আমার প্রিয় পোস্ট

আমি পার্থিব বাস্তবতায় অস্থির, অপার্থিব স্বপ্নপায়ী কেউ একজন . . .

জ্বরুনুন

০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

শেয়ারঃ
0 0 0



মাথাটাকে একা বালিশে রেখে বাকিসব ক'টা অংশ ধাই ধাই করে উড়ে গেল! হাত-পা- গলা সব কয়টার পাখা গজিয়ে গেছে কিছুক্ষণের মাঝেই, সেই পাখা ঝটপটিয়ে উড়ে গেল! ভারী ভারী ঘোলাটে সাদায় কালো বলপ্রিন্ট চোখের গোলক গুলা ড্যাবড্যাব করে নিচে পড়ে থেকে তামাশা দেখছে! হাতের আঙুলগুলা সর সর করে কাঁপছে বাতাসে, পা-গুলাও গ্যাস বেলুন হয়ে গেছে নিমেষেই! কেউ নিটোল-নিপুণ হাতে শরীরের ভেতরের উনানটার আঁচ আরেকটু বাড়িয়ে দিল। এবার মাথাটা যত চেপে বসছে ভার হয়ে, বাকি সব ক'টা অংশের ভেতরে ততোই হিলিয়াম বাড়ছে পাল্লা দিয়ে যেন!

ভেতরের রক্ত কণিকাগুলোর মাঝেও অস্থিরতার উল্টো দৌড় শুরু হয়ে গেল। শরীর জুড়ে নির্ভার প্রশান্তি আর ফুরফুরে স্বাধীনতা। মাথাটা একা মহা বিপদে পড়ে গেছে; উড়তে থাকা শরীরটার পাত্তা না পেয়ে মাথাটার নিজেকেই গোছাতে হচ্ছে ভেতরের জরূরী কাজগুলো... কিন্তু ধুর! কাজ গুছাতে করতে পারছে কই!... চিন্তাই জোড়া লাগছে না! গোত্তা খেয়ে খেয়ে একেকটা চিন্তা ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে যেমন-তেমনভাবে!



এই যেমন এখন মাথাটা ভাবছে তার হাত বা পায়ের রেখাগুলার কথা... ওগুলো সব জীবন্ত হলে কেমন হতো? যখন কারো হাত জড়াতো আমার হাতে, তখন ওর কিলবিলে জীবন পাওয়া হাতের তারগুলো জড়িয়ে যেত আমার চঞ্চল আঁকাবাকা নাচরত আকর্ষিগুলোর সাথে! ওদের হয়তো একটা বক্র-দীর্ঘ-গভীর আলিঙ্গন হতো! পাগুলো হাঁটার সময় মাটি আঁকড়ে ধরতো ওদের শিকড়ের মতো জীবন্ত রেখাগুলো দিয়ে। হয়তো আমরা আমাদের শুঁড়গুলো দিয়ে নিজেদের রক্ষা করতাম... অথবা অন্যকে শিকার করতাম...

...ভাবনা শেষ না হতেই উড়তে থাকা হাত-পাগুলো নেতিয়ে পড়ে নিচে। মাথা ভাবে... কি হলো! ... ওরা নিশ্চল-নিশ্চুপ হয়ে জানায়... তারা ক্লান্ত, বিশ্রাম দরকার... ওরা হালকা হতে চায়। দায়িত্ব ছাড়তে চায়। মাথা অবাক হয়!... "এখনো কত কাজ বাকি!..." ওরা বলে, "তুমি করো কাজ, আমরা ক্লান্ত... বিশ্রাম দরকার।"
আস্তে আস্তে একে একে শরীরের বাকি অংশগুলো-ও আত্মসমর্পন করে। ওরা মাথা নিচু করে জানায়, তারা ক্লান্ত। মাথা আবারো চেষ্টা করে... এখনো অনেক পরিস্থিতি মুখোমুখি করা বাকি, জীবনের অনেক ধাপ বাকি এখনো। এতো তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হলে কিভাবে হবে?! এবার ওরা ক্ষেপে যায় একটু, "হাত-পা নিশ্চল হলে চলবে কি করে? হৃৎপিন্ড ভালবাসবে না কাউকে... অনুভূতি মরে সাদা হয়ে যাবে। বাঁচো এখন... ঐ অথর্ব বাঁচা বেঁচে কি লাভ ?? প্রকৃতির প্রয়োজন হলে ডেকে তুলবে তোমাকে... না হলে তোমার শূণ্য সিংহাসনে বসবে অন্য কেউ। অনেকদিনের দাপিয়ে চলা জীবন থেকে এবার ক্ষান্ত দাও... হয়তো তোমারো ঘুমানো প্রয়োজন।" কথোপথনের পর মাথা হঠাৎ তীব্র ক্লান্তি বোধ করে। সে ওদের সাথে তাল মিলিয়ে গভীর ঘুমের প্রস্তুতি নেয়। গনগনে তাপে-ছোঁয়াচে আমি হালকা হই, ভারী হই... একসময় বোধহীন হয়ে যাই।



