আমার প্রিয় পোস্ট

ক্রমাগত অস্থিরতার মাঝে স্থবিরতা, কষ্টে মোড়া গানের মাঝে প্রশান্তি আর ছায়ার মধ্য স্পষ্টতা খুঁজে যাচ্ছি...

|| নিশীথের আশ্রয় || ... শেষের কথা

৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৫

শেয়ার করুন:                   Facebook



গল্পের শুরুটা...

স্কয়্যার হাসপাতালের আই.সি.ইউ. এর সামনের ডিভানে বসে ভীষণ কাঁপা হাতে অনিন্দিতার লেখা চিঠিটা খুললেন রুখসানা...

"মা মা মা মা মা !!!

আমি জানি মা এখন হয়তো তুমি চিঠি পড়ার অবস্থায় নেই। তাও কি করবো বলো? পারলাম-ই না কথাগুলো তোমাকে বলতে! আজকে যেই কথাগুলো আমি তোমাকে বলবো সেই কথাগুলো তোমার আমাকে বলার কথা ছিলো...যাহোক! মিলিয়ে দেখো তো মা! ঠিক বলছি কি না...

তুমি তখন মাত্র ডব্লিউ.এইচ.ও জয়েন করেছো। বয়স ছাব্বিস-সাতাশ হবে। একদিন তোমার বাসার কাজের মেয়েটা তোমার কাছে বিকারগ্রস্তের মতো এসে তার জমজ মেয়েদু'টাকে এনে দেয়। তার ছেলে দরকার। এমনিতেই দুটা মেয়ে ছিল, তারপর এ দু'টাকে দেখলে নিজের সংসার না ভেঙে যায়! এই মেয়েদু'টাকে হয় তার মেরে ফেলতে হবে নাহলে কাউকে দিয়ে দিতে হবে। মেয়েদু'টা খুব ফুটফুটে ছিল, তুমি মানা করতে পারো নি। একটা ফেলে দেয়া মেয়েকে নিলে তুমি। মেয়েটাকে "অনিন্দিতা" করে তুললে। এর জন্য তুমি নিজের পরিবার বা বাইরের মানুষ সবার সাথে কঠিন যুদ্ধ করে গিয়েছো বেশ কয়েক বছর। কিন্তু তুমি তোমার অনিন্দিতার ওপর এতটুকু আঁচ আসতে দাও নি। মা, আমার জন্মদাত্রী আমাকে ফেলে যে গিয়েছিল, আর কক্ষনো ফিরেও তাকায় নি। তোমার জন্য তাই আমার শিকড় লুকানোটা সহজ ছিল।

মা কখনো ভেবে দেখেছো আমার জমজ বোনটার কি হয়েছিল ? জানো মা ? মেয়েটা দেখতে অবিকল আমার মতো! আমার দেখে মনে হলো আয়না দেখ্‌ছি!

তুমি না করে দেয়ার পর আমার "মা" আমার বোনকে আর কোন আশ্রয় দিতে পারে নি। মেয়েটা কখনো রাস্তায় কখনো ফুটপাথে কুকুর-বিড়ালের সাথে বড় হয়েছে। খুব অনাকাঙ্ক্ষিত হয়ায় ও শুনেছে অশ্রাব্য গালি, আর আমি তোমার কাছে শুনেছি কতো সুন্দর সুন্দর কথা! ওর ১৩-১৪ হতেই ওকে "মা" ব্রোথেলে বিক্রী করে দেয়, যেখানে আমার বড় বোন আগে থেকেই ছিল। যেখানে আমি তোমার সাথে পৃথিবীর অনেক দেশে ঘুরে অনেক কিছু জেনেছি, সেখানে ও জেনে গিয়েছিল পৃথিবীর নির্মম কিছু সত্য। আমাকে তুমি "অনিন্দিতা" করে তুলেছো, আর ওর কোন সত্যিকারের নাম-ই ছিল না। রাতের সাথে সাথে নাম বদলে যেত ওর! মা তুমি কি ভাবছো, এতো কথা আমি কিভাবে জানলাম ?? তাই না মা ???

