বৃষ্টিক্লান্ত চুলে ঐ হাত ঝাপ্টা মারলেই
মনময় রঙিন বেলুন।
আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুঁলে
ছন্নছাড়া সুখ
কররেখায় ফুটে যেত
বিধুমুখী চাঁপা
ডাকনামে ডেকে যেত
ছড়াকাটা পাখি।
তোমার খোলা জানালায় তাকালেই
নাভিমূলে শিহরণ
তছনছ রাত
মনোময় নিমিঝিমি তারা।
তুমি আলগোছে যা কিছু স্পর্শ করেছিলে
আমিও ছুঁয়েছি তা –
চায়ের কাপ, বই, গীটার, ঘাস,
বাগানবাড়ির সিঁড়ি -
সৌবর্ণ ভোর অথবা বিমনা বিকেল !
তুমি পথে হেঁটে গেলে
অলখে হেঁটেছি সে পথ
ধুলোপথ বাঁধিয়েছি
জ্যোৎস্নার মার্বেলে,
তোমার বাড়ির পথে
বৃন্তচ্যুত শেফালির সন্তাপে
দেউলে ঘুরেছি আমি
বালিঘড়ি হাতে।
হাওয়ার উড়ানে, ও আঁচল মুখে পড়তেই
পলক ফেলিনি আমি
স্বপ্নজাগরী চোখ উড়ে গেছে তার সাথে-
হাজার মাসাকালি উড়ে গেছে ঐ পথে
উড়ে গেছে নৌকোর শাদা শাদা পাল
উড়েছে চিরল পাতা
মায়াপড়া আকাশের সেই এক আলীন উড়াল …
আসলেই
কি হয়েছে কাল?
ঐ চোখ তাকালেই
এ চোখ স্ফটিক -
স্মৃতিগ্রাস, যখনই আড়াল
আজ তাই আদি থেকে শুরু করি
মুখরিতা তোমাকে
দ্বীপবাসী নেশাচুর মনে
একটু তো মনে করি !
আলোকরা তোমাকে
ঝুমরি ছন্দে পড়ি
নামডাকা আঁধারে
হাতে নিয়ে বালিঘড়ি
শুক্তির বুকে নুয়ে পড়ি
মনে পড়ি
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


