আমার প্রিয় পোস্ট

আমি পার্থিব বাস্তবতায় অস্থির, অপার্থিব স্বপ্নপায়ী কেউ একজন . . .

পুরুষতম

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৬

শেয়ারঃ
0 4 0

"নারী পুরুষতান্ত্রিক সভ্যতার সবচেয়ে নিষিদ্ধ সপ্রাণ বস্তু। পুরুষ নারীকে আজো বস্তু, উপভোগ্যতম বস্তু ব'লেই গণ্য করে; দিকে দিকে তাকে নিষিদ্ধ করে রাখতে চায়, এবং তার জন্য নিষিদ্ধ করে রাখতে চায় সবকিছু। এক উগ্র পিতৃতন্ত্রের মধ্য বাস করি আমরা, যেখানে নারী অতিনিষিদ্ধ, নারীর অধিকার দাবী যেখানে দ্রোহিতা, নারী যেখানে দাসী ও ভোগ্যসামগ্রী।"

হুমায়ুন আজাদের "নারী"-র কিছু লাইন লিখলাম ওপরের অংশে। আমি তার কোন নিয়মিত পাঠক বা ভক্ত না। তারকিছু লেখা আমার কাছে আপত্তিকর-ও, তবে তার এ বইটার কিছু লাইনে একজন পুরুষ হিসেবে তার উপলব্ধিগুলো দেখে চমকে গিয়েছি।

কিছু পুরুষ পোস্টের প্রথম লাইনগুলো দেখেই রোমাঞ্চে শিহরিত হয়ে রগরগে কিছু পড়ার লোভে দাবিয়েছেন "বাকিটুকু পড়ুন" বাট্নটা। আমার আজকের কথাগুলো বিশেষ করে এই পুরুষ অংশের জন্য উৎসর্গিত।

*********

রাজশাহী মেডিক্যাল হাসপাতালের নিজের ঘরটায় ব্যস্ত হয়ে হাঁটছেন ডা. হাফিজ। তিন-চার মাস হলো জয়েন করলেন এখানে, ঢাকার বাইরে এই প্রথম পোস্টিং। গুছিয়ে নিয়ে ও.টি. দেখছেন আর রিপোর্টগুলোতে ফাইনাল সিগনেচার দিচ্ছেন ক'দিন ধরে। এর মধ্যই হঠাৎ এই উটকো আদেশটা মানতে পারছেন না। তিনি আমাদের স্টিরিওটাইপড্‌ ডাক্তারদের নিয়মের বাইরে কিছু নিয়ম মানেন। এ পর্যন্ত কখনো কোনো রোগীকে ভুল টেস্ট করান নি, অযথা ঘোরান নি; দরকারে অপারেশনের টাকার কিছু অংশ-ও দিয়ে দিয়েছেন গরীব রোগীটাকে। এসব যে মহত্ব দেখানোর জন্য করেন তা না, ব্যপারটা স্বভাবগত। সেজন্যই এখন এই অদ্ভুত অর্ডার না মানার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন বেশ পাকাপোক্ত ভাবে। তাঁর পিওন জহির নক দিলে হালকা চমকে যান ডা. হাফিজ... "স্যার, চেয়ারম্যান সাহেবের লোক আসছে"। একটু গম্ভির এবার ডাক্তার... "হুমম, আসতে বলো।"

সবুজ-গোলাপী মেশানো বাহারী শার্ট গায়ে এক ছেলে উদ্ধত ভঙ্গিতে দাঁড়ায় দরজায়..."কি ব্যপার ডাক্তার ? এখনো রিপোর্ট হয় নাই ?"
- বসুন। আমি রিপোর্টে লিখবো কেন মিথ্যেটা এটা আগে বলুন?
- চেয়ারম্যান সাহেবের ইচ্ছা, তাই লিখবেন।
- আমি একটা মেয়ের মিসক্যারিয়েজ নিয়ে মিথ্যা কেন লিখবো ? মেয়েটা কি রেইপড্‌ ? তার বাচ্চাটাকে কিভাবে মারা হলো বা এমন কিভাবে হয় যে বাচ্চাটা ভেতর থেকে নিশ্চিহ্ণ হয়ে গেল ??
-ডাক্তার আপনে লিখবেন যেটা চেয়ারম্যান সাহেব লিখতে বলছে, এতো জানন ভাল না। কম জানবেন, নিজে-ও ভাল থাকবেন, বাকিরাও ভাল থাকবে।
- চেয়ারম্যান সাহেব কে বলুন আমি "মিসক্যারিয়েজ রিপোর্ট" দিয়ে দিবো। এত বড় খবর গুম করা সম্ভব না।
- তাহলে আসি ডাক্তার। ও জ-হি-র! নয়া ডাক্তাররে বুঝা, তার দিন ভাল না।

এরপর বহুদিন যায়। ডাক্তার ব্যস্ত হন অন্য কাজে। মাঝে মাঝেই এক রিপোর্টার আসে ইদানিং, হাসপাতালের ডেঙ্গু রোগীদের পরিসংখ্যান নেয়, ঘরে বসে। তার ডা. হাফিজের সাথে এক ধরনের সখ্যতা গড়ে ওঠে।কথায় কথায় ডাক্তার রিপোর্টারকে বলেন মেয়েটার কথা। রিপোর্টার উৎসুক হয় মেয়েটার ব্যপারে, বলে খোঁজ করে দেখবে।

এরপর আরো কয়েকমাস যায়। রিপোর্টারটা গায়েব-ই হয়ে গেল এক প্রকার। ডাক্তার জহিরকে বলে ওর ঠিকানা জোগাড় করতে। রাজশাহী শহর বেশ ছোট, ২-৩ দিনেই ঠিকানা বের হয়। ডাক্তার নিজেই যান সে ঠিকানায়। রিপোর্টার "আরে! স্যার আপনি! আমাকে খবর দিলেই চলে আসতাম..." বলতে বলতে ভেতরে নেয় তাকে। ডাক্তার চোখ বুলিয়ে নেয় ভেতরটায়... নিম্ন মধ্যবিত্তের মলিন-নুয়ে পড়া আসবাবপত্রের উপরে বেশ বেমানানভাবে চকচক করছে নতুন একটা টেলিভিশন আর একটা ঝকঝকে নতুন সিরিজের নোকিয়া। রিপোর্টার একটু অপ্রস্তুত হলো তাতে। ডাক্তার সরাসরি প্রশ্ন করে, "মেয়েটার ব্যপারে জেনেছো কিছু?" রিপোর্টার আবারো একটু অস্বস্তিতে নড়ে-চড়ে বসে..."স্যার! মেয়েটা অভাগা, ভয়াবহ কাহিনী স্যার! জীবনে অনেক কাহিনী রিপোর্ট করেছি তবে এতোটা নির্মম দেখিনি কখনো!" ডাক্তারের জিজ্ঞাসু দৃষ্টির উত্তরে রিপোর্টার পাশের এলোমেলো টেবিল ঘেঁটে এক তাড়া কাগজ বের করে... "লিখেছিলাম এখানে স্যার। তবে ঐ চেয়ারম্যান আমাকে ত্রিশ হাজার নগদ গুনে দিলো। তারপর কিভাবে ছাপি ?" ডাক্তারের কপালের রগ ফুলে ওঠে রাগে, কাগজগুলো কেড়ে নিয়ে দুদ্দার করে সিঁড়ি ভেঙে রাস্তায় নামেন। তার কিছুক্ষণের মধ্য ঝকঝকে নতুন সেই নোকিয়া থেকে চেয়ারম্যানের কাছে ছোট্ট একটা সতর্কবাণী যায়, "ডাক্তার থেকে সাবধান"।

হাতের সব কাজ ঠেলে ডাক্তার এবার রিপোর্টারের কাগজগুলো নিয়ে বসেন পড়তে। রিপোর্ট না, বরং দিনলিপি লেখার মতো টানা লেখা...

"আজকে নিতান্তই অজপাড়াগায়ের এক মেয়ের জীবনকাহিনী বলি। মেয়েটার নিজের কথাগুলো বলার সুযোগ হয়ে ওঠেনি, আর এমন গেঁয়ো ফ্যালনা মেয়ে নিয়ে কথা কে বলে! তাই ভাবলাম আমি-ই বলি। রাজশাহীর এক গ্রামের মেয়ে। পূজো আসলেই ঘরে ঘরে ডাক পড়ে যায় মেয়েটার, পূজোর যাবতীয় কাজ একাই সামলে নেয় ও। কুমারী পূজোয় সেজে-গুজে বেদীতে বসে প্রতিমা। দেখতে নিখুঁত দেবীদের মতো হওয়ায় বাবা নাম রাখে প্রতিমা। ও হ্যা, বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, মেয়েটা সমাজের বেশ নিকৃষ্ট স্তরের, হিন্দু মেয়ে। জাত না বলে লেখা শুরু করায় দুঃখিত, তাতে হয়তো মেয়েটার সম্মান কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল।"

"সে গ্রামের চেয়ারম্যানের নাতি ইয়াসিন। সে বংশে বা মর্যাদায় ও'যুগের রাজপুত্রের চে' কম না। ইয়াসিনের দু-এক বছরের ছোট হবে প্রতিমা। প্রতিমার বাবা পূজোর মূর্তি গড়েন, মা ওর জন্ম দিয়েই মারা যান। ইয়াসিন তার বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মূর্তি গড়া দেখতে আসে সেই ছোট্টবেলা থেকেই...ভাবে..."কি সুন্দর আঙুলের চাপে খাঁজে খাঁজে চোখ-মুখ বসে যায়... আর রং দিলেই যেন কথা বলা-চলা মানুষের মতো জীবন পেয়ে বসে!" প্রতিমা তাকে দেব-দেবী চেনায়, তাদের গল্প শোনায়। ইয়াসিন মুগ্ধ হয়ে শোনে আর ভাবে... "আরে! প্রতিমা-ও তো সে দেবীটার মতোই একজন!"... এভাবে ইয়াসিন-প্রতিমার বন্ধুত্ব গাঢ় থেকে গাঢ়তর হতে থাকে সেই বছর পাঁচ-ছয় থেকে। "

"বয়সের সাথে সাথে মুগ্ধতা বা ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। প্রেম জন্মাতেও সময় নেয় না বেশি। ইয়াসিনের কাছে প্রতিমা হয়ে ওঠে "মায়া" আর প্রতিমা-র কাছে ইয়াসিন হয় "বিষ্ণু"। বিষ্ণু একসময় বিয়ের আশ্বাস-ও দেয় মায়াকে। এ সময় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান ইয়াসিনের বাবা জলিল খাঁ। বাবাকে সব কথাই বলে ইয়াসিন। আর ইয়াসিন বলার অনেক আগের থেকেই জানেন সব কথা তিনি। জলিল ইয়াসিনকে বুঝান, "মালাউনের মেয়ের সাথে রং-তামাশা করা যায় বাপ, তারে বিয়া করন যায় না। তোমার যা করতে মন চায় করো, পুরুষ মাইনষের গায়ে দোষ লাগে না। কেউ কিছু বলবে না, কিন্তু আমার বাড়ির বৌ মালাউন হইতে পারবে না।" ইয়াসিন কিছুটা আশ্বাস পেয়ে এবার খোলাসা করে..."আব্বা, অর পেটে আমার বাচ্চা!" এবার জলিল খাঁ-র ভুরু কুঁচকে ওঠে..."কয়জনে জানে এইটা? কয়মাস?" ইয়াসিন মাথা নিচু করে, "এখনো কাউরে কৈ নাই। শুধু মায়া, আমি আর আপনে। দুইমাস হইতেসে।" এরপর বাবা-ছেলেতে আরো কিছুক্ষণ পরামর্শ চলে, তৈরী হয় অসাধারন এক ধ্বংসনামা। ইয়াসিন তার বাবার চৌকস বুদ্ধিতে অভিভূত হয়... তাইতো! কি পাপ-ই না করে ফেলেছে সে! মালাউনের জাতের সাথে তাদের তুলনা! যাহোক...এবার কঠিন প্রায়শ্চিত্তে নামবে সে। পুরুষ মানুষের গায়ে দোষ লাগে না। "

"পরদিন প্রতিমাদের উঠোনে গিয়ে দরাজ গলায় তার "মায়া"কে ডাকে ইয়াসিন। মায়া অসাধারন হেসে দাঁড়ায় ওর সামনে। ইয়াসিন সাবধানী চোখে দেখে ওকে... নাঃ! এখনো বোঝা যায় না!...হাত ধরে মায়াকে বসায় আর বোঝায়; তার বাবা ঠিক করেছে মায়াকে ঘরে তুলবেন। কিন্তু বাচ্চার কথাটা বিয়ের আগে কাউকে বলা যাবে না, হাজার হোক চেয়ারম্যানের ইজ্জতের প্রশ্ন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে হয়ে যাবে। ইয়াসিন আরো জানতে চায়, মায়া কাউকে জানায় নি তো বাচ্চার কথা!...জবাবে "না" শুনে আশ্বস্ত হয়। আরো বলে আজ সন্ধ্যায় মন্দিরের পেছনের ঝোপে ওর অপেক্ষা করবে। মায়া জানতে চায় কারনটা...ইয়াসিন হাসে... "আমার বৌটারে চান্দের আলোয় দেখবার মন চায়!" মায়া লাল হয়... আসবে বলে আশ্বাস দেয়। তখনের মতো বিদায় নেয় ইয়াসিন।"

"সন্ধ্যায় প্রতিমা বেশ আয়োজন করে সাজতে বসে। লাল বড় একটা টিপ দেয়, কাজল দেয়, শাখা পড়ে। কি ভেবে একটু সিঁদুর টেনে দেয় সিঁথিতে। নিটোল দেবীদের মতো মাধুর্য আসে ওর মধ্য, আর কেমন একটা নিষ্পাপ আনন্দে ঝলমল করে মুখটা! পা টিপে টিপে পেছনের মন্দিরের রাস্তায় নামে ও। বেশ নিরিবিলি অংশটায় জংলামতো জায়গাটায় দাড়াতেই পেছন থেকে ওকে জড়িয়ে নাকে রুমাল চেপে ধরে ইয়াসিন। এলিয়ে পড়ে মেয়েটা... এরপর পেছন থেকে বেড়িয়ে আসে এক দাই। সে এসে বেশ বন্য পদ্ধতিতে ভেতরের ভ্রুণটা মেরে ফেলে আর প্রানের অংশটা যাচ্ছে-তাই ভাবে বের করে আনে গর্ভ থেকে চেঁছে-ছেঁচড়ে। টুকরো-টুকরো বাচ্চাটাকে কবর দেয়া হয় বনের মধ্য। তারপর দাই বিদায় নেয় সেখান থেকে। ক্ষত-বিক্ষত ছিন্ন-ভিন্ন মায়া পড়ে থাকে অচেতন। ইয়াসিন ওকে তুলে নিয়ে ওর বাড়িতে রেখে আসে... শাখা-সিঁদুর দেখে সেদিন হয়তো ইয়াসিন বিদ্রুপ করে হেসেছিল-ও একটু।"

"জ্ঞান হবার পর মায়া দেখে তার সারা শরীর রক্তে ভেজা, কাপড় ছিঁড়ে আছে এখানে সেখানে। একটা অজানা আশঙ্কায় ওর বুক হিম হয়ে যায়। একমাত্র মেয়েটাকে ডাক্তার দেখাতে মেডিক্যাল নিয়ে যায় বাবা। ততদিনে গ্রামে রটিয়ে দেয়া হয়... মেয়ের চরিত্র খারাপ। যার-তার সাথে রাত-বিরেতে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। এক দাই বুড়ি কসম কেটে বলে সে এই মেয়েকে একসাথে অনেক পুরুষ নাচাতে দেখেছে। হিন্দু মেয়েদের অত রাখ-ঢাক নেই। "

"মেডিক্যাল থেকে গ্রামে এসে বিহ্বল বাবা দেখে তাদের একঘরে করা হয়েছে। দিন-রাত তাদের বাড়ির আশে-পাশে চেয়ারম্যানের চরেরা ঘুরঘুর করে তক্ষকের মতো। প্রতিমার বাবা-র আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেল, মন্দিরে-ও তাকে ঢুকতে দেয়া হয়না। একঘরে-দের কোথাও জায়গা নেই, পরমাত্মার কাছেও না। এদিকে তার মেয়েটাও পাগলের মতো সারা রাত-দিন চেঁচিয়ে বেড়ায়..."বাবা! বিষ্ণু আমার মেয়েটারে মাটিতে খুঁড়ে দিসে, আমি জানি বাবা.. আমি সব জানি... আমার মেয়েটা কাঁদে বাবা... ও মরে নাই বাবা... বাবা বিশ্বাস করো আমি সব জানি! মা-আ-আ! আমি আসবো মা! তোকে মরতে দেবো না..."। না খেয়ে-দেয়ে, এতোবড় কলঙ্ক নিয়ে মরার চে' গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা করে প্রতিমার বাবা। কলঙ্কিত নষ্ট মেয়েটাকে নেয় না সে, নিজেই নিরুদ্দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেদিন রাতেই ইয়াসিন তার দলবল নিয়ে আসে প্রতিমার ঘরে... পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করা হয় মেয়েটাকে সারারাত ধরে। ভোর হতেই মেয়েটাকে জঙ্গলে নিয়ে টুকরো-টুকরো করে কবর দেয়া হয়। ইয়াসিন বীরদর্পে তার প্রায়শ্চিত্ত সেরেছিল সেদিন... হয়তো অট্টহাসি দিয়ে বলেছিল... "নষ্টা মা আর মেয়েটাকে একই সাথে গেড়ে দিলাম!"

পরিশিষ্ট : আমাদের সেই ডাক্তার কাগজগুলো পড়া শেষ করে পুলিশের সাথে দেখা করে। প্রমান দেখায়, তাতে পুলিশ ইন্সপেক্টর তাঁকে এসব এড়িয়ে যাওয়ার বুদ্ধি দেন, জিজ্ঞেস করেন ডাক্তার কত চান। ডাক্তার কিছুতেই ক্ষান্ত নাহলে তার পরের মাস-ই তাঁর বদলী হয়ে যায় কোন এক অজপাড়াগাঁয়।

*********

|| আমরা একসময় শিখেছি "অনেকের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = অন্যতম"; আজকে আমার মনে হয় "পশুদের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = পুরুষতম"। নাঃ! আমি ভুল বললাম, পশুরা তো শিকার করে তাদের বেঁচে থাকার তাগিদে আর এসব পুরুষ শিকার করে তাদের অমানবিক ক্ষমতা জাহির করার তাগিদে, আজন্ম এক নোংরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের তাগিদে ||

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অক্ষমতা সংক্রান্ত রাগকথা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না। বিস্তারিত বললে বুঝতাম হয়তো।

২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হুমমম.....পড়লাম.....টাইটেল দেইখাই পড়ার ইচ্ছা জাগছিলো।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুমানা!

৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩১
রাতমজুর বলেছেন:
লিসন সিস, অমানুষ ইজ অমানুষ, পুরুষ কিংবা নারী নয়, ওকে?
নো রেটিং।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: নাঃ নট ওকে। পুরুষদের মতো নিচে কক্ষণোই একটা নারী নামতে পারবে না। পুরুষ-ই একমাত্র দৃষ্টান্তমূলক পাশবিক কাজ করে, নারী একটা না একটা সময় হোঁচট খাবে। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে সেটা কাজ করে না, কারন আমাদের সমাজে অসম্ভব প্রচলিত একটা কথা... "পুরুষদের গায়ে দোষ লাগে না। " সেজন্যই পুরুষ সবসময় নারী থেকে আলাদা... সবসময়।

আর একটা কথা আবারো বলি... আমি রেটিং-এর জন্য লিখি না। তাই, কি দিলেন বা দিলেন-ই না সেটা বলার প্রয়োজন নাই।


৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: কোন লেখাই আসছে না...

শুধু ভেবেই অবাক লাগে, সৃষ্টির সেরা জীব কিভাবে এইরকম পশু হয়!!!

এইসব ইয়াসিন, জলিল, রিপোর্টার, আর পুলিশদের প্রতি ঘৃনা এক বিন্দুও কমে না।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
জিগ স বলেছেন: সিম্পলী..."লোমহর্ষক"। ঘটনাটা সত্য জেনে আরো বেশি খারাপ লাগছে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
আবদুললাহ আল মামুন মোহাং ইউসুফ বলেছেন: ইয়াসিন, ইয়াসিনের বাবা যদি পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করেন, আপনি, ডাক্তার ও মেয়ের বাবা ও তো পুরুষ কে প্রতিনিধিত্ব করেন। সো আমার তো মনে হয়না - এটা যুক্তি যুক্ত সেক্স এর ভিত্তিতে একজন অপরাধীকে সনাক্ত করা। এভাবে ডিফাইন করা যায় যদি আমার মেনটালিটি বুশ জুনিয়র এর মত সব সন্ত্রাসী মানে মুসলিম - এমন হয়। যা কিছু কিছু সো কল্ড নারীবাদীরা করেন যেমন করেছেন হুমায়ুন আযাদ কিংবা তসলিমা নাসরীন রা।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: "আমার আজকের কথাগুলো বিশেষ করে এই পুরুষ অংশের জন্য উৎসর্গিত।" ... এ কথাটায় পরিষ্কার বলেছি পুরুষের কোন অংশটা অপরাধী। আর পুরো লেখাটাই এ ধরনের পুরুষকে উদ্দেশ্য করে লেখা বা বলা। ডাক্তারের মহানুভবতায় কিন্তু আমার ঘৃণা আসে নি, এসেছে ঐ অংশটার ওপর। আর মেয়ের বাবা-কে কোন দিক থেকে মহৎ বলবেন ? মেয়েটাকে পশুগুলোর মুখে ছুঁড়ে দিয়ে যাওয়ার জন্য ?? আরেকটা প্রশ্ন... "আমি" কিভাবে পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করবো ??

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনুভব করার জন্য।

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: অর্থ কি ?

১২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১১
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: আমি মাঝে মাঝে ভাবি পুরুষ নামটা সমস্ত রকমভাবেই কি হিংস্রতার নমুনা হয়ে থাকবে। নাকি পুরুষ নয়-মানুষ, মানুষই ক্রমশ হিংস্র হচ্ছে যার শিকার নারী।


আর এ ধরণের ঘটনা পড়ার পর মন্তব্য করতে মন চায় না। নইলে অনেক আলোচনা করা যেত।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: আমি মাঝে মাঝে ভাবি পুরুষ নামটা সমস্ত রকমভাবেই কি হিংস্রতার নমুনা হয়ে থাকবে। নাকি পুরুষ নয়-মানুষ, মানুষই ক্রমশ হিংস্র হচ্ছে যার শিকার নারী। ...

... নারীদের কি মানুষের ভেতর-ই রাখেন নি ? নাকি তারা শুধুই শিকার ??

১৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৪
এন এইচ আর বলেছেন: ওরা মানুষ নয় পুরুষ। পুরুষটা মানুষ হতে পারেনি। মানুষের আকারে জন্ম নিলেও এরকম পুরুষদের ভেতরে মনুষত্ব্য বলতে কোন ছায়া নেই। ধিক তাদের যারা পুরুষ কিন্তু পুরুষ মানুষ হতে পারেনি।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: মানুষের আকারে জন্ম নিলেও এরকম পুরুষদের ভেতরে মনুষত্ব্য বলতে কোন ছায়া নেই ... ধন্যবাদ!

১৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৮
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: কেন রাখবো না। আপনি বোধহয় বুঝতে পারেন নি-মানুষ এবং নারী কিংবা শিশু কিংবা পুরুষ-পরস্পর প্রতিদ্বন্দী। আপনি যাকে পুরুস বলছেন আমি তাকেই মানুষ বলছি। মানুষই মানুষকে খুন করছে-ধর্ষণ করছে। এটা আরো পরিষ্কার বোধের জায়গা।


প্রেমিক কি কেবল পুরষ বলেই খুনি হয়ে ওঠে-নাকি সে এই সময়কার মানুষ বলেই হিংস্রতা-কলুষতা তার রক্তে বয়ে বেড়ায়।

যে নারী ক্রমশ আপনার ভাষার পুরষ হয়ে ওঠে তাকে কি বলবেন।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার বোধের পরিধি পরিস্কার হলো। আসলে মানুষই মানুষকে খুন করছে-ধর্ষণ করছে। প্রেমিক তাঁর অহংকারের শক্তিতে, বংশ বা জাতের তাড়নায় পশু হয়ে ওঠে, ভালবাসা বা প্রেম তার কাছে "ভুল" হয়ে দাঁড়ায় আর তার প্রায়শ্চিত্তে সে "এ সময়ের" মানুষ হয়ে ওঠে।

যে নারী ক্রমশ আপনার ভাষার পুরষ হয়ে ওঠে তাকে কি বলবে। ... অসাধারন মন্তব্য!

১৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কি আর বলবো !!! অনেকেই অনেক যুক্তি দিচ্ছে, অনেক ভাবে অনেক এঙ্গেল থেকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে, সবাই একরকম না, সবাই খারাপ না.. ইত্যাদি,ইত্যাদি ... আমি বলি, আমি কি রোবট ? যে সবসময় যুক্তি, হিসাব, অংক মিলিয়ে আচরন করবো !!! মাঝে মাঝে সব ভুলে চরমপন্হী হতে ইচ্ছা করে X(X(X( .... সব মাইরা ফালাইতে ইচ্ছা করে X(X(X( ....
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে সব ভুলে চরমপন্হী হতে ইচ্ছা করে... ধন্যবাদ ভাই! আমাকে সবাই এ পোস্টে খুব নারীবাদী বলেছে, এসব ঘটনা দেখলে আমার তীব্র নারীবাদী হতে ইচ্ছা করে! সত্যি করে!

১৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: লেখা চমৎকার, এবং আপনার উগ্রনারীবাদ সত্ত্বেও প্লাস। চালিয়ে যান।

মেয়েরা সমান হোক, এই আশা করি। পদার্থবিদ, মোটর মেকানিক হোক মেয়েরা। একইসাথে জেলের অর্ধেক দুষ্কৃতকারী হোক মেয়েরা। ভালো এবং খারাপ হোক সমানভাবে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: লেখা তো বানাই নি আমি, একটা ঘটনা যেটা কোনো পত্রিকায় আসে নি , সেটা বলতে চেয়েছি। কারন আমি এখানে লেখা ছাড়া আর কিছু করতে পারি না, নিজের অক্ষমতাটাই লিখে দিলাম। মেয়েরা সমান হোক বা অধিকার পাক... এসব বলার উদ্দেশ্য না, মানুষের নিচে নামাটা দেখানো-ই ছিল উদ্দেশ্য।

১৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৫৩
তনুজা বলেছেন: রুমানা বৈশাখী বলেছেন: favourite!!!


ছবি থেকে লেখা পুরোটাই দেখলাম --মুগ্ধ বিস্ময়ে

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তনুজা।

১৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:১০
চল যাইগা বলেছেন: পুরুষ ডাক্তারটাতো অন্যায় টা মেনে নেয়নি, তার ভিতরেতো অনেক প্রতিবাদ দেখলাম| সে বিষয়ে কোন আলোকপাত নেই|

আর এরকম পুরুষদের লালসার শিকার সমাজের অনেক মেয়ে| এখানে ভিলেন মুসলমান আর নায়িকা হিন্দু বানিয়ে অতিরিক্ত
সহানুভুতি আদায়ের সস্তা চেষ্টা না করলেও হত|

আমাদের দেশে মেয়েদেরকে নির্যাতনের এদিকটার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকা সত্বেও কোন কাজ হচ্ছে না|

আপনাকে একটা কথা বলি, মনে রাখবেন, যৌন হয়রানি করাটা জেন্ডারের উপর নির্ভরশীল নয়| এটা নির্ভর করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে যে বেশি শক্তিশালী সেই হয়রানিটা করে থাকে|মেয়েরাও ভাল করে ভোগকরে অনেক ছেলেকে ছুড়ে ফেলে দেয়|
যদি দ্বি-মত করেন তবে একদিন রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স বর্ননা করবো|

** সেই মেয়েটার জন্য সমবেদনা, আর আপনার জন্য উপদেশ, আরো বেশী করে পড়াশুনা করুন, অনেক বেশী...**
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ** পুরুষ ডাক্তারটার অক্ষমতার কথা বলেছি। তার গুণগুলো-ও বলেছি। আর শেষ পর্যন্ত তার পরিণতি-ও বলেছি। সেও আমার মতোই অক্ষম ছিল, পরিস্থিতি-র পশুরা তাকে এগোতে দেয় নি।

** এখানে ভিলেন মুসলমান আর নায়িকা হিন্দু বানিয়ে অতিরিক্ত
সহানুভুতি আদায়ের সস্তা চেষ্টা না করলেও হত ** এটা কি গল্প যে নায়ক-নায়িকা-ভিলেন থাকবে ? এটা জানুয়ারীতে ঘটা রাজশাহীর সত্যি একটা ঘটনা। আমি আপনাদের সহানুভুতি দিয়ে কি করবো ? নাকি ঐ হিন্দু মেয়েটা বেঁচে আছে আপনাদের করুনার আশায় ?? আপনার জন্য উপদেশ : নিজের মানসিকতা দিয়ে এ ধরনের "সস্তা" চিন্তা করার আগে ভেবে দেখবেন।

আর হ্যা, আপনার সাথে একমত, যৌন হয়রানি করাটা জেন্ডারের উপর নির্ভরশীল নয়। এটা নির্ভর করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে যে বেশি শক্তিশালী সেই হয়রানিটা করে থাক. আমি আমার সমাজের কথা বলেছি এবং এখানে যে জেন্ডার লিড করছে সেটার কথাই বলেছি। ইন জেনারেল কিছু কিন্তু লেখায় আসে নি। স্পেসিফিক রিজিওন, কালচার বা রেলিজিওন সব-ই আছে।

১৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: "আপনাকে একটা কথা বলি, মনে রাখবেন, যৌন হয়রানি করাটা জেন্ডারের উপর নির্ভরশীল নয়| এটা নির্ভর করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে যে বেশি শক্তিশালী সেই হয়রানিটা করে থাকে|মেয়েরাও ভাল করে ভোগকরে অনেক ছেলেকে ছুড়ে ফেলে দেয়|
যদি দ্বি-মত করেন তবে একদিন রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স বর্ননা করবো|"

আপনার প্রতিটি পুরুষ ভিক্টিমের জন্য আমি এক কোটি নারী ভিক্টিমের গল্প শোনাবো। রেইপে যেমন ক্ষমতার ব্যাপারটি মুখ্য, সেইসাথে এটাও সত্য যে এর অসম্ভবরকম সংখ্যাগরিষ্ঠ শিকার নারীরা।

মূল লেখকের ক্রোধের কারণ মনে হয় ধরতে পারছি।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার প্রতিটি পুরুষ ভিক্টিমের জন্য আমি এক কোটি নারী ভিক্টিমের গল্প শোনাবো।** আমার একটা লেখা আছে "ধোঁয়াটে রূপকথা", পড়ে দেখবেন সময় পেলে। ওখানে পুরুষ ভিক্টিমের কথা আছে। আমাকে বা আমার লেখাকে নারীবাদ বা পুরুষবাদ ভাবলে আপনি অনেক বড় ভুল করেছেন, আমি শুধুই ভিক্টিমের কথাটা বলেছি আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে। মেয়েটার কথা শুনে খুব অসহায়বোধ হয়েছে। নারীরা শিকার হয়ে-ও শেষ হচ্ছে না কিন্তু ব্যপারটা। শিকারের পরের যতো কলঙ্ক-লাঞ্ছনা সব নিয়ে মেয়েটাকে শেষ করে দেয়া হচ্ছে, একঘরে করা হচ্ছে। পরিবারসহ শেষ।

মূল লেখকের ক্রোধের কারণ মনে হয় ধরতে পারছি ** খোঁচাটা স্পষ্ট হলো না, দুঃখিত। আমার ক্রোধের কারন হচ্ছে আমার সমান একটা মেয়ের ভয়াবহ পরিনতি। এছাড়া কিছুই না। এর বাইরে কিছু বুঝলে আপনি ভুল।

২০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: হুম......

নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের তাগিদটা আসলে যতটা লিঙ্গকেন্দ্রীক তার চাইতে বড় শ্রেনী কেন্দ্রীক। ছেলেটা যদি ঘটনা তার মাকে জানাত তবে নিশ্চয়ই ঘটনায় তেমন কোন ব্যতিক্রম আসত না। তবে নিশৃংসতা হয়ত কম হত।

শ্রেণীকে দমন করে রাখার প্রচেষ্টা আমাদের মজ্জা গত। হয়ত শিক্ষার মাধ্যমে চিন্তাধারা মাঝে মাঝে উন্নত হয়, তবুও এই শ্রেণী চেতনা বর্জন করা খুব খুব কঠিন।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ছেলেটার মা'র কথা নেই কারন তার কোন সিদ্ধান্ত-ই তেমন জোড়ালো না, আসলে তার সিদ্ধান্তে কিছুই যায় আসে না। আর চেয়ারম্যানের বুদ্ধি তার ছেলেকে যেমন মুগ্ধ করেছিল, ঠিক সেভাবে তার স্ত্রীকেও করতো। আর মা কি জানতো না ব্যপারটা... হয়তো জানতো, কিন্তু তাতে কোন পার্থক্য হয় নি।

শ্রেণীকে দমন করে রাখার প্রচেষ্টা আমাদের মজ্জা গত। হয়ত শিক্ষার মাধ্যমে চিন্তাধারা মাঝে মাঝে উন্নত হয়, তবুও এই শ্রেণী চেতনা বর্জন করা খুব খুব কঠিন। ... সম্পূর্ণ একমত।

২১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
কঁাকন বলেছেন: এসব লেখা পড়ে কিছু বলার থাকে না আসলে

গল্প হলে আপনার অনেক প্রসংসা করা যেত
বাস্তব জেনে নিজেরি অসহায় লাগছে

ভালো থাকুন
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকুন।

২২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ভয়ানক লেখা। এইরকম লেখাগুলো নিয়ে "পড়ার পরে কিছু বলা"র অবকাশ থাকে না। বিষয়টা নিয়ে নিজের ভিতরে অপরাধীগুলোর জন্য প্রবল ক্রোধ অনুভব করা যায়। হয়ত এটা নিয়ে সামাজিক/অর্থনৈতিক/ঐতিহাসিক আলোচনাও করা যায়। তবে তা পুরোটাই হয়ে পড়ে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এক ধরনের আলুছানা।
---
আমি খুব আশা করি এভাবে নির্যাতিত হওয়া নারী (কিংবা পুরুষ, যদিও সেই উদাহরণ পাই নাই এখনও) একটা সময়ে উঠে আসবে দুর্দান্তভাবে! এবং সেখানে পুরুষরূপী পশুদের বিচার হবে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আমরা শুধুই আশা করে যাই... কারন এর চে' বেশি কিছু করার ক্ষমতা আমাদের দেয়া হয় নি। আমিও আশা করে থাকলাম সেই অসাধারন দিনটার।

২৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: বিবর্তনবাদী'র সাথে একমত...
নারীর উপর দমন নীতির ব্যাপারটাও শিক্ষিত আর অশিক্ষিত দেশগুলোতে আলাদা মাত্রায় দেখা যায়, যদিও দমনটা থেকেই যায়(কিংবা বেশি উন্নত দেশে হয়না হ্য়তো)।

এইসব কাজে যখন ধর্মটাও ব্যাবহার করা হয়, তখন আরো খারাপ হয় ব্যাপারটা।

দু:খজনক যে, এখন আমাদের দেশে "নারীবাদী" শব্দটা হেয় করার কাজে ব্যাবহার করা হয়।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: দু:খজনক যে, এখন আমাদের দেশে "নারীবাদী" শব্দটা হেয় করার কাজে ব্যাবহার করা হয়।... ধন্যবাদ শাওন!

২৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
হাইফেন বলেছেন: কতা অইলো, আপনে বিষয়ডারে যেভাবে তুইলা ধরচেন, তাতে মনে হইতেচে দুনিয়ার সব পোলাই হইল কেহেরমান ডাকাত, আর মাইয়ারা সব মাতা মেরী। এই বিষয়ডা ভালা হইল না আফা, হ ঘটনাডার জন্যে মাইয়াডার প্রতি সিমপ‌্যাথি দেহানো ছাড়া কিচু করার নাই, তয় আফনে যে টাইটেল দিচেন,আর শুরুর কতাগুলা লিকচেন, তাতে আফনেরে জঙ্গী মনুভাবের মাইয়া মনে হইল। কিচু মনে লইয়েননা।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য আবার বলছি : "কিছু পুরুষ পোস্টের প্রথম লাইনগুলো দেখেই রোমাঞ্চে শিহরিত হয়ে রগরগে কিছু পড়ার লোভে দাবিয়েছেন "বাকিটুকু পড়ুন" বাট্নটা। আমার আজকের কথাগুলো বিশেষ করে এই পুরুষ অংশের জন্য উৎসর্গিত। " ... আমি এ পুরুষদের নিয়ে লিখেছি পুরো পোস্টটা, নিজের ওপর বা সব পুরুষের ওপর নেয়ার প্রয়োজন নাই।

"সিমপ্যাথি"-টা কষ্ট করে দেখাবেন না, ওটা নিজের কাছে রেখে দিন। এখানে আমি কারো সমবেদনা চাই নি। শুধুই একটা ঘটনা বলেছি, আর ঘটনাটার তিক্ততায় টাইটেল বা কথাগুলো যেমন ঠিক সেরকম-ই হওয়া উচিৎ বলে আমার মনে হয়েছে। তাতে আপনার আমার প্রতি কি মনে হলো বা ধারনাটা-ও মূখ্য না।

ধন্যবাদ।

২৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: যথারীতি অসাধারন হৈছে....
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: @লেখক: আপনি আমার দ্বিতীয় মন্তব্য ভুল বুঝেছেন। দ্বিতীয় মন্তব্যটি আপনার জন্য ছিলো না, ছিলো "চল যাইগা"র প্রতি। খোঁচাটাও তাকেই দেয়া।

ধন্যবাদ।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: বুঝেছি এবার। প্রথম কমেন্টের জন্য দুঃখিত।

২৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
চল যাইগা বলেছেন: ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:

আপনার প্রতিটি পুরুষ ভিক্টিমের জন্য আমি এক কোটি নারী ভিক্টিমের গল্প শোনাবো। রেইপে যেমন ক্ষমতার ব্যাপারটি মুখ্য, সেইসাথে এটাও সত্য যে এর অসম্ভবরকম সংখ্যাগরিষ্ঠ শিকার নারীরা।

মূল লেখকের ক্রোধের কারণ মনে হয় ধরতে পারছি।

=================

*** দয়া করে কি বলবেন আমার লেখার কোন অ;শটা লেখকের ক্রোধের কারন..??

আমি আমার যুক্তি দিয়েছি ( আমি এখনো তাকে রেটি; করিনি), লেখক একমত হতেও পারে নাও পারে|

যুক্তিহীন ভাবে আপা ভাল লেখছেন, চালাইয়া যান, আরো জোরে, হেইও, হেইও, প্লাস দিছি কইলাম আপা, আমারে আপনার বগলের কাছে রাইখেন, এসব করলে কি লেখিকার প্রিয় ভাজন হইতাম...???

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: আপনি যতটুকু যৌক্তিক বলেছেন তার সাথে আমি একমত ছিলাম, সেটা বলেছি। আবার কিছু স্রেফ বাজে বকেছেন যার উত্তর-ও দিয়েছি। কিন্তু ওগুলোর কাছে না গিয়ে এখনো বাজে বকছেন কারন আপনি অহেতুক এবং অযৌক্তিক খোঁচাখোঁচিতে আনন্দ পান। এবার আমি কিছু যুক্তি দেই এর স্বপক্ষে :

১. যেটা ট্রানজিস্টারের উত্তরে বলেছিলাম... "আমার একটা লেখা আছে "ধোঁয়াটে রূপকথা", পড়ে দেখবেন সময় পেলে। ওখানে পুরুষ ভিক্টিমের কথা আছে। আমাকে বা আমার লেখাকে নারীবাদ বা পুরুষবাদ ভাবলে আপনি অনেক বড় ভুল করেছেন, আমি শুধুই ভিক্টিমের কথাটা বলেছি আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে।" আপনার কথামতো-ই কিন্তু হলো ব্যপারটা, এটা সোশিও-ইকোনোমিক এবং এটা সমাজের যে পার্ট লিড করছে তাদের কাজ।

২. আপনার দৃষ্টিতে ব্যপারটা একটা "সহানুভুতি আদায়ের সস্তা প্রচেষ্টা", যেটা আমাদের দেশে কয়েকমাস আগে ঘটে যাওয়া একটা সত্য ঘটনা! আবার সেই সস্তা প্রচেষ্টার "নায়িকা"-কে সমবেদনা-ও দিয়েছেন দেখলাম! আপনি সত্যি বেশ বাস্তববাদী!

৩. "এসব করলে কি লেখিকার প্রিয় ভাজন হইতাম" ... দেখুন-তো! আপনার লেখাতেই আপনার মানসিকতা খুব স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। একটা "ইকা" প্রত্যয় দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নিজের দৃষ্টিভঙ্গি!

এখানে যারা-ই কমেন্ট করেছে কেউ আমার "প্রিয়ভাজন" হওয়ার জন্য আপনার বলা অযথা কথাগুলো বলেন নি, তারা যাই বলেছে সেটা অবশ্য আপনি বুঝবেন না। কারন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার লেভেলে আপনি পড়েন না। আপনার বোঝার বা যুক্তির স্তরটা ঐ একটা "ইকা" প্রত্যয়ে অনেক স্পষ্ট হয়ে গেছে।

২৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০১
চল যাইগা বলেছেন: ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@লেখক: আপনি আমার দ্বিতীয় মন্তব্য ভুল বুঝেছেন। দ্বিতীয় মন্তব্যটি আপনার জন্য ছিলো না, ছিলো "চল যাইগা"র প্রতি।

খোঁচাটাও তাকেই দেয়া।

=========

"চল যাইগা"র প্রতি খোঁচা।

আপার জন্য অলিভ অয়েল...প্রচুর অয়েল...।


২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: পোস্টের বিপক্ষে আবোল-তাবোল বলাটা যৌক্তিক, নিজেকে অহেতুক তর্কে নজরে আনাটা যৌক্তিক আর যুক্তি দিয়ে ডিফেন্ড করলে অয়েলিং! আপনি অনেক বিচক্ষণ! মাঝে মাঝে এসে "উপদেশ" আর "সমবেদনা" দিয়ে যাবেন অবশ্যই!

২৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৫
চল যাইগা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: নাঃ নট ওকে। পুরুষদের মতো নিচে কক্ষণোই একটা নারী নামতে পারবে না। পুরুষ-ই একমাত্র দৃষ্টান্তমূলক পাশবিক কাজ করে, নারী একটা না একটা সময় হোঁচট খাবে।

******কয়েকবছর আগে ঢাকার রাস্তায় লগি-বৈঠা দি্য়ে পিটিয়ে মানুষ মেরে, মড়া লাশের উপড় কয়েকজন মমতাময়ী নারীকে লাফিয়ে উল্লাস করতে দেখেছিলাম| লাইভ, টিভিতে|

আরো লাগলে বলবেন, দিব...।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: রেফারেন্স কালেকশান ভাল আপনার। আমি ইন জেনারেল এমন অনেক অনেক দৃষ্টান্ত জানি তবে এক্ষেত্রে নিচের "ট্র্যানজিস্টার"-এর প্রশ্নগুলো-র উত্তর আপনার থেকে আশা করছি আমিও।

আমি এই পোস্টটা কোন তর্কের উদ্দেশ্যে দেই নি। একটা ঘটনার উত্তরে পাল্টা ঘটনা বলা যায় না। সত্যি একজন ভিক্টিম যার কথাগুলো দাবিয়ে দেয়া হয়েছে, সেটা বলতে চেয়েছি। আর সত্য কি সেটা আপনি-আমি সবাই জানি। আপনার অযৌক্তিক তর্ক বা হাজারটা রেফারেন্স-এ পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন কিন্তু হবে না। সুতরাং, আপনি অযৌক্তিক তর্ক বা প্রলাপ বন্ধ করুন।

৩০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০১
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: "লেখক বলেছেন: নাঃ নট ওকে। পুরুষদের মতো নিচে কক্ষণোই একটা নারী নামতে পারবে না। পুরুষ-ই একমাত্র দৃষ্টান্তমূলক পাশবিক কাজ করে, নারী একটা না একটা সময় হোঁচট খাবে।"

এ-মন্তব্যের সাথে যেমন দ্বিমত পোষণ করি, তেমনি, চল যাইগা, আপনার সাথেও দ্বিমত পোষণ করি। যু্ক্তিপূর্ণ আলোচনা বাদে কাদা ঘাঁটতে থাকলে ঘাঁটতে থাকুন। আপনার মূল বক্তব্য হচ্ছে, জেন্ডার নয়, সোশিওইকোনোমিক কারণেই রেইপ হয়ে থাকে। সোশিওইকোনোমিক ব্যাপারটিকে কেউ বাদ দিচ্ছে না, কিন্তু রেইপ, একটা হাতিয়ার হিসেবে অসম্ভবরকম বেশি ক্ষেত্রে যেকোনো প্রজাতির পুরুষরাই করে থাকে, মেয়েরা নয়। একটি মেয়ে যদি কাউকে রেইপ করে থাকে তবে তার জন্য এক কোটি বিপরীত উদাহরণ আমি দিতে পারবো - এ কথাটা এজন্যই বলা যে একটা জেন্ডার বেইসিস অতি অবশ্যই আছে। বিশালসংখ্যক উপাত্ত নিলে দৈব ব্যাপারগুলো বাদ চলে যায়।

এখন আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন, যে,

১. সমান সোশিওইকোনোমিক স্কেলের জন্য ছেলে এবং মেয়ে রেইপিস্টের সংখ্যা (পরিসংখ্যনগত সীমার মধ্যে) সমান;

এবং ২. সমান সোশিওইকোনোমিক স্কেলের জন্য ছেলে এবং মেয়ে রেইপ ভিকটিম, যারা বিপরীতলিঙ্গের দ্বারা রেইপের শিকার, তাদের সংখ্যা (পরিসংখ্যনগত সীমার মধ্যে) সমান;

তাহলে আমি আপনার বক্তব্য মেনে নিতে রাজি আছি - অন্যথায় এখন পর্যন্ত যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে আপনি জোর দিয়ে বলার পেছনেই বেশি আগ্রহী। ধন্যবাদ।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: "নাঃ নট ওকে। পুরুষদের মতো নিচে কক্ষণোই একটা নারী নামতে পারবে না। পুরুষ-ই একমাত্র দৃষ্টান্তমূলক পাশবিক কাজ করে, নারী একটা না একটা সময় হোঁচট খাবে। " ... কথাটা আমাদের দেশের সোশিওইকোনোমিক স্কেলে বলা। আমার লেখাটা স্পেসিফিক রিজিওন বা কালচারের , এর সাথে জেনারেল কন্ডিশন মেলালে ব্যপারটা ভিন্ন হবে।

আপনার কমেন্ট বা প্রশ্নগুলোর সাথে একমত। পোস্টটাতে এটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম। ধন্যবাদ।

৩১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৯
চিকনমিয়া বলেছেন: আফনে এমনে কেমনে লেকেন আফা :( মনডা উদাস হয় :(
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: দুঃখিত চিকনা।

৩২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৩
তামজীদ বলেছেন: একজন পুরুষ কেমন হবে তা সম্পূর্ন নির্ভর করে তার মূল্যবোধের উপর....আর মূল্যবোধ আসে পারিবারিক বন্ধন, আদর্শ এবং পারিপাশ্বিক সচেতনতা থেকে..........
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: আপনার কথার সাথে সম্পূর্ণ একমত। তবে পুরুষতমদের "মূল্যবোধ" কেন, কোন বোধ-ই কাজ করে না। ধন্যবাদ।

৩৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৩
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: লেখক বলেছেন: বুঝলাম না। বিস্তারিত বললে বুঝতাম হয়তো।

আমি আসলে দ্বিতীয় প্যারা পর্যন্ত পড়েছি......যখন হুমায়ুন আযাদ এসে গেছে তখন আর বাকীটুকু পড়ি নাই.....আর শুরুটা কেমন যেন নারী-পুরুষ দ্বন্দ্ব বিষয়ক লেখা মনে হয়েছিল.....যাইহোক, ভেতরে মনে হয় অন্যকিছু, ভালো কিছু.....স্যরি, ভুল বোঝার জন্য......
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, এ্যাপোলজি গ্রান্টেড। ধন্যবাদ।

৩৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫২
সবাক বলেছেন:
শেষে এসে নিজের বক্তব্যটা দিতে গিয়ে এমন ছেলেমানুষি করলেন কেন?

আপনার মতো একপেশে কয়টা কথা বলি======== শারিরীক এবং মানসিকভাবে মাইয়াগুলা যদি পুরুষের চাইতে শক্তির হইতো তবে ডেলি মাইয়াগো হাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পোলা রেপ এন্ড ডেড হইতো। খালি ওই যায়গায় যাইয়া দুর্বল বইলায়ই নিজের দেহখানা সম্বল কইরা বিছায়া রাখছে অন্তর্বাসের মতো মোলায়েম প্রতারণার জাল।

আমার গ্রামের মোট ১৬ বন্ধু, আমিসহ ১৭। প্রাইমারি থেকেই আমরা একসাথে চলি। কাকতালীয় হলেও সত্য যে, আমার ১১ বন্ধুই মেয়েদের হাতে প্রতারিত। .৩জনে প্রেমের সাথে জড়িত নয়। এর মধ্যে ২জন আত্মহত্যা করেছে। ওদের আত্মহত্যার দায়ভার কেউই নিবে না। এখন ওরা মহাপাপী। আমরা বন্ধুরা অনেক দমে গিয়েছি পরপর দু'টো আত্মহত্যায়। এর মধ্যে একজনতো অন্যরকম মেধাবী ছিলো। যেদিন জানতে পারলো তার প্রেমিকা একই সঙ্গে ৪জনের সঙ্গে প্রেম চালিয়ে যাচ্ছে, সেদিন আর ঠিক থাকতে পারেনি। কে জানি হয়তো মেয়েটার বিবাহ পূর্ববর্তী যৌনক্ষুধা আমার বন্ধু ফরহাদ মেটাতে পারেনি।

====== আমার এক আত্মীয়র পাশের বাড়ির ইতলী প্রবাসী ইয়াসিন। টাকার বদৌলতে সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করেছিলো। তাও প্রেম করে। ৩মাসের জন্য বাড়িতে এসে ২য় সপ্তাহেই প্রেম! তারপর বিয়ে এবং সংসার। ৩বছরের মাথায় ইয়াসিনেরই আপন ভাইয়ের ছেলে অর্থাৎ ভাসুরের ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যায় ইয়াসিনের বৌ। ততোদিনে বৌয়ের নামে ব্যাংক ব্যালেন্স ১৫ লক্ষাধিক। একটি বাড়িতো আছেই। পালানোর খবর শুনে ইয়াসিন মিয়া ইতালিতেই স্ট্রোক করে শ্যাষ!!

=====>> আমিতো মনে করি মানুষের মতো দেখতে ৩টা জাত আছে। (১) নারী (২) পুরুষ এবং (৩) মানুষ। নারী তার দেহ বিক্রি করে খাবেই। পুরুষ নারী দেহে লোল ফেলবেই। কিন্তু মানুষ তার মানবীয় গুনাবলী, উন্নত বিবেক দ্বারা পরিচালিত হবে। পুংলিঙ্গধারী যেমন নিজেকে উচ্চ আসনে বসাতে চাইবে ঠিক তেমনি স্ত্রীলিংগ ধারীনীকেও নিচে বসাতে চাইবে না।


আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

পোস্টে মাইনাস।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনার চোখে ছেলেমানুষি তো হতেই পারে! আমি পোস্টের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট বলেছি যে পুরুষের কোন অংশকে নিয়ে লেখা কথাগুলো। ঘটনাতেও বোঝা গেছে অংশটা। সব পুরুষ বা নিজের ওপর টেনে নিচ্ছেন কেন বুঝলাম না। আমি-ই বোধহয় একটা লেখা দিয়েছিলাম যেখানে পুরুষ ভিক্টিমের কথা আছে। সেখানে কেউ একটা নারী ভিক্টিম নিয়ে কথা বলেনি, অনেক পুরুষের হাহাকার দেখেছি সেখানে। এখন একটা মেয়ের পরিনতিতে একেক পুরুষ এসে নানান ধরনের রেফারেন্স নিয়ে কথা বলা শুরু করলেন, ব্যবধানটা এখান থেকেও পেলাম। আবারো একটা কথা বলি, আমি এই পোস্টটা কোন নারী-পুরুষ তর্কের উদ্দেশ্যে দেই নি। একটা ঘটনার উত্তরে পাল্টা ঘটনা বলা যায় না। সত্যি একজন ভিক্টিম যার কথাগুলো দাবিয়ে দেয়া হয়েছে, সেটা বলতে চেয়েছি। আর সত্য কি সেটা আপনি-আমি সবাই জানি। এখন আপনার সাথে তর্ক চালাতে হলে অনেক রেফারেন্স বলতে পারতাম, কিন্তু বলবো না কারন আমি এখানে তর্ক করলে আমাদের পরিস্থিতির কোন সুরাহা হবে না, শুধুই তর্ক বাড়তে থাকবে।

ধন্যবাদ।

৩৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: কি বলবো বুঝতে পারছি না। এই ধরনের 'মানুষদের তো 'মানুষ'ই বলা যায় না!..
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: তাও আপনি বুঝলেন এটা! এতোক্ষণ এটুকু বোঝানোর চেষ্টাই করছিলাম। ধন্যবাদ!

৩৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৩
আট আনা বলেছেন: পরে বাসায় গিয়ে পড়ব।
৩৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: তোমার পোস্ট দেখি পুং-নারীলিঙ্গের দ্বন্দ্বপীঠ হয়ে গেছে! অভাগা প্রতিমার জন্যে এখন করুণা হইতেছে আমার।
ভুল সমাজে জন্মানোর অনেক সমস্যা। কাদম্বিনীর মত মইরা প্রমাণ করন লাগে যে সে মরে নাই। কাপড় খুইলা দেখান লাগে যে তারে নির্যাতন করা হইছে। চাইরজন সাক্ষীও লাগে! হুঁ হুঁ বাবা, সমাজের আইন, আইনের পুতুল (এইটাও আবার নারী, হস্তে তুলাদণ্ড আর চক্ষু বান্ধা)। কবে না সেই নারী ধর্ষিত হইয়া যায়। তার লিগা ডর হইতেছে।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: পোস্টটার কমেন্ট দেখে আমি ঘটনাটা শোনার পর যে কষ্ট পেয়েছি তার চে' অনেক বেশি খারাপ লেগেছে। এই সমাজে প্রতিমা-রা মরে যাওয়াই ভাল। ওর জন্য আসলেই অনেক করুণা হচ্ছে!

সমাজের আইন, আইনের পুতুল (এইটাও আবার নারী, হস্তে তুলাদণ্ড আর চক্ষু বান্ধা)। কবে না সেই নারী ধর্ষিত হইয়া যায়। তার লিগা ডর হইতেছে। ... কথাগুলোর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ!

৩৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১২
চল যাইগা বলেছেন: লেখক বলেছেন:

কারন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার লেভেলে আপনি পড়েন না।


*** আপনার পশ্চাৎদেশে তৈল মর্দনকারীদের লেভেলে না উঠতে পেরে খুবই আনন্দিত...

লেখক বলেছেন:

আপনার বোঝার বা যুক্তির স্তরটা ঐ একটা "ইকা" প্রত্যয়ে অনেক স্পষ্ট হয়ে গেছে।

*** আপনাকে "লেখিকা" সম্বোধন করাতে দোষের কী হল..?? আপনিতো নারী, নাকী জেন্ডার চেন্জ করে ফেলেছেন..??

পোস্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এব; বিভিন্ন জনের পোস্টের জবাব দিতে আপনি যে জ;গী ভাব ধারন করেছেন তাতে আপনার মানসিক ভারসাম্যের ঘোরতর সমস্যা দেখা দিয়েছে|

আমার মনে হচ্ছে আপনি পুরুষের প্রতি যে চরম বিদ্বেষ দেখাচ্ছেন তার আড়ালে আপনি চরম ভাবে পুরুষের স;গ কামনা করছেন| আপনার মত ছিচকে নারীবাদিরা লেখায় পুরুষরা সব খারাপ, সব খারাপ বলতে বলতে এক সময় নীজেকে আবিস্কার করে মহা নিম্ফোম্যানিয়াক হিসাবে|

আপনাকে উপদেশ: সী এ্য সাইকিয়াট্রিস্ট...
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে কারন এই মন্তব্যটা দিয়ে আপনি আপনার রুচি বা মানসিক লেভেলটা আবার স্পষ্ট করে দিলেন। কারন আমার অনুমান ঠিক, আপনি বোঝেন-ই নি যে "ইকা" প্রত্যয় ব্যবহারে সমস্যাটা কোথায়। সেটা বুঝতে হলে দৃষ্টিভঙ্গির সংস্কার প্রয়োজন।

আমার লেখায় "সব পুরুষ" খারাপ এ কথাটাও নেই। মোটাদাগের বুদ্ধি বা তর্ক দেখানো বন্ধ করুন কারণ তাতে নিজেকে অনেক নামিয়ে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই।

আর একটা কথা, আপনার উপদেশ দেয়ার কোন অধিকার কেউ আপনাকে দেয় নি; আমি নির্বোধের উপদেশ নেই না।

আবার-ও ধন্যবাদ।

৩৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
চল যাইগা বলেছেন: ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:

এখন আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন, যে,

১. সমান সোশিওইকোনোমিক স্কেলের জন্য ছেলে এবং মেয়ে রেইপিস্টের সংখ্যা (পরিসংখ্যনগত সীমার মধ্যে) সমান;

এবং ২. সমান সোশিওইকোনোমিক স্কেলের জন্য ছেলে এবং মেয়ে রেইপ ভিকটিম, যারা বিপরীতলিঙ্গের দ্বারা রেইপের শিকার, তাদের সংখ্যা (পরিসংখ্যনগত সীমার মধ্যে) সমান;


*** আপনার সাথে ও লেখিকার সাথে শুধু আমি কেন, ফোরামে আসা এব; আমাদের দেশের ৯৯.৯৯ ভাগ পুরুষ একমত| আমার সমস্যা ঘটনাটার "রিপ্রেজেন্ট" করার স্টাইল নিয়ে| এটা লেখিকার ব্যর্থতা| এটা শুধু আমাদের দেশের সমস্যা নয়, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের ঘটনা এর চেয়েও ভয়াবহ| লেখিকাকে বলেছিলাম আরো বেশী করে পড়তে, সে দিকে তার নজড় নাই| সে পড়নের কাপড় মাথায় বাইন্ধা ব্লগে লাফাইতাছে|

রাজশাহীর ঘটনার জন্য আমরা সবাই দু:খিত| মেয়েদের এই যৌন হয়রানীর জন্য আমাদের রাজশাহী যেতে হবে..?? এই ঢাকার কথা ধরুন| স্কুল কলেজ পড়ুয়া যে মেয়েটি বাসে চড়ে আজিমপুর থেকে মিরপুর যায়, যে মেয়েটি ভার্সিটির বাসে চড়ে ভার্সিটিতে যায়, যে মেয়েটি গাউছিয়া-নিউমার্কেটে যায় সে যানে হয়রানী কাকে বলে| মোটা দাগের ঘটনা এখানে বললাম না| আমার নিজের আত্মীয় টুইন বোন ৩য় শ্রেনীর শিক্ষক কতৃক হয়রানীর শিকার হয়েছেন| এখন কি আমি বলবো সব স্কুল শিক্ষকরা খারাপ অথবা শিক্ষকরা খারাপ...???
অথবা পুরুষরা খারাপ...??

এই সমস্যা সমাধানের জন্য দরকার সচেতনতা ও সহায়তা, নারী-পুরুষ উভয়ের|

এই জাতীয় লেখিকাদের লেখা শুধু আগুনে ঘি ঢালার সমার্থক| একটি স্পর্স কাতর জরুরী বিষয়কে পুজি করে এরা নাম কামাতে চাইছে| মাঝখান থেকে ভিকটিমরা হচ্ছে আরো অবহেলিত|

এখানে প্রতিটি লেখক পোষ্টে ভিকটিমের জন্য সমবেদনা জানিয়েছে, যদিও লেখকের সাথে আমি সহ অনেকে সামান্য ভিন্নমত পোষন করেছে| অবাক কান্ড হল এই লেখিকা সেই "সমবেদনা" কে হেয়ালী করতেও পিছপা হয়নি|
এদের এই নাঁকি কান্না দেখলে আমার কুমিড়ের মা'র পুএশোক মনে হয়|

----ধন্যবাদ|

৪০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১১
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: আপনি আপনার অবস্থানের পেছনে যুক্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। আপনার কাছে প্রমাণ চাওয়া হয়েছিলো যে দুটি পয়েন্টের, তার কোনকিছুতেই না গিয়ে অযথা প্যাঁচাতে শুরু করেছেন, এবং অপ্রাসঙ্গিক কথা টেনে আনছেন।

চালাতে থাকুন, সবাই বুঝলো কার অবস্থান অযৌক্তিক।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: যুক্তি দিয়ে তর্ক করতে হলে সে মানসিকতা বা সামর্থ থাকতে হয়। অযৌক্তিক বা অনর্থক কথা, ব্যক্তি আক্রমন অথবা নিজের নিচু চিন্তাগুলোকে আক্রমণ করা ছাড়া বেশি কিছুর সামর্থ নেই উনার। যেসব কথা বলেছেন সেটা সভ্য মানসিকতার কেউ বলে না। আমার পোস্টে আমি কাউকে এই নিচু কাজগুলো কনটিনিউ করতে দেই না। আপনার প্রশ্নের উত্তরে উনি যা বললেন তার অপেক্ষায় ছিলাম। যা দিলেন তাতে তার অবস্থান বোঝা গেল আর হ্যা, আমি এটাও কনটিনিউ করতে দিচ্ছি না।

ধন্যবাদ।

৪১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
অ্যামাটার বলেছেন: ঘটনাটা অবশ্যই প্যাথেটিক;
বিচার চাই।

তবে "পুরুষতম" লেখাটাতে ততোধিক "নারীবাদিতম" মানসিকতা চলে এসেছে, এরকম মর্মান্তিক একটা ঘটনার বর্ণনায় সহানুভুতি অর্জন আর বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য অলঙ্করন প্রয়োজন ছিলনা!
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: "তবে "পুরুষতম" লেখাটাতে ততোধিক "নারীবাদিতম" মানসিকতা চলে এসেছে, এরকম মর্মান্তিক একটা ঘটনার বর্ণনায় সহানুভুতি অর্জন আর বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য অলঙ্করন প্রয়োজন ছিলনা!" ... একসময় পুরুষের নিপীড়ন নিয়ে লিখেছিলাম তখন কেউ পুরুষবাদী বলে নি, কারন এ শব্দটার সাথে আমাদের পুরুষরা পরিচিত না। একটা মেয়ের কথা লিখে আমি বিশাল নারীবাদী হয়ে গেলাম! আর প্রথম থেকে বলছি আপনারা এমন বিশিষ্ট কেউ না যাদের সমবেদনা-সহানুভুতি অর্জনের জন্য আমার কাহিনী ফাঁদতে হবে বা মেকী কাঁদতে হবে। সবাইকে নিজেদের স্কেলে ভাবেন কেন ?!

"প্যাথেটিক"- অলংকৃত ঘটনা পড়ে "সিমপ্যাথির" দেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ!!!

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: আমিও...

৪৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০২
সবাক বলেছেন:
=====আমরা একসময় শিখেছি "অনেকের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = অন্যতম"; আজকে আমার মনে হয় "পশুদের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = পুরুষতম"। নাঃ! আমি ভুল বললাম, পশুরা তো শিকার করে তাদের বেঁচে থাকার তাগিদে আর এসব পুরুষ শিকার করে তাদের অমানবিক ক্ষমতা জাহির করার তাগিদে, আজন্ম এক নোংরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের======

আপনার এই অংশের জন্যই আমার এতোবড় কমেন্ট ছিলো। জবাবে আপনি এসব কি বলেছেন!!!

""""""""পশুদের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = পুরুষতম"।""""""""

এটা কি????
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: পশুদের মধ্য শ্রেষ্ঠ অর্থ যেই "পুরুষ" এমন পাশবিক কিছু করেছে যা সব পশুর মধ্য তাকে শ্রেষ্ঠ প্রমান করে। "এসব পুরুষ শিকার করে ..." বলতে পুরুষদের মাঝের সেই অংশটাকে বুঝিয়েছি যাদের কথা পোস্টটাতে আছে।

এবারের ব্যখ্যাটাও কি নিরর্থক লাগছে ?

৪৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
নুশেরা বলেছেন: লেখাটা কেমন হয়েছে বলার মানে হয়না... এধরণের কত ঘটনা এত কাটাছেঁড়া করে দেখেছি যে শিউরে উঠতেও ভুলে গেছি...

পুরুষদের অনেকেই খুব নির্মম একটা ঠাট্টা করে ফেলেন, পুরুষ-নির্যাতনের কথা বলে আইনের সুরক্ষা চান... অনেক তথাকথিত প্রগতিবাদীও এভাবে ভাবেন বা বলেন... দুঃখজনক লাগে ব্যাপারটা...

নিয়মিত তোমার লেখা পাব, এ আশা করছি।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: "পুরুষদের অনেকেই খুব নির্মম একটা ঠাট্টা করে ফেলেন, পুরুষ-নির্যাতনের কথা বলে আইনের সুরক্ষা চান... অনেক তথাকথিত প্রগতিবাদীও এভাবে ভাবেন বা বলেন... দুঃখজনক লাগে ব্যাপারটা..." অনেক ধন্যবাদ আপু, পোস্টটা দেয়ার পর এ কথাগুলোর উপলব্ধি করেছি খুব ভালমতোন।

এখন ব্যস্ততা কম একটু, আগের চে' নিয়মিত থাকার চেষ্টা করবো। ভাল থাকবেন আপু।

৪৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:২১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আপু, লেখাটার কথা আমি কাল আরেকজনের কাছে জেনে পড়েছি। ঘটনাটা সত্যি বা মিথ্যা এটা মুখ্য না। যদি, এ ঘটনা মিথ্যে একটা কাল্পনিক গল্পও হয়, তাও তো '০১ এর নির্বাচনের পর এমন হাজার নারীর কথা বলা যাবে। কাজেই, ব্যাপারটা বাস্তবতার। হয়ত, নামগু্লো প্রতিমা হবে না, হবে না ইয়াসিন-ও। কিন্তু, আরেক টি মেয়ে আর, আরেকটা ছেলের তো এমন ঘটনা আছে।

আপু, আপনি যেভাবে ব্যাপারটা তুলে ধরেছেন.. সেটা বেশ দৃষ্টিকটু। সরাসরি পুরুষদের পশুদের সাথে তুলনা করেছেন। তাতে কি ব্যাপারটা একটু খেলো দেখায় না?? আপনার বাবাও একজন পুরুষ। যে ছেলেটা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ইভ-টিজিং করে, তার বিরুদ্ধে আপনি প্রতিবাদ কর্তে পারেন। কিন্তু যে ছেলেটা আপনার হয়ে একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, তাকেও যদি আপনি পুরুষ বলে এক দলে ফেলে দেন, তাহলে আপনি একদিন নিজেই একা হয়ে যাবেন।
আপনি যতই বড় বড় কথা বলুন না কেন, যতই আইনের কথা বলুন না কেন, নারী-পুরুষের শারীরিক পার্থক্য আপনার অস্বীকার করার উপায় নেই। আপনাকে আপনার সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করে, মানসিকভাবে যেন আপনি অনেকের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারেন, আর, আপনার মত যারা এখনো উঠে আসতে পারে নি, তাদেরকে হাত ধরে টেনে তুলুন।
বেগম রোকেয়ার একটি কথা অন্যভাবে উপস্থাপন করি.. "পাশাপাশি দুই চাকার কোন গাড়ির একটি চাকা যদি ছোট-বড় হয়, তাহলে ঐ গাড়ি আর সামনে এগুতে পারে না, একই জায়গায় ঘুরতে থাকে!!"

