শাশ্বতকে নিয়ে একটা পুরনো লেখা, এবং...
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
(এই লখোটি আমাদরে একজন শিক্ষার্থীর। লেখাটির শক্তি আমাকে বারবার মুগ্ধ করে...)
মৃত্যুঞ্জয়ী লড়াইয়ে জয় হোক শাশ্বত'র
মনিরা শরমনি প্রীতু
[ভারতরে ভেলোর ক্রশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলজে চেকে-আপ শেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদকিতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাশ্বত সত্যকে গত ৮ই জুলাই তার বাবা দেশে ফিরিয়ে আনেন। এঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস আক্রান্ত শাশ্বতর চিকিৎসার জন্য অন্তত ৩৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। দর্শনা সীমান্তে বিভাগীয় ৩ জন শিক্ষার্থী গিয়েছিল ফেরার পথটুকুতে সঙ্গ-সহযোগিতা দিতে। প্রিতু তার অভজ্ঞিতা বর্ণনা করছেন এই লেখায়।]
হঠাৎ করেই একখণ্ড মেঘ এসে র্সূযটাকে আড়াল করে ফেললো। এই একটু আগেও বেশ রোদ ছিল। আমরা কজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘন মেঘে আকাশটা ছেয়ে গেল। আর দুটো দেশ একই সাথে প্লাবিত হতে থাকলো প্রবল র্বষণে। বৃষ্টি আর বিরাম নেই। শুনেছি প্রতিবারই নাকি শাশ্বতর যাত্রাপথ এভাবেই বৃষ্টিস্নাত হয়ে যায়। হতে পারে ছেলেটির প্রবল যন্ত্রণায় কুঁকড়ে থাকা শরীর প্রকৃতিকে নাড়া দিয়ে যায় অথবা তাঁর বেঁচে থাকার লড়াই দেখে অভিভুত পৃথিবী আনন্দে অশ্রু বর্ষণ করে।
যাই হোক না কেন, শাশ্বত আজ ভারতে চেক-আপ শেষে দেশে ফিরবে। প্রকৃতির দুর্যোগ বা আশির্বাদ যাই বলি না কেন সবকিছুকে উপেক্ষা করে শুধু ভালোবাসায় বাঁচবে বলে শাশ্বত আজ আমাদের কাছে ফিরবে। আমরা তাই সীমান্তের এদিকে দাঁড়েয়ে আছি ৫ ঘণ্টা ধরে। আশে পাশে কুলিদের কাছে শুনছি, স্ট্রেচারে করে একটি ছেলেকে ক্রমেই ভারত সীমান্তের ওপার থেকে বয়ে আনা হচ্ছে তার নিজের দেশ বাংলাদেশের দিকে। বৃষ্টিতে আমরা ভিজে যাচ্ছি। রাষ্ট্রের সীমান্তপ্রহরী আমাদের নির্দিষ্ট সীমার বাহিরে দাঁড় করিয়ে রেখেছে, সেই কাঁটাতার, সৈনিক, বন্দুক আমাদের সীমানার মাঝে আটকে রাখার চষ্টো চালিয়ে যায়, অথচ আমাদের হৃদয় আর দৃষ্টি কিন্তু ততক্ষণে সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আমাদের শাশ্বত'র কাছে। প্রকৃতির সাথে আমার চোখের জল মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে।
শাশ্বতর শরীর রেপিং পেপার দিয়ে মোড়ানো - বৃষ্টরি ছাঁট থেকে ছেলের শরীর বাঁচাতে হয়তোবা এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় বাবা অরুণ সত্যের জানা ছিল না। সামর্থ্যের মধ্যে র্সবোচ্চ যত্নে বাবা তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। কুলির পাশে পাশে দৌড়ে দৌড়ে আসছেন বাবা, গাল র্ভতি কাঁচাপাকা খোঁচা দাড়ি। স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যাওয়া লোকটা একহাতে ছেলের বসার আসন আর অন্যহাতে বার বার ছেলের গায়ে জড়ানো পলিথিন ঠিক করে দিচ্ছেন, আর হাঁপাচ্ছেন- তারও যে র্হাটের অসুখটা দিনদিন বেড়েই চলছে। যেকোনো সময় র্হাট এটাক হতে পারে!
