ইউনিক্স / লিনাক্স ফাইল সিস্টেমে সাত ধরণের ফাইল রয়েছে ।ইউনিক্স সিস্টেমে সব কিছুই ফাইল হিসেবে কাজ করে , এমনকি হার্ডওয়্যারও । নিচে সাত ধরণের ফাইলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হল ।
১. -(regular file)ঃ কোন ফাইলের আগে যদি (-) চিহ্ন থাকে তাহলে বুঝতে হবে এটি রেগুলার ফাইল ।
২. d(directory)ঃ কোন ফাইলের আগে যদি (d) থাকে তাহলে বুঝতে হবে এটি ডিরেক্টরী ।
৩. l (symbolic)ঃ কোন ফাইলের আগে যদি (l) এল - থাকে তাহলে বুঝতে হবে এটি একটি লিংক (সিম্বলিক বা সফট) ফাইল অর্থাৎ এই ফাইলটির সাথে অন্য কোন ফাইলের লিংক আছে । এখানে ফাইলটি কোন ফাইল বা ডিরেক্টরী কে পয়েন্ট করেছে তা দেখাবে ।
৪. b (block file) ঃ কোন ফাইলের আগে যদি (b) থাকে তাহলে বুঝতে হবে এটি ব্লক ফাইল । এটি গুচ্ছ ডাটা নিয়ে হার্ডওয়্যার এর সাথে যোগাযোগ করে , যা হতে পারে ৫১২ বাইট, ১০২৪ বাইট, ২০৪৮ বাইট কিংবা যে কোন পরিমাণ নির্ভর করছে হার্ডওয়্যার এর উপর । সাধারণতঃ ডিস্ক ডিভাইসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য ।
৫. c (character file)ঃ এটি ক্যারেক্টার ফাইল, যা হার্ডওয়্যারের সাথে একই সময়ে একটি ক্যারেক্টার যোগ করে । সাধারণত এটি রেগুলার ফাইল নয়, হার্ডওয়্যার ফাইল । যেমন- প্রিন্টার ডিভাইস ।
৬. p (name pipe)ঃ এটি এমন ধরনের ফাইল যা নাকি ডাটা এবং প্রোসেসের এর মধ্যে ব্যবহৃত হয় । এটি নিজে কোন ডাটা সংরক্ষণ করে না কিন্তু ডাটা পাস করে যখন একটি প্রোসেস নেমড পাইপে রাইট করছে এবং আরেকটি প্রোসেস নেমড পাইপ থেকে ডাটা পড়ছে । mknod কমানেডর মাধ্যমে এই ধরনের ফাইল তৈরী করা যায় । উদাহরণ -mknod mypipe p
৭. s (socket)ঃ এটি সকেট ফাইল । ইন্টার প্রসেস কমিউনিকেশন ম্যাকানিজম স্টাইল ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



