আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার প্রথম কবিতার বই: পাখি ও পাপ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- দৃশ্যখাদকের চোখে ভাঁজ করা ঘুম - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- দৃশ্যখাদকের দল এবং স্মৃতির ভাঙা দেরাজ - হাসান মাহবুব
- কবি আব্দুল মান্নান সৈয়দ-এর ১০টি কবিতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ই-পুস্তকে মুক্তগদ্য সংকলন: প্রিয় লেখকদের দৃষ্টি আকর্ষণ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- গদ্য: 'বাঙলা' শব্দের বানান এবং বাঙালি অথবা বাঙলাদেশী জাতীয়তাবাদ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- বাঙলাদেশে গার্মেন্টস্ শ্রমিকদের উপর বর্বর পুঁজিবাদীশোষণ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আজ কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের জন্মদিন - ব্লগার কমল
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য - লিটল হামা
- হুমায়ুন আজাদের একটি কবিতা... - ভিজামন
- প্রিয় সামহোয়্যারইন-কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয়-প্রস্তাব: ব্লগে বাঙলা-তারিখ সংযোজন করুন - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- পবিত্র রমজান নিয়ে নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ এর কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিলাম - সাম্বাদিক
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- নারী নিয়ে হুমায়ুন আজাদের পরিশ্রমসাধ্য কাজকে যারা অনুকরন বা নকল বলে তাচ্ছিল্য করছেন তাঁদের প্রতি জিজ্ঞাসা - দস্যু বনহুর
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- শারদীয় প্রবচনগুচ্ছো: শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ - অন্যমনস্ক শরৎ
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ এমন ডিজিটাল ভন্ডামীর কারনটা কি জানতে পারি? - ~অন্ধ~
- বাংলাদেশের সংবিধান কি ইতিমধ্যেই পরিবর্তিত হয়ে গেছে? - বিডি আইডল
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- প্রথমস্বর (প্রথম দশকে পরিব্যাপ্ত ও বিকশিত কবিদের নির্বাচিত কবিতা) - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- তেলরঙে আঁকা আমার নয়টি ছবির ফটোগ্রাফ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- শীর্ষ ব্লাগর না ! শ্রেষ্ঠ বেয়াদপ - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- প্রিয় বিনয় মজুমদারের আঠারোটি কবিতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভয়ানক নৈসঙ্গের ভিতর পাওয়া কাব্যগুলি-২ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- কবিতাদলঃ খয়েরি পাখিদের আজ বাড়ি ফেরার তাড়া নেই - অমিত চক্রবর্তী
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- অন্ধকার কুসুম বৃন্ত - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- আসেন, কবি দীপঙ্কর সেন গুপ্ত'র একটি কবিতার ভিতরে যাই - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- সে, সে, এবং সে - হাসান মাহবুব
- ব্লগ থেকে গান - ১২ (শুন্য দুটি ঘর) - অচন্দ্রচেতন
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৬ ( যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো -শক্তি চট্টোপাধ্যায়)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সাদা রঙের সেই রুমালটা রক্তজবা হয়ে গেল - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- ~~মৃত মেঘের ফোঁপানো কান্না~~ - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- রাখাল, আমি তোকে নিয়ে পালিয়ে যেতে চাই - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- আমি শুধু রাখালের ঘুমন্ত ফুলকন্যা হয়ে থাকবো - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- আমাদের ব্লগবাড়ি : ভালবাসার একটি বছর - নম্রতা
- ব্লগ থেকে গান - ১০ (একটি ঝুমকো আর একটি নীল) - অচন্দ্রচেতন
- আজ নির্ঝর নৈঃশব্দ্য'র জন্মদিন


- সবাক
- অনলাইনে পাওয়া জীবনানন্দ দাশের সব কবিতা - র হাসান
- কবিতা: সে - জীবনানন্দ দাশ - রাতফুল
- হুমায়ুন আজাদের একটি কবিতা... - ভিজামন
- মুছে দিয়ে: উৎসর্গ- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য দাদা কে - ব্যতিক্রমী
- পাহাড়ের চূড়ায়-উৎসর্গ নির্ঝর নৈঃশব্দ্য ভাইকে - ব্যতিক্রমী
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য - দীপঙ্কর
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য :: প্রেয়সী বলেই ভালোবাসি - সবাক
- ফ্রেন্ঞ্চ খোঁপায় শ্বাসরুদ্ধ চুলের জোছনা - নম্রতা
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য - শত রুপা
- ব্লগের কবিতা : প্রবাহ ঝলকের নির্বাচিত সতেরো / ১ম পর্ব - ফকির ইলিয়াস
- কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য আমার বিকৃত মস্তিষ্কের বাহক। - অন্তিম
- ছিন্নগ্রন্থির জলরঙে ঝুমঝুম বৃষ্টির রাত - মুক্তি মণ্ডল
- কথোপকথন সংক্রান্তিতে............হিজড়হ এবং অড়হড় শব্দমালা বিনিময়............ - নীল চাঁদ
- আমি ও আমরা - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- টিপাইমুখবাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধে অস্তিত্বরক্ষার প্রশ্নে দেশে বিদেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- শূন্যতা পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
চৈনিক পুরাণ: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি বিষয়ে ছয়টি কথকতা
১২ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:২২
প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি বিষয়ে আলাদা পুরাণকথা বিদ্যমান। সে হিশেবে চৈনিক পুরাণেও আছে ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন কাহিনি, যেগুলোতে প্রতিটি চরিত্রের রয়েছে একটি স্বকীয় ভূমিকা।
নুগুয়া
প্রথম কাহিনি আবর্তিত হয় 'নুগুয়া' নামের এক প্রাচীন দেবীকে কেন্দ্র করে। ‘গুয়া’ শব্দের অর্থ হলো একটি শামুকসদৃশ সৃষ্টি ; এমন পোকা এবং সরীসৃপ, যারা পাল্টে ফেলতো খোলস এবং যাদের প্রজনন-ক্ষমতা ছিলো বলে বিশ্বাস করা হতো। ‘নুগুয়া’ গ্রহণ করেন সত্তরটি রূপান্তর, যেগুলো থেকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এবং সকল জীবিত সত্তার সৃষ্টি হলো। তার দেবীত্ব এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, তার অন্ত্র থেকে জন্ম নিলো ‘নুগুয়ার অন্ত্র’ নামে দশজন দেব-চরিত্র।
হুন্দুন
দ্বিতীয় কাহিনি আবর্তিত হয় হুন্দুন নামক এক দেবতাকে ঘিরে, যার মুখমণ্ডল বা দেহে কোনো ছিদ্র ছিলো না।
হুন্দুন শাসন করতেন জগতের কেন্দ্রকে। আর দণি ও উত্তরের জলভাগের নিয়ন্ত্রণ করতেন দুইজন দেবতা। এই দুজন সমুদ্রদেবতা প্রায়ই হুন্দুনের সাথে দেখা করতেন। ফলত তাদের মনে হলো যেহেতু তার কোনো মুখমণ্ডল নেই, তাই তারা তার দেহে সাতটি ছিদ্র করে দেবেন, যেগুলো দ্বারা তিনি দেখতে, শুনতে, খেতে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করতে পারবেন। তারা প্রতিদিন একটি করে ছিদ্র সৃষ্টি করলেন, কিন্তু সপ্তম দিনে হুন্দুনের মৃত্যু ঘটলো।
অন্য এক কাহিনিতে হুন্দুনকে বর্ণনা করা হয় একটি হলুদ বস্তা রূপে, যিনি ছিলেন সিঁদুরের মতো লাল, অগ্নিশিখাময়, যার ছিল ছয়টি পা এবং চারটি ডানা, কিন্তু ছিল না কোনো মুখমণ্ডল বা চোখ।
তৃতীয় কাহিনিতে বলা হয় আদি বাষ্প থেকে ইন এবং ইয়াং নামে দুটি জাগতিক শক্তির উত্থান ঘটে। তাদের মিলনে মধ্য দিয়ে এই বিশ্ব দেহপ্রাপ্ত হলো। আকাশ আবির্ভূত হলো এক গোলীয় চাদোয়ার মতো, যা ঢেকে দিলো চারপাশ বিশিষ্ট সমতল মর্তকে, যেখানে আকাশ এবং মর্ত একত্রে গাঁথা থাকলো বিশাল পর্বতমালার মাধ্যমে (বা বিভিন্ন স্তম্ভের মাধ্যমে), যেগুলো ঝুলানো ছিলো রশির মাধ্যমে।
