রা.বিতে ছাত্র-শিবির আয়োজিত মানববন্ধন
২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
“ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে”।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
ইসলামের বিরুদ্ধে কবে ষড়যন্ত্র হলো? তার মানে, মুজাহিদ এর নাম ইসলাম নাকি?
রাজিব ফেরদৌস বলেছেন:
এভাবে মাথা নিচু করে বসে থাকলে ওই শুয়োরদের গুতোই খেতে হয় আমাদের, পিয়াল সাহেব। উঠুন, আসুন, শুয়োর খেদাই।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
ছাগুবন্ধনে প্রচুর ছাগের আগমন লক্ষ করা যাচ্চে
ক-খ-গ বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল শুয়োরের মত নিরীহ প্রানীকে অপমান করার অধিকার কারো নেই। এগুলো জন্ম পরিচয়হীন হারামী, শুয়োর না।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
মৌ...............চা...............কে...........ঢি.......ল!!! মারা শুরু হইল। ভাই তাড়াতাড়ি মুছে দেন।।। ব্যান খাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
সিটিজি সমস্যা কি ?
রাঙা মীয়া বলেছেন:
শিবির কি কইছে ? সেইটা কন
লেখক বলেছেন: কী কইতে পারে আন্দাজ করে নেন। তারা দলীয় ব্যানারে এই আয়োজন করে নাই- ফলত বুঝতেই পারছেন, দয়ীয় বক্তব্যো ছিল না।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
সিটিজি৪বিডি, তোরে গণ দেওনের কাম।
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল
আসামী বলেছেন:
একটা (-) দিয়ে ছাগুদের পাছায় লাত্থি দিলাম।
নাভদ বলেছেন:
@ লেখক,
আচ্ছা আপনাদের ইউনি তে প্রচুর শিবির এর পাবলিক (টিচার + ছাত্র)...
এদের একটা লিস্ট কি বানিয়ে রাখা যায়.... তাহলে অন্যরা সাবধান থাকতে পারত এই সবদের কাছ থেকে...
আপনার নিজ নামে যদি প্রকাশে সমস্যা থাকে তাহলে অন্য কারো মাধ্যমে প্রকাশ/ প্রচার করা যায়।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
নির্বাক সুশীল বলেছেন: সিটিজি৪বিডি, তোরে গণ দেওনের কাম।আমি কি অপরাধ করেছি বলবেন কি?
অসভ্য ভাষায় গালি দেন কেন?
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
শিবির কি কইছে ? সেইটা কনতারা কইছে-`ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুসলমানদের জমি বিক্রি করা টাকায় প্রতিষ্ঠিত। সেখানে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তির প্রতিবন্ধকতা ইসলাম ও মুসলমানের বিরুদ্ধে চক্রান্ত।'
জিনাত বলেছেন:
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: নির্বাক সুশীল বলেছেন: সিটিজি৪বিডি, তোরে গণ দেওনের কাম।কারণ আপনি এমন একটা দলের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ গালি উপহার না দিয়া নিরপেক্ষ থাকলেন......গালিনা দিলে কি আধুনিক হওয়া যায়?যত গালি তত আধুনিক,স্মার্ট,
তাপস ঘোষ বলেছেন:
শিবিরের বাচ্চাদের জন্যই তো আজ দেশের এই অবস্থা..........। এই সব কুলাঙ্গারের বাচ্চাদের জন্য আবার সরযন্ত্র কিসের........?
এই সমস্থ রক্ত খেকোরাই তো ইসলামের মূল সরযন্ত্রকরী......।
এই বেটারা তো শুধু রক্ত চাই রক্ত .......। তাই নয় কি..........?