লেখার জন্য ++
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: হ্যা, এ ধরনের হাজারটা ঘটনা আছে। আর দুঃখজনক হলো ঘটনাগুলো সবার কাছে খুব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। হাজারটা ঘটনার একটা শুনে মনে হচ্ছে, "এটাতো অহরহ-ই হচ্ছে, এ নিয়ে লেখার কি হলো!" এ জন্যই ঘটনার সত্য-মিথ্যাটাও খুব গৌণ হয়ে গেছে।

আমি প্রথম থেকে অনেকগুলো কমেন্টে অনেকবার বলেছি, যে আমি সব পুরুষকে বলিনি, যে ছেলেটা আমার সাথে প্রতিবাদ করেছে তাকে কেন এক দলে ফেলে দেবো ? আমি পুরুষের একটা অংশকে নিয়ে ক্ষোভ বা রাগ প্রকাশ করেছি, যেটা পোস্টের প্রথমে আর শেষে বেশ স্পষ্ট করে বলা আছে। আর এই প্রকাশটা আমার কাছে সম্পূর্ন উচিৎ বা সংগত মনে হয়েছে।

শুধু নিজের মানসিকতা ঠিক করে কাউকে হাত ধরে তোলা যায় না, সমাজের পশু অংশের মানসিকতা ঠিক না হলে সবসময় মেয়েরা এমন অমানবিকভাবে নির্যাতিত হবে। আর ঐ অংশের মানসিকতার সংস্কার সম্ভব বলে মনে হয় না। তাই ঐ মেয়েটার জায়গায় নিজেকে চিন্তা করে খুব অপারগ লেগেছে।

বেগম রোকেয়ার কথাটা দাম্পত্য জীবনে নারী আর পুরুষের ভূমিকা বোঝাতে লেখা হয়েছিলো, আমার লেখার সাথে এর সম্পৃক্ততা তাই কম। আর যে সমাজে নারী নামক চাকাটাকে বিকল করে দেয়া হয়, সেখানে ছোট-বড় আকার খুঁজতে যাওয়ার অর্থহীন মনে হয়।

ধন্যবাদ।

৪৬. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
চিকনমিয়া বলেছেন: আফা, ভালা আচেন নিকি?
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: হুমম, তুমি কেমন ?

৪৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৪
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: পোস্ট কমেন্ট সব ই পড়লাম

আরো আগে আসলে না হয় এক হাত দেখা যেত.....

মেয়েদের নির্যাতনের কথা বলা "নারীবাদী" হলে কোনো ছেলে খুন হলে তার প্রতিবাদ করাও "পুরুষবাদী" বলা উচিত হাহাহহাহা

নারী কেবলই নারী ,কোনো ভাবেই মানুষ হয়....এই জীব টারে এখনো যে টিকতে দেয়া হৈছে (মূলত কারণ হৈলো পুরুষের যৌন ক্ষুধা মেটানো ) তার জন্যই নারীজাতির ধন্য হওয়ার কথা,সেইখানে কিনা তারা আবার চেচায়.....এত স্পর্ধা বীর পুরুষের সহ্য হবে কেন ?

প্রিয়তে নিলাম ।ঘটনা জানানোর জন্য ধন্যবাদ আপু.....

(ধন্যবাদ আল্লাহ কে যে এখনো আমি এই মেয়েটার চেয়ে সুখে আছি,যদিও কালকের কথা বলা যায় না )
০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: নারী কেবলই নারী ,কোনো ভাবেই মানুষ হয়....এই জীব টারে এখনো যে টিকতে দেয়া হৈছে (মূলত কারণ হৈলো পুরুষের যৌন ক্ষুধা মেটানো ) তার জন্যই নারীজাতির ধন্য হওয়ার কথা,সেইখানে কিনা তারা আবার চেচায়.....এত স্পর্ধা বীর পুরুষের সহ্য হবে কেন... "এসব বীরপুরুষদের নিয়েই লেখা পোস্টটা। ব্লগে এসে দেখি অনেক পুরুষ-ই নিজের ওপর টেনে নিয়ে আমাকে নারীবাদী ট্যাগিং দিয়ে দিল। "আসলে এসব ঘটনা ডাল-ভাত, প্রায় প্রতিদিন-ই হচ্ছে। এটা নিয়ে আলাদা পোস্ট দেয়ার কিছু নেই, নিজেকে প্রচারের উদ্দেশ্য..." এমন সবকিছু-ই শুনলাম আর আবারো নিশ্চিত হলাম আমার লেখাটার শেষ প্যারাটার ব্যপারে।

তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু! খুব ভাল থেকো।

৪৮. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:১৪
কালপুরুষ বলেছেন: লেখাটা পড়ার পর মন ও মেজাজ দুটোই বিগড়ে গেল। কোন মন্তব্য করতে ইচ্ছে করছেনা। শুধু এই লেখার সেই বর্বর চরিত্রের ক্ষমতাধর কিছু পুরুষদের প্রতি একরাশ ঘৃণা আর থু থু ছিটাতে ইচ্ছা করছে। আর সেই দাইমার চুল ধরে একটা আচ্ছা মতো ঝাঁকুনি দিতে ইচ্ছে করছে- যে নিজে একজন নারী হয়ে নারীর কুৎসা রটনার কাজে সহায়তা করেছে।

লেখাটা কষ্টের।
০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৯. ০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
চানাচুর বলেছেন: এত সুন্দর লেখার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: তোকেও ধন্যবাদ পিচ্চি!

৫০. ০২ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
চানাচুর বলেছেন: খারাপ লাগলো পড়ে অনেক
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: উপলব্ধিটাই আসে না অনেকের। ভাল থাকিস।

৫১. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:০২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আপু আপনার এই পোস্ট না দেখলে আসলে কিছু সুশীল ব্লগারের চেহারাটা অজানা থেকে যেতো
সেদিক দিয়েও ভালোই হোলো


***বড় বড় কথা বলে লাভ নাই ,শরীর এর শক্তি নিয়ে আগে ভাবতে হবে ,মেয়েদের এই জ্ঞানদানকারী সব পুরুষকে আমি "ষাঁড়" এর অধম বললাম ,কারণ ষাঁড়ের গায়ে শক্তি তাদের চেয়ে বেশি । পারলে পালটা লজিক দেখান :)
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন: আমরো অবাক লেগেছে অনেকের জবাব দেখে। পোস্ট না পড়েই নিজের পুরুষত্বে আঘাত পেয়ে তারা অনেক লাফালাফি করে ফেলেছেন! বেচারারা খুব বেশি স্পর্শকাতর বোধহয়!

বড় বড় কথা বলে লাভ নাই ,শরীর এর শক্তি নিয়ে আগে ভাবতে হবে ,মেয়েদের এই জ্ঞানদানকারী সব পুরুষকে আমি "ষাঁড়" এর অধম বললাম ,কারণ ষাঁড়ের গায়ে শক্তি তাদের চেয়ে বেশি । পারলে পালটা লজিক দেখান... হা হা হা! তোমাকে প্লাস দেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই কেন বলোতো !?

৫২. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:০৩
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: ব্লগে এসে দেখি অনেক পুরুষ-ই নিজের ওপর টেনে নিয়ে আমাকে নারীবাদী ট্যাগিং দিয়ে দিল।



হাহাহাহাহা টানবেই আপু ,অবদমিত বাসনা যাহাকে বলে !!
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: সেটাই! এ কথাটাই শেষ প্যারায় দু'লাইনে বলেছি। তাই একেক জন লাল কাপড় দেখানো ষাঁড়ের মতো তেড়ে আসলো,,, তাদের বীরত্বের নানা রেফারেন্স টেনে আনা শুরু করলো। আর তখন-ই আমি আমার শেষ প্যারার সিদ্ধান্তের ব্যপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে গেলাম!

চলো আমরা দু'জন মিলে তাও আশা করি, সওওব পুরুষতম-দের মধ্য সত্যিকার বোধ আসুক... একটা ধনাত্মক পরিবর্তন আসুক!

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু!

৫৩. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৩:২৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আশা করার সাহস লাগে.....না?


সবাক বলেছেন ,
"আপনার মতো একপেশে কয়টা কথা বলি======== শারিরীক এবং মানসিকভাবে মাইয়াগুলা যদি পুরুষের চাইতে শক্তির হইতো তবে ডেলি মাইয়াগো হাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পোলা রেপ এন্ড ডেড হইতো। খালি ওই যায়গায় যাইয়া দুর্বল বইলায়ই নিজের দেহখানা সম্বল কইরা বিছায়া রাখছে অন্তর্বাসের মতো মোলায়েম প্রতারণার জাল।"

বাহ বাহ বাহ

আমার খুব ই ঘিন্না লাগতেছে এইটা ভাবতে যে এই ****** বেটার লেখা আমার ভালো লাগার তালিকায় ছিলো । এই লাইনটার জন্য এরে গালি দিলে গালির অপমান হবে ।
থুতু ছিটালে থুতুর অপচয় হবে ।
০৩ রা মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: আশা করতে সাহস লাগে আবার মানসিক দৃঢ়তাও লাগে আপু। একটা না একটা সময় হয়তো পরিবর্তন আসবে; আমার কেন যেন মনে হয় পুরুষতম-রা কমবে। দেখো, আমার এ পোস্টটায় ২২ জনের সমর্থন আছে, তাদের মধ্য অনেকেই তো পুরুষ, তাই না ? ৩ জনের লাফ-ঝাঁপে কিছুই হয় না যখন তার বিপরীতে ২২ টা শক্ত-যৌক্তিক কন্ঠ থাকে। আবার পোস্টের ডাক্তারের মতো মানুষ-ও আছেন, যারা হয়তো এখন খুব অপারগ। একসময় হয়তো এই ডাক্তারের মতো মানুষগুলো শক্তি নিয়ে দাঁড়াবে আরো ১০ জনের সাথে। তখন ইয়াসিনেরা ভয় পেতে বাধ্য হবে, পশু থেকে মানুষের রূপান্তর ঘটবে।

তোমার রাগটা শক্তিতে বদলে যাক। মানুষকে জাগিয়ে তুলুক নোংরা জড় অবস্থা থেকে।

ভাল থেকো আপু।

৫৪. ২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
লাল সবুজের চিঠি বলেছেন: আসলে আমি মনে করি এরা আসলে পুরুষ ও না, নারীও না।
এরা হল পশু।
২২ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: পশুরাও এতও খারাপ হয় না। শেষ লাইনটা পড়েন আরেকবার।

তোকে তো দেখি-ই না ব্লগে! কেমন আছিস ?

৫৫. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৭
স্বপ্নকথক বলেছেন: দূরো।কমেন্ট পড়তে গিয়া মেজাজ খ্রাপ হইলো।
লেখা পড়ে মাইনাস দিতে যাচ্ছিলাম।আপ্নার অবস্থান পরিস্কার হতেই তা প্লাস হয়ে গেল।
চালায়া যান আপু।সাথে আছি।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: লেখায় আমার অবস্থান ভুল ছিল বলে মনে হলো আপনার কথায়। পরিষ্কার করলে ভাল লাগতো।

ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য!

৫৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২
আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: বেশি কিছু বলার সাহস সঞ্চয় করতে পারছি না লেখাটা পড়ার পরে। অসাধারন লেগেছে এইটুকু বলতে পারি। ধন্যবাদ। বাংলার সিম্যঁ দ্য বুভ্যোয়া হিসেবে আবির্ভুত হোন।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! যার সঙ্গে তুলনা করলেন তিনি তো বিশাল কিংবদন্তি! তাঁর দেয়া ইথিক্যাল ফ্যামিনিসমকে এখন কি অর্থে নেয় মানুষ তা উপরের কমেন্টগুলো পড়লেই বুঝে যাবেন। তিনি এটা পড়লে অবশ্যই এই ঘটনায় চরমভাবে মর্মাহত হতেন।

অনেক ভাল থাকুন!

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আবার ভাবুন...

ভাল থাকবেন তাহসিব!

৫৮. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১০:৩৬
নৈশচারী বলেছেন: কিছু বলার নাই! ভাষা হারায় ফেলসি অনেক আগেই! এখন আর কিছু বলতে ইচ্ছা করেনা! প্রিয়তে গেল! ভালো থাকবেন আপু
০৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ নৈশচারী! পড়লেন আর অনুভূতি বললেন দেখে ভাল লাগলো। এ পোস্টের কমেন্টগুলো পড়ে খুব হতাশ ছিলাম কিছু পুরুষতমের মানসিকতায়। আশা করি ওগুলো-ও বদলে যাবে কোন না কোন দিন!

খুব ভাল থাকবেন!

