলোতে এই ৩ স্বাক্ষীকে হাজির করা যায়নি তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে। এখনো তাদের বর্তমান ঠিকানা খুঁেজ পান নি। তাই,১২ অক্টোবর স্বাক্ষীরা হাজির হবেন এই নিশ্চয়তা কে দেবে। বিচার না হওয়ার - না পাওয়ার যেন দায় দায়িত্ব নেই কারো।

আপডেট ৭/১০/০৮
রাহেলা হত্যা মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহন

সাভারের গার্মেন্টস কর্মী রাহেলা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মফিদুর রহমান। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দেয়া সাক্ষ্যে তিনি রাহেলার জবানবন্দির বিষয়াদি আদালতে উল্লেখ করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান জানান, এ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রমে আরেক দফা অগ্রগতি হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৮ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকী আছেন ফরেনসিক পরীক্ষার ডাক্তার, তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৫ জন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৩শে অক্টোবর।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৬

 

  • ২৯ টি মন্তব্য
  • ১০৩৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯
comment by: ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন: কি হবে রাহেলা হত্যা মামলার
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: মনে হয় ধর্ষকরা পার পেয়ে যাবে!৪ বছরেই কিছু হলো না!

২. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
comment by: নিশাচর বলেছেন: পিলাচ............+
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, নিশাচর।

৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
comment by: তাসু বলেছেন: কার কাছে বিচার চাইছেন? যে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারককে বিচারিক জীবন শেষে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসেও দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হতে হয় সে দেশের কোনো বিচারকের কাছে? আফসোস আমার জাতির জন্য!
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: আমাদের দুর্ভাগ্য, তাসু।

৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
comment by: লাল দরজা বলেছেন: কেম্নে কি হবে!
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: এই কারণে মনটা খারাপ ওস্তাদ:(

৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭
comment by: নুশেরা বলেছেন: সাক্ষীর গরহাজিরা বিষয়ে কিছু বলতে চাই। সরকারি দায়িত্বের অংশ হিসেবে যারা মামলার পেপার-ওয়ার্কস তৈরি করেন বা স্বাক্ষর দেন, তাদেরকে কোর্টে গিয়ে নথিতে নিজের সেই স্বাক্ষর সনাক্ত করা আর আসামীপক্ষের উকিলের গতবাঁধা জেরার জবাবে "সত্য নয়" বলা ছাড়া আর কিছু্‌ই করতে হয়না। করার সুযোগও নেই। প্রতিদিনই এমন কাজ তারা করছেন শতশত; মুখস্ত করে রাখার প্রশ্নই আসেনা। সাক্ষীর সমন ইস্যু হতে হতে তিনি হয়তো সেই কর্মস্থল কক্সবাজার থেকে ক্রমান্বয়ে পঞ্চম কর্মস্থল নীলফামারি বদলি হয়ে গেছেন। সমন ফেরত আসতে আসতে তিনবার তারিখ পড়ে গেছে; সাক্ষীর কাছে তা আর পৌঁছেনি।

এই ঝামেলা এড়ানোর জন্য জেলা জজশিপ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি, জেলা প্রশাসনের মত কর্তৃপক্ষের সুপারিশ বহুবার উপরে পৌঁছানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর সনাক্তকরণের মধ্য দিয়েই সাক্ষ্যের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে বহুবার।

আজব দেশ! স্বার্থ যখন শুল্কমুক্ত গাড়ী আর সম্মানীবৃদ্ধি; তখন আইনপ্রণেতাদের বিল আনার আর সমর্থন দেয়ার সময়, বুদ্ধি বা সহযোগিতার অভাব হয়না। পচে যাওয়া সাক্ষ্যআইনটার সংস্কারে তাদের কোন উদ্যোগ দেখা গেলনা কোনকালে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন ।এই মামলায় তাদের আসার,খোঁজ খবর রাখার কোন গরজ কেন থাকবে!?তাদের জানানোও যায়নি স্বাক্ষ্য দিতে আসার কথা।
এই আদালতি চাল,গদাই লস্করি গতি নিশ্চয়ই মানুষকে ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত করে!