জিনাত বলেছেন:
তাপস ঘোষ বলেছেন@আপনি তো সচেতন নাগরিক........গালি থেকে আপনি বির থাকুন
নাভদ বলেছেন:
আ-আল মামুন বলেছেন: সেটা বোধহয় সম্ভব নয়। কারণ প্রকাশ্য-গোপন দুইধরেনরই কর্মী-সমর্থক আছে। আবার ক্ষমতার সুবিধা নিতে আবছা সমর্থক, এবং হার্ডেকার কর্মীরাো আছে- বাছাই করা মুশিকল।
========================================
আমি কয়েকদিন আগে খালেক স্যার, হাসান আজিজুল হক স্যার, মোজাফ্ফর স্যরের বাসায় গিয়েছিলাম... একথা লিখছি এটা বলার জন্য যে আপনাদের ইউনির অবস্থা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত আইডিয়া কিছুটা আছে - কি পরিমান দমবন্ধ করা অবস্থায় ওখানে প্রগতিশীলদের থাকতে হয়। আপনি নিজ নামে লিখছেন এখানে। আমার পক্ষে বলা যতটা সহজ ওখানে একাজ (লিস্ট) করা হয়তো ততটা সহজ নয় প্রকাশ্যে।
তাই প্রকাশ্যে না করে আপনার দেয়া ক্লাসিফিকেইশন দিয়েই তৈরী করা যায়।
যেমন: প্রকাশ্য-গোপন- ক্ষমতার সুবিধা নিতে আবছা সমর্থক- হার্ডকার কর্মী। ইত্যাদি।
ভাল থাকবেন।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
জিনাত বলেছেন: সিটিজি৪বিডি বলেছেন: নির্বাক সুশীল বলেছেন: সিটিজি৪বিডি, তোরে গণ দেওনের কাম।কারণ আপনি এমন একটা দলের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ গালি উপহার না দিয়া নিরপেক্ষ থাকলেন......গালিনা দিলে কি আধুনিক হওয়া যায়?যত গালি তত আধুনিক,স্মার্ট,
............................................................................................
হায়রে আমাদের শিক্ষা/শিক্ষিত জাতি/ কেউ ভুল করলে তাকে মাফ করা যায় না, গালিই শুনতে হয়। সে হয়ত ভুল করে দিয়েছে, সে তো আর জানতো না এখানে জামাত শিবিরের কোন স্থান নেই।
কুবের বলেছেন:
শিবির কি কইছে ? সেইটা কনতারা কইছে-`ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুসলমানদের জমি বিক্রি করা টাকায় প্রতিষ্ঠিত। সেখানে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তির প্রতিবন্ধকতা ইসলাম ও মুসলমানের বিরুদ্ধে চক্রান্ত।
...................................
কতাটা তো ১০০% সইত্য। প্রতিক্রিয়াশীলরাই ত ঢা.বি বানানোর জন্য ৬০০ একর জমি দান করিছিলনে।
লেখক বলেছেন: মুসলমানদের টাকায় তৈরি হলে সমস্যা কোথায় কুবের? ইতিহাস স্থান-কাল-পরিস্থিতি সাপেক্ষ। ঢ়াকা বিশ্বিবদ্যাল প্রতিষ্ঠাকালে এই অঞ্চলে এইটা মধ্যবিত্ত মুসলমান শ্রণী হয়েছিল। এটা বঙ্গভঙ্গ রদ করার পরের পরিস্থিতি। পাকিস্তানে নয় কিন্তু, এই বাংলায় তখন মুসিলম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বৃহত্তর মুসলমান সমাজের অধিকার আদায়ের জন্য। বৃহত্তর বাংলার মুসলিম সমাজ, তাদের নেতারা, এবং যারা জদি দান করেছিলেন তারা কেউই প্রতিক্রিয়াশীল ছিল না। তারা একটা লিবারেল মুসলিম সমাজ গড়ে তুলতেই এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার তাগিদ বোধ করেছিলেন। তারা চেয়েছিলেন বাঙালী মুসলিম সমাজের কূপমণ্ডুকতা-কুসংস্কার দূর হোক। সেহেতু আপনার কথার মধ্যে একভাগ সত্যি নাই।
আপনার যুক্তি পড়ে মনে হচ্ছে, তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না বানিয়ে যদি ঢাকা (বি)মাদ্রাসা বানাতেন তাহলেই সমাজের জন্য ভালো হতো!!!
বক্ররেখা বলেছেন:
ছাগু বন্ধন কি সফল হইছে ? ১ ডজন ছাগল দেখি পোষ্টে প্লাস দিয়া গেছে? ব্লগে ছাগলের উৎপাত দেখি ভালই জমছে...........
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
কি করবো ভাই, ক্যাম্পাসের ছাগলগুলার ঘুতা খাইয়া মাথার ঠিক নাই। তাই ব্লগাচ্ছি। আর `ছাগুবন্ধনে'র ছাগুদের জুতা মারনের লাইগা প্লাস দিতাছি।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
শুওরকে গালি দেয়ায় পিয়ালকে মাইনাস ।
মিলটন বলেছেন:
তাদের কাছে জানতে চাই, ইসলামের বিরুদ্ধে কি ষড়যন্ত্র করা হলো? কেউ কি বলেছে, যে তুমি ইসলাম ধর্ম পালন করতে পারবা না? কেউ কি বলেছে, তুমি নামাজ পড়তে পারবা না। তবে সমস্যাটা কোথায়? ইসলামের দোহাই দিয়ে মানবজীবন আর কত নিষ্পেষিত (বানানটা বোধ হয় ভুল হলো) হবে? ইসলাম তো এমন জীবনের কথা বলে না।
লেখক বলেছেন: মিলটন ভাই আপনার দুটো মন্তব্যই সঠিক এবং যুক্তিযুক্ত। জঙ্গীপনা বা কট্টর ইসলামপন্থা যেন বাঙালি মুসলমান সমাজের মাউথপিস হয়ে না-উঠতে পারে তার জন্য লড়াই করাটাই সত্যিকারের প্রগতিশীলের কর্তব্য বলে আমি মনে করি। প্রগতিশীলরা যে প্রতিক্রিয়ালীলের মতো আচরণ করলে এ-সমাজের বিকাশ রুদ্ধ হবে।
@নভদ...আপনি যে প্রস্তাবনা পেশ করেছেন তা একধরনের কট্টরতা। এটা কোনো কাজের কাজ নয়। এখানে আমরা দম বন্ধ করা পরিস্থতির মধ্যে বাস করি সেকথা সত্য। কিন্তু সেইজন্য লিস্টি করা কোনো ফল বয়ে আনবে না। বরং ইসলামপন্থী এক্সট্রিমিস্টরা যে জায়গার দখল নিতে উদ্যত হয়েছে তা প্রতিরোধের জন্য যুক্তি এবং ন্যায়ের পথে এগোতে হবে....গণতান্ত্রিকভাবে। আমাদের প্রগতিশীলতার মধ্যে পশ্চিমা সেকুলারিজমের পোকা আছে সেটাো বাছাই করা দরকার।
মিলটন বলেছেন:
দোষ দুই পক্ষেরই। দাড়ি টুপি রাখলেই যেমন জামাত শিবির আর জঙ্গি হয় না তেমনি, দাড়ি টুপি না পড়েলেও মুসলমানিত্ব যায় না।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
সফল হোক। +
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল
নাভদ বলেছেন:
@নভদ...আপনি যে প্রস্তাবনা পেশ করেছেন তা একধরনের কট্টরতা। এটা কোনো কাজের কাজ নয়।
=================================
ভালো।
আপনাকে আপনাদের ইউনির একটা টিচার পরিবারের কথা বলি। যতদূর ধারনা করি আপনিও তাদের চেনেন। ১৯৭১ সালে সেই টিচার কে রাজাকার বাহিনীর সদস্যদের কাছে ধরিয়ে দেয় আরেক জামাতপন্থী টিচার --- এই দুই পরিবারই থাকত টিচার্স কোয়ার্টার এর একই বিল্ডিং এ। প্রথমজনকে তার পরিবারের সদস্যরা আর কোনদিন দেখতে পান নাই - এমনকি তার মৃতদেহও খুজে পাওয়া যায়নি। যে টিচার ধরিয়ে দিয়েছিল সে মুজিব আমলে ভয়ে ভয়ে থাকলেও পরে (জিয়া-এরশাদের সময়) সে অনেক বড় বড় পোস্ট হোল্ড করেছিল। শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার আস্ফালন দেখত সেই খুনির - কিন্তু কিছুই করার ছিল না। আর আজ মানুষ জানেও না সেই খুনির পরিচয়।
এরকম অনেক ঘটনা রয়েছে সারা বাংলাদেশ জুড়ে। তো এই ধরনের লোকেরা কিন্তু আজ আমার- আপনার আশেপাশই থাকতে পারে ভদ্রবেশে। আমরা যতই সভ্য-ভব্য আচরন করিনা কেন, এরা কিন্তু কোন সুযোগ ছাড়বে না জামাতী প্রভাব বিস্তারের। সেটা যেভাবে হোক। আর তাই সাইদুর স্যারের মত বিশিস্ট পদার্থবিদ -সজ্জনকেও পুলিশ নিগৃহীত করার সাহস পায়।
আমার মত আরও অনেকে এরকম একটা লিস্টের পক্ষে এজন্য যে একটা লিস্ট থাকলে অন্তত: চিনে তো রাখা যাবে কারা এই সেই ভয়ংকর লোক। শত্রু প্রকাশ্যে থাকলে তাকে মোকাবেলা করা সহজতর হয়, নয়কি?
আর আপনি পক্ষে নন। ভিন্নমত থাকতেই পারে। সেটাও আমি সন্মান করি। যাই হোক ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নভদ। এবার পরিষ্কার হলো। আমি ওই পরিবারকে চিনি। আপনি যে লিংকটা দিয়েছেন সেটাও দেখলাম। সত্যি যে এরকম অসংখ্য পরিবার দেশময় ছড়িয়ে আছে, যন্ত্রণাকাতর দিন পার করছে। মুক্তিযুদ্ধকালে বিদেশী পত্রিকায় প্রকাশিত কয়েক'শ রিপোর্ট ও কলাম আমি অনুবাদ করেছিলাম একসময়। সেখানেই প্রথম রাজশাহী ক্যাম্পাসের ঘটনাগুলো জানতে পেরেছিলাম এবং পরে এখানে বসবাসকালে অনেককিছু দেখার সুযোগ হয়েছে।
যাইহোক মূল পয়েন্টে আসি: 'এটা কোনো কাজের কাজ নয়' বলার পরে যে কথাগুলো বলেছিলাম সেগুলো উদ্ধৃত করলে ভালো হতো, আমার বক্তব্য কিছুটা পরিষ্কার হতো।
'এটা কোনো কাজের কাজ নয়' অর্থ কিন্তু এই নয় যে 'আমি পক্ষে নই' বরং বিপক্ষে অবস্থান করি!!
আপনার কথা ধার করি: 'শত্রু প্রকাশ্যে থাকলে তাকে মোকাবেলা করা সহজতর হয়, নয়কি?'
একথা একশভাগ সত্যি। কিন্তু শত্রু ভাববো কাকে? শুধু যারা মাঠে 'নারায়ের তকবির' ধ্বনি দেয়, অনুসরণ করে, বাউল মূর্তি ধরে টানাটানি করে ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করলো, এখানে যারা জামাত-শিবিরীয় শিক্ষক, তাদেরকে? আপনার লিস্ট করার প্রস্তাব থেকে সেটা মনে হয়। মনে হয় যেন এরকম একটা লিস্ট করে যদি আমরা চিনে নিতে পারি, তাদেরকে আলাদা করে রাখতে পারি তাহলে অনেক লিবারেল একটা সমাজ পাব, 'মৌলবাদ' সমস্যাটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসা যাবে।
কিন্তু আমার মনে হয়, এরকম লিস্ট করাটাকেই আমাদের প্রধান কর্তব্য ভাবলে আমরা শক্রুর পরিসরকে খুব সীমিত করে ফেলব। যারা মাঠ গরম করে রাখে কেবল তাদেরই শনাক্ত করতে পারব। শুধু উপরিতলেই ঘষামাজা করতে পারব, গভীরের ক্ষত গভীরেই থেকে যাবে। কারণ, যেসব প্রাতিষ্ঠানিক ও ক্ষমতাগোষ্ঠীগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থেকে তারা বিকশিত হয় এবং লাফালাফি করে ও আমাদের সমাজকে কলুষিত করে তা অটুট থেকে যাবে।
গভীর যেসব উৎস থেকে মৌলবাদিতার, ধর্মীয় অসহিষ্ঞুতার জন্ম হচ্ছে সেগুলো চিণ্হিত করা ও মেরামত করাটাকেই আমি আশু কর্তব্য বলে মনে করি। যেমন ধরেন, মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা স্বাধীনতা-উত্তর কাল থেকে এখন পর্যন্ত ক্রমাগত শক্তিশালী হয়েছে, যা ধর্মীয় অসহিষ্ঞুতা ও কূপমণ্ডকতার সৈনিক তৈরির প্রধান কারখানা- এব্যপারে উদ্যোগী হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেমন ধরেন ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী হাসপাতাল, আরও নানান প্রকার 'ইসলামী' ব্যবসা তাদের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ ক্রমাগত শক্তিশালী করে চলেছে। অর্থনীতির ওপরে তাদের দখলদারিত্ব মাঠে জঙ্গী তৎপরতা বাড়াতে সহায়তা করে।
আরও বলতে পারি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের সমাজে অত্যন্ত প্রভাবশালী। এসব প্রতিষ্ঠানে ধর্মান্ধ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির নিয়ন্ত্রণ এখনও প্রবল। আর যতোদিন তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে থাকবে, ততোদিন মাঠে কমী পেতে তাদের একটুও বেগ পেতে হবে না, সমাজের সমর্থনও তারা পেতে থাকবে।
তাদের শক্তিভিত্তিগুলো চিহ্নিত করা এবং সেসব জায়গায় জায়গায় মুক্তমনা মানুষের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা আমি প্রধান কর্তব্য বলে মনে করি।
এইসূত্রেই বলব আমাদের 'প্রগতিশীলতা'র মধ্যেও গলদ আছে- সেগুলোও শনাক্ত করা জরুরি। (তালাল আসাদ-এর ফর্মেশন অব দ্য সেক্যুলার এবং জেনিওলজিস অব রিলিজিয়ন বই দুটো যদি আপনার না-পড়া থাকে তাহলে পড়তে অনুরোধ করব। আর বাংলাদেশে মূলত ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদের শিকারদের নিয়ে বন্ধু সাইফুল হক অমি'র হিরোস নেভার ডাই বইটা যদি আপনার চোখে পড়ে তো চোখ বুলাতে বলব।)
সবশেষে বলব, শত্রুকে প্রকাশ্য করতে গেলে শুধু লিস্ট করার মধ্যে সীমিত থাকলে চলবে না, এটা গৌণ কাজ। তাদের শক্তি ও মতাদর্শিক ভিক্তিগুলো চিণ্হিত করা ও নিয়ণ্ত্রণমুক্ত করার জন্য মাঠে নামা জরুরি।
আমি এই কথাগুলোই বলতে চেয়েছি।
তানভীর রাতুল বলেছেন:
আমিন আপনার আরেকটা পোস্টে প্লাস দিয়া তো দেখি ভুল করলাম। আপনি তো মিয়া শেখ আব্দুল খালেকের মত সকাল বিকাল পলটি মারেন। নাকি এইটা সাংবাদিকতা ব্লগ?
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল
নাভদ বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধকালে বিদেশী পত্রিকায় প্রকাশিত কয়েক'শ রিপোর্ট ও কলাম আমি অনুবাদ করেছিলাম একসময়।
===================================
এটা আমার জানা ছিল না। এই রিপোর্টগুলো কি এখনও আছে? আপনি চাইলে এগুলো ব্লগে দিতে পারেন... অন্তত: একজন পাঠক অবশ্যই পাবেন!
আর আপনার উল্লেখিত অন্যান্য বিষয়গুলোর সাথে মোটামুটি একমত।
আমার জন্ম মুক্তিযুদ্ধের পরেই। কত মানুষ কত ভাবে ত্যাগ স্বীকার যে করেছেন তা যখন জানতে পারি সে সময়ের প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তখন শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। আর তারপর দেশের/ ব্লগের এইসব ড়াজাকারদের দেখতে হয়...
যেমন আপনাদের ইউনির দর্শনের রমেন স্যার। ওনার সহধর্মীনির কাছ থেকে শুনেছি তাদের সে সময়ের অভিজ্ঞতার কথা। স্যার ও ম্যাডাম '৭১ এ পশ্চিমবংগে চলে গিয়েছিলেন রাজশাহীতে রাজাকার দের উৎপাত শুরু হবার পর। সেখানে একটা কলেজে পার্টটাইম টিচারের চাকরি পেয়েছিলেন স্যার। আর সেই অল্প বেতন কিভাবে খরচ করতেন তারা? বেতনের অর্ধেক টাকা পাঠিয়ে দিতেন মুক্তিবাহিনির যোদ্ধাদের জন্য। বাকি টাকা দিয়ে তাদের কয়েকজনের পরিবারের কোনরকমে ভরনপোষন। ম্যডাম আরও কয়েকজন মহিলার সাথে টিম বানিয়ে রুটি বানাতেন আর তাদের পরিচিত মুক্তিযুদ্ধারা সে রুটি প্যকেট ভরে নিয়ে যেত সময় সময় করে। এরকম কত পরিবার রয়েছে আমাদের দেশে যারা নিজেরা কস্ট করে বীর যোদ্ধাদের সাহায্য করেছে- যে যেমন করে পেরেছে। তারা রাস্ট্র থেকে তাদের প্রাপ্য সম্মান পান নি। কারন রাস্ট্র দখলে রেখেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেনা এমন গোস্ঠী।
এসবের একটা শেষ হতেই হবে, হোক তা আজ কিংবা আগামীকাল।
অফটপিক একটা কথা বলি, যেদিন আপনি সহ চারজন শিক্ষক ছাড়া পেলেন সেদিন আমি ঢাকা থেকে রাজশাহী ইউনি ক্যম্পাসে গিয়েছিলাম।
কাজলার গেইট দিয়ে প্রবেশ করছি তখনই জানতে পারলাম যে আপনারা ফিরে আসছেন ক্যম্পাসে। তারপর টিচার্স কোয়ার্টারে পৌছে দেখলাম অনেকের মুখেই স্বস্তির চিন্হ। সবার কাছ থেকে জানলাম ..কি যে কয়েকটা দিন গেছে তার আগের কিছু সময়!
ভাল থাকবেন।
দেখেন, সহিষ্ঞুভাবে আলাপচারিতা চালিয়ে আমরা একটা বোঝাপড়ার জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি, পরস্পরের অবস্থান বুঝতে পেরেছি এবং পরস্পরকে সম্মান করছি- আমাদের করণীয় এজেণ্ডা আরও পরিষ্কার হয়ে উঠছে। কিন্তু বেশিরভাগ ব্লগার ভাবনাশূণ্য-গোবরগর্ভ-হঠকারী, আত্ম ও অপরের প্রতি শ্রদ্ধাহীন এমনসব মন্তব্য করে যে বিরক্তি ধরে যায়...নিজের রুচির বারোটা বাজে!! পক্ষ-বিপক্ষ দু'দলের কথাই বলছি।
প্রিয় নাভদ, আমারও জন্ম মুক্তিযুদ্ধের পরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্বকালে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক বইপত্র পড়েছিলাম। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ আমার কাছে জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়নি। রাজশাহীতে শিক্ষক হয়ে আসার পরে প্রফেসর গোলাম রহমান 'এ্যসাইনমেন্ট বাংলাদেশ '৭১ নামের একটা সংকলন গ্রন্থ ধরিয়ে দেন অনুবাদ করতে। বইটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মওদুদ এলাহী সম্পাদিত ও সংকলিত, ৭৫০ পৃষ্ঠা। বন্ধু-বড়ভাই ফাহমিদুল হক আমার অনুবাদ পার্টনার ছিলেন। ওর অনুবাদগুলো ও ইতোমধ্যেই এই ব্লগে পোস্ট দিয়েছে- হয়তো আপনি সেগুলো পড়েছেনও। কিন্তু আমারগুলো এখনও বস্তাবন্দি হয়ে পড়ে আছে...শুধু সাইমন ড্রিংযের প্রথম ব্রেকিং রিপোর্টটা (বিদেশে প্রচারিত প্রথম রিপোর্ট) ইউকে বেঙ্গলিতে ছাপা হয়েছিল কিছুদিন আগে, আমার এক নিকটজনের তাগাদায়। সবগুলো রিপোর্ট ও কলাম কমপোজ করে এখানে পোস্ট করে দিতে পারলে মন্দ হয় না। এর আগে ব্লগার প্রত্যু মানে টুটুল ভাইও এই প্রস্তাব করেছিল।