চতুর্থ কাহিনিতে আমরা দেখি, বিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে ছিলো বাষ্পের এক বিদেহি বিস্তার। এই আদি উপাদান থেকে সৃষ্টি হল ‘ইন’ শক্তি, যা হলো অন্ধকারাচ্ছন্ন, শীতল, ছায়াময়, ভারি, স্ত্রীলিঙ্গীয় ও অকর্মক এবং ‘ইয়াং’ শক্তি, যা হলো আলোকময়, উষ্ণ, রৌদ্রকরোজ্জ্বল, হালকা, পুংলিঙ্গীয় এবং সকর্মক। ইন এবং ইয়াং-এর সঙ্গমে সৃষ্টি হলো চারটি ঋতু এবং প্রাকৃতিক জগৎ। ইয়াং জন্ম দিলেন অগ্নি এবং সূর্যকে; ইন জন্ম দিলেন জল এবং চাঁদ, এবং অতঃপর নত্রদলকে।
পঞ্চম কাহিনিতে আকাশ এবং মর্তের বিচ্ছিন্ন হওয়ার পুরাণটি একটি সৃষ্টি-উপাখ্যানের সাথে সম্পর্কিত। এটি বর্ণনা করে ‘ঝুয়ান জু’ নামে এক কিম্ভূতকিমাকার আকাশ দেবতাকে, যিনি নিয়ন্ত্রণ করেন আকাশের কীলককে। তিনি তার পৌত্র ‘চং’কে নির্দেশ দিলেন আকাশটিকে চিরদিনের মতো উপরে ঠেস দেয়ার জন্য এবং অন্য পৌত্র ‘লি’কে বললেন মর্তকে চিরদিনের মতো নিচে চেপে ধরার জন্য।
ষষ্ঠ কাহিনি আবর্তিত হয় ‘প্যানগু’ কে কেন্দ্র করে, যিনি ছিলেন প্রথম এবং অর্ধদৈব মানব। এটি বর্ণনা করে, কিভাবে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় শুয়ে থাকলেন এবং তার মৃত্যুর পর তার নিঃশ্বাস হয়ে উঠলো বায়ু এবং মেঘমালা, তার কণ্ঠস্বর হয়ে উঠলো বজ্র, তার চোখ দুটি হয়ে উঠলো সূর্য এবং চাঁদ, তার শরীর হয়ে উঠল পর্বতমালা। তার দেহরস পরিণত হলো বৃষ্টি এবং নদীতে, তার মাংস পরিণত হলো মাটিতে। তার মাথার চুল পরিণত হলো নক্ষত্রমালায়, তার শরীরের লোম পরিণত হলো গাছপালায়। তার দাঁত, অস্থি এবং মজ্জা পরিণত হলো খনিজদ্রব্যে। তার শরীরের উপরকার পোকাগুলি পরিণত হলো মানুষে।
প্যানগু
‘প্যানগু’ পুরাণের আরেকটি ভাষ্য উল্লেখ করে যে, আদিতে সকল পদার্থ ছিলো একটি মুরগির ডিমের মতো। আঠারোহাজার বছর পর এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পরিণত হলো ‘ইয়াং’ নামের বায়বীয় পদার্থে, যা উপরে উঠে গেলো আকাশ সৃষ্টি করার জন্য এবং ‘ইন’ নামের ভারি পদার্থে, যা ডুবে গিয়ে সৃষ্টি করল মর্ত। ‘প্যানগু’ জন্ম নিলো এই পবিত্র এবং আদি পদার্থসমূহের মাঝে, যখন এগুলো উন্মোচিত হলো-- তার এই রূপটি অতিক্রম করল নয়টি রূপান্তরপর্ব, তিনি হয়ে উঠলেন আকাশ এবং মর্তের মতো দৈব এবং জ্ঞানী। আরো আঠারোহাজার বছর পর আকাশ, মর্ত এবং প্রথম মানব পৌঁছে গেল তাদের সর্বোচ্চ আকৃতিতে এবং সৃষ্টি হল ‘স্বর্গ’, ‘মর্ত’ এবং ‘মানবজাতি’।
-------------------------------------------------------------------------------
সূত্র:
১. World of myths by Felipe Fernández-Armesto
২. অন্তর্জাল
-------------------------------------------------------------------------------
উৎসর্গ:
প্রিয় ইমনদাদা
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পুরাণ ;
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
হুম . ধ্বংসের প্রহর গুনছে যখন পৃথীবি তখন সৃষ্টি নিয়ে বলে কি হবে ?
লেখক বলেছেন: আমি গুনতাছি না বস্। সবি আল্লার হাতে।
bangal manus বলেছেন:
২০১২ সালে নাকি পৃথিবী ধংস হয়ে যাবে?
লেখক বলেছেন: এইটা ফালতু কথা। কিছুদিন পর পর এইরকম কথা বলতে শুনি। আমি যতোটুকু জানি, সূর্য চিরতরে নিভে গেলেই পৃথিবী ধ্বংস হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
হাঃ হাঃ হাঃ +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা
লেখক বলেছেন: সোহানভাইয়ার হাসি কেনো পাইলো বুঝতে পারছি ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আহা ![]()
দীপান্বিতা বলেছেন:
কি দারুন! গল্পগুলো অদ্ভুত!...বিভিন্ন স্থানের প্রাচীন কাহিনী বিভিন্ন...অনেক ধন্যবাদ চিনের এমন কিছু কাহিনী জানানোর জন্য লেখক বলেছেন: শুভদুপুর, কল্যাণীয়া
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