সুন্দর বলার জন্য ধন্যবাদ,নুশেরা।

৬. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: বলার কিছু পাচ্ছি না :( অসহায় লাগে, কস্ট লাগে।

সাক্ষ্য আইনটার পরিবর্তন করতে হবে। আর সাক্ষ্যি দেবার জন্য যে টিএ/ডিএ দেয়া হয় সেটার পরিমানও বাড়ানো দরকার। কত কি যে দরকার :(
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: কি করবাম ফ্রেন্ডো?:(

৭. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১
comment by: নুশেরা বলেছেন: @সুমন- আমি জানি আপনি কেন এটা বলেছেন। সমন হাতে পেলেও কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি মেলে না। সেটা মিললে যেতে হয় গাঁটের পয়সা খরচ করে। টিএডিএ যা বরাদ্দ্, তাতে রিক্সায় চড়ে অফিস থেকে বাসস্ট্যান্ডে যাওয়া যায় শুধু। সেই কটা টাকার জন্য কত ফর্ম পূরণ আর কত ঘোরাঘুরি...। হায়রে সিস্টেম...
৮. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২
comment by: সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: রাহেলা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিচার চাই, শাস্তি চাই।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা ।

৯. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: সবাই খালি পার পেয়ে যায়,কি আর বলবো?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: সেটাই!কী বলার আর!

১০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৭
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: কিছুই করার নাই
+
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: আলী আরাফাত শান্ত ভাই, তাই মনে হচ্ছে!!!এমনটা মনে হলে আশ্চর্যই লাগে,অসহায়ও লাগে!!!
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ বড় ভাই।

১১. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:


প্রশ্নটি যেমন আপনার তেমন আমারও ! সত্যিই বিচার কি হবে......নাকি পার পেয়ে যাবে সেই খুনিরা....!

তবে শান্তনা একটাই এ জগতে বিচার না হলেও সেখানে ......হবেই!

হয়তো আমরা দেখতে পাবো না।

যাই হোক, এখানে যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কতটুকু দুর্বলতা আছে তা প্রকাশিত!

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপডেট এই নিউজটি দেওয়ার জন্য।

শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: ৭ অক্টোবর স্বাক্ষ্য গ্রহনের পরবর্তী তারিখ। দেখা যাক কী হয়।

১২. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৬
comment by: শেখ রহিম বলেছেন:

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
হায়রে অভাগী.....! এ নশ্বর পৃথিবীতে তোর মতো কত অভাগী যে আছে.....ক'জনের নামই যে বলতে পারবো......

যে দুঃখের জমাট বাঁধা রক্তগুলো অভাগী এ পৃথিবীতে রেখে গেছে
তা আজ সূর্যের ন্যায় লাল হয়ে আছে...!
রক্তপিন্ডের মানুষ হয়েও কেন তোকে কিছু মানুষের জন্য এ পৃথিবী থেকে চীরতরে চলে হতে হলো।
হায়রে অভাগী.....তোর জন্য কষ্ট হয়.........
যে কষ্ট ...........................যে কষ্টের ভাগ
সাড়ে সাত'শ বছরেও দেওয়া যায় না....!

ফয়সল ভাই লেখাটি পড়ে আবারও কষ্টের তীব্রতা জমতে শুরু করলো
যে তীব্রতা কোন দিনও বন্ধ হবার নয়!
সেই দিনই বন্ধ হবে যেদিন ওর হত্যাকারীদের বিচার হবে....


ফয়সল ভাই,
আমার বুকে লিফলেট চাপিয়ে রাহেলা হত্যাকারীদে বিচার চাচ্ছি
সবার দ্বারে দ্বারে......!
জানিনা এ চাওয়াকে কে কিভাবে দেখছে......
কেউ নেতিবাচক কেউ হয়তো ইতিবাচক!
তবুও আমার এ চাওয়াকে সবাই জানুক......
হয়তো এর বাহিরে আমার আর কিছুই করার নেই....!