মাঝবয়েসী দরিদ্র, রুগ্ন, অসুস্থ অথচ প্রচণ্ড সৎ লোকটির মুখের মধ্যে তখন অসহায়ত্ব খেলা করে চলেছে। হঠাৎ করেই তিনি আমাদের দেখতে পেলেন, আর প্রবল ব্যাক্তত্বি-সম্পন্ন লোকটি শিশুর মতো হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন, একহাতে চোখ মুছছেন আর দৌড়ে আমাদের দিকে আসছেন, এবার আমরাও তার কাছে দৌড়ে গেলাম। বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা বাবা আমার হাত চেপে ধরে বললেন, 'মা আপনারা এসছেনে!' ঠিক সেই মুর্হূতে কেন জানি পৃথিবীর সকল গ্লানি এসে আমায় ছেয়ে ফেলল। মনে হলো এই পুরো বিষয়টার জন্য আমি, আমরাই দায়ী।
ডাক্তার শাশ্বতকে যাতায়াতরে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন ব্যবহার করতে বলছেনে- বিমান, এম্বুলন্সে। অথচ অর্থাভাবে আমরা তার জন্য কোনো এম্বুলেন্সের যোগান দিতে পারিনি। শাশ্বতকে তাই বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে উপরে চাটাই দিয়ে ঘেরা ভ্যান ভাড়া করতে হয় আমাদের। ছোট্ট জায়গা, শাশ্বতর স্থান সঙ্কুলান হয় না, হাঁটু ভাজ করে কুঁকড়ে পড়ে থাকে। আর পাশে তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ক্র্যাচ দু'টো। দরিদ্র ভ্যানওয়ালা বোঝে শাশ্বত'র কষ্ট। তাই পরম যত্নে ওকে টেনে নিয়ে চলে স্টেশনের দিকে। স্টেশনে এসেও ভ্যান ড্রাইভার ভাড়া নিয়ে চলে যায় না। বরং শাশ্বতকে ট্রেনে তুলে দিয়ে তবেই তার স্বস্তি।
শাশ্বতদের বাসায় যে মাসীমা কাজ করেন, তিনি বছরখানকে ধরে জমানো সবটুকু টাকা শাশ্বতর বাবার হাতে তুলে দিয়েছেন চিকিৎসার জন্য। শাশ্বতদের বাড়িতে মা আর বোনকে দেখে মুগ্ধ হলাম আমরা। মা শিখা সত্যর অভিব্যক্তিতে আবেগের প্রকাশ কম। তবে স্পষ্ট বোঝা যায়, অনেক কিছু মেনে নিয়ে তাকে স্থিরতার আবরণে নিজেকে আটকে রাখতে হয়। তার জানা আছে তিনি ভেঙে পড়লেই স্বামীকেও হারাতে হতে পারে। স্থির শান্ত মা তাই ছেলের অপেক্ষায় বড় রাস্তার পাশে হারিকেন হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমাদের সাথে দেখা হতেই আন্তরিক স্বরে কথা বললনে, এরপর ধীরে সন্তানের পিঠে হাত রাখলেন,আবেগের প্রকাশ ঠিক এতটুকুই। কিন্তু মায়ের চোখের দিকে তাকাতেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেল, চোখের মাঝে কেমন জানি আর্তি, অসহায়ত্ব। দরিদ্রতার সাথে লড়াই আর অসুস্থ ছেলের জন্য ক্রমশ কষ্ট পেতে পেতে ভেতরে ভেতরে তিনি ততটাই অস্থির বাহিরে যতটা স্থির।
রাতে খাওয়া শেষে ধীরে ধীরে শাশ্বতর বাবা আমাদের জানালেন শাশ্বতর পুরা ইতিহাস। জানলাম পাঁচ বছর ভুল চিকিৎসা অতঃপর একজন সৎলোকের সারাজীবনের আয় ১৫-২০ লক্ষ টাকা নিজ সন্তানকে বাঁচাতে ব্যয় করে নিঃস্ব হবার সেই করুন কাহিনী। রিটার্য়াড করা ট্রেড ইউনয়িন নেতা আমাদের জানান- যেকোনো দিনের নোটিশে এই কোর্য়াটার ছাড়তে হতে পারে তাদের। নিজের কোন বাড়ি নেই, সম্পত্তি নেই। এই কোর্য়াটার ছাড়লে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন অরুণ সত্য জানেন না। বাবা মায়ের আশা যদি এবার শাশ্বত বেঁচে যায়, তবেই তাদরে কষ্ট র্স্বাথক হবে।
শাশ্বত সেদিন বলেছিল প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ও দুবার আত্মহত্যা করতে গিয়েছিল, কিন্তু পারেনি। বেঁচে থাকার আনন্দ সে উপভোগ করতে চেয়েছিল, কিন্তু এঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস নামের কুৎসিৎ অসুখটা ওর প্রতি মুহুর্তকে নরক আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। অথচ শাশ্বত সত্য নামের সাদামাটা ছেলেটা শুধুই বাঁচতে চায়। অনেক তো হলো ভারী পাথরের মত জীবনকে নিয় টেনে বেড়ানো।
কিন্তু আর কতোটা পথ পেরোবে ছেলেটা এই বিভৎস যন্ত্রণা কাঁধে করে । শাশ্বতর জনক-জননী আর কতোদিন নীরবে সহ্য করবেন তাদরই চোখের সামনে সন্তানের ধুকতে ধুকতে মৃত্যুর দিকে এগিয়ি যাওয়া। বাবা-মা যে আজ কর্পদকহীন। তাই ক্ষরণ তাদের চলতে থাকে ভেতরে ভেতর। চিকিৎসা না হলে সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও তাদের আর কিছুই করার থাকে না। আর কিছুই করতে না পারার যন্ত্রণা যে কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা অরুণ ও শিখা সত্য ভালোভাবেই উপলব্ধি করেন।
তবুও শুধু ঐ পরিবারের ভালোবাসাতেই শাশ্বত সুর্দীঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। আর আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ছে সে। শাশ্বত-চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ৩৫ লক্ষ টাকা তুলতে সবাই আমরা পথে নেমেছি। সমাজর্কম বিভাগের আরিফ হুইল চেয়ার ঠেলে এসেছিল শাশ্বতকে ভালোবাসা জানাতে। গণযোগাযোগের শাহজালাল ক্র্যাচ নিয়েই আমাদের সাথে কাজ করে চলেছে। টেন্টে-এ বসছে, টাকা তুলছে শাশ্বতর জন্য। ঐ যে ভ্যানওয়ালা, শাশ্বতর বাসার মাসীমা, বিভাগের শিক্ষার্থী-র্কমচারী; আমরা যারা ওকে ভালোবসেছি- তারা কি পারব না ওকে বাঁচাতে!
অবশ্যই পারব। শুধু প্রয়োজন আপনাদের আর্থিক সাহায্য আর আর্শীবাদ। আপনাদের ভালোবাসায় আবার বেঁচে উঠুক আমাদের শাশ্বত।
আমরা চাই, এরপর চিকিৎসা শেষে শাশ্বত দেশে ফিরুক এক মিষ্টি রোদেলা সকালে। স্ট্রেচারে নয়, বাবা-মা'র হাত ধরে সগবর্গ পা ফেলুক নিজ দেশ বাংলাদশে।
শাশ্বতর জন্য সহায়তা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন, আ-আল মামুন, সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদকিতা বভিাগ, রাজশাহী বশ্বিবদ্যিালয়। সলে-ফোন: ০১৭১২০৬১৮০৪। সরাসরওি সহায়তা করতে পারনে: শাশ্বত চকিৎিসা সহায়তা, সঞ্চয়ী হসিাব নম্বর: ৩৪২৬০৪৯৮ অগ্রণী ব্যাংক, রাজশাহী বশ্বিবদ্যিালয় শাখা, রাজশাহী এবং সঞ্চয়ী হসিাব নম্বর: ১৩৫-১০১-৩৩৭০৫। 135-101-33705| Swift Code: DBBL-BD-DH-100, Dutch-Bangla Bank Ltd., রাজশাহী শাখা।
পুনশ্চ: শাশ্বতকে নিয়ে আমাদের ভালোভাসায় সারা দেশের মানুষ সাড়া দিচ্ছে...দেশের বাইরে থেকেও আমরা সাড়া পাচ্ছি। আমাদের সহায়তা-তহবিল ১৪ লক্ষ টাকা অতিক্রম করছে এখন- প্রতিদিনই ফান্ডে টাকা জমা পড়ছে। আমরা পরিল্পনা করছি আগামী সম্পাহ নাগাদ শাশ্বতকে ভেলোর পাঠিয়ে দেব, চিকিৎসা শুরু হবে। বাকি টাকাও যথাসময়ে উঠে যাবে।
সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানাই।।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শাশ্বত ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
লেখাটা ভালো হয়েছে। এই ১৪ লক্ষ টাকার মধ্যে আপনারা বিভাগ থেকে কয় টাকা তুলেছেন?
