[ ’যখন মনে হবে পৃথিবীকে আর নতুন কিছু দেবারও নেই-পাবারও নেই, প্রেয়সীকে আর আগের মত ভাল লাগছে না, একমাত্র তখনই মানুষের বিয়ে করা উচিৎ”- টলস্টয়ের এই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণিত করে মানুষের জীবনে বিয়ের সার্থকতার প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন বিজ্ঞানী -দম্পত্তি মাদাম কুরি-পিয়েরে কুরি। সংসারের গড্ডালিকা প্রবাহ তাদের ভাসিয়ে নেয়ার বদলে পেীছে দিয়েছে নোবেল পুরস্কারের বহুমাত্রিক ভুবনে। দীর্ঘদিন চিরকৌমার্যের প্রতিনিধি হয়ে থাকার পর অবশেষে পরিবারের চাপ, বন্ধুদের বিদ্রুপ কিংবা বয়সের চাহিদায় আমার হিমালয়ের বরফ যখন একটু একটু করে গলতে শুরু করেছে সে-মুহূর্তে হঠাৎ পাওয়া এক বেনামী কুরিয়ারে পুনরায় মনের মধ্যে সংক্রমিত হচ্ছে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের সহবস্থান; আমি কোন ভুল করছি নাতো? কৌতুহলদ্দীপক সেই কুরিয়ারে কী ছিল তার রহস্য উদঘাটনের নেশায় বোধকরি পাঠকমাত্রেরই ভীষণ আগ্রহ সঞ্জাত ঘটেছে , কিন্তু বিস্ময়কর লাগলেও প্রকৃত সত্য হল তাতে কয়েকটি পেপার কাটিং, কবিতা আর একটি প্রেমপত্র ছাড়া বিশেষ কিছু ছিলনা এবং এর প্রেরককেও সনাক্তকরণ সম্ভব হয়েছে যদিও অনিবার্য কারণবশত তার পরিচয় গোপন রাখতে হচ্ছে ; তবে পাঠকের স্বীয় আত্মপলব্ধির উদ্দেশ্যে কুরিয়ারের উপকরণগুলো প্রকাশ করার জন্য নিজের ভেতর এক ধরনের তাড়না অনুভব করছি। কেমন আছেন আধুনিক পিয়েরে কুরি- মাদাম কুরি’ রা, তাদের দাম্পত্য নোবেল নাকি কদবেলের প্রতিভু কিংবা রেডিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের পর এখন তাদের ব্যস্ততা কী নিয়ে - এতসব নানামুখী প্রশ্নের একমুখী উত্তর পুঞ্জীভূত আছে এই তথ্য-কণিকাগুলোতে। অতএব পাঠক...বিদগ্ধচিত্তে এগুলো পড়ুন এবং ভাবনার আলোকে করুন টলস্টয়ের পুনর্মূল্যায়ন ! ]
রিপ’লিস- বিলিভ ইট অর নট!
বিয়ের ১৩ বছর পর সম্পূর্ণ চুলশূন্য হয়ে পড়েছে নিউজার্সির মাইকেল সাদেরা’র মাথা। দাম্পত্য জীবনে অসুখী সাদেরারের স্ত্রী কলহ বাধলেই তার চুলের উপর চড়াও হত। এভাবে ১৩তম বছরে এসে মাথায় আর একটি চুলও অবশিষ্ট নেই তার। তবে এতকিছু সত্ত্বেও তার সংসার টিকে আছে এবং স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য ঝগড়ার সময় তাকে এখন মাথায় উইগ পড়তে হয়!
*স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের মামলা করার অপরাধে ৩বছর ধরে ফেরারী জীবনযাপন করছে স্কটল্যাণ্ডের এডমণ্ড পল। সংসারের যাবতীয় কাজ করানোর পাশাপাশি কোন কাজে সামান ত্রূটি হলেই পলকে নির্মম প্রহার করত তার স্ত্রী। পল বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপণ্ন হলে তার স্ত্রী তাকে ধারালো ছুরি নিয়ে ধাওয়া করে; এরপর থেকে যাযাবরের মত বেঁচে রয়েছে সে!
নতুন একটি apartment কিনতে নিজের স্বামীকেনিলামে তুলেছেন টেক্সারের ফ্লোরা ক্যাথরিন।অবশ্য পুলিশ ও অ্যামেনিস্টি ইন্টারন্যাশনালের কর্মীদের বাধার মুখে মাত্র কয়েকঘণ্টা পরই এই অভুতপূর্ব নিলাম আয়োজন পণ্ড হয়ে যায় ! *
স্ত্রীর বুদ্ধিমত shareব্যবসা করতে গিয়ে বর্তমানে ভিক্ষাবৃত্তি করছেন নিউজিল্যাণ্ডের ধনকুবের স্টিভ আর্থার। অন্যদিকে তার স্ত্রী এখন তারই এক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বন্ধুকে বিয়েকরে সুখে-শান্তিতে সংসার করছে!
স্বামীর পরকীয়া সহ্য করতে না পেরে
স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা!
...................... মাহমুদ সৈকত
লম্পট স্বামীর ব্যভিচারে অতিষ্ঠ হয়ে বিষপানে আতœহত্যার চেষ্টা করেছে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার এক গৃহবধূ(২৫); আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে ,১৯৯৯ সালে কুমিল্লার আফসার হোসেনের কন্যা আসমা আখতারের সঙ্গে বিয়ে হয় হাজারীবাগের মুদি দোকানী বাদল রহমানের। তাদের ২ও ৬ বছরের দুইটি সন্তানও রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পরই আসমা বুঝতে পারে বাদলের সঙ্গে তার কুয়েত প্রবাসী বড় ভাইয়ের স্ত্রী বিলকিস বেগমের(২৭) অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে বাদলকে এতদিন কিছু বলেনি সে। দিনে দিনে বাদল বেপরোয়া হয়ে উঠলে আসমা তাকে সংশোধনের কথা বলে, কিন্তু এতে হিতে বিপরীত ঘটে: ক্ষিপ্ত বাদল ভাবীর সঙ্গে একজোট হয়ে অমানুষিক অত্যাচার চালাতে থাকে আসমার উপর। অবশেষে একসময় বীতশ্রদ্ধ আসমা ঘরে রাখা ইঁদুর মারার বিষ পান করে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। এ ব্যাপারে হাজারী বাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আসামী বাদল ও তার ভাইয়ের স্ত্রী পলাতক। যোগাযোগ করা হলে
(এরপর পৃষ্ঠা ২কলাম ৫)
আদর্শ স্ত্রী বটে!
.................
পলাশ শাহরিয়ার
হাবিবুর রহমান একজন উচ্চপদস্থ কাস্টমস কর্মকর্তা; সম্প্রতি দুদকের Elite force কর্তৃক দুর্নীতির অভিযোগে তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে তার জীবনের অজানা অধ্যায়, বিত্ত-বৈভবের উৎস , সেইসঙ্গে এক পতিব্রতা(!) রমণীর রোমাঞ্চকর ইতিবৃত্ত :
উচ্চ-মেধাবী হাবিবুর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সহপাঠী লুবনা মারিয়মকে, সততাকে জীবনের ব্রত ধরে চাকরি নিয়েছিলেন অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্থ ক্ষেত্র কাস্টমস বিভাগে।কিন্তু তার সততার স্বীকৃতি মেলেনি স্ত্রীর কাছে; তার পছন্দ বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি-দামী গহনা । এদিকে তার স্ত্রীর এক দুঃসম্পর্কের ধনী মামাত ভাইয়ের নানা অজুহাতে তাদের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত বাড়তে থাকে যে কিনা দামী দামী উপহার দিয়ে অল্পদিনেই তার স্ত্রীর প্রীতিধন্য হয়ে উঠে ;সংসারের সুখ বজায় রাখার জন্য নীতিবান হাবিবুর বাধ্য হয়েই একসময় নীতির সঙ্গে আপোস করে ফেলেন । তবে যাবতীয় লেনদেন করত তার স্ত্রী; এমনকি কর্মচারীদের প্রমোশনও নিয়ন্ত্রিত হত তার স্ত্রীর প্রত্যক্ষ ইঙ্গিতে। তাই “ লুবনা ম্যাডামের” কৃপা লাভের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অলিখিত প্রতিযোগিতা চলত। দুদকের তথ্যমতে ঢাকা শহরে বাড়ি-গাড়ি- আবাসিক প্লটমিলে হাবিবুর রহমানের সম্পদ অর্থমূল্যে প্রায়১০০কোটির কাছাকাছি।অথচ নির্মম বাস্তবতা হলো এসবের পুরো মালিকানা লুবনা মারিয়মের।এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার যোগাযোগ করতে গেলে তার ব্যবহার্য ৫টি সেলুলার ফোনের সবকয়টিই বন্ধ পাওয়া যায়! আদর্শ স্ত্রী’র চরিত্র রূপায়ণে তিনি যেন বঙ্কিম-শরতের নায়িকাদেরও হারিয়ে দিলেন!!
বেচারাস্বামী!
..............
সজল রায়
গতকাল দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটায় ইডেন কলেজের সামনে স্ত্রী-কর্তৃক স্বামী নিগ্রহণের এক অভাবনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ইডেন কলেজস্থ আজিমপুর বাসস্ট্যাণ্ডে ৩৬নম্বর বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল এক দম্পত্তি। এসময় অপেক্ষমান জনৈকা তণ্বী সহযাত্রীর ব্যাগ অসতর্কতাবশত মাটিতে পড়ে গেলে স্বামী ভদ্রলোক হাসিমুখে সেটি তুলে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রী স্থান-কাল ভুলে তাকে দশবার কান ধরে উঠ-বস করায়!মুহূর্তের মধ্যে সেখানে জনসমুদ্র তৈরি হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্ত্রী তো নয়, এ যেন আজরাইল!
যে কথা যায়না বলা
সমস্যা-১: আমার বয়স ২৯; বিয়ে করেছি ২বছর, এখনও নিঃসন্তান। আমার স্ত্রী বিশাল বড়লোকের মেয়ে; আমাদের ঘরের অধিকাংশ ঋঁৎহরঃঁৎব-ই ওর বাবার দেয়া বলে যখন-তখন এ নিয়ে আমাকে কথা শোনায়, এমনকি সামান্য মনোমালিন্য হলেই আমাকে বিছানা থেকে ঠেলে নামিয়ে দেয়- কারণ খাটটা ওর বাবার দেয়া। আবার টেলিভিশন দেখার সময় ওর পছন্দমত চ্যানেল দেখে, ড্রেসিং টেবিল আমাকে স্পর্শও করতে দেয়না, আলমারিতে অনেক জায়গা থাকা সত্ত্বেও আমি সেটি ব্যবহারের অধিকারবঞ্চিত। রিক্সাওয়ালারও জীবনে নিজস্বতা আছে, আমার তাও নেই। লোভে পড়ে কেন যে ধনীর মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম সেই অনুশোচনা ক্রমাগত আমায় ঠুকরে খাচ্ছে। কিছুদিন আগে প্রথিতযশা এক মনোবিদের চেম্বারে গিয়েছিলাম এবং তার কথায় মনে হল আমার মধ্যে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে!কিন্তু যে কোন মূল্যে আমি সুস্থ থাকতে চাই। কোনই কি উপায় নেই?
-নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
পরামর্শ: যৌতুক নেয়া দণ্ডনীয় অপরাধ জেনেও সেই অপরাধ করেছেন কোন সাহসে? ঘরের সবকিছুই যেহেতু আপনার শ্বশুরের দেয়া, কাজেই আপনার স্ত্রী’তো কথা শোনাবেই; বরং আপনাকে দিয়ে যে ঝি-চাকরের কাজ করায় না সেজন্য শোকর করুন। মানুষের চক্ষুলক্ষা বলেও তো একটা ব্যাপার আছে! আপনি নিজে ৫ পয়সার আঁধুলি,৫০০টাকার নোট গোণার স্বপ্ন দেখেন কিভাবে? আপনার মত মানুষদের জন্যই পুরুষরা আজ সর্বত্র হাসির পাত্র; ছিঃ,আপনার লজ্জা হয় না? যদিও মনোবিদরা যে কোন সুস্থ মানুষকেও মানসিক রোগী প্রমাণে সিদ্ধহস্ত, তবু আমি বলব আপনার মত মানুষের সিজোফ্রেনিয়াই হওয়া উচিৎ; জানেন না সব বিবাহিত পুরুষেরই শেষ ঠিকানা সণ্নাস! “যেকোন মূল্যে সুস্থ থাকতে চাই ..” শ্বশুরবাড়ির আবদার পেয়েছেন?
