somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

(^-^) প্রার্থনা (*-*)

১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


প্রার্থনার সাথে আমার একটা বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

যখনি আমার দুর্বলতা ঢাকতে যাই তখনি বেশ আয়োজন করে প্রার্থনায় বসি। সৃষ্টিকর্তার কাছে বেশ অধিকার নিয়েই বলি, "তোমার শক্তি দিয়ে আমার দুর্বলতা দূর করে দাও। তোমার আমাকে সাহায্য করতেই হবে কারন আমি একমাত্র শক্তি হিসেবে শুধু তোমাকেই বিশ্বাস করেছি। সেজন্যেই পার্থিব কোন অস্তিত্বে নির্ভর না করে তোমার কাছেই সমর্পন করেছি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে।"

কিছু সময় মনে হয় আশেপাশের সবকিছুই আমার প্রতিপক্ষ। আমাকে নিয়ে প্রতিনিয়ত তারা ষড়যন্ত্রে মগ্ন। শেষ দু'বছর আমি নিজের সাথে খুব যুদ্ধ করেছি, অনেক অত্যাচার করেছি নিজের ওপর যাতে সামনের সময়টা একটু ভাল কাটে। অন্ধকারে থাকতে থাকতে একদম ছায়াজীবি হয়ে গেছি। একটার পর একটা দুঃসংবাদ আমাকে সম্পূর্ণ বোধহীন করে দিয়েছে। একটু ভাল একটা খবর এখনো হন্য হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছি, সেটা যেকোন কিছুর-ই খবর হোক না কেন। একটা সময় এই অভিশপ্ত জীবনটাকে ছুড়ে ফেলতে ইচ্ছা করে আর্জনার মতো। আমি বোধহয় একটু অস্থির হয়ে যাচ্ছি...যাই একটু প্রার্থনায় বসি, "স্রষ্টা! আমার জীবন থেকে এই ছায়া সরিয়ে দাও... আমাকে আলোর রশ্মিটা দেখিয়ে দাও, একটাবারের জন্য চোখ ধাঁধানো আলো দেখতে চাই..."

মাঝে মাঝে কিছু মানসিক দুর্যোগে বেশ বিপর্যস্ত হয়ে যাই। না কারো সাথে ভাগ করতে পারি, না নিজে চুপচাপ সহ্য করতে পারি। কোন যুক্তি-ও কাজ করে না। রাত-দিন ভাবি কি করা যায়, কি করা যায়। স্বাভাবিক জীবন চরম এলোমেলো হয়; সবার সাথেই চিৎকার করি...হয়তো রাগটা যার ওপর খুশি ঝেড়ে দেই যেমন-তেমন ভাবে। এই টাল-মাটাল অবস্থাতেই সমাধান হাতরে বেড়াই ভেতরটাতে। শেষমেষ বেশ রেগে গিয়েই উপরে তাকাই..."স্রষ্টা! খুব মজা পাচ্ছো না আমাকে এমন দেখে ? খেলনার মতো খেলছো আমাকে নিয়ে! ঠিকই বের করে ফেলবো আমি হাল্কা হয়ার উপায়।"

আগামী কয়েকদিন আমার জন্য খুব কঠিন একটা সময়। একই সাথে দুর্বলতা, প্রতিকুলতা আর রাগ গ্রাস করবে আমাকে। হয়তো প্রার্থনায় বসবো অস্থির হয়ে। তাও আমি আশাবাদী মানুষদের মতো ভাবি...এইতো আরেকটু, সামনেই ঝলমলে আলো! কিন্তু কত সামনে তা জানি না! কেমন অন্ধ অশিক্ষিত লাগে নিজেকে! পৌনঃপুনিক দুঃসংবাদের শিকল ছেড়ার ইচ্ছাটা আমাকে উন্মাদ করে দেয়। আমার হাতে-পায়ে সেই কবে থেকে বাঁধা শিকলটা! অনেক ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। অতীত এর দুঃস্বপ্নগুলো কেমন বাজে ক্ষত হয়ে গেছে, এখনও তীব্র ব্যথা হয় মাঝেমাঝে। তারপরও জানি আমি পারবো শৃংখলমুক্ত হতে, সেই ক্ষতগুলো মুছে ফেলতে...শুধু একটু ভাল সময় আর কিছু শক্তি দরকার।

... এবার চোখ বন্ধ করে হাত মুঠো করি..." স্রষ্টা! আমাকে একটু বিশুদ্ধ সময় আর কষ্টের সাথে, প্রতিকুলতার সাথে যুদ্ধের শক্তি দাও। আর বলো...তুমি আছো তো আমার সাথে ??" সাথে আমার একটা বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

যখনি আমার দুর্বলতা ঢাকতে যাই তখনি বেশ আয়োজন করে প্রার্থনায় বসি। সৃষ্টিকর্তার কাছে বেশ অধিকার নিয়েই বলি, "তোমার শক্তি দিয়ে আমার দুর্বলতা দূর করে দাও। তোমার আমাকে সাহায্য করতেই হবে কারন আমি একমাত্র শক্তি হিসেবে শুধু তোমাকেই বিশ্বাস করেছি। সেজন্যেই পার্থিব কোন অস্তিত্বে নির্ভর না করে তোমার কাছেই সমর্পন করেছি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে।"

কিছু সময় মনে হয় আশেপাশের সবকিছুই আমার প্রতিপক্ষ। আমাকে নিয়ে প্রতিনিয়ত তারা ষড়যন্ত্রে মগ্ন। শেষ দু'বছর আমি নিজের সাথে খুব যুদ্ধ করেছি, অনেক অত্যাচার করেছি নিজের ওপর যাতে সামনের সময়টা একটু ভাল কাটে। অন্ধকারে থাকতে থাকতে একদম ছায়াজীবি হয়ে গেছি। একটার পর একটা দুঃসংবাদ আমাকে সম্পূর্ণ বোধহীন করে দিয়েছে। একটু ভাল একটা খবর এখনো হন্য হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছি, সেটা যেকোন কিছুর-ই খবর হোক না কেন। একটা সময় এই অভিশপ্ত জীবনটাকে ছুড়ে ফেলতে ইচ্ছা করে আর্জনার মতো। আমি বোধহয় একটু অস্থির হয়ে যাচ্ছি...যাই একটু প্রার্থনায় বসি, "স্রষ্টা! আমার জীবন থেকে এই ছায়া সরিয়ে দাও... আমাকে আলোর রশ্মিটা দেখিয়ে দাও, একটাবারের জন্য চোখ ধাঁধানো আলো দেখতে চাই..."

মাঝে মাঝে কিছু মানসিক দুর্যোগে বেশ বিপর্যস্ত হয়ে যাই। না কারো সাথে ভাগ করতে পারি, না নিজে চুপচাপ সহ্য করতে পারি। কোন যুক্তি-ও কাজ করে না। রাত-দিন ভাবি কি করা যায়, কি করা যায়। স্বাভাবিক জীবন চরম এলোমেলো হয়; সবার সাথেই চিৎকার করি...হয়তো রাগটা যার ওপর খুশি ঝেড়ে দেই যেমন-তেমন ভাবে। এই টাল-মাটাল অবস্থাতেই সমাধান হাতরে বেড়াই ভেতরটাতে। শেষমেষ বেশ রেগে গিয়েই উপরে তাকাই..."স্রষ্টা! খুব মজা পাচ্ছো না আমাকে এমন দেখে ? খেলনার মতো খেলছো আমাকে নিয়ে! ঠিকই বের করে ফেলবো আমি হাল্কা হয়ার উপায়।"

আগামী কয়েকদিন আমার জন্য খুব কঠিন একটা সময়। একই সাথে দুর্বলতা, প্রতিকুলতা আর রাগ গ্রাস করবে আমাকে। হয়তো প্রার্থনায় বসবো অস্থির হয়ে। তাও আমি আশাবাদী মানুষদের মতো ভাবি...এইতো আরেকটু, সামনেই ঝলমলে আলো! কিন্তু কত সামনে তা জানি না! কেমন অন্ধ অশিক্ষিত লাগে নিজেকে! পৌনঃপুনিক দুঃসংবাদের শিকল ছেড়ার ইচ্ছাটা আমাকে উন্মাদ করে দেয়। আমার হাতে-পায়ে সেই কবে থেকে বাঁধা শিকলটা! অনেক ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। অতীত এর দুঃস্বপ্নগুলো কেমন বাজে ক্ষত হয়ে গেছে, এখনও তীব্র ব্যথা হয় মাঝেমাঝে। তারপরও জানি আমি পারবো শৃংখলমুক্ত হতে, সেই ক্ষতগুলো মুছে ফেলতে...শুধু একটু ভাল সময় আর কিছু শক্তি দরকার।

... এবার চোখ বন্ধ করে হাত মুঠো করি..." স্রষ্টা! আমাকে একটু বিশুদ্ধ সময় আর কষ্টের সাথে, প্রতিকুলতার সাথে যুদ্ধের শক্তি দাও। আর বলো...তুমি আছো তো আমার সাথে ??"











*********************************************************************

ছবি কৃতজ্ঞতা : বাপ্পী ভাই
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২১
৩৩টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×