এপ্রঙ্গ পাড়লাম অবশ্য অন্য কথা বলতে: এ্যসাইনমেন্ট বাংলাদেশ '৭১ বইটাই সর্বপ্রথম আমাকে যুদ্ধের ময়দানে নিয়ে যায়, ১৯৭০-৭৩এর শুরু পর্যন্ত বইটিতে রিপোর্ট আছে। আমি একটানা বইটি পড়ে গেছি, বারবার বহুবার। বইটি আমাকে ধীরে ধীরে যুদ্ধের মধ্যে নিয়ে যায়। যুদ্ধের শঙ্কা-অস্থিরতা-ব্যর্থতার বোধ-কোনো একটা লড়াইয়ে জেতার আনন্দ আমাকে স্পর্শ করতে থাকে। আমি তাই বলি, যুদ্ধের পরে জন্মালেও আমি যুদ্ধ দেখেছি কিছুটা। মুক্ক্তিযুদ্ধের পরের প্রজন্মের জন্য এই বইটি তাই জরুরি পাঠ্য মনে হয়েছে আমার- সেসময় গোলাম রহমান স্যারকে অনেকবার বলেছিলাম একথা এবং প্রকাশের জন্য তাগাদা দিয়েছিলাম...তারপরে ৬ বছর পার হয়ে গেল!!
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আওয়ামী লীগসহ অন্য কোনো প্রধান দলই ধারণ করে না, আর চেতনা-বিরোধীদেরকে তো আমরা চিনিই। সুতরাং দেশের প্রকৃত বীরেরা সম্মানতো পাই-ই নি, বরং অনেক ক্ষেত্রে নিগৃহীত এমনকি নিহতও হয়েছেন এদেশে।
আপনার অপটপিক প্রসঙ্গে বলি, আমাদের মুক্তিতে অনেকের মনেই স্বস্থি নেমে এসেছিল ঠিকই, এবং এটাও ঠিক যে তারা খুবই শঙ্কার মধ্যে কিছু দিন পার করেছিলেন। কিন্তু আমার দুঃখ লাগে কোথায় জানেন, দুই-একটা ব্যতিক্রম বাদে 'প্রগতিশীল' বলয়ের 'বিবেকবান' শিক্ষকেরা তখন (হয়তো শ্রেণীগত কারণে) সাহসী-বুদ্ধিদীপ্ত-সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে পুরোপুরিই ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাদের এরকম হাজারটা ব্যর্থতাই আজকের জামায়াত-শিবীর অধ্যুষিত ক্যাম্পাস নির্মাণে নিয়ামক ভূমিকা পালন করেছিল।
যাই হোক, আমরা তবু স্বপ্ন দেখব সুন্দরের।
ভালো থাকবেন।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++
শঙ্খচীল বলেছেন:
রাজশাহীতে শিবির গার্ডিয়ানের মত। শিবির ই সবাইকে দেখে শুনে রাখে। তো এইখানে শিবির মানব বন্ধন করেছে এইটা তো খুব ভালখবর। এই ভাল খবর দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আর উপরে যে সব বেজম্মারা গালিগালাজ করেছে তাদের পশ্চাতদেশে গদাম লাথি।
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
শঙ্কছিলকে গদাম লাত্থি। অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মানব কই? আমি তো খালি শুয়োর দেখি এক পাল
কঁাকন বলেছেন:
ইহাদের শুয়রের সাথে তুলনা করার মানবসম্প্রদায়ের এহেন অমানবিক আচরনের তীব্র নিন্দা শুয়োর সমাজ জানাইয়াছে তাহারা শুয়োর বটে রাজাকার না
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