ফয়সল ভাই ভালো থাকুন নিরাপদে থাকুন ।


শুভেচ্ছা রেখে গেলাম.......আর কষ্টকে সঙ্গি করে প্রিয় পোস্টে নিয়ে গেলাম লেখাটিকে....!
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: রহিম ভাই,আপনার মতোই আমার অনুভুতি রাহেলাকে নিয়ে।কখনো মনে হয়,একজন অচেনা মানুষের একটি মাত্র লেখায়(মানবীর) কিভাবে কিভাবে অচেনা এই হতভাগ্য মেয়েটির সঙ্গে আমাদের অনেকের আবেগ জড়িয়ে গেল!আমরা পাশাপাশি দাড়ালাম।তখন এই ভরসা জাগে,এতো মানুষ এক সাথে পরাজিত হয় না কখনো।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ রহিম ভাই।

১৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
comment by: মানবী বলেছেন: আজ না হোক কাল বিচার হবে ইনশাহ্আল্লাহ্। হাল না ছেড়ে, হতাশ না হবে আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ফয়সল নোই।

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন:
আপনার মনের শক্তি আশ্চর্য করে ম্যাডাম! আমার পেশা লেখা লেখি সংশ্লিষ্ট।কিন্তু লেখার শক্তি কী রাহেলাকে নিয়ে আপনার লেখাটি ও এর প্রভাব চোখের সামনে দেখার পর একান্ত ভাবে উপলব্দি করেছি।ঘটনাটি ব্যক্তিগত ভাবে আমার উপলব্দিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।আপনার নামে এজন্য আমি কৃতজ্ঞতা মানি।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।

১৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৪
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: সিস্টেমের হয়রানির কারনে অনেক সময় আমরা ফরেনসিকের কিছু রিপোর্ট যেমন ফিট ফর ট্রায়াল বা ফিট ফর সেনটেন্স এগুলো রিভাইজ করার পরামর্শ দিয়ে বিজ্ঞ আদালতের কাছে ফেরত পাঠাই-
তবে অবশ্যই মামলার গুরুত্ব বুঝে।
অনেক দিন কাজ করছি ফরেনসিক সাইকিয়াট্রির মত একটি নতুন বিষয়ে- দেখা যায় বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতেরও অনেক কিছু অজানা থাকে। এসব কারনে এমন একটা জিনিস তিনি চেয়ে বসেন যার রিপোর্ট দেয়া অসম্ভব।
যা হোক দিন বদলাচ্ছে- তরুন বিচারকরা অনেক স্মার্ট- প্রয়োজনে তারা দেখি সরাসরি আমাদের কাছে ফোন করে রিপোর্টের না বোঝা অংশগুলো বুঝতে চান।
আমারা অপেক্ষায় আছি আগামী দিনের সুন্দর বিচার ব্যবস্থার- পাবো কিনা জানিনা।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: আহমেদ হেলাল ছোটন ,আপনার সুন্দর মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ।

'অনেক দিন কাজ করছি ফরেনসিক সাইকিয়াট্রির মত একটি নতুন বিষয়ে- দেখা যায় বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতেরও অনেক কিছু অজানা থাকে। এসব কারনে এমন একটা জিনিস তিনি চেয়ে বসেন যার রিপোর্ট দেয়া অসম্ভব।' এই বাস্তবতা হতাশা ব্যঞ্জক নিশ্চয়ই।আপনার মূল্যবান মন্তব্যটি থেকে অনেক নতুন প্রসঙ্গ জানলাম।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৪
comment by: শ্রেয়া বলেছেন: রাহেলা সম্পকে জেনেছিলাম চন্দ্রাবতীতে আনু মুহম্মদের একটি লেখা পরে,অসম্ভব দাগ কাটা লেখা ছিল সেটা,জাবি তে এটা নিয়ে কেন কোনদিন উচ্চবাচ্য হয়নাই ,গোষ্টীতন্ত্র র এটা্ও আরেকটা রুপ কিনা,প্রশ্ন ছিল!!আপনাকে অনেক ধণ্যবাদ!!
১৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
comment by: ফয়সল নোই বলেছেন: রাহেলা হত্যা মামলর স্বাক্ষ্য গ্রহন:৭/১০/০৮

সাভারের গার্মেন্টস কর্মী রাহেলা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মফিদুর রহমান। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দেয়া সাক্ষ্যে তিনি রাহেলার জবানবন্দির বিষয়াদি আদালতে উল্লেখ করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান জানান, এ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রমে আরেক দফা অগ্রগতি হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৮ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকী আছেন ফরেনসিক পরীক্ষার ডাক্তার, তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৫ জন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৩শে অক্টোবর।

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই