এটা খুবই আশার খবর যে, বাংলাদেশের অনেক মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ উপার্জন করছেন। কিন্তু পেপ্যালের সুবিধা না থাকায় প্রায় সবাইকে এ সম্পর্কিত নানান ঝামেলার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গুগল অ্যাডসেন্সের কথাই ধরুন। আপনি অনেক কষ্ট করে ১০০ ডলার আয় করলেন। সাধারণ ডাকে আসলে চেকটি আপনার হাত পর্যন্ত না পৌছার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আবার সিকিউরড এক্সপ্রেসে আনলে ২৮ ডলার কেটে রাখবে। রইলো মাত্র ৭২ ডলার। চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে বারশ টাকার মতো চার্জ কেটে রাখে। গেলো আরও ১২ ডলারের মতো। অর্থাৎ আপনার হাতে থাকছে মাত্র ৬০ ডলার।
এই ধরনের সমস্যার সমাধান হতে পারতো পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট। কিন্তু সরকার কী এক অবোধগম্য কারণে বাংলাদেশে পেপ্যালের অনুমতি দিচ্ছে না। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, সরকারের যারা এ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী, তাঁরা বোধহয় এর সুবিধা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। শুনেছি সরকার নাকি মনে করে, পেপ্যাল অ্যাকাউন্টে দেশের টাকা বাইরে চলে যাবে। তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট বৈধ হয় কীভাবে? একই ভয় তো তাদেরও থাকার কথা।
যে কারণে যারা অনলাইনে কাজ করছেন, এসব বিষয় নিয়ে লেখালেখি করছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে- পেপ্যাল অ্যাকাউন্টের অনুমতি দিলে বাংলাদেশ কী কী সুবিধা পাবে সেগুলো হাইলাইট করে একটি লেখা তৈরি করতে। যথাযথ তথ্য ও উপাত্তসহকারে লেখাটি তৈরির পর যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সেটি পাঠাতে হবে। এতে ব্লগার ও অন্যান্যদেরও স্বাক্ষর ও সক্রিয় সহযোগিতা থাকতে পারে। অনলাইন কমিউনিটির পক্ষ থেকে ব্লগাররা এমন একটি উদ্যোগ নিলে আমার মনে হয় সরকার এ ব্যাপারে চিন্তা করতে বাধ্য হবে। যতোদূর দেখেছি, পেপ্যাল চালু নিয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে লেখালেখি হয়েছে, কিন্তু একটি সমষ্টিগত প্ল্যাটফর্ম থেকে এ ধরনের আহ্বান আসলে সরকার এ বিষয়ে অবশ্যই ভাবতে বাধ্য হবে। বিষয়টির গুরুত্বও বাড়বে অনেকখানি। এ ব্যাপারে আপনারা কী মনে করেন?
কেউ কি বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধতে এগিয়ে আসবেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




