ইসলামের বিভ্রান্ত আক্বিদা প্রবেশ করিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার কাজটি মদুদীকে দিয়ে খুব ভালো ভাবেই করিয়ে নিয়েছে তার প্রভুরা। সে সি. আই. এর এজেন্ট ছিল। রেফারেন্স: দ্য আর্কাইভ অব মিত্রোখিন-২য় খন্ড।
ধারাবাহিক ভাবে মদুদীর শয়তানী এবং কুফরীমুলক আক্বীদা পেশ করা হবে।
(গ) নবী-রসূল আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম সম্পর্কে কুফরী বক্তব্যঃ
(১) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে চরম কুফরী বক্তব্যঃ
“আল্লাহ তা’য়ালার নিকট কাতর কন্ঠে এই আবেদন করুন, যে কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হয়েছিল, তা সম্পন্ন করার ব্যাপারে আপনার দ্বারা যে ভুল ত্রুটি হয়েছে কিংবা তাতে যে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে তা যেন তিনি ক্ষমা করে দেন।” [তাফহিমুল কোরআন (বাংলা), ১৯শ খন্ড, ২৮০ পৃষ্ঠা, ওরিয়েন্টাল প্রেস, ঢাকা, ১৯৮০ ইং]
“মহানবী (স.) মানবিক দূর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দূর্বলতার বশীভূত হয়ে গুনাহ করেছিলেন।” [তরজমানুল কোরআন, ৮৫তম সংখ্যা, ২৩০ পৃষ্ঠা]
“মহানবী (স.) নিজে মনগড়া কথা বলেছেন এবং নিজের কথায় নিজেই সন্দেহ পোষণ করেছেন।” [তরজমানুল কোরআন, রবিউল আউয়াল সংখ্যা, ১৩৬৫ হিজরী]
“মহানবী (দঃ) তের বছর পর্যন্ত আরবের লোকদের মধ্যে ইসলামের মৌখিক ওয়াজ ও দাওয়াতের সর্বাত্নক প্রচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর শেষে যখন অস্ত্র ধারণ করেছিলেন তখন মানুষের মন আপনা-আপনি সত্য গ্রহণের জন্য বিগলিত ও ইসলামে শামিল হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেল।” [ আল জিহাদ ফিল ইসলাম, ১৭৩-১৭৪ পৃষ্ঠা, ২০০২ ইং]
দাজ্জাল সম্পর্কিত হাদীছ শরীফগুলোর আলোচনা প্রসঙ্গে সে বলেছে, “এ সম্পর্কে যেসব কথা হুজুরের নিকট থেকে হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, মূলত এগুলো ছিল তাঁর অনুমান (কিয়াস)। এসব সম্পর্কে তিনি নিজেও সন্দিগ্ন ছিলেন। এসব কথা তিনি ওহী লাভের ভিত্তিতে বলেন নি,বরং অনুমান করে বলেছিলেন। ........” [রাসায়েল ও মাসায়েল, ৫৫-৫৬ পৃষ্ঠা]
এছাড়াও তার রয়েছে হাজারো কুফরী আক্বীদা। এত কুফরী করে এ নাদানটা কি মুসলমান রইল?
এত সব কুফরীর পর মদুদীকে মুসলমান বলবেন না ইহুদী বলবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