মা! কয়েক সপ্তাহ আগের প্রথম আলোর নারীমঞ্চের একটা কলামে ছোট্ট করে একটা দেহব্যবসায়ীর মৃত্যু সংবাদ ছাপা হয়। আমি দেখিনি মা খবরটা, আমিতো পেপার-ই পড়ি না! খবরটা ধ্রুব দেখেছিল। ও খুব অবাক হয়েই জানায়, মেয়েটা নাকি দেখতে একদম আমার মতো! আমি ওকে হালকা বকে হাসতে হাসতে পেপার নিয়ে চমকে উঠেছিলাম! আমার ছবি কেন পেপারে! তারপর কোন এক ভীষণ কৌতুহলে প্রথম আলোতে যাই। এ সময়টায় ধ্রুব আমার সাথেই ছিল মা। ধ্রুব আমার বা আমি ধ্রুবের খুব পাগলপ্রিয়! শেষ কয়েকটা মাস আমার পৃথিবীতে ধ্রুব ছাড়া খুব কম মানুষের-ই অস্তিত্ব ছিল। যাহোক, ওর সাথে গিয়ে বের করেছিলাম মৃত মেয়েটার মা-র ঠিকানা। কেন যেন করেছি তা-ও জানি না! একটা কৌতুহল টেনে নিয়ে যাচ্ছিল আমাকে ঐ রূঢ় সত্যটার দিকে।

সেই ঠিকানাটা আমাকে-ধ্রুবকে খুব নোংরা একটা টিনের বাসায় নিয়ে গেল। ওখানে কোন মৃত্যুশোক ছিল না। বাইরে থেকে অকথ্য গালি-গালাজ শোনা যাচ্ছিল। আমরা বাইরে থেকে টিনে আঘাত করতেই এক মহিলা বের হয়ে এসে আমাকে দেখে ভূত দেখার মত চমকে ওঠে! সে ভেবেছিল আমি সব জেনেশুনে ওখানে গিয়েছি। আমাকে দেখে বলে, "তুই আসলি যে?! তাড়াতাড়ি চলে যা, তুই তো বাঁচছশ। একটা মরসে! বাকিগুলা মরে না কেন্‌!" আমি বললাম আমাকে বুঝিয়ে বলতে ব্যপারটা কি। মহিলা অবাক চেয়ে, একটু পর উন্মাদের মতো হেসে একভাবে শোনায় আমার শিকড়ের কাহিনী। ফিসফিসিয়ে বলে যে তুমি না নিলে আমিও তো শরীর বিক্রী করেই বাঁচতাম। তুমি মহান... আরো বলে আমার জন্মদাতার কথা..."তোর দিকে নজর গেলে তোরেও ছাড়বো না! এমন নজর খারাপ তোর বাপের"...আরো শুনি আমার ছোট ভাইটার কথা যে ব্রাউন সুগার না পেলে শরীর ব্লেড দিয়ে আঁচড়ে-কেটে রক্তাক্ত করে!

আমার কাঁদাময় নোংরা শিকড়টা আমাকে কি যে ঘিনঘিনে অনুভূতি দিয়েছে মা! আমার "মা" কথা বলতে বলতেই দরজা খুলে "বাবা" বের হয়ে আসে। "মা" কে অশ্রাব্য একটা গালি দিয়ে আমার দিকে তাকায়। কি নোংরা-অপবিত্র সেই দৃষ্টি! জানো মা, আমি নিজেকে অনেক ধুয়েছি সেই দিনের পর, কিন্তু শরীর-মন থেকে ঐ দৃষ্টির অপবিত্রতা ধুতে পারি নি। "মা" আমাকে নিচু গলায় বলে," কিছু থাকলে দিয়া যা মা, হাজার হইলেও তো আমি তোর মা!" আমি ওয়ালেট এর সব টাকা দেয়ার পর "মা" আমার ঘড়ি আর চেইনটাও রেখে দেয়। এরমধ্য কোথা থেকে আমার ছোট ভাইটা ঝড়ের বেগে এসে "মা"-র হাত থেকে পাচ শ'র একটা নোট ছোঁ দিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। "মা" অকথ্য ভাষায় চিৎকার দিয়ে ওঠেন! ছেলেটার খালি গায়ে গভীর-অগভীর আঁচড়ের মতো ক্ষত! ওখানে আর থাকতে পারি নি মা। পালিয়ে এসেছিলাম প্রায়। মা জানো, সেদিন কেন যেন ধ্রুব আমার হাত ধরে নি।

তারপর কেটে গেছে কয়েকটা সপ্তাহ। তোমাকে আমার খুব বড় মনে হতো, আবার মাঝে মাঝে কেমন যেন "অন্যকেউ" "অন্যকেউ" লাগতো। মনে হতো শিকড় তো ওটাই আমার, চোরাবালিতে তলিয়ে গিয়েছিলাম। ঐ চোরাবালি থেকে হাত ধরে উঠিয়ে দেয় নি ধ্রুব-ও। গত পরশু মাথা নিচু করে আমার পাগলপ্রিয় ধ্রুব বললো, ও খুব প্র্যাকটিক্যালি ভেবে দেখেছে। আমার ঐ ভয়াবহ অতীত সমাজের কাছে ওকে নিচু করে দেবে অনেক। আমাকে হাজার ঢাকলেও নাকি ঐ জন্মের কাঁদাময় দাগ মুছবে না আমার শরীর থেকে। কথাগুলো বলে অপরাধীর মতো চলে গিয়েছিল ধ্রুব। আমি ভেবে দেখলাম মা, ধ্রুব সত্যি বলেছে। আমার জীবনে অন্য কোন ধ্রুব আসলেও তো আমাকে ওভাবেই দেখবে! কি অচ্ছুৎ আমি! কতো নোংরা!!!

আমি ঠিক করেছিলাম এই নোংরা জীবনের শেষটা খুব পবিত্রতা দিয়ে করতে। তুমি একজন অসাধারণ মা, তুমি খুবখুব পবিত্র! তুমি আমার গা থেকে কাঁদা মুছে আমাকে রাজকন্যা করে তুলেছিলে। কাকের গায়ে ময়ূরের পালক লেগেছিল মা। আমিও নিজেকে ময়ূর ভেবেছি সবসময়! মা, তোমার অবস্থান সবার থেকে অনেক অনেক উপরে। খুব বেশি ঋণ তোমার কাছে আমার। এমন ঋণী হওয়াও হয়তো ভাগ্যের ব্যপার। তোমার মাতৃত্বে কোন খুঁত ছিল না মা। আমি সত্যি তোমার অংশ ছিলাম। এজন্য ঠিক করেছিলাম মৃত্যুর আগের প্রতিটা মুহুর্ত তোমার সাথে কাটাতে, মৃত্যু-ঘুমের মাঝেও যাতে তোমার গন্ধ আমার চারপাশ আঁকড়ে থাকে।

মা! তোমার কিন্তু একটাই অক্ষমতা ছিল, তুমি আমার পা থেকে ঐ "বাবা" নামের পশুটার পায়ের মতো কাল জন্মদাগটা মুছে নিতে পারো নি। ঐদিন ঐ মানুষটার পায়েও ঠিক আমার পায়ের মতো গোল কাল একটা জন্মদাগ দেখেছি মা!