সকালের হলুদ এক টুকরো আলোতে আমার নিথর দেহটা কমলাটে হয়ে যায়... কোন ফাঁকে ঐ উনানটা নিভে গেলে ভেতরটা শূণ্যের বেশ নিচে নামতে থাকে... আরো নিচে... আরো নিচে...

::::::::::::::::::::::::::::::
:::::::::::::::::::::::::
:::::::::::::::::::
:::::::::::::
::::::::
::::
::
:












ছবিসূত্র : গুগল চাচ্চুর ইমেজ আর্কাইভ (`!`) (-.-)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘোরপ্রলাপ ২ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: :| হুমম মানে কি ? :|

২. ০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০
অপ্‌সরা বলেছেন: ছবিগুলো তো ভয় ভয়।
০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: হিহিহি... ভয় দেখালাম একটু। লেখার পর কিছু অদ্ভুত ছবির প্রয়োজন টের পেলাম। গুগল চাচ্চুর "সুররিয়েল আর্ট" কালেকশন থেকে ধার করলাম এগুলো। ভাল থাকবেন আপু।

৩. ০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
সাইফুর বলেছেন: মাথার উপরদিয়ে গেছে :(
শরীর কেমন এখন?
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: আহারে! উল্টা হয়ে পড়ো ভাইয়া... লেখাটা এলোমেলো। তাই উল্টা হয়ে পড়লে বোঝা যাবে কিছুটা হয়তো!

এখন ভাল আছি! :)

৪. ০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২
চানাচুর বলেছেন: “আমার মাথার উপর দিয়ে গেছে” এই কমেন্ট দিতে গিয়ে কারেন্ট গেল:|
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: লেখাতো তাহলে ভালই উল্টাপাল্টা হয়ে গেসে! থাক... আপাতত তুই রেস্ট নে,,, পরে নিজে একটু উল্টা হয়ে পড়ে দেখিস রিস্ক নিয়ে!

৫. ০১ লা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কখনো কখনো চক্ষু বুঝলে দেখা যায় আকাশের তারাগুলো মনের আকাশে সাজিয়ে আছে। সীমাবদ্ধ এক জগতকে একটু টেনে লম্বা করি, তাদের মাজে জুড়ে দেই মহাবিশ্বের স্হিতিস্হাপকতার ধর্ম। আমি একটা স্পেসশীপ ঠিক করে রাখি অনেক আগেই, দেই রিএ্যাক্টরে স্টার্ট। শুরু হয় এক অনন্য যাত্রার। তারা গুলো ছোট ছোট হয়ে আমার বিপরীত দিকে ছুটতে থাকে আর আমার আলোর গতিতে ভাবতে থাকি আবার ফিরে আসবো আগের জায়গায়। কারন এটা সিটিসি, হবে টাইম ট্রাভেল। ভাবনায় প্রশ্ন জাগে এত জটিলতা দিয়ে স্বপ্ন দেখা কেন, তখন উত্তরে বলি ছোটবেলার ফেলে আসা ভুলগুলো শুধরাবো বলেই ভালোবাসার লোভ সামলাতে পারছি না, তাই ভাবি কখনো এভাবে ছুট লাগাবো টাইম ট্রাভেল করার আশায়, কাছে পেতে চাই ছোটবেলার সেই ভালোবাসা!