লেখক বলেছেন: বিভাগ থেকে বলতে আপনি কী বুঝাচ্ছেন? বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কয় টাকা দিয়েছে, নাকি তাদের উদ্যাগের রেসপন্স হিসেবে কয় টাকা উঠেছে?
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
বিভাগ থেকে বলতে বোঝাচ্ছি, ব্লগারদের উদ্যোগ ও ঢাকার নাটকের উদ্যোগের বাইরে কতো টাকা তুলেছেন? বিশেষ করে রাজশাহী থেকে কতো পেয়েছেন তা বললে আরো ভালো হয়।
ঢাকায় নাটকের উদ্যোগ কারা নিয়েছল? ঢাকা থিয়েটার কিসের ভিত্তিতে নাটক করলো? এটা কিন্তু বিভাগের সাথে একটা েযীথ উদ্যাগ ছিল।
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
না, মামুন সাহেব, ব্লগার বলতে আমি পারটিকুলার এই ইস্যুতে কালপুরুষ, ক্যামেরাম্যান, নেমেসিস, দীপুদের বুঝি। তারাই পুরো প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে ক্ষমতাবান ছিলো। আমরা তা স্পষ্ট দেখেছি। আপনি আমার প্রশ্নের জবাবটা দেননি। আপনার জন্য আরো সহজ করে দিই। ঢাকার ব্লগাররা যে টাকা তুলে দিয়ে শাশ্বত'র কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে এসেছিলো, তাদের বাইরে কতো টাকা উঠেছে?
মিলটন বলেছেন:
শাশ্বত সুস্থ্য হবে, আমরা সহ এখন পুরোদেশবাসী এটাই চায়। এখন আর আলাদা করার কোন প্রয়োজন নেই কার উদ্বোগে কত টাকা উঠেছে। কারণ সবাই যার যার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ করেছে, করছে এবং করবে। সুতরাং আমাদের মাথায় একটা জিনিস সবসময় রাখতে হবে যে, এই বাংলাদেশ সহ দেশের বাহিরে যারা যারা এটা নিয়ে কাজ করেছেন সবাই একটি সত্তা। এখানে মামুন স্যার বা আমি মিলটন বা টুটুল বা মেজবাহ বা কৌশিক আলাদা কেউ নন। এখানে কেউ নেতৃত্ব দেয় না। সবাই সবাইকে সন্মান করে। সবাই সবার ভালোটা এপ্রিশিয়েট করে। আর সবার ভুলটা সবাই ভুলে যায়।
লেখক বলেছেন: আপনার বুদ্ধিদীপ্ত এবং সুবিবেচনাপ্রসূত মন্তেব্যর জন্য ধন্যবাদ।
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
মিলটন বলেছেন: ... সবাই সবাইকে সন্মান করে। সবাই সবার ভালোটা এপ্রিশিয়েট করে। আর সবার ভুলটা সবাই ভুলে যায়। দীপুর গালিগালাজগুলো এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন?
লেখক বলেছেন: দীপু অনেক অশালীন গালাগালি করে নিজে কোন স্তরের মানুষ সেটা পরিস্কার করে দিয়েছেন। সেই সাথে আমি মনে করি, শাশ্বত সহায়তা তৎপরতায় আমার ব্লগ এবং সামহোয়ার ইন ব্লগের যে মহান ভূমিকা থাকতে পারত তা নষ্ট করে দিয়েছেন। কিন্তু একজন দীপু বা তাদের মতো লোকদের জন্য তো এতোবড় একটা মহৎ উদোগ থেমে থাকতে পারে না। দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়া এবং শিল্প ব্যক্তিত্বরা এগিয়ে এসেছেন।
আপনি সবচেয়ে সক্রিয় যাদের কথা বললেন, তাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বলছি যে, তারা বসুন্ধরা সিটিতে দাঁড়িয়ে বে....শ টাকা উঠিয়েছিলেন। আর পত্রিকায় নাম প্রকাশ না হওয়ায় ব্যপক ক্ষুব্ধও হয়েছিলেন। আর প্রথম আলো'র শওকত হোসেন মাসুম একজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিজে দুইলাখ টাকা নিয়ে ব্লগের একাউন্টে জমা দিয়েছিলেন। এই টাকাটা বিয়োগ করে দ্যাখেন তো, ব্লগের সংগ্রহীত টাকা কত দাঁড়ায়?