সমস্যা-২: ৫০ বছরের সংসার আমার; ছেলে-মেয়েরা সবাই বিদেশে থাকে। লজ্জার কথা কী আর বলব: কিছুদিন আগে গভীর রাতে হঠাৎ এক অপরিচিত মেয়ের নাম্বার থেকে আমার ফোনে কল আসে; মেয়েটি আমার নাতনীর বয়সী বলে তার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ রঙ্গরসাতœক আলাপ করি। ব্যস, এতেই আমার স্ত্রী’র মন বিষিয়ে উঠল, গত১৫দিন সে আমার সঙ্গে কথা বলেনা, নিজেও নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে অথচ তার হাইপ্রেসার, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগের মত জটিল রোগ থাকায় এরকম অনিয়ম শরীরের জন্য যে মারাতœক ঝুকিপূর্ণ সে কথা তাকে বলার চেষ্টা করতে গিয়ে বারবার ভর্ৎসনার শিকার হয়েছি। অন্যদিকে সে ছেলে-মেয়েদের বলে দিয়েছে এই বযসে নাকি আমি দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাচ্ছি; তারাও আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এক অভিশপ্ত জীবন বয়ে বেড়াচ্ছি আমি, কিন্তু জীবনের শেষ কটা দিন একটু শান্তিতে বাঁচার ভাগ্য কি আমার হবে না?
-শিবলি মাহমুদ, শ্যামলি, ঢাকা
পরামর্শ: পুরুষ হয়ে জন্ম নেয়ার যন্ত্রণাটা কোথায় জানেন- তারা ভাবে “ নারী ধ্যান -নারী জ্ঞান, নারী পূণ্যতীর্থ / নারী বিনে নরজীবন ১৬আনাই ব্যর্থ!”
৫০০০বছর সাধনা করেও যেখানে নারী মনের গুপ্ত আকাঙ্ক্ষার কুলকিনারা পাওয়া দুষ্কর, সে তুলনায় ৫০ বছরতো কোন নারীকে বোঝার জন্য চোখের একটি পলক পড়ার সময় মাত্র! আপনার প্রতি চিরন্তন কিছু সহানুভূতির বাক্যবর্ষণ ব্যতীত বিশেষ কিছু করতে পারছি না। ৫০বছর আগে জীবনের সবচেয়ে নির্মম-অসংশোধনীয় যে ভুলটি করেছিলেন,কবরে যাওয়ার এত কাছাকাছি সময়ে এসে সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন , কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে এমন ভাবনা অচিন্তনীয় হলেও স্ত্রীদের জন্য এটাই জীবনের শ্রেষ্ঠ সত্য! কারণ,আপনার বয়স ৭৭ হলেও আপনার স্ত্রীর মনের বয়স১৭হতে এখনও তিনমাস বাকি; সে তো সন্দেহ করবেই! তবে আপনাকে কয়েকটি কথা না বললেই নয়: দেখলেনতো আধুনিক ললনারা ফোনালাপের ক্ষেত্রে যুবক-বৃদ্ধ বাছ-বিচার করেনা!প্রতিদিন এভাবে অপরিচিত ফোন আসতে থাকলে বলা যায়না ,এই শেষ বয়সে মনের মধ্যে নিষিদ্ধ শখ(!) খেলা করলেও করতে পারে! তার চেয়ে বরং
নামায-কালাম পড়–ন,যিকির-ফিকির করে আখিরাতের কামিয়াবি হাসিল করুন। এই দুনিয়া স্রেফ মায়ার জালে বান্ধা!
# বিবাহ-স্তুতির সরলপাঠ- কুরিয়ারে পাঠানো সেই বিশেষ কবিতাটি এখানে উপস্থাপন করা হল। ব্যক্তিগতভাবে আমি এর মাধ্যমে একটি নিগূঢ় সত্যের সন্ধান পেয়েছি - “ কেন যত দোষ সব নন্দঘোষের!” পরিব্যাপ্তির মধ্যেই জ্ঞানের পরম সার্থকতা নিহিত ;সুতরাং পাঠক... নন্দঘোষের সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু অপ্রিয় বাস্তবতাকে জেনে নিন যাতে “বিপণ্ন ভবিষ্যত” এর মুখোমুখি হতে না হয় ....(চলবে
পরের পর্ব Click This Link
:
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