দারুন লেখা হইছে!
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলোতেও ঘোর টের পেলাম! আমি চাই এই পোস্টে সবাই নিজের মতো ঘোরলাগা কথা বলুক... ঘোর জমা হোক এসে একটা জ্বরুনুনে!

অনেক ধন্যবাদ ভাই! খুব ভাল থাকুন! :)

৬. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
আনোয়ার সাদী বলেছেন: ছবিগুলো না থাকলে কল্পনার স্বাধীনতা পেতাম । লেখাটা ভালো লেগেছে ....সুররিয়েলিজম পড়তে ভালো লাগে বেশ....
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাল লাগা প্রকাশের জন্য বা মতামতটা দেয়ার জন্য! আর আপনি কল্পনার স্বাধীনতা পেলে খুব ভাল লাগতো আমারো কারন আমি চেয়েছি এই পোস্ট পড়ে সবাই নিজের মতো কিছু একটা কল্পনা করুক, সেটা বলুক। আমি ঘোর লাগা কথায় মানুষদের বিভিন্নতা বুঝতে চেয়েছি। ছবিগুলোতে কিছুটা সেটা পেয়েছি দেখেই দিলাম। যেমন আমার প্রথম ছবিটার মানুষটার নিজেকে আড়াল করাটা ভাল লেগেছে, মাঝেরটার পায়ের শিকড় আর শেষের ছবিটায় নিজের ছায়ায় কিছু মরে যাওয়া আগাছা... এসব আমাকে টেনেছে। স্বাধীনতা কমে গেল দেখে এখন মনে হচ্ছে ছবিগুলো না দিলেই হয়তো ভাল হতো! ভাল থাকুন!

৭. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:১১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: জ্বর তপ্ত চিন্তামালা, পড়তে তো ভালো লাগছে :) আমার নিজেরো এরকম একটা এক্সপেরিমেন্ট করার ইচ্ছা ছিলো, কিন্তু যন্ত্রনা হইলো ঠিকমতো বড়সড় কোনো অসুখেই পড়তেছি না :(


শরীর কেমন? চোখ কেমন? আর সবচে বড় প্রশ্ন হলো মন কেমন?
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: শুনো ভাইয়া ... ফালতু কথা বলবা না! সুখে থাকতে কাউয়া কিলায় তোমাকে না ?? X( X( X( শুনো, তোমাদের কল্পনা ক্ষমতা অনেক অনেক ভাল, তাই তোমাদের এমনিতেই লেখা আসবে, সেজন্য অসুখ হতে হবে না!

সবচে' বড় প্রশ্নটা অসাধারণ ছিল! মন মোটামোটি... বেশি ভাল না। চোখ কিভাবে কিভাবে যেন বেঁচে গেছে, ভেবেছিলাম গেসে এইবার! হিহিহি... খালি ভুয়া থ্রেটায় আমাকে, আসলে যেই সেই!

ভাইয়া... খুব খুব খুব ভাল থাইকো... মন বা শরীর...সওওওবদিক থেকে! :)

৮. ০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৩
রাগ ইমন বলেছেন: দারুন অন্যরকম লেখা তো ! মজা পেলাম পড়ে ।

ও হ্যাঁ, সেই পোস্ট খুঁজে পাওনি কেন?

