দূর্নীতিপরায়ন না, বরং খুব বেশি নীতি পরায়ন এবং এক কথায় অব্যর্থ, অটল দেশপ্রেমী বলে মনে হচ্ছে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের। বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারী চক্রের যে তৎপরতা, যে দাপট, সেটার সামনে মূর্তিমান আতংক ছিলেন নিহত মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ। সেই সাথে বিডিআর নের্তৃত্ত্বের সদ্য নিহত ফ্রন্ট। কয়েক ডজন কর্নেল আর লে: কর্নেলকে মেরে এক কথায় সীমান্তে চোরাকারবারী আর সবধরনের অপশক্তির অভয়ারন্য তৈরি করাই ছিলো এই নাশকতার মূল উদ্দ্যেশ্য। এটা এখন ধীরে ধীরে সুস্পষ্ট হয়ে উঠছে। একমাত্র নীতিবান মানুষকেই এভাবে নির্মম, নৃশংসভাবে প্রান দিতে হয়, ইতিহাস তার প্রমান। বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশীদের যে প্রতিযোগীতা সেটা দুটো ক্ষেত্রে জোড়ালো।
১. গার্মেন্টস সেক্টর
২. জাতিসংঘ মিশন
শুনেছি, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আরএমজি গার্মেন্টস সেক্টরে বেশ কিছু ইতিবাচক চ্যালেঞ্জিং ভূমিকা ছিলো নিহত বিডিআর চীফ শাকিল আহম্মদের। আর মিশনের ক্ষেত্রে কতোবড় ক্ষতি হলো সেটা বলার অপেকব্ষা রাখেনা। দেশ হারালো মেথধাবী এদল কর্মকর্তাকে।
বিডিআর জোয়ানদের যে দাবী নিয়ে অনেককে মাতামাতি করতে দেখছি, তাদের জন্যে একটি প্রশ্ন রেখে পোষ্ট শেষ করবো। তারা বলে, ৫০ ল াখ টাকার গাড়ি চড়ে বেড়ায় একজন পদস্থ কর্মকর্তা, আর জোয়ানদের ১০০% রেশন নেই!
ওই মানসিকতার জোয়ানকে ৫০ লাখ টাকা দেয়া হলে সে কি একজন কর্নেলে ব্যাজ কিনতে পারবে? পড়তে পারবে?
তাদের সব দায়িত্ত্ব, রেশনের দায়িত্ত্ব তো বিডিআর কর্মকর্তাদের হাতে নয়, সরকারের হাতে। তা জেনেও কেন এই নৃশংস হত্যাকান্ড?
বিডআরদরদীরা দয়া করে এর উত্তর দিয়ে যান?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