এসব হিসেব-নিকেশ বাদ দেন। ভালোবাসার টানে যদি কাজ করতে চান তাহলে দুই টাকা দিলেও যা, দুই লাখ দিলেও তা। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাজ করাও যা, ফোনে ১০ জায়গায় যোগাযোগেও একই ফল আনে। নিজের কাছে পরিস্কার থাকা দরকার যে, নাম কামানের জন্য কাজ করছি নাকি ভালোবাসার টানে করছি।
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
সহজ বলেই আমি অঙ্কটা করতে পারছি। সেই অঙ্ক অনুযায়ী শাশ্বত'র কফিনে শেষ পেরেকটা ঠোকা হয়নি। আমি এখন সেইসব ব্লগারদের আমন্ত্রণ জানাই, যারা শেষ পেরেকটা ঠুকতে গিয়েও পারেননি, তারা আবার রাজশাহী গিয়ে শেষ পেরেকটা ঠুকে আসুন।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
রাজিব ফেরদৌস, আপনার খায়েশ হয়েছে রাজশাহী এসে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেয়ার? যদি খায়েশ হয় তাহলে বকবক না করে রাজশাহী আসেন। এসে পেরেক ঠোকার চেষ্টা। এবার কার কোন জায়গায় পেরেক ঠোকাইতে হয় বুঝাইয়া দিবো। অভদ্রদের সঙ্গে আর সৌজন্যমূলক আচরণ আমরা করবো না।
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
অতো বকবক করেন না। আপনাদের মুরোদ দেখা আছে। আপনাদের শিক্ষককে যা ইচ্ছা তাই বলে গাল দেয়ার পরেও আপনারা যা করেছেন তা তো দেখেছি। এখন আবার পেরেক ঠুকতে গেলে করবেন টা কি? আগের বারের মতো এবারো তাদেরকে লালগালিচা সংবর্ধনা দিয়ে খুশি হওয়া ছাড়া আপনারা কি আর কিছু করতে জানেন?
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
জনাব রাজিভ, এবার আইসা দেখেন। গতবারে মিডিয়া স্টক হোল্ডার, দীর্ঘদেহী বুদ্দিজিবি, কাঁচা-পাকা শয়তান, নধরদেহীর রাজশাহী আগমেনর খবরে সারারাত জেগে স্টেশনে মশার কামড় খাইছিলাম। এবার পেরেক নিয়া আপনি আসতে চাইলে আপনার জন্যও অপেক্ষা করবো। কিন্তু ফিরে যাওয়ার সময় সিটে বসতে পারবেননা। বিকজ, পেরেক জায়গা মত লাগাইয়া দিবো। পাইশতে পারলেন কি?
আরিফ রেজা খান বলেছেন:
দালালি না কইরা ঝাইড়া কাশেন। আপনি কি কইতে চান পরিষ্কার কইয়া ফ্যালান। @ রাজীব
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
কোনটা জরুরি?
শাশ্বতকে নিয়ে অনাহূত বিতর্কের সৃষ্টি নাকি ওর চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসা ?
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন: অতো বকবক করেন না। আপনাদের মুরোদ দেখা আছে। আপনাদের শিক্ষককে যা ইচ্ছা তাই বলে গাল দেয়ার পরেও আপনারা যা করেছেন তা তো দেখেছি।
রাজিব ভাই,
আমাদের স্যারকে যখন কেউ গালাগালি করলো তখন আপনি কোথায় ছিলেন? একটিবারও তো প্রতিবাদ করেননি। তবে কি আড়ালে বসে স্যারের অপমান দেখছিলেন?
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন: জনাব রাজিভ, এবার আইসা দেখেন। গতবারে মিডিয়া স্টক হোল্ডার, দীর্ঘদেহী বুদ্দিজিবি, কাঁচা-পাকা শয়তান, নধরদেহীর রাজশাহী আগমেনর খবরে সারারাত জেগে স্টেশনে মশার কামড় খাইছিলাম। এবার পেরেক নিয়া আপনি আসতে চাইলে আপনার জন্যও অপেক্ষা করবো। কিন্তু ফিরে যাওয়ার সময় সিটে বসতে পারবেননা। বিকজ, পেরেক জায়গা মত লাগাইয়া দিবো। পাইশতে পারলেন কি?যাক লাল গালিচা শিকার করলেন। এবার বলেন, কোন পেরেকটা ব্যবহার করবেন? আপনারা আগেরবার যেটা খেয়েছিলেন সেটা?
আরিফ রেজা খান বলেছেন:
আজাইরা আবালের মতোন প্যাচাল পাইড়েন না। আপনে তো দেখলাম দুধের শিশু। দুই দিন আগে ব্লগে আইসা এতোকিছু নিয়া ভাবার দরকার নাই। আগে বুঝেন বিষয়টা। তারপর লাগতে আইসেন। @ রাজীব
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
রাজিভ সাহেব, আগেরবার ভদ্রতা দেখিয়েছিলাম বলেই আজকে আপনার মতো ব্লগাররা এইসব কথা তুলছে? তাহলে কি ভদ্রতা দেখানোটাই আমাদের অন্যায় হয়েছে? যদি তাই হয়, তাহলে তো বলেছিই, এবার আর ওসবের ধারপাশ দিয়ে যাবো না।
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
কবি সুমন, এভাবে বলছেন কেন? আপনার ভক্তকূলকে চটাবেন না কি?
আরিফ রেজা খান বলেছেন:
কি কইতে চান অহনও পরিষ্কার করেন নি আপনে। নাকি পরিষ্কারে স্বভাব নাই। আবর্জনার মধ্যেই থাকতে পছন্দ? @ রাজীব
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন: রাজিভ সাহেব, আগেরবার ভদ্রতা দেখিয়েছিলাম বলেই আজকে আপনার মতো ব্লগাররা এইসব কথা তুলছে? তাহলে কি ভদ্রতা দেখানোটাই আমাদের অন্যায় হয়েছে? যদি তাই হয়, তাহলে তো বলেছিই, এবার আর ওসবের ধারপাশ দিয়ে যাবো না।এর নাম যদি ভদ্রতা হয় তাহলে আপনাদের বাইরে আসার দরকার নাই। আড়াল নিয়ে ঘরে বসে থাকেন।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
রাজিভ, আমরা কি করবো না করবো তা আপনার না ভাবলেও চলবে। কিন্তু খোদা না খাস্তা এইবার যদি আপনাদের মতো কুলাঙ্গাররা ঝামেলা পাকান তাহলে বুঝায়ে দিতে এক কাঠিও কম যাব না। এইটা বলে রাখলাম।
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
আ.রে.খা. আয়নার সামনে দাঁড়ায়, আয়নায় কুত্তার ছবি ভেসে উঠে১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
জন্মের পর আ.রে.খা-র চেহারাটা ছিল কুত্তার মতো। পাড়া-প্রতিবেশীরা বলতো প্রতিবন্ধী। কিন্তু আ.রে.খা-র মা জানতো এর গূঢ়রহস্য। সাধারণ খাবারের চেয়ে মনুষ্য নিসৃত হলুদ দূর্গন্ধ জাতীয় পদার্থের দিকেই ঝোঁক বেশি ছিল আ.রে.খা-র। মানুষ দেখলে ঘেউ ঘেউ করে কান্নাকাটি করাও ছিল তার আরেকটি বৈশিষ্ঠ্য। এমনিতেই মল-মূত্রের প্রতি অদম্য আগ্রহ সঙ্গে ঘেউ ঘেউ স্বভাব-স্বভাবতই তার ধারে কাছে কেউ ভিড়তোনা। এক পড়শীতো একদিন বলেই ফেললো-''তুই আমাগো লগে মিশবিনা। তোরে কুত্তার লাহান লাগে।''
আ.রে.খা-র দুঃখের অন্ত নেই। চার পায়ে (২ হাত + ২ পা) ভর দিয়ে সে দোকানে যায়। বড় একখান আয়না নিয়ে আসে বাড়িতে। খুব যত্ন করে আয়নাখান দাঁড় করায় বাড়ির ড্রইংরুমে। আয়নার সামনে দাঁড়ায়। দেখে একখান কুত্তার ছবি। আ.রে.খা. সরে যায়। আয়নার কুত্তাটাও সরে যায়। আ.রে.খা. পেছনে তাকিয়ে দেখে কেউ নাই। আবার আয়নায় তাকায়। আবারো কুত্তার ছবি ভেসে উঠে আয়নায়। ঘেউ ঘেউ করে চিৎকার দিয়ে মাকে ডাকে আ.রে.খা.-''মাগো দেইখ্যা যাও, আমারে কুত্তার লাহান লাগে।'' মা ছুটে আসে। আ.রে.খা.-রে বুকে টেনে নিয়ে বলে-''বাপরে, তুই আমারে ক্ষমা কইরা দে। এক রাইতে ভুল কইরা তোর বাপ মনে কইরা কুত্তার লগে জেনা করছিলাম''। আর শুনতে চায়না আ.রে.খা। মা'র বুক থেকে বের হয়ে ঘেউ ঘেউ করে দৌড়ে চলে বাপের খোঁজে।
আরিফ রেজা খান, আপনার চোখে নিশ্চয়ই উপরের পোস্টটা পড়েছে? এবার সুজন সাহেব বলেন, আপনারা কতোটা কি বুঝাতে পারেন?
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
জনাব রাজিভ, এই পোস্টটা এখানে তুলে দিয়ে আপনি নিজেও আপনার অবস্থান এই পোস্টদাতার সমকক্ষ পর্যায়ে নিয়ে গেলেন। আমার কোন বক্তব্য নেই। খালি আমরা এখন মাপতে বসব, কে বড় কুলাঙ্গার আপনে না আপনার বস?
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
আর এই পোস্ট তুলে দিয়ে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন সেটাও বুঝাতে সক্ষম হননি। অতএব কাটেন এইখান থেকে।
আরিফ রেজা খান বলেছেন:
অণুগল্প অথবা গালগল্পো: ফেকাই খীকুর দুগ্ধ খামার০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০২
ফেকাই খীকুর নামখান নিয়া তার নিজেরই কষ্টের সীমা পরিসীমা নাই। অবশ্য তার কষ্ট পাওনের যথেষ্ট কারণ আছে। বন্ধু-বান্ধবের কাছে প্রায়ই হেনস্থা হওন লাগে। নামের পেছনে যে ইতিহাস সেইটাও খানিকটা বিব্রতকরই বটে। জন্মের পর তার মাইনষের মতোন হাত-পা, চোখ, কান সবই আছিলো। কিন্তু তারপরেও কি কারণে জানি তারে মানুষের বাচ্চার বদলে কুত্তার বাচ্চার মতোনই লাগতেছিলো। গলার আওয়াজও আছিলো কুত্তার মতোন- খেক খেক। সেই থেকে বাপমা হের নাম দিয়া দিলেন খীকু। খেক খেক থাইকা খীকু। বড় হওনের পর অবশ্য খীকু তার নামের আগে ফেকাই বসায়া নিজেরে কুত্তার চাইতে আলাদা করনের বহুত চেষ্টা নেয়। তারপরেও বাপমার দেয়া নামের কারণে বন্ধু মহলে যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয় তাকে।
খীকুর বহুত দিনের শখ আছিলো ফিল্মের হিরো হওনের। বাংলা ফিল্মের রগরগা কাহিনীর লগে নিজেরে সে বহুত কল্পনা করছে ছোটবেলা থেকে। মাগার কামের কাম হয়নি। শেষ বেলায় এফডিসি চত্বরে ঘুরতে ঘুরতে যখন জুতার তলা ক্ষয় হওনের পথে, তখনই একদিন খীকু অফার পাইলো আমার শেষে কাজ করনের। আমার শেষ একখানা পত্রিকা। খীকু সেইখানে বিনোদনে কাজ করবার পাইরা যারপর নাই আনন্দিত হইলো। এরপর আবার তার এফডিসি চক্কর বাইরা গেলো। খীকু এইবার নিজেরে মহান হাম্বাদিক হিসাবে জাহির করনের লাইগা হাম্বা হাম্বা বাড়ায়া দিলো। খেক খেকের চাইতে হাম্বা হাম্বা তারে অনেক বেশি মানায়াও গেলো। খীকুর দাম বাড়ছে। কাটপিস তৈরি করা পরিচালক আর প্রযোজকগো মধ্যে খীকুর কদর বাড়লো। খীকু ক্যামেরার পিছনে পাত্তি লয় আর ক্যামেরার সামনে আদিলীলা চলে। খীকুর গরম লাগে। খীকু কিছু কইতে পারে না। এইভাবেই কাটলো অনেক দিন। এরপর একদিন আমার শেষ থাইকা খীকুর প্রদায়কগিরি শেষ হইলো। কিন্তু খীকুর গরম তখনো যায়নি। অনেক ভাইবা চিন্তা খীকু গাভীর দুগ্ধখামার করনের পরিকল্পনা করলো। যেই পরিকল্পনা সেই কাজ। গইড়া উঠলো খীকুর দুগ্ধখামার। চরম গরমে খীকুর প্রাণ ওষ্ঠাগত হইলেই খীকু তার খামারে যাইতো। খীকু সেইখানে আরাম বোধ করে। এখনো চলতাছে সেইভাবে। খীকু আর তার দুগ্ধখামার তেমনই চলতাছে। খালি একটা জিনিস বদলাইছে, খীকুর খেক খেক গেছে, অহন হাম্বা হাম্বা চলতাছে। জয় হো ফেকাই খীকু। জয় হো হাম্বা। জয় হো খীকুর দুগ্ধ খামার।
চাইলে এইখানে আপনি নিজেরেও কল্পনা কইরা নিবার পারেন। @ রাজীব
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
আরিফ সাহেব, আমি নিজেও এইটা পড়েছি। অতএব আমাকে দেখানোর দরকার নেই। আপনারা যা খুশি করেন ভাই। আমি চললাম।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
অনেক আগেই এই মন্তব্যটা আপনার দেওয়া উচিত ছিলো? যাহোক গন্ডারদের উপলব্ধি একটু দেরিতেই হয়।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
রাজিভ, আমার ব্লগে একটু আসেন। দাওয়াত থাকলো।
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
রাজিবের জ্ঞাতার্থে এই লিংকগুলো দেয়াClick This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
এই পোস্টগুলির সময় এবং পরবর্তী প্রায় সব সময়ই শাশ্বতর কাজের সাথে আমি জড়িত ছিলাম। আর এ কারণেই আমি ভাগাভাগি করতে চাচ্ছি না কে কত খানি করেছে। দুয়েকজন মন খারাপ করে কাজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন তো, হাজারজন পাশে এসে দঁাড়িয়েছেন। আমি রাজিবকে চিনি না। কিন্তু এই লেখায় তার মন্তব্য দেখে সন্দেহ হচ্ছে তিনি শাশ্বতর কফিনে পেরেক ঠোকা লোকজনের প্রেতাত্মা কি না। হোন বা না হোন একটা স্পষ্ট কথা শুনে রাখেন। প্রেতাম্তারা চিরকাল অন্ধকারেই থাকবে। আর শাশ্বতররা অসংখ্য মানুষের ভালোবাসায় আবার আলোকিত হবে। মানুষের ভালোবাসার কাছে প্রেতাম্তাদের বিসাক্ত নিঃশ্বাস ম্লান হবেই।
জুয়েল রানা বলেছেন:
জয় হোক সত্যের। অবসান হোক এই দুঃখজনক বিতর্কের।
কৌশিক বলেছেন:
+
সৌমিত্রমজুমদার বলেছেন:
শাশ্বতকে নিয়ে আজে বাজে মন্তব্য না করে আমাদের সবার উচিত তার পাশে দাঁড়ানো।
শাশ্বতরা কখনও হারে না, হারতে পারে না।
ধন্যবাদ মামুন স্যার অাপনাকে।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন: না, মামুন সাহেব, ব্লগার বলতে আমি পারটিকুলার এই ইস্যুতে কালপুরুষ, ক্যামেরাম্যান, নেমেসিস, দীপুদের বুঝি। তারাই পুরো প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে ক্ষমতাবান ছিলো। আমরা তা স্পষ্ট দেখেছি। রাজিব ফেরদৌসের মন্তব্যে নো কমেন্টস।
জ্বী, প্রিয় ব্লগার, আপনাদের বলছি-আমি বা আমার মত অনেকেই এই মন্তব্যের পর নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন মি: রাজীব ফেরদৌস কে ? বা কার নিক !!
আমি অশ্লীলতাকে ঘেন্না করি, সে শিক্ষা টুকু আমার বাবা-মা আমাদের শিখিয়েছেন।
জয় হোক শাশ্বতের। জয় হোক মানবতার।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