পোস্ট তো পোস্টের জায়গাতেই আছে । কেবল একটা মন্তব্য মুছে ফেলেছে । যেই মন্তব্য এ আমার বাসায় ফোন করে আমার মায়ের কাছে বিভিন্ন রকম দুর্নাম করার হুমকি দেওয়া হয়েছিলো ।

বাকি পুরা পোস্ট চরণদাসের নোংরামী আর আমার বিরুদ্ধে অকারন ব্যক্তি আক্রমনের উদাহরন হয়ে বিরাজমান ।

০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: আপু ধন্যবাদ! এসেছেন তাহলে! মাঝখানে অনেকদিন আসি নি ব্লগে, অসুস্থ ছিলাম।

আশ্চর্য! একটা পোস্টের মন্তব্য নিয়ে এতো তুলকালাম! আমি চরণদাসের ব্লগ ইন্টার‌্যাকশানের ব্যপারে একদম-ই জানি না। তার লেখা পড়ি নি, ইনি আমার ব্লগে কমেন্ট-ও করে নি। আপনার পোস্টেই যা কথা হয়েছে। যখন এতদিন যাই নি তাই আর ও পোস্টটাতে না-ই যাই। বিরক্তিকর ঝামেলা ভুলে যান আপু, আপনার লেখা খুব শক্তিশালী। এই ব্লগে সেই শক্তিটার দরকার আছে। আমার যদি কোন লেখায় সমালোচনা থাকে তো সেটা সরাসরি-ই করে ফেলি, আশা করবো তা আপনি ধনাত্মকভাবেই নিবেন। ব্লগের কিছু মানুষ আমার ভালবাসার সাথে সাথে শ্রদ্ধার-ও পাত্র- আপনি তাদের মধ্য একজন। ভাল থাকবেন আপু।

৯. ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
রাগ ইমন বলেছেন: কি যে বলো না তুমি ।

রেসিডেন্ট ছাগুর বিপরীতে এই রেসিডেন্ট শুয়োরের উৎপত্তি তো আজকে না । এই সব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: জিজিভিজি! :) আর আপনার কমেন্টে জাঝা! :)

১০. ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
লেখা ভালো লাগছে ছবির চাকচিক্য উপেক্ষা করে।
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ছবি না বরং পাঠ করে পাঠকের প্রতিক্রিয়াই জানতে চাচ্ছিলাম। কেমন আছেন ?!

১১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখাটা চমৎকার হয়েছে! এই ধরনের বর্ণনা ফুটিয়ে তুলতে খুব নিবিড় এবং নিস্পৃহ পর্যবেক্ষণ দরকার। কোনভাবেই আবেগে বিহ্বল হয়ে গেলে, লেখাটা কেমন থ্যাবড়া হয়ে যায়। এখানে সেটা ঘটেনি বলেই চমৎকার অনুভূতি হয় পড়ার সময়ে।

আমি সময় নিয়ে পড়লাম। কয়েকটা জিনিশ খেয়াল করিঃ মাথা- নিজেই এখানে মূল চরিত্র। যখন অন্যান্য অংশের সাথে কথা হচ্ছে সেখানেও তার প্রাধান্য পরিষ্কার। এটা একদিক দিয়ে চিন্তাভাবনার কেন্দ্রের শক্তি ফুটিয়ে তোলে। আমাদের কেন্দ্রীয় চিন্তা যতই উদ্ভট হোক না কেন (হাত-পা উড়ে যাওয়ার কল্পনা) আমরা তাকে প্রশ্রয় দেই, কারণ তার বাস্তবতাটা আমাদের কাছে সবচেয়ে সত্যঘনিষ্ঠ (এবং গুরুত্বপূর্ণ)।

অন্যান্য অংশেরও 'মাথা' থাকার ব্যাপারটি খটকা জাগালঃ
"আস্তে আস্তে একে একে শরীরের বাকি অংশগুলো-ও আত্মসমর্পন করে। মাথা নিচু করে জানায়, তারা ক্লান্ত। মাথা আবারো চেষ্টা করে... এখনো অনেক পরিস্থিতি মুখোমুখি করা বাকি, জীবনের অনেক ধাপ বাকি এখনো।"
এখানে মাথা নিচু না করেও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ম্রিয়মাণতা ফুটিয়ে তুললে বেশ হয়!

শেষের অংশে এই শৈত্য হঠাৎ করেই খুব অশরীরী এবং ভয়ংকর মনে হয়। জ্বরের ঘোর আমাদের কত বিচিত্র অনুভবের কাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে!