মা! আমি জানি তুমি-ই আমার মা কিন্তু কেন যেন ঐ জন্মদাগ ভুলে, ঐ শিকর উপড়ে নিজেকে মুক্ত করতে পারি নি। আমি একটু একটু করে মরে যাচ্ছিলাম মা। তাই তোমাকে এতোটা কষ্ট দিতে হলো। একেবারেই শেষ করে দিলাম নোংরা কাঁদায় মাখা জীবনটা।

তোমার গন্ধ আর মাথায় রাখা হাতটার আশির্বাদ নিয়ে পরের জীবনে যাচ্ছি মা। যেখানে আমার পায়ে কোন জন্মদাগ বা কোন কাঁদাময় শিকড় থাকবে না। ঐ জীবনে আমি অনিন্দিতা হবো মা! শুধুমাত্র তোমার অনিন্দিতা!!!

মা তোমাকে সবটুকু ভালবাসা দিয়ে যাচ্ছি। তোমাকে আমি পাগলের মতো ভালবাসি মা! অনেক অনেক বেশি ভালবাসি!!!

শুধুই তোমার

আমি..."

***





এবার প্রথম আলোর নারীমঞ্চে কিন্তু বেশ বড় করেই ছাপা হলো ডব্লিউ.এইচ.ও.-র চিকিৎসক রুখসানা আহমেদ-এর সিভিয়ার এ্যটাক আর তার মেয়ে অনিন্দিতা আহমেদ এর হাই ডোজে ড্রাগস নেয়ার জন্য মৃত্যুর খবরটা! খবরটার বিষয় ছিলো..."সমাজের উচ্চবিত্তের সন্তানের প্রতি অবহেলার পরিণতি"।

|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কল্প গল্প-সল্প ;

 

  • ১১২ টি মন্তব্য
  • ৫৩৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২০
comment by: রাতমজুর বলেছেন: :( আগামী ১০০ লেখায় মাইনাস, ভাইয়া।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: :( এত কষ্ট করে লিখেও মাইনাস পেলাম :(

২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: রাতমজুর বলেছেন: পোলাডারে পিডানির দরকার
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: সব পোলাই এমন করবে ভাইয়া! বাস্তবতা সবাইকে বদলে দেয়। মেয়েটা শেষ পর্যন্ত ছেলেটাকে খারাপ ভাবতে পারে নি।

৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: হুম.............. যা আঁচ করেছিলাম তা আছে। সেই সাথে আছে আরো অনেক নতুন কিছু। যা মন ছুয়ে গেল। তুমি সত্যিকারের ভাল লেখ। চালিয়ে যাও।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: পালক নেয়া মেয়েটার কথা আঁচ করাটাই স্বাভাবিক। ওর কাহিনীটা বোধ হয় নতুন কিছু ছিল আপনার জন্য। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। চেষ্টা করবো চালিয়ে যেতে।

৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৪
comment by: রাতমজুর বলেছেন: সবপোলা এমুন না আপনে আমার নামডারে পঁচাইয়া দিলেন।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: আমি তো জেনেশুনে লিখি নাই রে ভাই। লেখার সময় মনে আসলো। আচ্ছা, আমি দুঃখিত। ভাল থাকেন।

৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৯
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: জমজ বোনের ব্যাপারটা নতুন ছিল। যদি এমন হত যে, মেয়ে তার মায়ের নয় তা জেনেই প্রেমিক ছেড়ে চলে গেছে তবে নতুনত্ব থাকত না। জমজ বোনের উপস্থিতি এবং তার পতিতালয়ের বেড়ে ওঠাই এই কাহিনীর টূইস্ট। তাছাড়া তোমার লেখার সাহিত্য মানের কথা আগেই অনেকবার বলেছি, সেটাতো আছেই।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: ও! আচ্ছা! হুমম... আমি আসলে এটাই জানতে চেয়েছিলাম। নতুনত্ব দিতে চেয়েছি, পেরেছি শুনে ভাল লাগলো। আবারো ধন্যবাদ! বুড়াভাইয়া বেশি ভাল থাকবেন!

৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: কাল্পনিক বলেছেন: ভালো লাগলো।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: পড়লাম। কাহিনীতে নতুনত্ব আছে। সবমিলিয়ে বেশ ভালো লেগেছে।

যে বিষয়টা প্রাসঙ্গিকভাবে বলতে চাই, খুব তিক্ত হলেও সত্যি অনেক ছেলেই বাস্তবতাকে খুব শক্তভাবে মোকাবেলা করতে পারে না। মেয়েদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। বাস্তবতার মুখোমুখি হলে অনেকেই বদলে যায়। তারপরেও ব্যতিক্রম অনেকে আছে।

যে সময়টাতে মেয়েটির জন্য সবচেয়ে বেশি করে প্রিয় কাউকে পাশে দরকার ছিলো সেই সময়টাতেই ছেলেটা কাপুরুষের মতো, স্বার্থপরের মতো দুরে সরে যায়। আমি ঘৃণা করি ছেলেটার এই মানসিকতাকে, একইসাথে ছেলেটার এই দেখানো ভালোবাসাকে।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: হুমম...মানুষ সমাজ-সমাজ করে পাগল। সমাজ কি ভাবলো, সমাজ কি বললো, এই নিয়ে আতঙ্কিত, তটস্থ ! আপনার গল্পটা নেয়ার ধারাটা ভাল লাগলো। ভাল থাকবেন ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৯
comment by: অক্ষর বলেছেন: হুমম +
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫০
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: গল্পের শেষটুকু চিঠি দিয়ে হবে চিন্তাও করি নাই। এখন পড়ে মুগ্ধ হতে হলো। তোমার গল্পকথন আরো পরিবর্তিত হয়েছে। এইগল্পটা একসাথে দিলে হয়তো এই চমকটা থাকতো না। সেদিক দিয়ে ব্লগীয় প্ল্যাটফর্মে গল্পটা অসাধারণ হয়েছে।

লিখতে থাকো!! :)
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আমি চেষ্টা করছিলাম মেয়েটার অনুভূতিটা ওর মতো করে বলতে পাঠকদের। ওটা কিভাবে করবো সেটা নিয়ে ভাবতেই চিঠির আইডিয়া আসলো। তোমাকে মুগ্ধ করতে পেরে ভাল লাগলো! :)

১০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৩
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: প্রথম কমেন্টটা ছিল আমার কিন্তু গেল কই.......... ?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: ও! ভাইয়া! এটা সামহয়্যার এর বাগ। আমার অনেক রিপলাই ও বার বার দিতে হয়। আপনি প্লিজ আবার কমেন্ট দিন।

১১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৯
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: ফিনিশিংটা কিন্তু দারুন লেগেছে। নতুনত্ব দেখলাম।

আর ছবিটা কিন্তু আমার খুব পছন্দ হইছে।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: :) অনেক ধন্যবাদ! খুশি হলাম অনেক ভাইয়া! আমার ব্লগে স্বাগতম। ভাল থাকবেন।

১২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৫
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: ওরে কিতা কই আই তো ভুলি গেছি কিতা জানি লেইকছিলাম........

তয় হাছা করি কইতাছি....... লেয়াকান আর তে ভালা লাইগছে.....
:)

ভাল লাগা ও শুভেচ্ছা রইল

৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! আপনার জন্যও শুভেচ্ছা!

১৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৫
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: স্পীচলেস, ভাষা হারাইয়া ফেলচি:(
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: :) চিকনা! এটাই আমার জন্য অনেক বড় প্রশংসা! তুমি খুব ভাল থাইকো কিন্তু!

১৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৬
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: .......... সা, ইন এ সবচেয়ে অহংকারী ব্লগার কে আমার একটু জানতে মন চায় . ?

Click This Link


............. খুনি হইতাম চাই সহযোগিতা করেন

Click This Link
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: দেখছি...

১৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: শিরোনামে "শেষের কথা" শুরুতে খেয়াল করিনি। তাই, প্রথম পর্ব আছে এটা না জেনেই পড়লাম। পরে প্রথম পর্ব পড়ে মনে হল, ওটা বাহুল্য ছিল। পুরো কাহিনী এই চিঠিতেই উঠে আসছে। তবে শুরু থেকে পড়লে হয়তো নাটকীয়তাটা মন্দ লাগতোনা। ভাল লিখেছ।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! এভাবে খেয়াল করি নি। ওটাতে রুখসানাকে প্রাধান্য দিয়েছি। আর এটাতে মেয়েটাকে আর ওর কাহিনীকে। ভাল থাকবেন আপু।

১৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২১
comment by: নিরক্ষর বলেছেন: অসাধারন লেখছেন!
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নিরক্ষর! খুব ভাল থাকবেন!

১৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৬
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: কমেন্ট কর নাই কে............... ?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: অহংকারী কে সেটা আসলে জানি না...আর পরের লিংক টা দেখছি।

১৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
comment by: স্বাধীন_০৮ বলেছেন: অসাধারন লেখছেন!
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

১৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
comment by: অরুনাভ বলেছেন: অনিন্দিতার জন্য খারাপ লাগছে......হায়রে বোকা একটা মেয়ে......আর গল্পের ধ্রুব সে তো একটা কাওয়ার্ড.....
সমাজ সমাজ সমাজ.....কোন কিছু হলেই সমাজের দোহাই দেই আর নিজেরা হয়ে যাই ধোয়া তুলসী পাতা......

লেখাটা ভালো লাগছে......
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: অনিন্দিতা কি করতো বলো ? প্রিয় কাউকে হারানোর কষ্ট আর জন্মদাগটা মুছতে পারে নি ও। আমি ধ্রুবকে সমাজের বেশিরভাগ ছেলে যা করতো তাই করিয়েছি। ওকে উপন্যাসের নায়ক বানাইনি, যে এতবড় সত্যর মুখোমুখি হতে পারে। ওমন শক্তি খুব কম ছেলের-ই থাকে। ধন্যবাদ ভাইয়া! ভাল থেকো।

২০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪০
comment by: নোবেলজয়ী বলেছেন: অতিরক্তি একসেপশনাল একটা গল্প...প্রথম পর্ব পরে যা হবে ভাবসিলাম তার ছিটা ফোটাও নাই...পুরা টাশকি খেলাম...আমার নোবেল পাওয়া ব্যার্থ এখন বুজলাম :(
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: নোবেল ভাই! টাশকি দিয়েছি দেখে আমি খুশি! আবার ব্যর্থ বললেন দেখে খারাপ লাগলো, আপনার মতো হিউমারওয়ালা লেখা খুব কম মানুষ-ই লিখতে পারে। নোবেল পাওয়া ১০০% ঠিক আছে! ভাল থাকবেন ভাই!

২১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
comment by: ফাহমিম বলেছেন: ওয়াও।
বিশেষণ পাচ্ছি না।অসম্ভব ছুঁয়ে গেলো।
প্রিয়তে রাখি?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!!! অবশ্যই রাখবেন! এই অনুমতিটা দেখেও ভাল লাগলো! ভাল থাকবেন ভাইয়া!

২২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
comment by: তারার হাসি বলেছেন: অসাধারণ একটি লেখা !!
অসাধারণ !
ভাললাগা আর অনেক শুভেচ্ছা ...
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা!

২৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬
comment by: চাচামিঞা বলেছেন: সামনের ২১শে মেলায় মনেহয় আপনার গল্পটা চলেই যাচ্ছে , জাস্ট উপযুক্ত প্রকাশকের কাছে পরলেই হয় লেখটি।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: কঠিন কমেন্ট! চাচা আমি তো খুব খুশি হয়ে গেলাম! প্রকাশক খুজে দেন চাচা,,,গল্পটা দিয়েই দেই। (না চললে কিন্তু চাচার দোষ) :P
অনেক ধন্যবাদ! ভাল থাকবেন চাচা! আর আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম!

২৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
comment by: দর্শণধারী বলেছেন: হুমম, অনেকের মন্তব্য দেখলাম। ...কিন্তু গল্পের আরেকটা যেদিক আছে, শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রগুলোর সংবাদেও বস্তুনিষ্ঠতার অভাব থাকে, তা প্রকাশ পেয়েছে।
এছাড়া মেয়েটাকে সত্যসন্ধানী বলা যায়, আবার বোকাও বলা যায় - যে নিজের পায়ে নিজে কি মারলো, তা পাঠকরাই ভেবে নেবে। তবে মনকষ্ট থেকে কি হতে পারে তাই বলা হয়েছে, আরও অনেক ব্যাপারই আগেই মন্তব্য করা হয়েছে।
এককথায়, অনিন্দ্য সুন্দর হয়েছে।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। বস্তুনিষ্ঠতার সাথে সাথে যে ব্যপারটা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো শ্রেণীভেদ। যখন অনিন্দিতার বোন মারা গিয়েছিল তখন, খবরটা খুব ছোট্ট করে ছাপা হয়েছিল। কারণ একটা পতিতার মৃত্যু তেমন কোনো বড় খবর না তাদের জন্য। কিন্তু একটা ইন্টারন্যাশনাল সংস্থার কর্মকর্তার মৃত্যুর খবরটা (তাও আবার রং চড়ানো হয়েছে পাঠকপ্রিয়তার জন্য) বেশ বড়সড় করেই ছাপা হয়েছে। মানুষ মিথ্যাটা ছড়ায় বেশ আনন্দে, একটা জান্তব আনন্দ। ভাল থাকবেন।

২৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
comment by: নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: হুমমম...ভাল লাগলো...:)
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! আমারো ভাল লাগলো শুনে। আপনার লোগোটা ভাল হয়েছে তো! ভাল থাকবেন।

২৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৫
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লিখেছিস। খুব ভাল লাগলো। তোর উপর যথেষ্ট আস্থা আছে। আরো ভাল লেখা তোর হাত দিয়ে আসবে। আমি নিশ্চিত। ভাল থাকিস।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: আস্থা রাখার চেষ্টা করবো সবসময়! আপনিও খুব ভাল থাকবেন ভাইয়া!

২৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: রুহী বলেছেন: আপু! সালাম নিবেন। অসাধারণ লেখনীর পাশে লক্ষ +++........।সম্ভবত আমি তাকে নতুন সুন্দর শুভ্রতার স্বাদ দিতে চেষ্টা করতাম।সুন্দর থাকুন।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: আরে! তোমার খবর কি ভাইয়া? অনেক দিন খবর নাই কোনো! ধন্যবাদ এত্তো প্লাসের জন্য! আমি বাস্তবতা দেখাতে চেয়েছি ভাইয়া, বাস্তব বেশিরভাগ সময়েই অসুন্দর হয়। অনেক ভাল থেকো।

২৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন: ভালো লাগলো।:)

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


নতুন আরেকটা দাও:)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: ইশ! একটা পড়ে শেষ না করেই বলে আরেকটা দাও! তোমাকে ধইন্যা!!!! :)

২৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১১
comment by: রাতমজুর বলেছেন: ক্লাস কেমন চলতেছে?
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: ক্লাস নাই এখন ধ্রুবভাই। সেমেস্টার ব্রেক চলে। আপনার কি খবর ?? আর আপনার পোস্ট সব মুছে ফেলেছেন কেনো জানা যাবে ???

৩০. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৬
comment by: রাতমজুর বলেছেন: এমনিই, কোন কারন নেই। সবতো সরাইনি, একটা আছে, পরের পর্ব অর্ধেকটা লেখা আছে, সময় পেলেই পুরো করে দিয়ে ব্লগে দেব :)

আমি আপনার মত দারুন ভালো লিখতে পারি না :( তাই হাবিজাবি সব সরায়ে ফেলছি।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ভাল! আমার কিছু বলার নাই! প্রশংসা এমন হলে খুশি না লেগে খারাপ লাগে। গল্পে (ধোঁয়াটে রূপকথা বা এটায়) আমি কথা বলে যাই লেখার সময় সবার সাথে, এর পর যে যেভাবে নেয় তা তাদের ওপর। আপনার কাছে "দারুন ভাল" লেগেছে কারন তা আপনার ওভাবে দেখার ক্ষমতা আছে। থাক, লেকচার বন্ধ করি। আপনার আগের পোস্টগুলো ভাল ছিল, আমি আপনার "নূপুর পড়া মেয়েটি" পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ভাল থাকবেন ভাইয়া।

৩১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২২
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন: এইটা প্রিয়তে রাখলাম। আসলেই খুব ভালো লেগেছে।:)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: :) আমার-ও তো শুনে আসলেই খুব ভাল লাগলো! ধন্যবাদের গোডাউন তোমাকে!

৩২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৭
comment by: রাতমজুর বলেছেন: আরেকবার ঘুরে আসবেন নাকি আমার পাতা থেকে ;)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: যাওয়া যায়। আমি গেলে আপনি বিরক্ত হয়ে থাকেন।বিরক্ত মানুষকে খোঁচাতে ভাল লাগে না আমার। তাই এতোদিন যাই নি।

৩৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৫
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
শুনেন আপা, আমি খুব মজার মানুষ, ঝগড়া করার ভান করি ;) আসলে ঝগড়া করি না :)

আপনে দেখে আসলে ভালো লাগবে।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: জ্বি ভাই, বুঝলাম। যাচ্ছি। ঝগড়ার ভান করার মধ্য কি মজাটা! X(X(X(

৩৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪২
comment by: রাতমজুর বলেছেন: একদিন আসেন না, আমাদের আড্ডায়? প্রমিস, ভালো লাগবে আপনার :)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: আজকে অনলাইনের অবস্থা করুন, খালি লাইন চলে যায়!
কোথায় আড্ডা হয় ?? ঠিকমতো না বললে কিভাবে আসবো!

৩৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫০
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ইফতার এর আয়োজন, শারিয়া আপুর বাসায়। আসুন না?

ইমেইল আছে আমার প্রফাইলে, আপনার ইমেইলটা দিয়ে রাখতে পারেন আমাকে মেইল করে।

নাহলে আপনার লেখায় এসে আপডেট দিয়ে যাব "অফটপিক" হিসাবে।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: মেইল করে দিয়েছি। ভাল থাকবেন।

৩৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২১
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: ম্যালা বড় গল্প...পড়ার ধৈর্য নাই...তাও পেলাস;)
এই গল্পটাকে চার কিংবা পাঁচ পর্বে ভাগ করে দিলে ভাল হত...
যাইহোক...বুকিং দিয়ে গেলাম...পরে পড়ব...:)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: না পড়ে প্লাস দিয়েন না ভাইয়া। পড়ে প্লাস দেয়ার মতো মনে হলে তখন দিবেন। এত পর্বে ভাগ করাটা আমার ভাল লাগে না। এক পর্বের গল্প-ই আমার পছন্দ, তাও গল্পের প্রয়োজনে এটা দু'টা ভাগ করেছি। একশো পর্বের ডেইলি সোপ গুলো তো বস্তাপঁচা হয়, তাই না ভাইয়া ? তাই লিখে ফেলি একবারেই, একটু বড় হয় তা ঠিক। ফ্রি সময়ে পড়ে নেবেন কষ্ট করে।

৩৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
comment by: এম্নিতেই