৫৯. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৫
নৈশচারী বলেছেন: ভালো থাকারই চেষ্টা করি আপু, তবু কিছু অনুভূতি শান্তি দেয়না কখনই.....
সেই অনুভুতিগুলোর কথা লিখেছি এখানে । সময় থাকলে পড়ে দেখবেন আপু। ভালো লাগবে আমার।
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: পড়ে নিবো। ধন্যবাদ।

৬০. ০৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০১
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: কখনও কোন পুরুষের উপর কোন নারীর নির্যাতন কি আপনার চোখে পড়ে নি?
২২ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: অযথা তর্কের ইচ্ছা নেই আমার। উপরে আপনার প্রশ্ন আরেকজন করেছে, সে তার উত্তর পেয়ে গেছে। আপনার উত্তরে বলতে পারি, সাম্প্রতিক খবরের কাগজে জুরাইনের মা ও দুই বাচ্চার একটা নিউজ ছাপছে প্রতিদিন। পড়ে ফেলুন। আমি পুরুষ-নারী নিয়ে তর্কে আসি নি, বাস্তব স্থূল ঘটনাগুলোর ব্যখ্যা চেয়েছি। আর বারবার বলেছি এটা পুরুষের একটা বিশেষ অংশ-কে নিয়ে লেখা। নিজের গায়ে নিচ্ছেন কেন ? সম্ভবত আপনি ঐ গোত্রের, যারজন্যে আমার খোঁচাগুলো গায়ে লাগছে আপনার।

ভাল থাকুন। সুস্থ আর যৌক্তিক তর্কের অভ্যাস করুন।

৬১. ২৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১২
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: সব মন্তব্যের জবাব দেয়ার দরকার কি আপু? তোমার লেখার প্রশংসা করতে চাইছিনা। তার দরকারও নেই। তবে..তুমি যা লিখছো, এধরনের লেখা বা কথা শুনলেই সেই সব পুরুষ-রা এক কথায় নাম দিয়ে দেয় তসলিমা নাসরিন। তসলিমা নাসরিন এর কথা তুমি সাপোর্ট কর বা না কর। এখন আর পারিনা তোমার মত করে বলতে। তবে তোমার মত কাউকে যখন পাই তখন সত্যিই অন্যরকম এক শক্তি টের পাই নিজের মধ্যে।

ব্লগে খুঁজছিলাম তোমাকে। আজ পেয়ে গেলাম। শ্রদ্ধা জেনো আমার।
২৯ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: কথার ধরন শুনে কেন যেন মনে হলো আমি তোকে চিনতে পেরেছি। যদি যাকে ভাবছি সে-ই হয় তাহলে ওকে ভেবেই কথা বলছি। অনেকদিন পর তোকে পেলাম। আমি খুব খারাপ সময় কাটাচ্ছি, তাই ডুব দিয়ে আছি। ডুব থেকে উঠলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবো আগের মতোই।

সব মন্তব্যের জবাব না দিলে মন্তব্যের মতামতগুলো মেনে নিয়েছি সেটা ধরে নেয়া হবে। সেটা চাইনা দেখেই জবাব দেয়া দরকার। এখানে অনেকেই কিন্তু আমার ম্যাসেজটা পেয়েছে। যারা পায়নি তাদের মানুষ হিসেবে দেখি না আমি।

শ্রদ্ধার উপযুক্ত নাকি আমি জানি না, তবে পেলে কি অদ্ভুত ভাল লাগে! শক্তি লাগলেই উঁকি দিবি, আমার সবটুকু শক্তি তোকে দিয়ে দিবো!

খুব ভাল থাকিস!

৬২. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
নৈশচারী বলেছেন: আপু, কেমন আছ? খারাপ সময় যাচ্ছে শুনে খুব খারাপ লাগলো! প্রার্থনা করি,এই সময়টা তাড়াতাড়ি কেটে যাক আর তোমাকে আবার আগের মত ফিরে পাই!
যদি সময় পাও এই পোস্টটা একবার পড়ে দেখো! আমাদেরকে শুধু পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে না, নিজেদের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে হয়! দুর্ভাগ্য আর কাকে বলে!
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: তোমার প্রার্থনাটুকুর অনেক প্রয়োজন ছিল! আন্তরিক ধন্যবাদ তোমাকে!

পোস্টে যাচ্ছি!...

৬৩. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৪
নৈশচারী বলেছেন: কমেন্টটার জন্য থ্যাঙ্কস আপু! সহযোদ্ধাদের পাশে পেলে ভালো লাগে! আজকে সারাদিন ধরে ব্লগে শুধু এইই করে বেড়াচ্ছি! একটু আগেও একজনের ব্লগে কমেন্ট করে আসলাম! নারীদের নিয়ে মানুষের মাথাব্যথার শেষ নেই! খালি আফসোস তাদের মধ্যে দশ ভাগের এক ভাগও যদি মেয়েদের আসল সমস্যাগুলো ফিল করার যোগ্যতা রাখত! এই কথা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য!
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: তোমার সাথে একমত নৈশ! আসলে আমি নিজেও অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি এতোদিন। সমস্যা হলো তুমি নিজেও কিছু ট্যাগ পেয়ে যাবে বোঝাতে গিয়ে কিন্তু যাদের বুঝাবে তাদের কোন উনিশ-বিশ হবে না। তোমার শক্তিটা দেখতে খুব ভাল লাগে। এটা ছড়িয়ে দিও সবার ভেতর।

খুব ভাল থেকো... সবসময়!

৬৪. ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০২
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: আমার খুব ই ঘিন্না লাগতেছে এইটা ভাবতে যে এই ****** বেটার লেখা আমার ভালো লাগার তালিকায় ছিলো । এই লাইনটার জন্য এরে গালি দিলে গালির অপমান হবে ।
থুতু ছিটালে থুতুর অপচয় হবে ।.......একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন।

এই লোকটার লেখা আমারো ভালো লাগার তালিকায় ছিলো। কিন্তু তার নিজের ব্লগের কমেন্টের প্রতি-উত্তরের ধরন, অন্য ব্লগে কমেন্টের ভাষা দেখে আমি খুবই অবাক হয়েছিলাম ভেবে যে এই লোকটা এরকম মানসিকতা নিয়ে এত চমৎকার লেখে কি করে? আমার মনে হয় তার কমেন্টগুলো আসলে নিজের ভাষার ধার-এর সঙ্গে অন্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়াস।
০৩ রা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: আমি কারো বিষয়ে মতামত দেই না যদি আমি তাঁকে না চিনি ভালমতো। তাই আমি উনার বিষয়ে কোন কমেন্ট করতে চাই না। উনাকে যতোটুক যা চিনি তা উনার কমেন্ট থেকেই চিনি। সেটা দেখে উনার ব্লগপোস্টের বিষয়ে আগ্রহ জন্মায় নি কখনো। যাহোক, আশা করি একসময় উনি নিজের মানসিক প্রাতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠবেন।

৬৫. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ঘৃনা তাঁদের জন্য যারা মানুষ হয়েও পশুর মত বর্বরতা চালায়, এই ঘৃনা নারী/পরুষ রুপী সকল পশুর জন্যই রইল!!
০২ রা অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩১
শেখ ইরফান বলেছেন: ঘৃনা নারী/পরুষ রুপী সকল পশুর জন্যই.......
০২ রা অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
জহুরুল ইসলাম স্ট্রীম বলেছেন: || আমরা একসময় শিখেছি "অনেকের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = অন্যতম"; আজকে আমার মনে হয় "পশুদের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = পুরুষতম"। নাঃ! আমি ভুল বললাম, পশুরা তো শিকার করে তাদের বেঁচে থাকার তাগিদে আর এসব পুরুষ শিকার করে তাদের অমানবিক ক্ষমতা জাহির করার তাগিদে, আজন্ম এক নোংরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের তাগিদে ||

০২ রা অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: একাত্মতা জানানোর জন্য ধন্যবাদ!

২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: উপলব্ধির জন্য ধন্যবাদ, সুবিদ।

৬৯. ২০ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
আমার স্বপ্ন আমার আকাশ বলেছেন: এই সব পুরুষ দের জন্য শুধু ই ঘ্রিনা ... শুধু ই ঘ্রিনা।
২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: একমত। ধন্যবাদ।

আপনি ব্লগে নতুন বোধ হয়। আমার পাতায় স্বাগতম! আপনার প্রোপিকটা খুব-ই কিউট!

বাংলা লিখতে গিয়ে প্রথম প্রথম বানান ভুল হয়। অভ্রে এখন স্পেল চেকার আছে তাই ওটা ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভাল নতুনদের জন্য। আর যদি ফোনেটিকে লেখেন তো "ঘৃণা" হলো :

ঘৃণা = gh > ++ > wr > N > a

ভাল থাকুন।

৭০. ২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: আমি পুরুষ , কিন্তু তারচেয়েও বড় সত্য , আমি মানুষ । আর এই সত্যটা স্বীকার করতে গেলে আমাদের " পৌরুষ" আমাদের বাধা দেয় .. এ দোষ আমি কারও কাঁধে চাপিয়ে দেব না । এদোষ আমার , আমার মত পুরুষদের ।

সত্যভাষণের জন্য ধন্যবাদ ... অনেক নোংরা কিছু সত্যিকথা বলেছেন । যেগুলো আমরা জানি , জেনেও না জানার ভান করি ।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ অন্তঃত উপলব্ধিটার জন্য।

৭১. ১৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:২২
আমি মিথ্‌ বলেছেন: " লেখাটা পড়ার পর মন ও মেজাজ দুটোই বিগড়ে গেল। কোন মন্তব্য করতে ইচ্ছে করছেনা। শুধু এই লেখার সেই বর্বর চরিত্রের ক্ষমতাধর কিছু পুরুষদের প্রতি একরাশ ঘৃণা আর থু থু ছিটাতে ইচ্ছা করছে। আর সেই দাইমার চুল ধরে একটা আচ্ছা মতো ঝাঁকুনি দিতে ইচ্ছে করছে- যে নিজে একজন নারী হয়ে নারীর কুৎসা রটনার কাজে সহায়তা করেছে। "

লেখা টা পড়ে অনেক খারাপ লাগসে .। তার চেয়েও খারাপ লাগলো, যখন জানলাম এটা সত্যি ঘটনা :( মেজাজটাই বিগড়ে গেল যখন কমেন্ট গুলো পড়লাম . X((

আমাদের সমাজের প্রতীতি স্তরেই ইয়াসিন আর চেয়ারম্যান এর মত মানসিকতাধারী লোকজন যে আছেন তা কিছু ব্লগার এর কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়.। ধিক এদেরকে, যারা নারীকে নারী মনে না করে, মনে করে শুধু ভোগ্য দ্রব্য :(

জানিনা, কিছু পশু নির্ভর এই সমাজে সেই ইয়াসিন এর বিচার হয়েছিল কিনা, অন্তর্যামী যিনি আছেন, তিনি অবশ্যই এর বিচার করবেন .।

আর লেখিকা আপু, পশুদের মধ্য শ্রেষ্ঠ যে এক = পুরুষতম এই কথাটা মুল ঘটনার সাথে পুরাই অপ্রাসঙ্গিক .। এক-এ ঘটনায় কিছু মন্দ র কিছু ভাল পুরুষের পরিচয় মিলেছে .। সব পুরুষকেই এক-ই মানদণ্ডে বিচার করা ঠিক না মনে হয় .।

আমাকে ট্যাগ দেওয়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ .। আর আপনার লেখনীকে আরও একবার বলতে চাই ' সুন্দর '

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি আবোল-তাবোল বলে চলি
অদ্ভুত সব মুখোশ পড়ি
স্বপ্নগুলো এলো-মেলো
ইচ্ছেগুলো রঙিন আলো।
এরই মধ্য মাঝে মাঝে
একটু-আধটু ভাব আসে...
ভাবগুলোকে বন্দী করে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই