somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বোকামীরও একটা সীমা থাকা উচিত!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


একজন নারী। ঠিক নারী বললে ভুল হবে- সে তো পুরুষের সমান হতে চায়। তবে তাকে পুরুষ বললে অসুবিধে কোথায়? চি‍‌ত্কার দিয়ে উঠৈছিল-
পুরুষের মত আমরা কেন বাস থেকে নেমে গিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জরায়ুর চাপ নির্গত করতে পারবনা। মূলত, এটা ছিল তার সমান-সমান অধিকারের শ্লোগান। আর অমনি নারীরা জেগে উঠল; যেন কোনদিনই তারা আর ঘুমাবে না এই বলে দিব্য দিয়ে। সাথে সাথে বহিঃবিশ্বের হকাররাও পেয়ে গেল একটা বাড়তি সুবিধা। মানবতা লঙ্ঘন করা যাবে না- উদ্ধৃতি দিয়ে রাস্তায় নেমে আসল মানবতার ঠিকাদাররা। উগান্ডাতেও চলছে সেই একই কান্ড।
এটা সম্প্রতির ঘটনা। উগান্ডার পত্র-পত্রিকায় যতটা না স্থান পেয়েছ ঘটনাটি, তারচেয়ে বেশী উল্লেখযোগ্য ভাবে স্থান পেয়েছে জোড় করে মতাব্বরের দায়িত্বে থাকা দু'দেশের পত্র-পত্রিকাগুলোতে। একেবারে ফন্ট পেজে। তাছাড়া, সমকামীর অধিকার রক্ষা হবে কি করে? হত্যার জন্য প্রতিবাদ নয়; তারা তো প্রতিবাদ করছে কেন সমকামী বৈধ করা হচ্ছে না- উগান্ডায়? সে তো গেল উগান্ডার কথা। যা বলতেছিলাম- ঐ যিনি সমান-সমান অধিকাররে পায়তারা করেছন; তিনার কথার ফিরে আসি। আচ্ছা, বলুন তো, আপনার ঘরের যুবতী কন্যা অথবা স্ত্রী অথবা আপনার পরম-প্রিয় বোনের জন্য কেউ কি এমন অধিকার চেয়ে বসবেন? তাছাড়া, সুস্থ্য বিবেকের কেউই তো এমন অধিকার পুরুষের জণ্যও চেয়ে বসবেন না। কারণ, বাস থেকে নেমে গিয়ে রাস্তায় দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে জরায়ুর স্বাধীনতা অধিকার করে পরিবেশ নষ্ট করার অধিকার কতটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আপনারা (উক্ত নারী) সমান-সমান অধিকার কার কাছে আবদার করছেন? সমাজের কাছে, রাষ্ট্রের কাছে না ধর্মের কাছে? যদি বলেন- ধর্মের কাছে। তবে, বলতে বাধ্য হব? কোন ধর্মের কাছে? এটা তো এখন ধর্মনিরপেক্ষ দেশে (ঘোষণা করা হয়েছে)। তাছাড়া, আপন আপন ধর্মের কাছে অধিকার আদায়ের দাবি করে বোধ হয় সবাই সঠিকভাবে নাও পেতে পারেন। কারণ, এই দেশটির অধিক জনগোষ্ঠির পালিত ধর্ম নারীকে সমান অধিকার দেয়নি; বরং দিয়েছে পুরষের চেয়ে বেশী। নারী যে আপনারই অংশ; সেটা যেন অস্বীকার না করতে পারেন। আপনার নিজের প্রতি যতটা অধিকার ঠিক ততটাই অধিকার তার প্রতিও। কারণ সেটা তো আপানারই অংশ। অন্য বা ভিন্ন কিছু নয়। আপনি যাকে নারী বা পুরুষ অধিকার নামে ভাগ করছেন মূলত সেটা তো একই অধিকার। আপনার নিজের অধিকার। নারীর জন্যও যেটা; পুরুষের জন্যও সেটাই। কিন্তু সমাজে তো এটা পরিলক্ষিত হয় না। দু'জন মেয়ের সমান একজন ছেলে। এটা কি সম-অধিকার? আচ্ছা, বলুন তো, ছেলে কার সম্পত্তি পায়? নিশ্চয় বাবার। এবং দু'ইজন মেয়ে যা পায় একজন ছেলে একাই তাই পায়। বেশ, মেয়ে পায় অর্ধেক। কিন্তু, মেয়ে আরো তিনটি/চারটি জায়গা থেকে পায় যা ছেলেরা পায় না। প্রথমত, একজন মেয়ে তারা বাবার থেকে পায়, তার মায়ের অংশ পায়, স্বামীর অংশ পায় আবার যে ছেলেটা তাকে প্রনয়সুত্রে গ্রহণ করে তার থেকে পায়। আর মহরানা তো ঐ মেয়ের এমন হক যা ছেলে দিতে বাধ্য থাকে (এটা তো তার উপর ফরয হয়ে যায়, আর এটা দেওয়ার নিয়ম বাসরের পূর্বেই)। ছেলেরা কিন্তু তার স্ত্রীর অংশ থেকে কিছুই পায় না এবং দাবিও করতে পারবে না। কিন্তু স্বামীর দায়িত্ব এসে যায় তাদের ভরণ-পোষণের। চাই সে নারী নিজে ধন-সম্পদের মালিক হোক আর না হোক। কিন্তু, মেয়েদের দায়িত্ব নয় পুরুষের ভরণ-পোষণ আপন ঘারে তুলে নেয়া। বস্তুত, এ পর্যায়ে পুরুষেই অধিকার সমান-সমান দেওয়া হয়নি। পুরুষকে করা হয়েছে নারীর সার্ভেন্ট মাত্র। আর যদি বাতুলতার আশ্রয় নিয়ে বলেন- পর্দার কথা। তবে তো বলতেই হয়- সেটাও বাধ্যতামূল করা হয়েছে পুরুষের জন্য আগে। পুরুষদের নজরকেই কঠোরভাবে নত করতে বলা হয়েছে-নারী পর্দার বিধান দেওয়ার আগে। মা-ময়ী নারীর পায়ের নিচের জান্নাত; আর পুরুষের পায়ের নিচে চটি-জুতা বৈ ভিন্ন কিছুই নয়। তাছাড়া, পিতা চান আপন মেয়েটাকে বিবস্ত্র করতে? আপনারা, পশ্চিমা ক্যালচারের নামে যা আবদার করছেন- তা তো নিজেদের জন্য নয় বরং পুরুষদেরই জন্য। তবে কেন ধর্মের কাছে সমান-সমান অধিকার চেয়ে নিজের অধিকারকে টেনে হিঁচড়ে নিচে নামিয়ে দিচ্ছেন? আপনাদেরকে তো সমান অধিকারের চেয়ে বেশী দেওয়া হয়েছে। আর যদি এ অধিকার রাষ্ট্রের কাছে চান; তবে সেটা আপনাদের প্রাপ্র হক বটে; কারণ, রাষ্ট্র এখনো আপনাদের সমান অধিকার দিতে পারেনি। কারণ, রাষ্ট্র তো ইসলামী রাষ্ট্র নয়- ধর্মনিরপেক্ষ। তবে অনুরোধ, অধিকারের আধ্যিক্ষেতা রচনা করতে গিয়ে আপন অধিকারকে সংকোচন করে ফেলবেন না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝার তাউফিক দান করুন। আমীন.........
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৬
১৫টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×