তোমার লেখাটা সেইরকম ভাল লাগছে...
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: "আমাদের কেন্দ্রীয় চিন্তা যতই উদ্ভট হোক না কেন (হাত-পা উড়ে যাওয়ার কল্পনা) আমরা তাকে প্রশ্রয় দেই, কারণ তার বাস্তবতাটা আমাদের কাছে সবচেয়ে সত্যঘনিষ্ঠ (এবং গুরুত্বপূর্ণ)"... হুমম ... সে জন্যই আমরা এলোমেলো সময়টার নাম দিয়েছি "ঘোর"!

মাথার ব্যপারে পয়েন্ট ভাল ধরে দিসো... আমি দু'টা মাথা দিয়ে একটু জট পাকাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রচেষ্টা ভাল হয় নি, এটা লেখার পর আমার-ই মনে হয়েছে। থ্যাঙ্কু বেশি বেশি স্যারজী ফর দ্য গাইডিং!

শেষের শৈত্যটা মৃত্যুর ... আমার যেন কেন ওটা পাওয়ার একটা তীব্র ইচ্ছা হয় মাঝে মাঝে!

তোমাকে সেইরকম ধন্যবাদ! :)

১২. ০৯ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: হমম....লেখাটা পড়তে গিয়ে কেমন জানি অস্হির অস্হির লাগছিলো :)। এখন থেকে তোমার লেখা ভয়ে ভয়ে পড়তে হবে।

ছবিগুলো লেখার সাথে অন্যরকম একটা অনুভূতি দিলো। এক কথায় অসাধারণ।
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: হাহাহা... অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া!

অ.ট. আপনি কি ব্লগের পুরানো কেউ ??

১৩. ১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
তামজীদ বলেছেন: Click This Link

Not related to this post ...but I think may be you want to just check this out
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তামজীদ... এতোদিন নানা কারনে ব্লগে আসতে পারি নি। লিংকটা আগেই দেখেছি।

১৪. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
চানাচুর বলেছেন: আফাগো আপনি কুথায় ? :-/
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ডুব দিসিলাম বৈনটুশ! কেমন আছো ?? এফ.বি. থেকে পালায় গেলা যে হঠাৎ করে!?

২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: শুনে আনন্দ পাইলাম! :)

১৬. ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: না আপু, আমি পুরান কেউ না।

(তুমি করে বলেছি কারণ আমি তোমার ইউনি থেকে কয়েক বছর আগে পাশ করে বের হয়েছি :))
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ও! হিহি... ঠিক আছে ভাইয়া... সেজন্যই অবাক হয়েছিলাম।

ভাল থাকবেন সবসময়!

১৭. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০১
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন: নিকটা থেকে ব্লগে না এসে থাকতে পাড়লাম। এসেই ছবি গুলো দেখে ভয় পেলাম। অদ্ভুত নিক এবং ছবি। ভালো লাগলো।
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: ও! আমার পাতায় স্বাগতম ভাই! নিক তো আপনারটাও কম অদ্ভুত না! ভয় দেখানোর জন্য দুঃখিত। এই পোস্টটা একটু অদ্ভুত করেই লিখলাম হঠাৎ ইচ্ছা হওয়ায়।

অনেক ধন্যবাদ।

আপনার ব্লগযাত্রা অসাধারণ হোক!

১৮. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: জীবনানন্দের কাব্যের মত পদ্য হয়েছে .....একেবারে ইউনিক ...

ভাবছি, ভাষার উপর কি পরিমান দখল থাকলে, কল্পনার দৌড় কতটুকু হলে আর পেটে কি পরিমান বিদ্যা থাকলে এমন লেখা প্রসব করা সম্ভব ....

এককথায় জটিল, জটিল ......
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, কেমন আছেন?? কার সাথে কার তুলনা !!!!!! জীবনানন্দের সাথে তুলনার যোগ্য-ই আমি না ভাইয়া... খুব বেশি আপ্লুত হলাম! অনেক অনেক আর অনেক ধন্যবাদ। মাঝখানের বড় একটা গ্যাপ হয়েছে ব্লগের সাথে, আজকে এসে আপনাদের দেখে আর সুন্দর সুন্দর কমেন্ট পেয়ে ভাল লাগছে।

খুব খুব ভাল থাকবেন ভাইয়া। [ ভাবী ভাল তো ??]

১৯. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

ঝড়কন্যার, গদ্য ঝড়ের মতোই গতিশীল হয়েছে এইটুকু নির্দ্ধিধায় বলা যায় ।

সাবাশ ! বোধগুলো এইরকম তীব্রভাবেই উঠে আসুক ।
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: আরে ভাইয়া!!! কত্তোদিই ই ই ন পর আমার পোস্টে আসলেন! খুব ভাল লাগলো দেখে! কেমন আছেন ??

অনেক ধন্যবাদ শুভকামনার জন্য! এটা জ্বরের সময় লেখা, এলোমেলো ঘোরকথা।

খুব ভাল থাকবেন ভাইয়া!

২০. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১০
কালপুরুষ বলেছেন: অনেকদিন পর তোমার লেখা পড়লাম। বরাবরের মতোই লেখনী জাদুতে মুগ্ধ হলাম। ভাল থাকার প্রার্থনা রইলো।
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই! এই ইন্সপায়ারেশন বা প্রার্থনাটার জন্যই বোধহয় ঘোর লাগা কথাগুলো বলতে ইচ্ছা হয়। ভাল থাকবেন।

২১. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: এখন অনেক ভালো, প্লাস্টার খুলা হয়ে গেছে .... এখন সপ্তাহে ৩/৪ দিন ফিজিওথ্যারাপি দিচ্ছে ...... আশা করি খুব তাড়াতাড়িই সুস্হ হয়ে যাবে .... দোয়া করবেন .....
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ্‌ ভাল হয়ে যাবেন খুব তাড়াতাড়ি... অনেক অনেক দোয়া থাকলো ভাবীর জন্য!

২২. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখা খান কিন্তু জবর দুস্ত বলেতো মাস্ত!
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: চোস্ত দুরস্ত কমেন্ট ভাই! খুশি হয়ে গেলাম! :)

০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: টিংটিং... এইতো আমি চিকনু! তোমার খবর কিতা ?? :)

২৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
ফেরারী পাখি বলেছেন: উরে ব্বাস। এখনকার ছেলেমেয়ে গুলোর সাথে একেবারেই পেরে উঠি না।

এত গভীর বোধ এক এক জনের, জ্ঞানের এত বিস্তার বিন্যাস তাতে আবার প্রযুক্তিকে নস্যি করে তোলা--- এসব ব্যাপার স্যাপারের কাছে এক্কবারে সেকেলে, পুরোনো ঝরঝরে রদ্দি মাল।

কি যে করি! পড়ি আর ঝিম মেরে থাকি।

মেঘে মেঘে বেলা অনেক হয়ে গেল রে!
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: আপুআপুআপু!!! তোমাকে আমার বাসায় দেখলে আমি মহাখুশি হই! এতো সুন্দর করে প্রশংসা করো যে ভারের চোটে লজ্জা পেয়ে যাই! নিজেকে এতোটা বুড়ি ভাবো কেন বলো তো !? তোমার মতো বিশাআআআল মনের একজন মানুষ হওয়াও অনেক কঠিন একটা ব্যপার। ওটা আমি অনুভব করি আর ঝিম মেরে থাকি!

খু উ উ উ উ উ উ ব ভাল থেকো আপুটা!

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: যাচ্ছি। তবে এটা আসলে জ্বরের ঘোরে লেখা একটা ডায়রীর অংশ। যিনি মনোনয়ন দিলেন তাকে ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি আবোল-তাবোল বলে চলি
অদ্ভুত সব মুখোশ পড়ি
স্বপ্নগুলো এলো-মেলো
ইচ্ছেগুলো রঙিন আলো।
এরই মধ্য মাঝে মাঝে
একটু-আধটু ভাব আসে...
ভাবগুলোকে বন্দী করে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই